আমার প্রিয় পোস্ট

সমাজ ও সময় নিয়ে চাছাঁছোলা লেখনী। স্বার্থান্বেষী বিশেষ করে ক্ষমতাসীন মহল ও নূন-নেমক খাওয়া হরিদাশ পালদের গাত্রদাহ হতে পারে।

বেঞ্চমার্ক মুহাম্মদ (স):। লাইফ ইজ বিউটিফুল। ট্রাই করেই দেখুন না। প্লিজ!

১০ ই মার্চ, ২০০৯ দুপুর ১২:৪৯

শেয়ারঃ
0 125 0

জন্মের আগেই তিনি বাবাকে হারান। মা ও চলে যান ৬ বছর হতে না হতে। শেষ সম্বল দাদাও ওপারে পাড়ি জমান ৮ম বছরে। দরিদ্র চাচার ঘরে শেষ আশ্রয়। একই কস্ট যাদের বুকে আছে তারা এভাবে ভাবতে পারেন যে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ মানুষটির শুরুটা এমনই ছিল। এতটাই শুন্য। সমাজের এমনতর শিশুটির প্রতি হাতটা বাড়িয়ে দিন। হয়তো সে ও বড় কিছু হবে। চাচা হলে পরম মমতায় কোলে নিন অনাথ ভ্রাতুস্পুত্র/ত্রীটিকে। তার জমি-জমা কেড়ে নেয়ার চক্রান্ত্ বাদ দিন।

তিনি শুয়ে বসে চাচার ঘরে খাননি। একপাল ছাগল/দুম্বা চড়াতেন। হেল্প করতেন নানানভাবে। সিরিয়ার দিকে ও হজের সময় চাচার ব্যবসায় লেগে গেছেন কৈশোরেই। আমাদের কৈশোরও অল্প-বিস্তর এমনটি হতে পারে। মাকে একটু হেল্প। বাবার আয়ের সাথে দুটো টাকার যোগ। জগতটাকে চেনা। হতে পারে ক্ষুদ্র ব্যবসা বা চাকরী। যখন যেখানে যেভাবে পারা যায়।

কৈশোরেই ছেলেটি আল-আমিন উপাধি পেয়ে যায় পাড়ার লোকদের কাছে। তজ্জন্য নবী বা রাসুল হবার দরকার পড়েনি। স্কুল-গামী কিশোরিদের শিষ দেয়া বা নিছক বোকা সোকা ভাল ছাত্র হবার চেয়ে Active ভাল ছেলে- সৎ, সাহসি হিসেবে নাম ফুটলে দোষ কি?

বিশিস্ট ব্যবসায়ী খাদিজার ব্যবসায়িক ফার্মে ম্যনেজার হিসেবে যোগ দিয়ে তিনি অল্প সময়েই সৎ, দক্ষ, ব্রিলিয়ান্ট অফিসার হিসেবে চিহ্নিত হয়ে যান।পরে খাদিজা (র) সমস্ত ব্যবসার দায়িত্বই তাকে দিয়ে দেন। এমনকি জীবনাটাও একসাথে কাটানোর প্রস্তাব পাঠান। আমরা যারা অন্যের ব্যবসা প্রতিস্টানে কাজ করছি তাদের কাছে এর চেয়ে ভালো Example কি হতে পারে?

ব্যবসার মালিকানা হাতে পেলে তিনি হলেন Employer. জগৎবাসীর কাছে এর চেয়ে ভাল বস্‌ আর কে হতে পারে? আমরা যারা বস্‌ আছি তারা অনায়াসেই মুহাম্মদ (স) কে ভালো বসের উপমা হিসেবে নিতে পারি। পরবতীকালে উনার রাজনৈতিক কর্মীদের কাছে উনি কেমন নেতা ছিলেন তাও আমরা জানি। ফালতু কথা, মিথ্যাচার, বেইনসাফি, বেঈমানির নেতাগিরির কালচারটা বাদ দিয়ে আমরাতো তাঁর মত নেতা হতে পারি। যে পার্টিই হোকনা কেন। অন্তত: কর্মিদের কাছে।

তিনি ছিলেন স্বামী, পিতা, দাদা, চাচা সবই। কেমন আচরণ করেছেন আত্নীয়কুলের সাথে। দুধ-মা হালিমা বা দুধভাইর সাথে। আমরা কেমন করি? মেকিভ্দ্রতার খোলস ছেড়ে আমরা চাইলে তেমন হতে পারি।

তিনি অনেকের প্রতিবেশি ছিলেন। দূর কোন বনবাদাড়ে থাকতেন না। ঢাকা শহরে আমার প্রতিবেশিরা কেমন আছে? তারা কি খায়? গ্রামান্চলের প্রতিবেশি সম্পর্কই বা কেমন? রেষারেষির অনল বা আধহাত সীমানা গন্ডগোলের চক্র থেকে চাইলে আমরা বেরুতে পারি। মনটা ভাল থাকবে।

তিনি মেহমান হতেন। তবে অল্প সময়ের জন্য। বে আক্কেলের মত দিনের পর দিন আত্নী্য় বাড়িতে পড়ে থাকতেননা। গৃহকর্তার সামর্থ্যমত আপ্যায়নে পরমতৃপ্ত হতেন। 'বোরহানি বা ডিম ছিলনা' বলতে বলতে বিয়েবাড়ি ত্যাগের ঘৃন্যতা ছিলনা উনার মধ্যে। আসুন আমরা তেমন হই।

মেহমান আসত তার কাছে। প্রায়ই। এমনকি রাতে বিছানা নস্টকরে চলে যাওয়ার রেকর্ডও আছে। রাগ করেননি। কৃত্রিম হাসি দাতে চেপে 'খেয়ে গেলে ভাল হতোনা' ধরনের ভন্ডামি করেন নি। ধনী আর দরিদ্র ভেদে বিহেভ করেননি। আসুন বিষয়টা শোধরাই।

মুসলিম ছাড়াও ইহুদি, খ্রিস্টান, পৌত্তলিক নানাবিধ অনুসারিদের সাথে তিনি চলাফেরা, উঠাবসা, লেনদেন করেছেন। কারও বিন্দুমাত্র সম্পদ লুট করেন নি। মানুষের অধিকারের প্রতি চরমতর শ্রদ্ধা দেখিয়েছেন। হিন্দুর জমি, বসত ভিটা, দোকান লুট করে যেসব মুসলিম 'লেকচার' দেন তাদেরজন্য ডাবলঘৃনা। এমনকি ভিন ধর্মানুসারীদের নুন্যতম 'হেয়' চোখে দেখাও ঘোরতর অপরাধ।

মুহাম্মদ (স) সৈনিক, সেনাপতি, রাজনৈতিক, বিরোধিদলীয় নেতা, সরকার প্রধান, রাস্ট্রপ্রতি, ইমাম, মুসল্লি, পথচারী, কয়েদি, জেলার, লোনদাতা, লোনগ্রহীতা, বক্তা, শ্রোতা অসংখ্য চরিত্রে 'অভিনয়' করেছেন। ধনাঢ্যতা, দারিদ্র্য, নিপিড়ীত, ক্ষমতাবান সব ধরনের সময় পেয়েছেন। আমরাও এর কোন একটি সময় বা চরিত্র পার করছি।

অনুসরন করতে চাইলে পুরোটাই তার কাছে পাওয়া যাবে। কেননা মুহাম্মদ (স) পেশাদার কোন নান, পাদ্রী, মাওলানা, ঠাকুর, পীর, দরবেশ ছিলেননা, তিনি ছিলেন হাজারো মানুষের মাঝে, আমাদের মত সুখে কিবা দুখে, শৈশবে, যৌবনে এবং বাধর্ক্যে। সদা। ফলো করলে শান্তি পাবেন।

 

সর্বশেষ এডিট : ২৪ শে নভেম্বর, ২০১১ বিকাল ৫:১১ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ১০ ই মার্চ, ২০০৯ দুপুর ১২:৫৬
নীল-দর্পণ বলেছেন: ধন্যবাদ সুন্দর পোস্টের জন্য। পড়ে ভাল লাগল।
১০ ই মার্চ, ২০০৯ দুপুর ১২:৫৭

লেখক বলেছেন: আপনাকেও অনেক ধন্যবাদ।

২. ১০ ই মার্চ, ২০০৯ দুপুর ১:১০
রাকিব বলেছেন: সুন্দর লেখার জন্য ধন্যবাদ...আসুন আমরা সবাই সবার জন্য দোয়া করি।...+
১০ ই মার্চ, ২০০৯ দুপুর ১:২৫

লেখক বলেছেন: আপনাকেও অনেক ধন্যবাদ। দোয়া অবস্যই।

৩. ১০ ই মার্চ, ২০০৯ দুপুর ১:১০
অর্ক_ব্লগ বলেছেন: ধন্যবাদ।সুন্দর পোস্ট।
১০ ই মার্চ, ২০০৯ দুপুর ১:২৫

লেখক বলেছেন: আপনাকেও অনেক ধন্যবাদ।

৪. ১০ ই মার্চ, ২০০৯ দুপুর ১:১১
alam বলেছেন: পড়ে ভাল লাগল ।ধন্যবাদ সুন্দর পোস্টের জন্য
১০ ই মার্চ, ২০০৯ দুপুর ১:২৬

লেখক বলেছেন: আপনাকেও অনেক ধন্যবাদ।

৫. ১০ ই মার্চ, ২০০৯ দুপুর ১:১২
তিথী ও টাটা বলেছেন: সত্য কথা,আমাদের নবীর জীবনী দেখে নিজের চরিত্র ঠিক করা উচিত
১০ ই মার্চ, ২০০৯ দুপুর ১:২৭

লেখক বলেছেন: সুন্দর মন্ত্যবের জন্য থ্যাংকস।

১০ ই মার্চ, ২০০৯ দুপুর ১:৪৮

লেখক বলেছেন: থ্যাংকস

৭. ১০ ই মার্চ, ২০০৯ দুপুর ১:১৭
জেমসবন্ড বলেছেন:

সুন্দর পোষ্ট । খুব ভালো লিখছেন । ধন্যবাদ লিখার জন্য ।

........উনার উত্তম চরিত্র হলো আমাদের আদর্শ । আমাদের সবার উনাকে অনুসরণ করা উচিত ।

১০ ই মার্চ, ২০০৯ দুপুর ১:৪৯

লেখক বলেছেন: আপনাকেও অনেক ধন্যবাদ

৮. ১০ ই মার্চ, ২০০৯ দুপুর ১:২৫
স্নো হোয়াইট বলেছেন: খুবই ভালো লাগলো লেখাটা। +
১০ ই মার্চ, ২০০৯ দুপুর ১:২৯

লেখক বলেছেন: থ্যাংকস।

৯. ১০ ই মার্চ, ২০০৯ দুপুর ১:৩৪
বাশার বলেছেন: সুন্দর লিখার জন্য থ্যাংকস।
১০ ই মার্চ, ২০০৯ দুপুর ১:৪২

লেখক বলেছেন: থ্যান্ক ইউ ঠু।

১০. ১০ ই মার্চ, ২০০৯ দুপুর ১:৩৭
সুন্দর সমর বলেছেন: পড়তে পড়তে মন ভরে গেল। ধন্যবাদ।
১০ ই মার্চ, ২০০৯ দুপুর ১:৪৩

লেখক বলেছেন: জেনে আমারও ভাল লাগল।

১০ ই মার্চ, ২০০৯ দুপুর ১:৪৭

লেখক বলেছেন: থ্যান্ক ইউ।

১২. ১০ ই মার্চ, ২০০৯ দুপুর ১:৪৪
লুথা বলেছেন: আমরা যদি আমাদের প্রিয় নবী কে ১০% ও অনুসরন করতাম, তাহলে জীবনে এত প্রব্লেম থাকতো না।
১০ ই মার্চ, ২০০৯ দুপুর ১:৫০

লেখক বলেছেন: রিয়েলি।

১৩. ১০ ই মার্চ, ২০০৯ দুপুর ১:৪৭
লাল দরজা বলেছেন: 'বিশিস্ট ব্যবসায়ী মিসেস খাদিজার ব্যবসায়িক ফার্মে ম্যনেজার হিসেবে যোগ দিয়ে তিনি অল্প সময়েই সৎ, দক্ষ, ব্রিলিয়ান্ট অফিসার হিসেবে চিহ্নিত হয়ে যান। পরিস্থিতি এতটাই ভালোর দিকে গড়ায় যে খাদিজা (র) সমস্ত ব্যবসার দায়িত্বই তাকে দিয়ে দেন। এমনকি জীবনাটাও একসাথে কাটানোর প্রস্তাব পাঠান। আমরা যারা অন্যের ব্যবসা প্রতিস্টানে কাজ করছি তাদের কাছে এর চেয়ে ভালো Example কি হতে পারে?'

!
১০ ই মার্চ, ২০০৯ দুপুর ১:৫৩

লেখক বলেছেন: পড়ার জন্য থ্যাংকস্‌।
(আপনার '!' চিহ্ন টার মানে ঠিক বুঝলামনা।)

১৪. ১০ ই মার্চ, ২০০৯ দুপুর ১:৫৬
বিবেক সত্যি বলেছেন: চমৎকার !!! ... প্রিয় পোষ্ট...
১০ ই মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৩:০০

লেখক বলেছেন: থ্যান্কস

১৫. ১০ ই মার্চ, ২০০৯ দুপুর ২:০২
কষ্ট কষ্ট সুখ বলেছেন: লেখার স্টাইল অনেক সহজ সাবলীল হয়েছে ।ধন্যবাদ
১০ ই মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৩:০১

লেখক বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ

১৬. ১০ ই মার্চ, ২০০৯ দুপুর ২:০২
বিবেক সত্যি বলেছেন: ..............মুহাম্মদ (স) পেশাদার কোন নান, পাদ্রী, মাওলানা, ঠাকুর, পীর, দরবেশ ছিলেননা, তিনি ছিলেন হাজারো মানুষের মাঝে, আমাদের মত সুখে কিবা দুখে..................


আপনার পুরো পোষ্টটাই অসাধারন হয়েছে .. সহয-সরল ভাষায় প্রিয়নবীর আদর্শ....
১৮. ১০ ই মার্চ, ২০০৯ দুপুর ২:০৮
সব্যসাচী প্রসূন বলেছেন: সুন্দর লেখার জন্য আপনার অবশ্যই ধন্যবাদ প্রাপ্য...ধন্যবাদ :)
১০ ই মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৩:০৪

লেখক বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ

২০. ১০ ই মার্চ, ২০০৯ দুপুর ২:১৪
ওমর হাসান আল জাহিদ বলেছেন: অসাধারণ। ভাল লাগল। প্রিয়তে চলে গেল।
১০ ই মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৩:০৫

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ

২১. ১০ ই মার্চ, ২০০৯ দুপুর ২:২৪
আমিই রূপক বলেছেন: রাসূল (স) কে আমার সালাম জানাই। উনিই শ্রেষ্ট মানব। আমি মুসলিম, আমি ধন্য। এমি ধন্য এই কারণে যে, উনার মত একজন নবীর অনুসারী হতে পেরেছি। যদিও আমি অযোগ্য।
১০ ই মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৩:০৯

লেখক বলেছেন: বিনয় ভালো গুন। ঐটা আপনার আছে।

২২. ১০ ই মার্চ, ২০০৯ দুপুর ২:২৫
আমিই রূপক বলেছেন: পোস্ট প্রিয়তে রেখেছি।
২৩. ১০ ই মার্চ, ২০০৯ দুপুর ২:৩২
নাজমুল। বলেছেন: আপনার লেখা পড়ে খুব ভাল লাগলো। আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। প্রিয়তে রাখলাম। +++++
১০ ই মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৩:১০

লেখক বলেছেন: আপনাকে অনেক ধন্যবাদ

১০ ই মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৩:১২

লেখক বলেছেন: :-))

২৫. ১০ ই মার্চ, ২০০৯ দুপুর ২:৪০
তরঙ্গ বলেছেন: অদ্ভুত সুন্দর লেখা। ইসলামকে 'বিক্রি'র মত এখনও অনেক কিছু বাকি আছে, আপনার এ পোস্ট তার প্রমাণ। আর আপনি তার জন্য অন্যতম শ্রেষ্ঠ মার্কেটিং অফিসার হবার যোগ্যতার প্রমাণ দিয়েছেন। অব্যাহত রাখবেন যেন।

প্রিয় পোস্ট।
১০ ই মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৩:২৪

লেখক বলেছেন: সম্ভবত: মুসলিমদের এটা একটা মৌলিক কাজ। আপনাকে ধন্যবাদ।

২৬. ১০ ই মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৩:৩৭
সোহায়লা রিদওয়ান বলেছেন: কি অসাধারণ ! কি অসাধারণ !
১০ ই মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৩:৫৯

লেখক বলেছেন: থ্যান্কস্‌ এ লট।

২৭. ১০ ই মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৩:৪৫
নেক্সাস বলেছেন: ধন্যবাদ ভাই ঘটনমূলক লিখার জন্য।

এটাই প্রকৃত ইসলামের শিক্ষা....

জঙ্গিবাদ,বোমা মেরে মানুষ মারা এসব প্রকৃত ইসলমের শিক্ষা নয়।
এসব মনগড়া ইসলমের শিক্ষা।

আল্লাহ প্রত্যেক মুসলমান কে প্রকৃত ইসলামের শিক্ষায় আলোকিত হওয়ার তওফিক দান করুন।
১০ ই মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৪:০৭

লেখক বলেছেন: আপনাকে ও অনেক ধন্যবাদ। নেহায়েৎ যুদ্ধের মাঠ বা আইনি ব্যবস্থার বাইরে চরম ঘৃন্য কাউকেও টাচ করা যাবেনা।
গাছপালা বা পশুপাখিকেও অকারনে আহত/নিহত করার চরম নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। যুদ্ধের সময় 'বাগান' নস্ট না করার নিদের্শ রয়েছে।

২৮. ১০ ই মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৩:৪৭
আরিফুর রহমান বলেছেন: আচ্ছা!

তাহলে বাল্য বিবাহের যে উদাহরন তিনি দিয়া গেছেন, সেইটার বেফারে কি বলবেন আপনি?

(আজকে দেখি কয়েকটা ধর্ম নিয়া পোস্ট আসছে! হিজবুতের চুথিয়া গুলা মাঠে নামছে নাকি আবার!!)
১০ ই মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৪:১৯

লেখক বলেছেন: ১ম কথা, ঊনার ভাল দিক গুলা আপনি কপি করতে পারেন।
২য় কথা, বাল্য বিবাহ আপনি না করলেই হল। তিনি কখনো কর্মটি করার উৎসাহও দেন নি। মুহাম্মদ (স) কামুক স্বভাবের লোক ছিলেন না। তেমন হলে ২৫ বছর বয়সে এমন মহিলাকে বিয়ে করতে না- যার এর আগে ২টা বিয়ে ও কয়েকজন সন্তান ছিল। বয়স ছিল ৪০। প্রসংগত: খাদিজা (র) থাকাকালীন আর কোন বিয়েও উনি করেননি।
আয়েশা (র) কি কারনে বিয়ে করেছিলেন তা আমারও প্রশ্ন। তবে বিয়ের ঠিক পরপর নয় বরং আরো ৩ বছর তারা দাম্পত্য জীবন শুরু করে। এমনটা হতে পারে-
বরকনের বয়সের চরম সীমা নির্ধারনের এটা একটা উপমা। সাধারন চর্চার নিমিত্ত নয়।

২৯. ১০ ই মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৩:৫২
ম্যাভেরিক বলেছেন: ধন্যবাদ। সাবলীল, মুক্ত লেখা। যারা ব্লগে অশ্লীল শব্দ ব্যবহার করেন, তারা এ লেখাটি পড়ে হৃদয় সংশোধন করতে পারেন।
১০ ই মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৪:২১

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

৩০. ১০ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ১১:০৯
দিবাচর বলেছেন: খুবই ভালো। সামনে আরো লিখবেন আশা করছি।
৩১. ১০ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ১১:৩০
অ্যামাটার বলেছেন: অসাধারন লেখা। ভাই, অনুগ্রহ করে আরিফুর রহমান নিকটাকে ব্লক করেন, ওই নিকটা লন্ডনের একটা মানসিক হাসপাতাল থেকে পালা করে কয়েকজন নিয়ন্ত্রন করে।
১১ ই মার্চ, ২০০৯ সকাল ১১:৩৩

লেখক বলেছেন: may allah reform him/her.

১৭ ই মার্চ, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৪৩

লেখক বলেছেন: ভাই, বাংলাটা কি?

৩৩. ১১ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ১০:০৮
সালাউদ্দিন আইউবী বলেছেন: আপনার প্রতি রহমত বর্ষিত হউক।
এত সাধারন ভাষায় অসাধারন লেখার জন্য আপনি আমার কাছে অনেক দিন প্রিয়পাত্র হয়ে থাকবেন।
১৭ ই মার্চ, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৪৪

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ

৩৪. ১২ ই মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৩:৩২
শুভ৭৭ বলেছেন: দারুন লিখেছেন ভাই। প্রিয়তে রাখলাম। আল্লাহ আপনাকে পুরস্কৃত করুন।
১৭ ই মার্চ, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৪৬

লেখক বলেছেন: আপনিও ভাল থাকুন

৩৫. ১২ ই মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৪:০৮
যীশূ বলেছেন: প্রত্যেক ধর্মের মূলেই আছে চমৎকার সব কথা। সেগুলো পালন করে চললেই একজন দারুন মানুষ হওয়া যায়। হসুধু মহানবী স; কেন যদ্দুর জানি অন্যধর্মের বুদ্ধ, যীশু তারাও মানবতার দারুন উধারণ রেখেছেন।

আসলে একজন মানুষ হওয়ার জন্য আমাদের মানব ধর্মটাই অনুসরন করা দরকার।
১৭ ই মার্চ, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৪৯

লেখক বলেছেন: সত্য। তবে 'মানব ধর্ম' নামে আলাদা একটা ঝামেলা আছে। সেইটা না বুঝালে হল।

১৭ ই মার্চ, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৫১

লেখক বলেছেন: থ্যাংক ইউ ঠু।

৩৭. ১৭ ই মার্চ, ২০০৯ সকাল ১০:৩১
না বলা কথা বলেছেন: অনেক ভালো লাগলো। +++++
১৭ ই মার্চ, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৫৩

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ

৩৮. ১৭ ই মার্চ, ২০০৯ সকাল ১০:৩৯
নির্বাসন বলেছেন: ভালো লেখার চেষ্টা করেছেন...এরাবিয়ান স্টাইল টাকে বর্তমানের প্রেক্ষিতে লেখার চেষ্টা করেছেন-এটা ভালো লাগলো...
১৭ ই মার্চ, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৪২

লেখক বলেছেন: থ্যানক্স এ লট

১৭ ই মার্চ, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৪১

লেখক বলেছেন: thanks

২২ শে মার্চ, ২০০৯ দুপুর ১:২৫

লেখক বলেছেন: Thank u

৪১. ২৭ শে মার্চ, ২০০৯ রাত ১০:৫০
তাহসিন আহমেদ বলেছেন: ভাল কিছু লেখা হলে,পড়তে ভালো লাগে।
লগ ইন করলাম এ লেখা টা পড়ে।
+

প্রিয় তে...
৩১ শে মার্চ, ২০০৯ সকাল ১১:০৮

লেখক বলেছেন: Thanks

৩১ শে মার্চ, ২০০৯ সকাল ১১:০৯

লেখক বলেছেন: Thanks

১১ ই আগস্ট, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:২০

লেখক বলেছেন: পড়ার জন্য অনেক ধন্যবাদ

১১ ই আগস্ট, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:২২

লেখক বলেছেন: পড়ার জন্য অনেক ধন্যবাদ

৪৫. ১৭ ই এপ্রিল, ২০০৯ রাত ১১:৪৫
শফিক আসাদ বলেছেন: ধন্যবাদ। এ এক নতুন অভিজ্ঞতা।
১১ ই আগস্ট, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:২৪

লেখক বলেছেন: পড়ার জন্য অনেক ধন্যবাদ

৪৬. ২০ শে এপ্রিল, ২০০৯ দুপুর ১২:৫৬
পাপী বলেছেন: প্রিয়তে গেল।
১১ ই আগস্ট, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৫১

লেখক বলেছেন: ক্যান নরকে গেলেন? কি পাপে?

১১ ই আগস্ট, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:০০

লেখক বলেছেন: ধ

৪৯. ২৬ শে এপ্রিল, ২০০৯ রাত ৯:৩৩
জনৈক আরাফাত বলেছেন: সাবলীলতায় অসাধারণ একটা লেখা!
৫১. ২৯ শে জুন, ২০০৯ বিকাল ৫:৪৬
সেতু জোহরা বলেছেন: চমৎকার !!! ... প্রিয় পোষ্ট...প্রিয়তে নিলাম।
অনেকদিন পর যদিও কমেন্ট করলাম।
৫২. ০৮ ই জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৪:৪৬
মুহাম্মদ মোহেব্বুর রহমান বলেছেন: আলহামদুলিল্লাহ আল্লাহ আমাকে এ লেখাটি পড়ার তৌফিক দিয়েছেন। আশা করি আরও দিবেন।
১১ ই আগস্ট, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৫৮

লেখক বলেছেন: পড়ার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। খুব ভালো থাকুন।

৫৩. ০৮ ই জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৪:৫৬
জেবুন বলেছেন: অসম্ভব ভাল লাগল আপনার সমাধান গুলো।++
অনেক অনেক ধন্যবাদ।
১১ ই আগস্ট, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৪০

লেখক বলেছেন: পড়ার জন্য অনেক ধন্যবাদ

৫৪. ০৮ ই জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৫:১৫
অন্যরকম বলেছেন: রাসুলুল্লাহ (সাঃ) এর জীবনি এত সংক্ষেপে পরিপাটি করে সহজভাবে খুব কমই পড়েছি (অন্তত একজন 'সিম্পল' মহান মানুষের জীবনি রচণার ক্ষেত্রে আপনি একটা ইউনিক লেখা লিখেছেন!) অনেক কিছু শিখার আছে তাঁর জীবনি থেকে যেটা আপনি মাত্র কয়েক ছত্রে বর্ণনা করেছেন! একপর্যায়ে চোখের জল আটকে রাখা কষ্ট হয়ে পরেছিল। অনেকদিন এরকম লেখা পড়িনি!

সরাসরি প্রিয়তে.....+
১১ ই আগস্ট, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৩৯

লেখক বলেছেন: পড়ার জন্য অনেক ধন্যবাদ

৫৫. ০৮ ই জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৫:৩৩
শ।মসীর বলেছেন: এত চমৎকার ভাবে লেখার জন্য ধন্যবাদ।
১১ ই আগস্ট, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৫০

লেখক বলেছেন: পড়ার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। খুব ভালো থাকুন।

৫৬. ১০ ই জুলাই, ২০০৯ সকাল ১১:৫৫
মাসুদ রশিদ বলেছেন: ভালো লেখা। আপনার দৃষ্টিভঙ্গি সুন্দর।
৫৭. ১০ ই জুলাই, ২০০৯ দুপুর ১২:০৩
টোনা বলেছেন: অসাধারন লিখেছেন ..............
৫৮. ২০ শে জুলাই, ২০০৯ দুপুর ১:৫০
এসব কি হচ্ছে ! বলেছেন: এক কথায় ১০০ তে ১০০০০ :) তয় এরকম শিক্ষনীয় পোস্ট আরও চাই।
১১ ই আগস্ট, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৩৮

লেখক বলেছেন: পড়ার জন্য অনেক ধন্যবাদ

৬০. ২০ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ৯:৪২
কিরিটি রায় বলেছেন: অন্যরকম বলেছেন: রাসুলুল্লাহ (সাঃ) এর জীবনি এত সংক্ষেপে পরিপাটি করে সহজভাবে খুব কমই পড়েছি (অন্তত একজন 'সিম্পল' মহান মানুষের জীবনি রচণার ক্ষেত্রে আপনি একটা ইউনিক লেখা লিখেছেন!) অনেক কিছু শিখার আছে তাঁর জীবনি থেকে যেটা আপনি মাত্র কয়েক ছত্রে বর্ণনা করেছেন! একপর্যায়ে চোখের জল আটকে রাখা কষ্ট হয়ে পরেছিল। অনেকদিন এরকম লেখা পড়িনি!

সরাসরি প্রিয়তে.....+
১১ ই আগস্ট, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৩০

লেখক বলেছেন: পড়ার জন্য অনেক ধন্যবাদ

৬১. ১১ ই আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৩:৫২
সোহায়লা রিদওয়ান বলেছেন: আমি আমার একটি স্পিচ এর জন্য আপনার এ লেখার থিম এন্ড লেখাটার ই সাহায্য নিয়েছি। স্পিচ এর টপিক নেম ওঃ বেঞ্চমার্ক প্রফেট মুহাম্মদ (সাঃ ) । আপনাকে সেটা জানাতে এলাম , এবং আরেকবার ধন্যবাদ দিতে । ( অনুমতি ? )
:-)
১১ ই আগস্ট, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:২৮

লেখক বলেছেন: অতি আনন্দের কথা। ভালো কাজে অনুমতির দরকার নাই। কাউরে মাইর দেয়ার আগে জিগাইয়েন!!!

কোথায়, কি ধরনের বক্তৃতা? জানা যাবে? বা কোনো কপি?

৬২. ১১ ই আগস্ট, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৪৮
হুমায়ুন হাকিম বলেছেন: অসাধারণ। প্রিয়াইলাম.....
১১ ই আগস্ট, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৫৬

লেখক বলেছেন: পড়ার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। খুব ভালো থাকুন।

৬৩. ১১ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ৮:৫০
সোহায়লা রিদওয়ান বলেছেন: পাবলিক স্পিচ :-)
আপনি চাইলে আমার মেইন স্পিচ কপি আপনাকে মেইল করতে পারি। একটু লজ্জা লাগবে, আমি খুব ই কম জানি, প্রায় শুন্য।
৫ তারিখে একবার স্পিচ দেয়া হয়ে গিয়েছে , নেক্সট এ আবার পরশু , হটাত মনে হলো , আপনার অনুমতি নেয়া দরকার ছিল......
ধন্যবাদ অনেক। ইউ উইল বি রিওয়ার্ডেড , ইনশাল্লাহ।
১২ ই আগস্ট, ২০০৯ সকাল ১০:৫৮

লেখক বলেছেন: ব্যানারে ইমেইল ঠিকানা দেয়া আছে।

৬৪. ০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ ভোর ৫:০৪
মাহফুজ ইসলাম বলেছেন: আমি লেখা প্রকাশ হওয়ার অনেকদিন পরে পড়লাম। এজন্য খারাপ লাগছে (এত ভালো লেখা থেকে বঞ্চিত ছিলাম এতদিন। অসাধারণ একটা লেখা।
এ লেখাতে তো কাউকে ব্যাক্তিগত আক্রমণ করা হয়নি, বা কাউকে জোরাজুরি করা হয়নি যে তাদের এটা মান্তেই হবে অথবা, এতে ইসলামের পক্ষে এমন কিছু লেখা হয়নি যাতে কারো ব্যক্তিগত চিন্তাধারা ব্যাহত হয়। তাহলে এই পোস্টে মাইনাস কেন? (যারা মাইনাস দিয়েছে তাদের প্রতি!)
৬৫. ১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:৩২
মোহাম্মদ জিয়াউর রহমান বলেছেন: আমাদের নবী (সাঃ) ছিলেন সর্বশ্রেষ্ঠ মানব। তাকে অনুসরন করা প্রত্যেক মুসলমানের উচিত। নবীজি আমাদেরকে সততা, সাম্যতা, সহনশীলতাসহ বহু নিদর্শন উপহার দিয়ে গেছেন। আমাদের প্রত্যেকের উচিত রাসুল (সাঃ)-কে অনুসরন করা, তার জীবনাদর্শে নিজেকে সমর্পন করা। আসুন আমরা এখন থেকেই শুরু করি। আসুন দরুদ শরীফ পড়ি।
৬৬. ১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৩:৪২
যুধিষ্ঠির বলেছেন: কান্না পেল... অসাধারণ হয়েছে... প্রিয়তে...
৬৭. ১৪ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:০৩
হ্যামিলিনের বাঁশিওয়ালা বলেছেন: চরম ১ টা লিখা...আমি ব্লগে কম লিখি...তার চেয়েও কম আমার kমেন্ট....সোজা প্রিয়তে......অসংখ্য ধন্যবাদ...
৭০. ০৯ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১:৫০
মোহাইমেন বলেছেন: অসাধারন লেখা, সহজ-সাবলীল-সুন্দর। +। ধন্যবাদ।
৭১. ২৭ শে নভেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৪:৩৬
একলব্য১৯৭১ বলেছেন: নিজ যুগের তুলনায় অগ্রসর একজন অসাধারণ মানুষের জীবনী সাধারণ মানুষের ভাষায় সহজ সরলভাবে তুলে ধরবার কারণে খুব ভাল লেগেছে পোস্টটি।ব্যক্তিগতভাবে আমি ধর্মে বিশ্বাসী নই এবং নবীজীর জীবনে যেসব সীমাবদ্ধতা আমার চোখে পড়ে সেগুলো এড়িয়ে যাইনা(এ কথা বলার মানে কিন্তু আপনার বিশ্বাসকে খাটো করা নয়)।তবে উনার জীবনী থেকে ভাল জিনিসগুলো নিয়ে সেগুলো প্রচারের যে প্রচেষ্টা আমার সেটি ভাল লেগেছে।

পোস্টে প্লাস।
৭৩. ১৮ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:৩০
তারা ১২৩ বলেছেন: পড়ে ভাল লাগল ।ধন্যবাদ সুন্দর পোস্টের জন্য

++++++++++++++++++++++++++
৭৪. ১৮ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:৩০
তারা ১২৩ বলেছেন: পড়ে ভাল লাগল ।ধন্যবাদ সুন্দর পোস্টের জন্য

++++++++++++++++++++++++++
৭৫. ২৫ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:২৬
ইমতি২৪ বলেছেন: ধন্যবাদ সুন্দর পোস্টের জন্য
৭৭. ০৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১২:৩২
মেহেদী রাজন বলেছেন: it's a nice post. if we can strat to follow that then oneday maybe all the people will also follow as well.
৭৮. ০৮ ই জানুয়ারি, ২০১০ ভোর ৬:২৯
কাগজ বলেছেন: অসম্ভব সুন্দর লেখার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ
+++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++
৭৯. ১২ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ২:০৬
নতুন মুখ বলেছেন: সত্য কথা,আমাদের নবীর জীবনী দেখে নিজের চরিত্র ঠিক করা উচিত।
লেখার জন্য অনেক ধন্যবাদ।
৮০. ২২ শে মার্চ, ২০১০ রাত ১:৩৮
শেলী বলেছেন: @আরিফুর, আয়েশার বিয়ের সময় বয়স কত ছিল তা এখনো ঠিকমত বের করা হয়নি। এই লিংকে গেলে মনে হয় অন্তত ১৫ ছিলো।
Click This Link
আর উনার একটু কম বয়স হওয়া দরকার ছিলো। কারণ রাসল(সঃ) এর teaching আত্মস্হ করে (উনি মারা যাবার পরে )মানুষকে তা জানানো উনার জন্য সম্ভব ছিলো। নিশ্চয় জানেন,হাদিস descriptor হিসাবে উনার স্হান ছিল third.
৮১. ২৫ শে মার্চ, ২০১০ দুপুর ১২:১৫
সজল বস বলেছেন: ছাগিফুরকে জবাব দেওয়ার প্রয়োজন মনে করেন? দরকার কি? ও মুখ লাগালে কেমন যেন অরুচি লাগে!!
পোষ্ট চমৎকার। ধন্যবাদ
+ ও সংগ্রহে।
৮৩. ০১ লা মে, ২০১০ রাত ২:০৬
রংধনু বলেছেন: মহানবী (সাঃ) -এর ক্ষেত্রে আরো বেশী সাবধানতার সাথে বাক্য ব্যবহার করা উচিত বলে আমি মনে করি।gf ‍"আমরা যারা অন্যের ব্যবসা প্রতিস্টানে কাজ করছি তাদের কাছে এর চেয়ে ভালো Example কি হতে পারে? টুক টাক চুরি না করে বড় কিছু করাই কি ভালো নয়?" এই বাক্যে কি বুঝিয়েছেন আপনি? নিশ্চয় খাদিজাকে স্ত্রী হিসেবে পাওয়ার আশায় তিনি ন্যায়নিষ্ঠ আচরন দিয়ে তাকে (খাদিজাতুল কুবরাকে) মুগ্ধ করতে চান নি!

সাবলিলভাবে বিষয়বস্তুকে তুলে ধরার জন্য ধন্যবাদ।
৮৪. ২১ শে মে, ২০১০ সকাল ১০:৩৭
লেজী ফেলো বলেছেন: "সহজ কথা যায় না বলা সহজে" - কিন্তু আপনি পেরেছেন :-)
অসাধারন লেখা। ধন্যবাদ আপনাকে।
৮৫. ০৬ ই জুন, ২০১০ রাত ১:১৩
সাবিনা বলেছেন: খুব ভালো লেগেছে।মে আল্লাহ ব্লেস ইউ।
৮৬. ০৬ ই জুন, ২০১০ রাত ১:২৮
নীল_পদ্ম বলেছেন: সাবলীল ভাষার সুন্দর এবং গোছালো লেখা। অনেক ভাল লাগল।

এনিওয়ে, ছাগিরুপ কহমানকে তো সবাই মানসিক রোগী হিসেবেই জানে। উনার কথার জবাব দিতে গেছেন কেন??
৮৭. ২২ শে জুন, ২০১০ রাত ৩:১৫
উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: বস, আপনের লেখার ভক্ত হয়ে গেলাম। দেশে আসলে কি এ্যাপোয়েন্টম্যান্ট দিবেন, আপনের সাথে কয়টা ছবি তুলতাম!


ভালো থাকেন বস!
২৭ শে জুন, ২০১০ দুপুর ২:৩০

লেখক বলেছেন: সে রকম কেউ কেটা কেউ না ভ্রাত! ব্লগেই আছি। আসলে জানাইয়েন।

৮৯. ২৩ শে অক্টোবর, ২০১০ রাত ১২:৪৬
মুভি পাগল বলেছেন: অসম্ভব সুন্দর লিখেছেন। এরকম লেখা আরও বেশি বেশি পেলে ভাল লাগবে
৯০. ২৫ শে অক্টোবর, ২০১০ দুপুর ১২:৫৫
তায়েফ আহমাদ বলেছেন: এই লেখাটা যতবার পড়ি, ভাল লাগে।
কিন্তু কখনো কমেন্ট করা হয় না......
দারুন লেখা নিঃসন্দেহে।
৯১. ১৩ ই ডিসেম্বর, ২০১০ সকাল ৭:২৪
তাইয়িব বলেছেন: আল্লাহ পাক উনি স্বয়ং ইরশাদ করেন "তিনি আল্লাহ পাক উনার রসুল ব্যতিত আর কিছু নন।"
অর্থাৎ রসুল ব্যাতিত নুরে মুজাস্সাম হাবীবুল্লাহ হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে নেতা,বস এগুলো কিছুই বলা যাবেনা ,
অর্থাৎ তিনি আল্লাহ পাক উনার হাবীব,নবী আলাইহিমুস সালাম উনাদের নবী ,রসুল আলাইহিমুস সালাম উনাদের রসুল ,হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ,এই ভাবে অত্যন্ত আদব এর সাথে লিখতে হবে।
অতএব সাবধান!!!!!!!শীঘ্র্ই পোষ্ট এডিট করুন।
৯২. ১৩ ই ডিসেম্বর, ২০১০ সকাল ৭:৩৭
তাইয়িব বলেছেন: @শেলী , আল্লাহ পাক উনার হাবীব হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি স্বয়ং আল্লাহ পাক প্রদত্ত ক্ষমতায় হায়াতুন্নবী । অর্থাৎ অনন্তকাল ধরে তিনি জীবিত রয়েছেন এবং থাকবেন।
ছাহিবুল কাওছার, ছাহিবুল মাহ্‌শার, ছাহিবুল মাক্বামিল মাহমূদ, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাদের মত মানুষ নন।
হযরত আব্দুল্লাহ্‌ ইবনে আমর রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করেন, আমি তোমাদের কারো মত নই। (বুখারী ১/২৬৩ আবূ দাউদ/১৩৭)
হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে উমর রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করেন, নিশ্চয়ই আমি তোমাদের অনুরূপ নই। (বুখারী ১/২৬৩, ফতহুল বারী ৪/১৬৪)
হযরত আবূ সাঈদ খুদুরী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করেন, নিশ্চয়ই আমি আকৃতিগতভাবে তোমাদের মত নই।” (বুখারী ১/২৬৩, ফতহুল বারী ৪/১৬৫)
হযরত আবূ হুরায়রা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু হতে বর্ণিত- তিনি বলেন, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করেন, তোমাদের মধ্যে আমার অনুরূপ কে রয়েছে? (বুখারী ১/২৬৩, ফতহুল বারী ৪/১৬৭) অর্থাৎ তোমাদের মধ্যে কেউই আমার মত নয়। বা আমি তোমাদের কারো মত নই। তাই জনৈক কবি বলেছেন, “হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বাশার, তবে তিনি অন্যান্য বাশারের মত নন। যেরূপ ইয়াকুত পাথর অন্যান্য পাথরের মত নয়।”
বাহ্‌রুল উলুম হযরত মাওলানা মুহম্মদ আব্দুল আলী লখনবী রহ্‌মতুল্লাহি আলাইহি “মীর যাহিদ” কিতাবে উল্লেখ করেছেন, “আল্লাহ পাক তাঁর হাবীব হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে সমস্ত বিষয়েরই ইল্‌ম দান করেছেন, যা মহান আল্লাহ পাক-এর মহান কুদরতী কলম বা কলমে আ’লার আওতায়ও আসেনি। যা লাওহে; মাহ্‌ফুজও আয়ত্ব করতে পারেনি। কস্মিনকালেও সৃষ্টির শুরু থেকে অনন্তকাল পর্যন্ত তাঁর মত কেউ পয়দা হয়নি, কেউ তাঁর সমকক্ষ হবে না। সমস্ত কায়িনাতে তাঁর সমকক্ষ কেউ নেই।”
উল্লেখ্য যে, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তো অনেক দূরের কথা, উনার পুত-পবিত্রা আহলিয়াগণ অর্থাৎ হযরত উম্মুল মু’মিনীন রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুন্নাগণের শানেই আল্লাহ পাক ইরশাদ করেন, “হে রসূলে পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর আহলিয়াগণ! আপনারা অন্যান্য মহিলাদের মত নন।” (সূরা আহযাব/৩২)
সুতরাং যেই রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর আহলিয়া হওয়ার কারণে উনারা দুনিয়ার সকল মহিলাদের থেকে তুলনাহীন হলেন, সেই মহান ব্যক্তিত্ব যিনি একমাত্র আল্লাহ পাক-এর পরেই সমস্ত প্রকার শ্রেষ্ঠত্ব, ভালাই ও কল্যাণের একচ্ছত্র অধিকারী, তিনি আমাদের মত মানুষ হন কি করে? মহান আল্লাহ পাক ইরশাদ করেন, “(হে রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম!) আপনি বলুন, নিশ্চয়ই আমি তোমাদের মত একজন বাশার, তবে আমার প্রতি ওহী নাযিল হয়।” (সূরা কাহ্‌ফ/১১০)
এ আয়াতে কারিমা-এর প্রেক্ষিতে অনেকে সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন্‌ নাবিয়্যীন, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে আমাদের মতই মানুষ বলে থাকে। (নাউজুবিল্লাহ)
প্রকৃতপক্ষে এটা সম্পূর্ণরূপে অশুদ্ধ ও ভুল। কারণ আমাদের মধ্যে এমন কেউ নেই, যার প্রতি ওহী নাযিল হয়। বরং আমাদের মধ্যে কেউ যদি নিজের প্রতি ওহী নাযিলের দাবী করে, তবে সে কাট্টা কাফির ও চির জাহান্নামী হবে। যেমন কাদিয়ানী, বাহাই ইত্যাদি সম্প্রদায়।
মূলতঃ উপরোক্ত আয়াত শরীফের সঠিক ও নির্ভরযোগ্য ব্যাখ্যা হলো, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন্‌ নাবিয়্যীন, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম শুধুমাত্র আদম সন্তান হিসেবে ‘মেছাল বাশার’ বা মানুষের অনুরূপ। সেজন্যই বনী আদমকে আশরাফুল মাখলুকাত করা হয়েছে, অর্থাৎ আল্লাহ্‌ পাক মানুষকে আশরাফিয়াত দান করেছেন বা সৃষ্টির সেরা করেছেন। হাক্বীক্বত তিনি আমাদের মত মানুষ নন।
লক্ষ-কোটি দিক বা বিষয় রয়েছে, যার দ্বারা প্রতীয়মান হয় যে, আল্লাহ পাক-এর হাবীব, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন্‌ নাবিয়্যীন, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাদের মত মানুষ নন, বরং তিনি “নূরে মুজাস্‌সাম” বা নূরের সৃষ্টি। হযরত আদম আলাইহিস্‌ সালাম থেকে শুরু করে হযরত আব্দুল্লাহ আলাইহিস সালাম পর্যন্ত যে সকল পুতঃপবিত্র মহিলা ও পুরুষ আলাইহিমুস সালামগণের মধ্যে স্থানান্তরিত হয়েছেন, তাঁদের সকলের মধ্যেই তিনি সরাসরি নূর আকারে স্থানান্তরিত হয়েছেন এবং সবশেষে হযরত আমিনা আলাইহাস সালাম-এর রেহেম শরীফ হতে নূর হিসেবেই যমীনে তাশরীফ এনেছেন। সে কারণে তাঁর শরীর মুবারকের কোন ছায়া ছিল না। হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর শরীর মুবারকে যা কিছু ছিল, তা সবই ছিল পবিত্র থেকে পবিত্রতম। এমনকি তাঁর প্রস্রাব ও ইস্তিঞ্জা মুবারকও ছিল পাক ও পবিত্র। যা পান করার কারণে জাহান্নামী লোকের জন্য জাহান্নাম হারাম হয়ে জান্নাত ওয়াজিব হয়ে যায়। তিনি যে হাযত পুরা করতেন তাও কোন মানুষ দেখতে পেত না। যমিন তা সাথে সাথেই গ্রাস করে ফেলত বা খেয়ে ফেলত। তাঁর শরীর মুবারকে কশ্মিনকালেও মশা-মাছি বসতো না।
উম্মতের জন্য চারটির বেশী বিবাহ করা হারাম। কিন্তু আল্লাহ পাক এর হাবীব হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর জন্য তা ছিল না। তিনি স্বয়ং নিজেই শারে’ বা শরীয়ত প্রণেতা, তিনি যা করেছেন, বলেছেন ও সম্মতি দিয়েছেন তাই শরীয়ত। পক্ষান্তরে সাধারণ মানুষের ক্ষেত্রে তা নয়। সাধারণ মানুষ পরস্পর পরস্পরকে যেভাবে ডেকে থাকে হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে সেভাবে ডাকলে কুফরী হবে।
সাধারণ মানুষের কলেমা শরীফ হচ্ছে, ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুহম্মদুর রসুলুল্লাহ’ (ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) পক্ষান্তরে হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর কলেমা শরীফ হচ্ছে, ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ইন্নি রসুলুল্লাহ’ যা সাধারণ মানুষ দাবী করলে কাফির হবে। সাধারণ মানুষের আহলিয়াকে তালাক দিলে বা স্বামী মারা গেলে আহলিয়াকে অন্য কেউ বিবাহ করতে পারে। কিন্তু আল্লাহ পাক-এর হাবীব হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর বিদায়ের পরে হযরত উম্মুল মু’মিনীন রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুন্নাগণকে অন্য কোন মানুষের জন্য বিবাহ করার চিন্তা করাটাও হারাম! সাধারণ মানুষের মৃত্যূর পরে তার মীরাছ (পরিত্যাক্ত সম্পদ বণ্টন করতে হয়। কিন্তু আল্লাহ পাক-এর হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর ক্ষেত্রে সেরূপ নয়। কারণ তিনি হায়াতুন্‌নবী। এমনিভাবে অসংখ্য, অগণিত বৈশিষ্ট্য রয়েছে, যা একমাত্র হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর জন্য খাছ। যা অন্য কোন মানুষ তো দূরের কথা অন্য কোন নবী-রসূল আলাইহিমুস্‌ সালামগণকেও দান করা হয়নি। কাজেই তিনি কোন দিক থেকেই আমাদের মত নন।
৯৩. ১৩ ই ডিসেম্বর, ২০১০ সকাল ৭:৩৭
তাইয়িব বলেছেন: @শেলী , আল্লাহ পাক উনার হাবীব হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি স্বয়ং আল্লাহ পাক প্রদত্ত ক্ষমতায় হায়াতুন্নবী । অর্থাৎ অনন্তকাল ধরে তিনি জীবিত রয়েছেন এবং থাকবেন।
ছাহিবুল কাওছার, ছাহিবুল মাহ্‌শার, ছাহিবুল মাক্বামিল মাহমূদ, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাদের মত মানুষ নন।
হযরত আব্দুল্লাহ্‌ ইবনে আমর রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করেন, আমি তোমাদের কারো মত নই। (বুখারী ১/২৬৩ আবূ দাউদ/১৩৭)
হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে উমর রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করেন, নিশ্চয়ই আমি তোমাদের অনুরূপ নই। (বুখারী ১/২৬৩, ফতহুল বারী ৪/১৬৪)
হযরত আবূ সাঈদ খুদুরী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করেন, নিশ্চয়ই আমি আকৃতিগতভাবে তোমাদের মত নই।” (বুখারী ১/২৬৩, ফতহুল বারী ৪/১৬৫)
হযরত আবূ হুরায়রা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু হতে বর্ণিত- তিনি বলেন, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করেন, তোমাদের মধ্যে আমার অনুরূপ কে রয়েছে? (বুখারী ১/২৬৩, ফতহুল বারী ৪/১৬৭) অর্থাৎ তোমাদের মধ্যে কেউই আমার মত নয়। বা আমি তোমাদের কারো মত নই। তাই জনৈক কবি বলেছেন, “হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বাশার, তবে তিনি অন্যান্য বাশারের মত নন। যেরূপ ইয়াকুত পাথর অন্যান্য পাথরের মত নয়।”
বাহ্‌রুল উলুম হযরত মাওলানা মুহম্মদ আব্দুল আলী লখনবী রহ্‌মতুল্লাহি আলাইহি “মীর যাহিদ” কিতাবে উল্লেখ করেছেন, “আল্লাহ পাক তাঁর হাবীব হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে সমস্ত বিষয়েরই ইল্‌ম দান করেছেন, যা মহান আল্লাহ পাক-এর মহান কুদরতী কলম বা কলমে আ’লার আওতায়ও আসেনি। যা লাওহে; মাহ্‌ফুজও আয়ত্ব করতে পারেনি। কস্মিনকালেও সৃষ্টির শুরু থেকে অনন্তকাল পর্যন্ত তাঁর মত কেউ পয়দা হয়নি, কেউ তাঁর সমকক্ষ হবে না। সমস্ত কায়িনাতে তাঁর সমকক্ষ কেউ নেই।”
উল্লেখ্য যে, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তো অনেক দূরের কথা, উনার পুত-পবিত্রা আহলিয়াগণ অর্থাৎ হযরত উম্মুল মু’মিনীন রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুন্নাগণের শানেই আল্লাহ পাক ইরশাদ করেন, “হে রসূলে পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর আহলিয়াগণ! আপনারা অন্যান্য মহিলাদের মত নন।” (সূরা আহযাব/৩২)
সুতরাং যেই রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর আহলিয়া হওয়ার কারণে উনারা দুনিয়ার সকল মহিলাদের থেকে তুলনাহীন হলেন, সেই মহান ব্যক্তিত্ব যিনি একমাত্র আল্লাহ পাক-এর পরেই সমস্ত প্রকার শ্রেষ্ঠত্ব, ভালাই ও কল্যাণের একচ্ছত্র অধিকারী, তিনি আমাদের মত মানুষ হন কি করে? মহান আল্লাহ পাক ইরশাদ করেন, “(হে রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম!) আপনি বলুন, নিশ্চয়ই আমি তোমাদের মত একজন বাশার, তবে আমার প্রতি ওহী নাযিল হয়।” (সূরা কাহ্‌ফ/১১০)
এ আয়াতে কারিমা-এর প্রেক্ষিতে অনেকে সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন্‌ নাবিয়্যীন, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে আমাদের মতই মানুষ বলে থাকে। (নাউজুবিল্লাহ)
প্রকৃতপক্ষে এটা সম্পূর্ণরূপে অশুদ্ধ ও ভুল। কারণ আমাদের মধ্যে এমন কেউ নেই, যার প্রতি ওহী নাযিল হয়। বরং আমাদের মধ্যে কেউ যদি নিজের প্রতি ওহী নাযিলের দাবী করে, তবে সে কাট্টা কাফির ও চির জাহান্নামী হবে। যেমন কাদিয়ানী, বাহাই ইত্যাদি সম্প্রদায়।
মূলতঃ উপরোক্ত আয়াত শরীফের সঠিক ও নির্ভরযোগ্য ব্যাখ্যা হলো, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন্‌ নাবিয়্যীন, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম শুধুমাত্র আদম সন্তান হিসেবে ‘মেছাল বাশার’ বা মানুষের অনুরূপ। সেজন্যই বনী আদমকে আশরাফুল মাখলুকাত করা হয়েছে, অর্থাৎ আল্লাহ্‌ পাক মানুষকে আশরাফিয়াত দান করেছেন বা সৃষ্টির সেরা করেছেন। হাক্বীক্বত তিনি আমাদের মত মানুষ নন।
লক্ষ-কোটি দিক বা বিষয় রয়েছে, যার দ্বারা প্রতীয়মান হয় যে, আল্লাহ পাক-এর হাবীব, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন্‌ নাবিয়্যীন, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাদের মত মানুষ নন, বরং তিনি “নূরে মুজাস্‌সাম” বা নূরের সৃষ্টি। হযরত আদম আলাইহিস্‌ সালাম থেকে শুরু করে হযরত আব্দুল্লাহ আলাইহিস সালাম পর্যন্ত যে সকল পুতঃপবিত্র মহিলা ও পুরুষ আলাইহিমুস সালামগণের মধ্যে স্থানান্তরিত হয়েছেন, তাঁদের সকলের মধ্যেই তিনি সরাসরি নূর আকারে স্থানান্তরিত হয়েছেন এবং সবশেষে হযরত আমিনা আলাইহাস সালাম-এর রেহেম শরীফ হতে নূর হিসেবেই যমীনে তাশরীফ এনেছেন। সে কারণে তাঁর শরীর মুবারকের কোন ছায়া ছিল না। হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর শরীর মুবারকে যা কিছু ছিল, তা সবই ছিল পবিত্র থেকে পবিত্রতম। এমনকি তাঁর প্রস্রাব ও ইস্তিঞ্জা মুবারকও ছিল পাক ও পবিত্র। যা পান করার কারণে জাহান্নামী লোকের জন্য জাহান্নাম হারাম হয়ে জান্নাত ওয়াজিব হয়ে যায়। তিনি যে হাযত পুরা করতেন তাও কোন মানুষ দেখতে পেত না। যমিন তা সাথে সাথেই গ্রাস করে ফেলত বা খেয়ে ফেলত। তাঁর শরীর মুবারকে কশ্মিনকালেও মশা-মাছি বসতো না।
উম্মতের জন্য চারটির বেশী বিবাহ করা হারাম। কিন্তু আল্লাহ পাক এর হাবীব হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর জন্য তা ছিল না। তিনি স্বয়ং নিজেই শারে’ বা শরীয়ত প্রণেতা, তিনি যা করেছেন, বলেছেন ও সম্মতি দিয়েছেন তাই শরীয়ত। পক্ষান্তরে সাধারণ মানুষের ক্ষেত্রে তা নয়। সাধারণ মানুষ পরস্পর পরস্পরকে যেভাবে ডেকে থাকে হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে সেভাবে ডাকলে কুফরী হবে।
সাধারণ মানুষের কলেমা শরীফ হচ্ছে, ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুহম্মদুর রসুলুল্লাহ’ (ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) পক্ষান্তরে হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর কলেমা শরীফ হচ্ছে, ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ইন্নি রসুলুল্লাহ’ যা সাধারণ মানুষ দাবী করলে কাফির হবে। সাধারণ মানুষের আহলিয়াকে তালাক দিলে বা স্বামী মারা গেলে আহলিয়াকে অন্য কেউ বিবাহ করতে পারে। কিন্তু আল্লাহ পাক-এর হাবীব হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর বিদায়ের পরে হযরত উম্মুল মু’মিনীন রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুন্নাগণকে অন্য কোন মানুষের জন্য বিবাহ করার চিন্তা করাটাও হারাম! সাধারণ মানুষের মৃত্যূর পরে তার মীরাছ (পরিত্যাক্ত সম্পদ বণ্টন করতে হয়। কিন্তু আল্লাহ পাক-এর হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর ক্ষেত্রে সেরূপ নয়। কারণ তিনি হায়াতুন্‌নবী। এমনিভাবে অসংখ্য, অগণিত বৈশিষ্ট্য রয়েছে, যা একমাত্র হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর জন্য খাছ। যা অন্য কোন মানুষ তো দূরের কথা অন্য কোন নবী-রসূল আলাইহিমুস্‌ সালামগণকেও দান করা হয়নি। কাজেই তিনি কোন দিক থেকেই আমাদের মত নন।
৯৪. ১৩ ই ডিসেম্বর, ২০১০ সকাল ৭:৪০
লাইট বলেছেন: @তাইয়িব, প্রবলেম কি আপনার????? অশিক্ষিত গোয়ারের মত মন্তব্য করে গেলেই হলো??? ফালতু কথা বলার জন্য অন্য আরো পোস্ট আছে! সেসবে যান। আপনাকে দায়ীত্ব দেয়া হয়েছে জামাতি-জঙ্গী এদের নিয়ে পোস্ট দিতে, এর বেশী কিছু করতে কে বলসে? সকাল বেলা আসছেন সাবধান বানী শোনাতে!!!!
৯৫. ১৩ ই ডিসেম্বর, ২০১০ সকাল ৭:৪৫
তাইয়িব বলেছেন: সত্য কথা বললে গা জ্বালা তো করবেই @লাইট
৯৬. ১৩ ই ডিসেম্বর, ২০১০ সকাল ৭:৪৯
তাইয়িব বলেছেন: দ্বীন ইসলামের সবকিছুই প্রামাণ্য দলীলভিত্তিক। এই পোষ্টের আপত্তিকর অংশের আমি দলীলভিত্তিক ভাবেই দিলাম ।পারলে আরো অধিক সংখ্যাক দলীল দিয়ে খন্ডন করুন।

গোঁয়ারের মতো আচরণতো আপনিই করছেন।
৯৮. ২৫ শে জানুয়ারি, ২০১১ বিকাল ৩:১৭
একাকী সিন্দাবাদ বলেছেন: ষাট হাজার সহীহ হাদীস আছে হযরত মুহাম্মদ (স) কে নিয়ে। তাঁর জীবন আমাদের কাছে একটা খোলা বইয়ের মতই। তাঁকে অনুসরণীয় মনে করা বরং অন্যদের চেয়ে অনেক বেশী সহজ।

অনেক ধন্যবাদ সাবলীল এবং মন ছুঁয়ে যাওয়ার মত একটা লেখা উপহার দেয়ার জন্য। B-)
৯৯. ২৫ শে জানুয়ারি, ২০১১ বিকাল ৩:৩৩
বিদ্রোহী কান্ডারী বলেছেন: মহানবী হযরত মুহম্মদ (সাঃ) এর চরিত্র সব দিক দিয়েই অনুকরনের যোগ্য। শুধু যে একজন সাধারন মানুষ হিসেবে নয় তিনি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করে দেখিয়েছেন নেতাদের কিভাবে রাষ্ট্র চালাতে হয়, কিভাবে সমাজে ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠা করতে হয়, আইয়ামে জাহিলিয়াত যুগের অন্ধকারকে দূরে ঠেলে তিনি দেখিয়েছে কিভাবে শান্তি কায়েম করতে হয়। তাকে সবার অনুকরন করা উচিত।

খুব সুন্দর আর সাধারন ভাবে ব্যাপারটা কে ব্যাখ্যা করার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ। আর আরিফুর রহমানটাকে ব্লক করেন, এমন নোংরা মানসিকতার লোক আমি আর দেখিনি।
১০০. ২৯ শে জানুয়ারি, ২০১১ রাত ২:৪৮
মুহাম্মাদ তারিক সাইফুল্লাহ বলেছেন: বুড়া আঙ্গুল আর তর্জনী একলগে লাগায় গোল করলাম :)
১০২. ০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১১ রাত ১:০৬
ক্যাপ্টেন০৫ বলেছেন: খুবই ভালো লাগলো ।
১০৩. ০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১১ বিকাল ৪:২৩
তানভীরএফওয়ান বলেছেন: Many thanks .Agreed with অন্যরকম বলেছেন: রাসুলুল্লাহ (সাঃ) এর জীবনি এত সংক্ষেপে পরিপাটি করে সহজভাবে খুব কমই পড়েছি ! একপর্যায়ে চোখের জল আটকে রাখা কষ্ট হয়ে পরেছিল। ...............................................................................
লাইট বলেছেন: @তাইয়িব, প্রবলেম কি আপনার?????
Ans. Ter problem hocche ,she mone hoe kono pirer murid.Karon pirer murid ra Namaz,Kalam Pore na!!!Kintu Hazrat MD (Sa:) er proshongsha korte korte mukhe fena tule fele!!!!
------------------------------------------------------------------------
Pirer muridra Arekta jinis procher kore তিনি “নূরে মুজাস্‌সাম” বা নূরের সৃষ্টি....Naowjubillah.....Ekhon Amer kotha na ,Oviggo Alem,Mufti er kotha Shunun-->>>
1.Manush hoche Allah(swt) er Ist class Sristy ,Jara Matir toiri.
2.Jin hoche Allah(swt) er 2nd class Sristy ,Jara Aagun er toiri.
3.Fereshta hoche Allah(swt) er 3rd class Sristy ,Jara Nurer নূরের toiri.

Hazrat MD(swt) nurer toiri hoile?Tini(peace be upon with him)
tahole apnader kotha moto 3rd Class(Nawjubilla)?????
“নিঃসন্দেহে তুমি মহান চরিত্রের ওপর (প্রতিষ্ঠিত) রয়েছো।” সূরা আল ক্বালামঃ আয়াত ৪
মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম একজন মানুষ ছিলেন, এ কথা কোরআনের বিভিন্ন জায়গায় স্বীকার করা হয়েছে। যেমন আল্লাহ তায়ালা বলেন,

“(হে নবী) তুমি (এদের) বলো, আমি তো তোমাদের মতোই একজন (রক্ত মাংসের) মানুষ, তবে আমার ওপর ওহী নাযিল হয়।” {সূরা আল কাহফঃ আয়াত ১১০}
View this link
আরো বলা হয়েছে, “(হে নবী,) তুমি (এদের শুধু এটুকু) বলো, মহান পবিত্র (আমার) আল্লাহ তায়ালা, আমি তো কেবল (তাঁর পক্ষ থেকে) একজন মানুষ, (একজন) রসূল বৈ কিছুই নই।” {সূরা বনী ইসরাঈলঃ আয়াত ৯৩}

মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাঁর উম্মতকে তাকিদ দিয়েছেন, তারা যেন সম্মান ও মর্যাদার ক্ষেত্রে সেই রকম বাড়াবাড়ি না করে, যে রকম বাড়াবাড়ি খৃষ্টানরা হযরত ঈসা আলাইস সালাতু আস্‌ সালাম-এর ব্যাপারে করেছিলো। খৃষ্টানরা হযরত ঈসা আলাইস সালাতু আস্‌ সালাম-কে আল্লাহর পুত্রে পরিণত করেছিলো।
এখানে Allah nur bolte Holy Koran ke mark korechen View this link
কাজেই এ কথা জানা গেল যে, মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মানুষ ছিলেন, তিনি নূরের তৈরী ছিলেন না। সোনারূপারও তৈরী ছিলেন না। বরং সাধারণ মানুষের মতোই বস্তুগত উপাদানেই তিনি সৃষ্টি হয়েছিলেন। তবে রেসালাত, নবুওত এবং হেদায়াতের কর্তব্য পালনের দিক থেকে তিনি ছিলেন নিঃসন্দেহে আল্লাহর নূর। নূর বা আলোর পথে হেদায়াত দানকারী। পথভ্রষ্ট মানুষের জন্যে তিনি ছিলেন আলোর মশাল।
১০৪. ০৬ ই মার্চ, ২০১১ সকাল ৭:৩০
অবাঞ্চিত বলেছেন: দলে দলে বাচ্চা মেয়ে খুঁজে বের করে বিয়া কইর‍্যা ফেলি। সবকিছুতেই নবিরে ফলো করি
১০৬. ২৫ শে মার্চ, ২০১১ বিকাল ৩:৩৪
আলবার্ট_আইনস্টাইন বলেছেন: করতে তো চাইই ভাই। কিন্তু কোন বাবা তার ছয় বছরের মেয়েকে আমার মত বুড়া বিজ্ঞানীর সাথে বিয়ে দিতে রাজি হয়না। আবার এত এত গণিমতের কচি মালের সাপ্লাইও বন্ধ।
১০৮. ০৯ ই জুলাই, ২০১১ সকাল ১০:২৬
চিন্তিত পথিক বলেছেন: এ রকম এ্যাকাডেমিক লেখা প্রশংসাযোগ্য. তবে অধিকাংশ ক্ষেত্রে লেখালেিখ গুলো নিম্নমানের political motivatioin

 

মোট সময় লেগেছে ১.০৭৪৩ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
সমাজ ও সময় নিয়ে চাছাঁছোলা লেখনী। স্বার্থান্বেষী বিশেষ করে ক্ষমতাসীন মহল ও নূন-নেমক খাওয়া হরিদাশ পালদের গাত্রদাহ হতে পারে।
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই