বাঙলা ভাষার কাছে
মিষ্টির দোকান আর মোষের সংসার সবকিছু একই বিন্দুতে
জাতপাত নেই; ধুলোর কুণ্ডলী ঘিরে আমাকে সন্ধ্যার ফুল ভেবে
কিভাবে আকাশে লম্বমান ছড়িয়ে দিয়েছে। শান্তি বুকের সমুদ্রে
জলপোকা সেজে রাত বিরেতে স্বভাব ভঙ্গিমায় প্রতিবার কবিজন্ম।
আঙূরের ঘ্রাণ নির্ভেজাল এখানে যদিয়ো, সারা রাত নিদ্রারত চোখে
এক গ্রামপথ নারীর শরম উপস্থিতি হয়ে বাজে; জানি ওর আছে
কুমরো ফুলের মতো কতো সব আলো আলোর কাহিনি গাথা।
সেই নিয়ে যায় আলগোছে কুয়োতলা ভেদ করে
টিমটিমে নক্ষত্রের প্রভায় - সহসা মৎসসভায়।
কবর উঁচিয়ে মৃদুমন্দ গান হয়ে ছড়িয়ে পড়েছে
প্রপিতামহের হাড়, অন্য সব ভাষার সমাপ্তি এইখানে।
২৯/১২/০৭
প্রতিশোধ
দুধেভাতে পুষে রক্তমাংসে গড়ে হাতিঘোড়ায় চড়িয়ে
মেঘনা নদীর জলে আমাকে ভাসিয়ে মা বাংলা জননী হয়েছো।
আমি পরিবারসহ ইলিশ মাছের স্বাদ নিয়ে নিরুদ্দেশ দিগম্বর-
সীমাহীন আকাশের নীলে ঝুলে ঝুলে অদ্ভুত আঁধারব্যেপে
বানরের মাসতুতো ভাই চিরহরিৎ কলার লোভে কোন জঙ্গলে বসত গড়ি
একদিন মা বাঙলা ধনুকের ছিলার মতো টান টান করে
আমাকে শুইয়ে নাড়ি কেটে কুকুরের সামনে কেমন ফেলে দেয়।
২৬/১২/০৭
সর্বশেষ এডিট : ০৮ ই জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১:৫০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


