গণতন্ত্রের পুরানো সংজ্ঞার ধাঁচে বলতে গেলে এটাই বলতে হবে। শেখ হাসিনা ও তার মন্ত্রীসভার সকল সদস্য যে আওয়ামীলিগের নূন্যতম কর্মী (!) তা নিয়ে নিশ্চয়ই কারও বিতর্ক নেই। তাতেও সন্তুস্ঠ না, জন-প্রশাসন, মিলিটারি, বিভিন্ন কমিশন, ভার্সিটিতে নির্ভেজাল আওয়ামিলীগার না হলে কাউকে ভালো পদে বসানো হয়নি। এসব নিয়ে কোনো আপত্তি নেই।
আপত্তি নেই কারা আওয়ামীলীগকে ক্ষমতায় বসিয়েছে সে নিয়ে। সে যারাই হোক বাংলাদেশী (বা বাংগালি!) তো! ভোট দিয়ে হোক, ভোট চুরি করে হোক। এসব নিয়ে পরাজিতদের হা পিত্যেশ আছে, থাকুক।
কথা হল,কাদের জন্য এ সরকার? ১৫ কোটি নাগরিক অধ্যুষিত ব-দ্বীপ বাংলাদেশের না ভীন কোন দেশ, গোস্ঠি বা জাতির পারপাস সার্ভ করার জন্য? ক্ষমতারোহনের পরদিন থেকে এ পর্যন্ত সর্বাধিক আলোচিত শব্দমালা হল- এশিয়ান হাইওয়ে, ট্রানজিট, ঘড়ির কাঁটা ইত্যাদি। আর সাদাচোখে সরকারের সর্বশেষ 'বিরাট' কর্ম হল উলফা নেতাদের ধরে ভারতীয় নিরাপত্তাবাহিনীর হাতে রাতের আধাঁরে তুলে দেয়া এবং যথারীতি 'আমি কিছু জানিনা' ধরনের বাল-ছাল বক্তব্য দেয়া। কথা পরিস্কার, উলফার নেতা হোক কি সুনামগন্জের গরুচোর হোক বাংলাদেশের সীমানার ভেতর এদেশের পুলিশ নূন্যতম 'সন্দেহজনক' গতিবিধির ভিত্তিতেই যে কোন স্ব বা বিদেশীকে আটক করতে পারে। নির্ধারিত আদালতের মাধ্যমে তাকে জেলে প্রেরন, মামলা দায়ের বা ছেড়ে দেয়া সবকিছুরই রাস্তা খোলা ছিল। একই ধরনের উদাহরন ভুরি ভুরি আছে। যেমনটি প্রচুর বাংলাদেশী বিদেশের জেলে আছে। ভারতের জেলে আছে। সরকার যেটা করেছে সেটা নিতান্তই 'আইনকানুন চুলোয় দিয়ে ভারতীয় সরকারের পদলেহন।' ধিক্ এহেন রাস্ট্রীয় নিচুতা!
সর্বশেষ এডিট : ০৭ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:১৯

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


