২০১১ সালের পৌর নির্বাচনে দেশবাসী এভাবে পাকিস্তানী চরদেরকে বেছে নিবে তা কি মুক্তিযুদ্ধের সোল এজেন্টরা স্বপ্নেও ভেবে ছিল? সর্বাত্মক কূট কৌশলের পরও তারা যখন গো হারা হারছিল তখন চিটাগাং বিভাগে তারা তাদের আসল রূপে ফিরে আসে। বলা যায় তারপরও তারা সুবিধা করতে পারেনি। গো হারা বললাম, এ জন্যে যে, তাদের হম্বি-তম্বি দেখে মনে হয়েছিল বিএনপি এদেশে ছাগলের তৃতীয় বাচ্চা! কিন্তু এ দেশের নির্বোধ জনগণ পাকিস্তানী চর (!) জিয়ার দলকে উৎসবের আমেজে কোলে তুলে নিলো! এমন কি বঙ্গবন্ধুর বিয়াই নূরু রাজাকারের বাড়ীর লোকজনও মালা পড়ালো রাজাকারের গলায়! বঙ্গবন্ধুর বিয়াই হলে কি হবে খাসলত বদলায়নি! জনাব প্রেসিডেন্ট সাহেবও কপোকাত! ফেরেশ্তার মতো মানুষ কচুয়ার খ.ম আলমগীর সাহেবকে সালাম জানিয়ে বোকার হদ্দরা বরণ করে নিলো ভ্যনিটি ব্যাগ চোর মিলনকে! আরো কতো রথি-মহারথিকে যে দেশবাসী নির্বোধের মতো 'বাঁশ' দিয়েছে তা তো আপনারা ইতোমধ্যে জেনেই গেছেন। তবে হুমুলেজে এরশাদকে দিয়েছেন সবচেয়ে পিচ্ছিল একটি বাঁশ। এই বাঁশের ব্যাথা তিনি অনুভব করবেন আগামী সংসদ নির্বাচনে! তখন শুধু বোনের পানে চেয়ে চেয়ে নয়ন জলে গন্ড ভাসাবেন!
দেশের একমাত্র সমস্যা 'রাজাকার মুক্ত বাংলাদেশ' গড়ার জন্য বঙ্গবন্ধুর সোনার ছেলে-মেয়েরা গত দু'টি বছর মাথার ঘাম পায়ে ফেলে, নাওয়া-খাওয়া ছেড়ে দিয়ে দিন রাত কতভাবে চেষ্টা করে যাচ্ছে আর বেকুফ জনগণ তার কোনো মূল্যই দিলো না! জনগণনের বুঝার দরকার ছিলো, 'রাজাকার' মুক্ত করেই মুক্তিযুদ্ধের চেতনার ধ্বজাধারীরা বিদু্যৎ-পানি-গ্যাস সংকট, দ্রব্য মূল্যের উর্দ্ধগতি, বেকার সমস্যার মতো গৌণ সমস্যার প্রতি নজর দিতো। এগুলি তো টুকু-কামরুলদের জন্য মামুলি ব্যাপার। কতো বড় বড় 'রাজাকার' ধরে বন্দী করে রাখছে! আর বিদু্যৎ-গ্যাস তো নস্যি! বাজারের আগুন নিয়ে জনগণ এতো ভাবে কেন? এ ভাবনা তো চেতনাধারীরাই করে রেখেছেন! ভারতের সাথে গঙ্গা চুক্তি করেই বাজারে পানি ঢেলে দিতো! বাজারের আগুন কোথায় পালাতো! কিন্তু এসব সহজ কথা এদেশের জনগণ বুঝলো না। এমনকি প্রধানমন্ত্রীর আশ্বাসের পরও না । এইতো সেদিন প্রধানমন্ত্রী একটু ধৈযর্্য ধরতে বলেছিলেন। কিন্তুু নিমক হারাম বাঙ্গালী জাতি আবার অধৈর্য্যের পরিচয় দিলো। যেমন অধৈর্য্যের পরিচয় দিয়েছিল পঁচাত্তুরে!
জনাব মেনন সাহেৰ নাকি সামনে আরেকটি পচাত্তুর দেখতে পাচ্ছেন! (এ বিষয়ে যুগান্তর আজকে জরিপ চালাচ্ছে!) অথচ এদেশের জনগণ শুনতে পাচ্ছেন চুয়াত্তুরের ভয়ংকর দিনের আগমন ধ্বনি! সহজ অংক হলো চুয়াত্তুরের পর আসবে পঁচাত্তুর! এটাই নিয়ম। আপনারা জনগণকে চুয়াত্তুর উপহার দিলে জনগণতো পঁচাত্তুরই ফিরিয়ে দিবে। চুয়াত্তুরে সবচেয়ে বেশী সস্তা ছিল মানুষের জীবন তার পর মা-বোনের ইজ্জত! এখনও আলামত সেরকমই মনে হচ্ছে। সেদিন শাহজাহানপুরে পঁচা চাউলের ট্রাকের পিছনে জীর্ণ-শীর্ণ বাঙ্গালী মা-বোনের লাইন দেখিয়ে এক ভদ্রলোক আমাকে বললেন, ভাই আপনি তো সমজদার হয়ে চুয়াত্তুর দেখেন নি, এবার দেখে নিন। এটা হলো চুয়াত্তুরের দুর্ভিক্ষের প্রথম আলামত! জনাব মেনন সাহেব আপনারা চুয়াত্তুরের আগমন ঠেকান। জনগণ জীবন দিয়ে পঁচাত্তুরের আগমন ঠেকাবে! তা না হলে প্রকৃতির নিয়মে চুয়াত্তুরের পর পঁচাত্তুর চলে আসবে!

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।





