চোর ধরার মহোৎসবে নেমে পড়েছি সদলবলে।এখানে চোর ,ওখানে চোর।সূর্য টাকে চুরি করে হাঁটা ধরা হনুমান গ্রেফতার হলো শিব মন্দিরের চৌকাঠে।চাঁদ কেড়ে নিয়েছে অনাহুত আগন্তুক,মাথায় কিস্তি টুপি চাপিয়ে তিনি এখন মধ্যবাজার মসজিদের ইমাম।নামের আগে ইদানিং মুফতি লাগাচ্ছেন।
আদালতের রায়ে হনুমানের হলো নির্বাসন।ইউরেনাস গ্রহে।যাবার আগে শ্রী হনুমান নাম ধারণের অনুমতি পেলো।ইদানিং তিনি ও ব্যবসা ধরেছেন।কোট -টাই চাপিয়ে ইউরেনাসের রাস্তায় রাস্তায় রাজা উজীর মেরে ভালোই আছেন।
এখনো নির্লজ্জের মত হাত পেতে দেয় ছেলে টা।এক মুঠো জোস্না কিংবা ঘন্টাখানেক রোদে রোদে হাঁটার লোভ ফুরিয়ে যায় নি।লাভ যদিও হয় না কিছুই;ঘুরে ফিরে সেই পুরোনো কাঁথায় উপুড় হয়ে পড়ে থাকে মদের গেলাস।মুখ ভরা বমির গন্ধ নিঃসাড় পড়ে থাকে অর্ধমৃত লাশ।
সূর্য অবশেষে ভয় পেতে শুরু করেছে।হাইড্রোজেন গুলো তুমুল হারে হিলিয়াম হয়ে যাচ্ছে।সমুদ্রে ডুবে যাচ্ছে ব-দ্বীপ।"টুনির মা কিংবা বোরকাপড়া মেয়ের" গানে আসক্ত বোকা মানবেরা কিছুই টের পাচ্ছে না।
নিচতলার বারান্দায় এখনই পানি উছলাচ্ছে।
হনুমান বিয়ে করে হানিমুন করে এলো প্লুটোয়।উনি কাপ্তাই লেক কিংবা সেন্ট মার্টিন কিংবা জাফলং যেতে পারতেন।তিনি পালিয়ে বেড়াচ্ছেন অযথা।সূর্য চুরির দায় হতে অব্যাহতি পেয়েছেন তিনি কাল সন্ধ্যায়।
অনেক জল্পনা-কল্পনার পর স্তিমিত হয়ে গেলো সব গল্প।নাটোরের বনলতা কে নিয়ে কে কবিতা লিখলো আর দীপার কষ্ট ফুটিয়ে তুললো কে সাতকাহনে,আমজনতার কিছু আসে যায় না তাতে।ওপারে শুধু দেবতা রা বসে হাসেন;সত্য কে লুকিয়ে রাখা যায় না বেশীদিন।
অযথায় টিপে যাচ্ছে ক্যামেরা।দরজার তালা,দড়ির গিট্টু,পুরোনো কলার ছোবড়া,উড়ন্ত কাক আর ঘুমন্ত মানুষেরা....সব কিছুই ফ্রেমবন্দী হয়ে যাচ্ছে।সাতশ' টাকা খরচ করে নারীদেহের কাছাকাছি যাবার আগেই পিছলে পড়ে ভাঙলো হাত-পা।অপেক্ষারত তরুনীর মিসডকল গুলো জমা হচ্ছে মেডিকেল সেন্টারের চিপায়।
কোট-টাই খুলে ছুড়ে মারলেন তিনি আলনায়।এক গ্লাস পানি চাইতে গিয়েও থেমে গেলেন।নিজেকে নিজের কাছে নগ্ন মনে হচ্ছে খুব।খুব কৌশলে পরিস্থিতি সামলেছিলেন।কোথা হতে এক দঙ্গল দাড়ি গোঁফ নিয়ে মুখের উপর হেসে গেলো ছেলে টা।পিলে ভালোই চমকে ছিলো।
আলো গুলো ভেঙে ভেঙে হচ্ছে প্রোটন কণা।আমি এবার সন্ন্যাসী হব।
সর্বশেষ এডিট : ২৩ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৯:৩৭

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



