somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

আমার চোখে আমেরিকা - প্রথম ভ্রমণ

০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ বিকাল ৫:২৯
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

আমেরিকায় দিন বড় তাড়াতাড়ি কাটে। দেখতে দেখতে প্রথম সপ্তাহান্ত মানে weekend এসে গেল। শনিবার সকালে ঘুম থেকে উঠতেই ৯-৩০ বাজল। তাও রজত ডাকাতে উঠলাম। বলল, " Donuts খেতে যাবে?" কোন কাজ ছিল না, তাই গেলাম ওর সাথে। আমাদের apartment-এর পাশেই Donut Den - একটা সুন্দর ছোট্ট দোকান। কফি আর Donut কিনে রোদে এসে বসলাম। Cigarette, Coffee, Donut - a perfect combination. অনেকক্ষণ গপ্প হল। ভালই কাটল সময়টা। দুপুরে স্নান করে গেলাম KFC-তে ভাজা মুরগি খেতে। ফিরে এসে দেখি ইফতি বাড়ি নেই; football খেলতে গেছে! কি আর করা, আবার ঘুম।
৭টা নাগাদ ঘুম থেকে উঠে দেখি সবাই মিলে সিনেমা দেখছে। আমিও বসে গেলাম। Netflix থেকে আনা The Shawshank Redemption. বড় ভাল সিনেমা। বেশ ভাল লাগল।
রবিবার সকালে উঠে আবার রজত আর আমি গেলাম Donut Den; আবার চুটিয়ে আড্ডা। ফিরে এসে দেখি ধীরাজ লাফাচ্ছে beach-এ যাবার জন্য। আজকের আবহাওয়া নাকি beach-এ যাবার জন্য আদর্শ। উঠল বাই তো কটক, থুড়ি Redondo Beach যাই। শিবু গেল না, ওর নাকি প্রচুর পড়াশোনা করতে হবে। অগত্যা রজত, ধীরাজ, ইফতি ও আমি গেলাম ধীরাজের গাড়িতে। এই প্রথম আমি Camry চড়লাম। বেশ বড় গাড়ি, হাত-পা মেলার অগাধ জায়গা। Beach থেকে একটু দূরে একটা ছোট রাস্তায় ধীরাজ গাড়ি থামাল। আমরা নেমে পায়ে হেঁটে গেলাম beach-এ। এর কারণ হল, একদম beach-এর ধারে গাড়ি রাখতে পয়সা দিতে হয় - যে টুকু বাঁচানো যায় আর কি!
সুন্দর সমুদ্র সৈকত!
দেশের মত ফেরিওলা নেই, ভীড় নেই। চারদিক রোদ ঝলমল করছে। বোঝা গেল, কেন লোকে বলে Sunny California। সমুদ্রের নীল জলে খেলা করছে Surf board হাতে একপাল ছেলে-মেয়ে। আর এদিকে বালির ওপর চলছে Beach Volleyball.
বালির ধার দিয়ে দিয়ে শান বাঁধানো পথ। এই পথ নির্দিষ্ট করা আছে সাইকেল, Roller Skater আর jogger-দের জন্য। স্বাস্থ্য সচেতন আমেরিকা। চার দিকে অনেক স্বল্পবসনা সুন্দরীরা ঘুরে বেড়াচ্ছে। দুটো জিনিস উপলব্ধি করলাম, - প্রথমতঃ সব স্বল্পবসনা সুন্দরী নয়। দ্বিতীয়তঃ আমাদের দেশের উপকূল এলাকায় এই সুন্দরীদের দেখলে যতটা রোমাঞ্চ হয়; এখানে ব্যাপারটা বেশ গা সওয়া লাগে - প্রথমবার থেকেই। যাইহোক, বালির ওপর কিছুক্ষণ বসে, একটা-দুটো cigarette খেয়ে আমরা গেলাম pier দেখতে। মাঝে একবার জল ছুঁয়ে এলাম। এই গরমেও কি ঠান্ডা!! আমার পক্ষে এখানে স্নান করাটা চাপের। pier-টি সত্যি জাহাজঘাটার মত দেখতে। তবে শুধুমাত্র দোকান আর দোকান। আরো কিছুক্ষণ উদ্দেশ্যহীন ভাবে ঘুরে সোজা Pizza Hut; lunch করে বাড়ি।
আবার সোমবার থেকে কাজ শুরু। এই হপ্তাটা আমি মুক্তির আড়ালে কাজ করব। পরের হপ্তায় মুক্তি আমার আড়ালে কাজ করবে। আর তার পরের হপ্তায় মুক্তি ফিরে যাবে। আস্তে আস্তে রাশ আমার হাতে আসবে। অচেনা জায়গা, অজানা কাজ। এটাই জীবন। এভাবেই সবাই শুরু করে, আমিও আলাদা নই।
সোমবার সকালে আমি মুক্তির আগে কর্মস্থলে পৌঁছালাম। দেখি Catherine আর David বেশ ঘাড় গুঁজে কাজ করছে। আমি computer on করতেই পিছনের খুপরি থেকে Catherine উঁকি মেরে বলল, "Site is down, my dear! We got tickets from dealers." বলে কি!! সাত-তাড়াতাড়ি Site খোলার চেষ্টা করে দেখি - Page can not be displayed. ভয়ে হাত-পা ঠান্ডা। কি করব কিছুই বুঝতে পারছি না। Server Support group -কে ফোন করলাম। ওরা বলল আমাদের code issue. অস্বাভাবিক, কারণ বিগত ২০০০ সাল থেকে এই code দিব্যি কাজ করছে। পরিবর্তণ বা পরিবর্ধণ এর মধ্যে যা হয়েছে তা গতদিন পর্যন্ত্য দিব্যি কাজ করেছে। কি করব ভাবছি, এমন সময় মুক্তি এল। ওকে বলতেই বলল যে, "এক্ষুণি Server Support group-এর সাথে con call করছি, তুমিও থাকো দেখ কি কি করছি। Con-call শুরু হল। এদিক থেকে মুক্তি আর আমি আর ওদিক থেকে এক Server Engineer আর তার ঊর্ধঃতন। কেউ কিছু বুঝতে পারছে না। মুক্তি ঐ Server Engineer-কে নানা জিনিস পরীক্ষা করে দেখতে বলছে; আর সে ছোকরাও বাধ্য ছেলের মত দেখছে। হঠাৎ, ছেলেটা ফোনের মধ্যেই "Sabotage, sabotage" বলে চিল্লিয়ে উঠল। আমরা সবাই টান টান। জানা গেল Server memory overflow করে গেছে; যার জন্য Server বসে যায়। ছোকরার বক্তব্য অনুযায়ী এ জিনিস অন্তর্ঘাত না হয়ে যায় না! নিশ্চয়ই কোন hacker অজস্র hit করে যন্ত্রটাকে ঝুলিয়ে দিয়েছে। মুক্তি যত বলছে যে এটার সম্ভাবনা নেই বললেই চলে, ও ব্যাটা কিছুতেই বুঝবে না। শেষে ওর Manager বলল, "ঠিক আছে তুমি পরে Server Log দেখে নিও। আপাততঃ memory flush করে site-টা তোলো।"
এই ভাবে শেষ হল আমার প্রথম কর্মক্ষেত্রে crisis.
অবশেষে ১২ই আগস্ট শনিবার আমরা ৫সহকর্মী মিলে বেড়াতে বেরোলাম। আমার প্রথম, বাকিদের যদিও নয়। গন্তব্য Universal Studio। ভারতে রামোজী Film City গেছি। ওটা আয়তনে Universal Studio-এর চেয়ে অনেক বড় হলেও বাকি সব কিছুতে অনেকটাই ছোট। সকাল ৭টায় বেরোব বলে, বেরোলাম ৮-৪৫ নাগাদ। ইফতির Nissan-এ সওয়ার হয়ে চললাম I-110 ধরে। I মানে Interstate. এই freeway গুলো ফেডারেল সরকারের (আমাদের যাকে বলে কেন্দ্রীয় সরকার) দ্বারা রক্ষণা-বেক্ষণ করা হয়। আমেরিকার freeway যে কি জিনিস কি বলব?! প্রথমবার উঠলাম আর ছিটকে গেলাম। ৬৫মাইল speed limit-এর সম্পূর্ণ concrete-এর তৈরি ৪ থেকে ৬ লেনের এক একটা অজগর সাপ...গাড়ি চলে স্রোতের মত...আর দুরন্ত গতিতে। এই রাস্তা গুলোর ধারে জায়গা বুঝে পাঁচিল দেওয়া, যার পোষাকি নাম shoulder। রাস্তার বাঁদিকে একটা লেন থাকে যাতে আপৎকালে সরে গিয়ে গাড়ি দাঁড় করা যেতে পারে। কারণ freeway-তে গাড়ি দাঁড় করা যায় না। ঐ লেনের ধারে প্রতি আধ মাইল অন্তর Call Post আছে, - মানে টেলিফোন পোস্ট। এখান থেকে শুধু আপৎকালীন ফোন করলে নিমেষের মধ্যে সাহায্য এসে যাবে। লেন পরিবর্তণ করতে হলে indicator মারতে হবে...৩০ মাইল পথ ৭০-৮৫mph-এ চালিয়ে পৌঁছলাম আধঘন্টার মধ্যে। Studio ঢোকার টিকিট (৪৯টাকা করে। এখানে আমরা ডলারকে টাকা বলি।তাতে সুবিধাও হয় আবার বেশ একটু মজাও হয়।) আগেই নেটে কেটে রেখেছিলাম। ওখানে parking নিলাম ২০টাকার। ভাবা যায়! ভারতীয় মুদ্রায় প্রায় ১০০০টাকা!!! আমি আস্তে আস্তে ভাবা ছেড়ে দিচ্ছি।
ভিতরে ঢোকার সময়ই একটা মানচিত্র নিয়ে নিয়েছিলাম। প্রথমেই গেলাম Van Helsing House of Horror। দিল্লীর আপ্পুঘরের ভুতবাংলার মত। ফালতু। তবে এদের পরিবেশনা অনেক সম্পূর্ণ। তারপর গেলাম Waterworld। এখানে Kevin Costner-এর Waterworld সিনেমার থিমে stunt show হল... অসাধারণ!!! একটা প্রমান মাপের sea-plane-এর মডেলকে পর্য্যন্ত স্টেজের (মানে বিশাল একটা পুকুর) উপর উড়ে এসে ভেঙ্গে পড়ার stunt ছিল। সবচে দারুণ হল টাইমিং। এর পর গেলাম Shrek 4D দেখতে। এই প্রথম কোনো 3D, থুড়ি 4D সিনেমা দেখলাম। কোনো কথা হবে না! 4D কারণ 4th Dimention-টা হল সম্পূর্ণ শারীরিক। খোলসা করে বললে হল, পর্দায় দেখলাম কয়েকশো লোমশ ট্যারান্টুলা টুপ করে মাটিতে পড়ে গেল আর সাথে সাথে ঘাড়ে-পায়ের ওপর দিয়ে কি যেন হেঁটে গেল... বা ধরা যাক Shrek ঘোড়ার গাড়িতে করে যাচ্ছে আর আমার আসনটাও গাড়ির তালে তালে ঝেঁকে যাচ্ছে।
এরপর সোজা চলে গেলাম Back To The Future Ride-এ। কোলকাতায় Science City-তে এরকম একটা জিনিস ছিল। এগুলোকে বলে Simulation Ride। একটা platform-এর উপরে একটা ঘরের মত যার একটা দেওয়াল জুড়ে একটা পর্দায় কোন দ্রুতগামী ছবি দেখানো হবে আর তার সামনে সারিবদ্ধ আসন। এপর্যন্ত সাধারণ সিনেমা হলের মত। আসল গল্পটা এর পর। ছবির সরণ অনুযায়ী ঐ platform-টা একই জায়গায় থেকেই নানা দিকে কাত হয়ে যাবে। তাতেই মাধ্যাকর্ষণের প্রভাবে পুরো শরীরে গতির অনুভব হয়। আসলে কিন্তু গোটা ব্যপারটা একই জায়গার দাঁড়িয়ে। এধরনের ride আমার আগেও খুব একটা ভাল লাগেনি, ঠিকাছে মত। এবার কোথায় যাব? বিভৎস ঝগড়া। অবশেষে স্থির হল Studio Guided Tour-এই যাব। যেখানে একটা ৪কামরার ট্রেন বাস আমাদের Universal Studio-এর সফরে নিয়ে গেল। বাসে একজন মাইক নিয়ে বসে আমাদের Universal Studio-এর বিভিন্ন দ্রষ্টব্যের সাথে পরিচয় করিয়ে দিল। Jaws-এর হাঙর জল থেকে এসে আমাদের আক্রমণ করল। একটুর জন্য বেঁচে গেলাম! কিং কং এসে আমাদের বাসের একটা করে কামরা তুলে দেখে আবার নামিয়ে দিল। Psycho সিনেমার সেই বিখ্যাত মোটেল ও তার ঠিক পিছনে Psycho-এর বাড়ি দেখলাম। এতদিন বাদেও একইরকম আছে। Jhon Wayne-এর Wild West থেকেও একটু ঘুরে এলাম। হঠাৎ দেখি একটা Boeing 777 (আপাতত পৃথিবীর বৃহত্তম বিমান) একটা ছোট শহরের উপরে ভেঙ্গে পড়ে আছে! নিশ্চয় এখুনি হয়েছে - কারণ তখনও ধোঁয়া উঠছে। বিভৎস দৃশ্য! তাড়াতাড়ি যখন চারদিকে দেখছি কেউ বেঁচে আছে কিনা; তখন Conductor বলল যে এটা আসলে Spielberg-এর শেষ ছবি War of the Worlds (Tom Cruise আছে)-এর সেট। বিমানটা সত্যি সত্যিই আসল, যাকে টুকরো টুকরো করে ভেঙ্গে এই সেট বানানো হয়েছে Spielberg-এর বিশেষ অনুরোধে!! আমেরিকাতে সব সম্ভব!!
সফর শেষে আমরা গেলাম Terminator 2 3D দেখতে। অসাধারণ! এটা আসল সিনেমাটার একটা উপসংহারের মত।
এইবার গেলাম Revenge of the Mummy-তে। এটা একটা হাড় হিম করা roller coaster ride। এর চাপটা হল ঘুটঘুটে অন্ধকারের মধ্যে দিয়ে ঝড়ের গতিতে উলটে- পালটে নিয়ে গিয়ে একটা দেওয়ালের সামনে দাঁড় করাবে। আর ঠিক যখন মনে হবে যে এই শেষ হল তখনই গোটা পথ একই বেগে পিছনদিকে ফিরে আসবে। এই ফেরার সময়টা আমি সম্পূর্ণ হাল ছেড়ে দিয়েছিলাম। যাকে সাদা বাংলায় বলে মোক্ষলাভ। জাগতিক সব মায়া কাটিয়ে দিয়েছিলাম। বাঁচার আশা চলে গেলে বোধহয় এরকম অনুভূতিই হয়। বাইরে এসে দেখি একটা কাউন্টারের সামনে গুচ্ছ ভীড়। আমাদের ride-এর মাঝে কখন ছবি তুলে নিয়েছে। সেই ছবি আমাদের আবার computer screen-এ দেখাচ্ছে। কি শয়তান!! আমরা কে কেঁদেছি, কে ভয়ে সাদা হয়ে গেছি - সব দেখা যাচ্ছে। কেউ যদি চাও তক্ষুণি নগদে কিনে দাও। আমরা কেউই কিনি নি। ঐ ছবি দেখাবো কাকে?
তখন 10:20pm। সারাদিন প্রচন্ড শুকনো গরম ছিল। রাতে তেমনি ঠান্ডা পড়ল। সারাদিন গরমের সাথে ব্যপক ভীড়ও ছিল। সেটা কিন্তু রাতেও বন্ধ হয়নি। Studio-এর সব কিছু রাত১০টার পর বন্ধ হয়ে যায়। তাই Jurassic Park ও আরো কয়েকটা দ্রষ্টব্য বাদ পড়ে গেল। আবার আসতে হবে।
বেরিয়ে পড়লাম বাড়ির উদ্দেশ্য। ইফতি গাড়ি চালাচ্ছিল। ও আমাদের মতই ক্লান্ত ছিল। পথে দু-দুবার ৮০মাইলের গতিতে |freeway-তে দেরিতে লেন পরিবর্তন করতে গিয়ে নিরেট কংক্রিটের পাঁচিলে ধাক্কা খেতে খেতে বেঁচে গেলাম। ছেলেটার হাত খুব ভাল। ধনে-প্রাণে নিজের শহরে পৌঁছে KFC-এর drive through থেকে দুটো করে মুরগীর ঠ্যাং ও এক খাবলা mashed potato কিনে বাড়ি।
সর্বশেষ এডিট : ০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ বিকাল ৫:২৯
৩টি মন্তব্য ৩টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

আমার ডক্টর যেন বাঁচে ১৫০ বছর.....

লিখেছেন শায়মা, ১১ ই জুন, ২০২৬ রাত ১০:০৪



ডক্টরস, হসপিটাল এবং ওষুধ এসব নিয়ে আমার তিক্ত অভিজ্ঞতার শেষ নেই। এ কারনে আমি একদম এদের কাউকেই পছন্দ করি না। তবে কিছু তো করার নেই। জীবনের নানা সময়ে ইচ্ছের... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাংলা সাহিত্যে জায়গা পাচ্ছেন ওসমান হাদী

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১২ ই জুন, ২০২৬ রাত ১:১৭


সংবাদপত্র যা বলছে
জাগো নিউজের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ১০ জুন ২০২৬ শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যবই পরিমার্জন-সংক্রান্ত কমিটির এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব আবদুল খালেকসহ... ...বাকিটুকু পড়ুন

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, ক্রাউড ফান্ডিং-এর সুযোগ তৈরি করে সরকারী লাভজনক প্রজেক্টে জনগণের বিনিয়োগ নিন

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ১২ ই জুন, ২০২৬ রাত ১:৩১

বাংলাদেশের বর্তমান সরকার বিনিয়োগ পরিস্থিতি নিয়ে চিন্তিত, তা বুঝা যাচ্ছে। নাহলে, খোদ প্রধানমন্ত্রী দেশে বিনিয়োগ নিয়ে আসতে জনগণকে অনুরোধ করতেন না। আমার মন হয়, দেশের মানুষের কাছেই অনেক সম্পদ আছে... ...বাকিটুকু পড়ুন

বিএনপির আবালীপনা।

লিখেছেন তানভির জুমার, ১২ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১০:০৮

বিএনপি ৫০ হাজার নাচের শিক্ষক নিয়োগ দিতে যাচ্ছে। যার পেছনে ১০ বছরে ব্যায় হবে ১৫ হাজার কোটি টাকা। যা দিয়ে ফুল প্যাকেজ ৩০ টি জেএফ-১৭ থান্ডার যুদ্ধবিমান... ...বাকিটুকু পড়ুন

Claude Fable 5: Journey from ANI 2 AGI -প্রযুক্তির ইতিহাসে নতুন এক সন্ধিক্ষণ

লিখেছেন বোকা মানুষ বলতে চায়, ১২ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ২:২৭



প্রযুক্তির ইতিহাসে এমন কিছু মুহূর্ত আসে, যা পরবর্তী কয়েক দশকের গতিপথ নির্ধারণ করে দেয়। ইন্টারনেটের আবির্ভাব, স্মার্টফোন বিপ্লব কিংবা Generative AI-এর উত্থান ছিল তেমনই কিছু ঘটনা। সম্প্রতি Anthropic-এর নতুন Frontier... ...বাকিটুকু পড়ুন

×