পোস্ট আর্কাইভ
- এপ্রিল,২০১০(২)
- জানুয়ারী,২০১০(১)
- ডিসেম্বর,২০০৯(১)
- নভেম্বর,২০০৯(১)
- জুলাই,২০০৯(১)
- এপ্রিল,২০০৯(২)
- মার্চ,২০০৯(৪)
- ফেব্রুয়ারী,২০০৯(২)
- জানুয়ারী,২০০৯(৩)
- ডিসেম্বর,২০০৮(৫)
- নভেম্বর,২০০৮(২)
- অক্টোবর,২০০৮(২)
- সেপ্টেম্বর,২০০৮(১)
- আগস্ট,২০০৮(২)
- জুলাই,২০০৮(১)
- জানুয়ারী,২০০৮(২)
- ডিসেম্বর,২০০৭(১)
- নভেম্বর,২০০৭(১)
- অক্টোবর,২০০৭(৬)
- সেপ্টেম্বর,২০০৭(১)
- আগস্ট,২০০৭(৩)
- জুলাই,২০০৭(৩)
- জুন,২০০৭(৪)
- মে,২০০৭(১৫)
- এপ্রিল,২০০৭(১০)
- মার্চ,২০০৭(১৯)
- ফেব্রুয়ারী,২০০৭(১০)
- জানুয়ারী,২০০৭(১২)
- ডিসেম্বর,২০০৬(৬)
- নভেম্বর,২০০৬(৪)
- অক্টোবর,২০০৬(১৪)
- সেপ্টেম্বর,২০০৬(৮)
- আগস্ট,২০০৬(২৯)
- জুলাই,২০০৬(৩৭)
- জুন,২০০৬(৬)
- মে,২০০৬(৪)
- এপ্রিল,২০০৬(৮)
- জানুয়ারী,২০০৬(১)
- ডিসেম্বর,২০০৫(১)
আমার লিঙ্কস
আমার বিভাগ
আমার প্রিয় পোস্ট
- ফরহাদ মজহারঃ নাস্তিক মোল্লা - মোস্তাফিজ রিপন
- ধেয়ে আসছে প্রকৃতির প্রতিশোধের ভয়ংকর ড্রাগন! জলে-স্থলে-অন্তরীক্ষে কোথাও বাঁচার পথ নেই!! - মনজুরুল হক
- খালেদা জিয়া'র জন্মদিনের ডকুমেন্টস - সেলটিক সাগর
- হজ্বের সেই দিনগুলো - ২য় পর্ব - আশিক হাসান
- দেশের সংবাদপত্রগুলোর প্রচার সংখ্যার আপডেট, মার্চ ০৯ - কাঙাল
- একাত্তরের চিঠি সংকলনের টেক্স্ট কন্টেন্ট রিভার্সিং: একটি প্রকল্পের প্রস্তাবনা - তর্পন
- সামহোয়ারইনে স্বাধীনতা দিবস '২০০৯ এর ভাবনা- একটি পোষ্ট সংকলন। - তায়েফ আহমাদ
- ব্লগ কী? - ফাহমিদুল হক
- আলোচিত বই --মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস ( মুহম্মদ জাফর ইকবাল) /// ৯-১৬ পৃষ্ঠা। - পথিক!!!!!!!
- জিমেইলের সেরা কিছু ফিচার যার জন্য জি-মেইল ব্যবহার করবেন (আর.এস.এস পড়ুন মেইল বক্স থেকে) - ১ - পাপী
- প্রমিত বাংলা বানান রীতি (৩): অনুস্বার (ং) এবং উঁয়ো (ঙ)! - ম্যাভেরিক
- সামহয়ারইন দেখুন আপনার মোবাইল থেকেই!
- দুর্লভ
- বঙ্গোপসাগরে ঘোড়দৌড় : প্রতিযোগিতাতেই নেই বাংলাদেশ! - ফিউশন ফাইভ
- ক্রিয়েটিভ কমন্স লাইসেন্সের ছয় বছর পূর্তী - আশাবাদী!!
- ~~*~*~দৈনিক সংগ্রাম ১৯৭১ ও ২০০৮:জামাতের রঙ বদলের জ্বলন্ত প্রমান~~*~*~ - এ. এস. এম. রাহাত খান
- এই সব 'আন্দোলনউৎসবের'চোরাগলিতে আমাদের হারানো ভবিষ্যৎ - মনজুরুল হক
- মুছে ফেলুন - কেন লিখে রেখেছেন? - নাফিস ইফতেখার
- নবীন লেখকলেখিকাদের জন্য :: কিভাবে বই বের করবন। পর্ব-২ - সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই
- ভালো লাগা প্রিয় কবিতারা-৩৪ (দোতলার ল্যন্ডিং,মুখোমুখি দু'জন--আহসান হাবীব)] - আবদুর রাজ্জাক শিপন
- তোমার ভয় নেই মা আমরা প্রতিবাদ করতে জানি - লাল দরজা
ইতিমধ্যে দন্ডিত যুদ্ধাপরাধীদের এখনও বিচারের আওতায় আনা সম্ভব
৩০ শে মার্চ, ২০০৯ রাত ১০:৫৪ |
১৯৭১ সালের যুদ্ধাপরাধীদের বিচার প্রক্রিয়া নিয়ে আলোচনার ধারাবাহিকতায় আজ আলোচনা করব দন্ডিত যুদ্ধপরাধীদের নিয়ে।
১৯৭২ সালের ১ জানুয়ারী অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম তার মন্ত্রী পরিষদ নিয়ে এক বৈঠকে গনহত্যা তদন্ত কমিশন গঠনের সিদ্ধান্ত নেন। সে সময়ে ৩৭০০০ যুদ্ধাপরাধীদের একটি তালিকা তৈরি করা হয়।
২৪ জানুয়ারি ‘বাংলাদেশ দালাল আইন ১৯৭২’ নামে (রাষ্ট্রপতি আদেশ নং ৮) একটি অধ্যাদেশ জারি হয়। শেখ মুজিবর রহমান সাক্ষরিত সেই অধ্যাদেশে যুদ্ধপরাধী এবং দালালের সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে এভাবে - "কোনো ব্যক্তি যদি একক বা দলগতভাবে বা কোনো সংস্থার হয়ে প্রত্যক্ষ্ বা পরোভাবে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর গণহত্যা, লুটপাট, ধর্ষনে সহযোগিতা করে থাকে এবং স্বাধীন বাংলাদেশ বিরোধী কর্মকান্ডে এবং বাংলাদেশের বিপক্ষে যুদ্ধে জড়িত থাকে।" কমপক্ষে ২ মাস থেকে সর্বোচ্চ মৃত্যুদন্ডের শাস্তির বিধান রাখা হয়েছিল এই আইনে। অনেক ফাঁকফোকড় ছিল এ আইনে, যার ৭ম ধারায় থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে সর্বময় কর্তৃত্ব দেওয়া হয়েছিল। ওসি যদি কারো বিরুদ্ধে অভিযোগ না আনেন তাহলে সেটা গ্রহন করা হবে না, অন্য কোনো আদালতে তার বিরুদ্ধে অভিযোগ করা যাবে না- এমন অনেক গলদে ভর্তি ছিল আইনটি। - -অমি রহমান পিয়াল
১৯৭৩ সালের ২০ জুলাই আন্তর্জাতিক আইনে যুদ্ধপরাধীদের সাজা দেওয়ার জন্য নতুন একটি আইন পাস হয়। ‘অ্যাক্ট নং-১৯, ১৯৭৩’ (লিংক-৩) নামের এই আইনে গনহত্যা, মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ, যুদ্ধাপরাধে অপরাধীদের গ্রেপ্তার, বিচার এবং সাজা দেওয়ার অধিকার রাখা হয়। এই আইনের উদ্দেশ্য ছিল পাকিস্তানী ১৯৫ জন উচু পদমর্যাদার সেনা অফিসারের বিচার বাংলাদেশেই যাতে করা যায় এমন। কিন্তু আন্তুর্জাতিক চাপে ও পাকিস্তানের স্বীকৃতির আশায় ১৯৭৪ সালে ত্রিদেশীয় একটি চু্ক্তির আওতায় ওই যুদ্ধাপরাধীদের বিচার ছাড়া পাকিস্তানে ফেরত নেয়া হয়।
বলা হয়ে থাকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান (দেশে অবস্থিত) যুদ্ধাপরাধী দালাল ও রাজাকারদের ক্ষমা করে দিয়েছেন। কথাটা পুরো সত্যি নয়। ১৯৭৩ সালের ৩০ নভেম্বর থেকে কার্যকর সাধারণ ক্ষমা ঘোষণার আওতায় প্রান্তিক পর্যায়ের দালাল ও রাজাকারদের ক্ষমা করা হয়েছে। হত্যা, লুটপাট, ধর্ষন এবং স্বাধীনতা বিরোধী ষড়যন্ত্রের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত এবং নেতৃস্থানীয় কোনো দালাল ও ঘাতককে এই ক্ষমা ঘোষণার আওতায় নেওয়া হয়নি। অধ্যাপক গোলাম আযম থেকে শুরু করে নুরুল আমিন, হামিদুল হক চৌধুরী, খান এ সবুর, মাহমুদ আলী, খাজা খয়েরুদ্দিন, রাজা ত্রিদিব রায়ের মতো নেতৃস্থানীয় স্বাধীনতাবিরোধীদের স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি ক্রোক করে তাদের ফেরার ঘোষণা করা হয় (১০ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭২, দৈনিক বাংলা)। ক্ষমার আওতায় পড়েননি রাজাকার ও আলবদর বাহিনীর কোনো নেতা। তালিকা দেখলে দেখা যাবে ঠিক কারা এসব নেতৃত্বে ছিলেন। -অমি রহমান পিয়াল
১৯৭৩ সালের ৩০ নভেম্বরের সাধারণ ক্ষমা ঘোষণায় মুক্তি পায় প্রায় ২৬০০০ অভিযুক্ত। কিন্তু ৭৫২ অভিযুক্ত ও বিচারাধীন ১১০০০ অভিযুক্ত তখনও জেলে ছিল। ৩১শে ডিসেম্বর রাষ্ট্রপতি বিচারপতি আবু সাদাত সায়েম এবং চিফ মার্শাল ল এডমিনিষ্ট্রেটর জেনারেল জিয়াউর রহমান সংবিধানের তৃতীয় সংশোধনীর মাধ্যমে ‘বাংলাদেশ দালাল আইন ১৯৭২’ (রাষ্ট্রপতি আদেশ নং ৮) বাতিল করেন। এর ফলে ৭৫২ জন অভিযুক্ত ও বিচারাধীন সকলে ছাড়া পেয়ে যায়।
আজ প্রথম আলোতে মিজানুর রহমান খান বলেছেন :
যুদ্ধাপরাধের বিচার প্রশ্নে যখন ট্রাইব্যুনাল গঠিত হতে যাচ্ছে, তখন একটি মিথ বা কল্পকথা ভেঙে দেওয়া দরকার। মিথটি হলো, বিচারপতি সায়েম ও জেনারেল জিয়াউর রহমান দালাল আইন বাতিল করার মাধ্যমে কারাগারে আটক ও দন্ডপ্রাপ্ত যুদ্ধাপরাধীদের মুক্তি দিয়েছিলেন। কিন্তু কথাটি এভাবে সত্য নয়। এর আড়ালে মস্ত একটি সত্য চাপা পড়ে আছে।
সংবিধানের ৪৭(৩) অনুচ্ছেদ দিয়ে বাঁচিয়ে রাখা ১৯৭৩ সালের আন্তর্জাতিক অপরাধ আইন ও ১৯৭২ সালের দালাল আইন রক্তস্নাত মুক্তিযুদ্ধের ভেতর দিয়ে জন্ম নেওয়া বাংলাদেশ সংবিধানের মৌলিক কাঠামোর চেয়ে বেশি কিছু।
দালাল আইন বাতিল অধ্যাদেশ পরবর্তীকালে সংবিধান সংশোধনীর মাধ্যমে ‘বৈধতা’ পেলেও তা ছিল একটি এখতিয়ারবহির্ভুত পদক্ষেপ। আইনের সরল পাঠে এটা বলা যায় যে ৪৭ অনুচ্ছেদের ৩ উপদফায় ‘কখনো বাতিল বা বেআইনি হয়েছে বলে গণ্য হবে না’ কথাটির অর্থ এই যে, ওই আইনটি আজও বহাল রয়েছে। বিচারপতি সায়েমের অধ্যাদেশটি ভয়েড অ্যাবিনিশিও বা গোড়া থেকে বাতিল। এখন হয়তো কেবল একটি রিট দায়ের করলেই বিষয়টির নিষ্পত্তি হয়ে যেতে পারে। সে ক্ষেত্রে সংবিধানের অভিভাবকের দায়িত্ব পালনকারী উচ্চ আদালতের কাছ থেকে এ মর্মে একটি ঘোষণা আসা স্বাভাবিক প্রত্যাশা হতে পারে যে দালাল আইন বাতিল আইনের কখনো অস্তিত্ব ছিল না।
পঁচাত্তরের পরে কার্যত দুটি ইনডেমনিটি আইন পাস করা হয়েছিল। এর একটি দিয়ে বঙ্গবন্ধু হত্যাকান্ড এবং দ্বিতীয়টি দিয়ে একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধে যারা খুন, ধর্ষণ, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগের অভিযোগে অভিযুক্ত হয়েছিল; তাদের ইনডেমনিটি বা দায়মুক্তি দেওয়া হয়। প্রথম ইনডেমনিটির বিরোধিতায় যাঁরা সোচ্চার হয়েছেন, সেভাবে তাঁরা দ্বিতীয় ইনডেমনিটির বিরুদ্ধাচরণ করেননি। এমনকি আজ যখন চারদিকে যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবি উঠেছে, সংসদে প্রস্তাব পাস করা হয়েছে, আমরা ভাবছি এই বুঝি ১৯৭৩ সালের আইনে ট্রাইব্যুনাল গঠিত হতে যাচ্ছে; তখনও যাদের বিচার করা হয়েছিল তাদের কী হলো সেদিকে খেয়াল দেওয়া হচ্ছে না। ট্রাইব্যুনালকে তো বিচার করতে হবে। একটি বিচারিক প্রক্রিয়া অনুসরণ করেই কোনো অভিযুক্তকে দোষী সাব্যস্ত করে তাঁরা দন্ড বা খালাস দেবেন। কিন্তু যুদ্ধাপরাধের দায়ে যাদের দন্ড ইতিমধ্যে হয়ে গেছে তাদের কী হবে? এই দন্ডিত ব্যক্তিরা কোন জাদুমন্ত্রবলে কারাগার থেকে ছাড়া পেয়েছিল তা আমাদের জানতে হবে।
বিস্তারিত পড়ুন প্রথম আলোয়
প্রকাশ করা হয়েছে: ওয়েবলগ বিভাগে । বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
আসিফ রহমান বলেছেন:
৭৫২ জন অভিযুক্তের একটা তালিকা পাওয়া যাবে কি?
ওমর হাসান আল জাহিদ বলেছেন:
আমি আগামি কাল একটি পোস্ট দিচ্ছি এটি নিয়ে।
অমি রহমান পিয়াল বলেছেন:
ধন্যবাদ রেজওয়ান। অব্যহত থাকুক
একরামুল হক শামীম বলেছেন:
আইনগত ছোট্ট একটা সংশোধনী আছে।"শেখ মুজিবর রহমান সাক্ষরিত সেই অধ্যাদেশে যুদ্ধপরাধী এবং দালালের সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে "
প্রথমত সেটি অধ্যাদেশ মানে অর্ডিন্যান্স ছিল না, ছিল অর্ডার। 'দ্য বাংলাদেশ কোলাবোরেটরস ( স্পেশাল ট্রাইব্যুনালস) অর্ডার, ১৯৭২। দ্বিতীয়ত সেটিতে শেখ মুজিবুর রহমান স্বাক্ষর করেননি। স্বাক্ষর করেছেন সেইসময়ের প্রেসিডেন্ট আবু সাঈদ চৌধুরী।
আজকের প্রথম আলোতে ছাপা হওয়া মিজানুর রহমানের লেখাটা পড়লাম। সংবিধানের ৪৭(৩) অনুচ্ছেদ উল্লেখ করে তিনি যে ব্যাখ্যা দিয়েছেন তার সাথে আমার দ্বিমত রয়েছে। আসলে দালাল আইনে শুরু থেকেই ত্রুটি ছিল কিছু। তার জন্য বারবার সংশোধন করতে হয়েছিল সেইসময়। ১৯৭৩ সালের দ্য ইন্টারন্যাশনাল ক্রাইমস (ট্রাইব্যুনাল) অ্যাক্ট দিয়েই সব ধরনের যুদ্ধাপরাধীদের বিচার সম্ভব। সুতরাং নতুন করে দালাল আইন পুনুরুজ্জীবিত করার দরকার আছে বলে মনে করছি না।
যাদের বিচার প্রক্রিয়া চলতেছিল কিংবা যাদের বিচার করা যাবে ১৯৭৩ সালের আইনের মাধ্যমে। কেউ কেউ সংবিধানের ৩৫ (২) কে বাধা হিসাবে বলতে পারেন। কিন্তু ৪৭ (৩) তার সেফগার্ড।
দালাল আইন এবং ১৯৭৩ সালের আইন এবং আন্তর্জাতিক বেশ কিছু বিচার প্রক্রিয়া পড়ার অভিজ্ঞতা থেকে বলতে পারি আমাদের উচিত যতো দ্রুত সম্ভব ততো দ্রুত ১৯৭৩ সালের অ্যাক্টের অধীনে ট্রাইব্যুনাল গঠন করে বিচার কাজ শুরু করা।
"যুদ্ধাপরাধী, মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধের অপরাধী, শান্তির বিরুদ্ধে অপরাধের অপরাধী, গণহত্যা সংঘটনকারীর বিচার করতেই হবে।" শাস্তি প্রদান করতেই হবে।
একরামুল হক শামীম বলেছেন:
রেজওয়ান ভাই ছোট্ট একটা বিষয় যোগ করি।কেন আমি দালাল আইনের অধীনে বিচারের পক্ষপাতী না, তার ব্যাখা দেই।
দালাল আইনে ওয়ার ক্রাইম, জোনোসাইড, ক্রাইম অ্যাগেইনস্ট হিউম্যানিটি, ক্রাইম অ্যাগেইনস্ট পিস- এসবের সংজ্ঞা দেওয়া নাই। দালাল আইনে বলা হয়েছে কোলাবোরেটর অর্থাৎ দালাল সমন্ধে। অর্থাৎ এই আইনের অধীনে বিচার হলে তারা দালাল হিসাবে বিচারের মুখোমুখি হবে।
কিন্তু ইতিহাস বলে এই দালালরা যেসব অপরাধ করেছে আন্তর্জাতিক আইনের অধীনে তা যুদ্ধাপরাধ, মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ, শান্তির বিরুদ্ধে অপরাধ, গণহত্যা। আইনের একটা জুরিসপ্রুডেন্স হলো যে যা অপরাধ করেছে বিচারের সময় তার মাত্রা বুঝতে দিতে হবে।
তারা যুদ্ধাপরাধ করেছে, তারা মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ করছে, সুতরাং তাদের বিচার হওয়া উচিত যুদ্ধাপরাধী হিসাবে, মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ সংগঠনকারী হিসাবে; দালাল হিসাবে নয়।
বিচার চাওয়ার সময় আইনের বিশ্লেষণ এবং সংজ্ঞায়নের দিকে আমাদের খেয়াল রাখতে হবে।
মিজানুর রহমান খানের লেখাটা পড়ে যা বুঝলাম, তা হলো, জিয়া-সায়েম প্রণীত দালাল আইন রোধের এ্যাক্টের ফলে যে ৭৫২ জন শাস্তি পেয়েছিলো, তাদের সেই শাস্তি মাফ হয়ে যায়না, এবং ১১হাজার যারা অভিযুক্ত ছিলো তাদেরও জেল থেকে ছাড়া পাওয়ার পথ তৈরী হয়না ... তো, মিজানুর রহমান খান কেনো এড়িয়ে গেলেন বুঝলামনা, তার মানে কি এই না যে একটা আধা-খেচড়া আইন বানিয়ে পাবলিকের চোখে ধুলো দিয়ে ঐ ৭৫২ প্লাস ১১ হাজার দালালকে চুপেচাপে ছেড়ে দিয়েছেন জিয়া-সায়েম চক্র।
তো, মিজানুর রহমান যে ইন্টারেস্টিং পয়েন্টটা তুলে ধরেছেন তা হলো, ঐ সাজাপ্রাপ্ত ৭৫২ জনের কিন্তু এখনও জেলেই থাকার কথা (মৃত্যদন্ড কারো হয়েছে কিনা জানিনা, হলে সেটাও প্রয়োগ হবার কথা), তার জন্য নতুন করে বিচার আয়োজনের প্রয়োজন নেই; কাজেই সেই লিস্ট উদঘাটন করে এদের আবার শাস্তিতে পূণর্বহাল করা যায়।
এখন এটা বেটার হবে নাকি শামীমের নির্দেশিত দ্য ইন্টারন্যাশনাল ক্রাইমস (ট্রাইব্যুনাল) অ্যাক্ট এর আওতায় আবার বিচার করে এদের শাস্তিদ দেয়া বেটার হবে -- সেটা হয়তো আলোচনার দাবী রাখে।
আরেকটা কথা:
পাকি যেই ১৯৫ জনকে মধ্যপ্রাচ্য আর ইঙ্গ-মার্কিন কূটনীতির মারপ্যাঁচে পাকিস্তান ছাড়িয়ে নিয়ে গেছে -- সেই ***গুলার নামবৃত্তান্তের কোন লিস্ট কি পাওয়া গেছে।
অন্ততঃ এই ১৯৫ টা শূয়োরের লিস্ট, তাদের কৃত অপরাধ, বর্তমান অবস্থা -- এসব নিয়ে একটা বই লিখে এই যুদ্ধাপরাধীগুলোর পরিচয় বিশ্বে তুলে ধরা দরকার। এদের হয়তো ফিজিক্যালি আর শাস্তি দেয়া যাবেনা, তবে এটাও এক ধরনের শাস্তি হবে।
অমি রহমান পিয়াল বলেছেন:
৩১শে ডিসেম্বর রাষ্ট্রপতি বিচারপতি আবু সাদাত সায়েম এবং চিফ মার্শাল ল এডমিনিষ্ট্রেটর জেনারেল জিয়াউর রহমান সংবিধানের তৃতীয় সংশোধনীর মাধ্যমে ‘বাংলাদেশ দালাল আইন ১৯৭২’ (রাষ্ট্রপতি আদেশ নং ৮) বাতিল করেন। এই লিংকটা কাজ করে না। আমি এক্টটা তুইলা দিলাম। An Ordinance to repeal the Bangladesh Collaborators (Special Tribunals) Order, 1972.
WHEREAS it is expedient to repeal the Bangladesh Collaborators (Special Tribunals) Order, 1972 (P.O. No. 8 of 1972), and to provide for certain matters ancillary thereto;
NOW, THEREFORE, in pursuance of the Proclamations of the 20th August, 1975, and 8th November, 1975, and in exercise of all powers enabling him in that behalf, the President is pleased to make and promulgate the following Ordinance
2. (1) The Bangladesh Collaborators (Special Tribunals) Order, 1972 (P.O. No. 8 of 1972), hereinafter referred to as the said Order, is hereby repealed.
(2) Upon the repeal of the said Order under sub-section (1), all trials or other proceedings thereunder pending immediately before such repeal before any Tribunal, Magistrate or Court, and all investigations or other proceedings by or before any Police Officer or other authority under that Order, shall abate and shall not be proceeded with.
(3) Nothing in sub-section (2) shall be deemed to affect -
(a) the continuance of any appeal against any conviction or sentence by any Tribunal, Magistrate or Court under the said Order; or
(b) except to the extent provided in that sub-section, the operation of section 6 of the General Clauses Act, 1897 (X of 1897).
মুক্তিযুদ্ধের চেতনা সমুন্নত রাখার জন্য জেনারেল জিয়ার এই অবদান জাতি আজীবন কৃতজ্ঞচিত্তে স্মরণ করবে
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফমর্। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...















আপনার মন্তব্য লিখতে লগইন করুন ।