আগুনলতা
১৭ ই আগস্ট, ২০০৮ ভোর ৪:০৪
৪র্থ পাঠ
জ্যোছনার অধিকার দিয়ে তুমি করেছ হরণ-এক
পালভাঙা নাবিকের নিরব নয়ন। এ কোন প্রকার
অন্ধকারে মাঝি; জ্বালিয়েছো মনের ভিতর আগুন,
বলেছিলে তুমিও এই সেই বিষ! নাম যার ফাগুন।
শহরের ফুটপাথে আচানক দাঁড়াতে হয় নিয়মতান্ত্রিকভাবে
বাবুদের সাথে রিক্সার খিস্তি ও খেউর, পথে-ঘাটে ঘটে...
কিন্তু আজ এমন বিভীষিকাময় আশ্চর্য অদ্ভুত চাঁদ
জ্যোছনার ছলনায় কেবল মৃতু্র প্রেরণা প্রদান করে।
আকাশের তরে মেঘ ছড়িয়ে তাই আমি বৃষ্টিপ্রত্যাশী
যানি, অন্ধ হোমারের ক্রন্দন কেবল কবিরাই শোনে...
হঠাৎ হাওয়ায় উড়ে গেলে! তখনতো বজ্রের গর্জনে
জড়িয়ে ধরতে আষ্ঠে-পৃষ্ঠে; কেবল কি গাছ মনে করে?
সূর্য দেখে ঘুমোতে গিয়েছি, জেগে উঠে দেখি চাঁদ
পূর্ব দেখে যায় না বোঝা পশ্চিমে কোন ফাঁদ!
লেখক বলেছেন: মহাত্মন,
আপনার প্রতিও রইল শুভেচ্ছা।
আজ
আকাশে মেঘ ছিল ঠিকই..
প্রচেত্য বলেছেন:
পূর্ব দেখে যায় না বোঝা পশ্চিমে কোন ফাঁদ! - গাড় সত্য কথা
লেখক বলেছেন: জনাব,
ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: মহাত্মন,
দেরিতে দেখার জন্য লজ্জিত।
আপনার ভাললাগা
আমার পথচলার সঙ্গী হয়ে রইল।
মঙ্গলার্থে...
মুয়ীয মাহফুজ বলেছেন:
শ্রী শ্রী পরিচিতেষু,আপনার মনদ্বিখন্ডিত স্বগতোক্তিতে আক্রান্ত হলাম, তবে তা প্রতারিত অর্থে নয়,বরং বারকয়েকবার প্রচারিত হলাম আমার আত্নপোলব্ধির বিনিয়োগের নিকট।
"তখনতো বজ্রের গর্জনে
জড়িয়ে ধরতে আষ্ঠে-পৃষ্ঠে; কেবল কি গাছ মনে করে?
সূর্য দেখে ঘুমোতে গিয়েছি, জেগে উঠে দেখি চাঁদ
পূর্ব দেখে যায় না বোঝা পশ্চিমে কোন ফাঁদ! "(!!!!!)
এত আশ্চার্য হয়েছি কেন সেইকথা আপনি এমত একটি প্রশ্নবোধকে আমাকে বিদ্ধ করতেই পারেন।
আমি নিজেই সেই প্রশ্নবানে বিদ্ধ হয়ে উ্ত্তর দিয়ে দিচ্ছি-আমি আশ্চর্য হয়ে যাই যখন আসলেই পরিচিতের পংগপাল আমাদের কে আসলেই গাছ মনে করেই জড়িয়ে ধরে,ভাল বেসে নহে তবু ভীতিজনিত প্রয়োজনে!!এই নিরেট অথবা খাটি বিষয়টি নিয়ে আমি বিস্মিত হতে হতে একটি বিস্ময়ের পাথর হয়ে বেঁচে রহিয়াছি হতাশার বিষুবীয় আব হাওয়ায়।
তাদের দৃস্টি দেখেনা চাহিয়া,তাহারা করেনা আমাদের অনুভব।ভীত চোখ বন্ধই থেকে যায় আর আমাদের জড়িয়ে রাখে-এই আমাদের জরিয়ে রাখা ও আমাদের পরবর্তী বৃক্ষ অনুভব কোনো এক পাহাড় থেকে সৃস্টি করে ভূমিধ্বস,গড়িয়ে পড়া সকল পাথর থামিলেও একটি পাথর আর থামতে পারেনাই কোনোদিনও।আর গড়িয়ে যাওয়া সেই পাথরের দেহে জমেনাই ক্লেদ,জমে নাই কোনো শ্যাওলা....
তবুও এখনও আমার কেন হয় একান্ত এইসব বৃক্ষ অনুভব??আমার শেকড়েই কেন আজ বাসা বেঁধেছে সাপ,কয়েকদিন পরে হয়তো সেখানেই বাস বাধবে একটি বিজয়ী নেউল,হাহ....
লেখক বলেছেন: মহাত্মন,
মুয়ীয-
দীর্ঘদিন পরে জবাবখানা লিখতে বসলাম।
এবঙ
শেষও হয়ে গেল...
এভাবেই
তাদের দৃস্টি দেখেনা চাহিয়া,তাহারা করেনা আমাদের অনুভব।ভীত চোখ বন্ধই থেকে যায় আর আমাদের জড়িয়ে রাখে...
ঝড় এলে তাহারা যেভাবে জড়িয়ে ধরে তাহাদের প্রাণের দড়ি; অথচ সেই দড়িখানায় মাখা থাকে আত্মহননের রোদ...
মুয়ীয মাহফুজ...
অনেক ভাল লাগল, এটাই বা ক'জন দিতে পারে?
মঙ্গলার্থে...
লেখক বলেছেন: মহাত্মন
রাজীব আশরাফ,
আপনার জলভর্তি মাছের উল্লাস
এবঙ
ব্লগে চলচ্চিত্র নিয়ে নির্মাতার আগমন
আমার
ভাল লেগেছে, সেটুকুই শেয়ার করলাম।
মঙ্গলার্থে...
মাঠশালা বলেছেন:
তখনতো বজ্রের গর্জনেজড়িয়ে ধরতে আষ্ঠে-পৃষ্ঠে; কেবল কি গাছ মনে করে?
এ জিজ্ঞাসা রাষ্ট্র হবে ইথারে বা আকারে ইঙ্গিতে না, সরাসরি।
অনেক ভালো লাগলো(!) , প্রিয়তে রাখলাম।
লেখক বলেছেন: মহাত্মন,
এ জিজ্ঞাসা রাষ্ট্র হবে ইথারে বা আকারে ইঙ্গিতে না, সরাসরি।
আপনার পাঠ যে কেবল পাঠের মধ্যে থেমে না থেকে প্রতিক্রিয়ায় পর্যবসিত হলো তার জন্য আমার ভিতর এক নিগূঢ় ভাবের সঞ্চয় ঘটলো।
আপনার প্রিয় পোস্টে রাখবার জন্য আমার কবিতাখানির কাছে আমি কৃতগ্য হয়ে পরলাম।
মঙ্গলার্থে...
সুমন প্রবাহন স্মরণ প্রয়াস বলেছেন:
অসাধারন কবিতা। অসাধারন জিজ্ঞাসা।"তখনতো বজ্রের গর্জনে
জড়িয়ে ধরতে আষ্ঠে-পৃষ্ঠে; কেবল কি গাছ মনে করে?
এবং অসাধারন স্বার্থপরতা।কার?
লেখক বলেছেন: মহাত্মন,
ধন্যবাদ দেয়া ছাড়া
আর
কিইবা দেয়া যেতে পারে।
মঙ্গলার্থে...
ফাহমিম বলেছেন:
তুমুল লেখাপত্র ভাই!
আশরাফ মাহমুদ বলেছেন:
"সূর্য দেখে ঘুমোতে গিয়েছি, জেগে উঠে দেখি চাঁদপূর্ব দেখে যায় না বোঝা পশ্চিমে কোন ফাঁদ! "
কথাগুলো মনে ধরেছে।
লেখক বলেছেন: মহাত্মন,
ফাঁদ,
বড় আপন এক বিস্ময়!
মঙ্গলার্থে...


















হঠাৎ হাওয়ায় উড়ে গেলে! তখনতো বজ্রের গর্জনে
জড়িয়ে ধরতে আষ্ঠে-পৃষ্ঠে; কেবল কি গাছ মনে করে?..........।
.......................
খুব সুন্দর।
ভালো লাগলো।
শুভেচ্ছা থাকলো আজ পূর্ণিমায়।