জীবন চাই ভাবনাহীন।
এক ব্যাক্তি ছিল। তার খিযির (আ
লোকটি আরজ করল, " হুজুর আমাকে দোয়া করুন যেন আমি নিশ্চিন্তে এবং নির্ভবনায় জীবন যাপন করতে পারি।"
হযরত খিযির (আ
লোকটি রাজি হলো।
কিছু দিন পর এক জুয়েলারী দোকানের এক মালিককে আবিষ্কার করলো। এমন সুন্দর চেহারা, এত ভাল স্বাস্থ্য আর এমন হাসি মাখা মুখ কোথাও হয় না। ধন-সম্পদ, সুন্দরী স্ত্রী, পুত্র এবং আরাম আয়েশের সকল বস্তুই তার আছে। দেখেই বুঝতে পারল এর চেয়ে সুখী ব্যাক্তি দুনিয়ায় আর একটিও নাই।
লোকটি ভাবলো, " আমাকে এর মতই হতে হবে। তবে দোয়া করানোর আগে লোকটির ভিতরের খোজ খবর নেওয়া যাক, এমন যেন না হয় যে যদি গোপনে তার কোন শোক দু:খ থেকে থাকে তা আমার ভাগে পড়ে যায়"
এই ভেবে লোকটি তার কাছে গিয়ে বলল " দেখুন আমি আপনার মত সুখী জীবন লাভ করার জন্য খিযির (আ
মালিক এক দীর্ঘ নি:শ্বাস ফেলে বললো, "আর বলবেন না, ভাই! আমার সবই আছে। কিন্তু তবু এমন এক গোপন দু:খে ডুবে আছি যা ব্যক্ত করার নয়। আল্লাহ যেন আমার দুশমনকেও এই কষ্টটি না দেন"।
গোপন দু:খটির কথা জানার জন্য লোকটির আগ্রহ বেড়ে গেল।
তখন মালিক বলতে লাগলো, "স্ত্রীর সঙ্গে আমার ভালবাস ছিল প্রবল। ভালবাসায় একবারে মত্ত হযে পড়েছিলাম। একবার স্ত্রীর অসুখ হলো। ভীষণ অসুখ। স্ত্রী আর বাঁচবেন না বুঝতে পারলাম। তাই তার মৃত্যুশয্যায় পাশে বসে কাঁদতে লাগলাম ।
স্ত্রী আমাকে স্বান্ত্বনা দিয়ে বলতে লাগলেন, " খামোখা কেদে মন খারাপ করবেন না। আমার মৃত্যুর পরে আরেকটি বিয়ে করে নেবেন।"
আমি তাকে বিশ্বাস করানোর চেষ্টা করলাম, 'এরুপ হতেই পারে না। তোমাকে ছাড়া আমি অন্য কোন নারীকে পছন্দ করতে পারিনা।'
"স্ত্রী বললেন, 'ওটা একটা কথার কথা মাত্র। সব ঠিক হয়ে যাবে। থাক কাদতে নেই।'
'আমি তাকে কী দিয়ে বিশ্বাস করাই? মৃত্যুর সময় ঘনিয়ে আসছে। বিশ্বাস তাকে করাতেই হবে। সুতরাং আমার পুরুষাঙ্গটি কেটে তার সামনে রেখে দিয়ে বললাম, 'নাও এবার অবশ্যই বিশ্বাস হবে , তোমার মৃত্যুর পর কোন নারীকে আমার প্রয়োজন নাই।'
'কিন্তু কিছুদিন পর স্ত্রী সুস্থ হয়ে উঠলেন। সেই সৌন্দর্য, সেই যৌবন, সেই মন কেড়ে নেওয়া চাহনি, সবই আছে তার, কিন্তু আমার কিছুই নাই। বাড়ীটা আমার মরুভূমি। তৃষ্ঞার্ত এক চাতক পাখির মত সে আমার দিকে চেয়ে থাকে , আমি তাকে কিছুই দিতে পারিনা।
'এখন যে কত দু:খ নিয়ে জীবন কাটাচ্ছি তা ব্যক্ত করা সম্ভব নয়।'
অত:পর ঘটনাক্রমে একদিন খিযির (আ

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

