somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

কৌতুক ১৮+…..:):)B-)B-);););)

১৬ ই আগস্ট, ২০১১ দুপুর ২:২৯
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

১ প্রেমিকা কেন বোন?

এক ছেলে বাবাকে এসে বলছে, “আমি পাশের বাড়ির আলোর সাথে প্রেম করতে পারি?”


বাবাঃ”বাবা একটা গোপন কথা বলি,আলো আমার মেয়ে, সে তোমার বোন হয় ,তুমি অন্য মেয়ে দেখ”

কয়েকদিন পর ছেলে আবার এসে বলল “আমি কি ওই পাড়ার আঁখির সাথে প্রেম করতে পারি?”

বাবা “সেও তোমার বোন,সুতরাং অসম্ভব”

এর কয়েকদিন পর ছেলে এসে আবার বলল,”তোমার বন্ধুর মেয়ে রাখীর সাথে প্রেম করলে কোন সমস্যা?”

বাবাঃ “দুঃখজনক হলেও সেও তোমার বোন হয়”

এরপর ছেলে রেগে গিয়ে মায়ের কাছে গিয়ে বলল,”আমি যে মেয়ের সাথে প্রেম করতে চাই,সেই নাকি আমার বোন হয়।আমি কি করবো?”

মা হেসে বলল, “বাবা,তুমি যে কারো সাথে প্রেম করতে পার,কারন সে তোমার বাবা না”…


২ ক্যাপ্টেন ফ্যানটাস্টিক
জাহাজের ক্যাপ্টেন তার জাহাজ চালিয়ে নিয়ে যাচ্ছিলেন সোমালীয় উপকূলের কাছ দিয়ে। হঠাৎ তিনি দেখতে পেলেন দিগন্তরেখা পেরিয়ে ধেয়ে আসছে এক জলদস্যুর জাহাজ। কাপ্তান জোর কণ্ঠে বাদবাকি নাবিকদের বললেন, “সবাই যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত হও। আর কেউ একজন আমাকে আমার লাল জ্যাকেটটা দাও।”


একজন নাবিক ক্যাপ্টেনকে তার লাল জ্যাকেটটা এনে দিল, আর ক্যাপ্টেন চটপট সেটা পরে নিলেন। জলদস্যুরা নিকটবর্তী হলে দুইপক্ষের মধ্যে ভয়াবহ যুদ্ধ হল। ক্যাপ্টেনের দক্ষ নেতৃত্বের সামনে জলদস্যুরা চরমভাবে পরাজিত হল।

কিছুক্ষণ পরে ক্যাপ্টেন আবারো দেখলেন আরেকটা জলদস্যুর জাহাজ তেড়ে আসছে। আবারও ক্যাপ্টেন যুদ্ধপ্রস্তুতির ঘোষণা দিলেন আর তাঁকে তাঁর লাল জ্যাকেটটা দিতে বললেন। নাবিকদল, জলদস্যুদের এই জাহাজটাকেও চরমভাবে পর্যদুস্ত করলো।

যুদ্ধ শেষ হলে এক নাবিক এসে কাপ্তানকে জিজ্ঞেস করলেন “প্রতিবারই যখন জলদস্যুরা আমাদের লুটতে আসে, তখন আপনি আপনার লাল জ্যাকেটটা পরে তাদের সাথে লড়তে যান কেন?”

ক্যাপ্টেন জবাবে বললেন, “শোন, এটা হচ্ছে পুরাই একটা মনস্তাত্ত্বিক ব্যাপার। যদি আমি লাল জ্যাকেট পরে থাকি, তখন আমি যদি কোনভাবে আহতও হই, বাদবাকি নাবিকেরা তৎক্ষণাৎ সেটা বুঝতে পারবেনা। ফলে তাদের মনোসংযোগ কোনভাবেই বিচ্ছিন্ন হবেনা আর লড়াই করার তাড়না সর্বদা জিইয়ে থাকবে।”

নাবিকেরা তাদের ক্যাপ্টেনের উন্নত মনস্তাও্বিক রণকৌশল বুঝতে পারলো, আর ভীষণভাবে গর্বিত হলো এমন একজন সাহসী আর বিচক্ষণ লোকের অধীনে কাজ করতে পেরে।

এমন সময় সুদূর দিগন্তে দেখা গেল, একটা নয়, দুটো নয়, দশ-দশটা জলদস্যু বোঝাই জাহাজ। উত্তাল সমুদ্রস্রোত কেটে, খুলির নিশান উড়িয়ে, দ্রুতলয়ে সেগুলো এগিয়ে আসতে থাকলো। ক্যাপ্টেন সেইদিকে দেখে কিছুক্ষণ চুপসে থাকলেন। তারপর মাইক হাতে ঘোষণা দিলেন, “সবাই যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত হও। আর কেউ একজন আমাকে আমার হলুদ প্যান্টটা দাও।



৩ ভুলে যাও, ভালো থাক
আফ্রিকার কোনো এক দেশের এক প্রত্যন্ত গ্রামে এক খ্রিস্টান পাদ্রী একটি গির্জার প্রধান হিসেবে ধর্মপ্রচার করতেন|
আশেপাশের কয়েকশ কিলোমিটারের মধ্যে মধ্যে তিনি ছাড়া আর কোনো শেতাঙ্গ পাদ্রী ছিলনা |
গির্জার নিয়মিত কাজের পাশাপাশি গ্রামের বিভিন্ন বাড়িতে গিয়েও ধর্মের বাণী পৌছে দিতেন|
তাছাড়া অবসরে গির্জার কম্পাউন্ডে তিনি পশুপালন ও সবজি চাষ করতেন|


একবার গ্রামের এক কৃষ্ণাঙ্গ লোকের স্ত্রী একটি শেতাঙ্গ বাচ্চা প্রসব করলো|
এটা দেখে তো লোকটার মাথা খারাপ হয়ে গেল, কারণ তার আগের ১২ টি বাচ্চার সব কয়টাই কৃষ্ণাঙ্গ, এমন কি গ্রামের সবাই কৃষ্ণাঙ্গ|
আসল বিষয় বুঝতে পেরে সে পাদ্রীকে বাড়িতে দেকে তার ১৩ নাম্বার বাচ্চাকে দেখিয়ে এর ব্যাখ্যা চাইল|
পাদ্রী একটু বিব্রত হলেও লোকটিকে নিয়ে গেল গির্জার গোয়ালঘরে|
সেখানে ছিল বেশ কয়েকটি বড় কালো ছাগল আর ছাগলের ১৩ টি বাচ্চা|
১৩ টি ছাগলের বাচ্চার মধ্যে একটি ছিল একদম সাদা রঙের, বাকি গুলো কালো|
এই সাদা বাচ্চাটিকে দেখিয়ে পাদ্রী লোকটির কাছে এর ব্যাখ্যা চাইল|
লোকটি বেশ অবাক হলো, কিন্তু কিছু বলতে পারলনা|

তখন পাদ্রী লোকটিকে বলল, দেখো আমি যেমন ছাগলের সাদা বাচ্চার ব্যাপারটা নিয়ে কোনো চিন্তা না করে মেনে নিয়েছি এবং ভুলে গেছি, তেমনি তুমিও তোমার সাদা বাচ্চার ব্যাপারটা মেনে নিয়ে ভুলে যাও, ভালো থাক


১০টি মন্তব্য ২টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

বাংলা সাহিত্যে জায়গা পাচ্ছেন ওসমান হাদী

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১২ ই জুন, ২০২৬ রাত ১:১৭


সংবাদপত্র যা বলছে
জাগো নিউজের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ১০ জুন ২০২৬ শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যবই পরিমার্জন-সংক্রান্ত কমিটির এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব আবদুল খালেকসহ... ...বাকিটুকু পড়ুন

অনুকুলে নয় শেখ হাসিনা (আপা) প্রতিকুল পরিস্থিতিতেই বেশি অকুতোভয়।

লিখেছেন ক্লোন রাফা, ১২ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১০:০৪




একদিকে তিনি ঘোষণা দিয়েছেন তিনি দেশে ফিরছেন, আরেকদিকে তিনি প্রায় নিশ্চিন্ন করে দেয়া আওয়ামী লীগকে পুনর্গঠন করে ফেলেছেন! এবং সেই সঙ্গে তিনি আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও বাংলাদেশের অগণতান্ত্রিক, ভয়ঙ্কর এবং অবৈধ রাজনৈতিক... ...বাকিটুকু পড়ুন

বিএনপির আবালীপনা।

লিখেছেন তানভির জুমার, ১২ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১০:০৮

বিএনপি ৫০ হাজার নাচের শিক্ষক নিয়োগ দিতে যাচ্ছে। যার পেছনে ১০ বছরে ব্যায় হবে ১৫ হাজার কোটি টাকা। যা দিয়ে ফুল প্যাকেজ ৩০ টি জেএফ-১৭ থান্ডার যুদ্ধবিমান... ...বাকিটুকু পড়ুন

আদ্-দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিলের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করা জরুরি

লিখেছেন নতুন নকিব, ১২ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১১:২৪

আদ্-দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিলের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করা জরুরি

অন্তর্জাল থেকে নেওয়া।

রাজধানীর মগবাজারে অবস্থিত আদ্-দ্বীন হাসপাতালে ছয় নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনায় সারা দেশ শোকাহত। এতগুলো নিষ্পাপ প্রাণের মৃত্যু নিঃসন্দেহে অত্যন্ত বেদনাদায়ক... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমরা এখন কোথায় আছি, কোথায় যাচ্ছি জানিনা ?

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ১৩ ই জুন, ২০২৬ রাত ২:০৭


আমরা এখন কোথায় আছি, কোথায় যাচ্ছি জানিনা ?



আজ শুক্রবার, ১২/০৬/২০২৬ ইং তারিখ
................................................................
গিয়েছিলাম পাড়ার মসজিদে জুম্মার নামাজ পড়তে ।
সব সময়ই যাই, একটু বয়ান শুনি তারপর খুৎবা শুরু হয়,নামাজ... ...বাকিটুকু পড়ুন

×