somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

ভোলার কাণ্ডে হাসতে হবে !!!

১৯ শে এপ্রিল, ২০০৮ সকাল ১১:৩১
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

কথায় বলে ছাগলে কি না খায় ! ভোলা হল তার উৎকৃষ্ট দৃষ্টান্ত । তবে ছাগল নয়,পাঁঠা ।
মালিক পশ্চিমবঙ্গের ময়নাগুড়ি খাগড়াবাড়ির ১ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধান বরুণ ঘোষ । যে দিন ভোলা মদ ধরেছে, সে দিনই দেবতার নামে উৎসর্গ করে গোয়াল থেকে বার করে দিয়েছেন ।সেই থেকে ভোলা হল ধর্মের পাঁঠা ।সপ্তাহে একদিন তাঁর মেনুতে একবাটি মদ চাই । বিলিতি হলে ভাল ।তা না হলে এক বাটি হাঁড়িয়া কিংবা চুল্লু । এ হেন ভোলার কাণ্ডকারখানায় গোটা ময়নাগুড়ি যে মজে থাকবে তাতে আর আশ্চর্য কী ! গায়ের রঙ ঘোর কৃষ্ণবর্ণ । উচ্চতা প্রায় দুই ফুট । থুতনিতে একগোছা লম্বা দাঁড়ি । তেল চকচকে নাদুস-নুদুস চেহারা । তবে চোখ দেখলেই গোলমাল ধরা যায় । একেবারে নেশাচ্ছন্ন । মদ,গাঁজা , বিড়ি এমনকী, সিগারেট অবলীলায় চিবিয়ে খায় সে । নেশায় সে যখন বুঁদ, তখন সামনে দাঁড়ানোই বিপদ । মতলব আঁচ করার আগেই গুঁতিয়ে চিত্তির করে দিতে পারে একনিমেশে । যাঁরা গুঁতো খেয়েছেন,হাসি মুখে ব্যথা হজম করেছেন । গুঁতো সামলাতে গিয়ে যাঁদের কোঁচা খুলে গিয়েছে, নালিশ নেই তাঁদেরও । কাকেই বা নালিশ করবেন ।পাঁঠার বিরুদ্ধে এমন নালিশ নেবেই বা কে ? কিন্তু মদ তো চাইলেই মেলে না । পাঁঠার মগজ হলেও সেটুকু বুদ্ধি ধরে ভোলা । ফি হপ্তায় নেশা করার দিনে ভোলা চলে যায় ময়নাগুড়ি থেকে ১৯ কিলোমিটার দূরে রামসাই বাজার । অতটা পথ পাঁঠার পক্ষেও হেঁটে যাওয়া সহজ নয়।ভোলারও তাই রামসাই বাজার যাওয়ার সহজ রাস্তা হল যাত্রিবাহী বাস । ময়নাগুড়ি নতুন বাজার বাস স্ট্যান্ড থেকে বাসে চড়ে বসে সে । নেশা জমলে ফের বাসে চড়ে স্বস্থানে ফেরত ।বাস কন্ডাক্টর বিমল রায় বলেন,''গাড়ি ফাঁকা দেখলেই হল ।বাসে উঠে পড়ে ,নামায় কার সাধ্য । তখনি বুঝি আজ ভোলার নেশা চড়েছে । রামসাই বাজার এলেই নেমে যায়।'' নেশা না-করলে অবশ্য ভোলা একেবারে সুবোধ বালক যেন । সারা দিন আপন মনে ঘুরে বেড়ায় ময়নাঘুড়ি বাজারে । সেখানে তার মালিক গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধানের সঙ্গে দেখা হলে সামান্য খুনসুটি । তার পরে ফের নিজের পথে ভোলা।সে সময় ঘাস থেকে সবুজ পাতা,ভুষি,ভাত,মাছ,কাপড়,এমনকী নির্বাচনী বা কোম্পানী পোস্টারেও অরুচি নেই । ভাল কিছু খেতে ইচ্ছে হলে হোটেলের সামনে গিয়ে দাঁড়াবে । কারও সঙ্গে তাঁর বিরোধ নেই ।তাই খাবারের অভাবও নেই । কেবল মদ খেলেই সামান্য টলতে থাকে । বরুণবাবু বলেন, ''এক বছর হল ভোলার এই বদ স্বভাব লক্ষ্য করছি । কে যে এমন নেশা ধরাল ।''
ভোলার মাতলামোই এলাকার বাসিন্দাদের সবচেয়ে প্রিয় । টলতে টলতে ভোলা রাস্তা দিয়ে হাঁটছে । তা দেখে লোকে হেসে খুন । তখন কাউকে গুঁতো দিলেও সমস্যা নেই । হাসতে হাসতে ধুলো ঝেড়ে উঠে ফের ভোলার কান্ড দেখতেই ব্যস্ত হয়ে পড়ে সবাই । হোটেল মালিক শ্যামল ঘোষ বলেন, '' এমনিতে ওর মতো পাঁঠা হয় না । কেবল মদ খেলেই মাথাটা একটু বিগড়ে যায় । তখন খাবার না-পেলে খেপে যায় । আমি অবশ্য ঘাঁটাই না । যা থাকে তাড়াতাড়ি দিয়ে দিই ।'' কথায় বলে ছাগলে কি না খায় ! ভোলা হল তার উৎকৃষ্ট দৃষ্টান্ত । তবে ছাগল নয়,পাঁঠা ।
মালিক পশ্চিমবঙ্গের ময়নাগুড়ি খাগড়াবাড়ির ১ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধান বরুণ ঘোষ । যে দিন ভোলা মদ ধরেছে, সে দিনই দেবতার নামে উৎসর্গ করে গোয়াল থেকে বার করে দিয়েছেন ।সেই থেকে ভোলা হল ধর্মের পাঁঠা ।সপ্তাহে একদিন তাঁর মেনুতে একবাটি মদ চাই । বিলিতি হলে ভাল ।তা না হলে এক বাটি হাঁড়িয়া কিংবা চুল্লু । এ হেন ভোলার কাণ্ডকারখানায় গোটা ময়নাগুড়ি যে মজে থাকবে তাতে আর আশ্চর্য কী ! গায়ের রঙ ঘোর কৃষ্ণবর্ণ । উচ্চতা প্রায় দুই ফুট । থুতনিতে একগোছা লম্বা দাঁড়ি । তেল চকচকে নাদুস-নুদুস চেহারা । তবে চোখ দেখলেই গোলমাল ধরা যায় । একেবারে নেশাচ্ছন্ন । মদ,গাঁজা , বিড়ি এমনকী, সিগারেট অবলীলায় চিবিয়ে খায় সে । নেশায় সে যখন বুঁদ, তখন সামনে দাঁড়ানোই বিপদ । মতলব আঁচ করার আগেই গুঁতিয়ে চিত্তির করে দিতে পারে একনিমেশে । যাঁরা গুঁতো খেয়েছেন,হাসি মুখে ব্যথা হজম করেছেন । গুঁতো সামলাতে গিয়ে যাঁদের কোঁচা খুলে গিয়েছে, নালিশ নেই তাঁদেরও । কাকেই বা নালিশ করবেন ।পাঁঠার বিরুদ্ধে এমন নালিশ নেবেই বা কে ? কিন্তু মদ তো চাইলেই মেলে না । পাঁঠার মগজ হলেও সেটুকু বুদ্ধি ধরে ভোলা । ফি হপ্তায় নেশা করার দিনে ভোলা চলে যায় ময়নাগুড়ি থেকে ১৯ কিলোমিটার দূরে রামসাই বাজার । অতটা পথ পাঁঠার পক্ষেও হেঁটে যাওয়া সহজ নয়।ভোলারও তাই রামসাই বাজার যাওয়ার সহজ রাস্তা হল যাত্রিবাহী বাস । ময়নাগুড়ি নতুন বাজার বাস স্ট্যান্ড থেকে বাসে চড়ে বসে সে । নেশা জমলে ফের বাসে চড়ে স্বস্থানে ফেরত ।বাস কন্ডাক্টর বিমল রায় বলেন,''গাড়ি ফাঁকা দেখলেই হল ।বাসে উঠে পড়ে ,নামায় কার সাধ্য । তখনি বুঝি আজ ভোলার নেশা চড়েছে । রামসাই বাজার এলেই নেমে যায়।'' নেশা না-করলে অবশ্য ভোলা একেবারে সুবোধ বালক যেন । সারা দিন আপন মনে ঘুরে বেড়ায় ময়নাঘুড়ি বাজারে । সেখানে তার মালিক গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধানের সঙ্গে দেখা হলে সামান্য খুনসুটি । তার পরে ফের নিজের পথে ভোলা।সে সময় ঘাস থেকে সবুজ পাতা,ভুষি,ভাত,মাছ,কাপড়,এমনকী নির্বাচনী বা কোম্পানী পোস্টারেও অরুচি নেই । ভাল কিছু খেতে ইচ্ছে হলে হোটেলের সামনে গিয়ে দাঁড়াবে । কারও সঙ্গে তাঁর বিরোধ নেই ।তাই খাবারের অভাবও নেই । কেবল মদ খেলেই সামান্য টলতে থাকে । বরুণবাবু বলেন, ''এক বছর হল ভোলার এই বদ স্বভাব লক্ষ্য করছি । কে যে এমন নেশা ধরাল ।''
ভোলার মাতলামোই এলাকার বাসিন্দাদের সবচেয়ে প্রিয় । টলতে টলতে ভোলা রাস্তা দিয়ে হাঁটছে । তা দেখে লোকে হেসে খুন । তখন কাউকে গুঁতো দিলেও সমস্যা নেই । হাসতে হাসতে ধুলো ঝেড়ে উঠে ফের ভোলার কান্ড দেখতেই ব্যস্ত হয়ে পড়ে সবাই । হোটেল মালিক শ্যামল ঘোষ বলেন, '' এমনিতে ওর মতো পাঁঠা হয় না । কেবল মদ খেলেই মাথাটা একটু বিগড়ে যায় । তখন খাবার না-পেলে খেপে যায় । আমি অবশ্য ঘাঁটাই না । যা থাকে তাড়াতাড়ি দিয়ে দিই ।''
সর্বশেষ এডিট : ১৯ শে এপ্রিল, ২০০৮ দুপুর ২:২৬
১টি মন্তব্য ১টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

আপনার ATM কার্ড কি সত্যিই নিরাপদ?

লিখেছেন নাহল তরকারি, ১০ ই জুন, ২০২৬ সকাল ৮:২৮

আপনার ATM কার্ড কি সত্যিই নিরাপদ?

ধরুন, মাসুদ একদিন বাজার করতে বের হয়েছেন। তার মানিব্যাগে একটি Contactless Visa Card ছিল। বাজারের ভিড়ের মধ্যে একজন চোর একটি বিশেষ স্ক্যানিং ডিভাইস নিয়ে ঘুরছিল।... ...বাকিটুকু পড়ুন

ফিরে যাওয়া বলে কিছু নেই

লিখেছেন রানার ব্লগ, ১০ ই জুন, ২০২৬ সকাল ৮:৫৫

আমি যে নদীর কথা ভাবি,
সে নদী জল নয় সময় বয়ে নিয়ে চলে।
এক পাড়ে মানুষের কোলাহল,
হাটের গুঞ্জন, ভাতের গন্ধ, সন্ধ্যার আহবান,
অন্য পাড়ে কেবল শূন্যতা,
যেন কেউ কোনোদিন সেখানে ছিলইনা।

তবু দু পাড়ই... ...বাকিটুকু পড়ুন

১০০০-তম পোস্টঃ কন্যা আপন সাজন সাজে রে

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ১০ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১০:২৪

আমাকে ও রাহমিনকে এনিমেট করলে কেমন দেখাবে? এই আইডিয়া থেকেই গানটা রিমিক্স করে এনিমেটেড ভিডিও সং বানিয়ে ইউটিউবে ছেড়েছি। ছোটবেলায় মেঝ খালার বিয়েতে এই গানটা শুনেছিলাম। সবাইকে গানটি দেখা ও... ...বাকিটুকু পড়ুন

নাজিয়া সামান্তা, হিজাব এবং আমাদের সমাজের প্রাতিষ্ঠানিক ভণ্ডামি।

লিখেছেন মহিউদ্দিন হায়দার, ১০ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১২:৫১



​একজন তরুণী প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে ড্রাম বাজিয়ে দর্শক মাতাল। নেটিজেনরা বাহবা দিল। কিন্তু সমস্যাটা অন্য জায়গায়—মেয়েটি বোরকা-হিজাব পরা, সে ২০২৫ সালে হজ করেছে, পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়ে এবং নিজের... ...বাকিটুকু পড়ুন

শৃঙ্খল মুক্তি আমার

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ১০ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৪:৪৫

শৃঙ্খল মুক্তি আমার



ভেঙেছি সমাজের যত চেনা দায়,
চিন্তার প্রাচীর আজও ধুলোয় মেশায়।
ঈমানের নোঙর ছিঁড়েছি হেলায়,
ডুবেছি একাকী ; এক অচিন ভেলায়।
ভালোবাসা, মানবিকতার যত শত মায়াজাল,
ছিঁড়ে ফেলেছি আমি সব কটা পাল।
সহমর্মিতার পথ... ...বাকিটুকু পড়ুন

×