জন্ম নিয়ন্ত্রন নীতিমালার কথা আমরা সবাই জানি। তৃতীয় বিশ্বের দেশগুলোর উন্নতির জন্যই দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর যুক্তরাস্ট্র সহ আরও কয়েকটি উন্নত দেশ মিলে জন্ম নিয়ন্ত্রন নীতিমালার প্রচলন করে। ১৯৯৪ সালে কায়রোতে জনসংখ্যা বিষয়ক আন্তর্জাতিক সম্মেলনের পরই মূলত এই নীতির বাস্তবায়ন আরো বেশী গুরুত্বের সাথে নেয়া হয়। এরই ফলশ্রুতিতে অনেকদিন থেকেই বাংলাদেশে আমরা একটা কথা শুনে আসছিঃ ছেলে হোক মেয়ে হোক দুটি সন্তানই যথেষ্ট। এছাড়া জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রনে চীনের নেয়া পদক্ষেপগুলো যথেষ্ট সফল হয়েছে।
তবে এই পোস্টে আমি যা বলতে চাই তা শুধু আমার নিজস্ব একটা মতামত মাত্র, এর পেছনে কোন বিষেষ পড়াশুনা বা গবেষণা নেই। আমার এই চিন্তার পেছনে কোন পরিসংখ্যানও কাজ করছেনা। কেউ দ্বিমত পোষন করলে অবশ্যই মন্তব্য আকারে আলোচনা করবেন।
দুই সন্তান যথেষ্ট, এই বানী আমরা মূলত কাদের কাছে পৌঁছে দিতে পারছি? শিক্ষিত লোকজনের কাছেই। আমাদের দেশের মধ্যবিত্ত বা উচ্চবিত্ত শিক্ষিত পরিবারগুলোই সাধারণত দুই সন্তানের নীতি বাস্তবায়ন করে। অথচ এই পরিবারগুলোর ক্ষমতা আছে তার চেয়ে বেশী সন্তান নিয়ে তাদেরকে দেশের জন্য সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার। অন্যদিকে অপক্ষাকৃত দরিদ্র/অশিক্ষিত পরিবারগুলোতে সাধারনত অনেক সন্তান জন্ম নেয় যাদের অধিকাংশই সুনাগরিক হয়ে গড়ে উঠতে ব্যর্থ হয়। এভাবে চলতে থাকলে একসময় এমন হতে পারে যে দেশে যোগ্য নাগরিকের চেয়ে অযোগ্য নাগরিকের সংখ্যাই বেশী হয়ে গিয়েছে যা কোন ভাবেই কাম্য নয়।
অতএব, এই নীতিমালাটি কিভাবে আরও উপযোগী করে প্রয়োগ করা যায় তা নিয়ে সকলের ভাবা উচিৎ এবং সরকারকে পরামর্শ দেয়া উচিত।
সর্বশেষ এডিট : ১৯ শে এপ্রিল, ২০১১ রাত ১১:০১

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



