পুনরায় রৌদ্রহীন রৌদ্রে আমি, পথহীন পথে

লুই কান এবং বাংলাদেশ

০৯ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৭ দুপুর ১:৪৩

শেয়ারঃ
0 0 0

২০০৪ সালের কোন এক সকাল। ইউনিভার্সিটির স্টুডেন্ট ইউনিয়নের মধ্য দিয়ে ল্যাবে যাচ্ছি। সাধারণত বাইরে প্রচন্ড গরম কিংবা ঠান্ডা থাকলে আমি ভবনের অভ্যন্তর দিয়ে যাওয়ার এই রাস্তাটা ব্যবহার করি তাপানুকূল পরিবেশের জন্য। স্টুডেন্ট ইউনিয়নের এক পাশেই রয়েছে এলান থিয়েটার। থিয়েটারের পাশ দিয়ে আনমনে যেতে যেতে দেয়ালে সাঁটা একটা পোস্টারে আচমকা চোখ আটকে গেল। পোস্টারে বিল্ডিং-এর ছবিটা আমার খুব পরিচিত। আগেও কোথাও দেখেছি। আর সবচেয়ে বেশী অবাক হলাম বিল্ডিং-এর সামনে দাঁড়ানো ছোট বাচচাটা-কে দেখে। এ যে হাফ প্যান্ট পড়া একটা ছোট্ট বাংলাদেশী বাচচা! ভালো করে বিল্ডিং-টার দিকে আবার তাকালাম। আরে, এটা তো আমাদের সংসদ ভবনের ছবি। এই ছবি এখানে এল কি করে? পোস্টারটা ভাল করে পড়ে দেখলাম। একটা অস্কার নমিনেশন পাওয়া তথ্যচিত্র দেখানো হবে লুই কানের ওপরে, নাম- “মাই আর্কিটেক্টঃ এ সন’স জার্ণি”। লুই কানের ছেলে নাথানিয়েল কান এ ছবির নির্মাতা। তারিখ আর সময়টা দেখে নিলাম। এটা তো আমাকে দেখতেই হবে।

লুই কানের জন্ম এস্তোনিয়ার এক দরিদ্র ইহুদী পরিবারে ১৯০১ অথবা ১৯০২ সালে, যেটা তিনি নিজেও কখনো জানতে পারেন নি। ভাগ্যের অন্বেষণে তাঁর পরিবার আমেরিকার ফিলাডেলফিয়া শহরে এসে আস্তানা গাড়ে। ছবি আঁকাতে লুই কানের ছিল সহজাত প্রতিভা। ছোটবেলা থেকেই আঁকাআঁকি করে রোজগার করতেন। দারিদ্রের কষাঘাতে জর্জরিত পরিবারে পেন্সিল কেনার সামর্থ্যও তাঁর ছিল না। কিন্তু তাতে তিনি থেমে থাকেন নি। চারকোল কয়লা আর খড়িমাটি দিয়ে চলত তাঁর আঁকাআঁকির কাজ। অদম্য ইচ্ছাশক্তি আর অসাধারণ প্রতিভার জোরে ১৯২৪ সালে ইউনিভার্সিটি অফ পেনসিলভেনিয়া থেকে লুই কান স্থাপত্যবিদ্যায় ডিগ্রি অর্জন করেন।

ব্যক্তিগত জীবনে লুই কানের ছিল দ্বৈতজীবন। বিবাহিত স্ত্রী এবং সন্তানের পাশাপাশি তার জীবনে আরো দুইজন নারী এবং তাদের গর্ভের সন্তানরা ছিল, যাদের কথা তাঁর মৃত্যুর পরই মূলত প্রকাশ পায়। ছবির কাহিনী আসলে এখান থেকেই শুরু। নাথানিয়েল কান- যিনি এ ছবির নির্মাতা, তার মা আদৌ লুই কানের স্ত্রী ছিলেন না। অজানা এবং প্রায় অদেখা পিতাকে জানার জন্য এ এক সন্তানের যাত্রা। পিতাকে জানতে পিতার রেখে যাওয়া কর্মের সাথে পরিচিত হতে চেয়েছেন নাথানিয়েল কান। তাই তিনি ছুটে বেড়িয়েছেন বাংলাদেশ, ভারত, ইসরায়েল এবং যুক্তরাষ্ট্রের নানা প্রান্তে যেখানে তার পিতার কর্ম কীর্তিকে বহন করে চলেছে। নাথানিয়েল কান ছবিতে তার এই মর্মস্পর্শী যাত্রার চিত্র তুলে ধরেছেন।

বাংলাদেশ ছিল ছবির শেষ অংশে। লুই কানের সর্বশেষ এবং সর্বশ্রেষ্ঠ কীর্তি বাংলাদেশের সংসদ ভবন ও শেরে বাংলা নগর। এ কীর্তি তিনি দেখে যেতে পারেন নি। তাঁর মৃত্যুর ৯ বছর পরে সংসদ ভবনের কাজ শেষ হয়। ১৯৭৪ সালে পেনসিলভেনিয়া স্টেশনে নিসংগ অবস্থায় বিপুল ঋণের বোঝা মাথায় নিয়ে লুই কান মৃত্যুবরণ করেন। ছবিতে জানা যায়, ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় সংসদ ভবনের অসম্পূর্ণ নির্মাণ কাজ দেখে পাকিস্তানী সৈন্যরা কোন ঐতিহাসিক ধ্বংসাবশেষ মনে করেছিল। তাই, তারা সেখানে হামলা করে নি। নাথানিয়েল কান বলেছেন, তার পিতা আছেন এ বাংলাদেশের মাটিতেই। যে পিতার সন্ধানে তিনি যাত্রা শুরু করেছিলেন তাকে তিনি সম্পূর্ণরূপে পেয়েছেন এই দেশে এসে। তার এই যাত্রা তাই সার্থক।

ছবিতে বাংলাদেশের খ্যাতিমান স্থপতি শামসুল ওয়ারেস নাথানিয়েল কানকে বলেছেন, লুই কান কোন রাজনৈতিক নেতা নন। তবু তিনি বাংলাদেশকে গণতন্ত্র উপহার দিয়েছেন, গণতন্ত্রের প্রতিষ্ঠান উপহার দিয়ে এ দেশে গণতন্ত্রের যাত্রা শুরু করেছেন। তার এ অবদান অসামান্য। তিনি তার জীবনের সবচেয়ে বড় এবং ব্যয়বহুল প্রজেক্ট পৃথিবীর সবচেয়ে দরিদ্র দেশে করার সাহস দেখিয়েছেন। বাংলাদেশ এবং বাংলাদেশের মানুষ লুই কান এবং তার কীর্তির জন্য গর্বিত।

লুই কানের কথা বলতে গিয়ে শামসুল ওয়ারেস কেঁদেছেন। ছবি শেষ হওয়ার পর হল ভর্তি অনেকের চোখেই আমি পানি দেখেছি। ছবিতে বাংলাদেশের পতাকা উড়ছে, সংসদ ভবন, বুড়িগঙ্গা, ঢাকার রাস্তার দৃশ্য দেখা যাচ্ছে- হল ভর্তি বিদেশীদের মাঝে বসে এসব দৃশ্য দেখে আমার চোখেও পানি এসে পড়েছে। হয়তো আমার কান্নার সাথে ওই বিদেশীদের কান্নার কোন মিল নেই। লুই কান, নাথানিয়েল কানের দুঃখকে ছাপিয়ে আমার দেশকে নিয়ে গর্ব, দেশকে নিয়ে দুঃখ-ই আমাকে কাঁদাল। হায়, এমন কান্না যদি প্রতিদিনই কাঁদতে পারতাম!

 

সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে অক্টোবর, ২০০৭ বিকাল ৪:২৬ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ০৯ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৭ দুপুর ১:৪৮
ঢালী! বলেছেন: পেরথমেই বলি এই বিল্ডিংটা দুনিয়াতে মেগালোম্যানিয়ার যত গুলা উদাহরণ আছে সেগুলার অন্যতম বড় এগজাম্পল ।

কান বেটার উচিৎ ছিল মাও বা চসেস্কুর ঠ্যাং ধরা ।
২. ০৯ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৭ দুপুর ১:৫০
ঢালী! বলেছেন: আর পাকিরা ভাংগে নাই বিকজ এই জায়গার নাম আছিলো "আইয়ুব নগর" ।
৩. ০৯ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৭ দুপুর ১:৫০
সাইমুম বলেছেন: অত্যন্ত লজ্জার ব্যাপার হচ্ছে লুইকানের পাওনা পুরোপুরি পরিশোধ করেনি তৎকালীন সরকার।
গ্রেট লেখা গ্রেট ফাইভ।
৪. ০৯ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৭ দুপুর ১:৫১
মানবী বলেছেন: অসাধারন পোস্ট! ছবিটি অবশ্যই দেখবো। লুই আইকানের কাজে একটি ত্রুটি আছে। তিনি পাশ্চাত্যের বলেই বাংলাদেশের জলবায়ু, বৃষ্টি আর বাতাসের গতি সঠিকভাবে অনুধাবন করতে পারেননি। বৃষ্টি হলে শের-ই-বাংলা নগরের দালান গুলোতে পানি ঢুকে :( বাংলাদেশের এক জন কৃতি সন্তান, প্রকৌশলী ড: নুরুল উলা (যিনি ১৯৭১ এ জগন্নাথ হলের জেনোসাইডের ঘটনাটি ভিডিও করেছিলেন) একবার সেই সমস্যার ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে জানিয়েছেন।
৫. ০৯ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৭ দুপুর ১:৫২
বকলম বলেছেন: অসংখ্য ধন্যবাদ এই অসাধারণ পোষ্টটির জন্য। ছবিটা কি ইন্টারনেটে পাওয়া যায়? খুঁজে দেখতে হবে।
৬. ০৯ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৭ দুপুর ১:৫৪
মেসবাহ য়াযাদ বলেছেন: তানভীর, ধন্যবাদ চমতকার পোস্টের জন্য, ৫
৯. ০৯ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৭ দুপুর ২:০০
তানভীর বলেছেন: ধন্যবাদ সবাইকে। ঢালী, সাইমুম, মানবী, বকলম, মেসবাহ য়াযাদ, মদন।
১০. ০৯ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৭ দুপুর ২:০১
কালপুরুষ বলেছেন: চমত্কার পোষ্ট। অত্যন্ত গোছানো ও পরিচ্ছন্ন লেখা। নিজের ভাললাগাটুকু অকপটে জানালাম।
১১. ০৯ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৭ দুপুর ২:০৪
তানভীর বলেছেন: ধন্যবাদ অচেনা বাঙ্গালী, কালপুরুষ।
১২. ০৯ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৭ দুপুর ২:০৬
মামুনুর রহমান খাঁন বলেছেন: Thanks for an interesting post. Do you know more on this project?
১৩. ০৯ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৭ দুপুর ২:০৬
আমি সাগর বলেছেন: তারভীর আপনাকে ৫
১৪. ০৯ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৭ দুপুর ২:০৬
ঢালী! বলেছেন: কিছু মনে করবেন না । লো কর্বুসিয়ার বা ফ্র্যাংক লয়েড রাইটের অবদান, এই কান সাহেবের চেয়ে অনেক বেশি ।

২) আইয়ুব নগর বা শেরে বাংলা নগর অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ টাউনশিপের সবচেয়ে বাজে উদাহরণগুলোর একটি ।
১৫. ০৯ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৭ দুপুর ২:০৯
আজাইরা বলেছেন: ধন্যবাদ সুন্দর পোস্ট ৫
১৬. ০৯ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৭ দুপুর ২:০৯
অচেনা বাঙালি বলেছেন: ঢালী, তোমার বকতব্য নিয়ে বিস্তারিত পোস্ট আশা করছি।
১৭. ০৯ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৭ দুপুর ২:১২
তানভীর বলেছেন: ঢালী সাহেব, লো কর্বুসিয়ার বা ফ্র্যাংক লয়েড রাইটের অবদান স্থাপত্য বিদ্যায় বেশী থাকতে পারে, কিন্তু বাংলাদেশে ওনারা কিছু করেন নি। আর শেরে বাংলা নগর নিয়ে কানের মূল যে পরিকল্পনা ছিল সরকার বাজেটের অভাবে তার কিছু বাস্তবায়ন করে নি। এতে লুই কানের কোন দোষ দেয়া যাবে না।

মামুন, এই ছবিটা ২০০৪ সালে রিলিজ হয়েছে এবং তথ্যচিত্র ক্যাটাগরিতে অস্কার নমিনেশন পেয়েছিল।
১৮. ০৯ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৭ দুপুর ২:১৫
শান্ত বলেছেন: অসাধারণ পোস্টের জন্য ধন্যবাদ।
লুই আইকানের প্রতিভার অন্যতম সাক্ষী আমাদের সংসদ ভবন। জাতি হিসাবে এটা অত্যন্ত লজ্জার বিষয় এই যে আমরা আজও এই ভবনের ডিজাইনের পাওনা শোধ করিনি। অথচ এখানে বসেই চোদ্দ কোটি মানুষের জন্য আইন প্রণয়ন করা হয়, বাজেট পাশ করা হয়, ভাগ্য নির্ধারণ করা হয়, ছি...।জাতি হিসাবে আমরা কতটুকু আত্ত-মর্যাদাহীন, এটা তার একটা জ্বলন্ত প্রমাণ।
১৯. ০৯ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৭ দুপুর ২:১৫
তানভীর বলেছেন: ধন্যবাদ মামুনুর, আমি সাগর, আজাইরা।
২০. ০৯ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৭ দুপুর ২:২১
তানভীর বলেছেন: ধন্যবাদ শান্ত। প্রজেক্ট শেষ হবার অনেক আগে লুই কান মারা গিয়েছিলেন, তাই হয়তো পাওনা পরিশোধ করা হয় নি। আর প্রজেক্টটা পাকিস্তান সরকার শুরু করেছিল। মাঝখানে পট পরিবর্তনের ফলে হয়তো কোন জটিলতার সৃষ্টি হয়ে থাকতে পারে। তবে এটা দুঃখজনক বিপুল দেনার বোঝা মাথায় নিয়ে নিঃস্ব অবস্থায় লুই কান মারা যান।
২১. ০৯ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৭ দুপুর ২:২৩
ঢালী! বলেছেন: তানভীর,

মুল পরিকল্পনার কয়েকটা নকশা আমি দেখছি । এই সংসদ ভবনেরই কয়েকটা অল্টারনেটিভ স্কেচও আমার দেখা আছে । (আমার এক বন্ধুর জিন্মায় আছে সেইসব নথির কিছু, ওরে ম্যানেজ করতে পারলে স্ক্যান কইরা দিমু কিছু)

কান সাহেব, যেই পরিকল্পনা করছিলেন তা অতীব এক্সট্রাভাগান্ট । যারে কয় কন্ট্রাক্টরের ওয়েট ড্রিম । বিল্ডিং গুলির বাইরে সিরামিক ইটের শেল আর বিশাল গোলাকার জানালা অনেকগুলি অপচয় ও ত্রুটির দুইটা ।

এইটা হয় । আইয়ুব-মোনায়েম রা যখন ক্ষমতায় থাকে তখন লু কানের মতন লোকেরা তাদের এরকম গাঁটকাটা গন্ধমাদন ডিজাইন করে ।
২২. ০৯ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৭ দুপুর ২:২৯
তানভীর বলেছেন: ঢালী সাহেবের কথাবার্তা ক্ষিপ্ত কোন আর্কিটেক্ট-এর মত লাগছে। পরিকল্পনা এক্সট্রাভাগান্ট, কথা সত্যি। কিন্তু এটাও সত্যি পৃথিবীর হাতে গোনা কয়টা উল্লেখযোগ্য বিল্ডিং-এর নাম বললে বাংলাদেশের সংসদ ভবনের নামও আসে। আর কোন দেশের মনে হয় এত জাঁকালো সংসদ ভবন নাই। এটাই বা কম কি।
২৩. ০৯ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৭ দুপুর ২:৩২
চির সবুজ বলেছেন: সুন্দর পোষ্টের জন্য ধন্যবাদ। বেশ ভাল লাগলো।
২৪. ০৯ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৭ দুপুর ২:৩৫
মানুষ বলেছেন: ভালো পোষ্ট।

ছবিটি দেখতে হবে।

সংসদ ভবনে বান্ধবীর সাথে বাদাম খেতে ভালই লাগে।

পঞ্চপান্ডব।
২৫. ০৯ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৭ দুপুর ২:৩৬
মানবী বলেছেন: তানভীর, লুই আই কানের অবদানের প্রতি শ্রদ্ধা আর সন্মান রেখেই বলছি, ব্লগার ঢালী'র শেষ মন্তব্যটি ফেলে দেয়া যায়না। আমি যাঁর কথা উল্লেখ করেছি, তিনি এই ভবনের ইলেকট্রিকাল ডিজাইনিং এর সাথি সংশ্লিষ্ট ছিলেন, এবং লুই আই কানকে ব্যক্তিগত ভাবে খুব শ্রদ্ধা করতেন। লুই আই কান তাঁর স্বপ্নের মতো একটি স্থাপত্য বানাতে চেয়েছিলেন, তাঁকে দোষ দেবার কিছু নেই, আমাদের অর্থনৈতিক অবস্থা সেই স্বপ্নপূরণের জন্য পুরোপুরি উপযুক্ত নয় এটুকুই।
তবে, দেরীতে হলেও তাঁর পাওনা আমদের এখন শোধ করা উচিৎ, অন্তত তাঁর সন্তান জীবদ্দশায় এই কর্তব্যটি পালন করা উচিৎ

আমি প্রথমেই পোস্টে ৫ দিয়েছি, অসাধারন সুন্দর পোস্ট!
২৬. ০৯ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৭ দুপুর ২:৩৮
নূর-ই-হাফসা বলেছেন: চমৎকার পোষ্ট।
২৭. ০৯ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৭ দুপুর ২:৪১
যীশূ বলেছেন: চমত্কার পোষ্ট।
২৮. ০৯ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৭ দুপুর ২:৪৪
মানুষ বলেছেন: যীশূ আপনি খন্ড ত কিভাবে লেখেন?
২৯. ০৯ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৩:০৭
তানভীর বলেছেন: মানবী, মন্তব্য এবং ৫ দেয়ার জন্য ধন্যবাদ। ঠিকই বলেছেন "আমাদের অর্থনৈতিক অবস্থা সেই স্বপ্নপূরণের জন্য পুরোপুরি উপযুক্ত নয়"। কিন্তু তিনি বৃহৎ কিছুর স্বপ্ন দেখেছিলেন বলেই আজ আমরা গর্ব করার মত একটা স্থাপনা পেয়েছি। গৎবাঁধা আর্কিটেক্ট-দের দিয়ে এমন কিছু কখনো সম্ভব নয়। ছবি তৈরীর সময় এবং পরেও নাথানিয়েল কান বাংলাদেশে গিয়েছিলেন। তখন পাওনা টাকার ব্যাপারে কিছু শুনি নি তো। অবশ্য নাথানিয়েল কান লুই কানের লিগ্যাল সন্তান নন।

চির সবুজ, মানুষ, নূর-ই-হাফসা, যীশু ধন্যবাদ।
হ্যা, যীশূ আপনি খন্ড ত কিভাবে লেখেন?
৩০. ০৯ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৩:১৪
প্রশ্ন কত বলেছেন: Do you know who is the architect of Tajmohol? we praise Shajahan for tajmohol.
For every establishment , credit goes to financer. But we bangladeshi people discuss more about Lui kane, least about those who asked for such a great building and approved kane's design.

It's our weakness for white skin.


৩১. ০৯ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৩:১৯
বইপাগল বলেছেন: চমত্কার হয়েছে। ৫

@তানভীর - খন্ড ত লিখতে ত এর নিচে হসন্ত দিয়ে লিখুন, হয়ে যাবে বেশীর ভাগ ক্ষেত্রে।
৩২. ০৯ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৩:৫৮
তানভীর বলেছেন: ধন্যবাদ, বইপাগল।
প্রশ্ন কত, তাজমহলের স্থপতি সম্পর্কে যত কম জানবেন, তত লজ্জার হাত থেকে বেঁচে থাকতে পারবেন। শোনা যায়, তাজমহলের স্থপতি ঈসা আফেন্দি-র দুই হাত শাজাহান কেটে ফেলেছিলেন, যেন তিনি আর দ্বিতীয় কোন তাজমহলের নকশা বানাতে না পারেন। আর তাজমহল শুধু প্রেমের স্মৃতি চিহ্ন-ই না, এর সাথে জড়িয়ে আছে বাইশ হাজার লোকের বিশ বছরের ক্লেদযুক্ত শ্রম। কান পাতলে ওদের দীর্ঘশ্বাসও ঠিকই শুনতে পাবেন।
লুই কান-কে তো সংসদ ভবনের নক্সার দায়িত্ব পাকিস্তানীরা দিয়েছিল। আপনি কি তবে এখন আমাদের পাকিস্তানের প্রশংসা করতে বলছেন??!!!
৩৩. ০৯ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৪:২৭
অলস বলেছেন: চমৎকার পোস্ট! ৫!
৩৪. ০৯ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৭ রাত ১১:১৭
তানভীর বলেছেন: ধন্যবাদ, অলস।
৩৫. ১০ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৭ রাত ২:৩২
মানবী বলেছেন: সহমত তানভীর। সংসদ ভবন গর্ব করার মতো স্থাপত্য। আপনি লক্ষ্য করেছেন কিনা জানিনা, এখানে বেশ কেয়কটি কুইজ শো তে, ছবি দেখিয়ে জিজ্ঞেস করে, কোন দেশে, কোন দালান? আনন্দের বিষয় হলো প্রায় সব প্রতিযোগী সঠিক উত্তরটি জানেন।
৩৬. ১০ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৭ রাত ২:৪৪
তানভীর বলেছেন: আমি একবার Alex Trebek -এর Jeopardy কুইজ শো-তে সংসদ ভবনের ছবি দেখেছিলাম। আর এখানে যারা আর্কিটেকচার নিয়ে পড়াশোনা করে, তারা সবাই এ বিল্ডিং-টা সম্পর্কে জানে। অনেকের কাছে বাংলাদেশ সম্পর্কে এটাই একমাত্র তথ্য besides poverty and natural disasters. @ মানবী
৩৭. ১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৪:১১
মানবী বলেছেন: তানভীর, কেমন আছেন আপনারা সবাই? Humberto আঘাত করেছে, আশা করি সবাই নিরাপদ স্থানে আছেন। এই এলাকার আর কোন ব্লগার আছেন কিনা জানা নেই, সবার নিরাপত্তা কামনা করছি।
৩৮. ১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৭ রাত ৩:৫৪
তানভীর বলেছেন: ধন্যবাদ মানবী। ভাল আছি। এখানে অনেক বৃষ্টি হয়েছে। ৮০ বছরের এক বৃদ্ধ মারা গিয়েছে কাছাকাছি, ঝড়ে ছাদ ভেঙ্গে পড়েছিল!
৩৯. ১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ ভোর ৫:২৩
আবদুর রাজ্জাক শিপন বলেছেন: চমত্কার ।
শুধু দুঃখ হয়,লুই কানের প্রাপ‌্য আমরা এখনও পরিশোধ করতে পারিনি । তার ছেলে এসেও আশ্বাস নিয়ে ফিরে গেছেন । এ লজ্জার দায় থেকে কবে মুক্তি পাব আমরা !
৪০. ২২ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ ভোর ৪:০৮
আশিক হাসান বলেছেন: সুন্দর একটি পোস্ট এবং অনেক কিছু জানলাম।প্রিয় পোস্টে রাখলাম । ৫
৪১. ২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ রাত ৩:৫৫
তানভীর বলেছেন: শিপন ও আশিক হাসান, ধন্যবাদ।
৪২. ২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ ভোর ৪:১২
বায়েজীদ বলেছেন: চমৎকার। এরকম একটা ভাল পোস্ট আগে চোখে পড়েনি।
৪৩. ২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ রাত ৩:৫৭
পুতুল বলেছেন: ভাল তথ্য থাকলেই ভাল লেখা যায়না। তথ্যের মত সুন্দর করে বর্ণনা করেছেন। ৫
৪৪. ২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ দুপুর ১২:০৩
তানভীর বলেছেন: বায়েজিদ, পুতুল অনেক ধন্যবাদ।
৪৫. ২৪ শে অক্টোবর, ২০০৭ রাত ১২:৩৪
মোসতফা মনির সৌরভ বলেছেন: @ঢালী, জায়গাটির নাম কখনই "আইয়ুব নগর" ছিল না। করার অনেক চেষ্টা হয়েছে। কিন্তু পারেনি।


৪৯. ২৪ শে অক্টোবর, ২০০৭ রাত ৯:৩২
তানভীর বলেছেন: ধন্যবাদ সৌরভ তথ্যের জন্য।
রাশেদ, এস্কিমো অনেক ধন্যবাদ।
৫০. ৩০ শে অক্টোবর, ২০০৭ রাত ১:১০
বিবর্তনবাদী বলেছেন: ছবিটার ডিভিডি পাওয়া যায়। কিনতে হবে। সুন্দর লিখেছেন।
৫১. ৩১ শে অক্টোবর, ২০০৭ রাত ৯:১৯
তানভীর বলেছেন: বিবর্তনবাদী, ধন্যবাদ। হু, ছবিটা দেখুন।
৫২. ১২ ই নভেম্বর, ২০০৭ রাত ১:০৫
উন্মনা রহমান বলেছেন: সংসদভবন গুগল ম্যাপে আকাশ থেকে দূর্দান্ত দেখা ঝায়।
৫৩. ১৫ ই নভেম্বর, ২০০৭ ভোর ৪:৪১
বিহংগ বলেছেন: প্রিয়তে রাখলাম।
৫৪. ১৫ ই নভেম্বর, ২০০৭ রাত ১০:৩০
তানভীর বলেছেন: ধন্যবাদ বিহংগ।
৫৬. ১৫ ই অক্টোবর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:১৩
রাশেদ বলেছেন: আপ্নেও গেছেন গ্যা! :(

 

মোট সময় লেগেছে ১.১৫৭৭ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
ফুরায় বেলা, ফুরায় খেলা, সন্ধ্যা হয়ে আসে...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই