আমার প্রিয় পোস্ট

পাহাড়ে সমতলীর বসবাসের অধিকার ও CHT কমিশনের মতলব

২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:৪১

শেয়ারঃ
0 27 0

শেখ ফজলে এলাহী আপনাকে আমার একজন "সুশীল" বলতেই হচ্ছে। সেই সঙ্গে "সুশীল" আপনার সমাধান প্রস্তাব। Click This Link
আপনি যদি নেহায়েতই "সুশীল" ভাবনায় গলে গিয়ে এই প্রস্তাব দিয়ে থাকেন তবে বলতে হয়, বদ-মতলবিদের পাল্লায় পড়ে আপনি যে আত্মঘাতি হয়েছেন সেটা বুঝবার মত অবস্হাতেও আপনি নাই। আর যদি জেনেশুনে এই প্রস্তাব দিয়ে থাকেন তবে আপনি সরাসরি বদ-মতলবির দলে।

আপনি শেখ মুজিব থেকে শুরু করলেন কেন? শেখ মুজিব কী কাপ্তাই বাঁধ দিয়েছিলেন? নাকি আগেই উত্তরাধিকার সূত্রে পূর্বপাকিস্তান থেকে পাহাড়ি সমস্যা পেয়েছিলেন?
যদিও এটা সত্যি যে পুরানো সমস্যাটাকে তিনি জাতীয়তাবাদের দম্ভে খাটো করে জবরদস্তি করতে গিয়েছিলেন, এবং সবচেয়ে গুরুত্ত্বপূর্ণ হলো একাজে তাকে উৎসাহিত করেছিলেন, সংবিধান "বিশারদ", "প্রণেতা" কামাল হোসেন এন্ড গং।

এবার আপনার শিরোনামের শেষটা দেখুন। আপনি শেখ মুজিব থেকে শুরু করে সবার মধ্যে - আগুন দেয়া, ঘি ঢালা, ফু দেয়া, ষড়যন্ত্র - সবই দেখতে পেলেন কিন্তু কলোনি লর্ড আ্যববুরি ও তাঁর বাংলাদেশী "সুশীল দোসর" চাকরবাকর এবং তাদের সংগঠন "CHT কমিশন" - এদেরকে দেখতে বা চিনতে পেলেন না। কেন? আপনার পুরা আলোচনায় এই - লর্ড তাঁর চামচ আর কমিশন - এগুলোর তৎপরতা ভুমিকায় আপনার চোখ পরলো না কেন? আপনি এই লর্ডদের প্রস্তাবই নিজের প্রস্তাব বলে হাজির করেছেন তাই?

লর্ডদের এই প্রস্তাবই বা আপনার প্রস্তাবের সোজা মানে হলো, পার্বত্য চট্টগ্রামকে বাংলাদেশ থেকে আলাদা করতে চাওয়া। লর্ডের ট্র্যক রেকর্ড দেখুন, পূর্ব তিমুরে তিনি কী করেছেন। আর এবারের ঐ একই সংঘর্ষের দিনে কয়েক ঘন্টার মধ্যে ভারতের সরকারের সাথে ঘনিষ্ট তথাকথিত মানবাধিকার সংগঠন "এশিয়ান সেন্টার ফর হি্উম্যান রাইটস"এসিএইচআর জাতিসংঘের হস্তক্ষেপ দাবী করে বিবৃতি দিয়েছে, এই হায়নার দল আপনার তালিকায় জায়গা পেল না। জাতিসংঘের হস্তক্ষেপ বুঝেন তো? ব্লু হেলমেট; মানে জাতিসংঘের শান্তিরক্ষী বাহিনী। ভারতের এই মানবাধিকারের প্রবক্তাদের ফর্মুলা অনুযায়ী তো ভারতেই কয়েক শ বার গুজরাট, কাশ্মিরে ব্লু হেলমেটে ভরে যাবার কথা। অথচ আপনার চোখে পড়ল না এই বিবৃতি। এর মানে কী আপনি চান বাংলাদেশ ব্লু হেলমেটের নামে বিদেশিদের লীলা ক্ষেত্র হয়ে উঠুক।
যারা শান্তি মিশনে সেনা খ্যাপ মেরে এসেছে এমন কোন অফিসারকে খুঁজে বের করে একবার জেনে নেনে ঐদেশের মানুষ, সেনা সবার মর্যাদার কী হাল দেখে এসেছে। ভেবেন না আপনি এমন প্রস্তাবক বলে আপনি এর বাইরে থাকবেন।
লর্ডের এই ব্লু হেলমেট ফর্মুলাতেই পূর্ব তীমুর আলাদা হয়েছিল।

আমার উপরের কথার সারকথা হলো, পার্বত্য চট্টগ্রামের সমস্যাকে বাংলাদেশ রাষ্ট্রের নিরাপত্তা সমস্যা, নিরাপত্তার জন্য হুমকি তৈরির ইস্যুতে উত্তরণ ঘটাতে চাচ্ছে, বাংলাদেশ রাষ্ট্রকে ছিন্নভিন্ন করে করে ফেলার চেষ্টা এটা - এই ঘোলা জলে মাছ শিকারে নেমেছে লর্ড আ্যববুরি, তার বাংলাদেশি কিছু চাকর-বাকর আর ভারত। এদের নাম বাদ দিয়ে আপনার এই পাঠক সহানুভুতি যোগাড়ের চেষ্টা আপনাকে বাদ দিতে হবে।

পার্বত্য চট্টগ্রামের ভুমি সমস্যা আমরা কী করে সমাধান করব সেটা এখন আর মুল ইস্যু নয় - বাংলাদেশ রাষ্ট্রের নিরাপত্তা সমস্যা তৈরি করছে যারা সেই হায়নার দলের বিরুদ্ধে আমাদের ঐক্যবদ্ধ হয়ে রুখে দাঁড়াতে হবে। নইলে বাংলাদেশকেও বাঁচানো যাবে না। এরা শেখ হাসিনাকেও গিলে খাবে। কাউকে ছাড়বে না, মাইনাস ফর্মুলার কিছুই দেখেন নাই এখনও। কাজেই এটাই আমাদের প্রথম কাজ।

এবার দ্বিতীয় প্রসঙ্গ:
পাহাড়ি এলাকায় সমতলের কেউ বসবাস করতে পারবে কী না? এটাই আপনার পোষ্টের মুল বিতর্ক, প্রায়ই ব্লগের মুল ইস্যু হয়ে উঠে, পক্ষে বিপক্ষে আমরা কথা বলছি।

রাগ ইমন ঠিকই বলছেন, সাংবিধানিকভাবে এটা সারা বাংলাদেশের সব নাগরিকের অধিকার। কোন কোর্টও এটা রুখতে পারবে না কারণ এটা সাংবিধানিক অধিকার।

কিন্তু নীচে না নেমে খোঁজ করে দেখার কারণে, আমরা সাজানো তর্কের ফাঁদে পরেছি।

প্রথমত পাহাড়ে বসবাসের অধিকার সবার আছে। এটা শেখ হাসিনা বা কোন সরকার প্রধান বা রাষ্ট্রপতি কেউই সন্তু লারমা বা কারও সাথে এমন চুক্তি (accord) করতেই পারবে না যা সমতলীদের পাহাড়ে "বসবাসের অধিকার" নাকচ করে। যদি করে তবে নিশ্চিত থাকতে পারেন কোর্ট সে চুক্তি বাতিল বলে ঘোষণা করতে বাধ্য, এমনকী কোন দলীয় ব্যকগ্রাউন্ডের বিচারক হলেও।

তাহলে সমস্যাটা কোথায়?
আমরা "বসবাসের অধিকার" নিয়ে তর্ক করছি। "বসবাসের অধিকার" মানে কী কোন পাহাড়ি বা সমতলীর জায়গা জমি দখল করে বসবাস? এটাই হলো আমাদের চিন্তার গন্ডগোলের জায়গা। "বসবাসের অধিকার" থাকা মানে অন্যের জমি দখল করার অধিকার নয়। কেবল পাহাড়ি এলাকায় কেন, ধরেন বগুড়াও গিয়েও কোন সমতলী কী অন্য কারো জমি দখল করে বসবাস করতে পারে? নিশ্চয় পাঠক সবাই বুঝতেই পারছেন, এর প্রশ্নই আসে না।
কনষ্টিটিউশনে ও কোর্টের সায় দেয়া - "বসবাসের অধিকার" মানে অন্যের (এমন কী সরকারি খাস জমিতে) জমি বেদখল করে বসবাসের অধিকার বুঝায় না।

কাজেই সারকথা হলো, পাহাড়ি এলাকায় সমতলী যে কেউ নিজের বৈধ মালিকানা জমিতে অথবা বৈধ মালিক কারও বাসা বা জমি ভাড়া নিয়ে বসবাস, ব্যবসা করতে পারবে। দুনিয়ার কেউ নাই এটা বাধা দিতে পারে; তাতে কোথাও কোন শান্তিচুক্তি একটা হোক আর নাই হোক।

তাহলে আমরা কি এতই গর্ধব, বেকুব যে এই সামান্য "বসবাসের অধিকার" কথাটার অর্থ না বুঝেই চিল্লাচিল্লি করছি। না, আমরা কেউই গর্ধব, বেকুব নই। কথাটা উঠার একটা কারণ আছে। এই কারণের ভিতরেই কারা বাংলাদেশ রাষ্ট্রের নিরাপত্তা সমস্যা, হুমকির মুখে ফেলতে চায় তাও বুঝা সম্ভব। এরাই "বসবাসের অধিকার" এই সহজ কথাটা কৌশলে সহজ মানে থাকতে দেয়নি।

পাহাড়ি যারা ভুমি অধিকার নিয়ে লড়ছে এরা একটা ভূমি ব্যবস্হা চাচ্ছে যাতে উদ্বাস্তু জীবনের আগে সকলে যে যে জমিতে বসবাস, চাষাবাদ জীবিকা নির্বাহ করছিল সেখানে ফিরতে পারে। এককথায় এটাই মুল সমস্যা, সব বিতর্কের কেন্দ্র বিন্দু। এটা সমাধা করা গেলে বাকী অন্যান্য সবকিছু সমাধান করা সহজ।

কিন্তু বদ-মতলবীর অভাব নাই। পাহাড়ি মানুষের ভুমি অধিকারের আকাঙ্খাকে, দাবীকে ব্যবহার করে এর ফাঁক গলে একটা প্রচার সামনে নিয়ে এসে ফেলেছে এরা; প্রচারটা হলো, যেন পাহাড়ি মানুষের ভুমি অধিকারের আকাঙ্খার মানে হলো, পাহাড়ি এলাকায় কোন সমতলী বসবাস করতে পারবে না। অর্থাৎ বৈধভাবে পাহাড়ি-সমতলীর সহবস্হান কোন সম্ভাবনা যেন না থাকে। সহবস্হানের সমস্ত শর্ত যেন শেষ করে ফেলা যায়।
এটা অত্যন্ত ক্রুসিয়াল, গুরুত্ত্বপূর্ণ পয়েন্ট। কারণ পাহাড়ি-সমতলীর সহবস্হান কোন সমাধান নয় - একমাত্র এই দাবি আকারে ইঙ্গিতে জোরালো প্রচারে প্রতিষ্ঠা করা মানেই বিচ্ছিন্ন হওয়ার দিকে পরিস্হিতিকে ঠেলে দেয়া সম্ভব করে ফেলা। বদ উদ্দেশ্য সফল।

আকারে ইঙ্গিতে বললাম এজন্য যে আনুষ্ঠানিক কোন আলোচনায় কোন পাহাড়ি নেতার পক্ষে বৈধভাবে পাহাড়ি-সমতলীর সহবস্হান বিরুদ্ধে কোন কথা, কোন দাবি তোলার তাদের সুযোগ নাই। বৈধভাবে অর্থাৎ কোন সমতলীই এমন জমিতে বসবাস করতে পারবে না যেটার আইনী মালিক সে নিজে নয়, অথবা তা সরকারের নিজস্ব বা খাস জমিও নয় ফলে তা বরাদ্দেরও প্রশ্ন নাই; আরও সাধারণভাবে বলি, ধরে নেই কোন এক আদর্শ ব্যবস্হায় বা ফর্মুলায় ভুমি কমিশন একটা নতুন ভূমি ব্যবস্হায় সমাধান হাজির করতে সক্ষম হলো; ফলে এটাও বৈধ সমাধান।

পাহাড়ি নেতাদের কারও পক্ষে সে সুযোগ নাই এর মেলা কারণ আছে:
১. বাংলাদেশ রাষ্ট্রের কনষ্টিটিউশনের বিরুদ্ধে যায় এমন কোন দাবি করে সেই কনষ্টিটিউশনের অধীনেই আবার পাহাড়িরা বাংলাদেশের নাগরিক হয়ে থাকতে পারে না।
২. শান্তিচুক্তির প্রথম ভিত্তিমূলক একটা কথা লেখা আছে যে, বাংলাদেশের কনষ্টিটিউশন মেনেই পাহাড়িরা চুক্তিতে স্বাক্ষর করছে।
৩. এমনিতেই কনষ্টিটিউশনের বাইরে গিয়ে কোন দুই পক্ষ আঁতাত করে কোন চুক্তি করলেও আমাদের কোর্টে সেই চুক্তিই বাতিল হয়ে যাবে।
৪. বৈধভাবে পাহাড়ি-সমতলীর সহবস্হান যদি পাহাড়িরা নাই চায় তবে পাহাড়িদের সমঝোতা চুক্তি করতে আসার কোন মানে হয়না, দরকারই বা কী?
এরকম আরও পয়েন্ট বলা যাবে কিন্তু পাঠককে মুল বিষয়টা বুঝাতে পেরেছি মনে করে এখানেই বিরত থাকছি।

আশা করি বদ-মতলবীদের গোড়াটা দেখাতে পেরেছি।
এই বদ-মতলবীর শিরমনির ভুমিকায় নেমেছে লর্ড আ্যববুরি, তার বাংলাদেশি কিছু চাকর-বাকর আর তাদের সংগঠন "CHT কমিশন"। পাহাড়ি জনগণ ও নেতাদের এরা ভাল মতন তা দিচ্ছে। অথচ এই হায়নার গুষ্ঠি ভাল করেই জানে, পাহাড়ি জনগণের ভুমি অধিকারের আকাঙ্খার মানে এই নয় যে, পাহাড়ি এলাকায় কোন সমতলী "বসবাস করতে" পারবে না"। এমন মানে বের করা যায় না।

এরা জানে পাহাড়ি এলাকায় কোন সমতলী "বসবাস করতে" পারবে না" এই দাবি:
১. ১৯৯৭ সালের শান্তিচুক্তির মৌলিকভাবে বিরোধী (কারণ)
২. বাংলাদেশের কনষ্টিটিউশনের বিরোধী, কোন আদালত এই দাবি বা চুক্তি গ্রাহ্য করবে না বরং বাতিল করে দিতে বাধ্য।
৩. (করে বলে) বৈধভাবে পাহাড়ি-সমতলীর সহবস্হান কোন উদ্যোগ, এনজিও কার্যক্রম - মূল কথা সহবস্হানের কোন ধারণা তাদের তৎপরতায় রাখে নাই।

"CHT কমিশন" বাংলাদেশে কে? কী এর এক্তিয়ার?
সন্তু লারমার সাথে ১৯৯৭ সালের চুক্তির পর এই চুক্তির বাস্তবায়ন "মনিটরিং" করার এক মানবাধিকার সংগঠন হিসাবে উসিলায় এসব হায়নার প্রবেশ ঘটে। এখন "মনিটর" নিজেই কীবোর্ড হয়ে ইনপুট দিতে শুরু করেছে শুধু না, হুকুমের মালিক সেজেছে। সে নিজেই বৈধভাবে পাহাড়ি-সমতলীর সহবস্হান বিরুদ্ধে সমস্ত তৎপরতার প্রধান কেন্দ্র ও বিচ্ছিন্নতার মুখপাত্র হয়ে গেছে। সরকারকে দাবি জানাচ্ছে, সাধারণভাবে সমতলীদের "বসবাসের অধিকারের" বিরুদ্ধে পাহাড়িদের তাতিয়ে তুলে বলছে বাঙালীদের ফিরিয়ে নিতে হবে। এটাই নাকি একমাত্র সমাধান।

আমরা এবং সরকার ভুমি কমিশনের মাধ্যমে কোন সমাধান যদি বের করতে চায়, সরকারি মালিকানাধীন জমিতে যদি কাউকে পুনর্বাসিত করতে চাই - না সেটাও সরকারের করার কোন সুযোগ তাঁরা রাখতে রাজী না।
ভুমি কমিশন কাজই করতে পারলো না, কোন মাঠের সমাধান বের করা সম্ভব কি না তাও যাচাইয়ের কোন সুযোগ পেল না - এরা আমাদের সে সুযোগ দিতে চায় না। কোন শান্তিপূর্ণ সহাবস্হানের সমাধানের লক্ষ্যে কোন কাজ যেন না হয় - এটাই এর মূল লক্ষ্য। পাহাড়ি-বাঙালি পরপস্পরকে মেরে কেটে রক্তের হোলিখেলায় যেন মেতে উঠে - এছাড়া আর কোন সমাধান নাই এটাই যেন প্রমাণ হয় - সে পথে সবাইকে ঠেলে দিচ্ছে এরা। আর জাতিসংঘের শান্তিবাহিনী নামানোর জায়গা তৈরি করছে।

আমরাও পক্ষে বিপক্ষে ভাগ হয়ে এই হায়নাদেরকে চিনতে পারছি না। কে আমাদের এসব হায়েনাদের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ করবে!

 

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): CHT কমিশনপার্বত্য চট্টগ্রামবসবাসের অধিকার ;
সর্বশেষ এডিট : ২৭ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ ভোর ৫:০৭ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:৫৫
অলস ছেলে বলেছেন: ধন্যবাদ। সবাই যেন চোখ বুজে আছে। যতই আসুক প্রলয় দেখবো না আমি দেখবোই না। এই হলো সভ্যতা, ছক কাটা দাবার বোর্ডে আমাদের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব জনগণের স্বার্থ সব বন্দী। তাদের চোখে, এখন আপনি জুজুর ভয় দেখাচ্ছেন, আর সত্যিই আলাদা হবার পর বলা হবে বাস্তবতাই এর কারণ।
২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১:৩৭

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ অলস ছেলে।
মুল সমস্যা আমি মনে করি একটা রাষ্ট্র ও একে প্রতিরক্ষা করতে পারা কী জিনিষ - আমাদের সামাজিক চিন্তায় এখনও এটা জায়গা করে নিতে পারেনি। অথচ আমরা রাষ্ট্র।

২. ২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:৫৬
মোসতফা মনির সৌরভ বলেছেন: চরম বিশ্লেষনধর্মী পোস্ট, অনেক ধন্যবাদ এই পোস্টের জন্য।
২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১:৩৯

লেখক বলেছেন: পড়বার জন্য ধন্যবাদ, মোসতফা মনির সৌরভ।

৩. ২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:৫৮
রাগ ইমন বলেছেন: "বসবাসের অধিকার" থাকা মানে অন্যের জমি দখল করার অধিকার নয়। কেবল পাহাড়ি এলাকায় কেন, ধরেন বগুড়াও গিয়েও কোন সমতলী কী অন্য কারো জমি দখল করে বসবাস করতে পারে? নিশ্চয় সবাই বুঝতেই পারছেন, তার প্রশ্নই আসে না। কনষ্টিটিউশনে ও কোর্টের সায় দেয়া - "বসবাসের অধিকার" মানে অন্যের (এমন কী সরকারি খাস জমিতে) জমি বেদখল করে বসবাসের অধিকার বুঝায় না।

---------------------------

এই বদ-মতলবীর শিরমনির ভুমিকায় নেমেছে লর্ড আ্যববুরি, তার বাংলাদেশি কিছু চাকর-বাকর আর তাদের সংগঠন "CHT কমিশন"। পাহাড়ি জনগণ ও নেতাদের এরা ভাল মতন তা দিচ্ছে। অথচ এই হায়নার গুষ্ঠি ভাল করেই জানে, পাহাড়ি জনগণের ভুমি অধিকারের আকাঙ্খার মানে এই নয় যে, পাহাড়ি এলাকায় কোন সমতলী "বসবাস করতে" পারবে না"। এমন মানে বের করা যায় না।

---------------------------

"CHT কমিশন" বাংলাদেশে কে? কী এর এক্তিয়ার?

সন্তু লারমার সাথে ১৯৯৭ সালের চুক্তির পর এই চুক্তির বাস্তবায়ন "মনিটরিং" করার এক মানবাধিকার সংগঠন হিসাবে উসিলায় এসব হায়নার প্রবেশ ঘটে। এখন "মনিটর" নিজেই কীবোর্ড হয়ে ইনপুট দিতে শুরু করেছে। সে নিজেই বৈধভাবে পাহাড়ি-সমতলীর সহবস্হান বিরুদ্ধে সমস্ত তৎপরতার প্রধান কেন্দ্র ও বিচ্ছিন্নতার মুখপাত্র হয়ে গেছে। সরকারকে দাবি জানাচ্ছে, সাধারণভাবে সমতলীদের "বসবাসের অধিকারের" বিরুদ্ধে পাহাড়িদের তাতিয়ে তুলে বলছে বাঙালীদের ফিরিয়ে নিতে হবে। এটাই নাকি একমাত্র সমাধান।
সরকার ভুমি কমিশনের মাধ্যমে কোন সমাধান যদি বের করতে চায়, সরকারি মালিকানাধীন জমিতে যদি কাউকে পুনর্বাসিত করতে চাই - না সেটাও সরকারের করার কোন সুযোগ তাঁরা রাখতে রাজী না।
ভুমি কমিশন কাজই করতে পারলো না, কোন মাঠের সমাধান বের করা সম্ভব কি না তাও যাচাইয়ের কোন সুযোগ পেল না - এরা আমাদের সে সুযোগ দিতে চায় না। কোন শান্তিপূর্ণ সহাবস্হানের সমাধানের লক্ষ্যে কোন কাজ যেন না হয় - এটাই এর মূল লক্ষ্য। পাহাড়ি-বাঙালি পরপস্পরকে মেরে কেটে রক্তের হোলিখেলায় যেন মেতে উঠে - এছাড়া আর কোন সমাধান নাই এটাই যেন প্রমাণ হয় - সে পথে সবাইকে ঠেলে দিচ্ছে এরা। আর জাতিসংঘের শান্তিবাহিনী নামানোর জায়গা তৈরি করছে।

আমরাও পক্ষে বিপক্ষে ভাগ হয়ে এই হায়নাদেরকে চিনতে পারছি না। কে আমাদের এসব হায়েনাদের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ করবে!

---------------------

এই জায়গা গুলো একটু বোল্ড করে দিলে ভালো হত । আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ । কয়েকটা বানান ভুল আছে , তবে বিষয়ের গুরুত্বে ঐটুকু মার্জনীয়।

আমি আশা করেছিলাম আলাদা পোস্টে , " মিডিয়া তাবেদার ও টাকা খোররা কিভাবে আমাদের খন্ডিত খবর প্রকাশ করে বিভ্রান্ত করছে, তা একটু লিখবেন।"

অনেকেই পত্র পত্রিকা , টিভি নিউজ দেখে বিভ্রান্ত হচ্ছে । মানুষের কষ্ট দেখে চোখের জলে ভেসে গিয়ে " উই আর মিসিং দা বিগার পিকচার" । দুইটা দিকই আমাদের বিবেচনায় রাখতে হবে।

২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ২:৩৮

লেখক বলেছেন: লেগে থাকার জন্য অনেক ধন্যবাদ।
এখনই আর একবার এডিট করলাম, আপনার পরামর্শ শুনে কিছু কিছু জায়গা বোল্ড করে দিয়েছি। বানান ভুলের দিকে একটু নজর দিয়েছি।
ব্লগে লিখতে বসলে "সময়" সবসময় আমাকে তাড়া করে ফিরে; মনে হয় কোন দৈনিক পত্রিকার রিপোর্টার আমি এখনই ছাপতে দিতে হবে। সময় তারা করছে। এসব ভারী বিষয় যথেষ্ট সময় আর মনোযোগ দাবি করে, কিন্তু আমি সে মাত্রায় যোগ্য নই, হতে পারিনি এখনও। তবু চেষ্টা করে যাচ্ছি।

আর যেসব বিষয় বলেছেন বিশেষ করে "পত্রিকা , টিভি নিউজ দেখে বিভ্রান্ত" - এর সবটা ওদের দোষ নয়। আমাদের সামাজিক মন যদি রাষ্ট্র ও একে আগলে এর প্রতিরক্ষা করা বুঝতে সাবালক হয়, কেবল যদি সামনে একটা জিয়া বা এরশাদ ভেসে উঠে - সেনাবাহিনী মানেই সামরিক শাসন ছাড়া আর কিছু না বুঝে তাহলে এরকমই হবার কথা।
আগেই একটা রাষ্ট্র পেয়ে গেছি, রাষ্ট্রে আছি - কিন্তু এর মানে কী তা তো বুঝতে হবে; এসব বুঝে উঠার আগেই আমরা বাঙালিয়ানার তোড়ে সব হারিয়েছি। রাষ্ট্র বা প্রতিরক্ষা আমাদের বুঝা হয়ে উঠেনি।

এখনকার সেনাবাহিনী যদি আমাদের ভাল না লাগে, নিপীড়ক একটা ছবিই খালি ভেসে উঠে তাতে আমাদের রাষ্ট্রের প্রতিরক্ষার প্রয়োজন ফুরিয়ে যায় না। রাষ্ট্রের প্রতিরক্ষার প্রয়োজনে এই সেনাবাহিনী যদি পছন্দ না হয় তবে বিকল্প থাকতে হবে, কম-সে-কম সবাইকে রাষ্ট্রের প্রতিরক্ষক হতে হবে; স্হায়ী সেনাবাহিনীসহ এক গণপ্রতিরক্ষার কথা ভাবতে হবে। কিন্তু তাই বলে রাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা নিয়ে ভাবার দরকার নাই - এই ভাবনা আমাদের চিন্তায় আমরাই আমাদের শত্রু।
সেনাবাহিনী সামরিক শাসন বা তত্ত্বাবধায়ক সরকার আনে বলে সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে এক সামাজিক ঘৃণার মন তৈরিতে প্রচার চালানো- রাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় শত্রুতম কাজ; রাষ্ট্রের প্রতিরক্ষার বিষয়টাকে নিয়ে নাদানী।
মনে যে সামাজিক ঘৃণা তৈরি করে রেখেছি এরই বাস্তব প্রকাশ হলো পত্রিকা, টিভি নিউজের রিপোর্ট। আমরা ঘৃণা ছড়িয়ে যেভাবে দেখতে মনে মনে অভ্যস্ত হয়ে আছি এরই প্রতিচ্ছবি হলো পত্রিকা, টিভি নিউজের রিপোর্ট।
দেখেন বাঘারছড়ির এই ঘটনা সেনাবাহিনী সূত্রপাত ঘটায়নি, পরে সংশ্লিষ্ট হয়েছে। অথচ আমরা সেনাবাহিনী প্রত্যাহার করে সমাধান খুজছি।
কোন রাজনৈতিক সমঝোতা সমাধা ছাড়া মাঠে ছেড়ে আসার মানে কী - সেটেলার, পাহাড়ী পরস্পরকে মেরেকেটে রক্তের হোলি খেলবে আর আমরা বসে বসে দেখব, এর পরেও আমাদের রাষ্ট্র আছে বলে ভাববো এবং সে জীবিত কর্তত্ত্ববানও থাকবে?
সেনাবাহিনী প্রত্যাহারের নীট মানে হলো, সেটেলার, পাহাড়ী পরস্পরকে মেরেকেটে রক্তের হোলি খেলে যে জিতবে এই ভিত্তিতে একটা সমাধান পথে সব ছেড়ে দেওয়া। আর এমন সমাধান যদি পাওয়াই যায় তাহলে রাষ্ট্র এরপর আর আমাদের কোন কাজে লাগবে! এরপর রাষ্ট্র আপনাআপনিই নিজে থেকেই নাই হয়ে যাবে, কাউকে ঘোষণা করতে হবে না।

আমার এগুলো বলার উদ্দেশ্য এমন নয় যে সেনাবাহিনীর বাড়াবাড়ির কোন ঘটনা নাই বা আমি আড়াল করছি বা বলতে চাচ্ছি রাষ্ট্রের রাজনৈতিক কর্তৃত্ত্ব থেকে বাইরে সেনাবাহিনী ইচ্ছামত যা খুশি করুক।

রাষ্ট্র এবং একে আগলে প্রতিরক্ষা করা - নীট মানে নিজের প্রতিরক্ষার কথার দিকে সবার মনোযোগ দিতে বলছি। এটাই আমার সারকথা। এর বিরুদ্ধে যে বলে সে রাষ্ট্রের সত্যিকারের শত্রু।

৪. ২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১:০৯
রাগ ইমন বলেছেন: পাহাড়ের সমস্যা নিয়ে অন্যান্য জনগুরুত্বপূর্ণ পোস্ট সমূহ ঃ

পাহাড়ের কান্না যে আগুন জ্বালিয়েছিলেন শেখ মুজিব, তাতে ঘি ঢেলেছেন জিয়া, ফু দিচ্ছেন খালেদা, ষড়যন্ত্রে পাকা খেলোয়ার আছে একটি বাহিনী, আছে বাঙালি নামে একদল পরগাছা সেটেলার শিখন্ডি। শেখ হাসিনা কি তা নিভাতে পারবেন? আমার দুটো প্রস্তাব - শেখ ফজলে এলাহী

আপডেট খাগড়াছড়ি (সাময়িক)- নেক্সাস

১০০ কিংবা ১০০০ লাশের বিনিময়ে হলেও নিরাপদ থাকুক বাংলাদেশের প্রতিটি ইঞ্চি - ফিউশন ফাইভ

এই মুহূর্তে আদিবাসীদেরকে হত্যা করা হচ্ছে, বাড়ী ঘর পুড়িয়ে দেয়া হচ্ছে! আসুন রুখে দাড়াই!- কৌশিক

দু-হাজার দশের এই সকালে করেছো কেউ কল্পনা?/ ভাবতে হবে আবার তোমায়, জুলুমগুলো গল্প না- জ্বিনের বাদশা

অন্যরাও একই বিষয়ের উপরে কোন পোস্ট পেলে অনুগ্রহ করে এখানে যোগ করে দিন। একটা সামগ্রিক চিত্র আমাদের সকলের দেখা খুব দরকার । খন্ড খন্ড আংশিক সত্য , মিথ্যার চেয়েও অনেক বেশি ভয়ংকর । অশান্তির দাবানল থামাতে হলে, পার্বত্য চট্টগ্রাম তথা বাংলাদেশ বাঁচাতে হলে আমাদেরকে সচেতন হতেই হবে।
২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ২:৪০

লেখক বলেছেন: রাগ ইমন এখনও লেগে আছেন।
দেখা যাক এর ফল আমরা কতদূর কী পাই।
থ্যঙ্কু।

৫. ২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১:২৪
জিপিএস বলেছেন: গত কয়েকদিন ধরে আদত ঘটনাগুলো জানার চেষ্টা করছিলাম... কিন্তু কোনো উপায় নাই। কেউ সেই দিকে যেতে চাচ্ছে না।

একদিকে গণতান্ত্রিক নাগরিকদের নিরাপোষ নীতিগত অবস্থান দরকার যেকোনো অত্যাচার-নির্যাতনের বিরুদ্ধে, সেটা যেখানেই হোক না কেন। পার্বত্য চট্টগ্রামের মতো একটা জিওস্ট্রেটেজিক জায়গায়, আবার রাষ্ট্র সত্তা ও এর নিরাপত্তার হুমকি মোকাবেলার জন্য সতর্কতা জারি রাখার আবশ্যিক দিকটাকে কোনোভাবেই দুর্বল না করা। এই উভয়বিধ দিকের কোনো সমন্বয় স্বাভাবতই গরহাজির।





২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ২:৪৫

লেখক বলেছেন: এতক্ষণ কোথায় ছিলেন।

"একদিকে গণতান্ত্রিক নাগরিকদের নিরাপোষ নীতিগত অবস্থান দরকার যেকোনো অত্যাচার-নির্যাতনের বিরুদ্ধে, সেটা যেখানেই হোক না কেন। পার্বত্য চট্টগ্রামের মতো একটা জিওস্ট্রেটেজিক জায়গায়, আবার রাষ্ট্র সত্তা ও এর নিরাপত্তার হুমকি মোকাবেলার জন্য সতর্কতা জারি রাখার আবশ্যিক দিকটাকে কোনোভাবেই দুর্বল না করা" -
দেখেন দেখি, এতক্ষণ ঘুরিয়ে পেচিয়ে যা কিছু বুঝাবার চেষ্টা করছি এর একটা চমৎকার সারসংক্ষেপ নিয়ে এসেছেন।
অনেক ধন্যবাদ।

৬. ২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১:৪০
মনজুরুল হক বলেছেন: পোস্ট পর্যবেক্ষণে।
২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ৩:০৭

লেখক বলেছেন: পড়েন, পর্যবেক্ষণে রাখেন কোন অসুবিধা নাই। তবু থাকেন।
নিশ্চয় বুঝতে পারছেন, রাষ্ট্র দরকার নাই - আমি এমন বিরোধী লোক নই।
আবার বিপ্লবের পরে হয়ত রাষ্ট্র বলে একটা কিছু গড়বেন না কী তাও গড়বেন না আমি জানি না - এই পথের লোক আমি না।

উপস্হিত রাষ্ট্রের ভিতরেই রাষ্ট্র গড়ার চেষ্টা করে যেতে হবে, তাগিদ, আকাঙ্খা তৈরি করতে হবে। সেই আকাঙ্খা তাগিদ সহ্য করতে না পেরে উপস্হিত রাষ্ট্র জায়গা ছেড়ে দিবে নতুন রাষ্ট্রের জন্য। আপনার নিরবিচ্ছিন্ন শ্রেণী সংগ্রামও ওর মধ্যে চলতে থাকবে।

আগে ক্ষমতা পরে সমাজের রাষ্ট্র-চিন্তা এমনটা হয় না। ঠিক যেমন ১৯৭১ সালে হয়নি। আজও হয়নি। কারণ ক্ষমতা তৈরির সময়ই নির্ধারিত হয়ে যায় পরে কেমনে কী হবে না কী আদৌও কিছু হবে না; সব গর্ভস্রাব।
আমার রাষ্ট্র একটা চাই। আমি এই পক্ষের লোক।

৭. ২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১:৫৯
জিপিএস বলেছেন: বাংলাদেশে এখন সস্তা এনজিওবাদী আবেগের রমরমা। রাষ্ট্র মানেই সেখানে খারাপ কিছু্। আদিবাসী বা উন্ডেজেনাস লাগলে তো কথাই না...
২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ৩:২১

লেখক বলেছেন: "বাংলাদেশে এখন সস্তা এনজিওবাদী আবেগের রমরমা। রাষ্ট্র মানেই সেখানে খারাপ কিছু্" - এটাই তো হবার কথা। গ্লোবাল পূঁজি নিজের বিরুদ্ধে কোন শক্তিশালী রাষ্ট্র দেখতে চাইতে পারে না। ও চাইবে একটা "গুড গভর্নেস", "সুশাসন"। আর এর গন্ধ পেয়ে সুশীলে সুশীলে দোশ ভরে যাবে। রাষ্ট্র আর সুশাসনের আকাশপাতাল তফাৎ ওদেরকে কান ধরে শিখিয়ে না দিলে এই পর্যায়টা আমরা পেরোতে পারব না।

কি আর করবেন, চলতে চলতে ডাকাতের গ্রাম পরেছে পথে; দ্রুত ও হুশিয়ার হয়ে এই কালো সময় পার হতে হবে। নইলে সব মাইনাস করে দিবে।

৮. ২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ২:২০
স্তব্ধতা' বলেছেন: ধন্যবাদ পি মুন্সী, চমৎকার বিশ্লেষণ।তবে যারা সুযোগের সদ্ব্যবহার করছে তাদের হাতে ভূমি অধিকারের আন্দোলন এর অপব্যখ্যা ছাড়াও এখন অনেক অস্ত্র।পাহাড়ে প্রশাসনিক ব্যর্থতাটা ওদের একটা গোপন বড় অস্ত্র।বাঙ্গালী-আদিবাসী মুখোমুখি করে দাঁড় করিয়ে দেয়া হয়েছে।কার সার্থ এতে সংরক্ষিত হচ্ছে? পাহাড়ে অস্থিরতা থাকলে কে সন্ত্রাস বাহিনী লালনের মাধ্যমে কোটি টাকার ব্যবসা বানাতে পারে আর ভারতে বিশাল সম্পত্তির অধিকারী হতে পারে? সাধারন আদিবাসীদের বা বাঙ্গালীদের তাতে ভাতের থালাটিওতো ভরেনা। লাভের গুর পিঁপড়েতে খাচ্ছে।সর্বদা এই সাধারণ মানুষ গুলিই শিকেয় উঠছে।পার্বত্য চট্রগ্রমামের উপর বিষদ একটা পোষ্ট দিব ভাবছি।ধন্যবাদ লেখাটির জন্য।সাথে আছি।
২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ ভোর ৫:০৫

লেখক বলেছেন: আমরা যদি আমাদের পাহাড়ি ভাইদের সাথে রাজনৈতিক সমঝোতায় এসে পরতে পারি তাহলে ভুমি কমিশনকে কাজ করতে দিচ্ছি না কেন? ভুমি কমিশন দিয়ে মাঠের কোন সমাধান বের করা সম্ভব কি না আমরা তাও তো যাচাইয়ের কোন সুযোগই পেলাম না এখনও।
এদিকে ভূমি কমিশনের কাজের নীতিগত দিকগুলো কী হতে পারে তা নিয়ে সরকার, পাহাড়ি সমতলী রাজনৈতিক দল কারও কোন উদ্যোগ নাই। সন্তু লারমা এদিকের বদলে কয়টা সরকারী মন্ত্রনালয়ের কী ক্ষমতা আঞ্চলিক পরিষদ মানে নিজে পেল সেদিকেই তাঁর মনোযোগ। অথচ ভুমি সমস্যা যার জন্য তাঁর জনগণ সবচেয়ে বেশি কষ্ট পাচ্ছে, পাহাড়ি-সমতলী সবাই একটা অস্হিতিশীলতা, দীর্ঘস্হায়ী টেনশনের মধ্যে আছে, সবার জীবিকা বন্ধ হয়ে যাচ্ছে সেদিকটাতেই সবার মনোযোগ কম। এই অস্হিতিশীলতা, দীর্ঘস্হায়ী টেনশন ফেলে রেখে দেওয়া মানে বারুদের উপর পাহাড়ি-সমতলী সবার শুয়ে থাকা। রক্তে হাত রাঙিয়ে এথনিক ক্লিনজিং যেন এর সমাধান - আর সবাই তার অপেক্ষায়। চুক্তির কোন পক্ষেরই পরস্পরের আস্হা তৈরিতে কোন উৎসাহ নাই।

এককথায় একটা কথা বলে রাখি। বাংলাদেশ রাষ্ট্রের জন্য নিরাপত্তা সমস্যা তৈরি করে রেখে বাংলাদেশ রাষ্ট্রের কনষ্টিটিউশনের অধীনে পাহাড়ি সমস্যার কোন সমাধান নাই; আমরা কেবল পাহাড়ি-সমতলীর রক্ত ঝরছে এটাই দেখতে থাকব। বাংলাদেশ রাষ্ট্রের জন্য নিরাপত্তা সমস্যাকে পাহাড়িরা যদি কোনদিন নিজেদেরও সমস্যা, নিজের রাষ্ট্রের সমস্যা বলে ভাবতে গ্রহণ করতে সুযোগ পায় বা নেয়, সক্ষম হয় তবে বাকী সমস্ত সমস্যার সমাধান চোখের পলকে সবাই দেখতে পাব।
এর ব্যবহারিক মানে পরস্পরের উপর আস্হা তৈরি করা, কোন জবরদস্তিতে এটা অর্জন অসম্ভব।
পাহাড়ি সমস্যার সমাধান কিভাবে হবে আমি এখনও এটাকে তার সূচক মনে করি। এই সূচক দেখলেই বুঝা সম্ভব কী সম্ভাবনা এর আছে, কোথায় যাচ্ছে; এমনকি বিচ্ছিন্ন হতে পারছে কি না।

সমতলী সমাজ মানে আওয়ামী লীগ যখন সরকারে কেবল সেই সরকার নয়। সারা সমতলী সমাজকে নিজের কথা বলে যে নিজের পক্ষে নিবে এর কোন দরকার সন্তু লারমা বা পাহাড়ি নেতাদের অনুভবে আমরা দেখি নাই। সংসদের সবদলের সাথেই কমপক্ষে কথা বলার একটা সম্পর্ক করার, কে কোথায় কার সাথে পার্থক্যে আছে তা চিনে নেবারও চেষ্টা নাই। অথচ বিচ্ছিন্ন হতে চাওয়ার রাজনীতির জন্যও এসব কাজ খুবই গুরুত্ত্বপূর্ণ। একথা কে কাকে বুঝাবে।

পাহাড়ি নেতাদের ভাবনা "কোন সমতলী পাহাড়ে থাকতে পারবে না", এই কথা আইনী দিক থেকে নয় রাজনৈতিক অর্থনৈতিক দিক থেকে যদি দেখি তাহলে - এই দাবী পূরণ হলেও (পূরণ বলতে যদি বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়া সহ যে কোনভাবে পূরণ ধরে নেই তবুও) তা পাহাড়ীদের স্বার্থের বিপক্ষে যাবে।
কারণ, শাসন ক্ষমতা, স্বায়ত্ত্বশাসন বা আলাদা হওয়া যাই হোক সেটাই শেষ কথা নয়। পাহাড়ি মানুষকে খেতে পড়তে, জীবিকা সংস্হান সবই দিতে পারতে হবে; যে সমস্যায় আমরা পড়েছিলাম পাঠক মনে করে দেখতে পারেন। একাজে পাহাড়ের কোন পণ্য যদি সমতলে বিশাল বাজারে অবাধ গম্যতার সুযোগকে নিয়ে উঠে দাড়াতে চায় তবে একটা প্রবল দেয়া-নেয়ার সম্পর্কের ভিতর দিয়েই একমাত্র তা হতে পারে। কেবল পাহাড়ি পাহাড়িরাই দেয়া নেয়া করবে আর এতেই তাঁরা দুধে ভাতে থাকবে এটা অকল্পনীয়। তবে এই দেয়া-নেয়ার সম্পর্কের ভিতর কোথা দিয়ে তারা হেরে যেতে পারে এর ফাঁক ফোঁকড় বন্ধ করার নীতিগত মোটা দাগের লাইন কী হতে পারে - সেটাই হতে পারে পাহাড়িদের দর কষাকষির বিষয়। একটা সফল দর কষাকষির ভিতর দিয়েই "সমতলী পাহাড়ে থাকতে পারবে না" - এই কথার কোন সত্যিকার মানে রূপ নিয়ে দাড়াতে পারে। এর আগে এই দাবি গায়েবি, কোন মানে করে না। ক্ষোভের একটা প্রকাশ বুঝা যায় অবশ্য, অতটুকুই এর দৌড়।
এমনকি সমতলীরা পাহাড়িদের ভুমি নিয়ে নিচ্ছে এটা ঠেকানোর জন্য যদি "সমতলী পাহাড়ে থাকতে পারবে না" - এই ঘুরানো দাবি তোলা হয়ে থাকে তবে উচিত হবে ঘুরানো ফিরানোর দরকার নাই। সুনির্দিষ্ট করে বলতে হবে কী ভয় তাদের, কী চায় তাঁরা - জমি বা সে যা কিছুই হোক পরিস্কার করে তাই বলতে হবে।
এসবের জন্য পাহাড়িদের প্রচুর হোম ওয়ার্ক, চিন্তা ভাবনার দরকার, দক্ষতা দরকার, সেরকম রাজনৈতিক সংগঠন দরকার।

সেসব না করে কেবল সমতলীদের উপর যে বিদ্বেষ পাহাড়ি সমাজে জাগিয়ে রাখার নিরন্তর প্রয়াস চালিয়ে এখন মনে হচ্ছে হয়ত এটা খুব ইতিবাচক ফল দিচ্ছে এবং দিবে - এটাই সবচেয়ে নেতিফল ও দুর্ভোগের কারণ হবেই। এমন কী পাহাড়িরা ধরে নেই যদি আলাদা হতে পেরেছে তবু এই নেতিফল, দুর্ভোগের মুখোমুখি হতেই হবে। কারণ, শুধু সমতলীদের উপর বিদ্বেষ কায়েম করে শেষ বিচারে এটা তাদের পেট ভরাতে পারবে না, কার্যকর সম্পদ সৃষ্টি করতে হবে। বিদ্বেষের বিষয়ে সমতলীদের ব্যাপারেও একই কথা খাটে।

আপনাকে জবাব দেবার উসিলায় একটু জোরে জোরে চিন্তা করে নিলাম।

যদিও দৃশ্যমান হলো, সব মিলিয়ে এই পরিস্হিতিতে, চুক্তির মনিটর - সেই কেবল তৈরি, মতলব নিয়ে বসে আছে। নিশ্চয় তারই জয়লাভ হবে।

হোম ওয়ার্ক যার বেশি অন্য পক্ষগুলোর উপরে সেই একমাত্র জয়লাভ করে।

ভাল থাকবেন। আপনার সাড়া পেয়ে সাহস পেলাম। ধন্যবাদ।

৯. ২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ২:৩৭
লুৎফুল কাদের বলেছেন: ধন্যবাদ পি মুন্সী চমত্কার একটা পোস্টের জন্য এবং প্রিয়তে.
২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ ভোর ৬:২৮

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ লুৎফুল কাদের। এত রাতেও লেগে আছেন দেখছি।
ভাল লাগল।

১০. ২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ২:৫৩
জাতি জানতে চায় বলেছেন: দারুন বলছেন। অথচ সামনের সারির মিডিয়া গুলো কথিত হিউম্যান রাইটস সেজে খবর পরিবেশন করতাছে! সেই সাথে কিছু ব্লগারও, কিন্তু বিষয়টা নতুন না যে বুঝতে ভুল করার সুযোগ আছে!
২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ ভোর ৬:৩২

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে।
মিডিয়া নিয়ে কিছু কথা রাগ ইমনের ৩ নম্বর মন্তব্যের জবাবে আলোচনা তুলেছি। দেখবেন আশা করি।

১১. ২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ৩:০৮
রাগ ইমন বলেছেন: আপনার উত্তরে যা ফুটে উঠেছে আর আমিও যা দেখছি , সকলেই শুধু পক্ষ খুঁজছে ।

পাহাড়ি পক্ষ
সেটেলার বাঙালী পক্ষ
সরকারী পক্ষ
এন জি ও পক্ষ
সন্তু লারমা পক্ষ
সেনা বাহিনী পক্ষ
সব ছেড়ে দেওয়া পক্ষ
সব লুটে নেওয়া পক্ষ

কিন্তু , একটু ঠান্ডা মাথায় বাংলাদেশ নামক রাষ্ট্র এবং তার সাধারণ নাগরিক ( সেইটা পাহাড়ি, সমতলী , মিশ্র - সবাইকেই বুঝাচ্ছি ) এর পক্ষে কেউই নেই ।

সবাই হত্যা করার জন্য দোষী খুঁজতে ব্যস্ত । আমি আমার নিজের দেশের বিপদ টের পাচ্ছি বলে লেগে আছি । আমি আমার দেশের পক্ষে । আমার দেশের মানুষের পক্ষে । মানুষ হিসেবে আমি তো কোন পাহাড়ি, আবাদি , সেনা বাহিনী দেখতে পাই না । সকলেই মানুষ । কেউ ব্যবহার করছে , কেউ ব্যবহৃত হচ্ছে । এইটা বুঝতে তো খুব বেশি বুদ্ধি লাগে না যে পাহাড়ে গন্ডোগোল মানে পুরা দেশের বিপদ ।

দেশই যদি না থাকে তো মানুষ কি করে বাঁচাবো?

আমাদের প্রায়োরিটিতে বড্ড সমস্যা । একটা গ্রাম্য প্রবাদ মনে পড়ে গেলো , খানিকটা অশ্লীল বলে মাফ চাইছি, - হাইগা ছোচে না , মুইতা গলা পানিত ।

পাহাড় নিয়ে আমদের অনেকেরই সেই অবস্থা ।

মিডিয়ার ব্যাপারে আমি শুধু দেশের মিডিয়ার কথা বলি নাই । নিজ নিজ স্বার্থে আন্তর্জাতিক মিডিয়া কিভাবে খন্ডিত খবর ছাপে আবার সরকারী মিডি খবর চাপে , ব্যবসায়ী মিডিয়া পয়সা খেয়ে ধামা ধরে - আমরা ম্যাংগো পিপল টুকরা টুকরা ছবি দেখে কেন্দে পড়ি ।

-------------------

একটা ঘটনা উল্লেখ করি । আমারই কাছের আত্মীয় , কোর্ট মার্শাল হয় হয় , কেন? শান্তি বাহিনীর কয়জনকে ধরে এনে গাছে ঝুলিয়ে ছিলেছেন বলে শোনা গেলো । আমরা তীব্র বিবমিষায় তাকে ত্যাজ্য করে দিলাম । তার নাম শুনলে গালি দেই । এই গেলো মুদ্রার এক পিঠ । কিছুদিন পরে জানা গেলো চোখের সামনে থেকে তার সহকর্মী অফিসারদের শান্তি বাহিনী তুলে নিয়ে যায় । তারপর টুকরো করা , পোড়ানো ইত্যাদি নানা রকম ভয়াবহ নির্মমতার প্রমাণ মেলে । আত্মীয় ফাঁসির হাত থেকে রক্ষা পান তবে বরখাস্ত হন। এইটা হলো মুদ্রার অপর পিঠ । এখন মিডিয়া যদি শুধু এক পিঠ ছাপে , মানুষের মন কি অন্য পিঠ দেখার ধৈর্য্য দেখাবে? যে অফিসার সহকর্মীর মৃত্যু দেখেছেন , সেইটাই তার সত্য। যেই পাহাড়ির বাড়ি পুড়েছে , পরিবার মরেছে , তার কাছে সেইটাই সত্য। যে সমতলীর পরিবার আক্রান্ত হয়েছে , মরেছে , সেইটাই তার সত্য।
এই মানুষ গুলোকে কেন আমরা বার বার দোষ দিচ্ছি ?

এঁদের নিয়ে যারা খেলে সেই সরকার , শান্তি বাহিনী , সি এইচ টি কমিশন কিংবা স্থানীয় সমাজপতিদের নোংরা খেলার শিকার এই মানুষ গুলোকে কুত্তা , শুয়োর বানিয়ে হত্যা করে কি লাভ?

কার লাভ?
২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ ভোর ৬:৪২

লেখক বলেছেন: "সকলেই মানুষ । কেউ ব্যবহার করছে , কেউ ব্যবহৃত হচ্ছে"

সময়টা কখনও কখনও কারো জন্য আলাদা হবার, খুবই দরকারী। আমরা এটা বন্ধ করতে পারব না, করা যাবেও না।

আমরা যা পারি, আলাদা আলাদা বন্ধ দরজাগুলোই আবার একদিন দরকারে এক জায়গায় আসার দরকার বোধ করবেই করবে।

সে দিনের কথা ভেবে সবার সমসময়ের জন্য সে জায়গা যেন খুজে পায় এমন একটা মিলিত হবার জায়গা সযত্নে পেতে, আগলে রাখতে হবে।

১২. ২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ৩:৩৯
অভিমানী মেঘ বলেছেন: বরাবরই আপনার লেখার একজন নিরব পাঠক আমি, মন্তব্য তেমন একটা করিনি, কারন সবসময়ই খেয়াল করি - যা বলতে চাইছি হয়ত আমি বা আমার মত অতি সাধারনরা, তা আপনি খুব সুন্দর করে বলে দেন।

লেখাটিতে +।

এখন জানতে চাচ্ছি - আপনি কি মনে করেন যে এই সমস্যা'র সমাধান হবে? (সমাধান সম্ভব যদি রাজনৈতিক সদিচ্ছা থাকে, কিন্তু বর্তমান বাস্তবতার প্রেক্ষিতে কি হবে বলে ধারনা করছেন?)
২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ ভোর ৬:০১

লেখক বলেছেন: সমাধান তো একটা না একটা হবেই।
অযথা অনেক রক্ত ঝড়তে পারে, আলাদা হয়ে যেতে পারে, চরম বিদ্বেষী জাতির গর্ব পেয়ে বসতে পারে সমতলী অথবা পাহাড়িদের, হাত রাঙিয়ে এথনিক ক্লিনজিংয়ের নেশা পেয়ে বসতে পারে।
আমি কেবল একটাই বলব আমরা যাই করি, করার পর যেন না টের পাই এটা করতে চাইনি, বা কিছুই পাইনি, অথবা এটা তো চাইনি।

তবু অনেক ভেবে এখানে অনেক কিছুই বলেছি; স্তব্দ্ধতার ৮ নম্বর মন্তব্যে আমার জবাবের উসিলায় অনেক কিছু বলেছি সমস্যা, সম্ভাবনার কথা। দেখতে পারেন। এরপর আপনার প্রতিক্রিয়ায় আবার কথা হবে।

১৩. ২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ৩:৪১
মনজুরুল হক বলেছেন:

হাঃ হাঃ হাঃ। আমি মাত্র দুটি শব্দ লিখেছি আর তাতেই আপনি যা বোঝার বুঝে নিলেন! ইদানিং আমার এক ভারী সমস্যা হয়েছে জানেন! এই সমস্যার কারণে বিভিন্ন পোস্ট পড়ি কিন্তু কমেন্ট করিনা। এক স্বত্তার ভেতরে আরো নানান স্বত্তার উন্মেষ এবং বাড়বাড়ন্ত ট্যুইস্ট দেখে খুব আশাহত হই(দেখবেন ঠিকই কোন এক বিদগ্ধজন এসে আমার এই "ট্যুইস্ট" শব্দটা নিয়ে বিশ্রি কটুক্তি করবেন। এইমত কটুক্তি দেখে আর মুর্হূমুহূ নব্বই থেকে একশ'আশি ডিগ্রী ঘুরে যাওয়ার কারণে একটি সিরিজে কমেন্ট করা বন্ধ করেছি।)

আমার রাষ্ট্র একটা চাই। আমি এই পক্ষের লোক।

দেখুন আপনারই মত আর একজনের রাষ্ট্র চাওয়া এবং তার অখন্ডতার স্বার্থে তিনি কি কি করতে পারেন তাও বলেছেন- লেখক বলেছেন: দেশের সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে পন্থাটা ফ্যাসিবাদ হোক কিংবা অন্য যাই হোক, নির্দ্বিধায় মেনে নিতে রাজি আছি।

শেষমেশ এইখানে গিয়ে রাষ্ট্রকে অখন্ড অবস্থায় টিকে থাকতে হয়? হায়রে রাষ্ট্র!

আমি আর একটি ব্যাপার দেখে খুব অবাক হই। কাশ্মীর, অসম, মনিপুর, মিজোরাম,গোর্খাল্যান্ড এই সব ন্যায্য দাবীর প্রতি সমর্থন জানানোর জন্য, সেই সব স্বাধীনতাকামীদের জন্য আমাদের পরাণ পোড়ে। আমরা তাদের স্বাধীকারের লড়াইয়ে আবেগ, ভালবাসা, সমর্থন দিয়ে পাশে দাঁড়িয়ে যাই। তাদেরকে আর কে কে সমর্থন দেয়না বা দিল না বলে তাদের তিরষ্কারও করি। তাদের সমর্থনে অনেক দূর অব্দি বিশ্ব রাজনীতির খোল-নলচেতক দেখে আসতে চাই, অথচ আমারই সাথে বেড়ে ওঠা আমারই ভূখন্ডে লালিত-পালিত, একই অন্নজলে জীবন ধারণ করা পাহাড়িদের খুচরো দু'তিনটে পয়েন্ট কিংবা সীমিতাকারে স্বায়ত্বশাসনের প্রশ্ন এলেই আমরা পার্বত্য চট্টগ্রামের মতো একটা জিওস্ট্রেটেজিক জায়গায়, আবার রাষ্ট্র সত্তা ও এর নিরাপত্তার হুমকি মোকাবেলার জন্য সতর্কতা জারি রাখা আবশ্যিক বলি! কেমন হিপোক্র্যাসি মনে হয় না?

আসলেই, জাতীয়তাবাদ অনেক গভীর ব্যাধি। জ্ঞানে এর উপশম নাই। সেই উগ্র জাতীয়তাবাদ যে চূড়ান্ত বিচারে ফ্যাসীবাদ সেটির খেসারত গত কয়েক দশক ধরে পাহাড়িরা দিয়ে আসছে এবং আগামিতেও দেবে, কেননা নীপিড়িত শ্রেণী অধিকারের প্রবক্তারাও রাষ্ট্রের প্রশ্নে, রাষ্ট্রের অখন্ডতাকে আগলে রাখার প্রশ্নে শ্রেণী সমন্বয় করে বসছেন! দুঃখিত, আমি এমন রাষ্ট্রের স্বপ্ন দেখিনা।
২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ ভোর ৫:২৩

লেখক বলেছেন: আজ মনে হচ্ছে সবাই ঘুম ভুলে গেছে। ভাল।

আমি একটা রেফারি-সূচক কথা বলতে চাই, বিশেষ করে আমি নিজে, মনজু, স্তব্দ্ধতা, রাগ ইমন সহ সকলকে। কথাটা হলো,
১. খোঁচা একবারেই এড়িয়ে চলতে হবে। লোভ সামলাতে হবে। ওদিয়ে কিছু আগাবে না। আমাদের দেখে বাকী পাঠকেরা বিরক্ত হয়ে আমাদের একা রেখে চলে যাবে।
২. পরস্পরকে বুঝতে, বুঝাতে সাহায্য করতে হবে। অন্যে বুঝে নাই বলে রাগ ক্ষোভ দেখানো যাবে না।
৩. এক পোষ্ট সবাই সব কিছু অন্যকে বুঝাতে পারব না। সবাই একমত হয়ে যেতে পারব না। বরং ধরেই নিতে হবে এই ভিন্নতাটাই এর স্বাভাবিক এবং সৌন্দর্যও বটে। সবাইকে একমত হতেই বা হবে কেন। কাজেই একটাই লক্ষ্য যতটা অন্যের কাছে নিজেকে স্পস্ট করতে পারি।
৪. উপরের এসব চেষ্টার পরও হতাশ হবার কিছু নাই। বিশেষ করে রাগ ইমন আমার এখনও মনে হচ্ছে "ঠেকানো গেলো না" এমন কিচ্চু হয় নাই। সবাই ষ্পোর্টিংলি আছে।

আমার আশা আপনারা সবাই আমার রেফারিগিরি পছন্দ করবেন। তবে, না করলেও বলবেন।

২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সকাল ৭:১৫

লেখক বলেছেন: এবার আপনার মন্তব্য নিয়ে কিছু কথা বলি।

"দেশের সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে পন্থাটা ফ্যাসিবাদ হোক কিংবা অন্য যাই হোক, নির্দ্বিধায় মেনে নিতে রাজি আছি" -

আমার রাষ্ট্র চাওয়া, গড়তে চাওয়ার অপরাধে অন্যে রাষ্ট্রকে কীভাবে দ্যাখে, কি চায় সে দায়ে আমাকে দায়ী করা কী আপনার ঠিক হলো? আমার মনে হয় ঠিক হলো না।

২. মোটা অক্ষরের, "পার্বত্য চট্টগ্রামের মতো একটা জিওস্ট্রেটেজিক জায়গায়, আবার রাষ্ট্র সত্তা ও এর নিরাপত্তার হুমকি মোকাবেলার জন্য সতর্কতা জারি রাখা আবশ্যিক" - এই উদ্ধৃত অংশটা যেখান থেকে এনেছেন সেখানে একই সাথে আগে পিছে আরও কথা ছিল। ওখান থেকে আলাদা করে এই বাক্যাংশ নিয়ে বিচারে বসে আপনি মারাত্মক অবিচারের দায়ভাগ নিলেন।
ঐ কথার শেষে সমন্বয় বলে একটা কথা আছে যেমন, "এই উভয়বিধ দিকের কোনো সমন্বয় স্বভাবতই গরহাজির" - আপনি তাও আমলে নিলেন না।

রাষ্ট্রের অখন্ডতা:
রাষ্ট্র মানে সে রাষ্ট্র নিজেকে অখন্ড মনে করতে বাধ্য, সে কমিউনিষ্ট রাষ্ট্র হলেও তাই।

শ্রেণী সমন্বয়:
কথাটা আপনার কাছে কী অর্থ আর একদিন বুঝে নিব।

আমি এমন রাষ্ট্রের স্বপ্ন দেখিনা:
আমি জানি আপনি দেখেন না। এজন্য পিন পয়েন্ট করার জন্য বলে রেখেছিলাম আমি দেখি। কিন্তু আপনি কী কোন ধরণের রাষ্ট্রের স্বপ্ন দেখেন? আমার জানা হয় নাই। জানব পরে কোথাও।

১৪. ২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ ভোর ৪:০৮
স্তব্ধতা' বলেছেন:
মনজুরুল হক বলেছেন:

অথচ আমারই সাথে বেড়ে ওঠা আমারই ভূখন্ডে লালিত-পালিত, একই অন্নজলে জীবন ধারণ করা পাহাড়িদের খুচরো দু'তিনটে পয়েন্ট কিংবা সীমিতাকারে স্বায়ত্বশাসনের প্রশ্ন এলেই আমরা পার্বত্য চট্টগ্রামের মতো একটা জিওস্ট্রেটেজিক জায়গায়, আবার রাষ্ট্র সত্তা ও এর নিরাপত্তার হুমকি মোকাবেলার জন্য সতর্কতা জারি রাখা আবশ্যিক বলি! কেমন হিপোক্র্যাসি মনে হয় না?

উপরে মন্জুরুল হকের সঙ্গে গলা মিলিয়ে বলতে চাই:

-দক্ষিণে পার্বত্য চট্রগ্রাম স্বাধীন (লজ্জা করে তিনি বলেছেন সীমিত আকারের স্বায়ত্ত্ব শাসন) করে দেয়া হোক আদিবাসীদের হাতে, বাঙ্গালীরা নিপাত যাক।

- পটুয়াখালী, বরগুনাতে রাখাইনদের স্বাধীন করে দেয়া হোক।

-ময়মনসিংহ, ত্রিশাল, শেরপুর, ঝিনাইগাতি, দূর্গাপুর, নেত্রকোনা স্বাধীন করে দেয়া হোক গাঢ়দের স্বাধীনতার জন্য।

-রাজশাহী, দিনাজপুর, পার্বতীপুর বগুড়া সহ তাবত উত্তর বঙ্গে যে সাঁওতাল ও রাঢ়রা আছেন তাদের স্বাধীন করে দেয়া হোক

-খাসীয়া, মনিপুরীদের স্বাধীনতার জন্য বৃহত্তর সিলেট স্বাধীন করে দেয়া হোক।

স্বাধীন করে দিয়ে বর্তমান বাংলাদেশের সংবিধানে অখন্ডতার যে উল্লেখ আছে, সেই সংবিধান আগুন দিয়ে পোড়ানো হোক এবং তার ছাই বোতলে পুরে নতুন স্বাধীন ভূ-খন্ডগুলোকে স্যুভনির হিসেবে দেয়া হোক।
২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ ভোর ৫:৪৯

লেখক বলেছেন: স্তব্দ্ধতা বিনয়ের সাথে একটা অনুরোধ রাখতে চাই।

এত দ্রুত একটা মন্তব্য দিয়ে আমাদের সব দূরত্ত্ব মিটিয়ে ফেলতে পারব না। মনজু যেটা বলছে এই ধারার চিন্তা মনজুর একার নয়, সমাজে একটা বড় অংশ জুড়েই আছে। এই দূরত্ত্ব মিটাতে আমাদের অনেক কথা বলতে হবে, মনজু কেন বলছে সেটা বুঝতে হবে - চিন্তাটার একদম গোড়ায় ধরতে হবে। সেসব অনেক লম্বা কাজ। পরস্পর যেন ভুল না বুঝে সেদিকে নজর রেখেও কথা সাজাতে হবে। আর সবার আগে লাগবে অসীম ধৈর্য আর রাগ ক্ষোভের কারণ থাকলেও তা সামলানো।

এরপরের প্রথম কাজ ধৈর্য ধরে অন্যের কথা শুনে ওর সব কথার গোড়াটাকে চেনার চেষ্টা করা। এরপর সময় সুযোগে সেটা নিয়ে কথা বলা। অনেক সময় অনেক কিছু এড়িয়ে যাওয়া মূল তর্ককে সবল করবে। এও এক ধরণের দক্ষতা।
সবার উপরে লাগবে একটা পরিবেশ।
কথাগুলো আপনার এখানে লিখলেও আমাকে সহ সকলের উদ্দেশ্যেই বললাম।
জানি না আমার কথা আপনার ভাল লাগবে কি না। আমি এভাবেই দেখি।

১৫. ২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ ভোর ৪:০৯
ফিউশন ফাইভ বলেছেন: এই লেখাটিই রাগ ইমনের মন্তব্যে পড়েছি কিছুক্ষণ আগে। খুবই চমৎকার পর্যবেক্ষণ। ধন্যবাদ পি, মুন্সী। এই ধরনের বিলাপবর্জিত বিশ্লেষণ আজকাল পত্রপত্রিকায়ও দেখা যায় না খুব একটা।
২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৪:৫২

লেখক বলেছেন: ভিজিট করেছেন। অনেক ধন্যবাদ ফিউশন ফাইভ।
এবিষয়ে আপনার পোষ্ট - "১০০ কিংবা ১০০০ লাশের বিনিময়ে হলেও নিরাপদ থাকুক বাংলাদেশের প্রতিটি ইঞ্চি", দেখেছি।

শিরোনামটা একটু অস্বস্তিকর লেগেছে। বিশেষ করে "লাশের বিনিময়ে" কথাটার এবং সংখ্যার জন্য।
যুদ্ধ প্রসঙ্গে কনভেনশনগুলোরও বাইরে চলে গেছেন আপনি। এটা আমাদের ক্ষতি করবে। আশা করি ভেবে দেখবেন।

১৬. ২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ ভোর ৪:৩২
মনজুরুল হক বলেছেন:

@স্তব্দ্ধতা। আপনার নিকের বানান নিয়ে মুন্সীর সাথে মিঠেকড়া উষ্মা কি মিটে গেছে?

আপনার এই গায়ে পড়ে খোঁচা মারার বদভ্যাসটা এখানে না দেখালে শোভন হতো। কারণ কথা হচ্ছে লেখকের সাথে আমার। সেখানে আপনার এই অতি আগ্রহী নোংরা নাকটা না গলানোই শ্রেয় হবে।
২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৫:১২

লেখক বলেছেন: আপনি নিজেই তো "মিঠেকড়া উষ্মা" বলছেন।
মিঠেকড়া জিনিষ উদ্যোগ না নিলেও আপনাতেই মিটে যায়।

একটা মজার তথ্য দেই। এই ব্লগে যতজনের সাথে আমার জানাশুনা হয়েছে এর শুরুটা সবসময় হয়েছে কড়া ভাবেই, মিটেকড়া নয়।

আমি মনে করি ঝগড়া, কটু কথা বলা তো আমরা করতেই পারি, দুয়ার খোলা থাকে। কিন্তু আমার কাছে ওর শেষটা কোথায় তা আগেই দেখতে পেয়ে যাই। দূরের ফলাফল আগেই টের পেয়ে গিয়ে ঝগড়া করার উৎসাহ হারিয়ে ফেলি। এর চেয়ে মানুষের মন, ওর চিন্তা করার ঢং এগুলো বুঝতে বেশি ভাল লাগে, আনন্দ পাই; এমন কি কটু কথা বলা লোকটারও।

ফলাফল আগে না কষে, লক্ষ্যের সাথে তা মিললো কিনা না জেনে কোন কাজ করতে আমার একদমই ভাল লাগে না। তাই বলে আমি দাবি করছি না আমি আদর্শ।

১৭. ২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ ভোর ৪:৩৩
রাগ ইমন বলেছেন: পি মুন্সী , মনজুরুল হক এবং স্তবব্ধতা ,

আমার যা মনে হয় ,

পাহাড়ে মানুষের উপর নিপীড়ন চলছে ।
যে পক্ষই হোক , মানুষ নামক কিছু নাগরিক নিপীড়িত হচ্ছে ।
রাষ্ট্রীয় " জোর জবরদস্তি কিংবা পক্ষাবলম্বন " সেই নিপীড়ণকে আরো বেশি ঘোরালো করে তুলছে ।

সকলেই চাইছি এই নিপীড়ন বন্ধ হোক, শান্তি আসুক।

এই ব্যাপারে কি আপনাদের কারো কোন দ্বিমত আছে?

আমার তো মনে হয় না এই ব্যাপারে আপনাদের কারো কোন দ্বিমত আছে ।

আমরা কি আপাতত রাষ্ট্রবাদ , রাষ্ট্রবিরোধীবাদ জনিত বিবাদটা ভবিষ্যতের জন্য তুলে রাখতে পারি?

এত তাত্ত্বিক আলোচনা এই মুহুর্তে পাহাড়ে শান্তি আনবে না । মানুষকে " সমান ও সামগ্রিক আন্ডারস্ট্যান্ডিং " এ আনার জন্য পি মুন্সী ভাইকে পোস্ট দিতে বলেছিলাম । এই সব আলোচনা কিন্তু উলটা কনফিউশন তৈরী করবে।

আপনাদের তিনজনকেই অনুরোধ করছি , প্লিজ, দেশের স্বার্থে , মানুষের স্বার্থে তর্কটা আপাতত বন্ধ থাক।
২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ ভোর ৫:২৮

লেখক বলেছেন: আমি একমত।

১৮. ২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ ভোর ৪:৫৬
রাগ ইমন বলেছেন: নাহ, ঠেকানো গেলো না । মাফ চাই মনজু ভাই । মাফ চাই পি মুন্সী ভাই। মাফ চাই স্তবব্ধতা ভাই।
আমার নাকটা আবার চিরকালই বেয়াদপ রকমের লম্বা । নিজ গুণে ক্ষমা করে দিয়েন । আপনাদের পারস্পরিক আলাপে নাক গলিয়েছি বলে।

ভালো থাকুন সবাই।
২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৫:১৩

লেখক বলেছেন: নিজ গুণের লোভে অনেক আগেই ক্ষমা করে দিয়েছি।

১৯. ২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ ভোর ৫:২৮
মনজুরুল হক বলেছেন:
আমি পষ্ট করে ১৪ নম্বর কমেন্টের ছাগলামিপূর্ণ কম্পেয়ার লজিকের বিষয়ে আপনার মতামত জানতে চাই। রেফারির ভূমিকা মেনে নিয়েই।
২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ ভোর ৫:৫২

লেখক বলেছেন: সবার আগে "ছাগলামিপূর্ণ" কথাটা ভাল হয়নি এটা প্রত্যাহার করতে অনুরোধ করব।
একটা জবাব ওখানে দিয়েছি।

২০. ২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ ভোর ৫:৫৯
মনজুরুল হক বলেছেন:

যাহোক আপনার অবস্থান বোঝা গেল। আপনিও সেই পদাঙ্ক অনুসরণ করলেন! সমস্যা নেই, মাঝে মাঝে কোলাবরেশনও একটা কার্যকরী কৌশল হিসেবে বিদিত।

বিদায় বেলা একটা প্রচলিত গল্প বলার লোভ সম্বরণ করতে পারলাম না!

এক ভদ্রমহিলা বান্ধবীর বাড়িতে বেড়াতে গেছে সপুত্রক। তার পুত্র রত্নটি প্রথমেই সেই বাড়ির শো-কেসটি পাথর ছুঁড়ে ভেঙ্গে ফেলল! মহিলা কপট শাসালেন! এরপর পুত্রটি সেই বাড়ির রিমোটটি আছড়ে ভেঙ্গে ফেলল! গৃহকর্ত্তী তখন প্রমাদ গুনছেন! এবার মহিলাটি বলছেন.....আর বলিস না ভাই, এই ছেলেটিকে নিয়ে আর পারিনা! যে বাড়িই যাক তাদের জিনিসপত্তর ভাঙ্গবেই ভাঙ্গবে! কি যে দুষ্টু হেঃহেঃহেঃ!!!
২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ ভোর ৬:১৬

লেখক বলেছেন: আমার মনে হয় নাই আপনি ঠিক বুঝেছেন।

অন্য প্রসঙ্গে,
সামগ্রিকভাবে ৮ নম্বরে মন্তব্য নয় আমার জবাবটা কী দেখেছেন।
আপনার প্রতিক্রিয়া জানতে পারলে ভাল লাগত।

আরও অন্য এক কথা।
আপনার আমার চিন্তার তফাৎ টা আমি যেভাবে দেখি:
আপনি আলাদা হয়ে যাওয়া বা করে নেওয়াকেই একমাত্র সমাধান দেখেন।
আমি ওটাও একটা অপশন জানি। কিন্তু একমাত্রও মনে করি না। একমাত্র সঠিকও মনে করি না, আমার কাছে এটা সঠিক বেঠিকের প্রশ্নও নয়।
তবে উভয়ের জন্য ভাল বলে একটা কথা আছে। সেটাও ভেবে দেখতে চাই।
বিভক্ত রাষ্ট্রগুলোকে একদিন আবার কোন এক হতে হবে - এমন কোন কথা কি আপনি মানেন?

শেষ কথা:
তবে তার চেয়ে বড় কথা আমি বললেই নিশ্চয় তাই সবাই অনুসরণ করবে এমন নয়। একদম মাঠের ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়াই ওর গতিমুখ ঠিক করবে।

আরও কিছু কথা ছিল হয়ত মেলে বলব।

২১. ২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ ভোর ৬:০৫
মনজুরুল হক বলেছেন:

দুঃখের সাথে বরতে হচ্ছেঃ পাহাড়িদের সীমিতাকারের স্বায়ত্বশাসনের কম্প্যারিজনে এই অনাবশ্যক কথাগুলো আসলে তাকে ছাগলামি ছাড়া অন্য কোন বিশেষণে অলংকৃত করতে পারছি না।

এসব কি?
-দক্ষিণে পার্বত্য চট্রগ্রাম স্বাধীন (লজ্জা করে তিনি বলেছেন সীমিত আকারের স্বায়ত্ত্ব শাসন) করে দেয়া হোক আদিবাসীদের হাতে, বাঙ্গালীরা নিপাত যাক। - পটুয়াখালী, বরগুনাতে রাখাইনদের স্বাধীন করে দেয়া হোক। -ময়মনসিংহ, ত্রিশাল, শেরপুর, ঝিনাইগাতি, দূর্গাপুর, নেত্রকোনা স্বাধীন করে দেয়া হোক গাঢ়দের স্বাধীনতার জন্য। -রাজশাহী, দিনাজপুর, পার্বতীপুর বগুড়া সহ তাবত উত্তর বঙ্গে যে সাঁওতাল ও রাঢ়রা আছেন তাদের স্বাধীন করে দেয়া হোক -খাসীয়া, মনিপুরীদের স্বাধীনতার জন্য বৃহত্তর সিলেট স্বাধীন করে দেয়া হোক। স্বাধীন করে দিয়ে বর্তমান বাংলাদেশের সংবিধানে অখন্ডতার যে উল্লেখ আছে, সেই সংবিধান আগুন দিয়ে পোড়ানো হোক এবং তার ছাই বোতলে পুরে নতুন স্বাধীন ভূ-খন্ডগুলোকে স্যুভনির হিসেবে দেয়া হোক।

যাহোক, কমেন্ট পাওয়ার আগেই বলেছিঃ আপনার অবস্থান বোঝা গেল। আপনিও সেই পদাঙ্ক অনুসরণ করলেন!
এবার কমেন্ট পেয়ে নিশ্চিত হলাম।
এটাই আমার শেষ কমেন্ট। ওভার এন্ড আউট।
২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৫:৪২

লেখক বলেছেন: রাগ কোন কিছুর সমাধান নয় জেনেও মানুষই তো রাগ করে।

তবে আমি নিশ্চিত "ছাগলামি" শব্দটা ব্যবহার না করেও আপনি একই কথা বলতে পারতেন এবং আমরা আপনার একই অর্থই বুঝতাম।

কাউকে নিচা দেখিয়ে derogate করে, এমনকি সত্যিসত্যিই কম জানা অর্থে সে নিচা হলেও, এসব করে তর্ক আগানো যায় না; ও থেকে জেতার, হাসিল করার কিছু নাই বলেই আমি মানি।

যার কথা পছন্দ হয়নি তবু ওর লজিকগুলো সততার সাথে মন দিয়ে শুনতে আমি পছন্দ করি। এতে ঐ লজিকগুলো দিয়ে নিজের জানাটাকে মনে মনে কষ্ঠিপাথরে যাচাই পরীক্ষায় ফেলে দেখার সুযোগ মিলে; নিজের জানাটা সাঁতরে উঠতে পারলে নিজেকে আরও সবল মনে হয়। সেই সাথে খুঁজার চেষ্টা করি কেন সে এমন বলছে।

তবু আমি আবার বলব আমার "অবস্থান আপনার বোঝা" হয়নি। একটু ধৈর্য চেয়ে নিব; আমার কথা আপনাকে মানাতে না, বুঝানোর জন্য কেবল।

২২. ২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ ভোর ৬:১১
স্তব্ধতা' বলেছেন: @মনজুরুল হক: ''আপনার এই গায়ে পড়ে খোঁচা মারার বদভ্যাসটা এখানে না দেখালে শোভন হতো। কারণ কথা হচ্ছে লেখকের সাথে আমার। সেখানে আপনার এই অতি আগ্রহী নোংরা নাকটা না গলানোই শ্রেয় হবে।''

বেশ বলেছেন, যুক্তি যখন হারায় আাঁধারে, তখন আপনি এলোমেলো পদক্ষেপের পরিব্রাজক।ব্যক্তিগত আক্রমন ছাড়াতো রাস্তা নেই। তো কথা যদি একান্তই লেখকের সাথে হয় তবে মুনসী সাহেবকে আপনার ড্রইং রুমে দাওয়াত করে আলোচনাটা সারলেই পারেন।ব্লগে এসেছেন কেন? আর আমার নোংরা নাকের কথা বলছেন? এর থেকে রক্ষা পেতে হলে আপনাদের যে ব্লগ ছেড়ে ড্রইং রুমে আশ্রয় নিতে হবে। এবং তার জন্য আমি একটুও দু:খিত হবোনা বা ক্ষমা প্রার্থনা করবোনা।

আপনার লজ্জা থাকা উচিত, যে দেশটার জন্য এক সময় যুদ্ধ করেছেন সে দেশটাকে খন্ড করার প্রশ্রয়ে আপনাদের গলাটাই আগে বাড়ছে।আপনারা কি বিক্রি হয়ে গেছেন মনজুরুল? ধিক্ আপনাদের।ফিফার পোষ্টে বলেছেন 'উগ্র জাতীয়বাদ ফ্যাসীবাদেরই নামান্তর'।উগ্র জাতীয়বাদের সংজ্ঞা কি মনজুরুল? নিজ রাষ্ট্রের অখন্ডতার প্রশ্ন কি উগ্র জাতীয়তাবাদ? আপনি কিসের ভিত্তিতে উগ্র জাতীয়তাবাদকে সংজ্ঞায়িত করছেন? ভাষা (বাংলা তথা বাঙালী) যদি হয় এর ভিত্তি তবে শুধু ভাষা কেনো, ধর্মকেও টানুন এবং এ সবের ভিত্তিতে আপনার উদার পন্থী এ্যান্টি ফ্যাসিজমের মাধ্যমে সব সাব-নেশন গুলোকে স্বায়ত্ত্ব শাসন তথা স্বাধীনতা দিয়ে দিন।

শুনুন, সংবিধানে রাষ্ট্রের অখন্ডতার প্রতি সম্মান প্রদর্শন পূর্বক আপনি, আমি, পাহাড়ী, সমতলী সকলে এ দেশের নাগরিক।শুধু দশটা লোক স্বাধীনতা, স্বাধীনতা বলে চেঁচালেই স্বাধীনতার আন্দোলন হয়না।এক পক্ষ (আমি কোন বিভাজন করতে রাজী নই, কিন্তু আলোচনার খাতিরে দুটি পক্ষ করতে হচ্ছে) যদি সুবিধা বঞ্চিত হবার দোহাই দিয়ে আন্দোলন করে, আরেক পক্ষকেও দেখতে হবে তারা কিছু থেকে বঞ্চিত কি না। আপনি কল্পনা চাকমার হত্যা ও ধর্ষনের কথা বলেছেন।ব্যবসায়ী জামালউদ্দিনকে অপহরণ ও হত্যা করার পর তার কঙ্কাল কতদিন পর পাওয়া গিয়েছিলো? মিলনছড়ি থেকে বাবলুকে অপহরণ করার পর ওর ভাইকে কত টাকা সন্তু লারমার বাহিনীকে দিতে হয়েছিলো শুধু ওকে প্রানে বাঁচানোর জন্যে? এরকম ভুড়ি ভুড়ি উদাহরন আছে দু পক্ষেই।এখন রাষ্ট্রে কর্ম কি? দুই দলকে পৃথক করে দেয়া? নাকি একটা সমাধান খোঁজা যাতে দুই পক্ষের বিভাজনের রেখাটাকে মুছে দেয়া যায়? যদি দ্বিতীয়টা হয়, সে প্রচেষ্টাকে কি আপনি উগ্র জাতীয়তাবাদ বলবেন?

মুরগীর মতো মানুষ মরছে, এসময় এ জাতীয় বিভাজনের বক্তব্য না ছড়ালেই কি নয়? কে সেটলার আর কে পাহাড়ী সে প্রশ্নটা এখন বড় না কি কি করে বাঙ্গালী-উপজাতি সহাবস্থান ঘটানো যায় সে প্রশ্নটা বড়? আর এই প্রশ্নে না গিয়ে বিভাজন সৃষ্টি করে কার পকেট ভারী হচ্ছে সেটাও একটা ভাববার বিষয়।

@রাগ ইমন: ক্ষমা চাচ্ছেন কেন? সেরকম কিছুতো করেননি।
২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ ভোর ৬:২১

লেখক বলেছেন: স্তব্দ্ধতা ও মনজুরুল হক আপনাদের দুজনকেই বলছি এই প্রসঙ্গ নিয়ে পরস্পরের প্রতি আপনারা কেউই মন্তব্য আর না লিখে আমাকে বাধিত করবেন। পোষ্টটাকে রক্ষা করতে আমাকে সাহায্য করুন, প্লিজ।

২৩. ২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ ভোর ৬:২৮
স্তব্ধতা' বলেছেন: এইমাত্র দেখলাম মনজুরুল হকের শালীনতা বিহীন মন্তব্য।আরেকটু আগে দেখলে আরেকটু ভালো করে মন্তব্য করা যতো, শালীনতার সীমারেখা অতিক্রম না করেই।যাই হোক।আলোচনা পর্যবেক্ষনে রাখলাম।হয়তো কিছু বলবোনা।কিন্তু সকলের প্রতি অনুরোধ দয়া করে বিভাজনের কলেমা পাঠ করবেননা।
২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৫:৪৯

লেখক বলেছেন: জানি না একমত হবেন কী না,
আমার মনে হয় মনের আর নাম রাখা উচিত কন্ট্রোল।

২৪. ২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ ভোর ৬:৩০
নাজিম উদদীন বলেছেন: আলোচনা দেখি ভালই জমছে ,আমি দর্শকের সারিতে বসে শুনি।
২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:২০

লেখক বলেছেন: ভাই নাজিম উদদীন আপনি এলেন, খুশি হলাম কিন্তু গ্যালারিতেই বসে রইলেন?

২৫. ২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ ভোর ৬:৩৭
শয়তান বলেছেন: আপাতত দর্শক ।
২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:২১

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

২৬. ২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ ভোর ৬:৪৬
রাগ ইমন বলেছেন: পি মুন্সী ,

আমাকে নিয়ে চিন্তা করবেন না , আমি আমার দেশের প্রতি দায় দায়িত্ব সম্পর্কে যথেষ্ট ওয়াকিবহাল থাকি। সিনেমা দেখে কিংবা আপনাদের স্মৃতিচারণ পড়ে কাঁদি ঠিকই কিন্তু বুড়া বয়সে বাচ্চাদের খেলনা ( পড়ুন, দেশ বাদ দিয়ে ব্যক্তিগত বিশ্বাস, ইগো, তন্ত্র, ইজম, বাদ ইত্যাদি) নিয়ে টানাটানি করে নিজেকে হাস্যকর করতে ভালো লাগে না।

সংহারী রাগ ইমনের প্রশংসা করেছিলেন না? সে কিন্তু দোষ করলে কাউকেই ছাড়ে না । নিজেকেও না।
------------

উপরের এসব চেষ্টার পরও হতাশ হবার কিছু নাই। বিশেষ করে রাগ ইমন আমার এখনও মনে হচ্ছে "ঠেকানো গেলো না" এমন কিচ্চু হয় নাই। সবাই ষ্পোর্টিংলি আছে।

বুঝলাম, উপরের মন্তব্য নমুনা গুলো দেখে , আমি এখনো স্পোর্টিং কি জিনিস একেবারেই বুঝি না।
-------------

স্তব্বধতা , ক্ষমা চাইছি কারণ কন্যা হয়ে যখন আব্বুকে বলতে হয় , " ছিঃ আব্বু ঝগড়া করতে হয় না , তুমি না বড় হয়েছো? " --- তখন ক্ষমাও চাইতে হয়, লজ্জাও লাগে।

------------------

মুখ থুবড়ে পড়ে থাকা বুদ্ধ আর শস্যপোড়া ছাই হতে উত্থিত হোক বিদ্রোহী মধুপূর্ণিমা।- সালাহ্ উদ্দিন শুভ্র

একটু আগে পার্বত্য চট্টগ্রাম নিয়ে আমার ধারনাটুকু বদলে দিলেন আমার বাবা- শ।মসীর
---------------

এত কথার পরেও আমি কিন্তু খুউউউউউউব স্পোর্টিং আছি। আপনারাও আছেন, আশা করছি।

আফটার অল, আমাদের প্রত্যেকের কাছে তো দেশটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ , ব্যক্তিগত আবেগ এর চেয়ে , তাই না?
২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:২৫

লেখক বলেছেন: একদম ঠিক বলেছেন।

আপনার উপর আমি আস্হা রাখি।

"সবাই ষ্পোর্টিংলি আছে' যখন লেখেছিলাম সেটা কয়েক মিনিট আগের কথা। এরপরে তা থাকেনি।

২৭. ২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ ভোর ৬:৫৮
শয়তান বলেছেন: আর হ্যা । সেকেন্ড মাইনাসটা আমি দিলাম ।
২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সকাল ৭:১৬

লেখক বলেছেন: থ্যঙ্কু।

২৮. ২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সকাল ৭:১৭
মনজুরুল হক বলেছেন:

লগঅফ করে চলে যাচ্ছিলাম।যুক্তি হারিয়ে আক্রমন এবং শালীনতাহীনতার তকমা পেয়ে আবার দুকথা বলতে হচ্ছে, সেটা আমাকে জাস্টিফাই করার জন্য নয়, আপনার পোস্টের মান রক্ষার্থে।

গত দেড় বছরে আমার চরম শত্রুও বলতে পারবেনা যে আমি কাউকে অশালীনভাবে আক্রমন করেছি! অথচ এই পোস্টে সেই অপবাদ মাথা পেতে নিতে হলো।

আসলেই আমার লজ্জা থাকা উচিৎ! অন্তত এই ধরণের পোস্টে কমেন্ট করার বেলায়। যে দেশটার জন্য এক সময় যুদ্ধ করেছি সেই দেশটাকে খন্ড করার প্রশ্রয় কোথায় দেখলেন আপনারা? যদি কোন একটি জনগোষ্ঠির আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকারকে মর্যাদা দিতে চাই সেটাকে কি বিক্রি হয়ে যাওয়া বলে? তাহলে কাশ্মীর বা ফিলিস্তিনের হয়ে কথা বলাটা কার কাছ বিক্রি হওয়ায়?

বিভাজন ঠেকাবেন কি করে? এইভাবে মাঝে মাঝে জাতীয়তাবাদের ঝান্ডা নিয়ে ১০/১৫ জন পাহাড়ি মেরে? সেটেলার বসিয়ে?

আমি কোথাও বলিনি যে দেশকে খন্ড বিখন্ড করে পাহাড়িদের অধিকার দিতে হবে। স্বাধিকার বা স্বায়ত্বশাসন দেওয়া বলতে যদি আপনারা মনে করেন দেশটা খন্ড করে ফেলা হচ্ছে, আর সেটা যে কোন মূল্যে ঠেকাতে হবে, তাহলে আবারো বলতে হচ্ছে আপনারা উগ্র জাতীয়তাবাদের জ্বরে আক্রান্ত। জাত্যাভিমানের দম্ভে অন্ধ, যেখানে ন্যায্য যুক্তি বা দাবিও আপনাদের কাছে পৃথক হয়ে যাওয়ার বিপদের মত মনে হচ্ছে। আর সেই মনে হওয়ায় বিশ্বের তাবত নীপিড়িত জাতিস্বত্তার স্বাধিকারের প্রশ্নে, মুক্তির প্রশ্নে, স্বায়ত্বশাসনের প্রশ্নে সরব সেই মানুষগুলোকেই দেখছি অখন্ডতা অখন্ডতা বলে খন্ডিত হওয়ার জুজু দেখে আঁতকে উঠছেন! এটাকেই আমি বারে বারে বলছি...উগ্র জাতীয়তাবাদ চূড়ান্ত বিচারে ফ্যাসীবাদ।

যে আপনারা কাশ্মীর, ফিলিস্তিন, মনিপুর, মিজোরাম, অসম প্রশ্নে আন্তর্জাতিকতাবাদী-মানবতাবাদী, সেই আপনারাই আপনাদের সংখ্যাগুরুত্বকে অবজ্ঞা করার কারণে, দাবি আদায়ে সহিংস হওয়ার কারণে সংরক্ষণবাদী। এইখানে শেখ মুজিবের-"তোরা বাঙালি হইয়া যা"র সাথে আপনাদের এই ভূমিকা বেশ ভালভাবেই এ্যাক্যুয়ার হয়ে যায়।

ল্যাজে পা না পড়া পর্যন্ত কার্যত সব সাপই ঢোঁড়া সাপ। ল্যাজে পা পড়লেই সে গোখরো! যদিও আলাদা হয়ে যাবার কোন কথাই এখানে আসছে না, তারপরও যদি তর্কের খাতিরে ধরে নেই যে পাহাড়িরা আলাদা হতে চায়, তাহলে আপনার বিবেক কি বলে? মার্কসবাদ কি বলে? ছলে-বলে-কৌশলে তাদের দাবিকে দেওয়া? তাই যদি হয় তাহলে ফ্যাসীবাদ শুনে বিস্মিত হচ্ছেন কেন? আপনাকে কোন কিছু শেখাতে চাওয়ার ধৃষ্ঠতা আমার নেই, কিন্তু সরল অংকটি কেন জটিল কের বুঝতে চাইছেন তা আমার বোধগম্য নয়।

শেষ কথাঃ আমি দেশের স্বাধীনতার জন্য, আত্মমর্যাদার জন্য, অপমানের প্রতিশোধ নেওয়ার জন্য লড়াই করেছি বলেই অন্যান্য জাতিস্বত্তার আত্মমর্যাদার প্রশ্নটি শ্রদ্ধার চোখে দেখতে চাই,দেখি, দেখব আমৃত্যু।

আমার নয়, বরং আপনাদেরই(এখানে আপনাকে বাধ্য হয়েই স্তব্ধতার সাথে এক করে দেখতে হচ্ছে বলে দুঃখিত।কারণ আপনি এই দেখতে চাওয়ার ব্যাপারটা প্রম্ট করেছেন)
লজ্জা হওয়া উচিৎ, যে জাতি রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের মাধ্যমে আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার আদায় করে, সেই জাতিই তার ক্ষুদ্র জাতিসত্তাগুলোকে রাষ্ট্রীয় অখন্ডতা, জাতি হয়ে না ওঠার তকমা দিয়ে সামান্যতম সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত করে!

ভাল থাকবেন।
২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ৮:৫৪

লেখক বলেছেন: "উগ্র জাতীয়তাবাদ চূড়ান্ত বিচারে ফ্যাসীবাদ" -

জাতীয়তাবাদের আগে "উগ্র" বিশেষণ না লাগালেও

এবং

বিচারের চূড়ান্তে না পৌছালেও

"জাতীয়তাবাদ" ধারণাটাই সবসময় জাতিবাদী, আমার জাতিই শ্রেষ্ঠ ধরণের রেসিষ্ট হওয়ার জন্য পোটেনশিয়াল, একটা সম্ভাবনা বুকে নিয়ে সে বসে থাকে। এটাই ওর সীমাবদ্ধতা।
"জাতীয়তাবাদ" নিজের জনগোষ্ঠি বাদে অন্য আর কাউকে, অন্য কোন জনগোষ্ঠিকে তাঁর জাতীয়তাবাদের ভিতরে জায়গা করে দিতে পারে না, সুযোগ নাই। অথচ মানুষ - শুধু এই দুরত্ত্ব-বিভেদ নয়, মানুষের সব ধরণের বিভেদমূলক চিহ্ন টপকে সব অপরের সাথেই মিলিত হয়ে একাত্ম হতে চায়; নতুন এক "মানুষের উম্মা" বা কমিউনিটিতে পৌছাবার আকাঙ্খা তাঁকে তাড়া কর ফিরছে টের পায়। জাতীয়তাবাদী মানুষ এএক অসহায় বৈপরীত্য দ্বৈততা, এক বিরাট অস্বস্তি নিয়ে বেচে থাকে।

আপনার নতুন বইয়ের, বেলুচ আল্লারাখার জন্য আপনার আকুতি স্মরণ করুন, মিলিয়ে দেখুন। আমাদের জাতীয়তাবাদের লড়াইয়ের ঘরের ভিতর বসে আপনি টের পাচ্ছেন আপনি কি যেন হারাচ্ছেন, আপনি কোথায় যেন সীমাবদ্ধ; আপনি চাইলেও আল্লারাখার সাথে মিলিত একাত্ম অনুভব করতে পারছেন, আল্লারাখাকে প্রাণে বাঁচিয়ে রাখাও ঐসময়ে আপনার জন্য এক অসম্ভব ব্যাপার। আপনি তাই পারেনও নি। আপনার আমার জাতি তাঁর জাতীয়তাবাদীর লড়াই মশগুল হয়ে লড়ছে। অথচ আপনার অনুভব কী তা কাউকেই বুঝাতে পারেন নি, পারার কথা না। কারণ সময় কাল আপনার অনুভবের বিপক্ষে ছিল।

অনেকের ধারণা কোন জনগোষ্ঠির প্রথম রাজনৈতিক জনগোষ্ঠি হয়ে আত্মপ্রকাশ একমাত্র একটা জাতি-রূপে জাতীয়তাবাদের চেহারা নিয়ে হাজির হতে বাধ্য। কথাটার কোন ভিত্তি নাই।

প্রথম "রাজনৈতিক জনগোষ্ঠি" হওয়া মানে জাতিই হতে হবে এমন কোন মানে নাই। খেয়াল করবেন আমার বাক্য গঠন "রাজনৈতিক জনগোষ্ঠি" বলেছি, আমি জাতি বা বাঙালী জাতি বলিনি। আমার এই শব্দ বাক্য তৈরি করতে সক্ষম হওয়ার মধ্য দিয়েই আসলে প্রমাণ হয়ে গেছে জাতি না হয়েও ""রাজনৈতিক" এবং নতুন "জনগোষ্ঠি" হয়ে আত্মপ্রকাশ করা সম্ভব, বিশ্বসভায় নিজের হাজিরা জানানো সম্ভব।

"রাজনৈতিক" বলছি কেন? কারণ, এখন আর আমি নৃতাত্ত্বিক বা প্রাকৃতিক বৈশিষ্টের প্রকৃতি যেমন করে রেখেছিল তেমন জনগোষ্ঠি নই। নিজের চিন্তা, সচেতনতার (নিজের রাজনৈতিক চৈতন্যে আত্মসচেতন) উপর দাড়িয়ে জনগোষ্ঠির সকলকে সংগঠিত করে নতুন পরিচয়ে আত্মপ্রকাশ ঘটিয়েছি, তাই, প্রাকৃতিকের বিপরীতে রাজনৈতিক।

জাতি শব্দ এড়িয়ে জনগোষ্ঠি শব্দটা কীবোর্ডে লিখতেও কষ্ট বেশি, তবু কষ্ট করে জনগোষ্ঠি লিখছি। কারণ, জনগোষ্ঠি শব্দটা একটা কমন নাম, যার এক বিশেষ রকম বা রূপ হলো জাতি। ঠিক যেমন মনজু, মুন্সী এগুলো আমাদের বিশেষ নাম; আর আমাদের কমন বা সাধারণ নাম হলো মানুষ। জাতি শব্দ ব্যবহার না করে সচেতনে ওর সাধারণ নাম জনগোষ্ঠি ব্যবহার করেছি।

প্রাকৃতিক জনগোষ্ঠি সচেতনে "রাজনৈতিক জনগোষ্ঠি" হয়ে উঠে জাতি বা জাতীয়তাবাদের পথ ধরতে পারে।
আবার,
প্রাকৃতিক জনগোষ্ঠি সচেতনে "রাজনৈতিক জনগোষ্ঠি" হয়ে উঠেও জাতি নাও হতে চাইতে পারে, পণ করতে পারে জাতীয়তাবাদের পথ সে ধরবে না। কেন?

কারণ, জাতীয়তাবাদের সীমাবদ্ধতা - নিজে নিজের জাতি বা জাতীয়তাবাদের ঘরে ঢুকে অন্য সকল জনগোষ্ঠির জন্য দরজা বন্ধ করে কুলুপ এঁটে দেয় - এতে সব অপরের সাথে ওর মিলন আকাঙ্খা কষ্ট পাবে - এটাও বুঝ হবার মত "রাজনৈতিক জনগোষ্ঠি" সে হয়ে গেছে - তাই। জনগোষ্ঠির রাজনৈতিকতার (polity) মাত্রা, জ্ঞানের লেভেল সেখানে এতদূর। ইতোমধ্যেই অন্য অগ্রগামী জাতীয়তাবাদীদের দশা দেখে তা থেকে অভিজ্ঞতা নেবার কারণে সে এতদূর টপকে পৌছে যেতে পেরেছে। জাতি না হয়ে কোন রাজনৈতিক জনগোষ্টির এখানে পৌছানো সম্ভব।

এখন সে নিজেকে কোন জাতির নামে ডাকে না, যারা আগেই নানান জাতির নামে নানান ঘর তুলে কুলুপ মেরে বিভক্ত হয়ে আছে - এদের সবার জন্যই তার ঘর খোলা। সবার জন্য খোলা রাখলেও এটাও সে বুঝে যে, কুলুপ আটা নানান জাতের জাতিগুলোর লিজেদের বন্ধ দরজা সহসাই খুলে যাবে না। ইতিহাসের দীর্ঘ সময় লাগবে, অপেক্ষায় এক সময় কাটাতে হবে।

কিন্তু সবাইকে কোথায় ডাকছে সে - ঘর? না, বেড়া কুলুপ আটা ঘর হলে আল্লারাখা কেন কেউই আসতে পারবে না, অতিক্রম করতে পারবে না। তাই সকলকে ডাকার জন্য একটা ভাবের ঘর; ঘর সদৃশ কিছু একটা তা, কিন্তু বেড়া, কুলুপ নাই। এখন আর আল্লারাখার সাথে মিলিত হতে কোন সমস্যা নাই।

ভাবের ঘর হলেও বাইরে থেকে দেখে ওটা যদিও ঘরই মনে হবে। এই ঘর মানে রাষ্ট্র। ঘরের বেড়া কুলুপ কথাটা ভাবের অর্থে, এর মানে ঐ রাষ্ট্রের সীমানা, সৈন্য নাই তা নয়। ঘর মানে আসলে বসা, বসার জায়গা; নিজে বসা, কাউকে ডেকে এনে বসানো। যেখানে বসে বসত করব সেটাই ঘর হয়ে যাবে, যায়।

তবু এ ঘর আবার একটা অন্তর্বর্তীকালীন ব্যবস্হা, ট্রানজিশনাল; আর ঘর মানে রাষ্ট্র। এক মানুষের জীবন-সীমার বিচারে এটা ট্রানজিশনাল নাও মনে হতে পারে, কিন্তু বড় ব্যপ্তকালের চোখে দেখলে এটা এক অন্তর্বর্তীকালীন ব্যবস্হা, ট্রানজিশনাল।

আবার মনে করিয়ে দেই আদতে ঐ ঘর মানে তখনও রাষ্ট্র; তবে কোনভাবেই জাতীয়তাবাদী রাষ্ট্র নয়।
চিন্তায় সচেতনে আমরা জাতি বা জাতীয়তাবাদী হওয়া এড়িয়ে টপকে যেতে পারি কিন্তু বসে বসতের বিচারে ওটা তখনও রাষ্ট্র। এবং সে রাষ্ট্র পাহাড়িদের (যদি ইতোমধ্যেই বিচ্ছিন্ন হয়ে গিয়ে থাকে) কোন রাষ্ট্র, পাকিস্তান, ভারত সকলকেই মানুষের উম্মার পথে ডেকে আহ্বান জানাতে পারি, কারন শতসহস্র আল্লারাখার সাথে আমাদের মিলন-আকাঙ্খী মন মিলিত হতে চাই।

মুল কথা, জাতি আর রাষ্ট্র এককথা নয়। রাষ্ট্র মানেই জাতি রাষ্ট্র নয়। অগ্রসর সচেতনতা দিয়ে জাতি বা জাতীয়তায়তা এই গন্তব্য এড়িয়ে গিয়েও এক রাষ্ট্র গড়া সম্ভব। রাষ্ট্র মানেই ওকে রক্ষা করা, রাষ্ট্রের নিরাপত্তা মানে আমাদের নিরাপত্তা ওর অনুষঙ্গ উপাদান। এই নিরাপত্তা নিয়ে কথা বলতে গেলে জাতিরাষ্ট্রের দম্ভের গরম রেসিষ্ট মত করে তা প্রকাশ করা যাবে না। এবং রাষ্ট্রের নিরাপত্তার ভাবনা মানেই তা রেসিষ্ট ভাবনা এটাও মনে করা যাবে না।

উপরে লম্বা কথাগুলো বললাম আপনার মানা না মানার জন্য নয়। আপনার মানার বা বিরোধিতা প্রকাশ করাও দরকার নাই। ফলে এখনইও তর্ক শুরু করার দরকার নাই। কেবল অন্যের কিছু কথা জেনে রাখা। আমার কথাগুলো যেন ঠিক ঠিক বুঝাতে পারি তাই এই কসরৎ। তবে অবশ্যই আরও ব্যাখ্যা স্পষ্টতা শুনতে চাইতে পারেন।

২৯. ২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সকাল ৭:২৪
শয়তান বলেছেন: উগ্র জাতীয়তাবাদ চূড়ান্ত বিচারে ফ্যাসীবাদ।
২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ৮:৫৮

লেখক বলেছেন: আপনার মন্তব্যের জন্য অনেক ধন্যবাদ। উপরে ২৯ নম্বরে আমার জবাব পড়ে দেখতে পারেন।

৩০. ২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সকাল ৮:৩৭
হাসান শহীদ ফেরদৌস বলেছেন: @লেখকঃ যাদেরকে আমরা এখন সেটেলার বলছি, তারা কি ক্রয়সূত্রে সেখানে বসবাস করছে, নাকি রাষ্ট্রীয় খাস জমিতে বরাদ্দ নিয়ে বসবাস করছে?
২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১০:০৯

লেখক বলেছেন: শুরুতে রাষ্ট্রীয় খাস জমিই তাদেরকে দেয়া হচ্ছে বলা হয়েছিল। কিন্তু আমলাদের ভুলে কোন কোন জমি আসলে রাষ্ট্রীয় খাস জমি নয় তাও হতে পারে। কারণ সে জমি যার বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই সে তো অনুপস্হিত, দেশ ছাড়া।
এছাড়া আরও বড় সমস্যা হলো, যে জমি সেটেলারদের দেয়া হয়েছে ওর এনক্রোচমেন্ট মানে আশেপাশের জমিও নিজের বলে সাথে অন্তর্ভুক্ত করে নেয়ার সমস্যা আছে।
আরও আছে, সেটেলারদের যেখানে যাকে জায়গা জমি দেয়া হয়েছিল কেউ কেউ সেখানে হয়ত নিরাপত্তার জন্য থাকতে পারেনি। পরে কেবল সেনা নিরাপত্তার সুবিধা বিবেচনা করে দল বেধে সবাইকে গোছ করে এক জায়গায় "গুচ্ছগ্রামে" বসতি গাড়তে দেয়া হয়েছিল। সেই নতুন জায়গা হয়ত অনুপস্হিত পাহাড়িদের; কারণ এর কোন আইনী বিলিবন্টন হয়নি।
সরকারের খাস জমি, বা বনবিভাগের বিস্তির্ণ জমিও সেখানে আছে।

সবার উপরে এক বড় সমস্যা হলো, পাহাড়িদের আগের ভুমি ব্যবস্হাপনা। এটা আমাদের সমতলীদের মত দলিল পর্চা করা ব্যক্তিমালিকানার মত নয়। সাধারণভাবে বললে একধরণের এজমালি বা সমবায়িক ধরণের, রাজার নামে। ফলে ব্যক্তি হিসাবে কাগুজে দলিল প্রামাণিক করা নয়। তবে এক ধরণের কমিউনিটি স্বীকৃতি তাতে অবশ্যই ছিল। এই সমস্ত ব্যক্তি দলিলী সমস্যার পুরাটাই এখন পরিস্হিতিকে পাহাড়িদের বিপক্ষে করে রেখেছে।
এছাড়া অবশ্য ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা আগের বহু পুরানো অল্পসল্প বাঙালির কথা জানা যায়। এরকম একজন কোন এক পোষ্ট দেখলাম আমাদের জানিয়েছে তাদের পূর্বপুরুষের জমিও কাপ্তাই বাঁধ খেয়ে ফেলেছে। শেখ ফজলে এলাহীর পোষ্ট যেখান থেকে আমার এই পোষ্টের জন্ম ঐ পোষ্ট এলাহীর ভুমি ব্যবস্হা সংক্রান্ত বেসগ কিছু কথা আছে, দেখতে পারেন।

সবমিলিয়ে এক কথায়, এএক সামগ্রিক চরমভাবে ভুমির অব্যবস্হাপনা। সমতলের মতনই এই চরম বিশৃঙ্খলার সুযোগ চরম হার্ডশিপ জীবনের সেটেলাররা নিতে চাইবে এটাই স্বাভাবিক। আর এই অব্যবস্হাপনার সমস্ত সংঘাতের উৎস হয়ে আছে।
এজন্য প্রথম ও প্রধান কাজ ভূমি ব্যবস্হাপনায় শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা, তারও আগে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনার পদ্ধতি কী হবে তা পাহাড়ি বাঙালি বসে আলোচনা করে নীতিমালা নিয়ে কথা বলা। চুক্তিতেও অনেক গাইড লাইন লেখা আছে। ওগুলো কাজ বাস্তবায়নের দিক থেকে যথেষ্ট নয়। এছাড়া আমাদের কনষ্টিটিউশনের বাইরে চলে যায়, অমান্য করে এমন ধারা পয়েন্টও সেখানে আছে।
মুল প্রশ্ন হলো, আমরা সব পক্ষ কী একটা সমাধান, শৃঙ্খলা দেখতে তৈরি? আমার সন্দেহ আছে।
যদিও আমার এখনও বিশ্বাস একটা সৎ ভুমি কমিশন দেয়ে সমাধান খুজে পাওয়া সম্ভব। এর পূর্বশর্ত হলো, একটা সৎ ইচ্ছার রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত নেয়ার ক্ষমতা, সক্রিয় এক রাজনৈতিক দলের। এই সমস্যার ভয়াবহতা উপলব্দি করার মত দল। এই দলের জায়গায় আওয়ামী লীগ, বিএনপি কাউকে দেখি না।

৩১. ২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সকাল ৯:১৮
খারেজি বলেছেন: হিস্টিরিয়াগ্রস্ত পোস্ট।


মাইনাস।
২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১০:১২

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

৩২. ২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সকাল ১০:২৮
স্তব্ধতা' বলেছেন: মনজুরুল হকের সঙ্গে সরাসরি মন্তব্যে যেতে নিষেধ করেছেন।তাই কথাগুলি আপনার উদ্দেশ্যেই বলা।যে স্বায়ত্ত্ব শাসনের কথা ওনারা বলছেন সে স্বায়ত্ত্ব শাসনের রূপরেখা কি? ঠিক কতটুকু করলে সে স্বায়ত্তত্ব শাসন প্রতিষ্ঠা হবে? তাতেই কি সমস্যার সমাধান হবে?নাকি আরেকটি রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ শুরু হবে?

সমঅধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলন আর স্বায়ত্ত্ব শাসন দুটো ভিন্ন জিনিস।যদি স্বাধিকার বলতে ওনারা অধিকার আদায়ের আন্দোলন বুঝিয়ে থাকেন, একশ’বার সে আন্দোলনে আছি।যেরকম ভাবে আর দশটা বাংলাদেশী নাগরিকের (জাতি/ধর্ম, পাহাড়ী/বাঙ্গালী নির্বিশেষে)অধিকারের আন্দোলনের সাথে আছি।বাবরী মসজিদ ধ্বংসে যেমন মোহনলাল সুইটুস এর উপর হামলাকে সমর্থন জানাইনি, তেমনি পাহাড়ে সেনা অত্যাচারও (আমি নিজে সাক্ষী) মেনে নেইনি।ঠিক তেমনি সমর্থন দেইনি সন্তু লারমাদের দ্বারা বাঙ্গালী নিধন এবং হয়রানীর।পাহাড়ে প্রবঞ্চনার যে ইতিহাস সে ইতিহাস আমি কারও চেয়ে কম জানিনা,কারও চেয়ে কম দেখিনি।কিন্তু সে দু’পক্ষেরই ইতিহাস।অবশ্যই তাতে কম বেশী হবে, কিন্তু দূর্ভাগা পরিণাম ভোগকারীদের (উভয় পক্ষের) যন্ত্রনাকে কোন পরিমাপ রেখায় পার্থক্য করবেন? আর সে প্রবঞ্চনার ইতিহাসের সমাধান যারা একটা স্বায়ত্ত্ব শাসনের মধ্যে দিয়ে চাচ্ছে তাদের উদ্দেশ্যে বলতে ইচ্ছে করছে এ কার চাওয়া?

পাহাড়ে চাকমা ছাড়াও উপজাতি (আদিবাসী সঙ্গত কারনেই বলছিনা, তারাও সেটলার, দু:খিত হার্ড লাইনে যাওয়ার জন্য) আছে ব্যোম, শাক, খুমি, মায়াং, ম্রু, মগ, মুরং, ত্রিপুরা (টিপরা),পাঙ্খো, তংচংগা।কিছু গুর্খা এবং সাঁওতালও আছে। পরবর্তীতে সময় পেলে তংচংগা, চাকমা এবং সেনাবাহিনীর সাথে আমার নিজস্ব অভিজ্ঞতা ভাগাভাগি করার চেষ্টা করবো।সে যাক, যেটা বলছিলাম, স্বায়ত্ত্ব শাসনের মাধ্যমে আপনারা কোন্ বিশেষ উপজাতির হয়ে কথা বলছেন?সমগ্র পাহাড়ীদের? তাহলে বলে রাখি, অনেক উপজাতী দলই চাকমা আধিপত্য চায়না।আর চাকমারাই কি চায় স্বায়ত্ত্ব শাসন? পাহাড়ীরাই কি এই স্বায়ত্ত্ব শাসন চায়? নাকি তারা তাদের নাগরিক সুবিধা গুলি চায়।হিল ট্র্যাক্ট চুক্তির কোথাও কি আছে এরকম স্বায়ত্ত্ব শাসনের কথা? চুক্তির প্রথমেই বলা আছে ‘Keeping full and un swerved allegiance in Bangladesh’s state sovereignty and territorial integrity in Bangladesh’s Chittagong Hill Tracts region under the jurisdiction of the Constitution of the People’s Republic of Bangladesh……………’

চুক্তির খ এর তিন ধারায় আছে ‘“Non-tribal permanent residents” will mean those who are not a tribal but have legal lands and generally live in hill districts at specific addresses’ শুধু যদি উপজাতিদের স্বায়ত্ত্ব শাসন দেন, এদের কি হবে?. তাই বলছি শুধু স্বায়ত্ত্ব শাসন এর নামে আবেগী রোদন না করে যুক্তি দিয়ে সমাধানের কথা বলুন, আসলে পাহাড়ী অধিবাসীদের চাওয়া কি (আপনার আবেগী চাওয়া না) সেটা বোঝার চেষ্টা করুন।

আমরা যারা সমাজ নিয়ে চিন্তা করি এবং সমাজ নিয়ে কাজ করি তাদের জন্য অবজেকটিভ থাকাটা ভীষণ দরকার।নিজস্ব প্রসূত আবেগী ছবি বা বর্ণনার মাধ্যমে একটি জনগোষ্ঠীর বর্ণনা দেয়া বা তাকে পড়তে যাওয়াটা সেই জনগোষ্ঠীর অপকার বৈ উপকার করবেনা।এ প্রসঙ্গে একটা লেখার কথা মনে পড়ে গেলো।রেনেটো রোসাল্ডোর লিখা ‘কালচার এন্ড ট্রুথ’ বইটাতে ‘আফটার অবজেকটিভিজম’ সেকশনে হোরাস মিনারস নামে একজন সমাজ গবেষকের কথা বলা আছে।একজন সমাজ গবেষক যদি অবজেকটিভ না হয়ে তার সাবজেকটিভ অ্যানালাইসিসটাকে প্রাধান্য দেন তবে কি হতে পারে তা নিয়ে উনি একটি ব্যঙ্গাত্মক আর্টিক্যাল লিখেছেন।আর্টিক্যালটির নাম ‘The body rituals of Nacirema’ । Nacirema শব্দটিকে উল্টো দিক থেকে পড়লেই ব্যঙ্গাত্মক টোনটি ধরতে পারবেন।তো এই বডি রিচুয়্যালের কথা বলতে গিয়ে বর্ণনায় উনি বলেছেন ‘প্রত্যহ সকালে এরা এক ধরনে শারিরিক কসরত করে।সে শারিরিক কসরতের অনেকটাই চলে তাদের মুখের উপর দিয়ে।এ কসরত করতে গিয়ে তারা একটি ছোট লাঠি হাতে নেয় এবং লাঠিটির মাথায় থাকে গৃহ পালিত শুকরের লোম সদৃশ এক গুচ্ছ লোম।এই ছোট লাঠি ও এর মাথার লোম গুলি এরা এক ধরনের জাদুকরী পাউডারের সাথে মিশিয়ে খুব নিয়মিত ভঙ্গিতে মুখের ভেতর চালান করতে থাকে।’ বলাই বাহুল্য তিনি আমেরিকানদের দাঁত মাজার রীতির কথা বলেছেন।এটাকে এক কথায় ‘দাঁত মাজা’ না বলে এভাবে বলার উদ্দেশ্য হলো একটি জনগোষ্ঠীকে জানতে হলে বুঝতে হলে তাদের ভেতরের মর্ম অনুধাবন করতে হবে, তা না করে যদি ওপর থেকে নিজেদের আবেগী অনুধাবনীয় শব্দের খেয়ালকে তাদের প্রতিচ্ছবি হিসেবে চালিয়ে দিতে চান সে ক্ষেত্রে American টা Nacirema হয়ে যেতে পারে।আরও অনেক কিছু বলার ছিলো, কিন্তু আপনার পোষ্টের স্পেস ইতিমধ্যেই অনেকখানি নষ্ট করেছি।ধন্যবাদ।
২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১০:৩৫

লেখক বলেছেন: অবজেকটিভ প্রসঙ্গে আপনার কথাগুলো ভাল।

যদিও সামগ্রিকভাবে আপনার কথাগুলো আইনী দিক থেকে তোলা আলোচনা।
সবপক্ষ সমঝোতার পথে যেতে আগ্রহী হলে এটা আগে যদি ধরে নেই তবে রাজনৈতিক দিক থেকে, গভীর আলোচনার দরকার আছে।

কিন্তু পাহাড়ি নেতারা যদি মনে করে বিচ্ছিন্নতাই একমাত্র সমাধান চুক্তির কথাগুলো (যা আপনি বোল্ড করেছেন) এগুলো কৌশলের কথা, মনের নয় তবে আমাদের এসব একেবারেই সময় নষ্ট।
চুক্তির ব্যাপারে কোন পক্ষকেই আমার সিরিয়াস মনে হয় না।

৩৩. ২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সকাল ১০:৩৪
ধীবর বলেছেন: আমার প্রশ্ন একটাই। সেটা হলো, শ্বেতাঙ্গ পুজা আর কতদিন চলবে? এই লর্ড এভেবুরির দুঃসাহস যে আমাদেরই কিছু কাপুরুষদের হীনমন্যাতার ফসল সেটা না বললেও হয়। প্রশ্ন হচ্ছে, আমরা কেন এই সব দেশদ্রোহিদের আশ্রয় প্রশ্রয় দিচ্ছি? কেন গলা ধাক্কা দিয়ে দেশ থেকে বের করে দিচ্ছি না?

যারা এক সময় মুক্তিযুদ্ধ করেছেন, তাদের কারো কারো জ্ঞানের বহর দেখলে করুণা হয়। প্রশ্ন করতে ইচ্ছা করে, তাদের এই জ্ঞান কি অজ্ঞতা প্রসুত? নাকি স্বজাতির প্রতি আপন বৈরি? নইলে কান্ডজ্ঞান সম্পন্ন কেউ তো পার্বত্য চট্টগ্রামের সাথে কাশ্মির কিংবা ফিলিস্তিন কিংবা উঃ পুর্ব ভারতের চলমান আন্দোলনের তুলনা করবে না।

যে জাতিসংঘের জিগির তোলা হচ্ছে (ভারতের ইশারায়), কেউ মানুষের বাচ্চা হলে, সেই জিগির তুলুক দেখি কাশ্মির বা ফিলিস্তিন নিয়ে। জাতিসংঘের দলিলে স্পস্টই এ ব্যাপারে লেখা আছে। কিন্ত সেটা প্রয়োগ করার সৎসাহস কোন বাপের ব্যাটার নেই।

ওরাই আবার পার্বত্য চট্টগ্রাম নিয়ে আবোল তাবোল প্রলাপ বকে থাকে। ওদের জানিয়ে রাখা দরকার, যখন ৩০ লাখ বাঙ্গালি প্রাণ আর কয়েক লক্ষ মা বোন সম্ভ্রম খুইয়ে, বাংলাদেশকে স্বাধীন করেছিল, তখন কোন এক দেশের একটি ক্ষুদ্র অংশকে বিচ্ছিন্ন হতে দেবার ওয়াদা করেনি। তাই তথাকথিত মানবাধিকার বলে, বাংলাদেশকে কোনমতেই বিচ্ছিন্ন করতে দেয়া যাবে না।

বাঙ্গালিরা যখন প্রাণ আর মান দিয়ে যুদ্ধ করছিল, তখন এই বিচ্ছিন্নতাবাদিদের অন্যতম চাকমারা, তাদের রাজার সাথে তাল মিলিয়ে পাকিস্থানিদের দোসরে পরিণত হয়েছিল। কথাটা যেন তারা ভুলে না যায়। জামাত যেমন রাজাকার, একই অপরাধে চাকমা রাজা আর তার শ্রেণির সবাই রাজাকার। আর বিদেশি ষড়যন্ত্রের ফসল ঠুনকো অজুহাতে যারা আমাদের সার্বভৌমত্বের বিরুদ্ধাচারণ করার দুঃসাহস দেখায়, তাদের বিরুদ্ধে ৭১ এর হাতিয়ার গর্জে উঠার সময় এসেছে।

++++++
২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১১:০২

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ধীবর।

কিন্তু আপনার "মানুষের বাচ্চা হলে" শব্দগুলো অগ্রণযোগ্য। আমাকে এক অস্বস্তিকর অবস্হায় ফেলে দিয়েছেন।

আমি নিশ্চিত এই শব্দ কয়টা আপনি ব্যবহার না করলেও আপনি যা বলেছেন আমরা একই জিনিস বুজতাম।

আপনার কথায় এক ধরণের জাতীয়তাবাদী জাতিগর্ব দেখেছি আমি। এটা নিয়ে ভীতবোধ করার কারণ আছে।

রাষ্ট্রের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বিগ্নতা প্রকাশ একটা জেনুইন বিষয়। কিন্তু এটাকে বাঙালি জাতিগর্ব প্রকাশের সাথে মিলিয়ে ফেলা যাবে না। বাঙালি জাতিগর্ব প্রকাশ এক মারাত্মক রেসিষ্ট জায়গায় আমাদের নিয়ে যাবে, বড় করে বললে এথনিক ক্লিনজিংয়ের পূর্বাভাস হবে সেটা।
আপনি নিশ্চয় চাননা আমরা রক্তের হোলি খেলি, আমাদের সেনাবাহিনীর গাঁয়ে সে দাগ লাগুক ওরা কোন আদালতের কাঠগড়ায় দাঁড়াক। সেই দাগ কিন্তু আমাদের সকলের গায়ে লাগবে।
উপরে ২৮ নম্বরের জবাব দিতে গিয়ে এনিয়ে এক লম্বা কথা বলেছি। আপনি দেখতে পারেন।

রাষ্ট্রের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বিগ্ন হবার মত ঘটনা ঘটেছে। রাষ্ট্রের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বিগ্নতা প্রকাশের খুবই গুরুত্তপূর্ণ। কিন্তু তাই বলে কারও ফাঁদে পরা যাবে না। জাতিগর্ব প্রকাশ থেকে সতর্ক থেকে কথা সাজাতে হবে আমাদের; হয়ে আরও জোরে সে কথা বলতে হবে। আমার বিশ্বাস আমি আমাকে বুঝবেন।
আপনাকে আমার শুভ কামনা জানাই।

২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১১:০৭

লেখক বলেছেন: আপনি গ্যালারিতে বসে মজা লুটেন আর আমার অবস্হা দেখেন। কম পক্ষে কী বোর্ড চাপার কষ্টে সহানুভুতি জানাতে পারেন না কী?

৩৫. ২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সকাল ১১:২২
স্তব্ধতা' বলেছেন: দু:খিত আবার আসলাম।চুক্তির দুটো ক্লজ উল্লেখ করতে ইচ্ছে করলো:

3. (A) sub-clause (1) in clause 62 will be replaced by the following:

a) Whatever exists in the currently prevailing laws, without prior permission of the parishad, no lands, including leasable khas lands in the district, can be leased out, sold, purchased or transferred.

- বাংলাদেশের আর কোন অঞ্চলে জমি কিনতে এরকম পারমিশন লাগে এটা আমার জানা নাই।

- পরিষদ বলতে এখানে পার্বত্য জেলা পরিষদের কথা বলা হয়েছে যেখানে পরিষদের চেয়ারম্যান ইলেক্টেড হতে হবে এবং 'ট্রাইবাল' হতে হবে, চেয়ার ম্যানের অনুপস্থিতি অন্যান্য মেম্বারদের দ্বারা আরেকজন 'ট্রাইবাল' মেম্বার ইলেক্টেড হয়ে চেয়ার ম্যানের কর্তব্য পালন করবেন ।


b) Whatever exists in the currently prevailing other laws, the government cannot acquire or transfer any lands, hills and forests under the jurisdictions of the Hill District Parishad without prior discussion and approval of the Parishad.

পরিষদের ক্ষমতা দেখেন, এমনকি সরকারও পারবেনা ল্যান্ড এ্যাকুয়ার করতে, বাংলাদেশের আর কোথাও আছে এই জিনিস?
২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:০৬

লেখক বলেছেন: খুবই ভাল পয়েন্ট তুলেছেন।

a) " Whatever exists in the currently prevailing laws,
b) "Whatever exists in the currently prevailing other laws,"

দুই ক্লজের এই প্রথম কয়টা দেখে মনে হচ্ছে সামরিক আইনের ফরমান শুনছি। সামরিক ফরমানগুলো যখন সাংবিধানিক মৌলিক অধিকারগুলোর কারণে অস্বস্তিতে পড়ে, নিজেদের গায়ের জোর দিয়ে ওগুলোকে সরিয়ে নিজের তাকত দেখাতে চায় তখন এমন কান্ডগুলো করে।

এর বাংলা করলে হয় "প্রচলিত আইন বা আইনগুলোতে যাই থাকুক না কেন,"। এই গৎবাধা কথাগুলো দিয়ে ওখানেও কথা শুরু হয়।

প্রথমত:
প্রচলিত কোন আইনে কিছু থাকা মানে কনষ্টিটিউশনের মৌলিক অধিকার মেনেই সেগুলো সেখানে আছে। না হলে তো কবেই আদালতে তা চ্যালেঞ্জ হয়ে বাতিল হয়ে যেত। তো এখন সেই প্রচলিত আইনগুলোর উপরে চুক্তির কোন দফা প্রাধান্য পাবে? মানে আমাদের কনষ্টিটিউশনের উপরে এগুলোই আইন বলে মানতে হবে?
এইসব বেকুবি কে যে মুসাবিদা করে আমি জানি না।

দ্বিতীয়ত:
এই Peace Accord এর চান্দিতে লেখা আছে under the jurisdiction of the Constitution of the People’s Republic of Bangladesh অর্থাৎ আমাদের কনষ্টিটিউশন ষাষ্টাঙ্গে মান্য করে মাথায় রেখে এই Peace Accord করা হচ্ছে। তাহলে ভিতরে ধারা উপধারায় ওকেই আবার অমান্য করে "প্রচলিত আইন বা আইনগুলোতে যাই থাকুক না কেন," বলার মানে কী?

তৃতীয়ত:
"prior permission of the parishad" কথাটা ভালই মশকরার। এর মানে হলো, পরিষদের অনুমতিই হলো সুপ্রীম, রাষ্ট্রের নির্বাহী সরকার নয়। সরকারের উপর পরিষদ (Hill District Parishad) হলো সুপ্রীম অথরিটি। আর রাষ্ট্রের নির্বাহী সরকারকেই গল্লবস্ত্র হয়ে হুজুরের আজ্ঞা হয় বলে অনুমতি প্রার্থনা করতে হবে পরিষদের কাছে?
এত দেখি এক মজার তামশা।
বাংলাদেশের কোর্ট কাচারি, সুপ্রীমকোর্ট বলে কিছু কী আছে না কী নাই। না কি ওরা জানে না। মনের মাধুরি মিশিয়ে খায়েসে যা শেখ হাসিনার কাছে যা চাওয়া যাবে, চুক্তিতে যা লেখায় নেয়া যাবে তাই পাওয়া যাবে? যেন শেখ হাসিনার ব্যক্তিগত সম্পত্তি এগুলো, পাহাড়িরা চাইবে আর উনি দিতে থাকবেন!

হাইকোর্টে Peace Accord বাতিল ঘোষণা করার আর্জি নিয়ে একটা মামলা দীর্ঘদিন চলার পর এখন পেন্ডিং আছে, শেষ হয়নি, জানেন নিশ্চয়। ওখানে এই পয়েন্টগুলো যোগ করা আছে কি না মনে নেই, ভাল ফলো করা হয় নাই। এই তামশার জবাব নিশ্চয় সেখানে দেওয়া হবে।

শেখ ফজলে এলাহীর পোষ্ট ১৯০০ সালের ম্যানুয়েলে কত কী আছে ফলে তা মান্য করে পাহাড়ীদের দাবি পূরণ করতে হবে - এধরণের কিছু কথা ওখানে দেখেছিলাম। কথা তোলার সুযোগ পাইনি।
১৯০০ সালের ম্যানুয়েলে যা আছে তাই হবে না বাংলাদেশের কনষ্টিটিউশন প্রাধান্য পাবে? এই সাধারণ বিষয়টা বুঝলেই ম্যানুয়েল নিয়ে তর্ক করতে হয় না।

আমি যা বুঝলাম আইনী দিক থেকে পাহাড়ি সমস্যাকে বুঝবার, সমাধান খুজার ব্যাপারে পাহাড়িরা একেবারেই নাদান। অথবা এমন হতে পারে এই নাদানদের সামনে কেউ মুলা ঝুলিয়েছে।

আর এই Peace Accord অক্ষরে অক্ষরে পালিত হচ্ছে দেখার জন্য CHT কমিশনে তাবড় তাবড় ব্যারিষ্টার, লর্ডরা তড়পাচ্ছে?
পাহাড়িরা সঠিক উকিলই ধরেছে!

৩৬. ২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১২:৪১
দ্বিতীয়নাম বলেছেন: মনজুরুল হকের সাথে একমত।
সংখ্যালঘুদের অধিকার আত্মসাতে সংখ্যাগুরুদের জনপ্রিয় প্রায়াস।
২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:৩৩

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ দ্বিতীয়নাম।


"সংখ্যালঘুদের অধিকার আত্মসাতে সংখ্যাগুরুদের জনপ্রিয় প্রয়াস।"

আপনার এই রিডিংটা ভুল। অন্তত বেনিফিট অফ ডাউটে আর একবার পড়ে দেখবেন, অন্য কোন মানে বের হয় কী না।

৩৭. ২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১:০৭
মোহাম্মদ আরজু বলেছেন: আপনার বিশ্লেষনের সাথে দ্বিমত করার কোনো সুযোগ তো একেবারেই নাই।

*('বসবাসের অধিকার' বিষয়টা আরো একটু বিশদ করা যেতে পারতো, রাষ্ট্রের তরফে তখনকার সময়ে 'বসতি স্থাপন' এর অনিবার্যতাকে প্রাসঙ্গিক করে। যেই 'বসতি স্থাপন' ঠিক বসবাসের অধিকারের সাথে সহজাত না।)

যেভাবে বিশ্লেষন এই পোস্টে আছে, সেইটাতে সাধারনত আমরা অভ্যস্ত না। ধরেন, বিডিআর বিদ্রোহ নিয়া কথা হইতাছে- আমরা অভ্যস্ত হইলাম- এমন আলোচনায় যে; এইটা একাত্তরের শত্রুদের কাজ, এইভাবে তারা বুদ্ধিজীবিদেরও হত্যা করছে। এইটা ভারতীয় দালালদের কাজ, তারা এই দেশের সেনাবাহীনিকে শেষ করতে চায়। অথবা; এইটা সরকারের বিরুদ্ধে এক গভীর ষড়যন্ত্র। কার্যকারনের ধরন ধারন নিয়া কারো প্রশ্ন নাই।

তো এইগুলা থেকে আমরাও তো মুক্ত না। সেই সাথে যোগ হইছে আবার, জোর কইরা হইলেও নিজেদের 'অসাম্প্রদায়িক' প্রমানের মামলা। আমাদের ড্রইংরুমে স্মানরতা 'আদিবাসী'দের ছবিওয়ালা ক্যালেন্ডার থাকে, আমরা পালা পার্বনে 'উপজাতীয় সাংস্কৃতিক কেন্দ্রে' তাগোরে জড়ো কইরা নাচ দেখতে যাই ! ইত্যাদি ইত্যাদি।

-----------------------------------
কিন্তু আপনার পোস্টের বিষয়ে সবচেয়ে বড়ো আপত্তি হইলো-
সর্বসাম্প্রতিক সংঘর্ষের নগদানগদ কোনো ছাপ আপনার পোস্টে নাই। বাংলাদেশের 'বাঙালী' আর 'পাহাড়ী' দুই তরফেই যে পরিমান বৈষয়িক আর মানবিক ক্ষয়ক্ষতির অবস্থা এখন পার্বত্য চট্টগ্রামে বিরাজ করতাছে; সেই বিষয়টা স্পর্শ কইরা আপনি কাতর হইছেন কি না, সেইটা ভাষায় তুলে আনেন নাই। আবেগ দেখা যাইতাছে না।
-----------------------------------

যদি এইটা থাকতো, তবে খুব কম ব্লগারই আপত্তি করতেন। তবে, যারা নিজেদের কিছু একটা প্রমান করতে সবকিছু করতে রাজি তাদের কথা আলাদা।
২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:৪৬

লেখক বলেছেন: আপনার আপত্তি মাইনা নেওয়া হইল।

এখন হুজুর সমীপে নিবেদন এই যে,
১. বেলা গেল এখন সময় পাইয়াছি জবাব দেওয়ার আমাকে যেন মাফ করা হয়। মন্তব্যের চাপে আমি দিশা পাইতাছি না। দেখিতে পাইবেন এখনও ১০-১২ টার জবাব অপেক্ষা করিতেছে।
২. এইটা পোষ্ট দিব মনে করিয়া লিখি নাই, অন্যের পোষ্টে মন্তব্য দিয়াছিলাম। ঐখানে ভাঙ্গা হাটে প্রচার না পাওয়ার পরে আমার দোনমনো মনে রাগ ইমনের আছর পরিয়াছিল। পরেই উহা তাড়াতাড়ি পোষ্ট আকারে টাঙাইয়া দেই।
ফলে ভুল ত্রুটি মার্জনীয়।
৩. আমার নাগালে সম্প্রতিকালের পাহাড়ে রক্তারক্তির বিস্তারিত খবর নাই। সুযোগও নাই। এটা মহাশয় পূরণ করিতে পারেন। বাধিত হ্ইব।
সাহায্য ভিক্ষা করি।

৩৮. ২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১:২৯
মোহাম্মদ আরজু বলেছেন: স্বাধীনতা-মুক্তি-অধিকার ইত্যাদির রুপকথা এবং নিষ্ঠুরতা আর নির্যাতনের ওপর ভর করেই তো মুলত আধুনিক গনতান্ত্রিক রাষ্ট্র টিকে থাকে। অনেকাংশে। সেইখানে সেনাবাহিনীর, খুব শক্তিশালি অবস্থা থাকা চাই, নিরাপত্তা বাহিনীরও চাই। সারাদেশের বাহিনীর হাজিরা থাকবে, এবং পার্বত্য চট্টগ্রামে মতো ঝুঁকিপূর্ন জায়গায় অনেকানেক বেশি থাকবে, সেইটা নিয়া তো আমাগো আপত্তি নাই।

শুধু আপত্তি হইলো- শুধু সামরিক উপায়ে আর বসতি স্থাপনের উপায়ে সমস্যার সমাধানের যে চিন্তু আজতক বজায় আছে সেইটা নিয়া। এইরকম চলতে থাকলে লর্ড অ্যাববুরিদের কাজ আরো সহজ হয়া যায়।

আপনে এখন লেখতেছেন যা, তাতে আপনে দীর্ঘমেয়াদে রাজনৈতিক সমাধানের কথা লেখতে যদিও বাধ্য না। তয় আলাপ তুইলা রাখলে, অবস্থান পরিস্কার রাখলে সবারই সুবিধা হয়। বুঝতে
২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১:২৭

লেখক বলেছেন: আপনারই মতক খানিক চিন্তা করিয়া উপরে মেলা নতুন মন্তব্য দিয়াছি।
দেখিবেন এই ভরসা রাখি।

অনেকে এই পোষ্ট ছাড়িয়া অন্য কোথাও হাজির হইয়াছেন। আমার বিরুদ্ধে সার অভিযোগ, আমি পাহাড়িদের আলাদা হইবার পক্ষে না। আমি জাত গরবি কাজ করিতেছি, ইত্যাদি।

আমি যতই বলি আমি আমার রাষ্ট্রের নিরাপত্তা লইয়া চিন্তিত, রাষ্ট্র আমার দরকার ততই ওরা এই কথার মানে করিতেছে আমি পাহাড়িদের আলাদা হইবার বিপক্ষে কথা বলি্তেছি। রাষ্ট্রের নিরাপত্তা লইয়া কথা বলা মানে বাংগালি জাতির দেমাগ দেখানো। আমি যতই বলি আমি কসম খাইয়া কহিতেছি এটা জাতির দেমাগ দেখানো কথা না, বরং জাতি মানেই জাতির দেমাগ দেখানোর ফাণ্দে পড়া বুঝি তাই আমি জাতি মানি না, কোন ভেদচিহ্ন মানি না - আমি মানুষের উম্মার পক্ষে কাজ করিতে চাই - ততই উহারা বুঝিতে অক্ষম থাকে।
আর এদিকে আমি অসহায় বোধ করিতেছি।

তবে রাষ্ট্র ভাঙ্গা গড়ার রাস্তায় শেষে আমি একটা রাষ্ট্র দেখি, হুজুর! রাষ্ট্র আমার দরকার দেখিতে পাই। আমার এই জীবত্দশায় রাষ্ট্র নাই হইয়া যাইবে ইহা দেখি না। ইহাই আমার অপরাধ। আমি নৈ-রাষ্ট্রবাদী বা নৈরাজ্যবাদী নই হুজুর। ফলে রাষ্ট্র দেখিলেই আমি উহার ভাঙার সৈনিক এমন দেখি না। আমার কাছে ভাঙা মানে ভেঙ্গে গড়া।

বাজারের যে হাল তাতে আমি বলিয়াছি যাহাদের হোম ওয়ার্ক, ঠাট বাটের সুবিধা বেশি তাহারাই অন্যের উপর সুবিধা পাইবে। ফলে পাহাড়িরা আলাদা হইতেও পারে।
অন্য কেহ পাহাড়ি সমস্যা সমাধা করিতে চাহিতেছে, ইহা আমি দেখি না। যে কোন জাত নিধনের রাস্তায় হুজুর আমি ডর খাই। ডরে একদম নাই হইয়া যাই।
তবে যাহাই হউক আমি আমার রাষ্ট্রের নিরাপত্তা লইয়া চিন্তিত।
হুজুর একটু চিন্তার ভাগ লইয়া যদি কহিতেন আমি কী ভুল রাস্তায় আছি - তাহলে মনটা হালকা হইত। হুজুরের আজ্ঞা হয়।

৩৯. ২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ দুপুর ২:৪১
আবদুল ওয়াহিদ বলেছেন:
রাজনৈতিক ভালো মন্দরে যদি নীতিবাগিশতা দিয়ে নির্ধারণ করতে হয় তাহলে সে আর যাই হোক অধিভৌতিক কিছুরে স্বীকার করে নেয়া। এই স্বীকার করে নেয়ায় রাজনৈতিক বাস্তবতার কোন ইতিবাচক পরিবর্তন আসে না। শুধুমাত্র আত্নতুষ্ঠি ছাড়া কিছু পাওয়া যায় না। যারা একতরফা আবেগে ভুগেন তারা আসলে হাওয়ায় ভাসেন। প্রকৃত সমস্যাগুলোর দিক থেকে মুখ ফিরিয়ে কথার ফেনায় গা ভাসানো।

মজার বিষয় হলো, তাদের কেউ লর্ড অ্যাবুবরি নিয়া কিছু বলছেন না।

ধন্যবাদ, চমৎকার বিশ্লেষনের জন্য।। স্যালুট।।
২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১:২৯

লেখক বলেছেন: আমার দুস্কের কথা কাহারে শুনাই।

পড়ার জন্য ধন্যবাদ আবদুল ওয়াহিদ।

৪০. ২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৪:৩৬
রাগ ইমন বলেছেন: ব্লগার ফিউশন ফাইভের একটি পোস্টের আলোকে সাম্প্রতিক পাহাড়ি-বাঙালি সহিংসতায় কতিপয় বাঙালির ফ্যাসিবাদী মনোভাব নিয়ে একটি আলোচনা- আমি এবং আঁধার

--------------------

আমার মন্তব্যঃ

পোস্টের পরতে পরতে যেই মানসিকতা তুলে ধরেছেন , জাতীয়তাবাদ ও অখন্ড বাংলাদেশের প্রতি আনুগত্য দেখাতে গিয়ে খুনী ও নির্মম হয়ে ওঠা - যার নাম দিলেন ফ্যাসিবাদ ( যদি ভুল না বুঝে থাকি) সেই মানসিকতাকে আক্রমন করে যদি পোস্টটা দিতেন তাহলে তীরের নিশানা আরেকটু ঠিক থাকতো ।

শেষ বিচারে পোস্টটি ব্যক্তি ফিউশন ফাইভের বিরুদ্ধে গেলো । কিন্তু ফিউশন ফাইভ যেই মানসিকতাকে প্রকাশ করছেন সেই মানসিকতার বিরুদ্ধে কি গেলো?

এখন একদল এসে ফিফার বিরুদ্ধে ১০ কথা বলে যাবেন ।

কেউ কেউ এসে ব্যক্তি ফিফার প্রতি প্রেম থেকে এই মানসিকতাকে সমর্থনও হয়ত করে যাবেন।

কিন্তু ফিফা সহ যারা এই ধরনের " বাড়াবাড়ি"কে প্রশ্রয় দেওয়াকে দেশপ্রেম বলে ভুল করছেন , তারা কি তাদের ভুল বুঝতে পারবেন?

দেশপ্রেম কিংবা জাতীয়তাবোধ যখন ফ্যাসিবাদের মতন নৃশংস হয়ে উঠে তখন সেইটা দেশের বিপক্ষে যায় , এইটা কি সবাই স্পষ্ট করে বুঝবেন?

যদি বুঝতে পারেন, তাহলেই মঙ্গল ।

এইটা যে এন্টি ফিফা নয়, বরং এন্টি ফ্যাসিবাদ পোস্ট - এইটুকু আরেকটু স্পষ্ট করা যেত - এই বলেই বলছি পোস্টটি সুলিখিত , আপনাকে ধন্যবাদ উদাহরণ দিয়ে ফ্যাসিবাদ ও তার বিপদ তুলে ধরার জন্য ।


এখন কথা হলো , পাহাড়ি দ্বারা সমতলী হত্যা = সমতলী দ্বারা পাহাড়ি হত্যা = সেনা অফিসার দ্বারা পাহাড়ি/ সমতলী / মানুষ হত্যা = ফ্যাসিবাদ এইটা কি একটু উদাহরণ সহ খারেজি মার্কা লোকজনকে বুঝায় দিবেন?

আমি শিশুদের লেভেলে নেমে কি ভাবে বুঝাতে হয়, তাও সামান্য বুঝি, কিন্তু বুড়ো খোকাদের কি করে বুঝাতে হয়, এইটা এখনো চিন্তা করে বের করার চেষ্টা করে যাচ্ছি।
২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১:৩৭

লেখক বলেছেন: আপনি দেখছি আপনার মত করে আমার চেয়ে ভাল পারছেন।

"দেশপ্রেম কিংবা জাতীয়তাবোধ যখন ফ্যাসিবাদের মতন নৃশংস হয়ে উঠে তখন সেইটা দেশের বিপক্ষে যায় , এইটা কি সবাই স্পষ্ট করে বুঝবেন?"

আমি এতক্ষণ তত্ত্ব করে এই কথাটাই বুঝাইতে হিমশিম।
নাহ।
মনে হইতেছে কিছু না ছুইয়া খানিক বসি। আপনি আমার চেয়ে তাড়াতাড়ি মুল কথায় পৌছাতে পারেন। বইসা বইসা খানিক আপনার কারিশমা দেখি। কিছু শিইখা লই।

২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ ভোর ৫:২৭

লেখক বলেছেন: দেখলাম।
অনেক কিছু বলার ছিল কিন্তু এখন শরীরে কুলাচ্ছে না।
দেখি পরে কিছু করতে পারি কী না।

এনি ওয়ে থাঙ্কু।

৪২. ২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:০৯
এস এম মোমিন বলেছেন: বিশ্লেষনধর্মী পোস্ট, অনেক ধন্যবাদ@

বাঙ্গালিরা যখন প্রাণ আর মান দিয়ে যুদ্ধ করছিল, তখন এই বিচ্ছিন্নতাবাদিদের অন্যতম চাকমারা, তাদের রাজার সাথে তাল মিলিয়ে পাকিস্থানিদের দোসরে পরিণত হয়েছিল। কথাটা যেন তারা ভুলে না যায়। জামাত যেমন রাজাকার, একই অপরাধে চাকমা রাজা আর তার শ্রেণির সবাই রাজাকার। আর বিদেশি ষড়যন্ত্রের ফসল ঠুনকো অজুহাতে যারা আমাদের সার্বভৌমত্বের বিরুদ্ধাচারণ করার দুঃসাহস দেখায়, তাদের বিরুদ্ধে ৭১ এর হাতিয়ার গর্জে উঠার সময় এসেছে। সহমত
২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১:৪২

লেখক বলেছেন: ঠিক আছে মোমিন।
তয় আপনি যদি উপরে ৪০ নম্বরে রাগ ইমনের মন্তব্যটা সহ, ২৮ নম্বরে মন্তব্যে আমার জবাবটা একটু পইড়া লইতেন, শান্তি পাইতাম।

মোমিন অনেকদিন পর দেখা পাইলাম।

৪৩. ২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:৫৬
ত্রিভুজ বলেছেন: বিষয়টা সম্পর্কে এত পরিষ্কার ধারণা ছিলো না... অনেক কিছু জানা গেল। পোস্ট পর্যবেক্ষনে রইলো।
২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১:৪৫

লেখক বলেছেন: আপনার মন্তব্যের পরে ইতোমধ্যে অনেক মন্তব্যের জবাবে অনেক কথা লিখেছি। দেখেছেন বা দেখবেন আশা করি।

৪৪. ২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ৯:৩৬
দীপঙ্কর বলেছেন: আমি পোস্টের বিষয়ে মনজুরুলদা'র সাথে ১০০ শতাংশ সহমত জানিয়ে বলছি, সম অধিকার না হলে কিছুই হবে না ।

জাতিয়তাবাদ এত তীব্র হলে, ১৯৭১ এ ঠিক তাই করেছিল , পাকিরা।

মনজুরুলদা, যিনি বন্দুকটা কাঁধে নিয়েছিলেন, বোধকরি উপলব্ধির জায়গা থেকে সেইগুলির অভিঘাত আর চারজনের চেয়ে ভাঈ বোঝেন।
এটাও বোঝেন, এই একই গুলি পরিচয় পাল্টে যায় চালকের মতাদর্শের জায়গা থেকে। কেউ আগ্রাসী, কেউ নিজের অধিকারের লাড়াইয়ে।

আমি কখনই বলছি না , বাংলাদেশ ভেঙে যাক বরঞ্চ পাহাড়ীদের নায্যঅধিকার দিয়ে সেটা আরও মজবুতই করা যাবে, যতদিন না পৃথিবীর সব সীমানা রেখা মুঝে যাচ্ছে।

পাহাড়ীদের অধিকার দিলে সমস্যা কোথাও ????

আর বিশেষ অধিকারও দেয়া যেতে পারে যতদিন না সম পর্যায়ে আসছেন তারা।

মাইনাসও পড়ল তার সাথে।
২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১:৫৩

লেখক বলেছেন: আপনার "সম অধিকার" তো বুঝলাম না ভাই।

আবার মনজু "সম অধিকার" নিয়ে কথা বলছে এটাতো আমি দেখি নাই। কারও সাথে সহমত হইতেই পারেন সেটা কথা না। কিন্তু মনজুর সাথে কিসে সহমত হইলেন বুঝতে পারলাম না।
সব আউলাইয়া ফেলাইছেন।

যাই হোক ধন্যবাদ আপনাকে।

৪৫. ২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১০:৪২
মাহাদি হাসান বলেছেন: ঢাকায় প্রেসক্লাব এ " ক্রসফায়ার: রাষ্ট্রের রাজনৈতিক হত্যাকান্ড" শিরোনামে এক অনুষ্ঠানে আমি এক ইউপিডিএফ সদস্যকে বলতে শুনেছি যে, ৯৩ সালের দিকে বাংলাদেশ আর্মির সাথে আদিবাসী ৩০০ পরিবারের সদস্যের পাহাড়িদের সমস্যা নিয়ে এক বৈঠক হয়। কিন্তু ঐ পরিবারের যারা বৈঠকে গিয়েছিল তারা কেউই আর ফেরত আসেনি। ঐ সদস্য আরও ক্ষোভের সাথে বললেন যে, আপনারা তো ১/১১ নিয়ে ব্যতিব্যস্ত হয়ে পড়েছেন কারন দুই বছর সামরিক শাসন ছিল। কিন্তু আমরা তো সবসময় জরুরী অবস্হার মধ্যে থাকি। তিনি আরও বললেন, "আমার বাড়ির উঠানে আইসা আর্মি কয় তোর বাড়ি কই"।

এখানে এই ঘটনাটি বলার কারন হল, সীমাহীন বলপ্রয়োগের মধ্য দিয়ে দেশের সার্বভৌমত্ব টিকিয়ে রাখার যৌক্তিকতা কতটুকু? আর সেই বলপ্রয়োগ যদি হয় ঘৃন্য হত্যাকান্ড পরিচালনার জন্য তাহলে সেটা কতদিন টিকে থাকবে? আদো কি এটা সার্বভৌমত্ব রক্ষা করার পদ্ধতি?

পাহাড়িদের সমস্যা সমাধানে অধিক পরিমানে সেনা ক্যাম্প বসানোকে সংখ্যা গুরিষ্ট জনগন সমাধান মনে করে। কালের কন্ঠের এক জরিপের হিসেব তাই প্রমান করে,
"পার্বত্য চট্টগ্রামে সহিংসতা বন্ধে সেখানে সেনা অবস্থান বহাল রাখার জন্য বিএনপির দাবি সমর্থন করেন কি?
জরিপের তারিখ : ২০১০-০২-২২
ফলাফল
মোট ভোট - ২০৫৫৮
হ্যাঁ - ১০৬৫০ হ্যাঁ - ৫১.৮০ % না - ৯৯০৮ না - ৪৮.২০ % "। দাবিটাও বাংলাদেশের বড় এক রাজনৈতিক দলের। তাহলে সমাধানটা কিভাবে হবে। শান্তি চুক্তি অবশ্যই না। এটা দিয়ে কিছু হবে বলে মনে হয় না আমার।

আর মানবাধিকার গ্রুপের ব্যাপার আপনার মনোভাব ন্যায্য মনে হত যদি আমাদের দেশের কোন মানবাধিকার গ্রুপ এই ব্যাপারগুলোতে উদ্বিগ্ন হত। ব্লু হেলমেট কিন্তু এই দেশের আর্মি মাথায় বেশি সংখ্যক পরিধান করে আছে। তাই ব্লু হেলমেট বাহির থেকে আসা লাগবে এটা মনে করছি না। বরং ১/১১ তে ব্লু হেলমেট হারানো ঠেকাতেই সংবিধান মাড়িয়েছে আর্মি সদস্যরা।

২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ৩:০৯

লেখক বলেছেন: সীমাহীন বলপ্রয়োগের মধ্য দিয়ে দেশের সার্বভৌমত্ব টিকিয়ে রাখার যৌক্তিকতা নাই।
এটা আদৌ সার্বভৌমত্ব রক্ষা করার পদ্ধতি নয়।

কিণ্তু "সার্বভৌমত্ব রক্ষা" এটা আমার ব্যবহৃত শব্দ নয়। কোথাও ব্যবহার করি নাই, সচেতনে। কারণ শব্দটা ঠিক বেঠিক যাই হোক ভুল বুঝার সম্ভাবনাই বেশি।

আমি বলেছে, "রাষ্ট্রের নিরাপত্তা" নিয়ে। তাও বলেছি CHT কমিশনের তৎপরতা ও ভারতের মানবাধিকার সংগঠনের ব্লু হেলমেট আহবানের প্রেক্ষিতে। আপনার সুবিচার আশা করি, আবার একটু কষ্ট করে মুল পোষ্ট ও পরের লম্বা মন্তব্যগুলো পড়তে অনুরোধ করছি। আমার কথা মানার দরকার নাই, কী বলেছি কেবল তাই জেনে সুবিচার চাছ্ছি।

সমাধান, "শান্তি চুক্তি অবশ্যই না। এটা দিয়ে কিছু হবে বলে মনে হয় না আমার" - আপনার একথার সাথে আমি একমত। সমাধানের ব্যাপারে বিএনপির কোন হোম ওয়ার্ক আছে, বা ওরা সিরিয়াস - আমি মনে করি না। পাহাড়িদের দিক থেকে এবং বাংলাদেশ রাষ্ট্রের দিক থেকে সমস্যার গভীরতা সম্পর্কে ওদের ধারণা আছে এমন প্রমাণ ওরা রাখেনি। শুধু সেনাবাহিনী প্রত্যাহার হবে না কি হবে না - এটা কোন রাজনীতি বা অবস্হানই নয়। আওয়ামী লীগকেও আমি প্রায় একই দেখি, কোন হোম ওয়ার্ক নাই, সমস্যার গভীরতা টের পায়নি। কেবল তারা দাবি করতে পারে আমরা একটা চুক্তি করে পাহাড়ীদের দেশে ফিরিয়ে এনেছি। পাহাড়িরাও পরিপক্ক তা দেখাতে পারে নি; বিচ্ছিন্ন হতে অথবা বাংলাদেশের ভিতরেই একটা কার্যকর সমাধানের দিকে সবাইকে বাধ্য করে নিতে পারে - এমন কোনদিকেই ওরা যোগ্যতা দেখাতে পারেনি। একবার বিচ্ছিন্ন হতে চেয়ে ঠোক্কর খেয়ে ওরা কিছু শিখেছে এমন মনে হয় না। উপরে অনেক মন্তব্যের জবাবে এনিয়ে অনেক কথা বলেছি, দেখতে পারেন। আছে তফাত দেখি নাই।

"আমাদের দেশের কোন মানবাধিকার গ্রুপ এই ব্যাপারগুলোতে উদ্বিগ্ন" হয়নি বলে "মানবাধিকার গ্রুপের ব্যাপার আপনার মনোভাব ন্যায্য" মনে হয়নি আমার কাছে এর কো-রিলেশনটা কী? মানবাধিকার গ্রুপ গুলোই কী এব্যাপারে একছত্র? আমার কথা আপনি গ্রাহ্য তে নিবেন কী না সেটা মানবাধকার গ্রুপ গুলো ঠিক করে দিবে - আপনার কথা এমন হয়ে গেল মনে হচ্ছে।

"ব্লু হেলমেট কিন্তু এই দেশের আর্মি মাথায় বেশি সংখ্যক পরিধান করে আছে। তাই ব্লু হেলমেট বাহির থেকে আসা লাগবে এটা মনে করছি না। " - আপনার এই কথা থেকে আমি নিশ্চিত হলাম "ব্লু হেলমেট" কাছ থেকে দেখা আপনার হয়নি। এমনিতেই "ব্লু হেলমেট" কখনই নিজের দেশে নিজে "ব্লু হেলমেট" হয় না; নিয়ম আইনের বাইরে এটা।
আর কাছ থেকে দেখা বললাম এজন্য যে, "ব্লু হেলমেট" কোন দেশে এসে বসলে সেই হোস্ট দেশের সেনাবাহিনী, জনগণ এসব কোন অসম্মান, দুর্গতিতে পরে, রাজনীতি, রাজনৈতিক দল, নীতিনির্ধারণ কাদের হাতে চলে যায় এটা আপনার ভেবে দেখা হয় নাই। ব্যক্তির দিক থেকে অন্য দেশে শান্তি মিশন খুবই ভাল, বৈধভাবে মেলা টাকা কামানো যায়। ঠিক এর উল্টা হলো হোষ্ট দেশের কপাল। আমাদের কোন জেনারেল, কোন সাধারণ মানুষ, কোন রাজনীতিক কীভাবে কার পায়ে চুমা খায় সেটা যদি আপনার জানা থাকে তাহলে আপনি বলবেন আপনার কোন ঘৃণিত দেশেও যেন "ব্লু হেলমেট" বা শান্তি মিশন না বসে; এই দুর্ভাগ্য যেন কারও না হয়। মানুষের অবমাননার (human degradation) এক চরম নমুনা। কলোনি শাসনের কথা আপনি শুনেছেন, কিছু পড়েছেন, কিছু অভিজ্ঞতা ধারণা হয়েছে। কিন্তু "ব্লু হেলমেট" এর শাসনের আপনি কিছুই দেখেন নি। কলোনি শাসনের বিরুদ্ধে কাউকে তবু শত্রু হিসাবে শনাক্ত করতে পারেন। "ব্লু হেলমেট" এর শাসনে দেখবেন কেবল নিজেকে, নিজেই নিজের শত্রু। দোষ দেবার মত কাউকে খুজে পাবেন না। আমি "ব্লু হেলমেট" ডেকে এনেছি বলে নিজে আলাদা ট্রিটমেন্ট পাবেন একথা স্বপ্নেও কারও ভাবার অবকাশ নাই। "ব্লু হেলমেট" একটা অবজেকটিভিটি, কর্তা শুন্য। অথচ কর্তা আছে। তবু আপনার নিজেকেই নিজের শত্রু মনে হবে। এসব দিক যার জানা, বিবেচনা করা আছে সে কখনই নিজ দেশে কারও "ব্লু হেলমেট" আহ্বানকে হাল্কা করে দেখবে না। আতঙ্কে বিভীষিকায় আঁতকে উঠবে, উঠতে বাধ্য। এটাকেই আমি বাংলাদেশের নিরাপত্তা সমস্যা হিসাবে সবাইকে সচেতন করতে চেয়েছি, এর তুলনায় পাহাড়ি ইস্যু কোথায় গিয়ে কীভাবে শেষ হবে সেটা একেবারেই তুচ্ছ।

"১/১১ তে ব্লু হেলমেট হারানো ঠেকাতেই সংবিধান মাড়িয়েছে আর্মি সদস্যরা" - আপনার একথা একশ ভাগ সত্য। বরং আরও এগিয়ে বলা যায়, সৈনিকদের "বৈধ" নগদ আয়ের লোভে ফেলে কারও ওদের হাত মুচড়ে ধরার ক্ষমতা হাসিল করা। আমাদের মত দেশের সেনাদের ব্লু হেলমেটে খ্যাপ মারার লোভে ফেলা মানে নিজের সম্ভাব্য হত্যাকারিকে যে ছুরি নিয়ে আপনাকে খুঁজছে - নিজেই তাঁকে দাওয়াত দিয়ে বাসায় ডেকে এনে ওর হত্যার কাজটা সহজ করে দেয়া।
আপনার মঙ্গল কামনায়।

৪৬. ২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১১:৫১
শয়তান বলেছেন: মাহাদি হাসানের কমেন্টের পরে আর কি কথা থাকতে পারে?
২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ৩:২৫

লেখক বলেছেন: আমার তা মনে হয় না। আরও বহু বহু কিছু আছে।
উপরে মন্তব্যের জবাবের আলাপটা দেখতে পারেন। দেখেন চেষ্টা করেন; আবার হয়ত মনে হতে পারে পাহাড়িদের আলাদা হওয়া ঠেকাতে নতুন পাঁয়তারা করলাম।
আশির দশকের পরে দুনিয়ার আরও আর অনেক কিছু ঘটেছে। ওটাই আপনার চিন্তার শেষ দশা হতে পারে, কিন্তু কোন গঙ্গার প্রবাহ থেমে যায় নাই।

একমাত্র বোধশক্তি শুন্য নির্বোধ অবস্হাতে পড়লেই মানুষ নিজের হতাহতে আনন্দ প্রকাশ করতে পারে। আনন্দ করেন।

৪৭. ২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:০১
প্রতিদিন রিটার্নস বলেছেন: @ দীপঙ্কর, আপনের মাতৃভূমি ভারতের ভূখণ্ডে কাশ্মীর সেভেন সিস্টার এর কথা কিছু কন।
২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ৩:৩৮

লেখক বলেছেন: আপনিই বলে দিলেন! আমি তো অপেক্ষা করছিলাম দীপঙ্কর নিজের দেশ, নিজের সম্পর্কে আমাদেরকে নিজেই জানাবেন। দীপঙ্কর ভেবেছে নিজের উদ্দেশ্য লুকানো বর্ণচোরামী করে পার পেয়ে যাবে।

আমিই মনজুর বইয়ের প্রশংসা করি, এই আমিই মনজুর সাথে তুমুল তর্কে কেউ কাউকে ছাড় দেই না, পরস্পরকে চিন্তার কারণ খুজার, বুঝানোর প্রাণান্তকর চেষ্টা করি। দীপঙ্কর ভেবেছে মনজুকে সম অধিকারের দলে ফেলার ছল করলে আমি বুঝতে পারব না। শঠতার একটা সীমা থাকা দরকার।

২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ২:০৮

লেখক বলেছেন: লেখক বলেছেন: আপনিই বলে দিলেন! আমি তো অপেক্ষা করছিলাম দীপঙ্কর নিজের দেশ, নিজের সম্পর্কে আমাদেরকে নিজেই জানাবেন। দীপঙ্কর ভেবেছে নিজের উদ্দেশ্য লুকানো ...... করে পার পেয়ে যাবে।

আমিই মনজুর বইয়ের প্রশংসা করি, এই আমিই মনজুর সাথে তুমুল তর্কে কেউ কাউকে ছাড় দেই না, পরস্পরকে চিন্তার কারণ খুজার, বুঝানোর প্রাণান্তকর চেষ্টা করি। দীপঙ্কর ভেবেছে মনজুকে সম অধিকারের দলে ফেলার ছল করলে আমি বুঝতে পারব না। .....র একটা সীমা থাকা দরকার।

৪৮. ২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:০৪
আইরিন সুলতানা বলেছেন: পার্বত্য চট্টগ্রামের ভুমি সমস্যা আমরা কী করে সমাধান করব সেটা এখন আর মুল ইস্যু নয় - বাংলাদেশ রাষ্ট্রের নিরাপত্তা সমস্যা তৈরি করছে যারা সেই হায়নার দলের বিরুদ্ধে আমাদের ঐক্যবদ্ধ হয়ে রুখে দাঁড়াতে হবে। নইলে বাংলাদেশকেও বাঁচানো যাবে না। এরা শেখ হাসিনাকেও গিলে খাবে। কাউকে ছাড়বে না, মাইনাস ফর্মুলার কিছুই দেখেন নাই এখনও। কাজেই এটাই আমাদের প্রথম কাজ।


-----------------

১. কারা এবং কারা ? বিদেশী শক্তি ? দেশের ভেতরে সর্বদা অস্তিরতা তৈরীকারি জামাতি শক্তি ? তাহলে আমরা সমতলের মানুষের খুব ধোয়া তুলশী পাতা ? বা সেনা বাহিনী কি পাহাড়িদের সাথে যথেষ্ট বন্ধুসূলভ ? বা পাহাড়িরা সমতলের মানুষের মত মূলধারার সবরকম সুযোগসুবিধাভোগী?

২. শেখ হাসিনা নিরাপদ থাকুন, বিপদমুক্ত থাকুন। কিন্তু আমরা কি তাহলে এই বিশেষ রক্তারক্তি মুহূর্তে শেখ হাসিনার নিরাপত্তা নিয়ে চিন্তিত ???
২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ৩:৪৯

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ আইরিন, আপনি যোগ দিয়েছেন।

বিষয়টা জামাত আর জামাতবিরোধী এমন সহজ সাদাকালো নয়, জামাত তো নয়ই। যুদ্ধাপরাধ যেমন করে বুঝেন এমনও নয়।

উপরে ৪৫ নম্বর মন্তব্যের জবাবে অনেক কথা বলেছি। একটু কষ্ট করে যদি পড়েন।
আপনার মন্তব্যের পরে এখানে আরও অনেক মন্তব্যে জবাব লিখেছি, সেগুলোও দেখবেন। আমার ধারণা আপনি বুঝতে পারবেন, আমি কী বলছি।

"রক্তারক্তি মুহূর্তে" শুধু "শেখ হাসিনা" বা কেবল তাঁরই নিরাপত্তা নয় আমাদের রাজনীতি, রাজনৈতিক দল, নেতা, রাজনৈতিকতা - সব কিছু হুমকির সম্মুখীন।

৪৯. ২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১:৪১
মোহাম্মদ আরজু বলেছেন: সমস্যার কার্যকারন আপনে যেভাবে বিচার করেন। সেইটা নিয়া তো কোনো সমস্যা নাই।

যেহেতু বাজারে চাহিদা আছে সুতরাং আপনে যদি বাংলা দৈনিকের কলাম যেভাবে লেখা হয় : আমরা এই সহিংসতা চাইনা, আদিবাসীদের উপর নির্যাতন বন্ধ হোক, মানুষের জয় হোক- ইত্যাদি টাইপের কিছু কথাবার্তা আগে বইলা নিতে পারতেন। তাইলে কাজের কথাগুলান আরামসে বলা যাইতো। এই আর কি !
২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ ভোর ৪:২৪

লেখক বলেছেন: দেখি ভাবব আপনার কথাটা নিয়ে।

২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ ভোর ৪:২৭

লেখক বলেছেন: থ্যঙ্কু। আমি তো পোষ্টের জবাব লিখতেই শেষ হয়ে গেলাম। কোথায় কী হচ্ছে জানতে পারছি না।

দেখলাম, পোষ্ট দুটো।

৫১. ২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ৩:৩৩
স্তব্ধতা' বলেছেন: ধন্যবাদ।চুক্তির বিশ্লেষণটা ভালো লাগলো

তবে উপরে একজন এই মন্তব্য করেছেন:

''আমি কোথাও বলিনি যে দেশকে খন্ড বিখন্ড করে পাহাড়িদের অধিকার দিতে হবে। স্বাধিকার বা স্বায়ত্বশাসন দেওয়া বলতে যদি আপনারা মনে করেন দেশটা খন্ড করে ফেলা হচ্ছে, আর সেটা যে কোন মূল্যে ঠেকাতে হবে, তাহলে আবারো বলতে হচ্ছে আপনারা উগ্র জাতীয়তাবাদের জ্বরে আক্রান্ত। ''

প্রতিউত্তরে একটি ওয়েব সাইটের লিঙ্ক দিলাম:

স্বাধীন জুম্মু ল্যান্ড এর দাবী

আপনার সুবিধার্থে ওয়েব সাইটটির কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ জায়গা তুলে ধরছি।


- It shares borders with Myanmar on the south and southeast, India on the north and northeast and Chittagong and Cox's Bazar district of Bangladesh on the west.

কোন রাষ্ট্রের সীমারেখা নির্ধারণের ক্ষেত্রেই এ ভাবে লেখা হয় জানি।এটা হয়তো তেমন গুরুত্বপূর্ণ নয়, নির্ভর করে আপনি কি ভাবে ব্যাখ্যা করবেন।তবে পরবর্তী দাবী গুলো দেখলে আলাদা রাষ্ট্রের ইঙ্গিতটা স্পষ্ট।

-There are diversities amongst the ethnic groups themselves too, which have their own distinct languages, customs, cultural heritage, religious beliefs, and systems of social organization. But national ideology is common as “Jumma Nation” and “Free Jummaland”.

স্বাধীন জুম্মু ল্যান্ড।পাসপোর্ট লাগবে কিন্তু যেতে, স্বাধীন রাষ্ট্র বলে কথা।সীমিত আকারের স্বায়ত্ত্ব শাসনের কথা যারা বলছেন, তাদের স্বায়ত্ত্ব শাসনের রূপ রেখা কি এই রকম?

- The Jumma Nation are the right persons to put the Jummaland issue on the table of the United Nations.

-DONT WORRY, WE ARE MORE EFFICIENT THAN YOUR 'RIGHT PERSONS' TO PUT THIS ISSUE ON THE UN COFFEE TABLE !!!

- Rangamati is the capital city of Jummaland

কোন সমস্যা নাই।

ফিফার এই পোষ্টটা দেখুন


যারা সীমিত আকারের স্বায়ত্ত্ব শাসনের কথা বলছেন তারা কি বুঝতে পারছেন যে এই দাবীর অন্তর্নিহিত তা্ৎপর্য কি? অবশ্যই বুঝতে পারছেন।আমিও ভাত খাই আপনারাও খান, আমার মগজে যা ঢুকে আপনাদের মগজেও তাই ঢুকে।শেষ করার আগে একটাই কথা, পাহাড়ীদের ডান্ডা পেটা করে যেমন সমস্যার সমাধান সম্ভব নয়, তেমনি তাদের স্বাধীন করে দিয়েও সমস্যার সমাধান সম্ভব নয়।ভেবে দেখুন এই সিদ্ধান্তের ফলে আভ্যন্তরীন রাজনৈতিক আফটার ম্যাথ গুলো (আবার রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ ???)।আবার স্বায়ত্ত্ব শাসনের কথা বলে আপনারা ৪০% উপজাতীর (চাকমার) মূখাপেক্ষী হয়েছেন, বাকী ৬০% এর কি হবে? তাই বলছি, ডান্ডা পেটা যেমন একটি হার্ড লাইন, স্বায়ত্ত্ব শাসনের দাবী ঠিক এর উল্টো দিকের আরেকটি হার্ড লাইন।আর হার্ডলাইন এই মূহুর্তে কোন সমাধান দেবেনা। এর চেয়ে সংবিধানকে শ্রদ্ধা করে রাষ্ট্রে অখন্ডতা স্বীকার করে, পাহাড়ীদের সকল প্রাপ্য সুযোগ সুবিধা দিয়ে (আর সব নাগরিকের মতো) বাঙ্গালী-পাহাড়ী সহাবস্থান এর মাধ্যমে একটি সমাধান খোঁজাটাই কি শ্রেয় নয়?

আমার আর বলার কিছু নেই।সবই পাল্টে যায়।হয়তো স্বাধীনতা, মুক্তিযুদ্ধ, মুক্তিযোদ্ধা সবই কেনা/বেচা সম্ভব।ভালো থাকবেন।ভীষণ ক্লান্ত লাগছে।
২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ২:০৩

লেখক বলেছেন: আপনার কথাগুলো আইনী ফ্রেমের মধ্যে দেখা তর্ক। কনষ্টিটিউশনাল আইনের চোখে দেখলে একথা গুলো সঠিক মনে হবে।
কিন্তু এটাই সব কথা নয়।
আইনী ফ্রেমের বাইরে বসে রাজনৈতিক ফ্রেমে মধ্যে বসে দেখলে এগুলো সব মিথ্যা হয়ে যাবে। কারও বিচ্ছিন্ন হতে চাওয়া দেখে রাষ্ট্র বলবে এটা রাষ্ট্রদ্রোহিতা, কিন্তু রাজনৈতিক তর্ক বলবে কোন অসুবিধা নাই চাইতেই পারে, নিপীড়নের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়তে পারে এবং গড়তে হবে। আমাদের দেশের মুক্তিযোদ্ধা বলবে, অন্য সবার মুক্তির মুক্তিযুদ্ধকে সমর্থন করি। এগুলো রাজনৈতিক বিচারের কথা, আইনী নয়।
এগুলো নিয়ে বড় পরিসরে আলাপ করতে পারলে নিজেকে আরও পরিস্কার করতে পারতাম। আপতত আপনি উল্টা ভুল বুঝবেন না আশা করি। আমার কথাগুলো এখন দুর্বোধ্য মনেও হয় তবে দয়া করে এখনই আমার সম্পর্কে কোন সিদ্ধান্তে না যেতে অনুরোধ রাখব, পুনরায় যে পর্যন্ত বিস্তারে বলার সুযোগ না পাচ্ছি সে পর্যন্ত। সেক্ষেত্রে এই বুঝাবুঝি আপাতত তুলে রাখবেন।

৫২. ২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ দুপুর ২:৩৭
দীপঙ্কর বলেছেন: মনজুরুলদা'র জবাব এবং ঐকমত্য :

আসলেই আমার লজ্জা থাকা উচিৎ! অন্তত এই ধরণের পোস্টে কমেন্ট করার বেলায়। যে দেশটার জন্য এক সময় যুদ্ধ করেছি সেই দেশটাকে খন্ড করার প্রশ্রয় কোথায় দেখলেন আপনারা? যদি কোন একটি জনগোষ্ঠির আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকারকে মর্যাদা দিতে চাই সেটাকে কি বিক্রি হয়ে যাওয়া বলে? তাহলে কাশ্মীর বা ফিলিস্তিনের হয়ে কথা বলাটা কার কাছ বিক্রি হওয়ায়?

বিভাজন ঠেকাবেন কি করে? এইভাবে মাঝে মাঝে জাতীয়তাবাদের ঝান্ডা নিয়ে ১০/১৫ জন পাহাড়ি মেরে? সেটেলার বসিয়ে?

আমি কোথাও বলিনি যে দেশকে খন্ড বিখন্ড করে পাহাড়িদের অধিকার দিতে হবে। স্বাধিকার বা স্বায়ত্বশাসন দেওয়া বলতে যদি আপনারা মনে করেন দেশটা খন্ড করে ফেলা হচ্ছে, আর সেটা যে কোন মূল্যে ঠেকাতে হবে, তাহলে আবারো বলতে হচ্ছে আপনারা উগ্র জাতীয়তাবাদের জ্বরে আক্রান্ত। জাত্যাভিমানের দম্ভে অন্ধ, যেখানে ন্যায্য যুক্তি বা দাবিও আপনাদের কাছে পৃথক হয়ে যাওয়ার বিপদের মত মনে হচ্ছে। আর সেই মনে হওয়ায় বিশ্বের তাবত নীপিড়িত জাতিস্বত্তার স্বাধিকারের প্রশ্নে, মুক্তির প্রশ্নে, স্বায়ত্বশাসনের প্রশ্নে সরব সেই মানুষগুলোকেই দেখছি অখন্ডতা অখন্ডতা বলে খন্ডিত হওয়ার জুজু দেখে আঁতকে উঠছেন! এটাকেই আমি বারে বারে বলছি...উগ্র জাতীয়তাবাদ চূড়ান্ত বিচারে ফ্যাসীবাদ।

যে আপনারা কাশ্মীর, ফিলিস্তিন, মনিপুর, মিজোরাম, অসম প্রশ্নে আন্তর্জাতিকতাবাদী-মানবতাবাদী, সেই আপনারাই আপনাদের সংখ্যাগুরুত্বকে অবজ্ঞা করার কারণে, দাবি আদায়ে সহিংস হওয়ার কারণে সংরক্ষণবাদী। এইখানে শেখ মুজিবের-"তোরা বাঙালি হইয়া যা"র সাথে আপনাদের এই ভূমিকা বেশ ভালভাবেই এ্যাক্যুয়ার হয়ে যায়।

ল্যাজে পা না পড়া পর্যন্ত কার্যত সব সাপই ঢোঁড়া সাপ। ল্যাজে পা পড়লেই সে গোখরো! যদিও আলাদা হয়ে যাবার কোন কথাই এখানে আসছে না, তারপরও যদি তর্কের খাতিরে ধরে নেই যে পাহাড়িরা আলাদা হতে চায়, তাহলে আপনার বিবেক কি বলে? মার্কসবাদ কি বলে? ছলে-বলে-কৌশলে তাদের দাবিকে দেওয়া? তাই যদি হয় তাহলে ফ্যাসীবাদ শুনে বিস্মিত হচ্ছেন কেন? আপনাকে কোন কিছু শেখাতে চাওয়ার ধৃষ্ঠতা আমার নেই, কিন্তু সরল অংকটি কেন জটিল কের বুঝতে চাইছেন তা আমার বোধগম্য নয়।

শেষ কথাঃ আমি দেশের স্বাধীনতার জন্য, আত্মমর্যাদার জন্য, অপমানের প্রতিশোধ নেওয়ার জন্য লড়াই করেছি বলেই অন্যান্য জাতিস্বত্তার আত্মমর্যাদার প্রশ্নটি শ্রদ্ধার চোখে দেখতে চাই,দেখি, দেখব আমৃত্যু।

আমার নয়, বরং আপনাদেরই(এখানে আপনাকে বাধ্য হয়েই স্তব্ধতার সাথে এক করে দেখতে হচ্ছে বলে দুঃখিত।কারণ আপনি এই দেখতে চাওয়ার ব্যাপারটা প্রম্ট করেছেন)
লজ্জা হওয়া উচিৎ, যে জাতি রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের মাধ্যমে আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার আদায় করে, সেই জাতিই তার ক্ষুদ্র জাতিসত্তাগুলোকে রাষ্ট্রীয় অখন্ডতা, জাতি হয়ে না ওঠার তকমা দিয়ে সামান্যতম সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত করে!


@মনজুরুল হক : সমআধিকার শব্দটা প্রয়োগ না করে কি আপনি সেই কথা থেকে দূরে আছেন ? নাকি আপনাকে লেখক মিসইন্টারপ্রিট করলেন ?

আমার কাছে আপনার ব্যাখ্যার প্রয়োজন নেই কিন্তু লেখক বোধহয় ঘোলাজলে মাঝ শিকারে পারদর্শী। এবং বুদ্ধীবাহী এইরকম একটা সংজ্ঞায় জনপ্রিয় নিজের সার্কেলে। মানে কিছু টাইপ আছেন না, যারা আউরে থাকেন, পাড়ায় চায়ের দোকানে বসে, কেইসান ইকোনোমিক্সের ব্যাখ্যা , যিনি চা-ওয়ালা , তিনি হয়ত অর্থনীতি রকমফেরে, বাড়ি ফিরে সেই রাতের খাবারহীনতায় ভুগে, খেয়াল করেন সেই অর্থনীতির ভাষন কতটা তার কাছে মূল্যহীন, বরঞ্চ, সেখানে..........বিদ্যে বোঝাই বাবু মশাই মনে পড়ল, যিনি চন্দ্র-সূর্য বোঝেন কিন্তু জান বাঁচাতে সাঁতার জানেন না ।

@মনজুরুল হক : আমিই মনজুর বইয়ের প্রশংসা করি, এই আমিই মনজুর সাথে তুমুল তর্কে কেউ কাউকে ছাড় দেই না, পরস্পরকে চিন্তার কারণ খুজার, বুঝানোর প্রাণান্তকর চেষ্টা করি।

মনজুরুলদা, 'আমিই' তে ই প্রয়োগ করে কী লেখক, এই বল্লেন যে আমরা প্রশংসা করি বলেই মনজু'র লেখা, লেখা কিংবা মনজু তার জন্যই মনজু?????

আমার কাছে আপনার কিছু বলতে হবে না ।







@ লেখক : আপনিই বলে দিলেন! আমি তো অপেক্ষা করছিলাম দীপঙ্কর নিজের দেশ, নিজের সম্পর্কে আমাদেরকে নিজেই জানাবেন। দীপঙ্কর ভেবেছে নিজের উদ্দেশ্য লুকানো বর্ণচোরামী করে পার পেয়ে যাবে।
দীপঙ্কর ভেবেছে মনজুকে সম অধিকারের দলে ফেলার ছল করলে আমি বুঝতে পারব না। শঠতার একটা সীমা থাকা দরকার।

লেখক, এখানে এই পোস্টে নিশ্চয়ই ' দীপঙ্কর নিজের দেশ, নিজের সম্পর্কে আমাদেরকে নিজেই জানাবেন।" --আলোচনা হচ্ছে না, সেটা নিয়ে অবশ্যই আলোচনা চলতে পারে।

তবে, আমি এই যে অঞ্চলে বাস করি , সেখানে গত ৩০ বছরেরও বেশি সময় ধরে পাহাড়িদের সায়ত্বশাষন আছে এবং আমার মত অনেকই ( সবাই নন) 'পাহাড়ি' ---এইরকম আলাদা পরিচয়ে কেউ , কাউকে চিনি না ।

আমি চাকমা শরনার্থীদেরও দেখেছিলাম।

@ লেখক : দীপঙ্কর ভেবেছে নিজের উদ্দেশ্য লুকানো বর্ণচোরামী করে পার পেয়ে যাবে।
দীপঙ্কর ভেবেছে মনজুকে সম অধিকারের দলে ফেলার ছল করলে আমি বুঝতে পারব না। শঠতার একটা সীমা থাকা দরকার।

'বর্নচোরামী পার পেয়ে যাবে/শঠতার একটা সীমা থাকা দরকার।' ----কথাটা গুছিয়ে বলুন, আরও ব্যাখ্যা সহ, কী কী চোর্যবৃত্তি এবং শঠতা ? এবং আমার "গোপন উদ্দেশ্য" কী ?

কিংবা আপনার কথার সাথে কেয়কজন সাক্ষী জোগাড় করুন অথবা এড়ে-কথা বা বলে কথাটি ঢোঁক গিলে নিন। অনাবশ্যক কথার লম্বা কিছু লিখে কথা না প্যাঁচানোর অনুরোধ রইল।

আপনার আগের একটি পোস্টে এখন দেখলাম যে আপনি রাজনৈতিক আশ্রয় ' সেংকচুয়ারী'র কথা বলছেন, মায় সন্ত্রাসকেও সাপোর্ট করছেন ঘুরিয়ে, তো এইসব কথা নিশ্চয়ই চট্টগ্রামে খাটে না , তাই না !



@মনজুরুলদা: এইখানে আপনার কমেন্ট চাই, উপরের কথায়। (দীপঙ্কর ভেবেছে মনজুকে সম অধিকারের দলে ফেলার ছল করলে আমি বুঝতে পারব না।) --ইত্যাদি সহ ( আমি ব্যাক্তিগত আপনার কাছে এর জবাব চাই না)

অবশ্য আপনি বলেই ফেলেছেন, "আসলেই আমার লজ্জা থাকা উচিৎ! অন্তত এই ধরণের পোস্টে কমেন্ট করার বেলায়।"

স্যালুট কমরেড, আপনি বন্দুক ও তার গুলির সম্যক চেহারা চেনেন, ধৃষ্টতা বরঞ্চ আমার মাপ করবেন যে আমি আপনার কাঁধে হাত রেখে সুর মিলিয়েছি।

এই ধৃষ্টতা মাপের বিষয়টি অবশ্যই দাদা, লেখকের বা অন্যকারো মন্তব্যের প্রেক্ষিতে নয়, একটা নিরপেক্ষ কথা, যা তারা বুঝবেন না বলেই মনে হচ্ছে আমার।
২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ২:০৮

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

৫৩. ২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১১:০৪
মনজুরুল হক বলেছেন:

আপনি, আপনি পি মুন্সী নাড়ার আগুনে ধোঁয়া দিয়ে প্রায় গর্ত থেকে দীপঙ্করকে টেনে বের করলেন! আমার বা যারা আপনাকে একেবারেই চেনে না তাদের কারো আক্রমনাত্মক মন্তব্যের জবাবেও আপনি এমন খাপ-খোলা তলোয়ারের মত গলার ওপর চেপে বসেননি! ঘটনা পরম্পরায় উচিৎ ছিল অবাক হওয়া! কিন্তু অবাক হলাম না মোটেই, কারণ আমি মনে করি আমরা আমাদের সব কিছুই কোন না কোনও ভাবে লুকোতে পারি, আড়াল করতে পারি, কিন্তু শত চেষ্টাতেও ক্লাস ডমিনেটেড থিংকিং এড়াতে পারিনা, লুকোতে পারিনা। তবে একজন ক্ষুরধার একাডেমিশিয়ান হিসেবে আপনার বক্তব্য সমর্থনকারী অন্যরা না পারুন, আপনার পারা উচিৎ ছিল।

প্রতিদিন রিটার্নস বলেছেন: @ দীপঙ্কর, আপনের মাতৃভূমি ভারতের ভূখণ্ডে কাশ্মীর সেভেন সিস্টার এর কথা কিছু কন। এই নিকটি কি বলতে চান, কিভাবে বলেন তা সিদ্ধার্থ আনন্দর পোস্টে দেখেছি।

৪৪ নম্বরে দীপঙ্করের কমেন্টের জবাবে যা বলতে পারলেন না তা-ই পেরে গেলেন প্রতিদিন রিটার্নস এর জবাব দিতে গিয়ে! "দীপঙ্কর ভেবেছে নিজের উদ্দেশ্য লুকানো বর্ণচোরামী করে পার পেয়ে যাবে।"

দীপঙ্কর ভেবেছে মনজুকে সম অধিকারের দলে ফেলার ছল করলে আমি বুঝতে পারব না। শঠতার একটা সীমা থাকা দরকার।

এই যে আপনি "বর্ণচোরামী" আর "শঠতার সীমা" শব্দদুটো ব্যবহার করলেন, এবার একটু পেছন ফিরে খুঁজে দেখুন তো আপনাকে উত্যাক্ত করেছে, গাল পেড়েছে এমন কাউকে এই ধরণের শব্দযোগে অভিহিত করেছেন কী-না? পাবেন না। আপনার সারা ব্লগ ঘুরে আর একটি-দুটি পাওয়া যাবে তাও "দিগন্ত"কে বলা। এখানে "দীপঙ্কর", "দিগন্ত" নাম দুটো নিশ্চই একটি তাৎপর্য বহন করে। কি সেই তাৎপর্য তা খুলে বললাম না, বুঝে নেবেন। সঙ্গীতে এই ছোট ছোট টাচ্ গুলোকে বলে "ঠেকা"। হালকা টাচ্, কিন্তু গভীর ভাবে শুনলে ধরা যায়। শিবরঞ্জনী রাগে "মেরে নায়না শাওন-ভাদো ফির ভি মেরা মান পিয়াসা..." গানটি লতা এবং কিশোর উভয়েই গেয়েছিলেন। হালকা টাচে লতা বুঝিয়ে দিয়েছিলেন মারাঠী ঘারানা'র পার্থক্য। এইসব ছোট ছোট "ঠেকা" একসময় মিলেমিশে একটা "ঠাঁট" তৈরি করে, একটা ঘারানা তৈরি করে। এরপর সেই ঘারানায় গলা ছাড়লেই বোঝা যায়।

আপনার এই ঘারানাটি আমি চিনেছি। বলেওছি। আর তাই আপনি মাঝে মাঝে তা কোথাও কোথাও উল্লেখও করেন আফসোসের সুরে। আশা করি ঘারানার নামটি না বললেও বুঝতে পারছেন।

আপনি যে ঘারানায় সুরবদ্ধ (টিউনড) হয়ে আছেন সেখানে আপনার কাছ থেকে যা আশা করি আপনি তা-ই দিচ্ছেন, আর সে কারণেই আমি অবাক হচ্ছিনা। আকাশ থেকে পড়ছিনা।

রাগ ইমন একটি তুল্য চিত্র প্রকাশ করেছেন আগেই। ওই যে বাংলাদেশের অন্যান্য জেলায় বসবাসরত আদিবাসী বা উপজাতীদের আলাদা করে দেওয়ার হাস্যকর ত্বত্ত্ব, যাকে আপনি যেহেতু খন্ডন করেননি, অসমর্থন করেননি, সেই মন্তব্য স্তব্ধতা বারে বারে পেস্ট করার পরও তা যে উদ্ভট কম্প্যারিজন তাও বলেননি, সেহেতু ধরে নিতে হচ্ছে আপনিও তাই মনে করেন! আর সে কারণেই লর্ড আ্যববুরি,র প্রসঙ্গটা এনেছেন। লর্ড অ্যাববুরি পূর্ব তীমুর কে স্বাধীন করায় সহায়তা করেছে বলেই কি বাংলাদেশের পাহাড়িদেরও স্বধীন হয়ে যাওয়ার শঙ্কা দেখছেন, যে ভাবে শংকা দেখেছিল পুঁজিবাদী ইউরোপ? তাহলে কি আপনি পূর্ব তীমুরের স্বাধীনতা সমর্থন করেন না?

দীপঙ্কর কোথায় চৌর্যবৃত্তি করল, কোথায় শঠতা দেখাল ? "সমঅধিকার" শব্দ ব্যবহারই কি শঠতা? মনজুরুল হককে সমঅধিকারের ফাঁপরে ফেলার চেষ্টা দেখলেন কি? যদি তা-ই দেখে থাকেন তাহলে বলব আপনার দেখায় সারল্য নেই, আছে একদেশদর্শীতা। যা একজন দ্বন্দ্বমূলক বস্তুবাদে বিশ্বাসীর কাছে অনভিপ্রেত।

আর দীপঙ্করকে আপনার পোস্টে মন্তব্য করার আগে বা করলে সেভেন সিস্টার নিয়ে তার ভূমিকা খোলাসা করতে হবে কেন? অর্থাৎ এখানেও আপনি রাগ ইমনের কম্প্যারিজন লজিকে আক্রান্ত। অর্থাৎ যদি পাহাড়িদের স্বায়ত্বশাসন দিতে হয় তাহলে--

পার্বত্য চট্রগ্রাম স্বাধীন করে দিতে হবে, পটুয়াখালী, বরগুনাতে রাখাইনদের স্বাধীন করে দিতে হবেময়মনসিংহ, ত্রিশাল, শেরপুর, ঝিনাইগাতি, দূর্গাপুর, নেত্রকোনা স্বাধীন করে দিতে হবে,রাজশাহী, দিনাজপুর, পার্বতীপুর বগুড়া সহ তাবত উত্তর বঙ্গে যে সাঁওতাল ও রাঢ়রা আছেন তাদের স্বাধীন করে দিতে হবে, খাসীয়া, মনিপুরীদের স্বাধীনতার জন্য বৃহত্তর সিলেট স্বাধীন করে দিতে হবে !!

এবার সত্যিই অবাক হই, আপনিও এসব বালখিল্যতা বিশ্বস করেন এবং আমলে এনে ধারণ করেন!!!

এখন আপনাদের এই ত্বত্ত্ব অনুযায়ী সরকার যদি বলে- "যেহেতু তিস্তা ব্যারেজ করার সময় কেউ চিল্লাচিল্লি করেনি সেহেতু টিপাইমুখ নিয়ে চিল্লাচিল্লি বরদাশত করা হবেনা"। যদি ভারত বলে "যেহেতু তোমরা নর্মদা ড্যাম নিয়ে প্রতিবাদ করোনি, সেহেতু টিপাইমুখ ড্যাম নিয়েও প্রতিবাদ করতে পারবে না"! হলো কিছু? তুল্যবিচার যে রাজনীতিতে অন্তঃসারশূণ্য সেটি বুঝেও না-বোঝার ভান দেখে আর এক প্রস্থ অবাক হলাম।

আপাতত এপর্যন্ত।

২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ৩:০১

লেখক বলেছেন: বর্ণচোরামী ও শঠতা শব্দ দুটো মুঝে দিয়েছি।
আপনার মন্তব্যে দুঃখ পেলাম।

আমার যতদূর মনে পড়ে আপনার "বিদ্রোহ ন্যয়সঙ্গত" ধারণা নিয়ে অনেক কথা বলেছি আমরা। আপনার সাথে বড় বিতর্ক এটা নিয়েই হয়েছে; এখানে এই পোষ্টেও বিতর্ক ও ভুল বুঝেছেন এটা নিয়েই, তবে ঠিক একই শব্দে নয়, আবার "সম অধিকার" শব্দ দিয়েও না।

ফলে,
"আমি কখনই বলছি না , বাংলাদেশ ভেঙে যাক বরঞ্চ পাহাড়ীদের নায্যঅধিকার দিয়ে সেটা আরও মজবুতই করা যাবে, যতদিন না পৃথিবীর সব সীমানা রেখা মুঝে যাচ্ছে"
- দীপঙ্করের একথা আপনার নয় বলেই আমার ধারণা।
আপনি "সম অধিকারের" জায়গায় থেকে "পাহাড়ীদের নায্যঅধিকার" দিয়ে বাংলাদেশ জোড়া লাগিয়ে থাকার পক্ষে থাকলে আপনার সাথে আমার তো আগে অথবা এখন কোন বিতর্কই থাকত না, বিতর্ক করতাম না। যাক এখন সেকথা তুলে আর কোন লাভ নাই; আপনার সঙ্গে সব বিতর্কতর্ক শেষ, exhausted।

আমার প্রসঙ্গে আগেও বলেছি এখন শেষ বলছি, এগেন ইউ আর রঙ; তবে এবারের বাড়তি হলো দুঃখও পেয়েছি, যেটা কখনই আশা করি নাই। বাকী সব প্রসঙ্গে, এখন অবান্তর, অপ্রয়োজনীয়।
ধন্যবাদ আপনাকে।

৫৪. ২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১১:২২
রফিকুল হক বলেছেন: মজা পাচ্ছি বেশ। ২৮ নং কমেন্ট পর্যন্ত মনজুরুল হক সাহেব স্বনামে আমাদের সাথে থাকলেন, বোঝানোর অনেক কোশেশ করলেন। কিন্তু আমাদের প্রতিক্রিয়াশীল, জঙ্গি, প্রো-পাকিস্তানি আর ফ্যাসিবাদি মনের কেন যেন পরিবর্তন হোলনা প্রগতিশীলতার ছোঁয়ায় ! আফসোস! আফসোস!এরপর অভিমানি, দুঃখ ভারাক্রান্ত মনে তাঁর বিদায়। তারপর? তারপর আর কি, ৪৪ নং কমেন্ট থেকে এখন দীপঙ্করদা হয়ে খেলা শুরু করলেন। দীপঙ্করদা আবার উনাকে স্যালুটও জানাচ্ছে। ;) খুবই ভালো। লাগে রাহো মুন্না ভাই।
২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ৩:১৪

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ রফিকুল হক।

৫৫. ২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ৩:১৪
রাগ ইমন বলেছেন: ইয়ে, মনজু ভাই, ( মনজু ভাইকে বললেও কথা গুলা সবার জন্যই আসলে)

বিনয়ের সাথে একটা কথা একটু মনে করিয়ে দিতে চাই। এই পোস্টে আমার ভূমিকা একজন প্রভাবকের ( পি মুন্সীকে এই পোস্ট দিতে প্রভাবিত করা) এবং পরে একজনের সংগ্রাহকের ( ব্লগে এই একই বিষয়ে যত পোস্ট হচ্ছে সেগুলো এই পোস্টে সংকলিত করা) ।

উদ্দেশ্য?

খন্ডিত এবং অসম্পূর্ণ সত্য বলা ও শোনার বিপদ থেকে মুক্ত হওয়া।

একই বিষয়ে যখন আমরা একটি মাত্র দৃষ্টিভঙ্গীর গল্প শুনি, আমাদের দেখার চোখ ভীষণ রকম সংকীর্ণ থেকে যায় বলে আমি বিশ্বাস করি। আমি আরো বিশ্বাস করি, বিচিত্র মানুষ তার বিচিত্র দৃষ্টিভঙ্গী দিয়ে যখন একটি মাত্র বিষয়, বস্তু কিংবা ঘটনাপ্রবাহকে বর্ননা করে, ঘটনার পেছনের কারণ, দর্শন ও উদ্দেশ্যকে বিশ্লেষণ করে - এই সংকীর্ণ দৃষ্টিভঙ্গী দিয়ে খন্ডিত বা লিমিটেড সত্যকে দেখার ভয়াবহ বিপদ থেকে আমরা কিছুটা হলেও মুক্ত থাকতে পারি।

খন্ডিত দৃষ্টিভঙ্গীর বিপদ তো জানেন , তাই না? সেই অন্ধের হাতি দেখার মত ।

তাই আপনি যখন আমাকে স্তব্ধতা ও পি মুন্সী নামক "একটি নির্দিষ্ট দৃষ্টিভঙ্গী" সম্পন্ন পক্ষে ফেলে দিয়ে আর সব রকম সম্ভাবনাকে নাকচ করে দেন, তখন আমি সত্যি বিপন্ন বোধ করি। কারণ, "A single story creates stereotypes and the problem with stereotypes is not that they aren't true but that they are incomplete. They make one story become the only story.

We must realize there is never a single story about a place." Chimamanda Adichie
আপনার কাছে আমার অনুরোধ থাকবে আমাকে এই " খন্ডিত ও অসম্পূর্ণ গল্পে" উৎসাহীদের ও বিশ্বাসীদের দলে স্টেরিওটাইপ না করার ।

পাহাড়ের সমস্যা নিয়ে এই ব্লগে এক একজন তাদের নিজস্ব অভিজ্ঞতা, জ্ঞান , তথ্য, সূত্র ও দর্শন থেকে নিজের নিজের একক গল্প বলে চলেছেন। তার গল্পের বাইরে অন্য কোন গল্প সত্য হতে পারে। কিংবা একেবারেই বিপরীত অভিজ্ঞতা , বিপরীত জ্ঞান, বিপরীত গল্পটিও যে ঐ পাহাড়েই বসবাসকারী কোন পাহাড়ী, বাঙ্গালী কিংবা সেনা অফিসারের জীবন হতে পারে, সত্য হতে পারে - এইটা কেউই মানতে রাজি নন ।

অথচ এই বিচিত্রতাই কিন্তু সত্যি । আমরা শুধু " পাহাড়ি " , শুধু " বাঙ্গালী" , শুধু " সেনাবাহিনী" লিখে লিখে স্টেরিওটাইপ করে ফেলছি । কিন্তু এইটা ভাবছি না , পাহাড়ের সকল পাহাড়ির গল্প কি এক?
পাহাড়ি সেনা অফিসার নেই?
পাহাড়ি শান্তি বাহিনী নেই?
পাহাড়ি শান্তিবাহিনীর হাতে অত্যাচারিত পাহাড়ি নেই?
পাজেরো হাকানো ধনী পাহাড়ি নেই?
প্রচন্ড ক্ষমতা , টাকা ও অস্ত্রের মালিক পাহাড়ি নেই?

পাহাড়ি মানেই কি হত দরিদ্র , বাড়ি পোড়ানো , পরিবার হারানো অসহায় পাহাড়ি?

এখন পাহাড়ি শব্দটা সরিয়ে সেখানে সমতলী, বাঙ্গালী , গারো , সিলটি, ঢাকাইয়া বসিয়ে নিন। কেমন লাগছে ছবিটা ?

কল্পনা চাকমাও পাহাড়ি । সন্তু লারমাও পাহাড়ি। শান্তিবাহিনীকে ঘৃণা করা আমার ডাক্তার চাকমা বন্ধুটিও পাহাড়ি। আমার বাড়ির পাশের বাড়িতে থাকা সেনা অফিসার , যার দুই পুত্রই কোটা ভিত্তিতে অস্ট্রেলিয়াতে স্কলারশীপ ও মাইগ্রেশন করেছে, তারাও পাহাড়ি। নিজ ভূমি থেকে উৎখাত হওয়ার পরে যেই যুবকের দল পাহাড়ে শান্তিবাহিনীর নামে লড়ছে সেও পাহাড়ি। আবার যে ঐ বাহিনীর ভিতরে থেকেই চাঁদাবাজি করছে, অপহরণ করছে, সেনা খুন করছে অথবা ভারতের সাথে এজেন্ডা মিলিয়ে স্বাধীন জুম্ম ল্যান্ডের পক্ষে যুদ্ধ করছে , সেও পাহাড়ি।

ঠিক একই রকম ভাবে পার্বত্য চট্টগ্রামের বাঙ্গালীদের ভিতরেও ভালো , খারাপ, কুচক্রী , উপকারী , অপকারী , ধনী, গরীব , ইত্যাদি পাওয়া যাবে।

সমস্যা শুধু , সরকারের ভূমিকায় । যেই অভিযোগ করা হচ্ছে , সরকার সত্যি সত্যি সব সময় অপাহাড়িদের পক্ষ নেয় নাকি এইটা অপপ্রচার?

এই ভিন্ন ভিন্ন গল্প, ভিন্ন ভিন্ন চাওয়া , ভিন্ন ভিন্ন দর্শনকে এক জায়গায় করে সকলকেই একে অপরের দৃষ্টিভঙ্গী দেখা, শুনা, বুঝা ও বুঝাবার সুযোগ দিতেই আমি চেষ্টা চালিয়ে গেছি। পাহাড় থেকে দূরে বা কাছে থেকে যারা ব্লগিং করছে তারা সকলেই যেন নিজের কথাটা বলার সুযোগ নিয়ে বলতে পারে কেন তারা কোন পদক্ষেপ সমর্থন করছে কিংবা করছে না ।

পাহাড়ে বসবাসকারী সকল বাংলাদেশের নাগরিক নিজেদের ইচ্ছায় এবং নিজেদের ডেকে আনা বন্ধু বান্ধবের সাহায্য নিয়ে নিজেরাই সিদ্ধান্ত নিতে পারে তারা বাংলাদেশ চায় নাকি জুম্ম ল্যান্ড চায় । আমি বাংলাদেশ চাইতে পারি। আমি জুম্ম ল্যান্ড ও চাইতে পারি । কে কেন কি চাইছি , কোন পদ্ধতিতে চাইছি , সরকারের কোন পদক্ষেপকে কেন স্বাগত বা নিন্দা জানাচ্ছি - এই ডায়লগ চালু করা ও চালু রাখার জন্যই তো ব্লগ !

কিন্তু অত্যন্ত দুঃখের সাথে লক্ষ্য করছি , মনজুর "পর্যবেক্ষণে থাকলোর " উত্তরে অত্যন্ত অন্যায়ভাবে পি মুন্সী প্রথমে আঘাতটা ছুড়লেন তারপর নিজেই সাধু মুনী রেফারীর ভূমিকা নিলেন। মনজু না ক্ষেপে শান্ত ভাবে অন্যায়ের প্রতিবাদ করতে পারতেন, না করে উনি রেগে বোম হলেন। স্তব্ধতা বাড়তি খেলোয়ার হিসেবে ফাউল করলেন । আমি এক আঁতেল - কুরান, গীতা , ত্রিপিটকের দিব্যি দিয়ে " অহিংসা পরম ধর্ম " শেখাতে লেগে গেলাম, কিন্তু ততক্ষণে জল গড়িয়ে বাষ্প হয়ে গেছে । এখন সকলেই কিছুটা বিরক্ত, কিছুটা বিব্রত ( হয়ত) , কিছুটা অভিমানী আর ভয়াবহ ক্লান্ত।

আমি যে উদ্দেশ্য নিয়ে শুরু করেছিলাম , সকল মানুষের সকল ধরনের গল্পকে এক জায়গায় করা , সেইটা শিকেয় উঠে ভেউ ভেউ করে কাঁদতে লেগেছে মনে হচ্ছে । তারপরেও , আশা করছি , এক পেশে মনভাবের অভিযোগ তুলেই ক্ষান্ত দেবেন না , নিজের এক পেশে মনভাবটিকেও আরেকটু উদার ও পূর্ণতা দিতে বাকি পাশ গুলো দেখার চেষ্টা করবেন । শেখ ফজলে এলাহীর পোস্টে আমার মন্তব্য গুলো করার উদ্দেশ্য ছিলো তাই। তার গল্পের বাইরেও অন্য গল্প আছে , সেই গল্প আমার নিজের গল্প না হলেও । আশা করি নিচের ভিডিওটি আপনাকে সেই " মাল্টি স্টোরি " কেন শুনা উচিত ও " সিঙ্গেল স্টোরী " শুনা ও বলার বিপদ বুঝতে সাহায্য করবে।



Chimamanda Adichie: The danger of a single story
২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ দুপুর ২:১৬

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ রাগ ইমন।

৫৬. ২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ ভোর ৪:৪৬
মনজুরুল হক বলেছেন:

@রাগ ইমন। যদিও আপনি বলে দিয়েছেন, তবুও বলছিঃ "পোস্ট পর্যবেক্ষণে। "শুধুমাত্র এই একটি শব্দ লিখার কারণে আমাকে অজস্র হুল সইতে হয়েছে।যদিও সেটা গায়ে মাখার মত কিছু মনে হয়নি, মাখিও নি। যেহেতু আমি এখানে ধর্ম প্রচার করছিনা, ইজম প্রচার করছিনা, অন্ধ গোঁয়ারের মত নিজের কথাকে অকাট্য যুক্তি বলে হাজির করছিনা। সেহেতু পরের হুলগুলো আমায় ব্যথিত করেছে। আমি ব্যথা হজম করে নীলকণ্ঠ হতে পারিনি। এটা আমার দুর্বলতা। আপনার হাসতে হাসতে বাংলাদেশের অন্যান্য ক্ষুদ্র জাতিস্বত্তাকে আলাদা করে দেওয়ার কমেন্ট যখন এই পোস্টে স্তব্ধতা কর্তৃক রি-পেস্ট হয় তখন মুন্সীর কাছে বিচক্ষণতা আশা করতেই পারি। এখানে মুন্সী আশাহত করেছেন। ঠিক একইভাবে আশাহত করেছেন ত্রিশোনকু তার পোস্টে। তার সিরিজের ১১ তম পর্বে বিদ্রোহী রণ ক্লান্ত যখন আপনাকে ছেঁকে ধরেছে, তখন বাধ্য হয়েই সমকাল এর লিঙ্ক দিতে হয়েছে আমাকে।

সেই লিঙ্ক দেখে বিদ্রোহী রণ ক্লান্ত বলেছেন: @ ও. জামান: সমকাল পত্রিকা......!!!??? এই সমস্ত "টয়লেট পেপার" হলো ওদের ইতিহাস শিখার উৎস| সেই সমাকালীয় ইতিহাস শিখে এসে এরা আবার ব্লগে লেকচারও মারে....!!!

এই কমেন্টের পর আমার বন্ধু ত্রিশোনকুর কি করা উচিৎ ছিল? সমকাল যে "টয়লেট পেপার" নয় সেটা বলা। কিন্তু আমার বন্ধু এড়িয়ে গেলেন। ভাবলেন সেই প্রথম থেকে বিদ্রোহী তাকে অকুণ্ঠ সমর্থন দিয়ে আসছে, তাকে চটাই কেন? এটা বুঝেই আমি ওই সিরিজ থেকে নিজেকে সরিয়ে নিয়েছি। মুন্সীও সেই একই ভাবে এড়িয়ে গেছেন। আপনার কমেন্ট স্তব্ধতা হয়ে পেস্ট হওয়ার পর তা তিনি সমর্থন করেছেন। যা তার ধীশক্তির সাথে খাপ খায়না


এবার দেখুন আর একটি জঘণ্য প্ররোচনা-----

"রফিকুল হক বলেছেন: মজা পাচ্ছি বেশ। ২৮ নং কমেন্ট পর্যন্ত মনজুরুল হক সাহেব স্বনামে আমাদের সাথে থাকলেন, বোঝানোর অনেক কোশেশ করলেন। কিন্তু আমাদের প্রতিক্রিয়াশীল, জঙ্গি, প্রো-পাকিস্তানি আর ফ্যাসিবাদি মনের কেন যেন পরিবর্তন হোলনা প্রগতিশীলতার ছোঁয়ায় ! আফসোস! আফসোস!এরপর অভিমানি, দুঃখ ভারাক্রান্ত মনে তাঁর বিদায়। তারপর? তারপর আর কি, ৪৪ নং কমেন্ট থেকে এখন দীপঙ্করদা হয়ে খেলা শুরু করলেন। দীপঙ্করদা আবার উনাকে স্যালুটও জানাচ্ছে। খুবই ভালো। লাগে রাহো মুন্না ভাই।"

এর উত্তর কি হতে পারে? উত্তর যা-ই হোক না কেন, মুন্সী উত্তর করেছেন--"ধন্যবাদ রফিকুল হক।"

এবার আপনিই বলুন; ৪৪ নং কমেন্ট থেকে আমিই দীপঙ্কর হয়ে খেলা শুরু করেছি? তার মানে রফিকুল হক এর মত মুন্সীও বিশ্বাস করে বসেছেন-আমিই দীপঙ্কর! এখন আমি যদি এটা চ্যালেঞ্জ করে এক ফর্মা ফেঁদে বসি তাহলে বচসা কোন পর্যায়ে উঠবে? আমি এই কূটতর্কে যাচ্ছিনা।

ব্লগ ভারী অদ্ভুত জায়গা! পোস্ট দেওয়ার পর বেশ কিছু বিষয় হ্যান্ডল করতে হয়। আমরা অনেকেই তা পারিনা। নতুন নতুন স্তাবক পেলে আমরা ধরে নেই যে কিছুতেই তাকে বা তাদের হারানো চলবেনা!

ব্লগবন্ধু হলেও যদি সেই বন্ধু আর এক জনকে আমার পোস্টে অন্যায় আক্রমন করে তাহলে আমার দায়িত্ব হবে তার বিরোধীতা করা। না পারলে সেই "অন্যায়" কে সমর্থন না করা। আমরা অনেকেই তা পারিনা।

তবে এটা মানছি, আমি একটু সংবেদনশীল। গন্ডার হতে ব্যর্থ। আর তাই ত্রিশোনকু,মুন্সীর মত বন্ধুও ভুল বোঝেন। কি করব? সংবেদ তো এড়াতে পারিনা। কারণ ওটাই আমার চালিকাশক্তি সমূহের একটি।
২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ দুপুর ২:২৩

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ মনজুরুল হক।

৫৭. ২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ ভোর ৪:৫২
মনজুরুল হক বলেছেন:

@রফিকুল হক। আপনার এই মজা পাওয়ায় সামিল হলে পারলাম না ভাই। কি করা যাবে, সবাই তো আর আপনার মত নিজেকে দিগম্বর দেখে মজা পায় না!
২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ দুপুর ২:২৪

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ মনজুরুল হক।

৫৮. ২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ ভোর ৫:২৪
রাগ ইমন বলেছেন: মনজু ভাই,

" ত্রিশোনকুর পোস্টে কি হয়েছে " অইটা একটা ভিন্ন গল্প বলে ঐ রেফারেন্স নিয়ে আমি এইখানে কোন আলোচনাকরতে চাইছি না , ঘটনা যদি একই হয় তাও। ওইটা আরেক দিন অন্য কোন পোস্টে না হয় আলোচনা করবো।
--------------
মনজুর "পর্যবেক্ষণে থাকলোর " উত্তরে অত্যন্ত অন্যায়ভাবে পি মুন্সী প্রথমে আঘাতটা ছুড়লেন তারপর নিজেই সাধু মুনী রেফারীর ভূমিকা নিলেন। মনজু না ক্ষেপে শান্ত ভাবে অন্যায়ের প্রতিবাদ করতে পারতেন, না করে উনি রেগে বোম হলেন। স্তব্ধতা বাড়তি খেলোয়ার হিসেবে ফাউল করলেন । আমি এক আঁতেল - কুরান, গীতা , ত্রিপিটকের দিব্যি দিয়ে " অহিংসা পরম ধর্ম " শেখাতে লেগে গেলাম, কিন্তু ততক্ষণে জল গড়িয়ে বাষ্প হয়ে গেছে । এখন সকলেই কিছুটা বিরক্ত, কিছুটা বিব্রত ( হয়ত) , কিছুটা অভিমানী আর ভয়াবহ ক্লান্ত।
--------------
উপরের প্যারাতে নিশ্চয়ই খেয়াল করেছেন, আমি কিন্তু কাউকেই বিচারের কাঠাগড়া থেকে রেহাই দেইনি । আপনি, পি মুন্সী , স্তব্ধতা কিংবা আমি , সকলেই এইখানে কাঠগড়ায় । ঝামেলা শুরু করার দায়টা আমি পি মুন্সীকেই দিয়েছি । আপনাকে নয় । কিন্তু আপনি খুব ভালো করেই জানেন , উদ্দেশ্য যদি থাকে , সিভিলিয়ান পিপলকে বাঁচানো , তাহলে যেই পক্ষই গুলি আগে শুরু করুক , থামতে হবে নিজেকে , তাই না? ঠিক এই কারনেই পুলিশের উপর নির্দেশ থাকে , মিছিল থেকে গুলি হলেও পালটা গুলি ছোড়া যাবে না ।

আপনি আশাহত হয়েছেন পি মুন্সীর হুল ফোটানোতে , কিন্তু আমিও তো আশাহত হয়েছি আপনি মাথা ঠান্ডা রাখেননি বলে , এই দায় কি এড়াতে পারবেন? কিংবা স্তব্ধতা যা বলতে চেয়েছেন সেইটা আরেকটু নরম সুরে , আক্রমন না করে বলা যেত, এই দায় কি উনি এড়াতে পারবেন? ( স্তব্ধতার অনুপস্থিতিতে তাকে নিয়ে কথা বলতে ভালো লাগছে না)

আমি খুব স্পষ্ট করেই বলেছিলাম , এই পোস্টের উদ্দেশ্য কি-

পাহাড়ে মানুষের উপর নিপীড়ন চলছে । যে পক্ষই হোক , মানুষ নামক কিছু নাগরিক নিপীড়িত হচ্ছে । রাষ্ট্রীয় " জোর জবরদস্তি কিংবা পক্ষাবলম্বন " সেই নিপীড়ণকে আরো বেশি ঘোরালো করে তুলছে । সকলেই চাইছি এই নিপীড়ন বন্ধ হোক, শান্তি আসুক।

আপনি, পি মুন্সী , স্তব্ধতা , আমি , অন্যান্য ব্লগাররা কি ভাবে নিপীড়ন বন্ধ করা যায়, এইটার শর্ট টার্ম , লং টার্ম পদ্ধতি কি হতে পারে - আলোচনা হওয়ার কথা ছিলো এই নিয়ে ।

সেইটা বাদ দিয়ে আপনারা ঝগড়া লাগায় দিলেন। বন্ধুর খোঁচাতেই যদি এত ক্ষেপে যান, এই ব্লগে আপনার শত্রুর তো অভাব নেই!
----------------------
ব্লগবন্ধু হলেও যদি সেই বন্ধু আর এক জনকে আমার পোস্টে অন্যায় আক্রমন করে তাহলে আমার দায়িত্ব হবে তার বিরোধীতা করা। না পারলে সেই "অন্যায়" কে সমর্থন না করা। আমরা অনেকেই তা পারিনা।

এইটা আপনার নিজের আদর্শ । কিন্তু এইটা কি আপনি নিশ্চিত এইটা আপনার বন্ধুরও আদর্শ কি না? আর এই আদর্শে অনুসারী না হলেই আপনি তাকে বন্ধুর জায়গা থেকে খারিজ করে দেবেন?

তারপরেও কথা থাকে । নাই বা হলো বন্ধু । নাই বা করলো প্রতিবাদ । স্বার্থ যেখানে দেশ ও দেশের মানুষ , আপনি সেইখানে আলোচনায় , তর্কে অংশ নেবেন কি না?

আপনাকে অনুরোধ করছি ভেবে দেখতে ।

এইটা তো জরুরী নয় যে আমরা সব কিছুতেই একমত হবো , এমন কি বন্ধুত্বেও !
২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ দুপুর ২:২৫

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ রাগ ইমন।

৫৯. ২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ ভোর ৫:৩২
স্তব্ধতা' বলেছেন: @রাগ ইমন: ''স্তব্ধতা বাড়তি খেলোয়ার হিসেবে ফাউল করলেন ।'' ---- বুঝলাম মনজুরুল হকের মতো আপনারও আমার নাকটাকে নোংরা এবং লম্বা মনে হচ্ছে।মাঠে ছোট বেলায় ক্রিকেট বা ফুটবল খেললে বেষ্ট ইলেভেন এ না থাকলে খেলতে পারতামনা, দু:খিত বুঝতে পারিনি যে এখানেও আলোচনায় অংশগ্রহন করতে হলে 'বেষ্ট ইলেভেন' এ থাকতে হয়।বেষ্ট ইলেভেন এর খেলোয়াড়দের সুবিধার্তে উইথড্র করে নিলাম নিজেকে আলোচনা থেকে।এটাই শেষ মন্তব্য।

বাড়তি খেলোয়াড় হিসেবে ফাউল সন্ক্রান্ত:

আমার প্রথম মন্তব্যটাতেই হয়তো ভুল বোঝাবুঝির সৃষ্টি হয়েছে।মন্তব্যটা স্যাটায়ারিক।এখানে আমার রাষ্ট্রের অখন্ডতার প্রতি আমার আনুগত্যকেই আমি বুঝিয়েছি, এবং এ ব্যাপারে আমার মধ্যে কোন সংশয় নেই।উপস্থাপনাটা ঠিক হয়নি স্বীকার করছি।সেজন্য দু:খিত আপনার কাছে, মঞ্জুরুল হকের কাছে সর্বপরি লেখকের কাছে দু:খ প্রকাশ করছি তার স্পেস নষ্ট করার জন্য।আর বাকী সব মন্তব্য গুলোতে আমি যে জিনিসটি বলতে চেয়েছি তা হলো:

-স্বাধিকার, স্বায়ত্ত্ব শাসন, স্বাধীন জুম্ম ল্যান্ড কোনটি আপনারা (আমি 'আপনারা' বলতে যাদের সাথে এই আলোচনায় মত পার্থক্য ঘটছে, তাদের বলছি) চাচ্ছেন? এক দিকে বলছেন রাষ্ট্রের খন্ডতা আপনাদের কাম্য নয় অন্যদিকে দু-তিন ধরনের দাবীর অস্তিত্ব দেখতে পাচ্ছি, যার কোনটিতে আবার রাষ্ট্রের খন্ডতা বজায় থাকেনা।

-কাদের চাওয়া চাচ্ছেন? ৪০% চাকমাদের চাওয়া নাকি ৬০% অন্যান্য পাহাড়ীদের চাওয়া? আসলেই জানেন তারা কি চায়? নাকি শুধু শ্রেণী সংগ্রামের স্বপ্নই আপনাদের এই চাওয়ার অবতার? এই 'চাওয়া' টা নির্দিষ্ট করতে হবে 'আসল চাওয়া' কি? রাগ ইমন, আপনি যেমন গল্পের এক দিকের বিপদ নিয়ে ভিডিও দিয়েছেন, আমি ঠিক একই বক্তব্য দিয়েছি উপরে একটি আলোচনায় সমাজ গবেষনায় 'অবজেকটিভিজম' এর গুরুত্ব নিয়ে।শুধু পরিবশেনটা ভিন্ন।আপনার ভিডিওতে চিমান্ডা যেমন বলে 'আফ্রিকার গল্প যদি তাদের ব্যর্থতা দিয়ে শুরু করি, তাহলে এক রকম হবে আর যদি ব্রিটিশ কলোনিয়ালিজম দিয়ে শুরু করি তাহলে আরেক রকম হবে অথবা তীর ধনুক নিয়ে নেটিভ আমেরিকানদের নিয়ে গল্প শুরু করলে এক রকম হবে আর যদি ব্রিটিশ ইনভেশন দিয়ে শুরু করি আমেরিকার গল্পটা অন্য রকম শোনাবে'।আমার অবজেকটিভিজম সেকশনেও আমি তাই বলেছি, 'আমেরিকানদের দাঁত মাজাটাকে যদি ভালো মতো বুঝে নিরপেক্ষ ভাবে বর্ণনা করতে চান, তাকে 'দাঁত মাজা'ই বলতে হবে আর যদি তা না করে নিজেদের আবেগী স্বপ্ন/রং দিয়ে ব্যাখ্যা করতে চান তবে 'Nacirema দের বডি রিচুয়্যাল' হবে'।তাই 'আসল চাওয়া' টাকে নির্ধারণ করার উপর গুরুত্ব আরোপ করেছি।ফাউল আর কোথায় করলাম বুঝতে পারছিনা, তবে স্বেচ্ছায় লাল কার্ড বরণ করে নিলাম।

@মনজুরুল হক: আপনার সাথে আমার হাজারো মতভেদ থাকতে পারে, কিন্তু আপনি আপনার অজান্তেই আমার পরম শ্রদ্ধেয়জন এবং তার জন্য শুধু একটি কারনই যথেষ্ট।আসলে 'বাড়তি খেলোয়াড়ের' যে ধারনাটা আপনি বা রাগ ইমন লালন করেন সেটা সম্পকে আমি ওয়াকিবহাল ছিলামনা, তাই এত ব্যতয়।আপনি আমায় যে ভাবে ব্যক্তিগত আক্রমণ করেছেন, আমি বিষয়গত দিক থেকে তা মোকাবেলা করার চেষ্টা করেছি।যদি তাতে আপনাকে আঘাত দিয়ে থাকি, ক্ষমা চাইছি, কিন্তু আপনার অষ্পষ্ট দৃষ্টিভঙ্গীর সাথে একাত্মতা প্রকাশ করছিনা।আর আমি কারও মন্তব্য কপি পেষ্ট করিনি (সেই মন্তব্য স্তব্ধতা বারে বারে পেস্ট করার পরও), বার বার তো নয়ই।আমি আমার মন্তব্য একবারই করেছি, আপনি সেটাকে পেষ্ট করেছেন দু'বার (অবশ্যই আলোচনার সুবিধার্তে)।এবং সেটা আমারই মন্তব্য, হয়তো রাগইমনের সাথে মিলে গেছে, তার এইরকম একট/দু'টো মন্তব্য আমি দেখেছি আরেকটি পোষ্টে, কিন্তু সেটা দেখেছি এই পোষ্টে আমার মন্তব্যের পরে।আর সাদৃশ্যপূর্ণ ভাবনা থাকতেই পারে, তার মানেই কপি পেষ্ট না, হলে সেই দোষে সবাই দুষ্ট হতেন।দু:খজনক যে আপনি আমার একটি মন্তব্যকেই হাইলাইট করছেন।এটা অনেকটা আমাদের রাজনীতিবিদদের খেলার তরিকা।আর আপনার আলোচনায় বিষয় বস্তুর যৌক্তিক উপস্থাপনার চেয়ে আবেগী উপস্থাপনাটাই বেশি নজরে পড়ে, এটা নিয়ে হয়তো কিছু বলা যেতো, বলছিনা, এবং আবারও ক্ষমা চাইছি, যদি আঘাত দিয়ে থাকি।

@লেখক:

-''আপনার কথাগুলো আইনী ফ্রেমের মধ্যে দেখা তর্ক। কনষ্টিটিউশনাল আইনের চোখে দেখলে একথা গুলো সঠিক মনে হবে।
কিন্তু এটাই সব কথা নয়।''----আমি কোন আইনী ফ্রেমের ভেতর দিয়ে দেখতে চাইনি, সেরকম করে বলিওনি।আমি শুধু কয়েক রকমের 'চাওয়া' র উদাহরন দিয়েছি।আমার কথা স্পষ্ট।আমরা যেটাকে 'চাওয়া' বলছি আমরা তাদের 'চাওয়া' টাকে ঠিকমতো বুঝতে, পড়তে ও শুনতে পারছিনা কিনা ঠিক মতো।সাতকোটি বাঙ্গালী যখন স্বাধীনতা চেয়েছিলো তখন এই বাংলায় এই ডাক শুনতে কষ্ট হয়নি, কিন্তু ৬০% অ-চাকমা পাহাড়ী অধিবাসীদের 'চাওয়া'টা কি আমরা শুনতে পেরেছি? চাহিদা অনুযায়ী প্রাপ্তি না ঘটলে কিন্তু সে প্রাপ্তি আস্তাকুঁড়ে পর্যবসিত হবে।

-''এগুলো নিয়ে বড় পরিসরে আলাপ করতে পারলে নিজেকে আরও পরিস্কার করতে পারতাম।''---- সেই অপেক্ষায় রইলাম।

আপনার এই পোষ্টে এটাই আমার শেষ মন্তব্য।তবে আপনাদের আলোচনা পড়তে আসব।

ধন্যবাদ।
২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ দুপুর ২:৩৭

লেখক বলেছেন: আপনার দেখাটা সঠিক। কিন্তু এটা কনষ্টিটিউশনাল আইনের মধ্যে বিচার। এই আইনী টেবিলে বিচার আর রাজনৈতিক টেবিলে বিচার এক নয়। এটাই আমার সারকথা।
এটা বলছি না যে আপনি "কোন আইনী ফ্রেমের ভেতর দিয়ে দেখতে চেয়েছেন, সেরকম করে বলেছেন" - ঐ ক্যাটাগরিতে ফেলেছি আমি।

সারকথাটা বলে রাখলাম কেবল, পরে বিস্তারিত অনেক কথা বলতে হবে, জানি।

ধন্যবাদ আপনাকে।

৬০. ২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ ভোর ৫:৪৫
মনজুরুল হক বলেছেন:
@রাগ ইমন।
স্বার্থ যেখানে দেশ ও দেশের মানুষ

আপনার এই কথাটুকুর শানেনাজুল যা তা আমারও কথা। তবে আমি শুধু গড়পড়তা মানুষ নিয়ে ভাববার সময় প্রাধান্যে আনতে চাই গরিব মানুষ/গতর খাটা মানুষ। সেখানে আপনার সাথে আমার বিরোধের জায়গা আছে। থাকবে।

পাহাড়ে শান্তি আসুক এটা সবাই চাই। এই চাওয়ায় কোন ভিন্নতা নেই। তবে শুধু চাইলে তো আর সব কিছু মেলে না। এটাও মিলবে না যতদিন পাহাড়ে সেনা উপস্থিতি থাকবে। আমার দেশের সেনা বলে বলছিনা, যে কোন দেশেরই সেনা। সেনা উপস্থিতি বিশ্বের কোথাও কোনদিন শান্তি আনতে পারেনি। পারবেও না। এই অপ্রিয় সত্যটি বুঝতে হবে।

আমার উঠোনে সেনা মানেই আমাকে "অপরাধী" ধরে নেওয়া। বলতে পারেন পাহাড়ের সেটেলারদের বেলায়ও এটা ঠিক কি-না? সেই বিতর্ক আপাতত তোলা থাকুক।
২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ দুপুর ২:৩৮

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ মনজুরুল হক।

৬১. ২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ ভোর ৫:৫৩
রাগ ইমন বলেছেন: স্তব্ধতা ,

আপনিও ভুল বুঝলেন। আপনার এই ভুল বুঝার দায় নিজের কাঁধে নিয়ে ক্ষমা চাইছি । কথাবার্তা ঠিক মত বলতে না পারার দোষে তো আমিও দুষ্ট!

" বাড়তি খেলোয়াড়ের" একেবারেই অন্য রকম মানে করে ফেলেছেন। আমি বুঝিয়েছি , তখন পর্যন্ত মারামারিটা মনজু এবং মুন্সী ভাই এর ভেতরেই সীমাবদ্ধ ছিলো । আপনি যেটাকে ফুটবল ভাবছেন ( আমারই ভুল , ফাউল শব্দটা ব্যাখ্যা করা উচিত ছিলো) আমি সেইখানে বক্সিং এর উদাহরণ দিচ্ছিলাম । নিশ্চয়ই জানেন , বক্সিং এর রিং এর ভিতর তৃতীয় কেউ ঢুকে পড়লে তাকে বাড়তি খেলোয়াড়ই ধরা হয়।


বুঝলাম মনজুরুল হকের মতো আপনারও আমার নাকটাকে নোংরা এবং লম্বা মনে হচ্ছে।
----- এই কথাটা বলে খুব অন্যায় করলেন।

অন্য কারো বলা কোন কথা আমার মুখে বসিয়ে দিয়ে তারপর দোষ দেওয়া ও বিচার করাটা উদোর পিন্ডি বুধোর চেয়েও খারাপ । অনেকটা " গিভ এ ডগ এ ব্যাড নেম এন্ড হ্যাং হিম" এর সামিল ।

খুব খারাপ লাগলো আপনার এই কান্ডটা । যা আমি আপনাকে বলিনি তার দোষ আমার উপরে চাপানো একেবারেই ঠিক নয়। আর এইটাও ঠিক নয় ভাবা যে আপনাকে যে যা বলছে তার সব কিছুর সাথে আমি একমত!

আমি শুধু আপনাকে এইটুকুই দোষ দিয়েছি , যে অলরেডি উত্তপ্ত আগুনে আরেকটু উত্তেজনা ঢেলে না দিয়ে আপনি " মনজু এবং মুন্সী " এই দুইজনের মারামারিটা থামানোতে ভূমিকা রাখতে পারতেন। উত্তেজনার বিপরীতে আপনাকে যেই কথা গুলো বা শব্দগুলো সহ্য করতে হয়েছে , সেই শব্দ গুলো আপনার পাওনা ছিলো না মোটেই।

প্রতিবাদ করিনি, সেই জন্য আরেকবার ক্ষমা চাইছি।
২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ দুপুর ২:৪০

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ রাগ ইমন।

৬২. ২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ ভোর ৬:০৫
রাগ ইমন বলেছেন: স্তব্ধতা ,

১ম মন্তব্যটা ছাড়া আপনার বাকি আলাপ আলোচনার সাথে " ফাউল করার" কোন রকম সম্পর্ক নেই। আপনি নিজেও যথেষ্ট আবেগী মন্তব্য করলেন এবং আবেগ আক্রান্ত হয়েই পোস্টে বিদায় ঘোষণা করলেন, তাহলে আর মনজুরুলকে দোষ দেন কি করে?

দুই জনেই চরম আবেগ দেখাচ্ছেন ।

১ম মন্তব্যের পরে আপনার আলাপ আলোচনা ও ট্যাকল দেওয়ার পদ্ধতি নিয়ে মার কোন অভিযোগ নেই । আমি বরং আপনার আলাপ ও তথ্য উপস্থাপনকে খুবই উপভোগ করেছি , এই পোস্টে , অন্যান্য পোস্টেও ।

আমাদের ভিতরে ভুল বুঝাবুঝি , মান অভিমান হতেই পারে । তাই বলে কথা বন্ধ হয়ে যাবে কেন?

দুঃখিত , আমি আপনার কিংবা মনজুরুল এর মত এই পোস্ট , সেই পোস্ট থেকে সহজে বিদায় নিতে চাই না। আমি আপনাদের তিন জনের পোস্টেই যাব। মন্তব্য করবো । আলোচনা করবো। আপনাদের কারো উপরেই আমার কোন রাগ বা অভিমান নাই । আমার উপরে আপনাদের কারো থাকলে আষা করছি তা জানাবেন এবং নিজ গুণে ক্ষমা করে দিবেন।

অবশ্য আমার একটা সুবিধা আছে । আমি আপনাদের মধ্যে সবচেয়ে ছোট B-)) B-))

সার্টিফিকেট কিন্তু দেখাইতে পারবো না। :-B :>
২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ দুপুর ২:৪৭

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ রাগ ইমন।

৬৩. ২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ ভোর ৬:২৫
মনজুরুল হক বলেছেন:
রাগ.ই বলছেন-
"দুঃখিত , আমি আপনার কিংবা মনজুরুল এর মত এই পোস্ট , সেই পোস্ট থেকে সহজে বিদায় নিতে চাই না। আমি আপনাদের তিন জনের পোস্টেই যাব। মন্তব্য করবো । আলোচনা করবো। আপনাদের কারো উপরেই আমার কোন রাগ বা অভিমান নাই । আমার উপরে আপনাদের কারো থাকলে আষা করছি তা জানাবেন এবং নিজ গুণে ক্ষমা করে দিবেন।"

গুড গুড! আমি কশ্মিন কালেও বলিনি; এই পোস্ট থেকে বিদায় নিচ্ছি! যেটি থেকে বিদায় নিয়েছি সেটির প্রসঙ্গ আর না তুলি। সেটি পিঠ চুলকানী আর অসত্যে এতটাই ভারাক্রান্ত যে টোকা দিলেই হুড়মুড়িয়ে বালির বাঁধের মত ভেঙ্গে পড়বে।

এটা আপনাকে মানতেই হবে; মনজুরুল হক কোথাও আগ বেড়ে শুরু করেনি। শুরু হওয়ার পর আত্মনক্ষার তাগিদে আপনার ভাষায় "রেগে বোম্" হয়েছে মাত্র!
২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ দুপুর ২:৪৮

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ মনজুরুল হক।

৬৪. ২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ ভোর ৬:৫৮
শয়তান বলেছেন: খিকজ । রিফাতহাসান ছাগুর রোগে দেখি আপনারেও ধর্ছে ।

ভালু ভালু । স্বমেহন চালাইতে থাকেন । গতি তো জানাই আছে :) সবাই দেখছেও
২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ দুপুর ২:৫১

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ শয়তান।

৬৫. ২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সকাল ৭:০১
সমাজ্ঞী বলেছেন: এইহানে দেহি ব্যপক ক্যাচাল পরতে পড়তে আমার এক ঘন=টা কাইয়া ফেলাল।
তয় মুন্সী সাব, আপনি তো দেহি আজিব মানুষ ভাই,
২৭ লমবরে, একজন কইল মাইনাস দিলাম আপনি কইলেন দন্যবাদ
৪৪ লমবরে, কতক বকাঝকা কইরা কইল মাইনাস আপনি কইলেন দন্যবাদ
৫২ লমবরে হেই একইজন আবার আকথা কইল আপনি কইলেন দন্যবাদ
৫৩ লমবরে আরো মজার তামসা টিউন বাজাইয়া বাজাইয়া মনের রাগঝাল বাহির করিল আপনি উনারেও কইলেন দন্যবাদ।
৫৪ লমবর ব্যপক মজা দ্যাখতাছে কইল আপনি কইলেন দন্যবাদ

আপনি দেহি সবটিরে দন্যবাদ দেন, যেইটা আপনারে দেখতে পারেনা, গালমন্দ করে হেইটারে বেশি বেশি কইরা দন্যবাদ দেন।

এইবারে দেহি আসল খেলা, ৫৩ লমবর আপনেরে ধুয়ে ফেলাইয়া আপনার দন্যবাদ লইয়া বাড়িত গেলো, ফিইরা আইসা ৫৪ লমবররে কেন দন্যবাদ দিয়া হইল হেই লইয়া তুলকালাম বাধাইয়া আপনের উপর ঝাপাইয়া পরিল।

সবটিরে আফনে গাল খাওনের পরেও দন্যবাদ দিতাছেন আর হেই দন্যবাদ দিবার কারনে কাফফারা হিসাবে আবারো গাল খাইতাছেন।

তয় দন্যবাদের এই আজিব কারবারের জইন্যে আমার দন্যবাদ কারে দিমু? ৫৩ লমবরে দিতে চাই কিন্তুক ডর করে। যদি আমার দন্যবাদ টার জন্য এইবার আবার আপনের গাইল দিতে আহে।

তার চে জাই গা। এই মজমার আসরের লোকজন ঠিক নাই। টাল বুঝা ভার। যাইগা।
২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ দুপুর ২:৫৩

লেখক বলেছেন: দন্যবাদ।

৬৬. ২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১২:০৩
হাসান শহীদ ফেরদৌস বলেছেন: যদিও আমার এখনও বিশ্বাস একটা সৎ ভুমি কমিশন দেয়ে সমাধান খুজে পাওয়া সম্ভব। এর পূর্বশর্ত হলো, একটা সৎ ইচ্ছার রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত নেয়ার ক্ষমতা, সক্রিয় এক রাজনৈতিক দলের। এই সমস্যার ভয়াবহতা উপলব্দি করার মত দল। এই দলের জায়গায় আওয়ামী লীগ, বিএনপি কাউকে দেখি না।

---

একমত। এই কথাগুলাই কেউ শুনতে চায় না, সমস্যা জিইয়ে রাখতে চায়।
২৭ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ ভোর ৪:৪৯

লেখক বলেছেন: আপনার ভাবনাটা আপনি না ভাবলে আপনার ভাববার কথা অংশটা, অন্যে সেটাও ভেবে ফেলবে এবং আপনাকে তা ঘাড়ে ধরে মেনে নিতে বাধ্য করবে; অন্যের চাপিয়ে দেয়া সমাধান আপনি অনুসরণ করতে বাধ্য হবেন। এতে ঘটনা যেদিকে যার পক্ষেই ঘটে চলুক আপনি আর তখন নিজে ঘটনা ইতিহাসের কর্তা নয়, ঘটে যাওয়া ঘটনার পিছনে পিছনে সারা জীবন দৌড়াবেন, আর হাহাকার করবেন।

একটা সিনেমার মুল ম্যাসেজটা ছিল এটা। গল্পকার ভিলেনের মুখ দিয়ে নায়ককে এই ডায়লগটা শুনিয়েছিল, নায়কের অযোগ্যতা প্রমাণ করেছিলেন।
রাম গোপাল ভার্মার এই হিন্দী ছবির নাম ROAD।

সেজন্য সমস্যা জিইয়ে রাখতে চাওয়াটা শেষ কথা নয়, ওখানেই সব থেমে থাকে না। আমরা না ভাবলে তৃতীয় কেউ আমাদেরটা ভেবে আমাদের বাধ্য করবে। আমরা ঘটনার পিছনে দৌড়াব আর আমাদের ক্ষেত্রে সেই ঘটনার নাম সম্ভবত এথনিক ক্লিনজিং। হাতে রক্তের দাগ লাগা সেই খন্ডিত বাংলাদেশে সদস্য হতে কার কার গর্ব লাগবে আমি জানি না। জুম্মল্যান্ডের সদস্যদের হাতেও রক্ত লেগে থাকবে, কেউ বাদ যাবেন না। কেবল বুঝি এটা ১৯৭১ নয়, ২০১০ সাল; এখন হেগে একটা কোর্ট বসেছে বলে খবর পাই। ঐ কোর্টের কাঠগড়ায় বাংলাদেশি পক্ষে বেশিরভাগ সদস্য থাকবেন - সেনা সদস্য।
সোভিয়েত ইউনিয়ন ভেঙ্গে গিয়েছে বলে নব্বুই এর দশকের পর দুনিয়ায় সব নদীর প্রবাহ থেমে যায় নাই, সবার অলক্ষ্যে নদী সব বহমান আছে। যদিও আগের মত নয় অন্যভাবে ঘটনায়। আমাদের অনেকে আছেন, যারা তাদের চিন্তাকে নব্বুই এর দশকে থামিয়ে রেখেছেন, প্রবাহমান ঘটনার সাথে আপডেট করেন নাই - এই পুরানো অভ্যস্ত চোখে ২০১০ সালের বৈশিষ্ট ধরা পড়বে না, পড়ার কথা না; কোনই কারণ নাই। এই চোখে দেখে কেউ চাইলে - আমি এক অবিপ্লবী, শত্রু, জুজুর ভয় দেখাচ্ছি মনে করে - আমাকে উপেক্ষাও করতে পারেন। কোন অসুবিধা নাই। মনে করে নিলেন, কারও স্বাধীন হয়ে যাওয়া দেখে হিংসায়, শঙ্কা দেখা লোক তো জুজুর ভয়ই দেখায়।

তবে কথা হলো, বালিতে মুখ গুজে প্রলয় ঠেকানো যায় না।

ভাল থাকবেন।

৬৭. ২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ৮:০৫
প্রতিদিন রিটার্নস বলেছেন: হাহাহা। মনজুর ভাইয়ের মন্তব্যে একই সাথে আহত হলাম এবং মজাও পাইলাম। যাই হউক, আহত হৈলেও বড়জনরে সম্মান করা লাগে। নিজ দেশের ব্যাপারে দীপঙ্করের ভণ্ডামির চিত্র দেখেছি বইলাই তারে ঐ প্রশ্ন করসিলাম। ওর আরো দুইটা নিক এবং ঐ নিকের লেখা-জোখা ও মন্তব্যসমগ্র খুঁইচা দেখলেই বুঝবার পারবেন। মুনসিজি সত্যই কয়েছেন যে, সঠতার (এমন কি ওদ্দত্যেরও, এটি আমার কথা) একটা সীমা থাকা দরকার।
২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ৮:১৯

লেখক বলেছেন: প্রতিদিন রিটার্নস,
আমার মনে হয় এগুলো নিয়ে অনেক হয়েছে।
এখন আমরা প্রসঙ্গে মনোযোগ দেই।

অনেক প্রসঙ্গ নিয়ে কথা বলতে হবে আমাদের।
ধন্যবাদ।

৬৮. ২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ৮:২৬
প্রতিদিন রিটার্নস বলেছেন: আর হাঁ, মুনসিজি আপনে পোষ্টের শেষ দিকে আইসা আলসেমি চর্চা করতেসেন। এইভাবে সব্বাইরে ধইন্যবাদ দিলেতো মনজুর ভাইয়ের মতো মুরুব্বিরা মাইণ্ড খাইতে পারেন। :) সিদ্ধার্থল পোষ্টে বলেছিলাম: ত্রিশঙ্কুর বয়সের লগে এইরম হালকামো ভাব যায় না। লেখায় প্লাস। এইতেই মনজুর ভাইয়ের বন্ধুর বিরুদ্ধে কথা কওয়া হৈল বলে তিনি এখানে রায় দিলেন: এই নিকটি কি বলতে চান, কিভাবে বলেন তা সিদ্ধার্থ আনন্দর পোস্টে দেখেছি।

দীপঙ্করও মনজু ভাইয়ের বন্ধু হৈতে পারেন। সম্ভবত মুনসিজি আপনেও। এইরম বন্ধুবিলাসে আলোচনা ভাইসা যাওনের সম্ভাবনা আছে। আর মনজু ভাইয়ের যে কোন বিষয়ে আলাদা একখান রোগ আছে। সেইটা হৈল ভুলেও হঠাৎ কেউ যদি মুসলমান কমিউনিষ্ট মনে করে মনজুর ভাইরে- (এই মুসলমান কমিউনিষ্ট জিনিসটা কী আমিও জানি না)- তাই দিল খুইল্যা আলোচনা করেন না- চিন্তারে চিন্তা করবার আগেই স্টপ কইরা দেন।
২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ৯:০৩

লেখক বলেছেন: আপনি আমার কথা শুনছেন না।
আমার পোষ্ট আমার মুল বক্তব্যের বাইরে আপনার অন্য কোন আলোচনা অনাকাঙ্খিত।

চাইলে নিজে পোষ্ট দিতে পারেন। এখানে নয়।
আপনাকে আবার এভাবে এখানে দেখতে চাচ্ছি না। দয়া করে ফিরে আসবেন না।
ধন্যবাদ।

৬৯. ২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ৮:৩০
প্রতিদিন রিটার্নস বলেছেন: আর একটু-

* (মনজু ভাইকে) এমনকি নিপীড়কের বিরুদ্ধে কথা কইবার আগেও নিপীড়ণ পূর্ণভাবে ধর্ম নিরপেক্ষ লোকের বিরুদ্ধে হৈতেসে কি না- তাহা অত্যন্ত অত্যন্তই ভাইবা নিতে হয়।
২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ৯:১০

লেখক বলেছেন: আগের মন্তব্য দেখুন, ধন্যবাদ।

৭০. ২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ৯:২৬
প্রতিদিন রিটার্নস বলেছেন: দুঃখিত জনাব পি মুনসি, অনুগ্রহপূর্বক আমার পরপর ৩টি মন্তব্য অতি অবশ্যই মুইছা দেবেন।

মন্তব্যগুলা পরপর কম্পোজ কইরা যাচ্ছিলাম। প্রথম মন্তব্যর উত্তর যে আপনের সাথে সাথেই দেওয়া হৈ গেছে এবং তাতে আপনের বক্তব্য কোনটাই খেয়াল করি নাই।
২৭ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ ভোর ৪:৫৪

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ প্রতিদিন রিটার্নস।

আমার কথায় সাড়া দিতে পেরেছেন। ভাল লাগছে।
কোন কিছুই মুছার দরকার নাই।
আপনি তো আপনার মনোভাব পরিস্কার করে নিতে পেরেছেন। আমি নিশ্চিত সবাই আপনাকে বুঝবে।

৭১. ২৭ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ৩:১৩
সেতুমিআমি বলেছেন:

ইউএনডিপির কার্যক্রম তাহলে এ পাঁয়তারারই প্রক্রিয়া। ধর্মীয় ইমোশানকে কাজে লাগিয়ে ডিসপিউট ল্যান্ডে ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান নির্মাণ করা থেকে শুরু করে ধর্মান্তরিতকরণের তৎপরতা ইত্যাদি এ লক্ষ্যেই আগুয়ান।


ফলাফল যদি কিছু হয় সেটা হবে আপনার মতো মানুষদেরকে সাধারণকে সচেতন করে তোলার কাজটা করা। এটা হবে খুবই গুরুত্বপূর্ণ কাজ এই মুহূর্তের জন্য। যদি এটা হয় সংগঠিত প্রক্রিয়ায় তাহলে তো সোনায় সোহাগা।
আসলে এর কোনো বিকল্প নেই।

লেখাটা পড়ে খুবই ভালো লাগলো। অশেষ শুকরিয়া।


তবে 'ব্লু হেলম্যাটে'র বাইরে কিন্তু এখানকার সেনা অফিসাররাও বাদ যাবে না। তারা ওখানে গিয়ে নেপথ্যে নায়ক সেজে নিজেরাই জমির তেজারতি, দালালী নিয়ন্ত্রণ করছে। বাইরের ইন্ধনকে রাষ্ট্র নিজেই নিজের বিরুদ্ধে কাজে লাগাচ্ছে বুঝে কিংবা না বুঝে। তাহলে আর কী থাকলো!!

কী অদ্ভূত তামাশা চলিতেছে এই মহা সম্ভাবনার দেশে।

আপনার লেখা পড়ে আরেকটি বিষয় মনে পড়লো- ঐখানকার পাহাড়টা নিয়া কতো রকম ইস্যু নিয়া কতোরকম খেলা হইছিলো তার ইয়ত্তা নেই। এখন আবার নতুন খেলা শুরু হইয়া গেছে। এক্কেবারে নতুন খেলা। মানে-

"পাহাড়ি মানুষের ভুমি অধিকারের আকাঙ্খার মানে হলো, পাহাড়ি এলাকায় কোন সমতলী বসবাস করতে পারবে না। অর্থাৎ বৈধভাবে পাহাড়ি-সমতলীর সহবস্হান কোন সম্ভাবনা যেন না থাকে। সহবস্হানের সমস্ত শর্ত যেন শেষ করে ফেলা যায়।"

"একমাত্র এই দাবি আকারে ইঙ্গিতে জোরালো প্রচারে প্রতিষ্ঠা করা মানেই বিচ্ছিন্ন হওয়ার দিকে পরিস্হিতিকে ঠেলে দেয়া সম্ভব করে ফেলা।"

তার মানে ইতিহাসে সমান্তরাল একাট্রা কোনো কিছুই নাই। পরিবর্তিত পরিস্থিতির দ্বন্দ্বে তার স্বরূপ স্পষ্ট হয়ে ওঠে।

ভালো থাকুন।




২৭ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ ভোর ৫:২২

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ সেতুমিআমি।

ইউএনডিপির প্রোগ্রাম সম্পর্কে আপনার ধারণা, ফ্যাক্টস ও জানাগুলো একটু বিস্তারে যদি পাঠকের সাথে শেয়ার করতে পারতেন তবে আমার মনে হয় খুব ভাল হত। যদি পারেন ভেবে দেখবেন।

ভুল বুঝাবুঝি হতে পারে এমন একটা দিকে বিনীতভাবে আপনারসহ সব পাঠকের দৃষ্টি চাইব।
আপনি মন্তব্যে যেখানে আমার মুল পোষ্ট থেকে কোট করেছেন -

" পাহাড়ি মানুষের ভুমি অধিকারের আকাঙ্খার মানে হলো, পাহাড়ি এলাকায় কোন সমতলী বসবাস করতে পারবে না। অর্থাৎ বৈধভাবে.........."

মুল পোষ্টে এখানে বাক্যের শুরুতে একটা "যেন" শব্দ ছিল। কোটেশনে তুলে আনার সময় শব্দটা বাদ পড়ে গেছে। শব্দটা বাদ থাকলে মানে অদলবদল হয়ে যাবে। বাদ পড়া "যেন" শব্দ ফিরে বসিয়ে নিলে দাড়াবে -
" যেন পাহাড়ি মানুষের ভুমি অধিকারের আকাঙ্খার মানে হলো, পাহাড়ি এলাকায় কোন সমতলী বসবাস করতে পারবে না। অর্থাৎ বৈধভাবে.........."।

সবাইকে মনোযোগের জন্য ধন্যবাদ।


৭২. ২৭ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সকাল ৭:৫৬
কথেবিডি বলেছেন: এইসব প্রপাগান্ডা টপাগান্ডা নিয়ে বাতচিত না করে, আপাতত পাহাড়ে গাছ কাটাই সামিল হই। এইসব তত্ত্ব ফত্ত্ব বাদ দিয়ে চলেন, সবাই পাহাড়ে যাই। সবাই মিলে গাছ উপরিয়ে ঘাস লাগিয়ে আছি। ভয় কিছের ১৫ কোটি মানুষের দুইটা হাতে দুইটা গাছ উপড়াইয়ে ফেললে তো পাহাড় আর থাকবে না আর পাহাড় না থাকলে পাহাড়িও থাকবে না, পাহাড়ি না থাকলে ভারতও এইসব ন্যাংড়া পাহাড়ও নিতে চাইবো না, আর ই ইউ ও পাহাড়ি গো স্বাধীন করার স্বপ্ন থাকবে না।
চল চল পাহাড়ে চল!
চল চল পাহাড় চল!
পাহাড়ে পাহাড়ে সুন্দর সুন্দর ঘাসের কার্পেটিং করবো, আহারে পাহাড়িরা ঘাসের কার্পেটের নিচে শুয়ে থাকবে, জুম্মুলেন্ড এর স্বপ্ন দেখবে শুয়ে শুয়ে। আর মহাপন্ডিত এবং মহাত্মা পি মুন্শী কে দিয়ে গাছ কাটা প্রকল্পের উদ্বোধন করানো হবে।


১৫ কোটি নিয়ে চিন্তা করতে গিয়ে কয়েক লাখ ( টাকা ) মাইনাস হলেও তেমন ক্ষতি নাই। সুতরাং সংখ্যা এবং অঙ্ক নিয়ে যাদের চিন্তা তাদের কাছে ডিজিট টা তো একটা ব্যাপার বৈকি।

আরেকটু বলি, অনেকেই জায়গা সম্পত্তি নিয়ে বেশ চিন্তিত, কিন্তু জমি জমার হিসাব করতে গিয়ে উপমানু দের কথা কেউ চিন্তা করে না।

ভাইজান তোই আপনার এই শুকনো কথাই চিড়ে ভিজবে না, দেশে সমাজতন্ত্রও আসবে না আর তেনাগোও শেষপর্যন্ত থাকা হবে না। এত্ত এত্ত মানুষ যামু কই, তাই পাহাড়িগো রাইখা ঝামেলা কইরা লাভ কি।
২৭ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ দুপুর ২:৪৭

লেখক বলেছেন: ১. আপনার এই একই মন্তব্য সব জায়গায় কাটপেষ্ট করে প্রায় সবার পোষ্টে দেখেছি পোষ্ট করে চলেছেন গড় দু-তিন ধরে - এটা বিরক্তকর জায়গায় নিয়ে গেছেন।
২. আপনি আমাকে "১৫ কোটি মানুষের দুইটা হাতে দুইটা গাছ উপড়াইয়ে ফেললে তো পাহাড় আর থাকবে না" অর্থাৎ আপনি একটা এথনিক ক্লিনজিংয়ের ইঙ্গিত দিচ্ছেন; মানে দেয়ার ইঙ্গিত করছেন যেন আমি পাহাড়ীদের বংশ পরিস্কার করে ফেলার পক্ষে সমাধানের কথা বলছি।
৩. আপনি ভাবছেন সরাসরি এবং প্রমাণ করে বলার দায় এড়িয়ে এক মজাদার তুল্য-সাহিত্যে আপনি আপনার বুঝ সবাইকে জানাতে পেরেছেন।
৪. ধরেন, আমি বললাম আপনি একজন খুনী। এটা একটা "কী" দিয়ে বলা কথা; আপনি কী - আমি তাই বললাম। এই বলাতে ও থেকে কিছুই মানে বের করা যাবে না, আসে যাবে না যতক্ষণ না আমি "কেন" আপনাকে খুনী মনে করলাম সে কথা যুক্তিতর্ক দিয়ে সবার কাছে গ্রাহ্য করে এমনভাবে বলতে পারব।
"কেন" দিয়ে বলা ছাড়া শুধু "কী" দিয়ে বলা কথা, ষ্টেটমেন্ট বাচালি কথা। কিন্তু তাহলে এধরণের বাচালি কথা তবু কেন রচনা করা হয়? কারণ, এভাবে কথা বলে ঘৃণা ছড়ানো যায়; মানুষের গ্রাহ্য যুক্তিতর্ক প্রমাণ না করেও এড়িয়ে, ঐ ষ্টেটমেন্ট দিয়ে সবার কাছে আপনাকে খুনি বলে আপনার সম্পর্ক নর্দমার কীটের মত একটা ঘৃণ্য ধারণা সবাইকে পৌছে দেয়া যাবে, আপনার গায়ে কালি লাগিয়ে দেয়া যাবে, ঘৃণা ছড়াতে পারবো - এটাই আমার লাভ। এটাকে বলে প্রপাগান্ডা, আর আমার এতে ঘৃণা ছড়ানোর মস্ত বড় লাভ আছে।
৫. মানুষের এই স্বভাব আত্মধ্বংসী, নিজেরই ক্ষতি করা। কারণ ওতে ধরে নেয়া আছে মানুষের বিচারবুদ্ধি বলতে কিছু নাই, তারা এই চাতুরি না বুঝে ঘৃণা ছড়ানোর এই খেলায় সামিল হয়ে মাতম তুলবে।
৬. এই ঘৃণ্য কাজটাই আপনি করছেন। "কেন" আমাকে এথনিক ক্লিনজিংয়ের এর লোক ধরে নিয়েই প্রচারে নেমে পড়লেন, ঘৃণা জড়ো করার কাজে নেমে পড়লেন কোন ব্যাখ্যা নাই, আমার লেখার কোন জায়গাটায় এমন মানে আছে মানুষের গ্রাহ্য যুক্তিতর্ক তা দেখানোর কোন দ্বায়িত্ত্ব, তাগিদ নাই। যারা আমার লেখাটাই আগে পড়ে দেখে নাই অথবা না পড়ে সিদ্ধান্ত নিতে চায় তাঁরা সাময়িক বিভ্রান্ত হবে বটে, পরে নিজের বিচারবুদ্ধি খাটিয়ে যখন বুঝবে তখন আপনার তৈরি সমস্ত ঘৃণা আপনার উপরই উগড়ে দিবে।
৭. আপনি আমাকে "মহাপন্ডিত এবং মহাত্মা" বলে মশকরা, খোঁচা দিয়ে নিচা দেখানোর চেষ্টা করেছেন। এখন আমিও পাল্টা আপনাকে আরও খারাপ কোন একটা শব্দ ছুড়ে দিয়ে ময়লা ছোড়াছুড়ির খেলায় প্রবৃত্ত হতে পারি। কিন্তু যারা চিন্তার ক্ষমতা দিয়ে চলেন, লেখালেখি করেন ওরা এই নোংরা পথে হাটবেন না। যাদের নিজের চিন্তার ক্ষমতার উপর নিজেরই ভরসা নাই, পাঠকের বিচারবুদ্ধির ক্ষমতাকে যারা নিজের অযোগ্যতার সমান মনে করেন - এই পথই তাদের একমাত্র সম্বল।
৮. আমি কোথাও দাবি করিনি আমি সমাজতন্ত্রের লোক, এই পোষ্টেও ঘুর্ণাক্ষরে এমন কোন মানে, ইঙ্গিত নাই, প্রসঙ্গও নয়; কিন্তু "দেশে সমাজতন্ত্রও আসবে না" বলে আমার গায়ে কালি লাগিয়ে দেবার চেষ্টা করলেন আপনি। যেন কাউকে আগে গাছে তুলে না নিলে, টাঙ্গিয়ে না নিলে নিচ থেকে তাঁকে খোঁচানোর বড়ই অসুবিধা।

আমি জানি না আমার এই কথাগুলো আপনাকে মতিভ্রম কাটাতে সাহায্য করবে কী না, নাকি আরও অবুঝ দুর্দমনীয় করে তুলবে। আমার দায়িত্ত্বের অংশ আমি করলাম। বাকি ভার পাঠকের বিচারের।

আপনার সুস্বাস্হ্য কামনা করি।

৭৩. ২৭ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সকাল ৮:১১
সেতুমিআমি বলেছেন:

"যেন পাহাড়ি মানুষের ভুমি অধিকারের আকাঙ্খার মানে হলো, পাহাড়ি এলাকায় কোন সমতলী বসবাস করতে পারবে না। অর্থাৎ বৈধভাবে পাহাড়ি-সমতলীর সহবস্হান কোন সম্ভাবনা যেন না থাকে। সহবস্হানের সমস্ত শর্ত যেন শেষ করে ফেলা যায়।"

আমি খুবই দুঃখিত। মাফ করবেন।

২৭ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ দুপুর ২:৫১

লেখক বলেছেন: না না, এটা বড় কোন সমস্যা নয়, অনিচ্ছায় এমন ছোটখাট ভুল হতেই পারে।

ভালো থাকবেন।

২৭ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৩:০৩

লেখক বলেছেন: দুঃখিত, আপনার ইমোটিক দেখে আমি ভাল বুঝি নাই। মনে হচ্ছে আমাকে আরও জানতে হবে।

ধন্যবাদ আপনাকে।

৭৫. ২৮ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ ভোর ৪:০১
অভিমানী মেঘ বলেছেন: বাংলাদেশ রাষ্ট্রের জন্য নিরাপত্তা সমস্যাকে পাহাড়িরা যদি কোনদিন নিজেদেরও সমস্যা, নিজের রাষ্ট্রের সমস্যা বলে ভাবতে গ্রহণ করতে সুযোগ পায় বা নেয়, সক্ষম হয় তবে বাকী সমস্ত সমস্যার সমাধান চোখের পলকে সবাই দেখতে পাব।

- ৮ নং মন্তব্যের জবাবের এই কথাগুলোই এখন মানুষ বুঝতে চায় না
২৮ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ ভোর ৪:৪৩

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ আপনাকে।

৭৬. ০২ রা মার্চ, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:৩৮
রাতুল" বলেছেন: ২৯ তম +টা আমার। আমি দেশের বিভাজন চাইনা। চাইনা কোন স্বায়ত্বশাষন। চাই সবকিছুর মধ্য থেকে পাহাড়ী ও সেটলারদের মধ্যে শান্তিপূর্ন সমাধান! আমি সব জায়গায় বাড়ি বানাতে চাই, আমার বাড়ির পাশে ( পাহাড়ী এলাকা নয়) ও পাহাড়ীদের বাড়ি দেখতে চাই! একচোখা মত চাই না! সুশীল হতে চাই না!
০৭ ই মার্চ, ২০১০ বিকাল ৩:০৮

লেখক বলেছেন: আপনার আকাঙ্খাটা ভাল, কিন্তু আমরা বোধহয় দেরি করে ফেলছি।

" শান্তিপূর্ন সমাধানে" কেউই, বিশেষত যার দায়িত্ত্ব সবচেয়ে বেশি সেই সরকারই তৎপর এমন আমার মনে হয় না।
ভুমি কমিশনকে সক্রিয় ও তৎপর না করা মানে পরিস্হিতির অবনতি ও অন্যের হাতে তা ছেড়ে দেওয়া - কালক্রমে যা "বিচ্ছিন্নতাই একমাত্র সমাধান" এমন হয়ে দাড়াবে।

আমরা সক্রিয়, ভোকাল না হলে সুশীলরাই তো মাঠ দখল করবেই।

অনেক ধন্যবাদ রাতুল।

 

মোট সময় লেগেছে ২.৬২১২ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
পাঠ ও মন্তব্যের জন্য সকলকে স্বাগতম।
কোন পুরানো পোষ্টেও নির্দ্বিধায় মন্তব্য করতে পারেন; সাড়া পাবেন।
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই