আমার প্রিয় পোস্ট
-
চলুন ঘুরে আসি পৃথিবীর সবচেয়ে সুন্দর রাস্তাগুলি থেকে। (পর্বঃ২)মানুষের পক্ষে কিভাবে সম্ভব??
- ঢাকারআশিক
-
দেখুন,পৃথিবীর এযাবতকালের সর্বসেরা রহস্যগুলি যেগুলির আজ পর্যন্ত অমীমাংসীত।।
- ঢাকারআশিক
- ইন্টারনেটে আয়ের সহজ পদ্ধতি, মেইল পড়া ও বিজ্ঞাপন দেখা (দৈনিক কাজ করতে হয় ৮-১০মিনিট) - এজাজ আহমেদ
- হ্যাক করুন সিকিউরিটি ক্যামেরা সিস্টেম! নিয়ন্ত্রন করুন পৃথিবীর অন্য প্রান্তের ক্যামেরা!!

- হাসান জোবায়ের
- আনলিমিটেড ফ্রী এসএমএস এর আরও একটি নতুন সাইট সংগ্রেহে রাখুন!অবশ্যই রেজিস্ট্রেশান ছাড়া এবং ১০০% কাজ করছে

- সাইফুর রহমান(সাইফ)
- বাংলাদেশের প্রায় সকল পর্যটন স্হানের ছবি ব্লগের সংকলন (শত তম পোষ্ট ) - শ।মসীর
- হ্যাক করুন Kaspersky 2011 ১০ বছরের জন্য (আপডেট সহ) - ইভা লুসি সেন
- দাস প্রথার আদি অন্ত - মুনযুর-ই-মুর্শিদ
- সিয়াকো বনাম সার্ক - সাইমুম
- মিথিলা - এফ আই দীপু
- ডিজিটাল ক্যামেরা টিউটোরিয়াল (বেসিক) - জোবাইর
- অরণ্যে রোদন কিংবা অব্যর্থ বেদন! (স্মৃতিচারণ) - ফারা তন্বী
- লাল হিজল - এফ আই দীপু
- একসাথে একাধিক ইয়াহু মেসেন্জারে লগ ইন করুন!!

- ইসানুর
- আ.রে.খা. আয়নার সামনে দাঁড়ায়, আয়নায় কুত্তার ছবি ভেসে উঠে - এফ আই দীপু
- জয় বাংলা বোলনা - এফ আই দীপু
- নবীনদের জন্য - নাদান
- জননন্দিত ব্লগার কৌশিকের সাক্ষাৎকার - এফ আই দীপু
ঈশ্বর আমাকে নাস্তিক বানিয়ে দাও। ইহার বিনিময় মূল্য ১০০ টাকা
২৮ শে জুন, ২০০৮ দুপুর ২:১৭
দৈনিক বাংলা থেকে ফকিরাপুল যাওয়ার পথে ফুটপাথ ধরে হাঁটছি। ফুটপাথে কিছু আরবি লেখা কাগজ পড়ে আছে। পায়ে যাতে না পড়ে তাই একটু এড়িয়ে গেলাম। কি মনে করে পিছন ফিরে দেখি আমার পেছনের একজন স্যুটেড লোক সেই আরবী লেখা কাগজগুলোর একটি পায়ে পড়ায় হাতে নিয়ে মুখে চুমু খেয়ে কপালে স্পর্শ করলো। আমি দেখলাম লোকটি আমাকে পাশ কাটিয়ে চলে যাচ্ছে। সামনে বাংলা পত্রিকার একটি ছেঁড়া পাতা পড়ে আছে। লোকটি সেই বাংলা লেখা পত্রিকার টুকরোটি পায়ে দলে চলে যাচ্ছে। একবার নিচের দিকে চেয়েও দেখলোনা।
আমি ছুটে গিয়ে লোকটিকে দাঁড় করালাম। জানতে চাইলাম-''আপনি কাগজটি মুখে নিয়ে চুমু খেলেন কেন?'' লোকটি অবাক হয়ে আমার মুখের দিকে চেয়ে বললো-''বলেন কি, আপনি কি মুসলমান?'' আমি বললাম-হ্যাঁ। লোকটি হাতের কাগজটি দেখিয়ে বললো-''এটা কোরআনের ভাষা জানেন না?'' যতসব নাস্তিক-এই বলে লোকটি চলে গেল।
কৌতুহল বশত আমি পিছনে গিয়ে আরবী কাগজটি কুড়িয়ে নিলাম। আবরী বুঝিনা তাই ছুটলাম অনুবাদ কেন্দ্রে। কাছেই পেয়ে গেলাম। ওখান থেকে ১০০ টাকার বিনিময়ে আরবী লেখা কাগজটি অনুবাদ করালাম। অনুবাদে দাঁড়ালো এই-
সৌদি আরবে প্রতিষ্ঠিত একটি কোম্পানীতে ২০ জন দক্ষ শ্রমিক আবশ্যক। শ্রমিকদের থাকা এবং চিকিৎসা ফ্রী। ওভারটাইম ৪ ঘন্টা।
অনুবাদ পড়ে আমিতা আক্কেলগুড়ুম। ১০০ টাকা ফুরুৎ!!
কিন্তু একটি প্রশ্নের হিসাব কিছুতেই মিলাতে পারছিনা। আরবী অক্ষরকে লোকটি সালাম করলো আর বাংলা অক্ষরকে পায়ে দলে চলে গেল! বাংলা আমার মায়ের ভাষা। কোরআনে আছে ''মায়ের পদতলে সন্তানের বেহেশত''। আর আমার মায়ের ভাষা বাংলা। বাংলাকে পদদলিত করে কি মাকে পদদলিত করা হয়নি? প্রকারান্তরে আরবী অক্ষর বলেই কি মুখের চুমু কিংবা শ্রদ্ধায় কপালের স্পর্শ পাওয়ার যোগ্য?
আমার মায়ের মুখের ভাষাকে পদদলিত করে আরবীকে সম্মান??
বিধাতাকে বলি- হে ইশ্বর আরবী অক্ষরকে সম্মান জানানোর জন্য আমার মাকে অপমান করতে পারবোনা। তুমি আমাকে নাস্তিক বানিয়ে দাও।
সর্বশেষ এডিট : ২৮ শে জুন, ২০০৮ বিকাল ৩:০৮ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
লেখক বলেছেন: দীপু নাম্বার ওয়ান। নিশ্চিত থাকেন।
লেখক বলেছেন: প্রথমে ভয় পাইছিলাম। ভাবলাম আমারে লইয়া আবার টানাটানি করবার লাগছেন।
আপনেরে কলিজার মধ্যিখান থেইক্কা ভালোবাসা।
কৌশিক বলেছেন:
এইটা কি প্রথম পেইজ থেকে গায়েব?
লেখক বলেছেন: আমারে প্রথম পাতা থেকে বাদ দিছে। দুঃখে আত্মহত্যা খাইতে ইচ্ছা করতাছে।
িনরুপমা.কম বলেছেন:
আপনার লেখাটা অনুবাদ পর্যন্ত ঠিক ছিল। কিন্তু নিচে এসে যেভাবে "মায়ের ভাষা" আর "কোরানের ভাষা" বানিয়ে দুটোর মধ্যে প্রতিযোগিতা তৈরি করলেন এটা ঠিক হলো না। আবেগ নিয়ে বেশি টানাটানি হয়ে গেল।
লেখক বলেছেন: প্রতিযোগিতায় আপনি যাচ্ছেন কেন?
আনিসুজ্জামান উজ্জল বলেছেন:
আমিও বুঝতাছি না। গায়েবের কারণ
লেখক বলেছেন: আন্দোলন করেন। তয় যাতে আমি ব্যান না খাই। হে. হে. হে.
লেখক বলেছেন: গুড কিডা?
এরা সেই মুসলিম, কোরআন স্পর্শে নাপাকের ভয়ে শিকেতে তুলে রাখে। কোরআনের বিষয় বস্তুকে নিয়ে যুক্তি তর্কে দ্বারা ভূল ক্রটিগুলোকে সংশোধন করে সঠিক জ্ঞান অর্জন করাকে গুনহা মনে করে। এরা ইসলাম ধর্মকে বিশ্বাস দ্বারা পালন করতে চায়, জ্ঞান অর্জনের দ্বারা না। আথচ কোরআনে অজ্ঞতে আল্লাহ তায়ালা ঘৃণা করেছেন এবং জ্ঞানীকে সম্মান দানের কথা বলেছেন। তাহলে বুঝুন এরা কোন মুসলিম।
লেখক বলেছেন: এ ধরনের মুসলিম হবার চেয়ে নাস্তিক হওয়া অনেক ভালো নয়কি?
রাঙা মীয়া বলেছেন:
বলেছেন বাস্তব কথা+++++++++
লেখক বলেছেন: বার বার প্লাস দেন। যাতে খুব তাড়াতাড়ি নাস্তিক হইতে পারি।
এই শ্রেনীর মুসলিমগুলোই এই ব্লগে এসে ইসলাম গেল বলে চিৎকার শুরু করেছে, ইসলাম সম্পর্কে তাদের জ্ঞান কতটুকু তা তদের আচরনের দ্বারা স্পষ্ট বুঝা যায়। কারণ যখন তারা যুক্তিতর্কে না পেরে উঠে তখন অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ শুরু করে কান্নাকাটি শুরু করে ইসলাম গেল ইসলাম গেল বলে। একজন মুসলিমের মুখের ভাষা এত খারপ হতে পারে এই ব্লগে এসে প্রথম দেখলাম। যেখানে কোরআনে আল্লাহ মুসলিমকে সারাদুনিয়ার জ্ঞানী মানব বলে স্বীকৃতি দিয়েছে, সেখানে মুসলিমের এই অবস্থা দেখে সত্যি ভীষন করুনা হয়। তবে আমার সন্দেহ হয় এরা মুসলিম কিনা? নাকি মুসলিম বেশী ভণ্ড।
লেখক বলেছেন: শ্রেনীটা উল্লেখ করে ফেলুন। নাম গুলো দিয়ে দিন সাহস করে। আমি আপনার সাথে আছি।
লেখক বলেছেন: এ ধরনের মুসলিম হবার চেয়ে নাস্তিক হওয়া অনেক ভালো নয়কি?
নাস্তিক হতে হলে মুসলিম হবার চেয়েও আপনাকে আরও বেশী জ্ঞানী হতে হবে। স্ব-ঘোষিত কারও ভোটে নাস্তিক হওয়া যায়না। সৃষ্টিকর্তা নেই এই প্রমান এখন পর্যন্ত কেউ দিতে পারেনি। নাস্তিক হতে হলে আপনাকে প্রমাণ করতে হবে সৃষ্টিকর্তা বলে কিছু নেই। জানি না আপনার জ্ঞান সে পর্যায়ে আছে কিনা। তবে আমার মনে হয় সে বিষয়ে সন্দেহ আছে। কারণ আপনি নাস্তিক হবার জন্যে মানুষের কাছে ইসলাম বিরোধী দুই একটা আচরণের জন্যে ভোট চেয়ে নাস্তিক হতে চান। এটা নাস্তিক হবার পথ না। নাস্তিক হবার একটিই পথ তা হলো আপনাকে প্রমান করতে হবে সৃষ্টিকর্তা বলে কেউ নেই।
লেখক বলেছেন: আসলে আমি তা বলতে চাইনি। আমার প্রশ্ন ছিল-শুধুমাত্র আরবী কোরআনের ভাষা বলেই তাকে সালাম করতে হবে? আর সালাম না করলে সমস্যা কোথায়? আল্লাহ তো কোথাও বলেন নি যে তোমরা আরবী ভাষাকে সালাম জানাও। নবী করিম (সাঃ) আরবে জন্মগ্রহন করেছিলেন বলেই কোরআনের ভাষা আরবী হয়েছে। বাংলায় জন্ম নিলে কোরআনের ভাষা যে বাংলা হতো এটা আমি বিশ্বাস করি।
যদি তাই না হয় তাহলে আল্লাহ কেন আমাদের সৌদি আরবে জন্ম দেয়নি?? মুসলমানদের মধ্যে কেন বিবেদ সৃষ্টি করেছেন তিনি?
লেখক বলেছেন: সরি ভাইয়া, আপনার কোন মন্তব্য আমি মুছিনি। এটা কর্তৃপক্ষের কারসাজি। আমার এই পোস্টটি তারা কিছুক্ষনের জন্য প্রথম পাতা থেকে সরিয়ে দিয়েছিল। পরে আবার সংশোধন করে দিয়েছে। আনপার কমেন্টও হয়তো তাদের নীতিমালার মধ্যে পড়েনি। এটা তাদের ট্যাকনিক্যাল প্রবলেম নাকি ইচ্ছাকৃত বুঝতে পারছিনা। আপনি দয়া করে আবার মন্তব্যটি দিয়ে দেন।
লেখক বলেছেন: আমি মুছিনি। আপনি দয়া করে আবার মন্তব্যটি দিয়ে দেন।
লেখক বলেছেন: ছিলনা। বলার পর ঠিক করে দিয়েছে।
লেখক বলেছেন: আসলে আমি তা বলতে চাইনি। আমার প্রশ্ন ছিল-শুধুমাত্র আরবী কোরআনের ভাষা বলেই তাকে সালাম করতে হবে?
এবিষয়ে আমি পুর্বেই বললাম যে এদের ইসলাম সম্পর্কে জ্ঞানের অভাব। তাই তারা ভাবে আরবী ভাষাটই শুধু আল্লাহর। অথচ কোরআনে স্পষ্ট করে বলা আছে পৃথিবীর সব ভাষাই তিনি সৃষ্টি করেছেন, শুধু আরবী নয়। কিন্তু আমাদের ধর্মকে যারা এপর্যন্ত প্রচার করে এসেছে তারা ধর্মের প্রকৃত বিষয় নিয়ে মানুষকে অন্ধকারে রেখেছে যে তারা ধর্মের আসল তত্ত্ব থেকে মানুষকে বঞ্চিত করে রেখেছে। এর পিছনে বেশ কিছু যুক্তি আছে। প্রথমত: এই প্রচারকরা মেধার যে শ্রেনী থেকে আসে তারা ধর্মের প্রকৃত বিষয়বস্তুকে উপলব্ধি করতে পারে না। যতটুকু জানে ততটুকু দিয়ে মানুষের কাছে এমন ভাবে উপস্থাপন করে যা তারাই বুঝে আর অন্য কেউ বুঝে। ঘটনা অবশ্য তাই, সাধারণ শিক্ষিত মানুষ ধর্মকে জানার জন্যে কোরআন পড়ার প্রয়োজন আছে তা তারা অনুভব করে না। ফলে তারা তাদের চেয়ে কম মেধার এই ধর্ম প্রচারকের ধর্ম জ্ঞানকে বিশাল বলে মনে করে এবং তারা তাদের কে যা বলে ততটুকু শুধু জানে ধর্ম হিসাবে। দ্বিতীয়ত এখানে এক শ্রেনীর ধর্ম প্রচারক আছে তারা এই মাধ্যমটাকে তাদের নিজেদের জীবিকা হিসাবে গ্রহন করেছে। ফলে ধর্মটাকে তারা সহজ ভাবে মানুষের কাছে উপস্থাপন না করে তারা আরও জটিল ভাবে উপস্থাপন করে, ফলে মানুষের মনে ধর্ম সম্পর্কে একটি ভীতি সৃষ্টি হয়েছে। এটা সৃষ্টি করার কারণ হলো সাধারণ মানুষ ধর্ম জ্ঞান যেন তাদের কাছেই শুধু গ্রহণ করতে থাকে। এতে তাতে তাদের জীবিকার পথও হয়ে গেল। অর্থের বিনিময়ে ধর্মকে নিয়ে এক শ্রেনীর লোক ব্যবসা করবে এমন কথাও কোরআনে উল্লেখ আছে। এরাই হলো সেই শ্রেনীর লোক। এই বিষয় নিয়ে আরও আনেক পোস্ট দিব পরে।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে।
প্রবাস কন্ঠ বলেছেন:
নাস্তিকতা কি সকল সমস্যার সমাধান ?
লেখক বলেছেন: অনুভূতির বহিঃপ্রকাশ।
লেখক বলেছেন: শ্রেনীটা উল্লেখ করে ফেলুন। নাম গুলো দিয়ে দিন সাহস করে। আমি আপনার সাথে আছি।
লেখক বলেছেন: আমি মুছিনি। আপনি দয়া করে আবার মন্তব্যটি দিয়ে দেন।
পোস্টটি ছিল যে আপনি জানতে চেয়েছিলেন করা তার। আমি বলেছিলাম, আপনিও তাদের চিনেন, ভাল ভাবেই। এমনকি তাদের কাছে নাস্তিক হবার ভোটও চেয়েছেন এবং আমার পোস্টে গেলে তাদের চিনতে পারবেন খুব সহজে কারা তার। এই ছিল মোদ্দা কথা।
লেখক বলেছেন: আসলে এখানে ভোটাভুটির জন্য আমি পোস্টাইনি। ধর্ম নিযে আমার অনুভূতিতে আঘাত লেগেছে বলে অনুভূতির বহিঃপ্রকাশ ঘটিয়ে এই পোস্ট দিলাম। তাই বলে আপনি ধরে নেবেন না নাস্তিক হওয়ার জন্য আমি কারো ভোট চাচ্ছি। আপনিই বলেছেন নাস্তিক হতে গেলেও জানতে হবে। যারা জানে না তাদের কাছে কি ভোট চাইবো আপনিই বলুন?
বুমবুম বলেছেন:
হুমমম
লেখক বলেছেন: দোআ কইরেন আমার জন্য।
চিকনমিয়া বলেছেন:
দোয়া
লেখক বলেছেন: বেশি বেশি দোয়া করেন। যদি আল্লাহ কবুল করে।
চিকনমিয়া বলেছেন:
দোয়া
লেখক বলেছেন: আরো বেশি কইরা করেন।
লেখক বলেছেন: এটা কর্তৃপক্ষের কারসাজি। আমার এই পোস্টটি তারা কিছুক্ষনের জন্য প্রথম পাতা থেকে সরিয়ে দিয়েছিল। পরে আবার সংশোধন করে দিয়েছে। আনপার কমেন্টও হয়তো তাদের নীতিমালার মধ্যে পড়েনি।
এরা এতই সু-কৌশলী যে এই ব্লগের কতৃপক্ষকেও গোমরাহ করে রেখেছে। আমার পোস্টগুলি নিয়ে এমন হৈ চৈ শুরু করলো যেন আমি ইসলাম ধ্বংস করে ফেললাম। আচ্ছা আপনিই বলেন, ইসলাম কি কাঁচের গেলাস যে নারাচারা করতে করতে হাত থেকে পড়ে গেলে ভেঙ্গে চুরমার হয়ে যাবে, আর তা জোড়া দেয়া যাবে না? এরা ইসলামকে এমন ভাবেই উপস্থাপন করে রেখেছে, ফলে কতৃপক্ষও তাদের কাছে জিম্মি হয়ে পড়েছে। মানুষকে সত্য না জানানোর এটা একটা অপপ্রয়াস।
লেখক বলেছেন: একটা কথা মনে রাখবেন সত্য কখনো চাপা থাকে না। সো নো টেনশন। আপনি আপনার মতো করে চালিয়ে যান। কে কি বললো তাতে কান দিলে কি চলবে ব্রাদার?
আরিফুর রহমান বলেছেন:
ওই মিয়া ছাতু, আপনে দয়া কৈরা আরবী শব্দ ব্যাবহার করবেন না তো!
এইটা বাংলা ব্লগ, আরবী না। আর ধর্মকর্ম করার ইচ্ছা থাকলে করেন, নিজের ব্যাক্তিগতন গন্ডিতে। এইখানে না।
গোমরাহ কি জিনিস, এইসব হুজুরী টাইপ শব্দ ব্যাভার করবেন না দয়া করে।
লেখক বলেছেন: প্লিজ ভাই, আমরা ব্যক্তিগত আক্রমন না করে ব্যাপারটা বোঝার চেষ্টা করি।
চিকনমিয়া বলেছেন: দোয়া
চিকনমিয়া স্বাস্থ যেন একটু খারাপ খারাপ মনে হয়? এখন পোস্টে কম আসা যাওয়া দেখি। আমি তো প্রথম পাতায় ব্যান খাইছি, জানেন তো নাকি?
লেখক বলেছেন: ও বাবা চিকন মিয়ার লগেও আপনার কাটাকাটি?
আরিফুর রহমান বলেছেন: ওই মিয়া ছাতু,
আপনে দয়া কৈরা আরবী শব্দ ব্যাবহার করবেন না তো!
এইটা বাংলা ব্লগ, আরবী না।
গোমরাহ কি জিনিস, এইসব হুজুরী টাইপ শব্দ ব্যাভার করবেন না দয়া করে।
ভাইজান বাংলাভাষার এত দরদি কবে থেকে হলেন? নামটাতো এখনও আরবী শব্দ দিয়ে রেখেছেন। গোমরাহ শব্দ ব্যবহারে আপনার বাংলা কি অশুদ্ধ হয়ে যাচ্ছে? বাংলা থেকে সব আরবী শব্দ আর বিদেশী শব্দ বাদ দিলে শেষে "আম্মা ভাত দে" বলতেও অসুবিধা হয়ে যাবে আপনাদের মত বাঙ্গালীদের। আপনিও দেখি ঐসব ধর্ম যাজকের মতই বাংলা ভাষা বিশারদ?
লেখক বলেছেন: প্লিজ ব্যক্তিগত আক্রমন থেকে আমরা সরে যাই।
আরিফ ভাইজান, ব্লগে ধর্ম নিয়ে আলাপ হবে না এটাতো ভাই এই ব্লগের নিয়মের কোথাও লিখা নেই। আপনার পছন্দ না হলে সে বিষয়ে আপনি অংশ গ্রহন করবেন না, এটা আপনার স্বাধীনতা। আপনাকে তো এখানে কেউ জোর করে আলাপ করতে বলছে না। তাহলে আপনি কেন অযথা অন্যের স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ করছেন? আপনি আপনার মত চলেন। আপনার মত আপনিও নাস্তিকতার উপর পোস্ট দেন, কেউতো আপনাকে বাঁধা দিবে না। যারা যারা নাস্তিকতা নিয়ে আলোচনা করবে তা আপনার পোস্টে গিয়েই করবে। আপনি আর একজনের পোস্টে এসে আর একজনকে ধমকের সুরে কথা বলবেন এটা আপনার কোন সৌজন্য বোধ? ভাইজান এইকি আপনার সভ্যতা?
লেখক বলেছেন: এবার আমার কোনো জবাব নেই। আশা করছি আরিফ সাহেব জবাব দি্বেন। ব্যক্তিগত আক্রমন বাদ দিয়ে যে কোনো কিছু নিয়ে আলোচনায় সহমত।
আরিফুর রহমান বলেছেন:
আমি অবশ্যই ধমকের সুরে কথা বলবো যখন দেখবো হুজুরী টাইপের শব্দমালা দিয়ে কেউ বাংলাকে বিষিয়ে তুলতে চাইছে। গোমরাহী মোটেও বাংলায় বর্তমান নেই। এর বাংলা বর্তমান প্রতিশব্দ ব্যাবহার করুন দয়া করে।
এটা সৌদি কালচার (অর্থ্যাৎ, মধ্যপ্রাচ্যীয় সংস্কৃতি) এর বাংলাকে কলুষিত করার একটা ধর্মীয় অপচেষ্টা।
দয়া করে পরিহার করুন।
লেখক বলেছেন: আরিফ ভাই ধমক দিয়ে কি কিছু আদায় করা যায়। আলোচনা দিয়ে সম্ভব। আসুন না আলোচনা করে আমাদের সমস্যা কি তার সমাধান করি।
লেখক বলেছেন: প্লিজ ব্যক্তিগত আক্রমন থেকে আমরা সরে যাই।
আমি ব্যক্তিগত আক্রমন কখনই করতে চাইন। আপনিও নিজেও দেখেছেন। একটু বিবেকের কাছে প্রশ্ন করে দেখুন, এদের স্পর্ধা কতটুকু। আপনার পোস্টে আমি মন্তব্য করছি এর উত্তর আপনি দিবেন। তার যদি কোন প্রশ্ন করার থাকে তাহেলে সে আপনাকে করতে পারে। এই সৌজন্য বোধটুকুও তাদের নেই?
লেখক বলেছেন: প্লিজ বিচারের ভার আমার কাছে দেবেন না। কারন মান্যবর সবসময় ভূল করেন। হয়তো সে ভুল আমারও হতে পারে।
কৌশিক বলেছেন:
ইয়া আরিফুর রহমান, তোমহারি বাত তো বহুত মৌলবাদী লাকতা হ্যায়। কিছিকো নিয়ম-কানুন মাত শিখাও বৎস - ইয়া রাস্তা তুমকো তো কিয়া খোদ আল্লাহ কি মালুম নেহি, কেয়সে কোন কোন শব্দ ব্যবহার হোতা হায়!
লেখক বলেছেন: ওস্তাদ, কই ছিরলন এতক্ষন। এদের এবার আপনি সামলান।
আরিফুর রহমান বলেছেন:
সৌজন্যের পেছনের লুকানোর বহুত সময় পাবেন, এইসব সৌজন্যবোধ তুলে রাখেন। আপাতত তর্কে আসেন। এদিক সেদিক দৌড়াদৌড়ি না করে গোমরাহী কেন ব্যাবহার করলেন বলেন।
এখানে আপনাকে না, বরং বাংলায় মধ্যপ্রাচ্যীয় সংস্কৃতির আগ্রাসন নিয়ে আলোচনা হচ্ছে।
টপিকে থাকেন দয়া করে।
লেখক বলেছেন: আপনার কাছে আমার একটা প্রশ্ন আছে, সংস্কৃতি অবশ্যই একটা জাতির ব্যক্তিগত সম্পদ। কিন্তু এটা কি আদৌ ব্যক্তিগতর পর্যায়ে আছে?
কিছু মনে করবেন না। আপনি নিজেও ঈংরেজি শব্দ ব্যবহার করেছেন। তাহলে বোঝা যাচ্ছে সংস্কৃতিতে ভাষার ব্যবহার আজ আর ব্যক্তিগতর পর্যায়ে নেই। যে কেউ চাইলে নিজের ভাষার সঙ্গে যে কোনো ভাষা জুড়ে দিতে পারে। এটা তার ব্যক্তিগত ব্যাপার। এটা নিয়ে এত কিছু করার প্রয়োজন আছে বলে আমি মনে করি না।
ধন্যবাদ আপনাকে।
এফ আই দীপু বলেছেন:
আমি যতদুর জানি, কোনো বিষয়ে গোড়ামিই হচ্ছে মৌলবাদী। নিজের জানাটুকুকে প্রতিষ্ঠিত করাই হচ্ছে মৌলবাদীতার লক্ষন। সে আস্তিক হোক বা নাস্তিক হোক। আস্তিকতার দোহাই দিয়ে মৌলবাদীতার প্রতিষ্ঠা করতে চাইলে নাস্তিকতা করে তার বক্তব্য প্রতিষ্ঠিত করাটাকি মৌলবাদীতা নয়?
আরিফুর রহমান বলেছেন:
হাহাহা, কৌশিকরে জাঝা!
আরিফ সাহেব, আপনার চেয়ে আমার বাংলার প্রতি শ্রদ্ধাবোধ যথেষ্ট রয়েছে, আপনি যদি আমার এই পোস্টা না পড়ে থাকলে পড়ে নিয়েন, লিংটি দিলাম এখানে Click This Link
আসল কথা হলো ভাষার উপর সম্মান দেখানো জোড় করে করানো যায় না। ভাষার প্রতি সম্মান মানুষ তখনই দেখাবে যখন মানুষ আপনার ভাষা আপনার মুখ থেকে সুন্দর ভাবে উচ্চারিত হতে দেখবে। তাহলে আপনার ভাষাও সম্মান পাবে এবং সেই ভাষায় কথা বলা জাতিটিও সম্মানিত হবে। যেমন অন্যকে সম্মান করতে না জানলে, নিজেও সম্মান পাওয়া যায় না, ঠিক তদ্রুপ।
আরিফুর রহমান বলেছেন:
নিজের জানাটুকু যুক্তিসহকারে প্রতিষ্ঠার প্রয়াস যে কেউ নিতে পারেন্। এটা বরং বরনীয়।"আস্তিকতার দোহাই দিয়ে মৌলবাদীতার প্রতিষ্ঠা করতে চাইলে নাস্তিকতা করে তার বক্তব্য প্রতিষ্ঠিত করাটাকি মৌলবাদীতা নয়? "....
দুঃখিত, কি বলতে চাইলেন?
লেখক বলেছেন: আমি বলতে চাচ্ছি মৌলবাদীতার মুল সংজ্ঞাটা কি? আমি যতদুর জানি গোড়ামি। এখন প্রশ্ন হচ্ছে গোড়ামি কি নিয়ে হচ্ছে? অবশ্যই সেটা বিষয় সাপেক্ষে হতে হবে। বিষয় যদি আস্তিক এবং নাস্তিক হয় তাহলে তাহলে উভয় ক্ষেত্রেই কি মৌলবাদীতা সুস্পষ্ট নয়?
আরিফুর রহমান বলেছেন:
স্বা তু, তাহলে জেনেশুনে আপনি একটা বিজাতীয় শব্দ ব্যাবহার করলেন কেন?
যদি বাংলার ওপর আপনার আসলেই মায়া থাকে।
এখানে শুধু আপনি নন, আমার ব্লগে গেলে দেখবেন প্রায়ই আমি এধরনের শব্দ আমদানীকারকদের আমি বলি অনুবাদ বা বর্তমানে প্রচলিত আরো ভালো শব্দাবলী ব্যাবহার করতে।
লেখক বলেছেন: আপনার সাথে আমার দ্বিমত আছে। আপনি স্ব.তু-কে বলছেন বিজাতীয় শব্দ ব্যবহার করেছে কেন? আমি বলবো এটা আসলে কোনো বিষয় না। কারন বিজাতীয় শব্দ আপনিও আপনার কমেন্টে ব্যবহার করেছেন।
কথাটা স্বা.তু-কে সাপোর্ট দেয়ার জন্য করিনি।
আরিফুর রহমান বলেছেন: সৌজন্যের পেছনের লুকানোর বহুত সময় পাবেন, এইসব সৌজন্যবোধ তুলে রাখেন। আপাতত তর্কে আসেন।
এদিক সেদিক দৌড়াদৌড়ি না করে গোমরাহী কেন ব্যাবহার করলেন বলেন।
ভাইজান গোমড়া শব্দ বাংলা অবিধানে নেই এটা আপনি কেন বলছেন? অবশ্যই এটা বাংলা অবিধানে আছে। গোমড়া শব্দের অর্থ বিষন্ন বা গম্ভীর, এটা আপনি সাহিত্য সংসদ বাংলা অবিধানেই পাবেন। আর পাগলামী কইরেন না। আলোচনায় আসেন। দিপুর এই পোস্টে যদি আপনার আলোচনা থাকে তাহলে দিপুকে প্রশ্ন করেন।
লেখক বলেছেন: আসলেই বিষয়টি নিয়ে একটি পরিষ্কার ধারনা থাকা দরকার।
আরিফুর রহমান বলেছেন:
গোঁড়ামী কাউকে খোলামনে দেখতে ও শুনতে বাধা দেয়।ধর্ম এমন একটি বিষয় যার মূলমন্ত্রই হলো 'অপরিবর্তনশীলতা', অন্যার্থে মৌলবাদ।
অনেকের মতো, আপনিও একই ভুল করছেন এই ভেবে, যে নাস্তিকতা আসলে একটা নতুন ধর্ম। যাতে মৌলবাদ সম্ভব।
মোটেও না, নাস্তিকতা কোন রকম গোঁড়ামী প্রশ্রয় দেয় না। এবং মৌলবাদী হওয়াও তার পক্ষে অসম্ভব!
যুক্তি ও প্রমান, জ্ঞান ও অনুসন্ধিৎসা, এর ভিত্তিতেই একজন নাস্তিক জগৎকে দেখে থাকেন। এটি কোনো আটকে পড়া কুয়ো নয় বরং এক চলমান স্রোতস্বিনী।
আজ যে ধারনা সত্য বলে প্রবল, কাল তা যুগের আবর্তনে, বৈজ্ঞানিক প্রমানে মিথ্যে প্রমানিত হতেই পারে।
সুতরাং মৌলবাদিতা মোটেও নাস্তিকের হাতিয়ার নয় বরং অবশ্য পরিহার্য!
লেখক বলেছেন: নাস্তিকতাকে আমি মৌটেও ধর্ম বলতে রাজি নই। বরং আপনি বুঝতে ভুল করেছেন। আর মৌলবাদীতা শুধুমাত্র ধর্মকে কেন বোঝাবে? গোড়ামি শব্দটি কি শুধুমাত্র ধর্মের ক্ষেত্রেই ব্যবহার হয়? আমার মনে হয় না তা। সব বিষয়ে না জেনে নিজের বিষয়টিকে প্রতিষ্ঠা করাই গোড়ামি। তাহলে নাস্তিকতাকে প্রতিষ্ঠা করাটাকে কেন মৌলবাদীতা বলা হবেনা?
আরিফুর রহমান বলেছেন:
হাহাহাহা, এই তাহলে আপনার বাঙলা জ্ঞান, স্বা তু?'গোমরাহী' আর 'গোমড়া' এক জিনিস? হাহাহাহাহা.... আসলে আপনি নিজেও জানেন না! কোন এক হুজুর থেকে নিশ্চয়ই শুনেছিলেন.. হাহাহাহা!
(আপনার মতো ধার্মিকের হাতে পড়েই তো ধর্মের বারোটা বাজলো, দুঃখিত, হাসি থামাতে পাড়ছি না!)
আমি এখন প্রথম পাতা থেকে ব্যান। তাই পোস্ট দিতে পারছি না। ধর্মের বিষয়গুলো নিয়ে আমি আরও পোস্ট দিবো আশা আছে। আসলে ধর্মের যে অন্ধত্ব এর থেকে বের না হয়ে আসলে ধর্মকে প্রকৃত অর্থে জানা খুবই কঠিন। আমাদেরকে আসলে সেখান থেকেই বের হয়ে আসতে হবে প্রথমে। তাহলেই আমরা ধর্মকে সত্যিকার অর্থে জানতে পারবো।
যে ধর্মকে পালন করে তার যেমন কোন বাঁধা নেই অন্যের ধর্ম বা নাস্তিকতা সম্পর্কে জানা, তেমনি যে অন্য ধর্মের বা নাস্তিকতায় বিশ্বাসী তারও বাঁধা নেই ধর্মীয় জীবন সম্পর্কে জানার। এটা নির্ভর করে নিজ ইচ্ছা বা জ্ঞান অর্জনের আকাংখা থেকে।
লেখক বলেছেন: দোআ করি শিগগির আনব্যান হয়ে যান।
আরিফুর রহমান বলেছেন: ধর্ম এমন একটি বিষয় যার মূলমন্ত্রই হলো 'অপরিবর্তনশীলতা', অন্যার্থে মৌলবাদ।
তাহলে নাস্তিকতার কোন মূল নেই? তাহলে যে জিনিষের শুরু নেই তার বর্তমান আর ভবিষৎ কি? সময় ছাড়া কোন জিনিষের শুরু নেই। তাহলে কি নাস্তিকরা সময় জ্ঞানহীন?
লেখক বলেছেন: প্রশ্নটা আরিফ সাহেবের কাছে আমিও করলাম। জাস্ট জানার জন্য।
আরিফুর রহমান বলেছেন:
আচ্ছা, @লেখক, তাহলে আশা করবো নাস্তিকতা নিয়ে একটু খোঁজখবর করতে প্রথমে।
নাস্তিকতা আসলে একটা আন্দোলন। যুক্তিহীন যেকোন নির্দেশমালা যা কোনমতেই পরিবর্তন করা যাবেনা, এর বিরূদ্ধে অবস্থান নিয়ে থাকে নাস্তিকতা।
সুতরাং 'নাস্তিকতার প্রতিষ্ঠা' বলতে আসলে কিছু নেই। বরং যা কিছু অযৌক্তিক ও নির্দেশ নির্ভর, তার অপসারনই নাস্তিকতার একটা লক্ষ্য।
খুবই সরল করে বললাম যদিও। আমাদের চিন্তার পদ্ধতি ও পরিচিত অবকাঠামোয় পরিবর্তন আনতে হবে।
আসলে দীর্ঘদিন ধর্মের বলয়ে থেকে থেকে এই অবকাঠামো এসেছে ধর্মেরই কাছ থেকে ফলে আমাদের 'বিদ্রোহী' চিন্তাধারাও সবসময় ধর্মীয় চিন্তাপদ্ধতির দ্বারা প্রভাবিত।
আশা করি পরিষ্কার করতে পেরেছি!
লেখক বলেছেন: আমারও কিছু বলার আছে। কিন্তু এই মুহুর্তে বলতে পারছিনা। অফিসের কাজে বেরুতে হচ্ছে। তবে আশা করছি আপনার মন্তব্যের জবাব দিতে পারবো।
এফ আই দীপু বলেছেন:
এক ঘন্টা পর এসে মন্তব্যের উত্তর দেবো। কাজে বেরুচ্ছি। কিছু মনে করবেন না।
আরিফুর রহমান বলেছেন:
সংক্ষেপে, স্বা তু, নাস্তিকতা কোন ঐশ্বরিক দান নয়, কোন মহাপুরুষ একে জন্মদান করেন নি। যুগে যুগে মুক্তমনা মানবতা এই আন্দোলনকে ধারন করে এসেছে।
------------------------
স্বাতু, এবং লেখক দুজনেই এই প্রশ্নমালা করেছেন:
তাহলে যে জিনিষের শুরু নেই তার বর্তমান আর ভবিষৎ কি?
সময় ছাড়া কোন জিনিষের শুরু নেই।
তাহলে কি নাস্তিকরা সময় জ্ঞানহীন?
------------------------
যাদের দেখার চোখ আছে দেখুন, কি অসাধারন অন্তঃসার শুন্য এই প্রশ্নমালা। কোথা থেকে তারা শুরু করলেন, কোথায় গিয়ে শেষ করলেন।
মনে প্রশ্ন জাগে, এ ধরনের শর্টসার্কিট কি তাদের মস্তিষ্কে ধর্ম থেকে আগত, নাকি সবসময়ই?
-----
আমি কথা বলার আগ্রহ হারিয়ে ফেলেছি এই ধরনের অর্থহীন প্রশ্নের পরে।
লেখক বলেছেন: নিজেকে আপনি যথেষ্ঠ জ্ঞানী মনে করছেন। আলোচনায় এইটুকু বুঝতে পারলাম। তা না হলে খোঁচা দিয়ে আপনি কথা বলতেন না। শর্ট শার্কিট এই শব্দটা আসলে আপনার যুক্তিকে চাপিয়ে দেয়ার ভাব বহন করে।
সুশীল সমাজ বলেছেন:
নিক হইছে নাকি?
লেখক বলেছেন: বুঝলাম না।
সুশীল সমাজ বলেছেন:
*হ্যাক
আরিফুর রহমান বলেছেন: নাস্তিকতা আসলে একটা আন্দোলন। যুক্তিহীন যেকোন নির্দেশমালা যা কোনমতেই পরিবর্তন করা যাবেনা, এর বিরূদ্ধে অবস্থান নিয়ে থাকে নাস্তিকতা।
সুতরাং 'নাস্তিকতার প্রতিষ্ঠা' বলতে আসলে কিছু নেই। বরং যা কিছু অযৌক্তিক ও নির্দেশ নির্ভর, তার অপসারনই নাস্তিকতার একটা লক্ষ্য।
ধর্ম যুক্তিহীন এটা কোথায় পেলেন? নির্দ্দেশমালার পরিবর্তনশীল না এটা বলতে আপনি কি বুঝাচ্ছে? ধর্মের কোন কোন বিষয় আপনার কাছে অযৌক্তিক মনে হয়, আপনি স্পেসিফিকলি বলবেন? সরি, আবার বিজাতীয় শব্দ ব্যবহার করে ফেললাম। মাফ করবেন।
আরিফুর রহমান বলেছেন: যাদের দেখার চোখ আছে দেখুন, কি অসাধারন অন্তঃসার শুন্য এই প্রশ্নমালা। কোথা থেকে তারা শুরু করলেন, কোথায় গিয়ে শেষ করলেন। মনে প্রশ্ন জাগে, এ ধরনের শর্টসার্কিট কি তাদের মস্তিষ্কে ধর্ম থেকে আগত, নাকি সবসময়ই?
জ্ঞানের সীমাবদ্ধতা থাকলেই কেবল উপরোক্ত উত্তরই আসে। হাসিটা আমারও পাচ্ছে আপনার পালিয়ে যাওয়া দেখে। মানুষ অবশ্যই দেখবে যদি মানুষের দেখার চোখ থাকে। ধন্যবাদ।
আরিফুর রহমান বলেছেন:
ধর্ম যুক্তিহীন এটা কোথায় পেলেন?(পাল্টা প্রশ্ন: ধর্মের কোন কথা কি আপনি যুক্তি দিয়ে প্রশ্ন করতে পারবেন? করলেই আপনি শিরক কুফর ইত্যাদি দিয়ে জর্জরিত হবে না?)
নির্দ্দেশমালার পরিবর্তনশীল না এটা বলতে আপনি কি বুঝাচ্ছে?
(পাল্টা প্রশ্ন: আপনি কোরানের কোন নির্দেশ পরিবর্তন করতে পারবেন? কারো হাতে কি সেই ক্ষমতা দেয়া হয়েছে?)
ধর্মের কোন কোন বিষয় আপনার কাছে অযৌক্তিক মনে হয়, আপনি স্পেসিফিকলি বলবেন?
(একশ একটা আছে.. পুরোনো কাহিনী আবার চিপতে চাই না, আমার ব্লগে কয়েকটা প্রশ্ন আছে... আগ্রহ থাকলে গিয়ে পড়ে আসতে পারেন)
লেখক বলেছেন: আপনার প্রত্যেকটি প্রশ্নকি ইসলাম ধর্মকে নিয়ে করা? তাহলে আপনার সঙ্গে আলোচনা ফলপ্রসু হবেনা। আপনি যদি ইসলাম বিদ্বেষী হন তাহলে আলোচনা করে লাভ নেই। যদি ধর্ম নিয়ে আলোচনা করতে চান তাহলে পরিস্কার করে বলুন আপনার অবস্থান কি শুধুই ইসলামের বিরুদ্ধে?
লেখক বলেছেন: আরিফুর রহমান বলেছেন:পাল্টা প্রশ্ন: ধর্মের কোন কথা কি আপনি যুক্তি দিয়ে প্রশ্ন করতে পারবেন? করলেই আপনি শিরক কুফর ইত্যাদি দিয়ে জর্জরিত হবে না?
আপনার ধারনা ভুল। যুক্তি দিয়ে আপনি অবশ্যই প্রশ্ন করতে পারবেন।
লেখক বলেছেন: আমার তা মনে হয়না। অন্তত যতটুকু জেনেছি। তথ্যসুত্রটা দিতে পারলে যাচাই করে দেখতে পারতাম।
আরিফুর রহমান বলেছেন:পাল্টা প্রশ্ন: ধর্মের কোন কথা কি আপনি যুক্তি দিয়ে প্রশ্ন করতে পারবেন? করলেই আপনি শিরক কুফর ইত্যাদি দিয়ে জর্জরিত হবে না?
এটা সম্পূর্ণ ভূল ধারনা, কোরআনের কোথাও লিখা নেই ধর্মের কোন বিষয় জানতে আপনি যুক্তিযুক্ত কারণ অনুসন্ধান করতে বা জানতে পারবেন না। বরং না জেনে ধর্ম পালন করার অর্থই হচ্ছে অজ্ঞতা বা মূর্খামি। কারণ কুফর শব্দের অর্থই হচ্ছে মূর্খতা। নিম্নের আয়াত দুটি খুব ভাল করে পড়ে দেখুন।
[2:6] As for those who disbelieve, it is the same for them; whether you warn them, or not warn them, they cannot believe.
[2:7] GOD seals their minds and their hearing, and their eyes are veiled. They have incurred severe retribution.
কোথায় আছে আপনি যুক্তি দিয়ে ধর্মের কথা বললে আপনি শিরক বা কুফরী করে ফেলবেন? কোরআন থেকে একটি আয়াত বলুন।
আরিফুর রহমান বলেছেন: পাল্টা প্রশ্ন: আপনি কোরানের কোন নির্দেশ পরিবর্তন করতে পারবেন? কারো হাতে কি সেই ক্ষমতা দেয়া হয়েছে?
জানি না আপনি কোথাও কখনও বিতর্ক প্রতিযোগীতায় অংশ করেছেন কিনা বা টিভিতে যে বিতর্ক প্রতিযোগিতা হয় সেটাও কোন দিন দেখেছেন কিনা। আপনাকে এভাবে বিতর্ক করতে দেখে আমাকে করুনা করতে ইচ্ছে হচ্ছে। বিতর্কে করতে হলে একটা নিয়ম আছে। আগে প্রতিপক্ষের প্রশ্নের যুক্তিখণ্ডন করা, পরে পাল্টা প্রশ্ন করা। তারপরেও আপনার প্রশ্নের উত্তর আমি আপনাকে দিচ্ছি। কোরআনের কোথাও নামাজ পড়তে বলেনি। নামাজ কায়েম করতে বলেছে। নামাজ কয়েম করা এটা একটা নির্দ্দেশ, কিন্তু কিভাবে কায়েম হবে সেটা আপনাকেই নির্ধারন করতে হবে।
আরিফুর রহমান বলেছেন: একশ একটা আছে.. পুরোনো কাহিনী আবার চিপতে চাই না, আমার ব্লগে কয়েকটা প্রশ্ন আছে... আগ্রহ থাকলে গিয়ে পড়ে আসতে পারেন
টেবিলে খাইতে বসিয়ে খাবার আনতে যদি রান্না ঘরে পাঠান তাহলে এটা কি আধুনিক খাবার পরিবেশন পদ্ধতি বলবেন? একশটা চাইনা, একটি দেন এখানেই। ভাই খাবার আনতে যেতে পারবো না রান্না ঘরে।
লেখক বলেছেন: অকাট্য যুক্তি
পাপী বলেছেন:
নির্দ্দেশমালার পরিবর্তনশীল না এটা বলতে আপনি কি বুঝাচ্ছে?(পাল্টা প্রশ্ন: আপনি কোরানের কোন নির্দেশ পরিবর্তন করতে পারবেন? কারো হাতে কি সেই ক্ষমতা দেয়া হয়েছে?
--আরিফ ভাইয়ের কমেন্টগুলা খুব যত্ন সহকারে পড়লাম।আমার মনে হচ্ছে আপনার কাছে ধর্ম মানেই কোরান এবং ইসলাম। আপনি যদি সত্যিকারের নাস্তিক হয়ে থাকেন তাহলে একচোখা নীতি থেকে বের হোন। আপনার কাছে কি অন্য ধর্মগুলাকে চোখে পড়ে না? বাইবেল, বেদ এগুলোর কথা না বলে আপনি সরাসরি কোরান নিয়ে টান দিলেন ক্যান?অন্য ধর্মগুলার ভয়াবহ গোড়াঁমি এবং যৌনতার ব্যাপারগুলোও তুলে ধরুন, লাগলে ডাক দিয়েন, আপনার পাশে থাকবো।যদিও জানি ডাকটা কখনই পাবোনা, কারন আপনার নাস্তিকতা শুধুমাত্র ইসলাম বিরোধীতা আর কিছুই না।
লেখক বলেছেন: ডাক অবশ্যই পাবেন। যদি আলোচনা থাকে।
ভালোকথা... বলেছেন:
যেখানে কোরআনে আল্লাহ মুসলিমকে সারাদুনিয়ার জ্ঞানী মানব বলে স্বীকৃতি দিয়েছে তাই নাকি?
বহুত মজা পাইলাম...
লেখক বলেছেন: মুসলমানরা জ্ঞানী এই কথাটা কোথায় পেলেন আপনি? তথ্যটা দিতে পারলে খুশী হতাম।
হ।স।ন বলেছেন:
সুন্দর গল্প হইছে দীপু ভাই। কিন্তু হাত পাকতে আরও সময় লাগবে। যেমন আরবি লেখা কাগজটা অনুবাদ কেন্দ্রে নিয়া যাওয়ার কথা না লিখা যদি লিখতেন মাদ্রাসা পড়ুয়া কোন বন্ধুর সাহায্যের কথা, তাইলে আরও বিশ্বাসযোগ্য দেখাইত।
লেখক বলেছেন: আপনার মাথায় যতটুকু ঢুকেছে ততটাই আপনি উপলদ্ধি করতে পেরেছেন। এর বেশি আপনার পারার কথা নয় কারন আপনার জ্ঞান এখানেই সীমাবদ্ধ।
ধর্মের দূর্বলতাকে নিজের দূর্বলতা মনে করে ধ্রর্মের সমালোচনাকে পারসোনালী নিচ্ছে।
লেখক বলেছেন: দূর্বলরাই ধর্মকে আশ্রয় করে বেঁচে থাকার চেষ্টা করে। ধর্ম কিন্তু তা বলে নাই।
এফ আই দীপু বলেছেন:
দূর্বলরাই ধর্মকে আশ্রয় করে বেঁচে থাকার চেষ্টা করে। ধর্ম কিন্তু তা বলে নাই।
লেখক বলেছেন: মুসলমানরা জ্ঞানী এই কথাটা কোথায় পেলেন আপনি? তথ্যটা দিতে পারলে খুশী হতাম।
মুসলমানরাই একমাত্র জ্ঞানী এটাই কোরআনের পরিভাষাতে আছে। আমি এখানে এই বিষয়ে আলোচনা করবো না। কারণ এটার বিশাল ব্যাখ্যার প্রয়োজন। তবে এই বিষয় নিয়ে আমি পরে একটি পোস্ট দিব। তখন এ নিয়ে আলোচনা করা যাবে।
লেখক বলেছেন: জ্ঞানী বলতে আপনি কোনটাকে বোঝাচ্ছেন? বিদ্বান নাকি প্রযুক্তিগত জ্ঞান?
বিষয়টি আমি ক্লিয়ারলি বুঝতে পারছিনা।
লেখক বলেছেন: রাতে নেটে আসি নাই।
হ।স।ন বলেছেন:
লেখক বলেছেন: আপনার মাথায় যতটুকু ঢুকেছে ততটাই আপনি উপলদ্ধি করতে পেরেছেন। এর বেশি আপনার পারার কথা নয় কারন আপনার জ্ঞান এখানেই সীমাবদ্ধ।দুঃখিত, আমার এই টাকমাথায় আপনার ছোটগল্প ছাড়া আর কিছুই ঢুকল না। পরের পর্বের অপেক্ষায় আছি।
লেখক বলেছেন: থাকেন।
স্বাক্ষর শতাব্দ বলেছেন:
জটিল ঘটনা
লেখক বলেছেন: তার চেয়ে জটিল মানুষের মন।
লেখক বলেছেন: জ্ঞানী বলতে আপনি কোনটাকে বোঝাচ্ছেন? বিদ্বান নাকি প্রযুক্তিগত জ্ঞান?
জ্ঞানীর একটিই বিশেষন, সুন্দর মানুষ।
এফ আই দীপু বলেছেন:
বিশেষন নয় আমি ব্যাখ্যা চাচ্ছি। বলবেন কি দয়া করে?
ব্যাখ্যা এখন না। কারন এর ব্যাখ্যা বিশাল হবে। আমি এটা পোস্ট আকারে দিব পরবর্তীতে। দেখি কবে আমাকে প্রথম পাতায় সুযোগ দেয় কতৃপক্ষ।
লেখক বলেছেন: ঠিক আছে।
পাপী বলেছেন:
আরিফ ভাই দেখি আওয়াজ দিলেন না...
লেখক বলেছেন: উনি এই মুহুর্তে দিতে পারছেন না। তবে আমার জানার খুব ইচ্ছে ছিল। আমি ইসলাম বিশ্বাস করি কিন্তু একটা বিষয়ে একমত নই যে মুসলমানরাই সবচেয়ে জ্ঞানী।
ভালোকথা... বলেছেন:
স্বাধীনতা তুমি বলেছেন: মুসলমানরাই একমাত্র জ্ঞানী এটাই কোরআনের পরিভাষাতে আছে।
এর মানে হইল কোরান ও মিথ্যা কথা বলে এবং লোভ দেখায় ...
লেখক বলেছেন: এভাবে না বলে আমরা এর ব্যাখ্যা চাইতে পারি। কারন প্রত্যেকটি ধর্মগ্রন্থকে সম্মান করার কথা কোরআনে বলা আছে। যাচাই করে তারপর গ্রহন করতে বলা হয়েছে।
নুরুন্নবী হাছিব বলেছেন:
জটিল লিকচেন...শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ....
লেখক বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ।
নাস্তিকের ধর্মকথা বলেছেন:
পোস্টে +, তবে স্বাতুর কমেন্টে মাইনাস।
লেখক বলেছেন: জীবন যেখানে যেমন.........
কালপুরুষ বলেছেন:
ভাল অবজারভেশন, ভাল বিশ্লেষণ।
লেখক বলেছেন: আপনাকে অনেক ধন্যবাদ দাদা। কিছু আশা করছিলাম আপনার কাছ থেকে।
যীশূ বলেছেন:
ভালো লেখা।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ
ভোরের আলো বলেছেন:
জটিল পোস্ট। তয় আরিফ পালাইয়া গেল ক্যান? তারে একটু কেউ মিসকল দ্যান।
লেখক বলেছেন: লাভ নেই মিসকল দিয়ে। আধুনিক নাস্তিকদের কাছে ইসলাম হলো মুল শত্রু।
মুনিম সিদ্দিকী বলেছেন:
১.আপনি যে ভাবে বিষয়টি কে উপস্থাপন করেছেন, এবং করে নিজে নিজেই নাস্তিক হওয়াই ভালো মনে করেছেন। এখানেই আমজনতারে ঘাই মেরে আপনার ব্লগে বেশী পোষ্ট পাওয়ার যে কৌশল নিয়েছিলেন, তাতে মোটামুটি সফল হয়েছেন।২. জানিনা আপনার বয়স কত? তবে ৭১রে আমার বয়স১২/১৩ ছিল, তাই ৭১রের যুদ্ধের আমি ও একজন সাক্ষী। যুদ্ধের পরবর্তিতে সদ্য স্বাধীনতা পাওয়া মানুষ এমনই স্বাধীন হয়ে উঠছিল যে মাত্র ৩ বছরের মাথায় মানুষ্য জনিত চরম দুর্ভিক্ষে আমাদের স্বাধীনতার মানে নিগেটিভ হয়েপড়ছিল। সেই দুর্ভিক্ষের বদৌলতে অনেক দেশ থেকে চাল, গমের সাথে পুরানো কাপড় সাহায্য এসেছিল, তখন সব যুবকরা ইয়া বড় কলার ওয়ালা সার্ট , ইয়া বড় হেম ওয়ালা ভেলবটম প্যান্ট, উচু হীল জুতো, মাথায় লম্বা বাবড়ি চুল রাখতো আর তার সাথে ঐ পুরানো কাপড় থেকে বিভিন্ন ডিজাইনের একাদিক ওভেন স্টিকার সার্টে প্যান্টের বিভিন্ন যায়গায় লাগানোটা একটা মস্ত বড় স্টাইলে পরিনত হয়ে পড়েছিল।
আমার কাহিনী এখানেই , সেই সময় আজকের শেরাটন তখন ছিলো ইন্টারকন্টিনেন্টাল, সেখানে ধনবান এবং শিক্ষিত এক যুবক বোধহয় কোন কারণ বসতঃ গিয়েছিলো, তার পড়নে ও ছিলো বড় বড় স্টিকার ওয়ালা সার্ট। ঐ সময় লাউঞ্জে বসাছিল এক জাপানী ভদ্রলোক, উনার নজরে পড়লো ঐ স্মার্ট যুবকটিকে, কিন্তু ভদ্রলোক অবাক হলেন যে ঐ যুবকের সার্টের স্টিকার গুলো দেখে! তখন তিনি যুবকটাকে প্রশ্ন করলেন যে ঐ লাগানো স্টিকারে কি লিখা আছে সে জানে কি না?
যুবকটি বিনিত ভাবে জানালো সে কি লিখা আছে সে জানেনা, তবে দেখতে সুন্দর লেগেছে বলে সে ঐ গুলি সার্টে লাগিয়েছে। স্বভাবত
জাপানী অক্ষর বুঝার কথা নয় ঐ যুবকের। তখন যুবক উনাকে জিজ্ঞাসা করেছিলো কি লিখা আছে ঐ স্টিকার গুলিতে? তখন ভদ্রলোক লজ্জিত ভাবে বললেন, যে ঐ স্টিকার তাদের দেশের শহর পরিচ্ছন্ন কারীদের পোষাকে লাগানো থাকে।
এবার বলুন আপনার গল্পের নায়ক আমার গল্পের নায়কের মধ্যে কিসের অভাব ছিলো?
এবার কি আমি বলতে পারি যে ঐ যুবকটা কারণে আমি আমার বিশ্বাসের উল্টো চলি?
এদেশের ৯০ ভাগ জন গুষ্ঠির প্রতিদিনের কার্যক্রমে কোথাও না কোথাও আরবী ভাষা জড়িয়ে আছে সে ভাষাকে সেই অখণ্ড ভারতের আমল থেকে এক শ্রেণীর শিকড়হীন পরগাছা যে কোন উপায়ে বিসর্জন দেওয়ার অপচেষ্টায় রত আছে, যেমন মা- আরিফুর রহমান।
লেখক বলেছেন: আসলে আমি মাতৃভাষার সম্মানের কথা বোঝাতে চেয়ছিলাম। সেটা বোধহয় আপনি ধরতে পারেন নি। তবে মন্তব্যের জন্য আপনাকে ধন্যবাদ। আর একটি বিষয়ে আপনি ভুল বলেছেন সেটা আমি বলে দেবনা আপন্ই খুজে বের করার চেষ্টা করুন প্লিজ।
নাতিস বলেছেন:
ভাই আমি যেটুকু বলতে পারি সেইটা হল, এই ঘটনা হইলো গিয়া আমরা বাঙালিরা যে অতি-ধার্মিক(বুঝার ক্ষেত্রে কিনা তা বলতে পারুম না কিন্তু অতি ছোট বিষয় নিয়ে মাতামাতিতে অস্তাদ তা কইতে পারুম) আর একটু বিচার-বিশ্লেষণের অভাব সেদিকেই ইংগিত করে। হুজুররা কইসে আরবী কোরানের ভাষা, পায়ে লাগ্লে অসম্মান হয়, আমারেও কইসে এই কথা যখন আমি হুজুরের কাছে পড়ছি। এখন আমার কথা হইলে, ভাইসকল যারা এতই আচার-অনুষ্ঠান পালনে পারদর্শী তারা একবার একটু ভাইব্যা দেখেন তো আরবি কত্তগুলো দেশে নিজের ভাষা। এখন তারা তো হর-হামেশাই ঐ ভাষাই সব কিছু লিখতাসে। এখন তারা কি ঐ সব আরবি লেখা কাগজ মাথায় তুইলা রাখসে!!! তাইলে তো হেরা আরবি ভাষায় কিছু লিখতে পারতো না-এই ভঅয়ে যে না জানি কখন আবার পায়ে লাগে আর অসম্মনা করা হয়!! যাইহোক আরো অনেক প্যাঁচাল পাড়তে পারি, কিন্তু অনেকেরঅই পছন্দ হইবো না, তাই একটা সাধারণ কথা বলে শেষ করি, কোরান শরীফকে সম্মান করা এক জিনিস আর কোরান শরীফের ভাষা আরবি বলে তাকে এভাবে সম্মান করা কিন্তু অন্য জিনিস, কারণ আরবিও একটি ভাষা তেমন বাংলাও একটি ভাষা, তাই আরবিকে আপনি আরেকটি ভাষা বাংলা থেকে কেন এমন আলাদা চোখে বিচার করবেন, বিশেষ করে আপনার নিজের ভাষা যখন বাংলা... পরিশেষে দীপু- আপনাকে ধন্যবাদ বিষয়টি তুলে আনার জন্য।
লেখক বলেছেন: আপনাকেও অনেক ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: !!! ধন্যবাদ
প্রশ্নোত্তর বলেছেন:
স্বা তু'র কমেন্ট পইড়া হাসতে হাসতে শ্যাষ! মাথায় খালি ঘুরতাছে 'গোমরাহ'! 'গোমরাহ'!! 'গোমরাহ'!!!
লেখক বলেছেন: আসল প্রশ্নের উত্তরের কাছে কিন্তু কেউ গেলনা। না স্বা.তু না আরিফ সাহেব। কথা হচ্ছিল আরবী আর মাতৃভাষার সম্মান নিয়ে। এই প্রশ্নটার উত্তর কেউ দিলনা তারা। আফসোস।
ধন্যবাদ আপনাকে।
লেখক বলেছেন: গেল গেল, ছিড়া গ্যাল!!!
নেমেসিস বলেছেন:
লেখক বলেছেন: আসল প্রশ্নের উত্তরের কাছে কিন্তু কেউ গেলনা। না স্বা.তু না আরিফ সাহেব। কথা হচ্ছিল আরবী আর মাতৃভাষার সম্মান নিয়ে। এই প্রশ্নটার উত্তর কেউ দিলনা তারা। আফসোস।
>>> আরবী লৈয়া থাকেন । পুজা দেন আরবীতে যাকিছু পান । এমনকি আরবীতে লেখা RMG ও পবিত্র ।
আর তাইলেই আপনি প্রকৃত আস্তিক ।
লেখক বলেছেন: বাহ বাহ বাহ। আমি ধন্য। হে. হে. হে.
হমপগ্র বলেছেন:
আমি অন্যকিছুর ধার ধারি না। কে কী মন্তব্য করল তাও দেখছি না। কতগুলো মন্তব্য পড়ে মেজাজটাই খারাপ লাগে। আপনার সাথে আমি শতভাগ একমত। বাংলার সাথে আমার রক্তের সম্পর্ক। এর পরে অন্য ভাষার গুরুত্ব থাকতে পারে কিন্তু বাংলার আগে না। এই ভাষা আমার মায়ের ভাষা। এই ভাষায় আমি সবথেকে ভালো ভাবে লিখি ও পড়ি। কেন এই ভাষাকে একজন পদদলিত করবে আর আরবীকে নিয়ে চুমা দেবে?
আমাদের মানসিকতা বদলাতে হবে!
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনার ভালোবাসার জন্য।
ফাহমিম বলেছেন:
আপনার স্টাইল আমার পছন্দ হইসে।এক লোক বলল কোরান'এর ভাষা, আর আপনি কি লিখা কনফার্ম করার জন্য ১০০ টাকা'র অনুবাদ করায়ে ফেললেন।সাব্বাশ মিয়া।আপনারে দিয়াই হবে।
লেখক বলেছেন: আমার ১০০ টাকা!!!!!
আশরাফ মাহমুদ বলেছেন:
মন স্পর্শে গেল।
লেখক বলেছেন: বাংলাকে পদদলিত করার বিষয়টি আমাকে খুব কষ্ট দিযেছে।
মুনিম সিদ্দিকী বলেছেন:
অবশ্যই আরবী ভাষাকে সম্মান দিতে হবে, যদি আপনি গুরু খাওয়া মুসলমান না হন। আপনি যখন আমেরিকায় থাকবেন আমেরিকান দের মত থাকতে হবে। যদি কমিউনিসট কোন দেশে থাকেন তখন তেমনি ঐ কমিউনিসট দেশের আইন মানিয়া ঐ দেশে বাস করতে হবে। নতুবা ঐ দেশ ত্যাগ করতে হবে, নয় আইন অমান্য করার জন্য ঐ দেশের আইনানুগ শাস্তি পেতে হবে। ঠিক সেই ভাবে যারা লা ইলাহ ইল্লাললাহু মুহাম্মদুর রসুল বলে ইসলামের ভিতর আনুগত্যে শপথ নেয় তারা অবশ্য জানে, যে আল্লার কালাম কোরআনের ভাষা আরবী, যে মহান শিক্ষক রসুল যার মাধ্যমে আমরা আল্লাহ চিনলাম, মুসলমান হলাম, সেই মহান নেতার মুখের ভাষা ও আরবী তাই অবশ্যই আরবী ভাষা কে সম্মান করতে হবে। আমরা যদি বঙ্গবন্ধুর কোট পরে বঙ্গবন্ধুর সুন্নত কায়েম কে ভালবাসা ও সম্মানের প্রকাশ করতে পারি তবে কেন বিশ্ব বন্ধু রাসুলের সুন্নত কায়েম করে তার ভাষাকে সম্মান করতে পারবনা?অবশ্যই যিনি বলবেন যে তিনি মুসলিম তাকে তো তা করতে হবে।
আমি আমার উপরের পোষ্টে ডিটেইলস না গিয়ে উদাহরণ দিয়ে কিছু বলার চেষ্টা করেছিলাম, কিন্তু বুঝতে পেরেছি হয়তো আমিই ব্যর্থ।
এখানে পাঠকের অবগতির জন্য বলছি, আমি আরবী ভাষার কথা বলছি, মুদ্রণ কোন লেখার কথা বলছিনা।
পৃথিবীর সব ভাষাই আল্লাহর সৃষ্টি, তাই সব ভাষাকে অবশ্যই সম্মান করতে হবে। আর ও বেশী সম্মান করতে হবে মাতৃ ভাষাকে, কারণ যেহেতু আল্লাহ আমাকে এই ভাষাতে জন্ম দিয়ে বর্ধিত করেছেন, এবং এই ভাষার দ্বারা আল্লাহ, আকাশ, জমিন, মানুষকে চিনতে শিখেছি, এবং যতই আরবী ফারসী, ইংলিশ ভাষা জানিনা কেন, মনের কোনের সেই অনুভূতি ১০০ ভাগ প্রকাশ করা যাবেনা মাতৃ ভাষা ছাড়া।
বাংলা আরবী তো অবশ্যই পৃথিবীর কোন ভাষার লেখাকে পায়ের তলায় ফেলা কোন মতেই মনুষ্য জ্ঞান বিশিষ্ট মানুষের উচিত হবে না।
এবার আসি আপনার কথিত লোকটার কথা, সে লোকটা ছিলো মূর্খ, আমার কথিত যুবক যদিও শিক্ষিত তথাপি সে জাপানী ভাষা জানত না বিঁধায় ঐ সুইপারের স্টিকার বা ব্যাজ ওর কাপড়ে ধারণ করেছিল।
মানুষ না বুঝে অনেক কিছু করতে পারে, আর এটা স্বাভাবিক। আপনার ঐ লোকটার মতো বহু লোক দুনিয়া জুড়িয়া পাবেন।
কারণ আরবী পড়া না জানা একজন ধার্মিক মুসলমান তার ভাবনায় আসতে পারে যে ঐ আরবী লিখাটা বোধ হয় কোন কোরান ও হাদিশের অংশ বিশেষ। কারণ সবার তো আবার আপনার মতো জ্ঞান নেই, সময় নেই কিম্বা পয়সা ও নেই যে এ একটা সাধারণ ঘটনার পিছনে উদ্দেশ্য হীন ছুটাছুটির।
এবার আসুন বাংলা ভাষার সম্মানের বিষয়ে আলোকপাত করি। সবাইর জানা আমরা নট বাঙ্গালী, বাংলাদেশী অথবা বাঙ্গালী মুসলমান রাই বাংলা ভাষা কে রাষ্ট্র ভাষার দাবিতে বুকের রক্ত ঢেলে ছিলাম , কোন বাবুরামরা তার কাছ দিয়ে ও যান নাই, চেয়ে দেখুন ঐ পারে যারা আজ ও আমাদের কে বাঙ্গালী বলে মেনে নেয় নি, তাদের ভুখণ্ডে বাংলা ভাষা আজ মৃত ভাষায় পরিণত, তাদের চলনে বলনে হয় হিন্দী নয় ইংলিশ,
৫২ তে বুকের রক্ত ঢেলে যে ভূখণ্ডের মানুষ বাংলাকে রাষ্ট্র ভাষায় প্রতিষ্ঠিত করে, পরবর্তিতে গণতান্ত্রিক ভাবে বেঁচে থাকার দাবিতে দীর্ঘ আন্দোলনের পথ মাড়িয়ে এদেশের মানুষ আর কোন উপায় পায়নি, তখন জালিম দের বিরুদ্ধে এক বিরাট রক্তের খেত বুনে পৃথিবীতে প্রথম বাঙ্গালীদের স্বাধীন একটি দেশ গঠন করেছে এই ৯০ ভাগ মুসলমান অধ্যুষিত বাংলাদেশিরা। নট রাম বাবুরা , ওনারা এখনো সেই বাঙ্গালী চাদরের নিচের চেয়ে হিন্দুয়ানীর চাদরের নিচে থাকতে আছেন এখনো এই ২০০৮ । এবং অবস্থা দৃষ্টে মনে হয় অন্তকালই এমনি কাটাবেন। যাক ওটা ওদের ব্যক্ত গত ব্যাপার।
কিন্তু যখন দেখি উনারা নিজের বাঙ্গালীত্ব বিসর্জন দিয়ে বিজাতীয় ভাষা হিন্দীতে সায়লাব, তখন আমাদের এ ভূখণ্ডে হিন্দীর সাংস্কৃতিক আগ্রাসনের মধ্যে টেনে নেওয়ার সুগভীর ষড়যন্ত্র চালিয়ে যাচ্ছেন। এখন কার তরুণ তরুণী কয়জন বাংলা টিভি দেখেন? পুরা বাংলাদেশ এখন হিন্দী কালচারে কচুরি পানার মতো ভাসছে, এর জন্যই কি ৫২ তে উর্দুর বিরুদ্ধে বুকের রক্ত ঢেলে ছিল সালাম, বরকতেরা? এর জন্য কি ৭১ এক সাগর রক্ত পেরিয়ে বাংলাদেশ স্বাধীন করা হয়ছিলো পিণ্ডির শোষণ থেকে বেরিয়ে দিল্লীর শোষণের নাগপাশে বন্দী হওয়ার জন্য?
যারা পাকিস্থান আমলে বলতো যে একটা জাতিকে হত্যা করতে হলে আগে তার কালচারকে হত্যা করা হয়, এই মন্ত্র যারা আমাদের শিখিয়ে পশ্চিম পাকিস্থানী আগ্রসনের বিরুদ্ধে লড়াইতে লাগিয়ে ছিলেন এখন তারা কোথায়? এখন কেন যারা হিন্দী আগ্রাসনের বিরুদ্ধে কথা তুললে তাকে পাকিস্থানী কিংবা মৌলবাদী আখ্যায়িত করা হয়?
যারা আরবী আগ্রাসনের বিরুদ্ধে কথা বলে মুখে ফেনা নিয়ে আসেন কৈ তারা তো হিন্দী আগ্রাসনের সময় এক দম চুপ! তাই পরিশেষে বলব ওরা আরবির বিরুদ্ধে কথা বলে তারাই, যারা আমাদের কে কখনো কোন জাতি হিসাবে মেনে নেয় নাই, যারা বলে এই ভূখণ্ডের মানুষরা তাদেরই অস্পৃশ্য জাতকে উদ্ভূত, যারা ১২০২ এর বঙ্গ বিজয় মেনে নিতে পারে নাই, যারা১৯০৫ বঙ্গ বিভাগ মানে নাই, যারা ৪৭ এর ভাগ ও মানে নাই যারা এক হিন্দু সাম্রাজ্য স্থাপনের শিব সৈনিক, তারা ও এদেশী ও কিছু দালাল, ও ওদের সাথে আজে ইবলিসের বংশধর। ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: আপনি বাংলাকে সম্মান দিয়ে কথা বলেছেন সেই জন্য আপনাকে ধন্যবাদ। ইসলামের প্রতি আমারও আনুগত্য আছে, যেহেতু আমি মুসলমান বাবা-মার ঘরে জন্মেছি। কিন্তু এই যে বল্লেন, টাকা পয়সা, সময় কিংবা সাধারন ঘটনার পেছনে উদ্দেশ্যহীন ছুটোছুটি---তাইলে আমার একটি প্রশ্ন আপনার কাছে--রাসুলুল্লাহ (সাঃ) কে আল্লাহ কেন এই বঙ্গদেশে পাঠাইলনে না? তাইলে আমার বাংলাভাষাকেও মুসলমানরা মুখে নিয়া চুমা দিত। আল্লাহ কি বঙ্গবাসী কিংবা অন্যভাষাভাষীদের প্রতি ভিন্ন আচরন করেন নি?
তাইলে আমার আর এই উদ্দেশ্যহীন ছুটোছুটির দরকার হইতোনা। অসাধারণ ঘটনার পেছনেই ছুটতাম। কি বলেন?
নেমেসিস বলেছেন:
মুনিম সিদ্দিকী ব্রো পৃথিবীর সব ভাষাই আল্লাহর সৃষ্টি এই তত্ব কৈ পাইলেন আপনি ?? না নিজেই ঝাড়লেন ? হাহাহা .......... সামহোয়ারিনে ইদানিং ব্যপক আনন্দ পাচ্ছি
লেখক বলেছেন: আমিও পাইতাছি। হে. হে. হে.
লেখক বলেছেন: বেড়াটাতে ইলেকট্রিক শর্ট সার্কিট লাগাইলে কেমন অয়?
নেমেসিস বলেছেন:
মুনিম সিদ্দিকী রে নিয়া লেখকের প্রশ্নের জবাবে এই টা পড়তে পারেন । ব্যর্থ ঈশ্বর কেন অসংখ্যবার আরবী ভাষাভাসি অনচলে হেদায়াত দিতে নিজের লোকজন পাঠাইতেনঃ Click This Link লেখক বলেছেন: পড়লাম। আফসুস হয় আরবীদের জন্য।
মুনিম সিদ্দিকী বলেছেন:
@এফ আই দীপু,লেখক বলেছেন: কিন্তু এই যে বল্লেন, টাকা পয়সা, সময় কিংবা সাধারণ ঘটনার পেছনে উদ্দেশ্যহীন ছুটোছুটি---তাইলে আমার একটি প্রশ্ন আপনার কাছে--রাসুলুল্লাহ (সাঃ) কে আল্লাহ কেন এই বঙ্গদেশে পাঠাইলেন না?* দেখুন ভাই যদি আমার কথায় রাগ করে থাকেন, আমাকে যা বলার তা বলুন কিন্তু আল্লাহকে এভাবে টেনে আনা ঠিক নয়। আমরা জানি বস অল ওয়েজ রাইট। তাহলে বিশ্ব ব্রহ্মাণ্ডে বসকে আপনি কেমন করে জবাবদিহি করতে পারেন?
এখন আপনার প্রশ্ন আল্লাহ কেন বঙ্গদেশে তার রাসুল পাঠালেন না?
এর সঠিক জবাব এক মাত্র আল্লাহ ই দিতে পারেন, আমি সসীম মানব শুধু অনুমান করে জবাব দেবার চেষ্টা করব,
১. ইতিহাস সাক্ষী যুগে যুগে যখনই কোন একটা এলাকার মানব গুষ্টি চরম পাপাচারে লিপ্ত হয়ে পড়ে তখনই আল্লাহ তথা কার মানুষকে পরিশুদ্ধ করতে নবী রাসুলকে পাঠাতেন। সেই সময়ে বোধ হয় আজকের আরব ভূখণ্ড সব চেয়ে বেশী অন্ধকারে ডুবে ছিল বিঁধায় আল্লাহ সেখানেই তার রাসুলকে পাঠিয়েছিলেন।
২. আল্লাহ জানতেন আমাদের এই ভূখণ্ডের মানুষদের জন্য কোন নবী কিংবা রাসুলের দরকার নাই, তারা শুধু পীর দরবেশের আহ্বানেই ইসলামে দখল হবে তাই এখানে নবী পাঠান নাই।
৩. যেহেতু ইসলাম কে সার্বজনীন ধর্ম হিসাবে দুনিয়াতে পাঠাবেন তখন এমন এক ভুখণ্ড নির্বাচন করা দরকার যাতে ঐ সময় কার পৃথিবীর সব এলাকায় যোগাযোগ করা যায়, এর নিমিত্ত ই আরব ভূখণ্ডে তার শেষ নবীকে প্রেরণ টা যথার্থ ছিল। আ
৪.বাংলা কোরানের ভাষা না হলেও যেহেতু আমাদের মুখের ভাষা তাই এই ভাষাকে চুমু তো দিতেই হবে! আপনাকে কি কেউ মানা করছে?
আপনারা শিক্ষিত মানুষ, আমাদের মতো অশিক্ষিত মানুষকে ঐ কথা সুন্দর করে বুঝালেই তো আমরা চুমু খেতে কোন অসুবিধা নাই।
ধর্ম বেপারি নাই করলো, কিন্তু যারা আঁতেল তারা তা করতে অসুবিধা কোথায়?
@ নেমেসিসবলেছেন: মুনিম সিদ্দিকী ব্রো পৃথিবীর সব ভাষাই আল্লাহর সৃষ্টি এই তত্ব কৈ পাইলেন আপনি ?? না নিজেই ঝাড়লেন ?
* আপনি যে ভাবে পাইছেন পৃথিবীর সব ভাষাই আল্লাহর সৃষ্টি নাএই তত্ত্ব , আমিও সেই ভাবে পাইছি! আপনার এই যে পেন নাম নেমেসিস তাকে ও কেউ কেউ রেমেসিস বলেন তা কি জানেন? ঐ যে প্রচণ্ড শক্তিধর মানুষ যার নাম রেমেসিস ছিল, সে বলত সেই আল্লাহ, সে মানুষটা কড়খুটার মতো পানিতে ডুবিয়া মরছিল, আল্লাহ তার লোক লস্কর সবকে সলিল সমাধি করলে ও আপনাদের অসংখ্য নব্য রেমেসিসদের জন্য স্যাম্পুল হিসাবে ওর লাশটা পাহাড়ে ছুড়ে ফেলে ছিলেন, যাতে দুনিয়ার মানুষ দেখতে পায় নকল খোদার পরিণাম।
যা এখন বিজ্ঞান প্রমাণ করেছে, আপনার প্রভু নেমেনিস সত্যিই পানিতে ডুবে মরেছিল।
@ মা-আরিফুর রহমান, চেহারা একটা ষাড়ের মতো লাগলে ও মাঝে মধ্যে দেখি খুব যুক্তি যুক্ত কথা বলেন, তাতে আপনাকে নাস্তিক জেনে ও আপনার যুক্তি বাদিতাকে সম্মান করি, কিন্তু এ ষাড়ের মতো হাম্বা হাম্বা ডাকটা বড় বেমানান লাগে।
@ নেমেসিসবলেছেন: মুনিম সিদ্দিকী রে নিয়া লেখকের প্রশ্নের জবাবে এই টা পড়তে পারেন ।
* এইটা পড়াই ই আছে কিন্তু নিজের চেহারা কি আয়নায় দেখেন নাই?
এবার দেখুন গত কয়েক বছর বাঙ্গালী পুরুষ বাঙ্গালী মহিলাদের নাজেহালের সংখ্যা।
২০০৩=20,242 ২০০৪=12,815 ২০০৫= 11,426 ২০০৬=11,068 ২০০৭=14,250 এইটা কি? না বাঙ্গালী বাঙ্গালী কে এবিউজ করলে এবিউজ হয় না?
ব্যর্থ ঈশ্বর কেন অসংখ্যবার আরবী ভাষাভাসি অনচলে হেদায়াত দিতে নিজের লোকজন পাঠাইতেনঃ
* এ সংখ্যা কোন ইতিহাস থেকে পেলেন তার কি কোন রেফারেন্স দিবেন?
আমরা জানি যে মানব সভ্যতার ঊষালগ্ন থেকে আল্লাহ পৃথিবীতে ১২৬০০০ নবী রাসুল পাঠিয়েছেন, তার মধ্যে মাত্র ৬ জন নবী আরবে পাঠিয়ে ছিলেন, তারা হলেন, নূহ আঃ, হুদ আঃ, সালেহ আঃ, ইসমাঈল জবি উল্লাহ, শোয়েব আঃ ও সর্ব শেষ মোহাম্মদ সঃ।
কিন্তু আমাদের প্রতিবেশী সমাজ তারা বলে ৩৩ কোটি দেবতা শুধু এই ভারতে এসেছিলেন, এবার এই অঙ্ক টা আপনিই করুন কোন ভাষা ভাষী অঞ্চলে আল্লাহ বেশি করে হেদায়তের জন্য পাঠাইয়াছে!
সবার প্রতি অনুরোধ, যুক্তিতে কথা বলুন শিখবো। এবিউজ করে নিজের পরিচয় কে ছোট করবেন না।
আর পেন নামের আড়াল থেকে বেরিয়ে আসেন।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনার মন্তব্যের জন্য। তবে সাধারণ মানুষকে আঁতেল বলাটা মেনে নিতে পারছিনা। একটা কথা মনে রাখবেন-এই সাধারণ মানুষদের জন্যই কিন্তু সবকিছুর বেঁচে থাকা।
প্রশ্নোত্তর বলেছেন:
১২৬০০০ নবী রাসুল - এই তথ্য কোথায় পেলেন? কোরানে? না হাদীসে? একটু বলেন তো, সবাই ১২৬০০০ নবী রাসুল বলে কিন্তু সবাই বলে শোনা কথা।
লেখক বলেছেন: মু.সী'র কাছে তথ্যটা আশা করছি।
প্রশ্নোত্তর বলেছেন:
কোরানে সর্বমোট ২৫ জন নবীর উল্লেখ আছে। এর মধ্যে ২৪ জনেরই (মুহাম্মাদ ছাড়া) বাইবেলে (পুরান+নতুন) উল্লেখ আছে।
লেখক বলেছেন: আমার প্রশ্ন হচ্ছে আধুনিক বাইবেল কার লেখা? একান্তই জানার ইচ্ছা আমার।
নেমেসিস বলেছেন:
মুনিম সিদ্দিকী স্বাতু র আরেক্টা নিক ? কেমুন যানি গন্ধ মিল খায় । আসল উত্তরে না গিয়া পিছলা পিছলি খালি ।
লেখক বলেছেন: ক্ষতি কি!!!
মুনিম সিদ্দিকী বলেছেন:
@ প্রশ্নোত্তর ১২৬০০০ নবী রাসুল - এই তথ্য কোথায় পেলেন? কোরানে? না হাদীসে? একটু বলেন তো, সবাই ১২৬০০০ নবী রাসুল বলে কিন্তু সবাই বলে শোনা কথা। * এটা হযরত বায়জিদ রঃ ষ্টরি থেকে শোনা, এটার বর্ণনায় কোন সূত্র উল্লেখ নাই। তবে এটা কোরানের নয়। কোন হাদিসের থেকে হয়তো হবে। তবে আসল কথা হলো ঐ সংখ্যা দ্বারা অসংখ্যতার কথা বলা হয়েছে।
@ নেমেসিস আমার নাম মুনিম সিদ্দিকী, বাড়ী সিলেট, বাংলাদেশ আমি কোন স্বাতু কে চিনি না, তবে ইন্টারনেট এ ১৯৯৬ সাল থেকেই পারিচিত, মুনিম২০০০ আমার আই ডি , ইন্টার নেট এ সার্চ করলে আমার পুরা ডাটা পেয়ে যাবেন। আর আমি কোন রাজ নৈতিক দল করিনা। ২৪ বছর বিশ্বের ভিন্ন দেশে বাস করে এখন আমি দেশে।
এই লিংকে যান তখন বুঝতে পারবেন আমি কে ? http://www.petitiononline.com/massacre/
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ মু.সি
নেমেসিস বলেছেন:
কি দাড়াইলো শেষ মেশ ?
লেখক বলেছেন: প্রত্যেকের ক্ষেত্রেই বিচার মানি কিন্তু তালগাছ আমার।
লেখক বলেছেন: দেখতেছি।
পথিক!!!!!!! বলেছেন:
এই হলো বাস্তবতা বস এই সেই বাস্তবতা বস এই তেমন বাস্তবতা..এই তো দুনিয়া
লেখক বলেছেন: সত্য, এটাই বাস্তবতা।
মুনিম সিদ্দিকী বলেছেন:
লেখক বলেছেন: প্রত্যেকের ক্ষেত্রেই বিচার মানি কিন্তু তালগাছ আমার। * বুঝলাম না কাকে বলছেন এবং কেনই বা বললেন?
লেখক বলেছেন: সবাই স্ব-স্ব পক্ষকেই সাপোর্ট দিয়ে প্রতিষ্ঠা করবার চেষ্টা। সেটা ভুল হোক আর শুদ্ধ হোক।
দ্বিতীয়নাম বলেছেন:
আল্লারে শশরীরে হাজির-নাজির হওয়া ছাড়া আর কোন উপায় নাই।
লেখক বলেছেন: মনে হয় উনি সেই প্রস্তুতি নিচ্ছেন। কোনো খবর আছে নাকি? বি বি সি নাকি সিএনএন!!
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ
যে কোনো ধরনের লিখার উপযুক্ত কাগজ এর বেলায় ইসলাম কিছু দিক নির্দেশনা দিয়েছে। যেমন, এরূপ কাগজ পরিত্যক্ত অবস্থায় পাওয়া গেলে সেটাকে হয় পুড়ে ফেলতে হবে অথবা স্থায়ী কোনো জলাশয়ে নিক্ষেপ করতে হবে। কোথাও বলা নাই যে, আরবী লিখা কোনো কাগজ পেলে সেটাকে মুখে নিয়া চুম্বন করতে হবে। তাই ঐ লোকটি ঠিক কাজ করেনি। আর একজন না জানা লোকের কান্ড দেখে, না বুঝে ঐরূপ নাস্তিকতা গ্রহনের জন্য আবেদনও একজন না জানা লোকেরই কর্ম।
তাই আগে জানুন, বিচার করূন, তারপর সিদ্বান্ত নিন। তাহলেই আপনি হবেন বুদ্ধিমান। ভালো আর বুদ্ধিমান লোক অমুসলিম হলেও, তার দ্বারা জগতে ভালো কাজ ছাড়া খারাপ কাজের সম্ভাবনা অনেক কম। আপনার ধর্ম আপনার কাছে।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
গিফার বলেছেন:
এরকম ঘটনা একটা সাহাবি এর সাথে ঘটেছিল এখন আপনার সাথে........এই ঘটনা অনেক বার শুনেছি একদম একই ঘটনা এখন আপনার সাথে...
লেখক বলেছেন: কি আর করা। আমার উপর ওহি নাজিল হৈতেছে। ধৈর্য ধরেন। আরো ওহি নাজিল হৈলে আপনাদের কাছে লইয়া হাজির হৈমু। ভালা থাইকেন।
সীমান্ত আহমেদ বলেছেন:
পোস্ট টা ভালো লাগলো।কিন্তু ভাই নাস্তিকতার কথা আসে কেন?
আমাদের সমাজে কিছু ধর্ম ব্যবসায়ী আছে যারা ধর্ম পুজি কইরা ফায়দা লুটে অর্থনৈতিক আর কিছু বুদ্ধিজীবি আছে যারা নাস্তিকতা বেচে ইমেজ উচু করে।আমি দুই পক্ষরে ঘৃণা করি।
স্বাতু ভাই আপনার মন্তব্যগুলো অনেক ভালো লাগলো।
আপনাকে প্লাস।
লেখক বলেছেন: আপনি বুঝতে পারছেন এইজন্য আপনারেও প্লাস।
ভালো থাইকেন।
লেখক বলেছেন: এক যে ছিল রাজা। তার ছিলনা রানী। রাজকন্যার সন্ধানে দূত গেল অঙ্গ, ভঙ্গ, কলিঙ্গ, মগদ, কৌশল ও কাঞ্চি। কেউ এসে খবর দেয়, মহারাজা সেকি দেখলুম, কারো হাসিতে ঝরে পড়ে মুক্তো, কারো............। রাজা বললেন, চোপরাও। বুঝলেন, রাজার ভাগ্যে সত্যি কথা জোটেনা অনুচরদের মুখ থেকে। তাই সিদ্ধান্ত নিলেন, নিজেই যাবেন রানীর সন্ধানে।
ছোট বেলায় পড়া গল্পটার কথা কি মনে আছে?
বিডি আইডল বলেছেন:
স্বাধীনতা তুমি বলেছেন: আথচ কোরআনে অজ্ঞতে আল্লাহ তায়ালা ঘৃণা করেছেন এবং জ্ঞানীকে সম্মান দানের কথা বলেছেন।এই জ্ঞানী ছাতু এইখানে সম্মান পাইলো না...আফসোস (বাংলা--দু:খ)
লেখক বলেছেন: আমাও দুঃখ হয়। আল্লাহ জ্ঞান না দিলে মুর্খরা শিখবে কিভাবে?
েক আিম বলেছেন:
আরবী তে কোরান আছে তো তাই বলে আরবী তো আর নিজে কোরান না। আমি নিজে আরবীতে লেখা পর্ন বই দেখেছি।আর এই সব আহাম্মক গুলারে চড় মারা উচিৎ।
লেখক বলেছেন: জোরে দেন, যাতে কড়াৎ কইরা শব্দ হয়।
লেখক বলেছেন: হায় কপাল মন্দ, চোখ থাকিতে অন্ধ.......
এসটোরীয়া বলেছেন:
কোনো বিতর্কে যেতে চাই না কিন্তু না বলেও থাকতে পারছিনা "ঈশ্বর আমাকে নাস্তিক বানিয়ে দাও" কথাটা একদম ধর্মের খুবই মৌলিক নিয়ম ভংগ করছেমানুষ বাড়াবাড়ি করছে ভুল করছে করুক সেটা ধরিয়ে দেয়া যায় কিন্তু তাতে ধর্মের দোষ কথায়? I know you probably didn't really mean it but just saying so even if you didn't mean it will be counted as Kufr..
No offense but finding faith has saved my life I felt like I just had to say it or Allah wont forgive me...there's a rule about it too...
And I cant really type Bangla very well...so I'd be really happy if the fact I'm using English is ignored.
লেখক বলেছেন: আপনার কাছে একটা জিঞ্জাসা-ধর্মের মৌলিক নিয়ক কি?
ধর্ম নিয়ে একটা আর্টিকেল লিখছি। শেষ হলেই ব্লগে দেবো। আগে সম্পূর্ণ স্টাডিটা শেষ করে নিই। আশা করি আপনি আমার ব্লগে এসে সেগুলো পড়বেন এবং বিশ্লেষন করার চেষ্টা করবেন। ধন্যবাদ।
এফ আই দীপু বলেছেন:
আপনার কাছে একটা জিঞ্জাসা-ধর্মের মৌলিক নিয়ক কি? ধর্ম নিয়ে একটা আর্টিকেল লিখছি। শেষ হলেই ব্লগে দেবো। আগে সম্পূর্ণ স্টাডিটা শেষ করে নিই। আশা করি আপনি আমার ব্লগে এসে সেগুলো পড়বেন এবং বিশ্লেষন করার চেষ্টা করবেন। ধন্যবাদ।
সাংবাদিক বলেছেন:
এতোগুলো মন্তব্য দিয়ে ফেলেছে ব্লগাররা, আপনাকে অভিনন্দন। প্রায় ২শ' এর মতো মন্তব্য অর্জন করার। আমি যা বলতে চেয়েছিলাম,,,,, তা তো পূর্ববর্তী ব্লগাররা বলে ফেলেছেন।তো ভাই শুভ বিদায়।
লেখক বলেছেন: আবারো শুভ আগমন আশা করছি। ধন্যবাদ
লেখক বলেছেন: আবারো শুভ আগমন আশা করছি। ধন্যবাদ
এফ আই দীপু বলেছেন:
আবারো শুভ আগমন আশা করছি। ধন্যবাদ
চন্দ্র্রালোক বলেছেন:
ইংরেজী ভাষাকে বলা হয় ইন্টারন্যাশনার ভাষা, তেমনি আরবী ভাষাও কেয়ামতের ময়দানে সার্বজনিন - তাই ইহকালেও মুসলিম ধর্মাবলম্বীদের কাছে এ ভাষা শ্রেষ্টত্বের মর্যাদা পাচ্ছে। আরবী ভাষার প্রতি সাধারন মুসলমাননরা যে অনুভতি প্রকাশ করছে তারর পেছনে এটিও একটি অন্যতম কারন।
লেখক বলেছেন:
েক আিম বলেছেন: আরবী তে কোরান আছে তো তাই বলে আরবী তো আর নিজে কোরান না। আমি নিজে আরবীতে লেখা পর্ন বই দেখেছি।
কোনো জবাব আছে কি? নাকি ওইটারেও ধইরা চুমা খাইবেন? @ চন্দ্রালোক
মানবজমিন বলেছেন:
ভালো লিখছেন।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ, ভালো থাকবেন।
মানচুমাহারা বলেছেন:
মনের অন্ধকার দূর করার জন্য শিক্ষাগ্রহণ টা বেশি জরুরী।
লেখক বলেছেন: সম্ভবত খাঁটি কথা কইছেন।
লেখক বলেছেন: পথের দিশাটা আপ্নেই দেখাইয়া দ্যাননা। আপ্নের উপর ওহি নাজেল হউক দোআ করি।
"বিধাতাকে বলি- হে ইশ্বর আরবী অক্ষরকে সম্মান জানানোর জন্য আমার মাকে অপমান করতে পারবোনা। তুমি আমাকে নাস্তিক বানিয়ে দাও। "
বিধাতা টা কে? আর ইশ্বর টা ই বা কে? এরা কি নাস্তিকদের দেবতা নাকি? এই পোষ্ট নিয়ে এত গুতাগুতি? ব্লগের আত্মস্বীকৃত নাস্তিকদের জ্ঞানগম্যির এই দশা হলে বর্তমান সময়ের আস্তিকদের অবস্থা কি?
লেখক বলেছেন: তো আপ্নিই লিখে ফেলেন্না একখান মহাকাব্য। যেটা নাস্তিকরা ধর্মগ্রন্থ হিসাবে ব্যবহার করবে। আপ্নার জ্ঞানের বহর দেখতে খুবই ইচ্ছা করতাছে।
বুঝেও না বোঝার ভান ধরে থাকলেতো কিছুই করার নেই ব্রাদার।
নাজমুল। বলেছেন:
দীপু ভাই কেমন আছেন? আপনার লেখা ভাল লাগলো।তবে এটা বলে নেই কোরআন এবং হাদিস এ কোথাও কিন্ত বলা নেই আরবি লেখা নিচে পরে থাকলে সেটি তুলে চুমা খেতেই হবে।
লেখক বলেছেন: ভালো আছি নাজমুল। আপনি কেমন?
ধন্যবাদ।
নাজমুল। বলেছেন:
দীপু ভাই ভাল আছি।আমরা সবাই আমাদের ভাষাকে সম্মান করি।কিন্তূ আমরা সবাই বলি ২১ এ February.বাংলায় কি মাস নেই।
লেখক বলেছেন: গাফফার চৌধুরী আসলে বাংলা তারিখ ঠিকমতো জানেন্না। আর আমরাতো ভাই হুজুগে বাঙ্গালী। যা পাই তাই গিলে খাই।
রক্তাক্ত যোদ্ধা বলেছেন:
আচ্ছা, কমেন্টগুলো কি মূল বক্তব্য থেকে অনেক সরে যাচ্ছে না? আসুন আমরা মূল বক্তব্যে ফিরে যাই...............
লেখক বলেছেন: থাকতেতো চাই, কিন্তু পাবলিক না বুঝলে কি করার আছে?
তৎসম বাঙালি বলেছেন:
আমিও পিতারে তাই কৈছিলাম! পিতারে মানে ঈশ্বররে। কৈছিলাম যে, পিতা আমার আর যীশু খ্রীষ্ট হৈয়া কাম নাই। তুমি বরং আমারে হুমায়ুন আজাদ কৈর্যা দ্যাও। কিন্তু শুনলো কৈ? সেই তো ঠিক ঠিক ক্রুশেই ঝুলতি হলো। ধন্যবাদ, বন্ধু!
বাংলাকে বাদ দিয়া আমাদের স্বর্গ-হুর-গেলমান কিচ্ছুরি দর্কার নাই।
বাঙলা বাঙালির হোক। বাংলার জয় হোক। বাঙালির জয় হোক।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে।
লেখক বলেছেন: দুক্কে আত্মহত্যা খাইতে ইচ্ছা করতাছে।
লেখক বলেছেন: চিন্তা করিয়াছি। চিন্তা করিয়া সাহেবহ্যাপিরে ছাগু সম্প্রদায়ের লোক বলিয়া মনে হইয়াছে।
লাল সবুজের চিঠি বলেছেন:
আসলে আমরা নামেই মুসলমান।নিজেদের কথা ভাবলে দুঃখ হয়।
আসলে ঐ লোকটি যা করেছে তা মূলত ইসলামকে না জানার ফল।
আর দীপু ভাইয়াকে ধন্যবাদ ছোখে আংগুল দেখিয়ে সত্য দেখিয়ে দেয়ার জন্য।তবে ভাইয়া "আল কুরআন" অর্থসহ একবার পড়ুন বিশ্বাস করুন নাস্তিক হতে ইচ্ছা করবে না।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ লা.স.চি
লাল সবুজের চিঠি বলেছেন:
ভাইয়া লা.স.চি এর অর্থ কি?
লেখক বলেছেন: লা.স.চি. হলো লাল সবুজের চিঠি-এর সংক্ষেপ।
পাগলা মন বলেছেন:
যা েবটা নাসিতক হোয়ার জনন কচু গােছ গলায় দিড় েন...........মরার পের বুঝিব ...........
লেখক বলেছেন: অতি উরত্তম পরস্তাব।
বাজারে যত ঠোংগা পাওয়া যায়, তার বেশির ভাগের মধ্যে বাংলা লেখা খূজে পাবেন , আর ঠোংগার শেষ গন্তব্যস্হল কোথায় তা বোধ করি বলার প্রয়োজন নেই । একই অবস্হা হয় পুরোনো সংবাদ পত্রিকার । এই দৃষ্টিকোণ থেকে বিবেচনা করলে বলবো দীপু ভাই কিন্চিত প্রতিক্রিয়াটা বেশী দেখিয়ে ফেলেছেন।
এ দেশের সাধারণ মানুষ একটু বেশীই খোদা ভীরু । সে বিবেচনায় ঐ ভদ্রলোকের এহেন আচরণকে ( যদিও তা কাম্য নয় ) কি স্বাভাবিক বলবেননা দীপু ভাই ?
আপনার লেখার জন্য ধণ্যবাদ।
লেখক বলেছেন: মনে হয় আমার আবেগটাই বেশি। তবে একটা কথা কি জানেন, মাতৃভাষার জন্য এমন আবেগ আমার যে চিরদিনই থাকে।
লেখক বলেছেন: সাধু সাবধান........... খিকজ
লেখক বলেছেন: শব্দটা কি নাক দিয়ে বেরোয় না মুখ দিয়ে??
বিবর্তনবাদী বলেছেন:
কৌতুহল বশত আমি পিছনে গিয়ে আরবী কাগজটি কুড়িয়ে নিলাম। আবরী বুঝিনা তাই ছুটলাম অনুবাদ কেন্দ্রে। কাছেই পেয়ে গেলাম। ওখান থেকে ১০০ টাকার বিনিময়ে আরবী লেখা কাগজটি অনুবাদ করালাম। অনুবাদে দাঁড়ালো এই-সৌদি আরবে প্রতিষ্ঠিত একটি কোম্পানীতে ২০ জন দক্ষ শ্রমিক আবশ্যক। শ্রমিকদের থাকা এবং চিকিৎসা ফ্রী। ওভারটাইম ৪ ঘন্টা।
অনুবাদ পড়ে আমিতা আক্কেলগুড়ুম। ১০০ টাকা ফুরুৎ!
কামটা একটু বেশী আতলামী মার্কা হইয়া গেল না
লেখক বলেছেন: ১০০ টাকা ফেরত দিবেন্নি!!
নয়োন বলেছেন:
যে ভদ্রলোক না জেনে আরবী কাগজ চুমো খেলেন সেটা নিতান্তই তার অজ্ঞতা বা তার ব্যপার। ঠিক আছে? কিন্তু আপনি যেভাবে সুড়সুড়িমুলকভাবে লিখে ধর্ম/ভাষার বিরুদ্ধে একটা আবহাওয়ার সৃষ্টি করছেন তা কাম্য নয়। কই আপনারা তো কিছুই লেখেন না যখন দেশের প্রায় প্রতিটি ঢাকা-চট্রগ্রাম বাসে হিন্দি গান / ছবি প্রদর্শিত হয়, দেশের কনসার্টে দেশীয় শিল্পীরা হিন্দি গান পরিবেশন করেন, বাংলা বাদ দিয়ে যেখানে সেখানে আজকাল হিন্দি শব্দ ব্যবহৃত হয়। বাংলাদেশি রেডিওতে তো এখন দেদারসে সারাদিন হিন্দি গান বাজে। কিন্তু নাহ, সেসব কারনে কারো নাস্তিক হতে ইচ্ছে করেনা।
কোথাকার কোন লোক আরবী চুমো খেল, দেশ রসাতলে গেল, মানুষ নাস্তিক হয়ে গেল। এসব ছোটখাট ব্যক্তিগত ঘটনাকে ইস্যু না করে যেগুলো সত্যিকারভাবে বাংলা ভাষাকে অপমান করে, পারলে সেগুলো নিয়ে লিখুন বা কিছু করেন।
লেখক বলেছেন: ধর্ম আর ভাষা কি এক জিনিষ? শিল্পের সঙ্গে আপনি ধর্মকে তুলনা করছেন। যুক্তি দিয়ে ব্যাখ্যা করুন প্লিজ।
অনুভূতি প্রকাশ করার স্বাধীণতা নিশ্চয়ই আপনি গলা টিপে খুন করতে পারেন না। অন্তত এই স্বাধীন দেশে। আপনার আসল বক্তব্য কোনটি সেটা ক্লিয়ার করুন। না বুঝে কামাল-এর মতো চিৎপটাং হবেন না।
নয়োন বলেছেন:
Okay, let me explain this to you in layman's term. So bascially you are objecting this man kissing Arabic paper. Very well, let's ignore the language for a minute. For the sake of the argument we will assume it's a different language. Lets pretend he was kissing an English newspaper. My question to you then is, would you still object the same way? Or you are just sensationalizing the petty incident to portray a negative image of a pious man (albeit ignorant)?
You see my problem with people like you is that what really damages Bangla, Bangladesh or it's culture are gone unnoticed. Yet you scream foul when a random man on the street decides to kiss an Arabic paper. What about the contamination of Bangla language in your national media?
Yah, I know you guys. You guys like to come to the street and protest when the government tries to ban Hindi channels. That really show's how much you love. What a hypocrite.
By the way don't try to spin my comment again. Where have I objected your rights to express your opinion? Trying to get some sympathies because I'm critical of your opinion? That makes it even more easy then. Since you have the freedom to speak your mind, that man in your story has every right to kiss, stamp on any paper, any language and you should not have any problem whatsover with it.
What you fail to comprehend is that this random man's action has no impact on anybody other than himself. If he choses to remain ignorant, pious or however you see it, it's his problem. If you have the guts and you really want to do something for Bangla, then start by speaking in Banglish manner, stop infiltrating Bangla language with Hindi and overall stop your India fetish.
লেখক বলেছেন: আমি বুঝতে পেরেছি আপনি কি বলতে চেয়েছেন। বাট কথাগুলো আপনি বাংলায় অনুবাদ করে দিলে আমার বুঝতে আরো বেশি সুবিধা হয়। পাঠকদের কথাটাও বিবেচনায় আনবেন। তারপর যুক্তি তর্কে আসুন।
ফয়েজ ০৮ বলেছেন:
কোরআনে আছে ''মায়ের পদতলে সন্তানের বেহেশত''
ফয়েজ ০৮ বলেছেন:
কোরআনে আছে ''মায়ের পদতলে সন্তানের বেহেশত'' কথাটি কোরআনে নয়, হাদিসে আছে।আপনার লেখা ভালো লাগলো। তবে এতো ইমোশনাল হওয়া মনে হয় ঠিক নয়।
দয়া করে ভুল বুঝবেন না।
লেখক বলেছেন: আপনার তথ্যটা ঠিক, তবে অবশ্যই মুহাম্মদ সাঃ-কে আল্লাহ বলেছেন বলে ই তিনি এমন কথা মুখে উচ্চারন করেছেন। তো কথাতো একই হলো।
আপনাকে ভুল বোঝার কোনো কারন নেই। আপনি আপনার মন্তব্য জানিয়েছেন। সেজন্য ধন্যবাদ।
নগর সংগীত বলেছেন:
বিধাতাকে বলি- হে ইশ্বর আরবী অক্ষরকে সম্মান জানানোর জন্য আমার মাকে অপমান করতে পারবোনা। তুমি আমাকে নাস্তিক বানিয়ে দাও।
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...




















এ কোন দীপু?????????
এক কেমন দীপু??????
নিশ্চয়ই দীপু নম্বর টু!!!!!!!!!