১। ঘুর্ণায়মান চাকা: এই চাকার সাথে মানুষকে বেধে খাড়া পাহাড় থেকে গড়িয়ে দেওয়া হতো। পাথুরে পাহাড়ে মানুষ ধীরে ধীরে থেতলে যায়। এটাতে যে পরিমাণ আঘাত পাওয়া যায়, সেটা ১৩০ কিমি গতিতে ছুটে চলা একটা প্রাইভেট কার যদি এক্সিডেন্ট করে তার সমতুল্য।
২। নিপীড়ন বিছানা: এই বিছানাতে শুইয়ে হাত এবং পা বেধে ফেলা হয়। এবং দুই দিক থেকে টান টান করে রাখা হয়। এরপর সামনে দিকের চাকা ঘুরিয়ে টান প্রয়োগ করা হয়, এঅবস্হায় মানুষ অসহ্য যন্ত্রণা অনুভব করে, এক পর্যায়ে এসে হাতের হাড় খুলে যায়, হাত আলাদা হয়ে যায়।
উপরের শাস্তিটাতেই অনেক সময় কষ্টের পরিমাণটাকে বহুগুণে বৃদ্ধি করা হয়, এই রকম কাটা ওয়ালা বিছানাতে শুইয়ে রেখে।
৩। এটার ছবি দেখে বুঝার উপায় নাই, এটা কতটুকু বিভীষিকা দিতে পারে মানুষকে। দেখতে খুবই সাধারণ হলেও এর যন্ত্রণা দেওয়ার ক্ষমতা অসাধারণ। এই যন্ত্রটা চাবি ঘুরালে সম্মুখ ভাগ আস্তে আস্তে ফুল ফোটার মত বড় হতে থাকে। অপরাধীর মুখে এটা ঢুকিয়ে দিয়ে আস্তে আস্তে চাবি ঘুরিয়ে অগ্রভাগ ফুলিয়ে বড় করে ফেলা হয়। এছাড়াও যায়া সমকামী কিংবা নষ্টা বলে প্রমাণিত মহিলাদের গোপনাংগে ঢুকিয়েও এটা দিয়ে যন্ত্রনা দেওয়া হয়।
৪। এটা একটা পেন্ডুলাম ব্লেড। অপরাধীকে বিছানাতে শুইয়ে হাত পা বেধে তার উপর ব্লেডটা পেন্ডুলামের মতো দুলতে থাকে, দুলতে দুলতে আস্তে আস্তে নিচে নামতে থাকে, নিচের সবকিছুকে কাটতে থাকে।
৫।এটা একটা বিশেষ চেয়ার। যাতে অপরাধীকে বেধে রেখে দাড়িপাল্লার মত একদিকে বাধা হয়, অন্য দিকে কেউ একজন একে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে। অপরাধী সহ চেয়ারটাকে পানিতে ঢুবানো হয়, আবার তোলা হয়, আবার ডুবানো হয়, আবার তোলা হয়, এইভাবে ক্রমাগত শাস্তি দেওয়া হয়।
৬। যন্ত্রণা প্রকোষ্ঠ : এটা লোহার কাটা দিয়ে ভর্তি করা একটা বিশেষ প্রকোষ্ঠ, যেখানে অপরাধীদের ঢুকিয়ে দরজা লাগিয়ে দেওয়া হয়। কিন্তু লোহার কাটা গুলো এমন ভাবে সাজানো থাকে, এগুলো দিয়ে মানুষকে সরাসরি মেরে ফেলা হয় না। কাটাগুলো এমন জায়গায় ততটুকু পরিমাণেই বিধে, যাতে কেউ সাথে সাথে মারা না যায়। এই প্রকোষ্ঠ কষ্ট পেতে পেতে ধীরে ধীরে মৃত্যু হয়। যদি কেউ বেচেও যায়, পরে হয়ত ধনুষ্ঠংকারে মারা যায়।
৭। এটা আরো ভয়াবহ। মানুষকে উপুড় করে শুইয়ে হাত পা বেধে ফেলা হয়, তারপর তার মাথার খুলির উপর এই লোহার ঢাকনাটা চাপিয়ে দেওয়া হয়। স্ক্রু ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে বলপ্রয়োগ করা হয়, একসময় মাথার খুলি ভেঙে যায়, মৃত্যু অনির্বায্য।
৮। আগুনে ঝুলিয়ে পুড়ানোর যন্ত্র :
৯। আরো একটা হুইল, যেটা তে বেধে আগুনে পুড়ানো হয়, আবার হুইলটাকেও ঘুরানো হয় যাতে কষ্টের পরিমাণটা বাড়ে।
১০। ফাসির পাটাতন, এটা এই যুগেও চালু আছে।
১১। হাত পা বেধে ঝুলিয়ে ছবির মত করেও কষ্ট দেওয়া হতো।
১২। ভয়াবহ পশুর সামনেও সরাসরি অপরাধীকে ছেড়ে দেওয়া হতো।
সূত্র : ছবি> ডিসকভারী ওয়েবসাইট

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

