somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

সত্য জানা কি আমাদের কপালে আছে?

০৪ ঠা মার্চ, ২০০৯ সকাল ১১:৪৫
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

কেন যেন মনে হচ্ছে এখন থেকে যা দেখব সবই সাজানো নাটক।

প্রথম আলোতে (সম্ভবত ২৭/২৮.০২.০৯) দেখলাম, বেঁচে যাওয়া একজন সেনা কর্মকর্তা বর্ণনা দিলেন কিভাবে কি ঘটল। এখন তার কথার কোন পাত্তাই দেয়া হচ্ছে না। অথচ তিনিই এখন পর্যন্ত সবচেয়ে গ্রহণযোগ্য বর্ণনা দিয়েছেন বলে মনে হল।

আমরা এখনও পর্যন্ত সেনাদের প্রতি সহমর্মিতা প্রকাশ করে আসলেও তাদের এপ্রোচটা ঠিক বুঝতে পারছি না- তারা আসলে কি চাচ্ছে? আজকের কথাই ধরুন। তৌহিদ এবং অন্যান্যদের আজ গ্রেপ্তার দেখানো হচ্ছে অথচ প্রথম দিন থেকেই নাকি (সংসদে প্রধানমন্ত্রী) তারা আটক কিংবা সেনা হেফাজতে আছেন।

আমরা যদি ২৭.০২.০৯ তারিখের কথাই ধরি, তবে দেখব সেদিন বিকেল থেকে পরদিন পর্যন্ত পিলখানার ঘটনা আমরা (সাধারণত গণমাধ্যমই আমাদের জানার মাধ্যম। সেসময় সেখানে গণমাধ্যমের উপস্থিতি একরকম নিষিদ্ধ ছিল) কেউই জানি না। সেখানকার একজন বাসিন্দার মুখে যা জানলাম তা যদি সত্য হয় তবে খুবই কষ্টের কথা হবে। কয়েকজনের ষড়যন্ত্রের শিকার দু'য়েকশ' মানুষের ভুল আবেগের জন্য চরমতম শাস্তি হয়ত পেতে হয়েছে কয়েক হাজার মানুষকে। এখন শুতে পাচ্ছি বিডিআর-এর নাম পাল্টানো হবে। ষড়যন্ত্র মূলক একটি ঘটনার জন্য একটি বাহিনীকেই শেষ পর্যন্ত লুপ্ত হতে হল? এটি শুধু বিচার নাকি ক্ষমতাবানদের প্রতিহিংসার চরমতম বহিপ্রকাশ?

আবার দেখুন, যেখানে যত তদন্ত কমিটি হচ্ছে সেখানকার বেশিরভাগই সেনা কর্মকর্তা। তাদের আলাদা তদন্ত কমিটি থাকার পরও।

আজকের প্রথম আলোতে দশ ট্রাক অস্ত্র খালাস এবং সাক্ষীদের বয়ান যদি সত্য হয় তবে আমাদের ডিজিএফআই এবং এনএসআই আমাদের দেশকে ধ্বংস করে দেয়ার জন্য যথেষ্ট। এটি নিয়েও অনেক কথাই শোনা যাচ্ছে, নিশ্চয়ই এর কোন একটি সত্য এবং অবধারিতভাবেই বাকীগুলো মিথ্যা।

শুধুমাত্র বিডিআর বিদ্রোহের কথাই যদি ধরি তবে এতদিন ধরে আমরা যে কথাগুলো শুনে এসেছি তার অনেকগুলোই পরস্পরবিরোধী। কিন্তু তাদের একজনের কথাও যদি সত্যি হয় তবে বাকীগুলো নিশ্চয়ই মিথ্যা। আমরা কি বিশ্বাস করব?

তবে একটা সংশয় এখন ক্রমাগতই ঘণীভূত হচ্ছে, শেষ পর্যন্ত কি আমরা সত্যটি জানতে পারব?
২টি মন্তব্য ২টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

দ্বিধাদ্বন্দ্ব কাটিয়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে নবীজির শেখানো এক অনন্য আমল

লিখেছেন নতুন নকিব, ১১ ই জুন, ২০২৬ সকাল ৯:০৩

দ্বিধাদ্বন্দ্ব কাটিয়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে নবীজির শেখানো এক অনন্য আমল

ছবি অন্তর্জাল থেকে নেওয়া।

মানুষের জীবন মূলত অসংখ্য ছোট-বড় সিদ্ধান্তের সমষ্টি। প্রতিটি বাঁকে, প্রতিটি মোড়ে আমাদের কোনো না কোনো... ...বাকিটুকু পড়ুন

দ্যা ফায়ার অফ মাই সউল

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ১১ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৫:১৪

আমি যে ধরণের গান পছন্দ করি, সেগুলোর মাঝে ক্বারি আমির উদ্দিনের 'কুহু সুরে মনের আগুন' গানটি আমার খুব প্রিয়। এই গানটিকে সম্প্রতি ইংরেজিতে অনুবাদ করে গান বানিয়েছি, এনিমেশন... ...বাকিটুকু পড়ুন

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬

লিখেছেন আঘাত প্রাপ্ত একজন, ১১ ই জুন, ২০২৬ রাত ৮:২৬

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬

[সম্ভাবনার ক্রমানুসারে নয়ঃ]

আর্জেন্টিনা: আর্জেন্টিনার সবচেয়ে বড় প্রতিপক্ষ তার ডিফেন্স আর ইনজুরি । ৩৮ বছরের তরুণ(!) সেন্টারব্যাক ওতামেন্দি আর কমপক্ষে এক হালি হাফ-ফিট ফুটবলার নিয়ে ১৯ জুলাই পর্যন্ত... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমার ডক্টর যেন বাঁচে ১৫০ বছর.....

লিখেছেন শায়মা, ১১ ই জুন, ২০২৬ রাত ১০:০৪



ডক্টরস, হসপিটাল এবং ওষুধ এসব নিয়ে আমার তিক্ত অভিজ্ঞতার শেষ নেই। এ কারনে আমি একদম এদের কাউকেই পছন্দ করি না। তবে কিছু তো করার নেই। জীবনের নানা সময়ে ইচ্ছের... ...বাকিটুকু পড়ুন

কবিতাঃ শরৎ বন্দনা

লিখেছেন ইসিয়াক, ১১ ই জুন, ২০২৬ রাত ১১:৫৯


শরৎ এলেই আকাশ জুড়ে সাদা মেঘের ভেলা
দিনমণি আর মেঘমালার লুকোচুরি খেলা।

রুম ঝুমঝুম নূপুর পায়ে ছুটছে নদীর ঢেউ
ভাটিয়ালি গাইছে গান অচিন সুরে কেউ।

বিলে ঝিলে শাপলা পদ্ম... ...বাকিটুকু পড়ুন

×