এক টাকার সোনালী কয়েন নিয়ে তোলপাড় হঠাৎ করেই থেমে গেছে। আর এক টাকার কয়েন ২০ টাকা, ৫০ টাকা, ১০০ টাকায় কিনে মাথায় হাত অসংখ্য মানুষের। তারা ভাবতেও পারেনি হুজুগে ব্যবসাটিতে মাত্র এক দিনের ব্যবধানে এমন লসের শিকার হবেন। নগরী-ই শুধু নয়, গ্রামে-গঞ্জে হাটে-বাজারে একদিনের ব্যবধানে আলোচনার বিষয় পাল্টে গেছে। কয়েন মজুদকারীরা ধর্ণা দিচ্ছেন বিভিন্ন জনের কাছে। মঙ্গলবার কয়েন কিনেছেন, এমন অনেকের কাছে গতকাল মজুদকারীরা ছুটে গিয়ে ফেরত এসেছেন নিরাশ হয়ে।
গত ২৩ নভেম্বর সারাদেশের মতো চট্টগ্রামেও এক টাকার সোনালী কয়েন বেশি দামে বিক্রির খবর ছড়িয়ে পড়ে। কয়েন কেনার ধুম পড়ে যায় সর্বত্র। কেউ কেউ লাখ টাকার কয়েন কিনে মজুদ করেছে বলেও খবর পাওয়া গেছে। কিন্তু গতকাল সকাল হওয়ার সাথে সাথে মজুদকারীদের মাথায় বাজ পড়ে। তারা সোনালী কয়েনের ক্রেতা খুঁজে না পেয়ে তিন চার গুণ বেশি দামে কেনা কয়েন নিয়ে চোখে সর্ষেফুল দেখতে থাকে।
খাতুনগঞ্জের এক দোকান কর্মচারী সাদেকুল প্রতিটি কয়েন ৩০ টাকা হারে ২০০ কয়েন কিনে বিক্রি করতে পারছেন না বলে জানান। দোহাজারী বাজারের দোকান কর্মচারী আনোয়ার ছয় মাসের বেতনের টাকা অগ্রিম নিয়ে ২০ হাজার টাকার কয়েন কিনে বিক্রি করতে পারছেন না বলে আজাদীকে জানান। একইভাবে রেয়াজউদ্দিন বাজারের সালেহ্ নবী কিনেছেন ৪৫ হাজার টাকার কয়েন, আনোয়ারার আবদুল করিম ৮০ হাজার টাকার, সৌদি প্রবাসী রফিক আহ্মদ ১ লাখ টাকার, গাছবাড়িয়ার আবদুল মান্নান ৩০ হাজার টাকার, হাবিলাইশদ্বীপের মির জাহান আলী ২০ হাজার টাকার, রাউজান কোয়েপাড়ার নীলাভ চন্দ্র সেন ২৫ হাজার টাকার, বাঁশখালী গন্ডামারার আমির হোসেন ১০ হাজার টাকার কয়েন কিনে এখন আর বিক্রি করতে পারছেন না বলে টেলিফোনে আজাদীকে জানান।
Click This Link

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

