আমি বি এন পি কে সমর্থন করলেও কখনো আশা করিনি ভোলা উপনির্বাচনে বি এন পি জিতবে। এই নির্বাচনে আওয়ামী লীগের বিশাল ব্যবধানে জেতা ছাড়া আসলে উপায়ও ছিলো না। অনেক চ্যাম্পিয়ন্স লীগের বার্সেলোনার পরের হোম ম্যাচের মত... দেশ বাসীকে এবং আবাল বিশ্ব মিডিয়া কে বোঝাতে হবে আওয়ামী লীগ দেশকে উন্নয়নের সাগরে ভাসিয়ে দিচ্ছে তাই বড় ব্যবধানে জেতার বা বলতে গেলে জেতার বিকল্প ছিলো না তাদের। বলা বাহুল্য তার সম্পুর্ণ প্রস্তুতি যে নিয়ে রেখেছিল তা ঘটনা প্রবাহ থেকেই বোঝা যায়। শুধু আজকের ২৪ ঘন্টা প্রিন্ট মিডিয়া আর টিভি মিডিয়ার খবর দেখলেই তা বোঝা যায়। আগে তো প্রিন্ট মিডিয়া থেকে খবর পড়তাম তার সত্যতা নিয়ে অনেকে প্রশ্ন তুলতো কিন্তু এখন যখন ক্যামেরা সাথে করে সত্য তুলে নিয়ে আসে তখন মানুষ কিভাবে অবিশ্বাস করবে। যাইহোক এত কিছুর পরে সবাই যে সত্যতা জানবে তা হলো 'আওয়ামী লীগ এই উপনির্বাচনে জয়ী হয়েছে' এটা তারা ভোট না করেও হতে পারতো- আমার মনে হয় শুধু লজ্জার কারনে এই ঘোষনা তারা দিতে পারেনি।
কিন্তু এই লজ্জা টা তারা না পেলে এত টাকা খরচ করে নির্বাচনও করতে হতো না আবার এত সহিংসতা, এত রক্তপাতের দরকার পেত না...এলাকার সাধারণ মানুষ কয়েকদিন শান্তিতে থাকতে পারতো। উপরন্তু এতো বিশাল ব্যবধানের জয় দেখাতে গিয়ে 'চোরের মায়ের বড় গলার' মত ব্যাপার হয়ে গেলো। বাংলাদেশী রা আবাল না যে তারা এই ভোটের ব্যবধানকে আসলেই সরকারের সাফল্যের কারন হিসেবে মেনে নিবে। তাও যদি মি শাওন 'মাহাথির মোহাম্মদ' টাইপের কিছু হতো। সুতরাং সব মিলায়ে বি এন পি র এই একটা সী্ট নিয়ে তেমন কিছুই হতনা, বরং আওয়ামী লিগের এই সিটটা নিজেদের ইজ্জত রাখার জন্যে খুব দরকার ছিল। সেই দরকার তারা 'জিয়া বিমান বন্দরের নাম পরিবর্তনের' মত করেই মিটাতে পারতো। এত টাকার শ্রাদ্ধ করার দরকার ছিলো না...এতো কিছুর দরকার ছিল না...

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


