আমার ভিতর তুমি থাকো আমি কোথায় রই, আমি না থাকিলে তোমার থাকার জায়গা কই?

ঈশ্বর আমাকে নাস্তিক বানিয়ে দাও। ইহার বিনিময় মূল্য ১০০ টাকা

২৮ শে জুন, ২০০৮ দুপুর ২:১৭

শেয়ার করুন:                   Facebook

দৈনিক বাংলা থেকে ফকিরাপুল যাওয়ার পথে ফুটপাথ ধরে হাঁটছি। ফুটপাথে কিছু আরবি লেখা কাগজ পড়ে আছে। পায়ে যাতে না পড়ে তাই একটু এড়িয়ে গেলাম। কি মনে করে পিছন ফিরে দেখি আমার পেছনের একজন স্যুটেড লোক সেই আরবী লেখা কাগজগুলোর একটি পায়ে পড়ায় হাতে নিয়ে মুখে চুমু খেয়ে কপালে স্পর্শ করলো। আমি দেখলাম লোকটি আমাকে পাশ কাটিয়ে চলে যাচ্ছে। সামনে বাংলা পত্রিকার একটি ছেঁড়া পাতা পড়ে আছে। লোকটি সেই বাংলা লেখা পত্রিকার টুকরোটি পায়ে দলে চলে যাচ্ছে। একবার নিচের দিকে চেয়েও দেখলোনা।

আমি ছুটে গিয়ে লোকটিকে দাঁড় করালাম। জানতে চাইলাম-''আপনি কাগজটি মুখে নিয়ে চুমু খেলেন কেন?'' লোকটি অবাক হয়ে আমার মুখের দিকে চেয়ে বললো-''বলেন কি, আপনি কি মুসলমান?'' আমি বললাম-হ্যাঁ। লোকটি হাতের কাগজটি দেখিয়ে বললো-''এটা কোরআনের ভাষা জানেন না?'' যতসব নাস্তিক-এই বলে লোকটি চলে গেল।

কৌতুহল বশত আমি পিছনে গিয়ে আরবী কাগজটি কুড়িয়ে নিলাম। আবরী বুঝিনা তাই ছুটলাম অনুবাদ কেন্দ্রে। কাছেই পেয়ে গেলাম। ওখান থেকে ১০০ টাকার বিনিময়ে আরবী লেখা কাগজটি অনুবাদ করালাম। অনুবাদে দাঁড়ালো এই-
সৌদি আরবে প্রতিষ্ঠিত একটি কোম্পানীতে ২০ জন দক্ষ শ্রমিক আবশ্যক। শ্রমিকদের থাকা এবং চিকিৎসা ফ্রী। ওভারটাইম ৪ ঘন্টা।

অনুবাদ পড়ে আমিতা আক্কেলগুড়ুম। ১০০ টাকা ফুরুৎ!!

কিন্তু একটি প্রশ্নের হিসাব কিছুতেই মিলাতে পারছিনা। আরবী অক্ষরকে লোকটি সালাম করলো আর বাংলা অক্ষরকে পায়ে দলে চলে গেল! বাংলা আমার মায়ের ভাষা। কোরআনে আছে ''মায়ের পদতলে সন্তানের বেহেশত''। আর আমার মায়ের ভাষা বাংলা। বাংলাকে পদদলিত করে কি মাকে পদদলিত করা হয়নি? প্রকারান্তরে আরবী অক্ষর বলেই কি মুখের চুমু কিংবা শ্রদ্ধায় কপালের স্পর্শ পাওয়ার যোগ্য?

আমার মায়ের মুখের ভাষাকে পদদলিত করে আরবীকে সম্মান??

বিধাতাকে বলি- হে ইশ্বর আরবী অক্ষরকে সম্মান জানানোর জন্য আমার মাকে অপমান করতে পারবোনা। তুমি আমাকে নাস্তিক বানিয়ে দাও।

 

 

  • ২৩২ টি মন্তব্য
  • ১৮৩১ বার পঠিত,
Send to your friend Print
রেটিং দিতে লগ ইন করুন
পোস্টটি ৩৬ জনের ভাল লেগেছে, ১০ জনের ভাল লাগেনি
১. ২৮ শে জুন, ২০০৮ দুপুর ২:২০
comment by: কৌশিক বলেছেন: দীপু????????????
এ কোন দীপু?????????
এক কেমন দীপু??????


নিশ্চয়ই দীপু নম্বর টু!!!!!!!!!
২৮ শে জুন, ২০০৮ দুপুর ২:২৮

লেখক বলেছেন: দীপু নাম্বার ওয়ান। নিশ্চিত থাকেন।

২. ২৮ শে জুন, ২০০৮ দুপুর ২:২২
comment by: বৃত্তবন্দী বলেছেন: ভন্ডামীর একটা সীমা থাকা দরকার।

ঝাক্কাস লিখসেন...
২৮ শে জুন, ২০০৮ বিকাল ৩:৪২

লেখক বলেছেন: প্রথমে ভয় পাইছিলাম। ভাবলাম আমারে লইয়া আবার টানাটানি করবার লাগছেন।

আপনেরে কলিজার মধ্যিখান থেইক্কা ভালোবাসা।

৩. ২৮ শে জুন, ২০০৮ দুপুর ২:৩০
comment by: কৌশিক বলেছেন: এইটা কি প্রথম পেইজ থেকে গায়েব?
২৮ শে জুন, ২০০৮ দুপুর ২:৪৫

লেখক বলেছেন: আমারে প্রথম পাতা থেকে বাদ দিছে। দুঃখে আত্মহত্যা খাইতে ইচ্ছা করতাছে।

৪. ২৮ শে জুন, ২০০৮ দুপুর ২:৩৫
comment by: িনরুপমা.কম বলেছেন: আপনার লেখাটা অনুবাদ পর্যন্ত ঠিক ছিল। কিন্তু নিচে এসে যেভাবে "মায়ের ভাষা" আর "কোরানের ভাষা" বানিয়ে দুটোর মধ্যে প্রতিযোগিতা তৈরি করলেন এটা ঠিক হলো না। আবেগ নিয়ে বেশি টানাটানি হয়ে গেল।
২৮ শে জুন, ২০০৮ বিকাল ৩:৪০

লেখক বলেছেন: প্রতিযোগিতায় আপনি যাচ্ছেন কেন?

৫. ২৮ শে জুন, ২০০৮ দুপুর ২:৫০
comment by: আনিসুজ্জামান উজ্জল বলেছেন: আমিও বুঝতাছি না। গায়েবের কারণ
২৮ শে জুন, ২০০৮ দুপুর ২:৫১

লেখক বলেছেন: আন্দোলন করেন। তয় যাতে আমি ব্যান না খাই। হে. হে. হে.

৬. ২৮ শে জুন, ২০০৮ দুপুর ২:৫৫
comment by: বুলবুল আহমেদ পান্না বলেছেন: good...........(অন্য আরেক ভাষায় মইন্তব্য করা হৈল ;))
২৮ শে জুন, ২০০৮ বিকাল ৩:০৪

লেখক বলেছেন: গুড কিডা?

৭. ২৮ শে জুন, ২০০৮ বিকাল ৩:২৫
comment by: স্বাধীনতা তুমি বলেছেন:
এরা সেই মুসলিম, কোরআন স্পর্শে নাপাকের ভয়ে শিকেতে তুলে রাখে। কোরআনের বিষয় বস্তুকে নিয়ে যুক্তি তর্কে দ্বারা ভূল ক্রটিগুলোকে সংশোধন করে সঠিক জ্ঞান অর্জন করাকে গুনহা মনে করে। এরা ইসলাম ধর্মকে বিশ্বাস দ্বারা পালন করতে চায়, জ্ঞান অর্জনের দ্বারা না। আথচ কোরআনে অজ্ঞতে আল্লাহ তায়ালা ঘৃণা করেছেন এবং জ্ঞানীকে সম্মান দানের কথা বলেছেন। তাহলে বুঝুন এরা কোন মুসলিম।
২৮ শে জুন, ২০০৮ বিকাল ৩:৪৩

লেখক বলেছেন: এ ধরনের মুসলিম হবার চেয়ে নাস্তিক হওয়া অনেক ভালো নয়কি?

৮. ২৮ শে জুন, ২০০৮ বিকাল ৩:৩২
comment by: রাঙা মীয়া বলেছেন: বলেছেন বাস্তব কথা+++++++++
২৮ শে জুন, ২০০৮ বিকাল ৩:৪০

লেখক বলেছেন: বার বার প্লাস দেন। যাতে খুব তাড়াতাড়ি নাস্তিক হইতে পারি।

৯. ২৮ শে জুন, ২০০৮ বিকাল ৩:৩৩
comment by: স্বাধীনতা তুমি বলেছেন:
এই শ্রেনীর মুসলিমগুলোই এই ব্লগে এসে ইসলাম গেল বলে চিৎকার শুরু করেছে, ইসলাম সম্পর্কে তাদের জ্ঞান কতটুকু তা তদের আচরনের দ্বারা স্পষ্ট বুঝা যায়। কারণ যখন তারা যুক্তিতর্কে না পেরে উঠে তখন অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ শুরু করে কান্নাকাটি শুরু করে ইসলাম গেল ইসলাম গেল বলে। একজন মুসলিমের মুখের ভাষা এত খারপ হতে পারে এই ব্লগে এসে প্রথম দেখলাম। যেখানে কোরআনে আল্লাহ মুসলিমকে সারাদুনিয়ার জ্ঞানী মানব বলে স্বীকৃতি দিয়েছে, সেখানে মুসলিমের এই অবস্থা দেখে সত্যি ভীষন করুনা হয়। তবে আমার সন্দেহ হয় এরা মুসলিম কিনা? নাকি মুসলিম বেশী ভণ্ড।
২৮ শে জুন, ২০০৮ বিকাল ৩:৩৯

লেখক বলেছেন: শ্রেনীটা উল্লেখ করে ফেলুন। নাম গুলো দিয়ে দিন সাহস করে। আমি আপনার সাথে আছি।

১০. ২৮ শে জুন, ২০০৮ বিকাল ৩:৫৮
comment by: স্বাধীনতা তুমি বলেছেন:
লেখক বলেছেন: এ ধরনের মুসলিম হবার চেয়ে নাস্তিক হওয়া অনেক ভালো নয়কি?


নাস্তিক হতে হলে মুসলিম হবার চেয়েও আপনাকে আরও বেশী জ্ঞানী হতে হবে। স্ব-ঘোষিত কারও ভোটে নাস্তিক হওয়া যায়না। সৃষ্টিকর্তা নেই এই প্রমান এখন পর্যন্ত কেউ দিতে পারেনি। নাস্তিক হতে হলে আপনাকে প্রমাণ করতে হবে সৃষ্টিকর্তা বলে কিছু নেই। জানি না আপনার জ্ঞান সে পর্যায়ে আছে কিনা। তবে আমার মনে হয় সে বিষয়ে সন্দেহ আছে। কারণ আপনি নাস্তিক হবার জন্যে মানুষের কাছে ইসলাম বিরোধী দুই একটা আচরণের জন্যে ভোট চেয়ে নাস্তিক হতে চান। এটা নাস্তিক হবার পথ না। নাস্তিক হবার একটিই পথ তা হলো আপনাকে প্রমান করতে হবে সৃষ্টিকর্তা বলে কেউ নেই।
২৮ শে জুন, ২০০৮ বিকাল ৪:০৪

লেখক বলেছেন: আসলে আমি তা বলতে চাইনি। আমার প্রশ্ন ছিল-শুধুমাত্র আরবী কোরআনের ভাষা বলেই তাকে সালাম করতে হবে? আর সালাম না করলে সমস্যা কোথায়? আল্লাহ তো কোথাও বলেন নি যে তোমরা আরবী ভাষাকে সালাম জানাও। নবী করিম (সাঃ) আরবে জন্মগ্রহন করেছিলেন বলেই কোরআনের ভাষা আরবী হয়েছে। বাংলায় জন্ম নিলে কোরআনের ভাষা যে বাংলা হতো এটা আমি বিশ্বাস করি।

যদি তাই না হয় তাহলে আল্লাহ কেন আমাদের সৌদি আরবে জন্ম দেয়নি?? মুসলমানদের মধ্যে কেন বিবেদ সৃষ্টি করেছেন তিনি?

১১. ২৮ শে জুন, ২০০৮ বিকাল ৪:০০
comment by: স্বাধীনতা তুমি বলেছেন:
আমার অগের পোস্টটি মুছে ফেললেন কেন?
২৮ শে জুন, ২০০৮ বিকাল ৪:০৭

লেখক বলেছেন: সরি ভাইয়া, আপনার কোন মন্তব্য আমি মুছিনি। এটা কর্তৃপক্ষের কারসাজি। আমার এই পোস্টটি তারা কিছুক্ষনের জন্য প্রথম পাতা থেকে সরিয়ে দিয়েছিল। পরে আবার সংশোধন করে দিয়েছে। আনপার কমেন্টও হয়তো তাদের নীতিমালার মধ্যে পড়েনি। এটা তাদের ট্যাকনিক্যাল প্রবলেম নাকি ইচ্ছাকৃত বুঝতে পারছিনা। আপনি দয়া করে আবার মন্তব্যটি দিয়ে দেন।

১২. ২৮ শে জুন, ২০০৮ বিকাল ৪:০৪
comment by: স্বাধীনতা তুমি বলেছেন:
সরি, মন্তব্যটি।
২৮ শে জুন, ২০০৮ বিকাল ৪:০৮

লেখক বলেছেন: আমি মুছিনি। আপনি দয়া করে আবার মন্তব্যটি দিয়ে দেন।

১৩. ২৮ শে জুন, ২০০৮ বিকাল ৪:১০
comment by: আরিফুর রহমান বলেছেন: হুমমম... এ্টা তো প্রথম পাতায় আছে দেখছি!


যাক! ভালো লিখেছেন।
২৮ শে জুন, ২০০৮ বিকাল ৪:২৩

লেখক বলেছেন: ছিলনা। বলার পর ঠিক করে দিয়েছে।

১৪. ২৮ শে জুন, ২০০৮ বিকাল ৪:৩৬
comment by: স্বাধীনতা তুমি বলেছেন:
লেখক বলেছেন: আসলে আমি তা বলতে চাইনি। আমার প্রশ্ন ছিল-শুধুমাত্র আরবী কোরআনের ভাষা বলেই তাকে সালাম করতে হবে?


এবিষয়ে আমি পুর্বেই বললাম যে এদের ইসলাম সম্পর্কে জ্ঞানের অভাব। তাই তারা ভাবে আরবী ভাষাটই শুধু আল্লাহর। অথচ কোরআনে স্পষ্ট করে বলা আছে পৃথিবীর সব ভাষাই তিনি সৃষ্টি করেছেন, শুধু আরবী নয়। কিন্তু আমাদের ধর্মকে যারা এপর্যন্ত প্রচার করে এসেছে তারা ধর্মের প্রকৃত বিষয় নিয়ে মানুষকে অন্ধকারে রেখেছে যে তারা ধর্মের আসল তত্ত্ব থেকে মানুষকে বঞ্চিত করে রেখেছে। এর পিছনে বেশ কিছু যুক্তি আছে। প্রথমত: এই প্রচারকরা মেধার যে শ্রেনী থেকে আসে তারা ধর্মের প্রকৃত বিষয়বস্তুকে উপলব্ধি করতে পারে না। যতটুকু জানে ততটুকু দিয়ে মানুষের কাছে এমন ভাবে উপস্থাপন করে যা তারাই বুঝে আর অন্য কেউ বুঝে। ঘটনা অবশ্য তাই, সাধারণ শিক্ষিত মানুষ ধর্মকে জানার জন্যে কোরআন পড়ার প্রয়োজন আছে তা তারা অনুভব করে না। ফলে তারা তাদের চেয়ে কম মেধার এই ধর্ম প্রচারকের ধর্ম জ্ঞানকে বিশাল বলে মনে করে এবং তারা তাদের কে যা বলে ততটুকু শুধু জানে ধর্ম হিসাবে। দ্বিতীয়ত এখানে এক শ্রেনীর ধর্ম প্রচারক আছে তারা এই মাধ্যমটাকে তাদের নিজেদের জীবিকা হিসাবে গ্রহন করেছে। ফলে ধর্মটাকে তারা সহজ ভাবে মানুষের কাছে উপস্থাপন না করে তারা আরও জটিল ভাবে উপস্থাপন করে, ফলে মানুষের মনে ধর্ম সম্পর্কে একটি ভীতি সৃষ্টি হয়েছে। এটা সৃষ্টি করার কারণ হলো সাধারণ মানুষ ধর্ম জ্ঞান যেন তাদের কাছেই শুধু গ্রহণ করতে থাকে। এতে তাতে তাদের জীবিকার পথও হয়ে গেল। অর্থের বিনিময়ে ধর্মকে নিয়ে এক শ্রেনীর লোক ব্যবসা করবে এমন কথাও কোরআনে উল্লেখ আছে। এরাই হলো সেই শ্রেনীর লোক। এই বিষয় নিয়ে আরও আনেক পোস্ট দিব পরে।
২৮ শে জুন, ২০০৮ বিকাল ৪:৪৫

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে।

১৫. ২৮ শে জুন, ২০০৮ বিকাল ৪:৩৬
comment by: প্রবাস কন্ঠ বলেছেন: নাস্তিকতা কি সকল সমস্যার সমাধান ?
২৮ শে জুন, ২০০৮ বিকাল ৪:৪৬

লেখক বলেছেন: অনুভূতির বহিঃপ্রকাশ।

১৬. ২৮ শে জুন, ২০০৮ বিকাল ৪:৪৪
comment by: স্বাধীনতা তুমি বলেছেন:
লেখক বলেছেন: শ্রেনীটা উল্লেখ করে ফেলুন। নাম গুলো দিয়ে দিন সাহস করে। আমি আপনার সাথে আছি।
লেখক বলেছেন: আমি মুছিনি। আপনি দয়া করে আবার মন্তব্যটি দিয়ে দেন।


পোস্টটি ছিল যে আপনি জানতে চেয়েছিলেন করা তার। আমি বলেছিলাম, আপনিও তাদের চিনেন, ভাল ভাবেই। এমনকি তাদের কাছে নাস্তিক হবার ভোটও চেয়েছেন এবং আমার পোস্টে গেলে তাদের চিনতে পারবেন খুব সহজে কারা তার। এই ছিল মোদ্দা কথা।
২৮ শে জুন, ২০০৮ বিকাল ৪:৪৯

লেখক বলেছেন: আসলে এখানে ভোটাভুটির জন্য আমি পোস্টাইনি। ধর্ম নিযে আমার অনুভূতিতে আঘাত লেগেছে বলে অনুভূতির বহিঃপ্রকাশ ঘটিয়ে এই পোস্ট দিলাম। তাই বলে আপনি ধরে নেবেন না নাস্তিক হওয়ার জন্য আমি কারো ভোট চাচ্ছি। আপনিই বলেছেন নাস্তিক হতে গেলেও জানতে হবে। যারা জানে না তাদের কাছে কি ভোট চাইবো আপনিই বলুন?

১৭. ২৮ শে জুন, ২০০৮ বিকাল ৪:৫৩
comment by: বুমবুম বলেছেন: হুমমম
২৮ শে জুন, ২০০৮ বিকাল ৪:৫৫

লেখক বলেছেন: দোআ কইরেন আমার জন্য।

১৮. ২৮ শে জুন, ২০০৮ বিকাল ৪:৫৩
comment by: চিকনমিয়া বলেছেন: দোয়া
২৮ শে জুন, ২০০৮ বিকাল ৪:৫৬

লেখক বলেছেন: বেশি বেশি দোয়া করেন। যদি আল্লাহ কবুল করে।

১৯. ২৮ শে জুন, ২০০৮ বিকাল ৪:৫৩
comment by: চিকনমিয়া বলেছেন: দোয়া
২৮ শে জুন, ২০০৮ বিকাল ৪:৫৭

লেখক বলেছেন: আরো বেশি কইরা করেন।

২০. ২৮ শে জুন, ২০০৮ বিকাল ৪:৫৮
comment by: স্বাধীনতা তুমি বলেছেন:
লেখক বলেছেন: এটা কর্তৃপক্ষের কারসাজি। আমার এই পোস্টটি তারা কিছুক্ষনের জন্য প্রথম পাতা থেকে সরিয়ে দিয়েছিল। পরে আবার সংশোধন করে দিয়েছে। আনপার কমেন্টও হয়তো তাদের নীতিমালার মধ্যে পড়েনি।


এরা এতই সু-কৌশলী যে এই ব্লগের কতৃপক্ষকেও গোমরাহ করে রেখেছে। আমার পোস্টগুলি নিয়ে এমন হৈ চৈ শুরু করলো যেন আমি ইসলাম ধ্বংস করে ফেললাম। আচ্ছা আপনিই বলেন, ইসলাম কি কাঁচের গেলাস যে নারাচারা করতে করতে হাত থেকে পড়ে গেলে ভেঙ্গে চুরমার হয়ে যাবে, আর তা জোড়া দেয়া যাবে না? এরা ইসলামকে এমন ভাবেই উপস্থাপন করে রেখেছে, ফলে কতৃপক্ষও তাদের কাছে জিম্মি হয়ে পড়েছে। মানুষকে সত্য না জানানোর এটা একটা অপপ্রয়াস।
২৮ শে জুন, ২০০৮ বিকাল ৫:০৫

লেখক বলেছেন: একটা কথা মনে রাখবেন সত্য কখনো চাপা থাকে না। সো নো টেনশন। আপনি আপনার মতো করে চালিয়ে যান। কে কি বললো তাতে কান দিলে কি চলবে ব্রাদার?

২১. ২৮ শে জুন, ২০০৮ বিকাল ৫:০২
comment by: আরিফুর রহমান বলেছেন: ওই মিয়া ছাতু,

আপনে দয়া কৈরা আরবী শব্দ ব্যাবহার করবেন না তো!

এইটা বাংলা ব্লগ, আরবী না। আর ধর্মকর্ম করার ইচ্ছা থাকলে করেন, নিজের ব্যাক্তিগতন গন্ডিতে। এইখানে না।

গোমরাহ কি জিনিস, এইসব হুজুরী টাইপ শব্দ ব্যাভার করবেন না দয়া করে।
২৮ শে জুন, ২০০৮ বিকাল ৫:০৭

লেখক বলেছেন: প্লিজ ভাই, আমরা ব্যক্তিগত আক্রমন না করে ব্যাপারটা বোঝার চেষ্টা করি।

২২. ২৮ শে জুন, ২০০৮ বিকাল ৫:০৩
comment by: স্বাধীনতা তুমি বলেছেন:
চিকনমিয়া বলেছেন: দোয়া


চিকনমিয়া স্বাস্থ যেন একটু খারাপ খারাপ মনে হয়? এখন পোস্টে কম আসা যাওয়া দেখি। আমি তো প্রথম পাতায় ব্যান খাইছি, জানেন তো নাকি?
২৮ শে জুন, ২০০৮ বিকাল ৫:১১

লেখক বলেছেন: ও বাবা চিকন মিয়ার লগেও আপনার কাটাকাটি?

২৩. ২৮ শে জুন, ২০০৮ বিকাল ৫:০৯
comment by: স্বাধীনতা তুমি বলেছেন:
আরিফুর রহমান বলেছেন: ওই মিয়া ছাতু,
আপনে দয়া কৈরা আরবী শব্দ ব্যাবহার করবেন না তো!
এইটা বাংলা ব্লগ, আরবী না।
গোমরাহ কি জিনিস, এইসব হুজুরী টাইপ শব্দ ব্যাভার করবেন না দয়া করে।


ভাইজান বাংলাভাষার এত দরদি কবে থেকে হলেন? নামটাতো এখনও আরবী শব্দ দিয়ে রেখেছেন। গোমরাহ শব্দ ব্যবহারে আপনার বাংলা কি অশুদ্ধ হয়ে যাচ্ছে? বাংলা থেকে সব আরবী শব্দ আর বিদেশী শব্দ বাদ দিলে শেষে "আম্মা ভাত দে" বলতেও অসুবিধা হয়ে যাবে আপনাদের মত বাঙ্গালীদের। আপনিও দেখি ঐসব ধর্ম যাজকের মতই বাংলা ভাষা বিশারদ?
২৮ শে জুন, ২০০৮ বিকাল ৫:১২

লেখক বলেছেন: প্লিজ ব্যক্তিগত আক্রমন থেকে আমরা সরে যাই।

২৪. ২৮ শে জুন, ২০০৮ বিকাল ৫:২১
comment by: স্বাধীনতা তুমি বলেছেন:
আরিফ ভাইজান, ব্লগে ধর্ম নিয়ে আলাপ হবে না এটাতো ভাই এই ব্লগের নিয়মের কোথাও লিখা নেই। আপনার পছন্দ না হলে সে বিষয়ে আপনি অংশ গ্রহন করবেন না, এটা আপনার স্বাধীনতা। আপনাকে তো এখানে কেউ জোর করে আলাপ করতে বলছে না। তাহলে আপনি কেন অযথা অন্যের স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ করছেন? আপনি আপনার মত চলেন। আপনার মত আপনিও নাস্তিকতার উপর পোস্ট দেন, কেউতো আপনাকে বাঁধা দিবে না। যারা যারা নাস্তিকতা নিয়ে আলোচনা করবে তা আপনার পোস্টে গিয়েই করবে। আপনি আর একজনের পোস্টে এসে আর একজনকে ধমকের সুরে কথা বলবেন এটা আপনার কোন সৌজন্য বোধ? ভাইজান এইকি আপনার সভ্যতা?
২৮ শে জুন, ২০০৮ বিকাল ৫:২৫

লেখক বলেছেন: এবার আমার কোনো জবাব নেই। আশা করছি আরিফ সাহেব জবাব দি্বেন। ব্যক্তিগত আক্রমন বাদ দিয়ে যে কোনো কিছু নিয়ে আলোচনায় সহমত।

২৫. ২৮ শে জুন, ২০০৮ বিকাল ৫:২৫
comment by: আরিফুর রহমান বলেছেন: আমি অবশ্যই ধমকের সুরে কথা বলবো যখন দেখবো হুজুরী টাইপের শব্দমালা দিয়ে কেউ বাংলাকে বিষিয়ে তুলতে চাইছে।

গোমরাহী মোটেও বাংলায় বর্তমান নেই। এর বাংলা বর্তমান প্রতিশব্দ ব্যাবহার করুন দয়া করে।

এটা সৌদি কালচার (অর্থ্যাৎ, মধ্যপ্রাচ্যীয় সংস্কৃতি) এর বাংলাকে কলুষিত করার একটা ধর্মীয় অপচেষ্টা।

দয়া করে পরিহার করুন।
২৮ শে জুন, ২০০৮ বিকাল ৫:২৭

লেখক বলেছেন: আরিফ ভাই ধমক দিয়ে কি কিছু আদায় করা যায়। আলোচনা দিয়ে সম্ভব। আসুন না আলোচনা করে আমাদের সমস্যা কি তার সমাধান করি।

২৬. ২৮ শে জুন, ২০০৮ বিকাল ৫:২৬
comment by: স্বাধীনতা তুমি বলেছেন:
লেখক বলেছেন: প্লিজ ব্যক্তিগত আক্রমন থেকে আমরা সরে যাই।


আমি ব্যক্তিগত আক্রমন কখনই করতে চাইন। আপনিও নিজেও দেখেছেন। একটু বিবেকের কাছে প্রশ্ন করে দেখুন, এদের স্পর্ধা কতটুকু। আপনার পোস্টে আমি মন্তব্য করছি এর উত্তর আপনি দিবেন। তার যদি কোন প্রশ্ন করার থাকে তাহেলে সে আপনাকে করতে পারে। এই সৌজন্য বোধটুকুও তাদের নেই?
২৮ শে জুন, ২০০৮ বিকাল ৫:২৯

লেখক বলেছেন: প্লিজ বিচারের ভার আমার কাছে দেবেন না। কারন মান্যবর সবসময় ভূল করেন। হয়তো সে ভুল আমারও হতে পারে।

২৭. ২৮ শে জুন, ২০০৮ বিকাল ৫:২৯
comment by: কৌশিক বলেছেন: ইয়া আরিফুর রহমান, তোমহারি বাত তো বহুত মৌলবাদী লাকতা হ্যায়। কিছিকো নিয়ম-কানুন মাত শিখাও বৎস - ইয়া রাস্তা তুমকো তো কিয়া খোদ আল্লাহ কি মালুম নেহি, কেয়সে কোন কোন শব্দ ব্যবহার হোতা হায়!
২৮ শে জুন, ২০০৮ বিকাল ৫:৩৩

লেখক বলেছেন: ওস্তাদ, কই ছিরলন এতক্ষন। এদের এবার আপনি সামলান।

২৮. ২৮ শে জুন, ২০০৮ বিকাল ৫:৩১
comment by: আরিফুর রহমান বলেছেন: সৌজন্যের পেছনের লুকানোর বহুত সময় পাবেন, এইসব সৌজন্যবোধ তুলে রাখেন। আপাতত তর্কে আসেন।

এদিক সেদিক দৌড়াদৌড়ি না করে গোমরাহী কেন ব্যাবহার করলেন বলেন।

এখানে আপনাকে না, বরং বাংলায় মধ্যপ্রাচ্যীয় সংস্কৃতির আগ্রাসন নিয়ে আলোচনা হচ্ছে।

টপিকে থাকেন দয়া করে।
২৮ শে জুন, ২০০৮ বিকাল ৫:৩৯

লেখক বলেছেন: আপনার কাছে আমার একটা প্রশ্ন আছে, সংস্কৃতি অবশ্যই একটা জাতির ব্যক্তিগত সম্পদ। কিন্তু এটা কি আদৌ ব্যক্তিগতর পর্যায়ে আছে?

কিছু মনে করবেন না। আপনি নিজেও ঈংরেজি শব্দ ব্যবহার করেছেন। তাহলে বোঝা যাচ্ছে সংস্কৃতিতে ভাষার ব্যবহার আজ আর ব্যক্তিগতর পর্যায়ে নেই। যে কেউ চাইলে নিজের ভাষার সঙ্গে যে কোনো ভাষা জুড়ে দিতে পারে। এটা তার ব্যক্তিগত ব্যাপার। এটা নিয়ে এত কিছু করার প্রয়োজন আছে বলে আমি মনে করি না।

ধন্যবাদ আপনাকে।

২৯. ২৮ শে জুন, ২০০৮ বিকাল ৫:৩২
comment by: এফ আই দীপু বলেছেন: আমি যতদুর জানি, কোনো বিষয়ে গোড়ামিই হচ্ছে মৌলবাদী। নিজের জানাটুকুকে প্রতিষ্ঠিত করাই হচ্ছে মৌলবাদীতার লক্ষন। সে আস্তিক হোক বা নাস্তিক হোক। আস্তিকতার দোহাই দিয়ে মৌলবাদীতার প্রতিষ্ঠা করতে চাইলে নাস্তিকতা করে তার বক্তব্য প্রতিষ্ঠিত করাটাকি মৌলবাদীতা নয়?
৩০. ২৮ শে জুন, ২০০৮ বিকাল ৫:৩৩
comment by: আরিফুর রহমান বলেছেন: হাহাহা, কৌশিকরে জাঝা!
৩১. ২৮ শে জুন, ২০০৮ বিকাল ৫:৩৫
comment by: স্বাধীনতা তুমি বলেছেন:
আরিফ সাহেব, আপনার চেয়ে আমার বাংলার প্রতি শ্রদ্ধাবোধ যথেষ্ট রয়েছে, আপনি যদি আমার এই পোস্টা না পড়ে থাকলে পড়ে নিয়েন, লিংটি দিলাম এখানে Click This Link

আসল কথা হলো ভাষার উপর সম্মান দেখানো জোড় করে করানো যায় না। ভাষার প্রতি সম্মান মানুষ তখনই দেখাবে যখন মানুষ আপনার ভাষা আপনার মুখ থেকে সুন্দর ভাবে উচ্চারিত হতে দেখবে। তাহলে আপনার ভাষাও সম্মান পাবে এবং সেই ভাষায় কথা বলা জাতিটিও সম্মানিত হবে। যেমন অন্যকে সম্মান করতে না জানলে, নিজেও সম্মান পাওয়া যায় না, ঠিক তদ্রুপ।
৩২. ২৮ শে জুন, ২০০৮ বিকাল ৫:৩৫
comment by: আরিফুর রহমান বলেছেন: নিজের জানাটুকু যুক্তিসহকারে প্রতিষ্ঠার প্রয়াস যে কেউ নিতে পারেন্। এটা বরং বরনীয়।

"আস্তিকতার দোহাই দিয়ে মৌলবাদীতার প্রতিষ্ঠা করতে চাইলে নাস্তিকতা করে তার বক্তব্য প্রতিষ্ঠিত করাটাকি মৌলবাদীতা নয়? "....

দুঃখিত, কি বলতে চাইলেন?
২৮ শে জুন, ২০০৮ বিকাল ৫:৪৩

লেখক বলেছেন: আমি বলতে চাচ্ছি মৌলবাদীতার মুল সংজ্ঞাটা কি? আমি যতদুর জানি গোড়ামি। এখন প্রশ্ন হচ্ছে গোড়ামি কি নিয়ে হচ্ছে? অবশ্যই সেটা বিষয় সাপেক্ষে হতে হবে। বিষয় যদি আস্তিক এবং নাস্তিক হয় তাহলে তাহলে উভয় ক্ষেত্রেই কি মৌলবাদীতা সুস্পষ্ট নয়?

৩৩. ২৮ শে জুন, ২০০৮ বিকাল ৫:৩৭
comment by: আরিফুর রহমান বলেছেন: স্বা তু,

তাহলে জেনেশুনে আপনি একটা বিজাতীয় শব্দ ব্যাবহার করলেন কেন?

যদি বাংলার ওপর আপনার আসলেই মায়া থাকে।

এখানে শুধু আপনি নন, আমার ব্লগে গেলে দেখবেন প্রায়ই আমি এধরনের শব্দ আমদানীকারকদের আমি বলি অনুবাদ বা বর্তমানে প্রচলিত আরো ভালো শব্দাবলী ব্যাবহার করতে।
২৮ শে জুন, ২০০৮ বিকাল ৫:৪৬

লেখক বলেছেন: আপনার সাথে আমার দ্বিমত আছে। আপনি স্ব.তু-কে বলছেন বিজাতীয় শব্দ ব্যবহার করেছে কেন? আমি বলবো এটা আসলে কোনো বিষয় না। কারন বিজাতীয় শব্দ আপনিও আপনার কমেন্টে ব্যবহার করেছেন।

কথাটা স্বা.তু-কে সাপোর্ট দেয়ার জন্য করিনি।

৩৪. ২৮ শে জুন, ২০০৮ বিকাল ৫:৪৬
comment by: স্বাধীনতা তুমি বলেছেন:
আরিফুর রহমান বলেছেন: সৌজন্যের পেছনের লুকানোর বহুত সময় পাবেন, এইসব সৌজন্যবোধ তুলে রাখেন। আপাতত তর্কে আসেন।
এদিক সেদিক দৌড়াদৌড়ি না করে গোমরাহী কেন ব্যাবহার করলেন বলেন।


ভাইজান গোমড়া শব্দ বাংলা অবিধানে নেই এটা আপনি কেন বলছেন? অবশ্যই এটা বাংলা অবিধানে আছে। গোমড়া শব্দের অর্থ বিষন্ন বা গম্ভীর, এটা আপনি সাহিত্য সংসদ বাংলা অবিধানেই পাবেন। আর পাগলামী কইরেন না। আলোচনায় আসেন। দিপুর এই পোস্টে যদি আপনার আলোচনা থাকে তাহলে দিপুকে প্রশ্ন করেন।
২৮ শে জুন, ২০০৮ বিকাল ৫:৪৯

লেখক বলেছেন: আসলেই বিষয়টি নিয়ে একটি পরিষ্কার ধারনা থাকা দরকার।

৩৫. ২৮ শে জুন, ২০০৮ বিকাল ৫:৫৪
comment by: আরিফুর রহমান বলেছেন: গোঁড়ামী কাউকে খোলামনে দেখতে ও শুনতে বাধা দেয়।

ধর্ম এমন একটি বিষয় যার মূলমন্ত্রই হলো 'অপরিবর্তনশীলতা', অন্যার্থে মৌলবাদ।

অনেকের মতো, আপনিও একই ভুল করছেন এই ভেবে, যে নাস্তিকতা আসলে একটা নতুন ধর্ম। যাতে মৌলবাদ সম্ভব।

মোটেও না, নাস্তিকতা কোন রকম গোঁড়ামী প্রশ্রয় দেয় না। এবং মৌলবাদী হওয়াও তার পক্ষে অসম্ভব!

যুক্তি ও প্রমান, জ্ঞান ও অনুসন্ধিৎসা, এর ভিত্তিতেই একজন নাস্তিক জগৎকে দেখে থাকেন। এটি কোনো আটকে পড়া কুয়ো নয় বরং এক চলমান স্রোতস্বিনী।

আজ যে ধারনা সত্য বলে প্রবল, কাল তা যুগের আবর্তনে, বৈজ্ঞানিক প্রমানে মিথ্যে প্রমানিত হতেই পারে।

সুতরাং মৌলবাদিতা মোটেও নাস্তিকের হাতিয়ার নয় বরং অবশ্য পরিহার্য!
২৮ শে জুন, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:০৩

লেখক বলেছেন: নাস্তিকতাকে আমি মৌটেও ধর্ম বলতে রাজি নই। বরং আপনি বুঝতে ভুল করেছেন। আর মৌলবাদীতা শুধুমাত্র ধর্মকে কেন বোঝাবে? গোড়ামি শব্দটি কি শুধুমাত্র ধর্মের ক্ষেত্রেই ব্যবহার হয়? আমার মনে হয় না তা। সব বিষয়ে না জেনে নিজের বিষয়টিকে প্রতিষ্ঠা করাই গোড়ামি। তাহলে নাস্তিকতাকে প্রতিষ্ঠা করাটাকে কেন মৌলবাদীতা বলা হবেনা?

৩৬. ২৮ শে জুন, ২০০৮ বিকাল ৫:৫৭
comment by: আরিফুর রহমান বলেছেন: হাহাহাহা, এই তাহলে আপনার বাঙলা জ্ঞান, স্বা তু?

'গোমরাহী' আর 'গোমড়া' এক জিনিস? হাহাহাহাহা.... আসলে আপনি নিজেও জানেন না! কোন এক হুজুর থেকে নিশ্চয়ই শুনেছিলেন.. হাহাহাহা!



(আপনার মতো ধার্মিকের হাতে পড়েই তো ধর্মের বারোটা বাজলো, দুঃখিত, হাসি থামাতে পাড়ছি না!)
৩৭. ২৮ শে জুন, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:০০
comment by: স্বাধীনতা তুমি বলেছেন:
আমি এখন প্রথম পাতা থেকে ব্যান। তাই পোস্ট দিতে পারছি না। ধর্মের বিষয়গুলো নিয়ে আমি আরও পোস্ট দিবো আশা আছে। আসলে ধর্মের যে অন্ধত্ব এর থেকে বের না হয়ে আসলে ধর্মকে প্রকৃত অর্থে জানা খুবই কঠিন। আমাদেরকে আসলে সেখান থেকেই বের হয়ে আসতে হবে প্রথমে। তাহলেই আমরা ধর্মকে সত্যিকার অর্থে জানতে পারবো।

যে ধর্মকে পালন করে তার যেমন কোন বাঁধা নেই অন্যের ধর্ম বা নাস্তিকতা সম্পর্কে জানা, তেমনি যে অন্য ধর্মের বা নাস্তিকতায় বিশ্বাসী তারও বাঁধা নেই ধর্মীয় জীবন সম্পর্কে জানার। এটা নির্ভর করে নিজ ইচ্ছা বা জ্ঞান অর্জনের আকাংখা থেকে।
২৮ শে জুন, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:১২

লেখক বলেছেন: দোআ করি শিগগির আনব্যান হয়ে যান।

৩৮. ২৮ শে জুন, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:১০
comment by: স্বাধীনতা তুমি বলেছেন:
আরিফুর রহমান বলেছেন: ধর্ম এমন একটি বিষয় যার মূলমন্ত্রই হলো 'অপরিবর্তনশীলতা', অন্যার্থে মৌলবাদ।


তাহলে নাস্তিকতার কোন মূল নেই? তাহলে যে জিনিষের শুরু নেই তার বর্তমান আর ভবিষৎ কি? সময় ছাড়া কোন জিনিষের শুরু নেই। তাহলে কি নাস্তিকরা সময় জ্ঞানহীন?
২৮ শে জুন, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:১১

লেখক বলেছেন: প্রশ্নটা আরিফ সাহেবের কাছে আমিও করলাম। জাস্ট জানার জন্য।

৩৯. ২৮ শে জুন, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:১৩
comment by: আরিফুর রহমান বলেছেন: আচ্ছা, @লেখক,
তাহলে আশা করবো নাস্তিকতা নিয়ে একটু খোঁজখবর করতে প্রথমে।

নাস্তিকতা আসলে একটা আন্দোলন। যুক্তিহীন যেকোন নির্দেশমালা যা কোনমতেই পরিবর্তন করা যাবেনা, এর বিরূদ্ধে অবস্থান নিয়ে থাকে নাস্তিকতা।

সুতরাং 'নাস্তিকতার প্রতিষ্ঠা' বলতে আসলে কিছু নেই। বরং যা কিছু অযৌক্তিক ও নির্দেশ নির্ভর, তার অপসারনই নাস্তিকতার একটা লক্ষ্য।

খুবই সরল করে বললাম যদিও। আমাদের চিন্তার পদ্ধতি ও পরিচিত অবকাঠামোয় পরিবর্তন আনতে হবে।

আসলে দীর্ঘদিন ধর্মের বলয়ে থেকে থেকে এই অবকাঠামো এসেছে ধর্মেরই কাছ থেকে ফলে আমাদের 'বিদ্রোহী' চিন্তাধারাও সবসময় ধর্মীয় চিন্তাপদ্ধতির দ্বারা প্রভাবিত।

আশা করি পরিষ্কার করতে পেরেছি!
২৮ শে জুন, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:১৫

লেখক বলেছেন: আমারও কিছু বলার আছে। কিন্তু এই মুহুর্তে বলতে পারছিনা। অফিসের কাজে বেরুতে হচ্ছে। তবে আশা করছি আপনার মন্তব্যের জবাব দিতে পারবো।

৪০. ২৮ শে জুন, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:১৩
comment by: এফ আই দীপু বলেছেন: এক ঘন্টা পর এসে মন্তব্যের উত্তর দেবো। কাজে বেরুচ্ছি। কিছু মনে করবেন না।
৪১. ২৮ শে জুন, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:১৯
comment by: আরিফুর রহমান বলেছেন: সংক্ষেপে, স্বা তু,

নাস্তিকতা কোন ঐশ্বরিক দান নয়, কোন মহাপুরুষ একে জন্মদান করেন নি। যুগে যুগে মুক্তমনা মানবতা এই আন্দোলনকে ধারন করে এসেছে।

------------------------
স্বাতু, এবং লেখক দুজনেই এই প্রশ্নমালা করেছেন:

তাহলে যে জিনিষের শুরু নেই তার বর্তমান আর ভবিষৎ কি?


সময় ছাড়া কোন জিনিষের শুরু নেই।


তাহলে কি নাস্তিকরা সময় জ্ঞানহীন?

------------------------
যাদের দেখার চোখ আছে দেখুন, কি অসাধারন অন্তঃসার শুন্য এই প্রশ্নমালা। কোথা থেকে তারা শুরু করলেন, কোথায় গিয়ে শেষ করলেন।

মনে প্রশ্ন জাগে, এ ধরনের শর্টসার্কিট কি তাদের মস্তিষ্কে ধর্ম থেকে আগত, নাকি সবসময়ই?
-----

আমি কথা বলার আগ্রহ হারিয়ে ফেলেছি এই ধরনের অর্থহীন প্রশ্নের পরে।
২৮ শে জুন, ২০০৮ রাত ৮:১৬

লেখক বলেছেন: নিজেকে আপনি যথেষ্ঠ জ্ঞানী মনে করছেন। আলোচনায় এইটুকু বুঝতে পারলাম। তা না হলে খোঁচা দিয়ে আপনি কথা বলতেন না। শর্ট শার্কিট এই শব্দটা আসলে আপনার যুক্তিকে চাপিয়ে দেয়ার ভাব বহন করে।

৪২. ২৮ শে জুন, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:১৯
comment by: সুশীল সমাজ বলেছেন: নিক হইছে নাকি?
২৮ শে জুন, ২০০৮ রাত ৮:১৬

লেখক বলেছেন: বুঝলাম না।

৪৩. ২৮ শে জুন, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:১৯
comment by: সুশীল সমাজ বলেছেন: *হ্যাক
৪৪. ২৮ শে জুন, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:২৩
comment by: স্বাধীনতা তুমি বলেছেন:
আরিফুর রহমান বলেছেন: নাস্তিকতা আসলে একটা আন্দোলন। যুক্তিহীন যেকোন নির্দেশমালা যা কোনমতেই পরিবর্তন করা যাবেনা, এর বিরূদ্ধে অবস্থান নিয়ে থাকে নাস্তিকতা।
সুতরাং 'নাস্তিকতার প্রতিষ্ঠা' বলতে আসলে কিছু নেই। বরং যা কিছু অযৌক্তিক ও নির্দেশ নির্ভর, তার অপসারনই নাস্তিকতার একটা লক্ষ্য।


ধর্ম যুক্তিহীন এটা কোথায় পেলেন? নির্দ্দেশমালার পরিবর্তনশীল না এটা বলতে আপনি কি বুঝাচ্ছে? ধর্মের কোন কোন বিষয় আপনার কাছে অযৌক্তিক মনে হয়, আপনি স্পেসিফিকলি বলবেন? সরি, আবার বিজাতীয় শব্দ ব্যবহার করে ফেললাম। মাফ করবেন।
৪৫. ২৮ শে জুন, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:২৮
comment by: স্বাধীনতা তুমি বলেছেন:
আরিফুর রহমান বলেছেন: যাদের দেখার চোখ আছে দেখুন, কি অসাধারন অন্তঃসার শুন্য এই প্রশ্নমালা। কোথা থেকে তারা শুরু করলেন, কোথায় গিয়ে শেষ করলেন। মনে প্রশ্ন জাগে, এ ধরনের শর্টসার্কিট কি তাদের মস্তিষ্কে ধর্ম থেকে আগত, নাকি সবসময়ই?


জ্ঞানের সীমাবদ্ধতা থাকলেই কেবল উপরোক্ত উত্তরই আসে। হাসিটা আমারও পাচ্ছে আপনার পালিয়ে যাওয়া দেখে। মানুষ অবশ্যই দেখবে যদি মানুষের দেখার চোখ থাকে। ধন্যবাদ।
৪৬. ২৮ শে জুন, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৩৭
comment by: আরিফুর রহমান বলেছেন: ধর্ম যুক্তিহীন এটা কোথায় পেলেন?
(পাল্টা প্রশ্ন: ধর্মের কোন কথা কি আপনি যুক্তি দিয়ে প্রশ্ন করতে পারবেন? করলেই আপনি শিরক কুফর ইত্যাদি দিয়ে জর্জরিত হবে না?)

নির্দ্দেশমালার পরিবর্তনশীল না এটা বলতে আপনি কি বুঝাচ্ছে?
(পাল্টা প্রশ্ন: আপনি কোরানের কোন নির্দেশ পরিবর্তন করতে পারবেন? কারো হাতে কি সেই ক্ষমতা দেয়া হয়েছে?)

ধর্মের কোন কোন বিষয় আপনার কাছে অযৌক্তিক মনে হয়, আপনি স্পেসিফিকলি বলবেন?
(একশ একটা আছে.. পুরোনো কাহিনী আবার চিপতে চাই না, আমার ব্লগে কয়েকটা প্রশ্ন আছে... আগ্রহ থাকলে গিয়ে পড়ে আসতে পারেন)
২৮ শে জুন, ২০০৮ রাত ৮:১৯

লেখক বলেছেন: আপনার প্রত্যেকটি প্রশ্নকি ইসলাম ধর্মকে নিয়ে করা? তাহলে আপনার সঙ্গে আলোচনা ফলপ্রসু হবেনা। আপনি যদি ইসলাম বিদ্বেষী হন তাহলে আলোচনা করে লাভ নেই। যদি ধর্ম নিয়ে আলোচনা করতে চান তাহলে পরিস্কার করে বলুন আপনার অবস্থান কি শুধুই ইসলামের বিরুদ্ধে?

২৮ শে জুন, ২০০৮ রাত ৮:২৪

লেখক বলেছেন: আরিফুর রহমান বলেছেন:পাল্টা প্রশ্ন: ধর্মের কোন কথা কি আপনি যুক্তি দিয়ে প্রশ্ন করতে পারবেন? করলেই আপনি শিরক কুফর ইত্যাদি দিয়ে জর্জরিত হবে না?


আপনার ধারনা ভুল। যুক্তি দিয়ে আপনি অবশ্যই প্রশ্ন করতে পারবেন।

৪৭. ২৮ শে জুন, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:১৭
comment by: লাইঠেল বলেছেন: আমি যতোদূর জানি, সাধারণ আরবি তো দূরের কথা, কোরান শরীফ কপালে ছুয়াঁনো শিরক। তথ্যসূত্র দিতে পারলাম না বলে দুঃখিত।
২৮ শে জুন, ২০০৮ রাত ৮:২১

লেখক বলেছেন: আমার তা মনে হয়না। অন্তত যতটুকু জেনেছি। তথ্যসুত্রটা দিতে পারলে যাচাই করে দেখতে পারতাম।

৪৮. ২৮ শে জুন, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৩১
comment by: স্বাধীনতা তুমি বলেছেন:
আরিফুর রহমান বলেছেন:পাল্টা প্রশ্ন: ধর্মের কোন কথা কি আপনি যুক্তি দিয়ে প্রশ্ন করতে পারবেন? করলেই আপনি শিরক কুফর ইত্যাদি দিয়ে জর্জরিত হবে না?

এটা সম্পূর্ণ ভূল ধারনা, কোরআনের কোথাও লিখা নেই ধর্মের কোন বিষয় জানতে আপনি যুক্তিযুক্ত কারণ অনুসন্ধান করতে বা জানতে পারবেন না। বরং না জেনে ধর্ম পালন করার অর্থই হচ্ছে অজ্ঞতা বা মূর্খামি। কারণ কুফর শব্দের অর্থই হচ্ছে মূর্খতা। নিম্নের আয়াত দুটি খুব ভাল করে পড়ে দেখুন।

[2:6] As for those who disbelieve, it is the same for them; whether you warn them, or not warn them, they cannot believe.

[2:7] GOD seals their minds and their hearing, and their eyes are veiled. They have incurred severe retribution.

কোথায় আছে আপনি যুক্তি দিয়ে ধর্মের কথা বললে আপনি শিরক বা কুফরী করে ফেলবেন? কোরআন থেকে একটি আয়াত বলুন।



আরিফুর রহমান বলেছেন: পাল্টা প্রশ্ন: আপনি কোরানের কোন নির্দেশ পরিবর্তন করতে পারবেন? কারো হাতে কি সেই ক্ষমতা দেয়া হয়েছে?

জানি না আপনি কোথাও কখনও বিতর্ক প্রতিযোগীতায় অংশ করেছেন কিনা বা টিভিতে যে বিতর্ক প্রতিযোগিতা হয় সেটাও কোন দিন দেখেছেন কিনা। আপনাকে এভাবে বিতর্ক করতে দেখে আমাকে করুনা করতে ইচ্ছে হচ্ছে। বিতর্কে করতে হলে একটা নিয়ম আছে। আগে প্রতিপক্ষের প্রশ্নের যুক্তিখণ্ডন করা, পরে পাল্টা প্রশ্ন করা। তারপরেও আপনার প্রশ্নের উত্তর আমি আপনাকে দিচ্ছি। কোরআনের কোথাও নামাজ পড়তে বলেনি। নামাজ কায়েম করতে বলেছে। নামাজ কয়েম করা এটা একটা নির্দ্দেশ, কিন্তু কিভাবে কায়েম হবে সেটা আপনাকেই নির্ধারন করতে হবে।



আরিফুর রহমান বলেছেন: একশ একটা আছে.. পুরোনো কাহিনী আবার চিপতে চাই না, আমার ব্লগে কয়েকটা প্রশ্ন আছে... আগ্রহ থাকলে গিয়ে পড়ে আসতে পারেন

টেবিলে খাইতে বসিয়ে খাবার আনতে যদি রান্না ঘরে পাঠান তাহলে এটা কি আধুনিক খাবার পরিবেশন পদ্ধতি বলবেন? একশটা চাইনা, একটি দেন এখানেই। ভাই খাবার আনতে