কৌতুক ১৮+………………
তখন দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ চলছে। সাগরে আমেরিকা আর জাপানের যুদ্ধ জাহাজ যুদ্ধ করতেছে। হঠাত করে জাপানী জাহাজের ক্যাপ্টেন খেয়াল করলো আমেরিকার জাহাজ থেকে পানির নিচ দিয়া বেকায়দা স্টাইলে একটা মিসাইল ছুড়া হইছে। মিসাইল নির্ঘাত জাপানী জাহাজে আইসা লাগবো। মরা ছাড়া জাপানীদের আর কোনো উপায় নাই।
জাপানী ক্যাপ্টেন তার বৃদ্ধ সহকারীকে ডেকে পরিস্থিতি বুঝায় বললো।
ক্যাপ্টেন : আমি যথাসাধ্য চেষ্টা করবো জাহাজকে মিসাইলের পথ থেকে সরিয়ে নিতে। কিন্তু সফল হওয়ার সম্ভাবনা কম। তুমি এক কাজ করো। নিচে আমাদের যেসব সৈন্য আছে তাদের কাছে যাও। তাদেরকে মিসাইলের কথা বলো না। বরং আমি চাই এই শেষ বেলায় তুমি তাদেরকে কিছুক্ষনের জন্য হাসাও। দেশপ্রেমিক ক্লান্ত সৈন্যরা যেনো জীবনের শেষ মুহুর্তেও একটু হাসতে হাসতে মরতে পারে।
বৃদ্ধ : স্যার, আপনি কোনো চিন্তা করবেন না। আমি আমার সাধ্যমত চেষ্টা করবো তাদের হাসাতে।
বৃদ্ধ সহকারী নিচে নামলো। সৈন্যরা তাকে দেখে উপরের খবর জানতে চাইলো…
বৃদ্ধ : ঊপরের খবর ভালো, নিচের(!!!) খবর আরো ভালো।
সৈন্যরা : নিচের খবর ভালো মানে?
বৃদ্ধ : আমি যদি বলি আমার নিচের “জিনিস” দিয়ে জাহাজের এই মেঝেতে বাড়ি দিলে জাহাজটা ভেঙ্গে দুই ভাগ হয়ে যাবে, তাহলে কে কে অবিশ্বাস করবে?
সৈন্যরা : হাহাহাহা…বুড়ার খায়েশ দেখো…এই বয়সে কিসব কাপঝাপ কওন লাগছে।
সৈন্যরা হাসতে হাসতে মাটিতে গড়াগড়ি খাওয়া ধরলো।
বৃদ্ধ : বিশ্বাস হয় না?….দাড়া…দেখ তাহলে মজা….
এই বলে বৃদ্ধ হাটু গেড়ে বসে তার “জিনিস” দিয়ে জাহাজের পটাতনে দিলো এক বাড়ি। ঠিক সেই সময় মিসাইল এসে জাপানী জাহাজে আঘাত করলো। জাহাজ দুই ভাগ হয়ে ডুবতে লাগলো….
সৈন্যরা সবাই মারা গেলো। কাহিনীর প্রয়োজনে বেচে রইলো শুধু ক্যাপ্টেন আর বৃদ্ধ।
ক্যাপ্টেন : তোমাকে যা করতে বলছিলাম তুমি কি তা করছো?
বৃদ্ধ : জ্বি স্যার। আমি তাদেরকে শেষ সময়ে হাসাতে সাহায্য করেছি।
ক্যাপ্টেন : কিভাবে হাসাইছো?
বৃদ্ধ সব খুলে বললো। সব শুনে ক্যাপ্টেন বললো,
ক্যাপ্টেন : ভালো কাজ দেখাইছো। আমি অনেক খুশি হইছি যে আমাদের দেশের জন্য যারা যুদ্ধ করছে তাদেরকে তুমি শেষ মুহুর্তের আনন্দটুকু দিতে পারছো। তবে পরেরবার থেকে তোমার “জিনিস” ব্যবহারে সাবধান থাকবে। কারন মিসাইল আমাদের জাহাজের পাশ কেটে গেছে।
২প্যানটি চোর
রফিক সাহেবের স্ত্রীর প্যানটি হারিয়ে গেছে। তো উনার ধারনা হয়েছে কাজের মেয়েটি সেটা চুরি করেছে। মিসেস মি রফিক এর সামনেই কাজের মেয়ে কে বলছেঃ তুমি ছাড়া এই কাজ আর কেউ করেনি। কাজের মেয়েঃ তওবা তওবা… খালাম্মা এই কাজ আমি কখনই করি নাই। মিসেস রফিকঃ তুমি ছাড়া এই কাজ করার মত আমার বাসায় আর কেউ নেই। সুতরাং এটা তুমিই চুরি করেছ। তুমি আর কাল থেকে আসবে না। আর তুমি এই মাসের বেতনও পাবে না। এখন বিদায় হও। কাজের মেয়েঃ স্যার, ও স্যার… আর কেউ না জানুক আপনি তো জানেন আমি নিচে কিছুই পরি না !!!
৩তখন এরশাদ চাচার আমল।
বিভিন্ন গুরুত্তপূর্ণ বিষয়ে সিদ্দান্ত গ্রহণের জন্য উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন একটি জাতীয় কমিটি গঠন করা হয়েছে।
এই কমিটির কাছে কৃষি মন্ত্রণালয়ের জাতীয় ফল বিষয়ক কমিটি থেকে একটি সমস্যার সমাধান চেয়ে পত্র দেয়া হল। সমস্যাটি হল, জাতীয় ফল কাঁঠাল কোন লিঙ্গ?
অনেক গবেষণার পরও যখন কমিটি কোন সিদ্ধান্তে আসতে পারল না, তখন সবাই রাষ্ট্রপতির কাছে গেল।
এরশাদ সমস্যাটি শুনে একটু হেসে বলল, কাঁঠাল পুংলিঙ্গ, কারন কাঁঠালের বিচি আছে।
সবাই এরশাদের নামে জিন্দাবাদের শ্লোগান তুলে হৃষ্টচিত্তে ফিরে এল।
এবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জাতীয় নিরাপত্তা কমিটি থেকে আরেকটি সমস্যার সমাধান চেয়ে পত্র দেয়া হল। সমস্যাটি হল, পুলিশ কোন লিঙ্গ?
যথারীতি জাতীয় কমিটি এবারও সমস্যা সমাধানে ব্যর্থ হয়ে রাষ্ট্রপতির শরণাপর্ণ হল।
এরশাদ সমস্যাটি শুনে একটু জোরে হেসে বলল, পুলিশ পুংলিঙ্গ, কারন পুলিশের ডাণ্ডা আছে।
সবাই আবারও এরশাদের নামে জয়োধ্বনি তুলে হৃষ্টচিত্তে ফিরে এল।
এবার আইন মন্ত্রণালয় থেকে আরেকটি সমস্যার সমাধান চেয়ে পত্র দেয়া হল। সমস্যাটি হল, আইন কোন লিঙ্গ?
এবার আবারও ব্যর্থ হয়ে জাতীয় কমিটি গেল রাষ্ট্রপতির কাছে। সবাই আবারও এরশাদের নামে জয়োধ্বনি তুলে হৃষ্টচিত্তে ফিরে এল। কারন এরশাদ সমস্যাটি শুনে অট্টহাসি হেসে সমাধান দিয়ে বলল, আইন স্ত্রীলিঙ্গ, কারন আইনের ফাঁক আছে।
উৎসঃ এক বন্ধুর কাছ থেকে শোনা।
আমাদের গ্রামের গল্প!

আমাগো গ্রাম আপনারা সবাই চিনেন।
মুন্সিগঞ্জ, বিক্রমপুর। শ্রীনগর থানা। খুবই প্রাচীন অঞ্চল। অবশ্য এখন গ্রাম বদলে গেছে! ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল হয়েছে, বিউটি পার্লার, কমিউনিটি সেন্টার, শপিংমল, ফাস্টফুডের দোকান হয়েছে।... ...বাকিটুকু পড়ুন
পণ্ডশ্রম

এই নিয়েছে ঐ নিল যাঃ! কান নিয়েছে চিলে,
চিলের পিছে মরছি ঘুরে আমরা সবাই মিলে।
কানের খোঁজে ছুটছি মাঠে, কাটছি সাঁতার বিলে,
আকাশ থেকে চিলটাকে আজ ফেলব পেড়ে ঢিলে।
দিন-দুপুরে জ্যান্ত আহা, কানটা... ...বাকিটুকু পড়ুন
আপনার ATM কার্ড কি সত্যিই নিরাপদ?
আপনার ATM কার্ড কি সত্যিই নিরাপদ?
ধরুন, মাসুদ একদিন বাজার করতে বের হয়েছেন। তার মানিব্যাগে একটি Contactless Visa Card ছিল। বাজারের ভিড়ের মধ্যে একজন চোর একটি বিশেষ স্ক্যানিং ডিভাইস নিয়ে ঘুরছিল।... ...বাকিটুকু পড়ুন
ফিরে যাওয়া বলে কিছু নেই
আমি যে নদীর কথা ভাবি,
সে নদী জল নয় সময় বয়ে নিয়ে চলে।
এক পাড়ে মানুষের কোলাহল,
হাটের গুঞ্জন, ভাতের গন্ধ, সন্ধ্যার আহবান,
অন্য পাড়ে কেবল শূন্যতা,
যেন কেউ কোনোদিন সেখানে ছিলইনা।
তবু দু পাড়ই... ...বাকিটুকু পড়ুন
১০০০-তম পোস্টঃ কন্যা আপন সাজন সাজে রে
আমাকে ও রাহমিনকে এনিমেট করলে কেমন দেখাবে? এই আইডিয়া থেকেই গানটা রিমিক্স করে এনিমেটেড ভিডিও সং বানিয়ে ইউটিউবে ছেড়েছি। ছোটবেলায় মেঝ খালার বিয়েতে এই গানটা শুনেছিলাম। সবাইকে গানটি দেখা ও... ...বাকিটুকু পড়ুন

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।