প্রথম পর্ব
Click This Link
১০ মার্চ ২০০৯, সকাল ৭টা ।
বিমান থেকে নেমেই আমরা একটা ছোট ট্রেন ধরলাম। এয়ারপোর্টের অন্য বিল্ডিং এ যাওয়ার জন্য। ২/৩ মিনিট লাগলো। ওখানে যেয়ে ওদের ইমিগ্রেশনের লাইনে দাড়ালাম। সারাজিবন লাইনে দাড়িয়েছি সোজা, এখানে আকাবাকা, সাপের মত। আমাকে ঘুরতে হলো অনেকটা পথ। এক মহিলার সামনে দাড়ালাম। কিছুই জানতে চাইলো না। ৪ টুকরা কাগজটার ২ টা টুকরা রেখে দিলো। ওখান থেকে গেলাম ব্যাগ আনতে। আমার বস ম্যাক্সিসের একটা সিম কিনলেন। ২০ রিঙিত দিয়ে। পরে অবশ্য আমরা কিনেছিলাম ৮.৮০ রিঙিত দিয়ে। এখন যাবো হোটেলে , তখনই বাধলো বিপত্তি।
আমার কলিগ গেলো ট্যাক্সি আনতে, গিয়ে শুনলো ট্যাক্সি ভাড়া ১৮০
রিঙিত!! আমরা পড়লাম আকাশ থেকে। কি করবো? ট্রেন আছে, জানিনা। আবার ট্যাক্সি ভাড়া যে বেশী তাও ভাবতে পারছি না কারন কাউন্টার থেকেই টাক্সি নিচ্ছি । যাই হোক ১৭০ রিঙিত দিয়ে ট্যাক্সি নিয়ে ঢুকে পড়লাম কুয়ালালামপুর ।
এতো বড় আর এতো পরিষ্কার রাস্তা আমি আগে কখনো দেখিনি। পাহাড় কেটে নতুন নতুন এপার্টমেন্ট হচ্ছে। রাস্তা গুলাও কেমন উচু নিচু। এক কথায় অনেক সুন্দর। বসের ফোন দিয়ে বাসায় ফোন করলাম। মাঝে মাঝে ২টা গাড়ি দেখা যায়। প্রায় ৪৫ মিনিট পর আমরা মিডভ্যালি সিটিতে এসে পৌছালাম। ওখানেই আমাদের হোটেল। হোটেল বুলেভার্ড। মোটামুটি ৫ষ্টার মানের হোটেল (আমি সিউর না)। বস রুম পেলেন ১৮ তালায়। আমরা ২২ তালায়। আমাদের ট্রেনিং সেন্টার সাইক্যাপ এর অফিস মিডভ্যালি সিটির নর্থ পয়েন্টে। মানে আমাদের হোটেলের অপজিটেই।
এসেই শুনলাম আজ মালেশিয়ার সরকারি ছুটি। ঈদেমিলাদুন্নবী। এখন বুঝলাম রাস্তায় গাড়ি এতো কম কেনো। কি আর করবো? আমার কলিগ মালেশিয়া প্রবাসি ওনার এক চাচাতো কাম মামাতও ভাই কে ফোন দিলেন। উনি বিকেল ৪টা নাগাদ চলে আসবেন বললেন। আমরা গোসল করে একটা ঘুম দিলাম। এক ঘুমে বিকেল ৩টা।
বিকেল ৪টায় আমরা নিচে নামলাম। হোটেল বুলেভার্ড এর লাগোয়া মিডভ্যালি মেগা মল। বিশাল বড় মার্কেট। আর খাবারের দোকান ও প্রচুর। আমার কলিগের ভাই চলে এলেন। উনি ওখানে একজন বাঙালী খুজে বের করলেন যে ওখানের একটা হোটেলে কাজ করেন। আমরা মুরগি আর ভাত খেলাম। খেয়ে মলটা ঘুরতে লাগলাম। সব বড় বড় ব্রান্ড এখানে আছে। খাবার থেকে শুরু করে ডায়মন্ড প্রর্যন্ত। ঘুরতে ঘুরতে রাত হয়ে গেলো। বস ডলার ভাঙালেন। রাত ৯টায় আমরা রাতের খাবার খেয়ে হোটেলে উঠলাম।
হোটেলে টিভি ছাড়লাম। স্টার মুভিজ ছাড়া পরিচিত কোনো চ্যানেল পেলাম না। রাতে হোটেল থেকে কুয়ালালাম পুরের রাস্তা অপুর্ব মনে হয়। সব যেনো ছবির মত।
রাতে ঘুম দিলাম।
আলোচিত ব্লগ
পাহাড়ে চড়া আর মাউন্টেনিয়ারিং: এক নয়

আজকাল পাহাড়ে ওঠা অনেক সহজ হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রায় প্রতিদিনই দেখা যায় কেউ না কেউ কোনো পাহাড়ের চূড়ায় দাঁড়িয়ে ছবি তুলছেন। ট্রেইল ধরে হেঁটে, কখনো দড়ি ধরে, কখনো গাইডের সাহায্যে... ...বাকিটুকু পড়ুন
“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬
আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি যে বাংলাদেশের সর্বস্তরের মানুষের কাছে সহজে আবহাওয়া পূর্বাভাস এবং আবহাওয়া-সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতামূলক তথ্য পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে abohawa.com... ...বাকিটুকু পড়ুন
বিলিয়নিয়ার রবিন খুদা ও আমাদের জাতীয় অগ্রাধিকার
বাংলাদেশে এখন সবচেয়ে জরুরি বিষয় কী?
কর্মসংস্থান? না।
বিনিয়োগ? না।
ডলার সংকট? না।
গার্মেন্টস খাতে ছাঁটাই? না।
ব্যাংকিং খাতের আস্থা সংকট? না।
সবচেয়ে জরুরি বিষয় হলো— কোনো অনুষ্ঠানে জুলাই চেতনা কত মিলিলিটার ঢুকেছে, কে কতবার উচ্চারণ... ...বাকিটুকু পড়ুন
আমাদের গ্রামের গল্প!

আমাগো গ্রাম আপনারা সবাই চিনেন।
মুন্সিগঞ্জ, বিক্রমপুর। শ্রীনগর থানা। খুবই প্রাচীন অঞ্চল। অবশ্য এখন গ্রাম বদলে গেছে! ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল হয়েছে, বিউটি পার্লার, কমিউনিটি সেন্টার, শপিংমল, ফাস্টফুডের দোকান হয়েছে।... ...বাকিটুকু পড়ুন
পণ্ডশ্রম

এই নিয়েছে ঐ নিল যাঃ! কান নিয়েছে চিলে,
চিলের পিছে মরছি ঘুরে আমরা সবাই মিলে।
কানের খোঁজে ছুটছি মাঠে, কাটছি সাঁতার বিলে,
আকাশ থেকে চিলটাকে আজ ফেলব পেড়ে ঢিলে।
দিন-দুপুরে জ্যান্ত আহা, কানটা... ...বাকিটুকু পড়ুন

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।