আমার প্রিয় পোস্ট
- পড়তে চাইলে পড়তে পারেন নাফিস ইফতেখারের ড্রাফটে নেয়া পোস্টসমূহ

+ একটি ঐতিহাসিক পোস্ট - অণুজীব
- এই লাল্টু মার্কা নব্য বুদ্ধিজীবি টা কেডা? প্রাইভেট টিভি চ্যানেলের টকশোতে মাঝে মাঝে দেখা যায় উনাকে। - পাকাচুল
- কাঙাল মামার শোকেসে যেসব পোস্ট ছিলো - কাঙাল মামা
- অনুবীক্ষন যন্ত্রের মাধ্যমে তোলা আমাদের দেহের ভিতরের কলকব্জার অসাধারন সব ছবি - সারওয়ার ইবনে কায়সার
- রাগিবনামা - যেমন ইচ্ছে লেখার আমার ব্লগের খাতা - রাগিব
- জগজিত সিং এর অমর কীর্তি - ৭৬ টি এ্যালবাম একসাথে (আমার আপলোড করা) - কবির চৌধুরী
- আধুনিক শকুন্তলা উপাখ্যান ( পূর্ণবয়স্কদের জন্য ) - ইশতিয়াক আহমেদ চয়ন
- আমার প্রিয়তে রাখা,ভালো লাগা পোষ্ট সমগ্র (সংস্কার চলছে) - ২ - জিসান শা ইকরাম
- আট বছর ধরে পৃথিবী ঘুরে বেড়িয়ে যে উনত্রিশটি শিক্ষা আমি পেয়েছি - বিলাশ বিডি
- তেল-গ্যাস : এইসব কমিশনখোরের অতীত ভালো নয়, শুনুন আলোচিত সেইসব অডিও টেপ - ফিউশন ফাইভ
- লিনাক্স :: একটি বিশ্বস্ত, শক্তিশালী এবং স্বপ্নের অপারেটিং সিস্টেম (ইতিহাস, ইন্সটল, ব্যবহার) - পাপী
- আগামীবার যখন উইন্ডোজ নতুন করে সেটআপ দেবেন....... - নাফিস ইফতেখার
- সিফিলিসের জীবানু কার কাছ থেকে আসলো - মুজিব রহমান
- জানা অজানা যত গুগল সার্ভিস: গুগল সার্ভিস গাইড পর্ব ১ - ইন্ঞ্জিনিয়ার
- অসাধারণ কিছু জিমেইল ফিচার: জিমেইল গাইড- পর্ব:১ - ইন্ঞ্জিনিয়ার
- ২৬ বছর বয়সেই মিলিয়নিয়ার হওয়া Adam Khoo তার সৌভাগ্যকে বিশ্লেষণ করেছেন। চলুন দেখি কিভাবে... - মুভি পাগল
- GRE ফ্রি ডাউনলোড এর কারখানা !!!যাবতীয় মালমশলা ফ্রি ডাউনলোড : পর্ব -৩ ( আপডেট এপ্রিল ৫ ২০১০) - পরিবেশবাদী ঈগলপাখি
- গ্রামীন মডেম দিয়ে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের জন্য একটি দারুন প্লাগইনস - হা...হা...হা...
- ফ্রিওয়্যার সফটয়্যার ডাউনলোডের জন্য কিছু সফটয়্যারের ওয়েবলিঙ্ক (Freeware Software List) সংগ্রহে রাখুন - মুস্তাফিজুর রহমান (মুন্না)
- ইয়োগা: সুদেহী মনের খোঁজে |১৬| আসন: ধনুরাসন। - রণদীপম বসু
- হুমায়ুন আজাদের কিছু নির্বাচিত প্রবচন - জানজাবিদ
- স্বাধীনতার ঘোষণা সম্পর্কে বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ তাদের লেখা ও স্মৃতিচারণ - চিন্তিত দার্শনিক
- বাংলাদেশের প্রায় সকল পর্যটন স্হানের ছবি ব্লগের সংকলন (শত তম পোষ্ট ) - শ।মসীর
- ইনকা সভ্যতা, পাথর নগর, স্প্যানিশ বর্বরতা ও মাচু পিকচুর সেই সূর্যদেবতার থান ... - ইমন জুবায়ের
- শাস্ত্রীয় মৌলবাদী এবং সেক্যুলার মৌলবাদী—উভয়েই পরিত্যাজ্য! - ম্যাভেরিক
- আমার প্রিয় লেখাগুলি নিয়ে ই-বুক - নাজিল আযামী
- 'সামহয়ারে'র মত আরো কিছু ওয়েব সাইট - জানজাবিদ
- একে একে বন্ধ হয়ে যাচ্ছে গার্মেন্টস ফ্যাক্টরী > সব দোষ চাপানো হচ্ছে শ্রমিক অসন্তোষ আর চাঁদাবাজদের উপর > আসল কাহিনী কী ? - মনজুরুল হক
- অনিঃশেষ দেশভাগের কথকতা : সুধা কি সাদিয়ার কথা শুনছে - ফারুক ওয়াসিফ
- ব্লগীয় চিপাবুদ্ধি
- নাফিস ইফতেখার
- সামহোয়ারইনের যত্তসব অপশনের ব্যাবচ্ছেদ - কাঙাল মামা
- ভালোবাসা: ছেলেরা যেমন চায়, মেয়েরা যেমন হয়.... (শ্যাষ) - মাহবুবা আখতার
- গাছভুদাই না হইলে কেউ জঙ্গী হয় না - লেখাজোকা শামীম
- কর্পোরেট ইকো ক্যাম্পেইনের রকমসকম - জ্বিনের বাদশা
- ইমরান ব্লগ স্রষ্ট া - দেবরা
- সামহোয়ারে আপনার পড়া সেরা তিনটি লেখা কি কি? (উৎসর্গ, নাস্তিকের ধর্মকথা, বিবর্তনবাদী) - জ্বিনের বাদশা
- গণতন্ত্রের বেশী বেশী চর্চা নাকি আগে ধর্ষণকারীদের লিঙ্গ কেটে ফেলা কোনটা আগে করতে হবে? (একটি ১৮ +
) - ইউনুস খান
- জিমেইলের সেরা কিছু ফিচার যার জন্য জি-মেইল ব্যবহার করবেন (আর.এস.এস পড়ুন মেইল বক্স থেকে) - ১ - পাপী
সমাজ ও সময় নিয়ে চাছাঁছোলা লেখনী। স্বার্থান্বেষী বিশেষ করে ক্ষমতাসীন মহল ও নূন-নেমক খাওয়া হরিদাশ পালদের গাত্রদাহ হতে পারে।

মুসলিম কি করিয়া ধর্মনিরপেক্ষ হয়? এমনকি অন্যরা?
২০ শে মে, ২০০৯ বিকাল ৫:৫৮
গত কয়েকবছর ধরে শব্দগুলো কানে বাজছে। মডারেট মুসলিম। ধর্মনিরপেক্ষ বাংলাদেশ। সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি। মুসলিম উম্মাহ। ইত্যাদি। ইত্যাদি। ভাব চক্কর থেকে পরিস্কার যে কথাবার্তাগুলো খুব বেশী পোক্ত না। কথার কথা। জাতে উঠার জন্য মৌসুমী আলাপ। এসব মৌসুমী শব্দমালার তেমন কোন কম্প্রিহেনসিভ অর্থ নাই। তবু সমাজের খুবই ক্ষুদ্র কিন্তু প্রভাবশালী একটি অংশ ভাঙ্গা ক্যাসেটটি বাজাচ্ছে যেমন গাঁও গেরামের চা দোকানে এখনো বাজে পুরনো হিন্দী গান- তেরা লাল কো পাটকা মাল মাল ইয়ে হ্যায়....বাবুজি কিংবা ফাতেমা কুলসুমার জারি। মাত্রাতিরিক্ত স্মার্ট ও দুর্নীতির দায়ে একদা লাইসেন্স বাতিলকৃত একুশে টিভি ফাঁকে ফুঁকেই ধর্ম রাজনীতির হাতিয়ার হতে পারেনা। ইসলাম শান্তির ধর্ম। আমরা ধর্মনিরপেক্ষতায় বিশ্বাস করি জাতীয় টেলপ প্রচার করছে। শহর ঢাকার নব্য আকন্ট লুটতরাজে লিপ্ত ধনিক শ্রেনী, বোধহীন কিছু কেরানী গোত্রের শিক্ষিত মধ্যবিত্ত ও ভবঘুরে কিছু পথলেখক ব্যতীত বাংলাদেশের গরিস্ট সংখ্যক মানুষ মোটাদাগে এখনও ধর্মাশ্রয়ী। বুঝে হোক বা নাবুঝে হোক। কি মুসলিম, কি হিন্দু।
ধর্মনিরপেক্ষতার পক্ষবাদী ও প্রচারকরা যা বলতে চান সংক্ষেপে তা এরূপ- ব্যক্তিগত জীবনে মানুষ যার যার ধর্ম পালন করবে। কিন্তু রাস্ট্র হবে যেকোন ধর্ম থেকে আলাদা নিরপেক্ষ কিছু একটা। রাস্ট্রের আইন, আচার, সংস্কৃতি, প্রথা সদা সতর্ক থাকবে যেন কোন ধর্ম এর মধ্যে ঢুকে না পড়ে। ধর্মের সংশ্লেষ আছে এরূপ কোন বিষয় রাজনীতিতে আনা যাবেনা। সংবিধানেই এ দেয়াল তোলা থাকবে। ধর্ম তার পবিত্রতা ও শান্তির বাণী নিয়ে নাগরিকদের অন্তরে অন্দরমহলে থাকবে। বাইরের পৃথিবী চলবে রাস্ট্রের তৈরী নিরপেক্ষ বিধিমালায়।
বাহ্যত অনেকে সরলমনা ভাবে বিষয়টার প্রতি ধনাত্বক মনোভাব পোষন করলেও বা নিদেনপক্ষে ঋনাত্বক ভাব না দেখালেও গভীরে গেলে দেখা যাবে এটা একটা অন্তসার:শুন্য প্রস্তাব। ইন ফ্যাক্ট, উপরের বর্ননার মত খাঁটি ধর্মনিরপেক্ষ রাস্ট্র কোথাও পাওয়া যায়নি, যাবেও না। লিখার সুবিধার্থে তা কল্পনা করে নেয়া হল গণিতের 'মনে করি'র মত!
১. রাস্ট্রের মৌলিক উপাদানের প্রধানতমটিই হল মানুষ। মানুষ না থাকলে রাস্ট্র হয় না। মানবহীন রাস্ট্র বলতে কিছু নেইও। আর মানুষের জন্যই যেহেতু রাস্ট্র তাই মানুষের স্বভাব, কামনা, বাসনাকে তুচ্ছ করে শান্তিময় কোন রাস্ট্র হতে পারেনা। কোনদিন কোথাও হয়নি।
২. মানুষের অন্যতম মৌলিক উপাদান ধর্মের কোলে আশ্রয় কামনা। পার্থিব যাতনায় অতিস্ঠ মানুষ শেষ আশ্রয় খোঁজে অজ্ঞাত বিধাতার কোলে। ঘোরতর নাস্তিককেও যদি আল্লাহ থেকেই থাকেন জাতীয় মানসিকতার কবলে পড়ে মাঝে মধ্যে মসজিদমুখী হয়ে সম্ভাব্য পরকালের ব্যাপারে ব্যাকআপ নিতে দেখা যায়! তাই জগতজোড়া হাজারো ধর্ম।
৩. এহেন মানুষের সামাজিক কল্যানার্থে গড়ে উঠা রাস্ট্র চাইলেও সকল ধর্মকে পরিত্যাজ্য করে নিরপেক্ষ আচার আচরন দাঁড় করাতে পারবেনা। বিক্ষিপ্ত চেস্টার ফসল হবে নাগরিক সাধারনের মনে কস্ট দেয়া। আর নাগরিকদের মনে আঘাত দেয়া নিশ্চয়ই রাস্ট্রের কম্ম নয়!
৪. বহুজাতিক আধুনিক রাস্ট্রের স্থপতি মুহাম্মদ (স)ও মদীনা রাস্ট্রে ইহুদীদের বিচার আচার তাদের ধর্ম মোতাবেক করেছেন, নব্য ইসলামী আইনে নয়। তবে যেসব বিষয়ে সুনির্দিস্ট ইহুদী আইন নেই তা অবশ্যই রাস্ট্রের কাঠামোতে ইনসাফ বজায় রেখে ফায়সালা হয়েছে। তেমনিভাবে বর্তমানকালেও যেসব ধর্মে নানাবিধ সামাজিক প্রশ্নের সুনিদ্দিস্ট জবাব নেই তা নি:সন্দেহে পার্লামেন্টের ইনসাফমূলক প্রনীত আইনে হবে।
৫. কিন্তু ইসলাম এধরনের সীমাবব্ধতা থেকে বেশ দুরে। গোসল করা থেকে হজ্ব করা, ক্রয় বিক্রয় থেকে ব্যভিচারের প্রতিকার- সম্ভাব্য সকল বিষয়ে মুসলিমদের জীবনযাপন প্রনালী দেয়া হয়েছে। গভীর রাতের তাহাজ্জুদের একাকীত্বকে যেমন গুরুত্ব দেয়া হয়েছে, তেমনি আদেশ দেয়া হয়েছে যুদ্ধকালীন সৈনিকের আচরন কি হওয়া উচিৎ। কোন বিষয়ে সুনির্দ্দিস্ট নির্দেশনা না থাকলে পার্লামেন্টের এ ক্ষমতা রয়েছে মৌলিক রীতির আলোকে ইনসাফপুর্ন আইন প্রনয়নের। বলে রাখা ভাল, দেওয়ানী ও ফৌজদারী যেকোন অন্যায় কিংবা জটিলতার নিরসনপূর্বক রায় বাস্তবায়নের ক্ষমতা সরকারের মাধ্যমে শুধুই বিচারবিভাগের। কোন হুজুর, মোল্লা, সমাজপতির নয়। তালেবান ও বাংলাদেশের একশ্রেনীর ইসলামপন্থি বস্তুটা উপলব্ধি করতে ভুল করে বেআইনি কাজ করছেন। পাড়াগাঁয়ের এসব ঘটনা নিতান্ত কূপমন্ডুকতা বৈ কিছু নয়।
৬. মানুষের জীবনে রাস্ট্র এতটাই প্রোথিতযে তা থেকে ব্যক্তিগত জীবনকে পুরোপুরি আলাদাভাবে বিবেচনা করা কঠিন। সুতরাং মুসলিম মাত্রেরই জীবনাচারে ইসলাম ও রাস্ট্রের সাংঘর্ষিক আইন সমূহ (যদি থাকে) দু দুটো বস্তু মেনে সুনাগরিক হিসেবে চলা কঠিন। রাস্ট্রের পুলিশ বা জেলের ভয়ে মেনে চললেও মনের দু:খ মনে রেখে গুমরে কাদঁতে বাধ্য। আর যে রাস্ট্র নাগরিকের মনোবেদনার কারন তা ভাল রাস্ট্র হতে পারেনা।
৭. গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় বেশীরভাগ মানুষের মতামতেই রাস্ট্র চলবে। যে অঞ্চলে গারো বেশী তার কালাকানুন গারোধাঁচের হবে এটাই স্বাভাবিক। গারো অধ্যুষিত রাস্ট্রটি যদি নানাবিধ আইন প্রনয়নে নিজেদের বুদ্ধিমত্তার পাশাপাশি কিছু ইসলামি আইনও ধার নেয় তাতেইবা অসুবিধা কি? মুসলিম সংখ্যাগরিস্ট্ বাংলাদেশের জনপ্রতিনিধিরা বেশীরভাগ মুসলিম হবেন, আইন প্রনয়নে গোড়া থেকেই নিজেদের ধ্যানধারনা বা পাশ্চাত্য আইনের হুবহু নকল না করে তাদের স্রস্টা, রাসুল, ধর্ম ইসলাম এ ব্যাপারে নির্দেশনা দিয়েছেন কিনা খুঁজে দেখবেন, ঘাটতি থাকলে নীতি বজায় রেখে নতুন আইন প্রনয়ন করবেন ও সৎ ভাবে সরকারী দায়িত্ব পালনকরে মেয়াদান্তে বিদায় নেবেন- এটাই স্বাভাবিক। এটার মধ্যে অতি অবশ্যই ভূখন্ডের নানান জনগোস্টির ব্যক্তিগত আইনগুলো যাতে সংখ্যাগুরু বা ক্ষমতাসীনদের বুটের তলায় চাপা না পড়ে সে দেখভাল করাও পরে। উপগোত্রীয় জটিলতায় গোত্রীয় গনভোট নেয়া যেতে পারে। মূল বিষয়টা ন্যায়বিচার কায়েম করা। এতে করেই ধর্ম যার যার রাস্ট্র সবার স্পিরিটের বাস্তবায়ন হতে পারে, রাস্ট্র থেকে সকল ধর্মকে বিতাড়িত করে নয়।
৮. অপরাপর ধর্মের ব্যাপারে বিশদ জানিনা, ইসলাম শান্তির ধর্ম, ইসলাম পবিত্র ধর্ম, ইহাকে নিয়া রাজনীতি করা বা ইহাকে রাজনীতিতে টানিয়া আনা নিন্দনীয় কাজ বলে যে শ্লোকগুলো প্রচার করা হচ্ছে তা নিজেদের অশান্তি ও অপবিত্রতার স্বীকারোক্তি বৈ কি! আপনার এ অধিকার আছে ইসলামকে সম্পুর্নরূপে অস্বীকার করার, ভিন কোন ধর্মের অনুসরন করার বা কোন ধর্মেরই নিকুচি না করার। কিন্তু নিজে মুসলিম সেজে, ইসলামের ভাল ভাল প্রশংসা করে, জন্ম-মৃত্যু-বিয়ে, নামাজ-রোজা-হজ্জ সবই মেনে এবং সাধ্যমত পালন করে রাস্ট্র ও রাজনীতির ব্যাপারে ইসলামকে টেনে আনা গুরুতর অপরাধের (!!) মনে করছেন। এ কেমন মনস্তাত্বিক দ্বৈততা? ঠান্ডা মাথায় বিচার করলে দেখা যাবে এটা হয়ত নিছক অজ্ঞতা, অথবা না বুঝে হট্টগোলের একজন হয়ে হাউ কাউ মাউ চিৎকার চেঁচামেচি করা। যেটা কিন্ডারগার্টেনের বাচ্চারা করে!
৯. মুল পথ থেকে সরে যাওয়া মানবগোস্টিকে সুপথে আনার জন্য অনেক নবীর আগমন হয়েছে। মানুষের আত্নিক, বৈষয়িক, পারিবারিক সংশোধনের জন্য তারা ডাক দিয়েছেন। রাজকার্য পরিচালনা করেছেন বা ততটা পথ পৌছতে পারেননি। মুহাম্মদ (স) ও একই কাজ করেছেন। রাজনীতির মাঠে বিরোধিদলের কন্টকাকীর্ন পথ পেরিয়ে প্রধান নির্বাহী হয়েছেন। চার খলিফাও সে রাস্তায় চলেছেন। উঁচু মানের ধর্মিক লোকরাই মন্ত্রী, পরামর্শক, প্রাদেশিক গভর্নর হয়েছেন। মুয়াবি'য়া (র) অন্যায্য শাসনের মধ্যদিয়ে সে ধারার বিচ্যুতি হয়েছে। ধার্মিকরা বাধ্য হয়েছেন রাজকার্য থেকে মসজিদে আশ্রয় নিতে। উদ্ভব হয়েছে মুসলিম সমাজে উদ্ভট আরব সাম্রাজ্যবাদের যেখানে ইমাম আবু হানিফার মত লোকও জেল খাটেন। যেখানে খুঁটি গেড়েছে রাজতন্ত্র।
১০. অনুসারীদের এহেন অধ:পতন ব্যাপকমাত্রার জীবনব্যবস্থা ইসলামকে খর্ব করেনা। করে ব্যর্থ মুসলিমদের। এখনও বোধযুক্ত মুসলিম ধর্মনিরপেক্ষতা কামনা করতে পারেননা। করবেন ঠিক উল্টোটা। এখানে আওয়ামীলিগ, বিএনপি, জামায়াতের প্রশ্ন নয়, প্রশ্ন মানুষ, রাস্ট্র, বিশ্বাস, ন্যায়বিচার, সহাবস্থানের, গণমত ও শান্তির।
লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): ধর্মনিরপেক্ষতা ;
বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
আমড়া কাঠের ঢেকি বলেছেন:
জয় নাস্তিকতা।
লেখক বলেছেন: অধিকার আছে। তবে মেইনটেইন করা কঠিন! কৈয়া দিলাম।
রোহান বলেছেন:
ধর্ম নিরপেক্ষতা মানে মনে হয় নাস্তিকতা নয় বরং ব্যক্তিগত পর্যায়ে ধর্ম নিরপেক্ষতা হলো সোজা কথায় নিজের ধর্ম পালনের পাশাপাশি অন্যের ধর্মীয় চেতনাকে সম্মান জানিয়ে সহাবস্থান বজায় রাখা এবং উগ্রপন্থী বোধকে দমন করা। এইটুকু মনে হয় সব ধর্মই সাপোর্ট করে। রাষ্ট্র পর্যায়ে বাংলাদেশে প্রকৃত ইসলামের শাসন ব্যবস্থা কায়েম করতে পারবে এমন দু একজন ব্যক্তিত্বের উদাহরন দিলে ভালো হতো...
লেখক বলেছেন: খুব পরিস্কার ভাবে যেকোন মানুষ, প্রানি বা উদ্ভিদের অধিকারের ব্যাপারে ইসলাম নিয়ম দেয়া আছে। 'হিন্দু' এ কারনে কোন মানুষকে ঘৃনা করা, মারধর করা চরমতর অনৈসলামিক কাজ। প্রকৃত মুসলিম এ ধরনের কাজের কাছাকাছিও কিছু করতে পারেনা। সুতরাং মুসলিম সমাজে 'ধর্মনিরপেক্ষতা' নামক অতিরিক্ত ধর্ম আমদানীর কোন দরকার নাই। ভালো মুসলিম হওয়ার ওয়াজ করাই যথেস্ট।
অধিকাংশ মানুষ ভেতর থেকে মুসলিম না হলে নিছক 'ব্যক্তিত্ব' দিয়ে কাজটা হবেনা।
আমড়া কাঠের ঢেকি বলেছেন:
তেমন কঠিন না। গালাগাল পারলে আর মাল্টিপল নিক থাকলে দুই মিনিটের ব্যাপার। Click This Link
মূল বিষয়টা ন্যায়বিচার কায়েম করা। এতে করেই ধর্ম যার যার রাস্ট্র সবার স্পিরিটের বাস্তবায়ন হতে পারে, রাস্ট্র থেকে সকল ধর্মকে বিতাড়িত করে নয়।
ইসলাম শান্তির ধর্ম, ইসলাম পবিত্র ধর্ম, ইহাকে নিয়া রাজনীতি করা বা ইহাকে রাজনীতিতে টানিয়া আনা নিন্দনীয় কাজ বলে যে শ্লোকগুলো প্রচার করা হচ্ছে তা নিজেদের অশান্তি ও অপবিত্রতার স্বীকারোক্তি বৈ কি! আপনার এ অধিকার আছে ইসলামকে সম্পুর্নরূপে অস্বীকার করার, ভিন কোন ধর্মের অনুসরন করার বা কোন ধর্মেরই নিকুচি না করার। কিন্তু নিজে মুসলিম সেজে, ইসলামের ভাল ভাল প্রশংসা করে, জন্ম-মৃত্যু-বিয়ে, নামাজ-রোজা-হজ্জ সবই মেনে এবং সাধ্যমত পালন করে রাস্ট্র ও রাজনীতির ব্যাপারে ইসলামকে টেনে আনা গুরুতর অপরাধের (!!) মনে করছেন।
এ কেমন মনস্তাত্বিক দ্বৈততা? ঠান্ডা মাথায় বিচার করলে দেখা যাবে এটা হয়ত নিছক অজ্ঞতা
কিংবা গভীর ষড়যন্ত্র!!!!
বাংলাদেশ জিন্দাবাদ বলেছেন:
+। নাস্তিকরাই প্রকৃত ধর্মনিরপেক্ষ। যারা বলে আমি মুসলিম আবার ধর্মনিরপেক্ষ তারা স্রেফ ভন্ড। সুরা ইমরানের ১৯ নং আয়াতে বলা আছে "আল্লাহর নিকট ইসলামই প্রকৃত ধর্ম"। তাই একজন প্রকৃত মুসলমান কখনও বলতে পারে না সে ধর্মনিরপেক্ষ। কারণ মুসলমানের আরেক টি অর্থ হল আল্লাহর নিকট আত্নসমর্পণ।
রোহান বলেছেন:
" মুসলিম সংখ্যাগরিস্ট্ বাংলাদেশের জনপ্রতিনিধিরা বেশীরভাগ মুসলিম হবেন, আইন প্রনয়নে গোড়া থেকেই নিজেদের ধ্যানধারনা বা পাশ্চাত্য আইনের হুবহু নকল না করে তাদের স্রস্টা, রাসুল, ধর্ম ইসলাম এ ব্যাপারে নির্দেশনা দিয়েছেন কিনা খুঁজে দেখবেন, ঘাটতি থাকলে নীতি বজায় রেখে নতুন আইন প্রনয়ন করবেন ও সৎ ভাবে সরকারী দায়িত্ব পালনকরে মেয়াদান্তে বিদায় নেবেন- এটাই স্বাভাবিক। " বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে এটা আপনার স্বাভাবিক মনে হয়??? এই রাজনীতিতে ইসলাম কে টেনে আনছে যারা তারা কি পরিপূর্ণভাবে ইসলামকে টানছে না নিজেদের স্বার্থ ও অভিরুচি মতো একে কাষ্টোমাইজ করে একটা রিমিক্স বানাচ্ছে সেটাও দেখা দরকার। যদি তাই হয় তবে শুধু ইসলাম কায়েম করা উচিৎ উচিৎ বলে চিৎকার না করে প্রকৃত ইসলামি ধ্যান ধারণা অনুযায়ী কিভাবে এ দেশ পরিচালনা করা উচিৎ এবং কাদের এগিয়ে আশা উচিত এবং বর্তমানে কারা অভিজ্ঞ আছেন তাও বলে যাওয়া ভালো। আর রাষ্ট্র ব্যবস্থায় সব ধর্মকে সম্মান জানানো উচিত কারন ৫% অন্যান্যধর্মী থাকলেও তারা তো দেশেরই নাগরিক। রাষ্ট্রের সকল নাগরিকের ধর্মীয় চেতনাকে সম্মান জানানো -- একে নিশ্চয়ই ধর্মের বিতাড়ন বলা যায় না।
লেখক বলেছেন: না স্বাভাবিক না। অস্বাভাবাবিকটাই চলছে। কারন জন্মসুত্রে বেশীরভাগ লোক মুসলিম হলেও বুঝ জ্ঞান ও কর্মে ফারাক আছে। আছে বলেই ধর্মনিরপেক্ষতা নামক উদ্ভট শব্দটি কানে বাজছে। সেটার বিলোপ কামনা করেই এ লেখা।
মানুষের মাঝেই সরগো নরোক মানুষেতেই সুরাসুর!
লাকুম দিনুকুম ওয়ালিআদিন।
তুমার ধর্মো তুমার, আমারটা আমার।
আরকিচু কবার ছাই না...
শামস্ বিশ্বাস বলেছেন:
খুব ভালো লাগলো পড়ে.........
সানি জামান বলেছেন:
ধর্মনিরপেক্ষতা আর নাস্তিকতাকে এক করে দেখা ঠিক নয়। ধার্মিক মানুষ তার নিজ ধর্মের প্রতি অবিচল আস্থা আর বিশ্বাস রাখবে এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু আমাদের দেশে মুসলিম ছাড়াও হিন্দু, খ্রীষ্টান, বৌদ্ধ ধর্মের অনেক লোক আছে। তারা যেন এখানে হীনমন্যতায় না ভোগে সেটা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব। তাই ধর্মনিরপেক্ষতার প্রশ্নটি এসেছে। এখানে প্রত্যেকে তার জীবনযাপন অবশ্যই তার নিজের ধর্মের নিয়ম নীতি অনুযায়ী করবে। কিন্তু রাষ্ট্র যেন শুধু মুসলিম হবার সুবাদে কাউকে অতিরিক্ত সুবিধা না দেয় সেটা নিশ্চিত করবে। এদেশে ধর্মীয় সংখ্যলঘুরা ব্যাংক ঋণ পাবার ক্ষেত্রে বৈষম্যের স্বীকার হয়। বলতে পারেন কতজন সংখ্যালঘু এই পর্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ের সচিব হয়েছেন, কতজন আর্মি অফিসার মেজর জেনারেল হয়েছেন? সংখ্যালঘু পূর্ণ মন্ত্রী এই সরকারের আমলেই প্রথম দেখা যাচ্ছে।
রাষ্ট্রের নীতির ক্ষেত্রে ধর্মনিরপেক্ষতা এই কারনেই জরুরী। এবং সেটা সাংবিধানিক ভাবেই নিশ্চিত করতে হবে।
লেখক বলেছেন: ধর্মনিরপেক্ষতার ধ্বজাধারীরা বাংলাদেশের হিন্দুদের বেশীর ভাগ সম্পত্তি গ্রাস করেছে, ভারতের মুসলিমদের নিধন করছে। তাদের কাছে সংখ্যা লঘু বা গুরু কেউই নিরাপদ নয়।
কথা হল, সংখ্যাগুরুর বিশ্বাসে লাথি মেরে সংখ্যালঘুর হীনমন্যতা দুরীকরনের কর্মসূচিই বা কেমন যুক্তির! রাস্ট্রের সকল নাগরিক সমান এ কথাতো ইসলাম হাজারবার বলেছে, প্রমানও রেখেছে। অতিরিক্ত সুবিধা দেবার তো কোন সুযোগ নাই।
এদেশে সংখ্যালঘুরা প্রায় বেহেস্তে আছে। কোটা দিতে দিতে চাকমারা এখন সর্বাধিক শিক্ষিত জাত। বেশীরভাগ স্বর্নের ব্যবসা, পাইকারী বাজার হিন্দুদের। শিক্ষকতায় আছেন বিপুল। প্রতিযোগিতার বাজারে যে যতটুকু পারছে ভাল করছে। হিন্দু/অন্যান্য ভিক্ষুক দেখিনি কখনো। বরং মুসলমানদের অবস্থা জঘন্য।
বরাবরের মত বেশীরভাগ হিন্দু ভাত খান বাংলাদেশে কুলি ফেলেন কলকাতায়। অন্তরে ভারত, বচনে বাংলাদেশ। কলকাতায় গোপনে ব্যাংক একাউন্ট কমন ব্যাপার। আওয়ামীলিগ ও হিন্দু একই রসুনের দুই কোয়া। তাই মন্ত্রি ও এ আমলে পাচ্ছেন। ওনারা অন্য দল না করলে মন্ত্রী হবেন কেমনে?
মুসলিম সমাজে ধর্মনিরপেক্ষতা নামক অসাড় বস্তু একটি জগদ্দল পাথর মাত্র।
লেখাজোকা শামীম বলেছেন:
সমস্যাটা ইসলামের না, ধর্মনিরপেক্ষতারও না। ইসলাম যেমন পরমত সহিষ্ণু ধর্ম তেমনি ধর্ম নিরপ্ক্ষেতা প্রায় কাছাকাছি। যাগগে , মূল সমস্যাটা আমাদের মানসিকতার। আমরা যেখানে যে ধর্মের, বর্ণের বা ভাষার লোকেরা সংখ্যাগরিষ্ট, তারা সংখ্যালঘুদের ঠকাই। সেটাই সমস্যা।
কেল্টূ দা বলেছেন:
বাহ খুবই উচু দরের ওয়াজ মারছেনতাইলে কি আংগো বাঙ্গালিগো এহন শরিয়া আইন কায়েম করা ফরয হয়া গেছে ? তাই তো দেকতাছি ।
শুভ৭৭ বলেছেন:
"মুল পথ থেকে সরে যাওয়া মানবগোস্টিকে সুপথে আনার জন্য অনেক নবীর আগমন হয়েছে। মানুষের আত্নিক, বৈষয়িক, পারিবারিক সংশোধনের জন্য তারা ডাক দিয়েছেন। রাজকার্য পরিচালনা করেছেন বা ততটা পথ পৌছতে পারেননি। মুহাম্মদ (স) ও একই কাজ করেছেন। রাজনীতির মাঠে বিরোধিদলের কন্টকাকীর্ন পথ পেরিয়ে প্রধান নির্বাহী হয়েছেন। চার খলিফাও সে রাস্তায় চলেছেন। " - এটা চিন্তা করলেই অনেক প্রশ্নের উত্তর মিলে।
ভাল লিখেছেন। চিন্তা ভাবনায় একতা আছে।
দ্বিতীয়নাম বলেছেন:
"মুসলিম কি করিয়া ধর্মনিরপেক্ষ হয়?"এইটাই তো জঙ্গী, তালেবান, জেএমবি রা বুজাইতে চেষ্টা করতাছে আমাগো
লেখক বলেছেন: না হেরা এটা বুঝাইতাছেনা। হেরার কথা অইল গায়ের জোরে আইন হাতে তুলে আইজ সব কায়েম কইরালামু!
হেরা উল্লুক টাইপের লোক।
আরেফিন রাফি বলেছেন:
বলে রাখা ভাল, দেওয়ানী ও ফৌজদারী যেকোন অন্যায় কিংবা জটিলতার নিরসনপূর্বক রায় বাস্তবায়নের ক্ষমতা সরকারের মাধ্যমে শুধুই বিচারবিভাগের। কোন হুজুর, মোল্লা, সমাজপতির নয়। তালেবান ও বাংলাদেশের একশ্রেনীর ইসলামপন্থি বস্তুটা উপলব্ধি করতে ভুল করে বেআইনি কাজ করছেন। পাড়াগাঁয়ের এসব ঘটনা নিতান্ত কূপমন্ডুকতা বৈ কিছু নয়।--------------------------------------------------------------
ভালো লাগলো। প্রিয়তে রাখলাম।+
জনৈক আরাফাত বলেছেন:
সম্পূর্ণ সহমত।
মাসুদ১৯২৪ বলেছেন:
অসাধারন রকম ভাল লাগল ধন্যবাদ আপনাকে
অকপট শুভ্র বলেছেন:
চমৎকার লেখা। ধর্মনিরপেক্ষতাবাদিরা কেউ কেউ নিজেদেরকে আস্তিক বলিয়া ভাবিতে চান দেখে লজ্জা লাগে। আর তোতাপাখির মত কোরআন থেকে উদৃতি দেন "লা ইকরাহা ফিদ-দ্বীন" দ্বীনের ব্যপারে কোনও বাড়াবাড়ী নেই আবার বলেন "লাকুম দ্বীনুকুম ওয়লিয়াদ্বীন" তমাদের ধর্ম তোমাদের আমাদের ধর্ম আমাদের"ভাব খানা দেইখা মনে হয় বিশাল তাফসীরকারক হইসে। তাফসির এত সোজা হইলে কি আর মাইনসের কামিল পর্যন্ত পড়া লাগে?
শাওন বলেছেন:
মানব জমিনের একটা বাক্য আছে । সেটা হলো : নাস্তিকতা বলে কিছু নেই । কারণ নাস্তিক হতে হলেও তাকে বোঝাতে হবে গড বলে কিছু নেই । সুতরাং তাকে বিশ্বাস করতে হবে গড বলে কিছু আছে আর আমি তার বিপক্ষে বলব । বাক্যটা জটিল ।
নরাধম বলেছেন:
এটা আপনি "ধর্মনিরপেক্ষতা" শব্দটারে কিভাবে সংজ্ঞায়িত করেন তার উপর নির্ভর করে। সাধারণত যে যার মতকে প্রতিষ্ঠা করার জন্য ধর্মনিরপেক্ষতাকে সংজ্ঞায়িত করে। সাঈদীমিয়ার ওয়াজে শুনেছিলাম ধর্মনিরপেক্ষতা মানে ধর্মহীনতা!! এভাবে ডিফাইন করলে তাদের উদ্দেশ্য সার্ভ হয়, তাই সেভাবে ডিফাইন করা আরকি। আমি ধর্মনিরপেক্ষ এবং আমি ধার্মিক মুসলিম, আর আমি দুয়ের মধ্যে কোন সংঘর্ষ দেখিনা। আমি ধর্মনিরপেক্ষতা বলতে যা বুঝি তাতে আমার কাছে ইসলামকে ধর্মনিরপক্ষতা সমর্থনকারী মনে হয়েছে। আমি দেখেছি সবচেয়ে কঠোর শাসক হযরত ওমর (রাঃ) সবচেয়ে বেশি ধর্মনিরপেক্ষ। এখন আপনি যদি ধর্মনিরপেক্ষতা মানে ধর্মহীনতা বুঝান বা এগনস্টিসিজম/এথিজম বুঝান, তাহলে আমরা শুধু ডেফিনিশানগত পার্থক্য নিয়েই তর্ক করছি, দুজনেই অথচ হয়ত একই জিনিসই বুঝাচ্ছি। আমার কাছে ধর্মনিরপেক্ষতা মানে সবাই যার যার ধর্ম কোন ধরনের প্রেসার বা ফেইভার ছাড়া পালন করবে সেটা রাষ্ঠ্রের দায়িত্ব। এবং এই সংজ্ঞা অনুসারে আমি ধর্মনিরপেক্ষ।
নয়ন বেষ্ট বলেছেন:
সুরা ইমরানের ১৯ নং আয়াতে বলা আছে "আল্লাহর নিকট ইসলামই প্রকৃত ধর্ম"। (এই সুরার মাধ্যমে সম্ভবত অন্য ধর্মের প্রতি কিছুটা অবহেলা বা অবজ্ঞা করা হয়েছে।)
কার্ল মার্কস বলেছেন:
আল্লাহর নিকট ইসলামই প্রকৃত ধর্ম" - নষ্ট ভাইডি ইসলাম মানে কি?ইহি কি শুধু মুচলমানদের জন্য?
আর কত আবুলগিরি করিবেন।
বাংলাদেশীরা আদতে ৯৯% ধর্মনিরপেক্ষ। তবে
সংজ্ঞায়ন জরুরী।
জাতি জানতে চায় বলেছেন:
সামাজিক কিংবা অন্য কোন কারনে অংশিক ধর্ম মানলে যদি মুসলিম হওয়া সম্ভব হয় তাহলেই কেবল নাস্তিক না হয়ে ধর্ম নিরপেক্ষ হওয়া সম্ভব!! হয় মুসলমানের সংজ্ঞা পরিবর্তন (!!!!) করতে হবে নয়ত ধর্ম নিরপেক্ষর সংজ্ঞা পরিবর্তন করতে হবে!
এস এইচ খান বলেছেন:
প্রাণিমাত্রই মৌলবাদী। মানুষ প্রথমত: প্রাণি---------------------------
+++++++++++++++++++++++
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
















