সত্যি কি মানুষ গিয়েছিলো চাঁদে নাকি পড়েছিলো আমেরিকার ফাঁদে !!!
১৪ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৭ রাত ৯:৩৩
ছবি- ১: চাদেঁর মাটিতে পতপত করে উড়ছে আমেরিকার পতাকা কিন্তু আমরা তো জানি চাদেঁ বাতাস নেই, তবে ?
ছবি- ২: সামনে ছায়া তার মানে পেছনে আলোক উতস সূর্য তাহলে সামনের অংশের(চিন্হিত) আলোর উতস কি ? (ফ্লাডলাইট!!!) কুচকুচে ছায়ার পাশে উজ্জ্বল আলো কিন্তু সূর্যের কাছাকাছি অন্ধকার!!
ছবি- ৩: চাঁদের উপর তোলা এই ছবিতে চাঁদের আকাশে তারার চিন্হ নেই কিন্তু চাঁদে বাতাস ও মেঘ না থাকায় চাঁদের আকাশে অবশ্যই তারা দেখা যাওয়ার কথা।
ছবি -৪: ছবিতে পায়ের চিন্হটি মনে হচ্ছে নরম ও কর্দমাক্ত মাটিতে তৈরী কিন্তু চাঁদে পানি বাতাস না থাকায় তো মাটি সবসময় শুকনো হওয়ার কথা!!! আর শুকনো মাটিতে এই ঢরনের গভীর পদচিন্হ অসম্ভব।
ছবি -৫: চাঁদের মাটিতে অবতরণ করা অবস্হায় মহাকাশযানের ছবি অবশ্যই চাঁদে দাঁড়িয়ে তুলতে হবে কিন্তু চাঁদে দিনে ১৭০ ও রাতে ১৫৩ ডিগ্রী তাপমাত্ড়ায় কেমনে সম্ভব!!
ছবি -৬: চাঁদের পৃষ্ঠে এই অদ্ভূত ছায়া কিসের ? নাসা বলেছিলো এটা নাকি ৯৫ কি:মি: উপর দিয়ে উড়ন্ত রকেটের ছায়া!!তাহলে তার চেয়ে নিচ দিয়ে গমনকারী উড়োজাহাজের ছায়া ভূ-প্রষ্ঠে পড়ে না কেনো?
চতুরভূজ বলেছেন:
আসছি...
সাইমুম বলেছেন:
এতো বাজে পোস্ট দেয়ার মানে আছে? ১।
বিবেক সত্যি বলেছেন:
১. শুনেছি পতাকা যাতে ঝুলে না পরে তাই লাঠি (ডান্ডা)
দিয়ে আটকে রাখা হয়েছিলো, তাই মনে হচ্ছে পতাকা উড়ছেকোথায় যেন পড়ছিলাম, মনে নেই যুক্তিগুলো
চতুরভূজ বলেছেন:
আমি একবার যায়যায়দিনে এ সম্পর্কে একটা আর্টিকেল পড়েছিলাম। সেখানে আপনার সবগুলো প্রশ্নের উত্তর সুন্দর করে দেয়া ছিল। আমার বিশ্বাস যোগ্য মনে হয়েছে। Archive খুঁজলাম কিন্তু পেলাম না।
সোনার বাংলা বলেছেন:
৫ না দিলে...........
গন্ডমূর্খ বলেছেন:
প্রথম কথা হলো - এটা কি আপনি নিজে আবিস্কার করলেন নাকি কোন সূত্র থেকে কপি-পেস্ট ?কয়েক বছর আগে এক রাশিয়ান এরকম একটা প্রশ্ন তুলেছিলেন প্রথম চাঁদে অভিযান নিয়ে। তার দাবী ছিলো আমেরিকানরা রাশিয়ান নভোকার্যক্রমকে পেছনে ফেলার জন্য আমেরিকার কোন এক মরূভূমিতে এই নাটকটা মঞ্চস্থ করেছিলো।
পুতুল বলেছেন:
যে যানটিতে চড়ে নীল আম্স্রং চাদে অবতরন করেন। সেটি মাত্র একবার টেষ্ট করা হয়েছে। এ টেষ্টে আমস্ট্রং কোন রকমে বেঁচে যান। এপোলো ত্রয়োদশ যার দেখেছেন তারা বুঝতে পাড়বেন অবতরণ কত কঠিন। ইউরুপ আমেরিকায় যথেস্ট সমালোচনা হচ্ছে এ নিয়ে। রুশ দের সাথে পাল্লাদিতে গিয়ে, হলিউঠ এ প্রতিযোগীতায় সহযোগিতা করেছে বলে অনেক পশ্চিমা গবেষক মনে করেন। শেষ পর্যন্ত নাজা ছাড়া আষল সত্য কেউ বলতে পাড়বেনা। আপাতত অপেক্ষা করা ছাড়া উপায় নেই।
নেই মানুষ বলেছেন:
purono rohoshsho potrika khuje dekhun- proshno r uttor dutoi paaben. (english'a transliterate korar jonno sorry)tobe amar mone hoy, proshno jekhane paisen, shei khane uttor gulo_o debar kotha.
aapni ki uttor gulo issa kore den nai?
আশিক দিওয়ানা বলেছেন:
ভাই কি লিখব ঠিক বুঝতে পারছিনা। আপনার যুক্তি গুলো ও ফেলতে পারছিনা আবার অবিশ্বাস ও করতে পারছিনা। তাই আপনার জন্য দ্বিধাগ্রস্থ ৫।
অম্বর বলেছেন:
এই খানে দেখতে পারেনhttp://en.wikipedia.org/wiki/Apollo_moon_landing_hoax_accusationsআর এইটা দেখতেও ভুলবেন না যেন।http://en.wikipedia.org/wiki/Independent_evidence_for_Apollo_Moon_landings
অম্বর বলেছেন:
কিংকর্তব্যবিমূঢ় বলেছেন:
@ পুতুলআর কেউ যাতে এ পরীক্ষা করে তাদের ভুল প্রমাণ করতে না পারে এজন্য তারা প্রোপাগান্ডা চালায় যে চাঁদে অবতরণ শুধু একবারই সম্ভব!! বা এপোলোর মতো যান চালানো প্রচন্ড কঠিন!!
আর চাঁদে মানুষ যাওয়ার পরও এর পরে চাঁদ নিয়ে আর গবেষণা নেই কেনো ?
যেখানে মন্গলে যেতে না পারলেও হাজার হাজার কোটি টাকা খরচ করছে !!
আসলে এটা ১৯৭১ না! মানুষ এখন এতো আর বোকা না!! প্রযুক্তির কারণে এতো বড় জোচ্চুরি আর সম্ভব না।
ধ্রুবক বলেছেন:
আমিও এইধরণের একটা ডকুমেন্টরি দেখেছিলাম।কথায় মনে হ্য় লজিক আছে।৫
নেই মানুষ বলেছেন:
@ ধ্রুবক- লজিক অন্য দিকেও আছে। সবগুলো মনে নেই,; একটা মনে আছে। সেইটা বলি। ছবি ৪ এ যেইটা - চাদের পৃষ্টে নরম ধুলোর মত মাটি আচে , পৃথিবী তে যেমন থাকে। এই ধুলোময় মাটির কারনে পায়ের ছাপ এত গভীরভাবে পড়েছে।যেহেতু চাদে বাতাস নেই তাই ধুলো সরে যায়নি, বরং আগের মতই ছাপ ছিল
নেই মানুষ বলেছেন:
রাগিব ভাই, আপনি এখানে কমেন্ট করচেন দেইখা জান টা কাইপা গেছিল। যদি ভূল কিছু কয়া পরে ধরা খাই আপনার কাছে। তাড়াতাড়ি আইসা ঢুকলাম।শান্তি পাইলাম যে ধরা খাই নাই।
কিংকর্তব্যবিমূঢ় বলেছেন:
@ রাগিব আপনার লিংকের যুক্তিগুলো কিন্তু মানতে পারলাম না।
আর আপনি যদি পারেন একটু ব্যাখ্যা করবেন প্লিজ।
কৃতার্থ হবো।
@কিংকর্তব্য -
চাঁদে কিন্তু মানুষ অনেকবারই গেছে। অ্যাপোলো ১১ এর পরে ১২, ১৪, ১৫, ১৬, ১৭ পর্যন্ত। এই অভিযানগুলো মোটেও কম খরচের না, তাই চন্দ্রবিজয়ের প্রাথমিক উল্লাস কেটে গেলে নাসার বাজেট কমিয়ে দেয়া হয় সত্তরের দশকে। তাই এই অভিযানেরও সমাপ্তি ঘটে।
আসলে মানা না মানা আপনার ব্যাপার। বিজ্ঞানে "ওকাম'স রেজর" নামে একটা মূলনীতি আছে। কোনো জিনিষের সহজ ব্যাখ্যা, আর কঠিন ব্যাখ্যা থাকলে সহজটাই ঠিক। চাঁদে যাওয়ার এতো বেশি প্রমাণ আছে, আর অবিশ্বাসীদের প্রতিটা পয়েন্টের ব্যাখ্যা দেয়া হয়েছে, তার পরেও কেউ না মানলে সেটা তার ব্যাপার।
আর চাঁদে অভিযানের পুরো ব্যাপারটা কেবল মার্কিনীরা না, সোভিয়েতরা এবং অস্ট্রেলীয়রা পুরাই মনিটর করেছে।
কিংকর্তব্যবিমূঢ় বলেছেন:
@ রাগিব ভাইআমেরিকার জন্য তখনকার বিশ্বে চাঁদে যাওয়াটা ছিলো বিশাল একটা সাম্রাজ্যবাদিক জয়।যা দিয়ে তারা সোভিয়েতদের হতে নিজেদের নিয়ে যায় অনেক উপরে।তাহলে এরপরে রাশিয়া চীন এরা এগিয়ে আসলো না কেনো ?
চাঁদে যাওয়াটা ব্যয়বহুল, এজন্যই। চাঁদে যাওয়ার কোনো প্র্যাক্টিকাল ফায়দা তখন ছিলো না। মান ইজ্জ্বতের জন্যই আমেরিকা আর সোভিয়েত ইউনিয়ন চেষ্টা করছিলো। দৌড়ে যখন হেরে গেছে, তখন আর সোভিয়েতরা বিপুল পয়সা খরচ করে গিয়ে কি করবে?
চীনের প্রযুক্তি তখনো এতোটা উন্নত হয়নি। চীনারা মহাশূণ্যে গেছে মাত্র বছর কয়েক আগে। ওদের চাঁদে যাওয়ার প্ল্যান আছে বলে শোনা যায়।
কিংকর্তব্যবিমূঢ় বলেছেন:
আপনি বল্লেন চাঁদে যাওয়া ব্যয়বহুল বিধায় আমেরিকা খরচ কমিয়ে দেয় আচ্ছা তাহলে মন্গলের পেছনে এত টাকা ঢালার যৌক্তিকতা কি ?ঐটাও কিন্তু অনেকবার ফ্রুটলেস প্রমান হইছে।
আর চাঁদে কোথায় কে নেমেছে, তা এখনও পৃথিবী থেকেই টেলিস্কোপ দিয়ে দেখা সম্ভব। চাঁদে অ্যাপোলো ১১ রেট্রো-রিফ্লেক্টর অ্যারে (প্রতিফলক আয়না) রেখে এসেছিলো, যাতে লেজার রশ্মি প্রতিফলিত করে পৃথিবী হতে চাঁদের দূরত্ব মাপা হয়েছে। সেটা এবং পরের অ্যাপোলো মিশনের রিফ্লেক্টর গুলো এখনও যথাস্থানেই রয়েছে। ভালো টেলিস্কোপ থাকলে আপনিও দেখে নিতে পারবেন।
ত্রিভুজ বলেছেন:
চাঁদে মানুষ যাওয়া না যাওয়াতে আসলে আমাদের মত তৃতীয় বিশ্বের দেশের জন্য কোন খবর নয়। তৃতীয় বিশ্বের একজন নাগরিকেরও এই বিষয়ে চিন্তা করে টাইম নষ্ট করাটা বোকামী। তবুও চাঁদে যাওয়ার বিষয়ে আমেরিকা দুইনাম্বারী করেছে টাইপ কিছু আর্টিকেল পড়েছিলাম ওয়েবে। সেগুলো কোনটারই কিন্তু ভাল উত্তর উইকি'র এন্ট্রিটায় পেলাম না রাগিব ভাই। ছোট একটা উদাহরন দেই। চাঁদে পতাকা পত পত কর উড়ছে এই ছবি যারা তৈরি করতে পারে তারা পতাকা মুভ করছে না এই ছবিও তৈরি করতে পারবে.. তাই না? তাছাড়া এর সাথে যে ব্যাখ্যা দেখলাম সেটাও ঠিক গায়ের জোড়ে চাপিয়ে দেয়া হয়েছে মনে হলো.... অন্যগুলোর কথা নাই বললাম...
যাই হোক... চাঁদে কেউ গিয়েছে কি যায় নাই তাতে আমার কিছু আসে যায় না.. ঈদের চাঁদটা ঠিক মত দেখতে পেলেই আমি আনন্দিত...
... তাই এই আজাইরা বিতর্কে আমি আর নাই। :-)
রাগিব ভাই ১-০ তে এগিয়ে গেলো দেখছি! বিজয় কার, আমগো না এমেরিকার? নাকি বিশ্ববাসীর?
নেই মানুষ বলেছেন:
@ স্বপ্নময়- বস, আমারটা তো রহস্য পতরিকা থিকা নেয়া ছিল। লেজ পাইলেন না শুইনা কষ্ট পাইলাম বহুত
বিশ্বাস করা না করা মানুষের ব্যক্তিগত ব্যাপার। তাই বলে সিউডো-সাইন্সের খপ্পরে পড়ে থাকাও বুদ্ধিমানের কাজ নয়। [
পোষ্ট ঠিক আছে। তবে রেফারেন্সটা উল্লেখ করলে ভালো হতো।
তানভীর বলেছেন:
ফ্লোরিডার কেনেডি স্পেস সেন্টারে গিয়েছিলাম কিছুদিন আগে। ওখানে চন্দ্র ভ্রমণ নিয়ে একটা ত্রিমাত্রিক তথ্যচিত্র দেখিয়েছিল। সেখানে আসল চাঁদে পা রাখার দৃশ্যের পাশাপাশি, এই রকম বানানো কিছু দৃশ্যও ইচ্ছা করে দেখিয়েছিল এবং বলেছিল তোমরা যদি মনে কর চাঁদে যাওয়া এই রকম একটা মুভি তৈরী করে ফেলার মত ব্যাপার তাতে আমাদের কিছু যায় আসে না। যারা চাঁদে বা মহাশূণ্যে গেছে তারাই শুধু জানে এটা কি সুন্দর অথচ ভয়াবহ এক অভিজ্ঞতা। যারা যায় তারা নিশ্চিত করে জানে না তারা আর পৃথিবীতে ফিরে আসতে পারবে কি না। অনেকে এই সব অভিযানে প্রাণও দিয়েছে। আরও বলেছিল, তোমরা যখন বল এটা একটা এই রকম মুভি, তখন তোমরা ঐসব মহাশূণ্যের বীরদেরকেই খাট কর। আর কিছু না।
পাশ্চাত্যে ক্র্যাকপট টাইপের লোক এবং তাদের বিশ্বাস করার মতো আরো অজস্র লোকের অভাব নাই। অরসন ওয়েলসের "মঙ্গল হতে অমঙ্গল" বেতার নাটক শুনে ১৯৩৮ সালে পুরা নিউজার্সি খালি হয়ে যাওয়ার উপক্রম হয়েছিলো, মানুষ আসলেই ভেবে বসেছিলো মঙ্গলের মানুষ এসেছে। [
তানভীর বলেছেন:
রাগিব, ভিডিওটা আগে দেখি নাই। লিংকের জন্য ধন্যবাদ।
নেই মানুষ বলেছেন:
@ স্বপ্নময়- আমি ও তো কমেন্ট এর কথাই কইলাম। আমার রিবাটাল কমেন্ট টার লেজ পান নাই
ত্রিভুজ বলেছেন:
@ রাগিব ভাইনীল আমষ্ট্রং আয়না রেখে না এলেও রোবট দিয়ে সেটা খুব সহজেই রেখে আসা যায়। তবে আপনার যুক্তিটা খুবই শক্তিশালী। রাশিয়া বসে বসে আঙুল চুষতো না যদি তখন তারাও টেলিস্কোপ দিয়ে আমেরিকার নভোযাত্রীদের চাঁদে খুঁজে না পেতো। রাশিয়া পৃথিবী থেকে মনিটর করেছে কিনা আমি জানি না তবে আমি একটা আর্টিকেল পড়েছিলাম যেখানে বলা হয়েছিলো চাঁদে ল্যান্ড করার সময় এমন কিছু যান্ত্রিক অসুবিধার সন্মুখীন হতে হয় যার ফলে কোন জীবদেহের প্রাণ নিয়ে ফিরে আসা সম্ভবনা শূন্যের কাছাকাছি। ঐ আর্টিকেলে আরো দাবী করেছিলো যে চাঁদে মানুষ না পাঠিয়ে রোবট পাঠানো হয়েছিলো। তবে এটাও মনে হয়েছে যে এই সত্যটাতো রাশিয়ারও জানার কথা যে এরকম একটি টেকনিক্যাল ডিফিকাল্টিস রয়েছে.... পুরো বিষয়টাই গোলমেলে...
যাই হোক, ইন্টারনেট কন্সপিরেসি থিওরিতে এত বিশ্বাস করে লাভ নেই। আমার মনে যে প্রশ্নটা জেগেছে সবসময় সেটা হলো এক চাঁদ বা মঙ্গল গ্রহের মিশনে যে পরিমান অর্থ ব্যায় করা হয়েছে সেই টাকা পৃথিবীর দারিদ্র বিমোচনে ব্যায় করলে কি হতো? চাঁদে বা মঙ্গলে মিশন করে কি পৃথিবীবাসীর কোন প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ উপকার হচ্ছে? আমি বিজ্ঞান বিরোধী নই.. কিন্তু আমার মনে হয় আগে পৃথীবির সমস্যাগুলো সমাধান করে আমাদের চাঁদ ও মঙ্গলে মনোনিবেশ করা উচিত।
এই পোষ্টে যুক্তি তর্ক না দিয়ে সবাই গঠনমূলক কিছু করতে পারেন। খামখা সময় নষ্ট...
The Soviets monitored the missions at the Space Transmissions Corps, which was "fully equipped with the latest intelligence-gathering and surveillance equipment".Vasali Mishin ("The Moon Programme That Faltered."), in Spaceflight. 33 (March 1991): 2-3 describes how the Soviet Moon programme lost energy after Apollo.
The missions were tracked by radar from several countries on the way to the Moon and back.
In Australia, Honeysuckle Creek Tracking Station monitored transmissions from Apollo missions, from:
* Tidbinbilla radio telescope made observations
* Carnavon received radio transmissions
* Deaking Switching Station was the switching station for the Apollo television broadcasts.
# The Bochum Observatory director (Professor Heinz Kaminski) was able to provide confirmation of events and data independent of both the Russian and US space agencies.
# A compilation of sightings appeared in "Observations of Apollo 11", Sky and Telescope, November 1969, pp. 358-359.
# The Madrid Apollo Station, part of the Deep Space Network, built in Fresnedillas, near Madrid, Spain tracked Apollo 11.
# Goldstone Tracking Station in California tracked Apollo 11.
# At Jodrell Bank Observatory in the UK the telescope was used to observe the mission, as it had been many years previously for Sputnik.
কিংকর্তব্যবিমূঢ় বলেছেন:
@ ত্রিভুজদারিদ্রতা দূরিকরনের ইস্যুটা এখানে বেমানান।
দুটো এক জিনিষ নয়।
তবে আপনার কথার যুক্তি আছে।
কিংকর্তব্যবিমূঢ় বলেছেন:
@ রাগিব ভাইচাঁদে কোনো কিছু থাকা কিন্তু আসলেই প্রুফ করে না সেখানে মানুষ গিয়েছিলো।
বাংলা আমার বলেছেন:
Hox
রিজভী বলেছেন:
এতোগুলি কমেন্ট পড়লাম...ভালো লাগলো...৫ দাগানো হইলো।
ঠোটকাটা ব্লগার বলেছেন:
চাদেঁ যায় নি কে বললো?কক্সবাজার থেকেই তো বোধহয় চাদেঁ যাওয়ার ডাইরেক্ট গাড়ি পাওয়া যায়।ওখানে সবাই ওটাকে চান্দের গাড়ি বলে।
কিংকর্তব্যবিমূঢ় বলেছেন:
ধন্যবাদ @ রিজভী
কিংকর্তব্যবিমূঢ় বলেছেন:
অন্যদের সবাইকেও ধন্যবাদ।

















