চট্টগ্রাম মেয়র নির্বাচনে বিরোধী দল সমর্থিত প্রার্থীর বিজয় বাংলাদেশের বলিষ্ঠ ও জীবন্ত গণতন্ত্রের পরিচায়ক, এ কথা মেনে নিয়েও একটি আশঙ্কার কথা উত্থাপন না করে পারছি না। মনজুর আলমের এই বিজয়ের পেছনে জামায়াতে ইসলামীর অকুণ্ঠ সমর্থন একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হিসেবে কাজ করেছে। জামায়াতের ভোটব্যাংকের সবটুকুই মনজুরকে উদার করে দেওয়া হয়েছে। কারণ মনজুর আলমের পেছনে বিএনপির পূর্ণ সমর্থনের একটা অভাব ছিল। এখন দেখার বিষয়, নবনির্বাচিত মেয়র জামায়াতের এই ঋণ পরিশোধ করতে গিয়ে কোন পন্থা অবলম্বন করেন।
ভোলার নির্বাচনে জামাতের ভূমিকা এবং সিসিসি নির্বাচনে জামাতের ভূমিকা বি,এন,পি কিভাবে মূল্যায়ন করে তা দেখার বিষয়।
আ,লীগের কিছু বুদ্ধিজীবি বি,এন,পিকে যুদ্ধাপরাধীদের বাচানোর অভিযোগ করেছেন।এবং তারা এই জন্য এই নির্বাচনকে কাজে লাগাবেন বলে অভিমত দিচ্ছেন।কিন্তু খোদ সরকারের আইনমন্ত্রী যুদ্ধাপরাধীদের বিচার হতে মূখ ফিরিয়ে নিয়েছেন।এবং তিনি মানবতা বিরোধী অপরাধের বিচারের কথা চিন্তা ভাবনা করছেন।
আসলে আ,লীগই যুদ্ধাপরাধীদের বাচানোর জন্য মানবতা বিরোধী বিচারের স্লোগান তুলেছেন । একথা আজ ঘাদানিক রা জনা সত্বেও বলছেন না,তাহলে ঘাদানিকরা কি এই বিচারের পক্ষেনয়? না তারা লোকদেখানো কর্মকান্ড করে মানুষকে বোকা বানানোর চেষ্টা করছে তা আজ সচেতন জনমানুষকে ভাবতে হবে।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


