ব্লগার বন্ধুদের ডাকে অফিস ফাঁকি দিযে বসুন্ধরা সিটির গেইটে দুই দিন ফুল টাইম ডিউটি নিয়ে ঠাঁয় দাঁড়িয়ে ছিলাম। আগতজনদের উদ্দেশ্যে বলেছিলাম, ''একজন অসুস্থ স্টুডেন্টকে বাঁচাতে একটু সাহায্য করুন প্লিজ''। বলতে বলতে গলা শুকিয়ে গিয়েছিল। ভুলে গিয়েছিলাম মেজবাহ য়াজাদ আমার বড় কিংবা সিনিয়র। বলেছিলাম তাকে আমাকে একটা সিগারেট দিবেন। উনি বললেন আমার কাছে নেই, আপনি দোকানে গিয়ে খেয়ে আসেন এবং একটু রেস্ট নিয়ে আবার দাড়ান। বললাম, ''না, তাহলে কিছু মানুষ ভেতরে চলে যাবে। আমরা টাকার অংকে পিছিয়ে পড়বো। আবারো গৎবাঁধা সেই বুলি-''''একজন অসুস্থ স্টুডেন্টকে বাঁচাতে একটু সাহায্য করুন প্লিজ''। হঠাৎ ব্লগার শামীম হাতে একটা সিগারেট গুজিয়ে দিয়ে বললো, দীপু ভাই আপনি এবার কিছুটা বিশ্র্রাম নিন। মনে হলো একটু বিশ্রাম না নিলে বোধহয় বেশিক্ষন দাঁড়াতে পারবোনা। নিলাম কিছুক্ষন বিশ্রাম। কিন্তু তখন দেখি মানুষ চলে যাচ্ছে। কেউ কিছু বলতে পারছেনা। আবারো দাঁড়িয়ে গেলাম। বলতে থাকলাম সেই পুরনো কথা ''একজন অসুস্থ স্টুডেন্টকে বাঁচাতে একটু সাহায্য করুন প্লিজ'' । একমাত্র রঞ্জু ভাইয়ের মুখে সেই বাক্যটা পুরো শুনতে পেলাম। কিন্তু অন্যরা বলছে ঠিকই হয়তো অনভিজ্ঞতার জন্য ঠিকমতো বলতে পারছেনা।
দুদিন পরে টাকার হিসাব, টি শার্ট বিক্রি কিংবা ব্লগে পোস্ট পড়ে অনুধাবন করলাম আসলে এটা একটা আত্মপ্রচারণার কৌশল মাত্র। বাকিটা আমি ক্লিয়ার করতে হবেনা। যারা উপস্থিত ছিলেন তারাই ভালো বলতে পারবেন।
দুঃখিত পোস্টটি আমি দিতে চাইনি। কিন্তু বাধ্য হলাম দিতে। আশা করছি ক্ষমা করবেন সবাই। তবুও বলছি এতকিছুর পরও ওখানে গিয়েছি শাশ্বতকে বাঁচাতে। আবারো যাবো। প্রচারণার জন্য নয়। মানবিক দৃষ্টি কোন থেকে।
বিঃ দ্রঃ টিভি চ্যানলের কাভারেজ এবং পত্রিকার নিউজগুলো পড়লে আমার পোস্টের যথার্থতা বুঝতে পারবেন আশা করি।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

