আমার প্রিয় পোস্ট : মলয় রায়চৌধুরী'র কবিতা প্রচণ্ড বৈদ্যুতিক ছুতার
১১ ই ডিসেম্বর, ২০০৮ ভোর ৫:০৮
প্রচণ্ড বৈদ্যুতিক ছুতার
(এই কবিতাটি অশ্লীলতার দায়ে অভিযুক্ত এবং নিম্ন আদালতে দণ্ডিত হয়েছিল | উচ্চ আদালতে এই রায়
নাকচ হয়ে যায়, ২৬ জুলাই ১৯৬৭)
ওঃ মরে যাব মরে যাব মরে যাব
আমার চামড়ার লহমা জ্বলে যাচ্ছে অকাট্য তুরুপে
আমি কী কোর্বো কোথায় যাব ওঃ কিছুই ভাল্লাগছে না
সাহিত্য-ফাহিত্য লাথি মেরে চলে যাব শুভা
শুভা আমাকে তোমার তর্মুজ-আঙরাখার ভেতরে চলে যেতে দাও
চুর্মার অন্ধকারে জাফ্রান মশারির আলুলায়িত ছায়ায়
সমস্ত নোঙর তুলে নেবার পর শেষ নোঙর আমাকে ছেড়ে চলে যাচ্ছে
আর আমি পার্ছিনা, অজস্র কাঁচ ভেঙে যাচ্ছে কর্টেক্সে
আমি যানি শুভা, যোনি মেলে ধরো, শান্তি দাও
প্রতিটি শিরা অশ্রুস্রোত বয়ে নিয়ে যাচ্ছে হৃদয়াভিগর্ভে
শাশ্বত অসুস্থতায় পচে যাচ্ছে মগজের সংক্রামক স্ফুলিঙ্গ
মা, তুমি আমায় কঙ্কালরূপে ভূমিষ্ঠ করলে না কেন ?
তাহলে আমি দুকোটি আলোকবর্ষ ঈশ্বরের পোঁদে চুমু খেতুম
কিন্তু কিছুই ভালো লাগে না আমার কিছুই ভালো লাগছে না
একাধিক চুমো খেলে আমার গা গুলোয়
ধর্ষণকালে নারীকে ভুলে গিয়ে শিল্পে ফিরে এসেছি কতদিন
কবিতার আদিত্যবর্ণা মুত্রাশয়ে
এসব কী হচ্ছে জানি না তবু বুকের মধ্যে ঘটে যাচ্ছে অহরহ
সব ভেঙে চুরমার করে দেব শালা
ছিন্নভিন্ন করে দেব তোমাদের পাঁজরাবদ্ধ উত্সব
শুভাকে হিঁচড়ে উঠিয়ে নিয়ে যাব আমার ক্ষুধায়
দিতেই হবে শুভাকে
ওঃ মলয়
কোল্কাতাকে আর্দ্র ও পিচ্ছিল বরাঙ্গের মিছিল মনে হচ্ছে আজ
কিন্তু আমাকে নিয়ে কী কোর্বো বুঝতে পার্ছিনা
আমার স্মৃতিশক্তি নষ্ট হয়ে যাচ্ছে
আমাকে মৃত্যুর দিকে যেতে দাও একা
আমাকে ধর্ষণ ও মরে যাওয়া শিখে নিতে হয়নি
প্রস্রাবের পর শেষ ফোঁটা ঝাড়ার দায়িত্ব আমায় শিখতে হয়নি
অন্ধকারে শুভার পাশে গিয়ে শুয়ে পড়া শিখতে হয়নি
শিখতে হয়নি নন্দিতার বুকের ওপর শুয়ে ফরাসি চামড়ার ব্যবহার
অথচ আমি চেয়েছিলুম আলেয়ার নতুন জবার মতো যোনির সুস্থতা
যোনিকেশরে কাঁচের টুকরোর মতো ঘামের সুস্থতা
আজ আমি মগজের শরণাপন্ন বিপর্যয়ের দিকে চলে এলুম
আমি বুঝতে পার্ছিনা কী জন্য আমি বেঁচে থাকতে চাইছি
আমার পূর্বপুরুষ লম্পট সাবর্ণ চৌধুরীদের কথা আমি ভাবছি
আমাকে নতুন ও ভিন্নতর কিছু কোর্তে হবে
শুভার স্তনের ত্বকের মতো বিছানায় শেষবার ঘুমোতে দাও আমাকে
জন্মমুহুর্তের তীব্রচ্ছটা সূর্যজখম মনে পড়ছে
আমি আমার নিজের মৃত্যু দেখে যেতে চাই
মলয় রায়চৌধুরীর প্রয়োজন পৃথিবীর ছিল না
তোমার তীব্র রূপালি য়ুটেরাসে ঘুমোতে দাও কিছুকাল শুভা
শান্তি দাও, শুভা শান্তি দাও
তোমার ঋতুস্রাবে ধুয়ে যেতে দাও আমার পাততাড়িত কঙ্কাল
আমাকে তোমার গর্ভে আমারি শুক্র থেক জন্ম নিতে দাও
আমার বাবা-মা অন্য হলেও কি আমি এরকম হতুম ?
সম্পূর্ণ ভিন্ন এক শুক্র থেকে মলয় ওর্ফে আমি হতে পার্তুম ?
আমার বাবার অন্য নারীর গর্ভে ঢুকেও কি মলয় হতুম ?
শুভা না থাকলে আমি কি পেশাদার ভালোলোক হতুম মৃত ভায়ের
ওঃ বলুক কেউ এসবের জবাবদিহি করুক
শুভা, ওঃ শুভা
তোমার সেলোফেন সতিচ্ছদের মধ্যে দিয়ে পৃথিবীটা দেখতে দাও
পুনরায় সবুজ তোশকের উপর চলে এসো শুভা
যেমন ক্যাথোড রশ্মিকে তীক্ষ্ণধী চুম্বকের আঁচ মেরে তুলতে হয়
১৯৫৬ সালের সেই হেস্তনেস্তকারী চিঠি মনে পড়ছে
তখন ভাল্লুকের ছাল দিয়ে সাজানো হচ্ছিল তোমার ক্লিটোরিসের আশপাশ
পাঁজর নিকুচি-করা ঝুরি তখন তোমার স্তনে নামছে
হুঁশাহুঁশহীন গাফিলতির বর্ত্মে স্ফীত হয়ে উঠছে নির্বোধ আত্মীয়তা
আ আ আ আ আ আ আ আ আ আঃ
মরে যাব কিনা বুঝতে পার্ছিনা
তুল্কালাম হয়ে যাচ্ছে বুকের ভেতরকার সমগ্র অসহায়তায়
সব কিছু ভেঙে তছনছ করে দিয়ে যাব
শিল্পের জন্যে সক্কোলকে ভেঙে খান-খান করে দোব
কবিতার জন্য আত্মহত্যা ছাড়া স্বাভাবিকতা নেই
শুভা
আমাকে তোমরা ল্যাবিয়া ম্যাজোরার স্মরণাতীত অসংযমে প্রবেশ কোর্তে দাও
দুঃখহীন আয়াসের অসম্ভাব্যতায় যেতে দাও
বেসামাল হৃদয়বত্তার স্বর্ণসবুজে
কেন আমি হারিয়ে যাইনি আমার মায়ের যোনিবর্ত্মে
কেন আমি পিতার আত্মমৈথুনের পর তাঁ পেচেছাপে বয়ে যাইনি
কেন আমি রজঃস্রাবে মিশে যাইনি শ্লেষ্মায়
অথচ আমার নিচে চিত আধবোজা অবস্থায়
আরাম গ্রহণকারিনী শুভাকে দেখে ভীষণ কষ্ট হয়েছে আমার
এরকম অসহায় চেহারা ফুটিয়েও নারী বিশ্বাসঘাতিনী হয়
আজ মনে হয় নারী ও শিল্পের মতো বিশ্বাসঘাতিনী কিছু নেই
এখন আমার হিংস্র হৃৎপিণ্ড অসম্ভব মৃত্যুর দিকে যাচ্ছে
মাটি ফুঁড়ে জলের ঘূর্ণি আমার গলা ওব্দি উঠে আসছে
আমি মরে যাব
ওঃ এ সমস্ত কী ঘটছে আমার মধ্যে
আমি আমার হাত হাতের চেটো খুঁজে পাচ্ছি না
পায়জামার শুকিয়ে যাওয়া বীর্য থেকে ডানা মেলছে
৩০০০০০ শিশু উড়ে যাচ্ছে শুভার স্তনমণ্ডলীর দিকে
ঝাঁকে ঝাঁকে ছুঁচ ছুটে যাচ্ছে রক্ত থেকে কবিতায়
এখন আমার জেদি ঠ্যাঙের চোরাচালান সেঁদোতে চাইছে
হিপ্নোটিক শব্দরাজ্য থেকে ফাঁসানো মৃত্যুভেদী যৌন-পর্চুলায়
ঘরের প্রত্যেকটা দেয়ালে মার্মুখী আয়না লাগিয়ে আমি দেখছি
কয়েকটা ন্যাংটো মলয়কে ছেড়ে দিয়ে তার অপ্রতিষ্ঠ খেয়োখেয়ি
হাংরি বুলেটিন
১৯৬৪
বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
আশরাফ মাহমুদ বলেছেন:
এটা কবিতা না। এটা অশ্লীল প্রলাপ।
লেখক বলেছেন: মহাত্মন,
কবিতা হতে হলে কি কিছু নাদুস নুদুস শব্দের সুড়সুড়িময় বিউটিফিকেশন থাকাই জরুরী?
এটা অশ্লীল প্রলাপ...
আর শ্লীল বিলাপ কোনটা ?
আসলে ব্লগ কালচারে সবাই নিজেকে এতই মহান কবি ভাবছে যা অতি বিড়ম্বনাপূর্ণ।
আরো পড়ুন।
পড়ার প্র্যাকটিস করুন।
মঙ্গলার্থে...
জহির আহমেদ বলেছেন:
আশরাফ মাহমুদ বলেছেন: এটা কবিতা না। এটা অশ্লীল প্রলাপ।
লেখক বলেছেন: মহাত্মন,
আপনার কি বলার,
সব তো আশরাফ মাহমুদের কথাই বললেন
!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!
মঙ্গলার্থে...
হাসিব বলেছেন:
যেই লুক এই কোবতে রচনা করছে সেইলুক একটা বেকুব । আর যেই আবাল বিচারক এইটারে পাত্তা দিয়া শাস্তি দিছে সেইটা আরো বড় বেকুব ।
লেখক বলেছেন: মহান,
এই অপার সত্য যে আপনি এত তাড়াতাড়ি বুঝলেন, তার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।
যেই লুক আলুর ব্যবসা করে সেই লুক কোবতেই পড়ে তার আর কবিতা পড়া হয়ে উঠে না।
ঈশ্বর আপনার মঙ্গল করুণ...
কমল বলেছেন:
এটা কবিতা না। এটা অশ্লীল প্রলাপ।
লেখক বলেছেন: মহান,
নিজে কিছু বলুন???
মঙ্গলার্থে...
কমল বলেছেন:
যেই লুক এই কোবতে রচনা করছে সেইলুক একটা বেকুব । আর যেই আবাল বিচারক এইটারে পাত্তা দিয়া শাস্তি দিছে সেইটা আরো বড় বেকুব ।
লেখক বলেছেন: মহান,
নিজে কিছু বলুন???
মঙ্গলার্থে...
জাতেমাতাল বলেছেন:
অশ্লীল শব্দ গুলোর ব্যবহার অনিবার্য ছিল, এমনটা মনে হয় নি... খুবই দুর্বল এই কবিতার কাঠামো।
লেখক বলেছেন: মহাত্মন,
জাতেমাতাল আপনি অনুগ্রহ করে আরো কয়েকবার পড়ুন।
মঙ্গলার্থে...
সমীরণ বলেছেন:
এটা একটা ফালতু কবিতা। আশরাফ মাহমুদের সাথে একমতঃ এটা আসলেই কবিতা না। এটা অশ্লীল প্রলাপ।
লেখক বলেছেন: মহাত্মন,
সমীরণ;
১ম বলেলন এটা একটা ফালতু কবিতা।
পরে বলেলন আশরাফ মাহমুদের সাথে একমতঃ এটা আসলেই কবিতা না।
আসলে আপনি কি বলতে চাইছেন তা স্পষ্ট নয়...
স্পষ্ট করে বললে সুবিধা হত।
মঙ্গলার্থে...
জহির আহমেদ বলেছেন:
ও।ব্লগে কবিরা তো ফাউল,তাই না নৃপ অনুপ?আর আজিজের চিপায় বাল ফালায়ে রাইচুর লগে দোরা কাঊয়ার গোয়া মারা নিয়া কোবিতা ঠিক?
গদাম।
লেখক বলেছেন: মহান,
আপনার বাক্যবন্ধতো অসাধারণ!!!!!!
রাইসুর সাথে কোন ঝামেলা আছে নাকি......
দোরা কাঊয়ার গোয়া মারা নিয়ে দেখা যায় আপনার ব্যাপক উৎসাহ....
ঈশ্বর আপনার মঙ্গল করুণ...
না বলা কথা বলেছেন:
বালচাল কবিটা ক্যাটাগরিতে ইহা ফাস কেলাস।
লেখক বলেছেন: মহান,
আপনি কি উক্ত বালচাল কবিটা ক্যাটাগরির চেয়ারম্যান?
ঈশ্বর আপনার মঙ্গল করুণ...
আশরাফ মাহমুদ বলেছেন:
আপনি অযথা রেগে যাচ্ছেন। যে কোন লেখা বিচার করার ক্ষমতা আমার আছে একজন পাঠক হিসেব। আমি পাঠক হিসেবেই তাই করলুম।
নাদুস-নদুস শব্দেই কবিতা হয় নাকি? জানতাম না তো।
অনেক শব্দই কবিতার সাথে মিলিয়ে আসে, তখন অশ্লীল লাগে না। সুনীলের কবিতার একটা লাইন ছিল এরকম, "ঘন, বাতাবীলেবু স্তন......ভারী নিতম্ব"। এটা অলীক জন্মকাহিনী কবিতার লাইন। কবিতাটা পড়ে দেখার অনুরোধ করছি।
এবং বিনয়ের সাথে আপনাকে অবগত করছি যে, আমি মহান কোন কবি নই; আমারো অনেক শিখার আছে বৈকি। কিন্তু শিখতে গিয়ে কুশিক্ষিত হতে রাজি নই।
ধন্যবাদ আপনাকে।
লেখক বলেছেন: মহাত্মন,
আশরাফ মাহমুদ
১মত আমি মোটেই আপনার উপর রাগ হয়নি
২য়ত একজন পাঠকের উপর অর্বাচীন ভাবে রাগ হবার যুক্তিও নেই
৩য়ত আমি মূলত সাম্প্রতিক প্রবণতার কথাই বলতে চেয়েছি।
সুনীলের কবিতার একটা লাইন ছিল এরকম, "ঘন, বাতাবীলেবু স্তন......ভারী নিতম্ব"। এটা অলীক জন্মকাহিনী কবিতার লাইন।
এই হল সেই নাদুস নুদুস শব্দের সুড়সুড়িময় বিউটিফিকেশন।
ঈশ্বর আপনার মঙ্গল করুণ...
মুয়ীয মাহফুজ বলেছেন:
এই কবিতা অশ্লীল কি না অশ্লীল তা নিয়ে বিচার,রায়,এবং হাংরি জেনারেশনের কবিদের মধ্যে ব্যাপক সম্পর্কের টানপোড়েন দেখা দেয়।মলয়ের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিয়েছিলো মলয়েরই হাংরি আন্দোলনের সহচর শক্তি চট্টোপধ্যায়।মলয়ের পক্ষে ছিলেন উৎপলকুমার বসু।কবিতা হয়েছে কি না হয়নি সেটাও বলতে আগ্রহী নই।কেননা অধিক লোকের পছন্দের বা সৌন্দর্যবোধের প্রতি দৃস্টি রেখে প্রি কন্সেপচুয়াল কবিতা লেখাটাি কবিতার মানদন্ড হতে পারে না।কবিতা হবার মানদন্ড কোনটা?
অতি বিতর্কিত এই কবিতাটি আমার ভালো লেগেছে এ জায়গাটিতেই যে সমাজে প্রতিস্ঠিত তথাকথিত সুশীল বা সুবিধাবাদী নান্দনিকতার বোধে আঘাত করে ভেংগে দিয়ে সমাজে প্রচলিত মূল চিত্রটি তুলে ধরে।যা এসথেটিক্যাল দৃস্টিতে অপ্রচলিত ও মৌলিক।
স্বাভাবিক যে এ কবিতাটি নিয়ে সমালোচনাও কম হয় না।আমার ভালো লেগেছে কবির সমাজবিচ্ছিন্নতার মূল কারণ গুলো তীব্র শ্লেষের মাধ্যমে সফলভাবে তুলে ধরেছেন।
ধন্যবাদ অনুপ,কবিতাটা শেয়ার করার জন্য।
আমারও প্রিয় পোস্টে গেলো।
লেখক বলেছেন: মহাত্মন,
মুয়ীয মাহফুজ, ধন্যবাদ প্রথমেই ধারনের জন্য।
আপনি একই সাথে বেশ কয়েকটি বিষয় নিয়ে আলোচনা করেছেন, যার প্রতিটি যুক্তিবোধ লেখাটি সম্পৃক্ত।
আমার ভালো লেগেছে কবির সমাজবিচ্ছিন্নতার মূল কারণ গুলো তীব্র শ্লেষের মাধ্যমে সফলভাবে তুলে ধরেছেন।
এখানে আপনি যে ভাবে পাঠ করে তা আবার ব্যক্ত করেছেন তাতে এটুকু বোঝা গেল লেখাটি আপনি ধারণ করেছেন নিজস্ব চিন্তার গ্রন্থি দিয়ে।
মুয়ীয,
আমার ভেবে বেশ অবাক লাগলো প্রচণ্ড বৈদ্যুতিক ছুতার কবিতাটির যে আর্চ রয়েছে, যে প্যাশন রয়েছে তার ধারে কাছে না গিয়ে সুধী পাঠক মহল অশ্লীল অশ্লীল কলরব তুলে চললো। অথচ ব্যক্তির জীবনপ্রদাহে যে কত অশ্লীলতার ঝোঁপ-ঝার হচ্ছে তার হিসেব কি নেয়া হচ্ছে...
আমারও প্রিয় পোস্টে গেলো।
যাবারই কথা।
কেননা গৎবাঁধা লেখার ধরণ থেকে, চিন্তা থেকে এ লেখা আলাদা, স্বাধীন ও নিজস্ব।
মঙ্গলার্থে...
হাসিব বলেছেন:
উদ্ধৃতি -
আসলে ব্লগ কালচারে সবাই নিজেকে এতই মহান কবি ভাবছে যা অতি বিড়ম্বনাপূর্ণ
এইখানে একটা কথা বলি শোনেন । "ব্লগ" একটা ডিফারেন্ট বল গেইম । এইখানে শাহবাগোত্থিত বা অন্যকোন বেহেশতী তালেবররে পোছা হয় না । আপনের আগে বহুত তালেবর লুক এইখানে আইছে এবং জাঝা খায়া ফিরত গেছে । এইখানে পুলাপান বহুত বেয়াদ্দপ আর মুখের উপর উচিত কথা কৈতে সিদ্ধহাত । আপনার না ভাল্লাগলে এইসব ব্লগফ্লগ ছাইড়া আজিজের চিপায় বয়া ঝালমুড়ি সিগ্রেট গাঞ্জা যেইটা খুশি খাইতে/টানতে পারেন । আম্রা মাইন্ডামু না ।
লেখক বলেছেন: মহান,
হাসিব
উদ্ধৃতি -
"ব্লগ" একটা ডিফারেন্ট বল গেইম । এইখানে শাহবাগোত্থিত বা অন্যকোন বেহেশতী তালেবররে পোছা হয় না ।
বাহ্ বেশ!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!
এমনকি এই ব্লগ কালচারকে যদি কেউ পৈত্রিক সম্পত্তি হিসেবে গন্য করে তাও কি ঠিক হবে?
উদ্ধৃতি -
এইখানে পুলাপান বহুত বেয়াদ্দপ আর মুখের উপর উচিত কথা কৈতে সিদ্ধহাত ।
ব্লগ কালচারে যারা লেখেন, তাদের বেয়াদ্দপ বলাটা সমীচিন নয়। নিজেকে দিয়ে সামগ্রীক বিচার করবেন না।
এবঙ শাহবাগ নিয়ে আপনার যে বিরাগ তা কাঁটিয়ে উঠুন, প্রয়োজনে শাহবাগ ঘুরে আসুন; কেউ কিছু বলবে না।
ঈশ্বর আপনার মঙ্গল করুণ...
জহির আহমেদ বলেছেন:
হাসিব বলেছেন: উদ্ধৃতি -
আসলে ব্লগ কালচারে সবাই নিজেকে এতই মহান কবি ভাবছে যা অতি বিড়ম্বনাপূর্ণ
এইখানে একটা কথা বলি শোনেন । "ব্লগ" একটা ডিফারেন্ট বল গেইম । এইখানে শাহবাগোত্থিত বা অন্যকোন বেহেশতী তালেবররে পোছা হয় না । আপনের আগে বহুত তালেবর লুক এইখানে আইছে এবং জাঝা খায়া ফিরত গেছে । এইখানে পুলাপান বহুত বেয়াদ্দপ আর মুখের উপর উচিত কথা কৈতে সিদ্ধহাত । আপনার না ভাল্লাগলে এইসব ব্লগফ্লগ ছাইড়া আজিজের চিপায় বয়া ঝালমুড়ি সিগ্রেট গাঞ্জা যেইটা খুশি খাইতে/টানতে পারেন । আম্রা মাইন্ডামু না ।
লেখক বলেছেন: মহান,
নিজে কিছু বলুন???
মঙ্গলার্থে...
হাসিব বলেছেন:
মুয়ীয মাহফুজ,
এই কবিতাটা নিয়ে একটা রিভিউ দেন । বিশেষ করে এই কবিতাটা কিভাবে "সমাজে প্রতিস্ঠিত তথাকথিত সুশীল বা সুবিধাবাদী নান্দনিকতার বোধে আঘাত করে ভেংগে দিয়ে সমাজে প্রচলিত মূল চিত্রটি তুলে ধরে।যা এসথেটিক্যাল দৃস্টিতে অপ্রচলিত ও মৌলিক।" - এইটা জানতে আমার বড়ই আগ্রহ হচ্ছে ।
পুনশ্চ: এসএসসির বাংলা ১ম পত্রের নোট স্টাইলে না লিখে একটু সহজবোধ্য লাইন বাই লাইন, অথবা এ্যাজ-এ-হোল কিভাবে "সমাজে প্রচলিত মূল চিত্র" তুলে ধরতেছে সেইটা একটা বুঝায়া বলেন ।
ইরতেজা বলেছেন:
এটা কবিতা না। এটা অশ্লীল প্রলাপ।
লেখক বলেছেন: মহাত্মন,
ধন্যবাদ কবিতা মনে হবার জন্য।
মঙ্গলার্থে...
মুনশিয়ানা বলেছেন:
এই কবিতা আমার কাছে ভালো লাগে নাই, হইতে পারে আমি কবিতা কম বুঝি......মেয়েদের শরীর নিয়ে এত বিকৃত মাতামাতি কেনো?
মুয়ীয মাহফুজ বলেছেন:
হাসিব,কবিতাটি নিয়ে আপনাদের উত্তেজনা দেখে বিস্মিত হইলাম।এ কবিতাটা নিয়ে আমার ফাইট দেওয়ার কোনো ইচ্ছা ছিলো না
আপনার কথার সূত্রেই বলিআপনিই বলুন তো এস.এস.সির পাঠ্যসূচীতে আমাদের যে সৌন্দর্যবোধ শেখানো হয় তা কি একধরণের সরলীকৃত বিষয় নয়?যেখানে ব্যাক্তির একক মূল্যবোধের চাইতে সামগ্রিকতার বিষয়টি চাপিয়ে দেয়া হয়।হাংরি জেনারেশন এ সামগ্রিকতার কল্যানে ব্যাক্তিস্বাতন্ত্রতা নস্ট হয় বলে এর প্রতিবাদ করেছিলো যা আসলে মূলত ফুটে উঠেছে সে জেনারেশনের সাহিত্য কর্মে।প্রতিস্ঠানের শেখানো নিয়মে অসুন্দরকে সুন্দর বলে স্বীকার করতে নারাজ তারা,সেজন্য হাংরি দের কাছে প্রতিস্ঠান বিরোধিতা একটা বিষয় গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে।
বেশ,আমাদের সাহিত্যেও বেশ কিছু উদাহরণ আমি এমন দিতে পারি।
যেমন-শামসুর রাহমানের একটি কবিতা(নাম মনে পড়ছে না,সম্ভবত মাতালের প্রলাপ বা মাতোয়ালা রাইতে)
"মাতোয়ারা রাইতে আইজ নেশা করছি ব হূত,
....কান্দুপট্টির খানকি মাগীর চক্ষুর কাজলের টান যেন মাতোয়ালা রাইতের তামাম গতরে।"
আবার প্রতিবাদ কখনো এমনও হয়...
"ভাত দে হারামজাদা,নইলে মানচিত্র খামু"
কথা হলো প্রতিস্ঠান কখনো প্রতিবাদের ভাষা-কে পাঠ্য করে না,কেননা এর কারণে সামগ্রিকতার খাতিরে শিক্ষায় যে নন্দন শেখানো হয় সে ভাষা ভেংগে যেতে পারে।আমি অবশ্য এ কবিতাটার ভাষাটাকে ব্যাক্তিক ভাষানির্মাণ বলতে চাই।
হাংরি জেনারেশনের আরেক কবি ফাল্গুনী রায়ের কয়েকটা কবিতা দিলাম।হয়তো আমি যা বলতে চাইছি সেটা স হজ হবে এতে।
ভালো থাকুন।
লেখক বলেছেন: মহাত্মন,
মুয়িয মাহফুজ-
আপনার যুক্ততায় এবং ফাল্গুনি রায় এর অকস্মাৎ উপস্থিতিতে লেখা ও আলোচনা এক দারুন বেগ পেল।
আমি মানুষ একখান প্রেম, পেচ্ছাপ দু'টোই করতে পারি।
ধন্যবাদ।
নির্ঝর নৈঃশব্দ্য বলেছেন:
এই কবিতা অসাধারণ।
প্রিয় পাঠক, এই কবিতার বিচ্ছিন্নভাবে কেবল শব্দকে নয়, সমস্ত কবিতাটিকে পড়ুন, তারপর আঘাতের গন্তব্য ধরতে পারবেন।
-------------------------------------------------------------------------
প্রিয় আগুনলতা,
আপনাকে ধন্যবাদ, প্রিয় কবিতাটি আবার পড়ানোর জন্যে।
-------------------------------------------------------------------------
প্রিয় পোস্ট।
লেখক বলেছেন: মহাত্মন,
নির্ঝর নৈঃশব্দ্য আপনাকে ধন্যবাদ...
সমস্ত কবিতাটি অনুধাবন করে বিশ্লেষণশেষে প্রিয় পোস্ট করার জন্য।
মঙ্গলার্থে...
সত্যান্বেষী বলেছেন:
দুর্দান্ত কবিতা। এ আমাদের লুকিয়ে রাখা আত্মসাৎ কিংবা সমর্পন। অথবা আত্মসাৎ আর সমর্পন দুটোই। শিল্প নিজেও প্রসব উৎসব। এ কবিতা তো তারই সঙ্গীত।
শাশ্বত সিকদার বলেছেন:
নুপ অনুপকে এই প্রথাবিরোধী কবিতাটা ব্লগে হাজির করার জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ। সময়ের থেকে এগিয়ে থাকা এই কবিতাটা নিয়ে এখনও এত বছর পরেও এত আপত্তির ঢল দেখে বিস্মিত হচ্ছি। অনেক ব্লগারভাই ই দেখছি পাঠক হিসেবে বেশ পিছিয়ে আছেন।
দিশাহারা ওমর সোলাইমান বলেছেন:
আমার বন্ধু হাবা কালুর কাছে কেউ ১০ টাকা ধার চাইলে সে এই কবিতার চে ১০ গুনা কথা শুনায়া দেয়।
দিশাহারা ওমর সোলাইমান বলেছেন:
শাশ্বত সিকদার বলেছেন: ......। অনেক ব্লগারভাই ই দেখছি পাঠক হিসেবে বেশ পিছিয়ে আছেন।
জ্বী ভাই। এগিয়ে থাকা অল্প কিছু সংখ্যক ব্লগাররা প্রায়ই আমাদের হেদায়েতের উদ্দেশ্যে এখানে আসেন।
রাজা সরকার বলেছেন:
কবিতাসৃষ্টিকারীদের একটা সামাজিকতার দায় আছে-----কিন্তু কোন্ সামাজিকতা?----এরকম একটি আবহে ষাটদশকে প: বঙ্গীয় লেখা জগতে হাংরি জেনা: আন্দোলনটা হয়েছিলো । মলয় রা চৌ'র উক্ত লেখাটি তারই নান্দীমুখ । বোঝা যাচ্ছে লেখাটির তেজষ্ক্রীয়তা এখনও যথেষ্ট । অবশ্যই প্রতিক্রিয়াগুলো খুব স্বাভাবিক মনে হচ্ছে যেহেতু তা সরাসরি প্রকাশিত ।
উপস্থাপকের জন্য ধন্যবাদ রইলো ।
অচেনা সৈকত বলেছেন:
প্রথাবিরোধী কবিতাটা উপহার দেবার জন্য অনেক ধন্যবাদ।
পথিক!!!!!!! বলেছেন:
এরম একটা জব্বর পিস না পড়তে পারলে অনেক অপূর্ণতা থেকে যেত..ধন্যবাদ ভাইজান তাই অনেক।
অনেকে অনেক ভ্দ্রতা টদ্রতা নিয়ে কি কি যেন বলে দিল
আমি কিছু বলবঃ
আসলে প্রতিটি মানুষের মনে নানান উদ্ভদ ..ভাবনা ধারনা নিয়ত আসচে যাচ্ছে যাবে ....মানুষ তার খুব কমই ( খুবই) বাহ্যিক পরিবেশে প্রকাশক করতে পারে। ..
মনের সেই সব ভাবনায় শ্লীল অশ্লীল ছাড়িয় আরো কতকিছূ মানুষ ভেবে ফেলে....
এই মলয় কবি সেই সব এর অনেক কিছূ নিজের মত প্রলাপ হোক আর আলাপ , কবিতার আকারে বেল গেছে.....
এখানেই তার এই কবিতার ভিন্নতা ও স্বকীয়তা আমি মনে করছি।
কৌশিক বলেছেন:
ওরে বাপরে, সালা একটা মালই ছিল, পুরামাত্রায় ইনফ্লুয়েন্সড .....জব্বর জব্বর!
মাহিরাহি বলেছেন:
যিনি এই কবিতা লিখেছেন তিনি অতী মেধাবী বলতেই হয়। কিন্তু দুই এক কল্কি গাজা না টানলে এধরনের কবিতা সহজের বেরুনোর কথা নয়।
অসংযমের ছাপ রয়েছে কবিতাটি।
শালীন থেকেই মহান কবিরা প্রচন্ড সব মেসেজ পৌছে দিয়েছেন পাঠকের কাছে।
শব্দ চয়নে অসংযমী হননি। সেই মেসেজ পৌছে গেছে যুগের পর যুগে।
মলয় অতটা মেধাবী নন।
আমাদের কেন জানি মনে হয় আমাদের দেশের কবিদের এমন একটা প্রবনতা আছে যে বিপ্লবিক চিন্তা ধারার প্রকাশ ঘটাতে গিয়ে অসংযমী হন খেই, হারিয়ে ফেলেন, যার ফলে বলতে চাওয়া কথাগুলো ক্ষনিকের জন্য অনুভবের জায়গাটিকে নাড়িয়ে দিলেও স্থায়িত্ব পায় না।
কৌশিক বলেছেন:
কবিতাসৃষ্টিকারীদের একটা সামাজিকতার দায় আছে ..... এই হাস্যকর বক্তব্য শুনে কবিদের দাঁত চুলকায়....
শেরিফ আল সায়ার বলেছেন:
কবিতাটি অশ্লিল। তবে প্রতিটি মানুষের মনেই অশ্লিলতা থাকে। নোংরা চিন্তা মানুষমাত্রই আসবেই। তবে তা প্রকাশ করে কয়জন!! এই কবি প্রকাশ করেছে কিছু শব্দ তৈরী করে।ভালোই। তবে বাংলাদেশের সামাজিকতায় এ ধরনের কবিতা সকলে মেনে নেবে না। নেয়ার কথাও না।
উলটো পথে দৌড় শুরু করা মানুষ দের খুব আপন মনে হয় ।আমার ঘরের দেয়ালে তাদের ছবি ঝোলাতে চাই। কিছুদিন আগে পড়া ফাল্গুনী রায়ের সাথে আজকে যোগ হলো মলয় রায়চৌধুরীর নাম।
নৃপ অনূপ আর মুয়ীযকে ধন্যবাদ কবিতা আর আলোচনার জন্য।
আর ব্লগারদের সমালোচনা ,মলয় রায়চৌধুরী নিজে হয়ত পুরস্কার বলেই গণ্য করতেন!
ছন্নছাড়ার পেন্সিল বলেছেন:
নৃপ অনুপকে ধন্যবাদ কবিতাটাকে সামনে তুলে আনার জন্যে। মাঝে মাঝে সুশীলীয় কাব্যালোচনা পড়তে পড়তে মনে হয় কবিতার গণ্ডিটাকে খুব বেশি সংকীর্ণ করে ফেলতেছি আমরা। মলয়ের এই কবিতা কতটুকু ভালো, খারাপ, ব্যর্থ, সফল সেটা আলোচনা হইতেছে না। সবাই সবার মতামত দৃষ্টিভঙ্গি থেকে এটারে অশ্লীল, শ্লীল এইসব নিয়া তর্ক করতেছেন। কবিতার শ্লীলতার সাথে শব্দের শ্লীলতার সার্টিফিকেটের ব্যাপারটা জড়িত। কিছু শব্দ এতটাই ট্যাবু-আক্রান্ত যে সেগুলোর উচ্চারণেই আমরা শিহরিত হই। মলয়ের কবিতায় নারীশরীর আসছে। খেয়াল করেন, ভগাঙ্কুর না বলে ক্লিটোরিস বলতেছেন উনি, বা অন্যান্য অঙ্গেরও ইংরেজি নাম ব্যবহৃত হচ্ছে।
কেন? বাংলা কবিতাই যদি হবে, তাহলে বাংলায় বললে কী সমস্যা ছিল? মনে হয় কবির কাছে মনে হয়েছে ইংরেজী শব্দগুলো পাঠকের কাছে দ্রুত পৌঁছাবে। কিন্তু ঘটলো যেটা, সেটা হলো, তখন কবিতাকে আরো বেশি অশ্লীল লাগতে শুরু করলো। এটাই হয়তো ধাক্কাটা যে কবিতাতেও কথাগুলো বলা যায়, যেতে পারে।
ফাল্গুনীর কবিতার জন্যে মুয়ীযকে ধন্যবাদ।
শেষে একটা ভ্রান্তি পরিষ্কার করি, শ্লীলতা বিচার করতে গিয়ে হয়তো কারোই চোখে পড়ে নাই।
"তাহলে আমি দুকোটি আলোকবর্ষ ঈশ্বরের পোঁদে চুমু খেতুম"
আলোকবর্ষ একটা দূরত্বমাপক একক। কবি এটিকে সময়মাপক একক হিসেবে চিন্তা করে একটু তথ্যগত ভুল করেছেন। এরকম ভুল আসলে না থাকাটা বাঞ্ছনীয়।
নির্ঝর নৈঃশব্দ্য বলেছেন:
মাহিরাহি বলেছেন: যিনি এই কবিতা লিখেছেন তিনি অতী মেধাবী বলতেই হয়।কিন্তু দুই এক কল্কি গাজা না টানলে এধরনের কবিতা সহজের বেরুনোর কথা নয়।অসংযমের ছাপ রয়েছে কবিতাটি।
শালীন থেকেই মহান কবিরা প্রচন্ড সব মেসেজ পৌছে দিয়েছেন পাঠকের কাছে।
শব্দ চয়নে অসংযমী হননি। সেই মেসেজ পৌছে গেছে যুগের পর যুগে।
মলয় অতটা মেধাবী নন।
আমাদের কেন জানি মনে হয় আমাদের দেশের কবিদের এমন একটা প্রবনতা আছে যে বিপ্লবিক চিন্তা ধারার প্রকাশ ঘটাতে গিয়ে অসংযমী হন খেই, হারিয়ে ফেলেন, যার ফলে বলতে চাওয়া কথাগুলো ক্ষনিকের জন্য অনুভবের জায়গাটিকে নাড়িয়ে দিলেও স্থায়িত্ব পায় না।
-------------------------------------------------------------------------------
জবাব:
কবিতা হলো সর্বশ্রেষ্ঠ শিল্প। আর শিল্প কারো কাছে দায়বদ্ধ নয়।
তাই কবিতা কোনো মেসেজ বহন করে না। যেসব কবি(?) কবিতা(?) কে কালের মেসেন্জার বানিয়েছেন, তারা এবং তাদের সৃষ্টি
কিছু হয়েছে কিনা তা বিবেচ্য।
কবিতা মূলতই স্বতঃস্ফূর্ত এবং কবির অস্তিত্বের যন্ত্রণাকে প্রকাশ করে। অথবা কবির উপলব্ধি এবং একান্ত সুন্দর অথবা আত্মরতিকে প্রকাশ করে।
প্রতিক্রিয়া কিংবা দায় থেকে আর যা-ই সৃষ্টি হোক শিল্প হয় না।
------------------------------------------------------------------------------
মাহিরাহি আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।
------------------------------------------------------------------------------
পুনশ্চ:
গান্জা শরীরের পক্ষে ক্ষতিকর সত্যি কিন্তু শিল্পের পক্ষে অনেক উপকারী। তাই শিল্পের স্বার্থে যিনি নিজের ক্ষতি করতে পারেন, আমার মনে হয় কথিত-মেধাবীরা তার পায়ের নখের যোগ্যও নন।
মাঝে যাওয়াটাই বোকামী। এই ব্যাপারগুলোই তো ঘটে যা লিখায় এসেছে।
আমাদের চোখে আমরা কারো না কারো যোনি দেখি, কারো যোনিতে নিদ্রাযাপন করি। বন্ধুমহলে কারো যোনির খবর নিতে পারলে কবিতায় কেন সাবলিল ভাবে লিখতে পারবনা, কেন? কবিতাতো মানুশের জীবনের কথাই চলে আসবে তবে সেটা শিল্পকে ধারন করে।
অফটপিকঃ নির্ঝর যা বলছে তাতে একমত। বিশেষ করে একদম নীচে যেটা তুলে ধরেছে। ওর নিচের কথাটাকেও আমি একটা কবিতা মনে করি, কেননা কথাটা সে সাবলিল ভাবেই স্বীকার করেছে ওখানে কোন উতুপুতু করেনি।
কাকশালিখচড়াইগাঙচিল বলেছেন:
পড়া আছে আগে। তবু বহুদিন বাদে দেখলাম। +
কাকশালিখচড়াইগাঙচিল বলেছেন:
হাংরি তে আসক্ত এক ব্যক্তি গাঁজাকে নক্ষত্র চূর্ণ আখ্যা দিয়ে প্রকাশ্যে খেতে শুরু করে, অবশ্য যেহেতু আসক্তি, তাই সেটা আর তেমন থাকেনি। কল্কে কল্কিওয়ালাদের সাথেই সে এখন টানে। অফ কমেন্ট: যে ব্যক্তি কবিতার লাইনে অবোধ মুগ্ধত হয়ে তাকে গাঁজা জোগাত, তিনি সাইকেল মেকানিক থেকে 'বাবা' হয়েছেন ইদানিং।
মুয়ীয মাহফুজ বলেছেন:
অধিকাংশ ব্যাক্তিকেই আমি দেখেছি হাংরি বলতেই নেশাদ্রব্যের সাথে একধরণের জগা খিচুরী পাকিয়ে বেশ আনন্দ পেয়ে থাকেন,প্রোপাগান্ডা এমই এক জিনিস যার কারণে একটা আন্দোলনের দর্শন গত জায়গা গুরুত্ব না পেয়ে গুরুত্ব পেলো নেশাদ্রব্যের ক্যামোফ্লেজ!প্রতিস্ঠানের সুবিধাবাদী প্রোপাগান্ডাগুলো এতই মূর্খ ধরণের হয় যে "হাংরি রা এই কবিতা লিখেছে গান্জা খাইয়া!!!"যেন তাদের কোনো দর্শংত জায়গা নাই!হাহাহাহা....এই জিনিস প্রচার করলে কার লাভ সেইটাও বোঝা যায়...যাই হোক,মলয়ের হাংরি বিষয়ক একটা লেখা পড়ি আসেন....
পুরাটা পাবেন এখানে
মলয় রায়চৌধুরী-র একটা সাক্ষাতকার
ইমরান মাঝি বলেছেন:
আনেক দিন পর পুরনো একটা ভালো কবিতা পরলাম। অনুপকে অনেক ধন্যবাদ
মাঠশালা বলেছেন:
কবিতার অশ্লিলতাই দেখলেন, এখনো যে বাস্তবতার উপজাত হয়ে একজন মানুষের চিৎকার সেই পরিস্থিতিকে কি অশ্লিল মনে হয় না? রাজা সরকারকে একটা এক্সট্রা ধন্যবাদ দিয়ে রাখি, আপনার কথার সত্যতা চরমভাবে প্রকাশ পেল। মুলধারা বা প্রাতিষ্ঠানিক জায়গা বাদ দিলেও বাংলা কবিতার পাঠকের যে অভিজ্ঞতা এখানে প্রকাশ পেল তাতে হাংরিরা আরো অনেকদিনই প্রতিক্রিয়ার চাদমারী হবেন মনে হয়।
শিমুল সালাহ্উদ্দিন বলেছেন:
অনুপদাকে ধন্যবাদ অনেক অনেক। মুয়ীজ কে ও। এরকম চর্চাই আমাদের এগিয়ে নেবে। আর প্রথমে ওই গাড়ল রা কি সব কইল ওইগুলা রে তো লিঙ্গহীন মনে হইতাছে। মনে হয় ওনারা শুধুমাত্র খান আর ঘুমান। জৈবিক কোন ব্যাপার ওনাদের সফেদ মনের অভ্যন্তরে নাইক্যা।
তাই কি????????????????
মনির হাসান বলেছেন:
হুমমমম ... ক্ষুধার্তের আর্তি ( কিম্বা হাহাকার কিম্বা ... জ্বয়ধ্বনি) পেটুকদের জন্য ত্রাস ... সে আর নতুন কি ... মোটে'ও বিস্মিত নই ।ভালো থাকুন সবাই ... আমি মলয়কে প্রিয়তে নিয়ে যাচ্ছি।
মলয় রায়চৌধুরী বলেছেন:
প্রিয়বরেষু , আকস্মিকই খুঁজে পেলুম এই পাতাটা । এত আলোচনা চলছে দেখে মনে হল কবিতা-বিশেষ, কবি নিজে ভুলে গেলেও, পাঠক তাকে জীবন দান করতে থাকেন । স্বাতী ব্যানার্জি আমার কবিতা নিয়ে রবীন্দ্রভারতী থেকে এম ফিল করেছেন; কবিতাটির শেষ কয়েকটি লাইনকে উনি প্রতিষ্ঠানবিরোধিতার প্রেক্ষিতে আলোচনা করেছেন। কিনতু প্রফেসর বি. দে , যিনি আমার কবিতা নিয়ে আসাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পি এচ ডি করছেন তিনি কবিতাটিকে আস্তিত্বিক বা কসমিক দৃষ্টিতে বিশ্লেষণ করছেন। তোমার সৌজন্যে বহু নতুন কথা পাওয়া গেল, যা আমি নিজেও হয়তো লেখার সময়ে ভাবিনি। কবিতাটা পাটনায় থাকতে ১৯৬৩ সালে লেখা । ৩৫ মাস মামলা চলেছিল । কোর্টের রেকর্ড এই ব্লগে পাবে:
http://blogandearn.in/unmarga
এগুলো এবং আরো টেক্সট বাংলা ব্লগে আনার কথা ভাবছি।
শুবেচছাসহ
মলয় রায়চৌধুরী
স্বাক্ষর শতাব্দ বলেছেন:
"শুভাআমাকে তোমরা ল্যাবিয়া ম্যাজোরার স্মরণাতীত অসংযমে প্রবেশ কোর্তে দাও"
যাই হোক বেশ
অ রণ্য বলেছেন:
অনেক কদিন লগ ইন করিনি, শুধুমাত্র একটা মন্তব্য রেখে যাব বলে আজ লগ ইন করলাম। এমন একটা কবিতা শেয়ার করার জন্য স্যালুট আর পাঠকদের জন্য করুণা রেখে গেলাম যাদের এমন একটা রচনাও হজম করতে অসুবিধা হচ্ছে।আসলে বেপারটা এইরকম, নীল ছবি দেখব, মৈথুন করব অথচ সতীপনা ভাবটা ছাড়বনা, যেটা সেই কবেই ফুরিয়ে গেছে। ধন্যবাদ আবারও
শ খি আ ঈয়ন বলেছেন:
অরণ্যর কথাটা ভালো লাগলো..."নীল ছবি দেখব, মৈথুন করব অথচ সতীপনা ভাবটা ছাড়বনা, যেটা সেই কবেই ফুরিয়ে গেছে"-ধন্যবাদ।
বিগব্যাং বলেছেন:
সম্ভবত উপরের হট্টগোলটার কারণ পোষ্টদাতার নির্বুদ্ধিতা/হামবড়া ভাব/কবিতাটাকে ব্যাখ্যা করতে না পারার সীমাবদ্ধতা/মফস্বলীয় গোয়ার্তুমি...প্রচণ্ড বৈদ্যুতিক ছুতার'কে স্যালুট না জানানোর কোনো কারণ নেই...
কবিতাটি নিয়ে নানাবিধ আলোচনা হল...
কবিতার সার্থকতা এখানেই ঝিনুকের মত গুপ্ত...
ও
বিকশিত...
মঙ্গলার্থে.
হাসান মাহবুব বলেছেন:
Showcase.
হাসান মাহবুব বলেছেন:
ঠেলা।
হাসান মাহবুব বলেছেন:
হাসান মাহবুব বলেছেন: ঠেলা।
আকাশ অম্বর বলেছেন:
আমাকে তোমরা ল্যাবিয়া ম্যাজোরার স্মরণাতীত অসংযমে প্রবেশ কোর্তে দাও
এ তো মহা-কাব্য!
সুবিদ্ বলেছেন:
আরে আমি তো প্রিয়তে না নিয়ে উপায় দেখছি না......
সাদা কালো এবং ধূসর বলেছেন:
প্রিয়তে নিছি অল্প আগে, তবে প্রিয়তে নেবার আগে বহুবার এমনি এমনিই পড়তে আসতাম। পড়ছি আরো আরো, আর এখানকার আলোচনাটা আমার তখন সময় করে পড়তে দুই দিন লাগছিলো।
হাসান মাহবুব বলেছেন:
মহান!
হাসান মাহবুব বলেছেন:
আমার প্রিয় পোস্ট : মলয় রায়চৌধুরী'র কবিতা প্রচণ্ড বৈদ্যুতিক ছুতার
অমিত চক্রবর্তী বলেছেন:
সময়কে অতিক্রম করা কবিতা এটি।যারা নিন্দা করেছেন তাদের বলছি কবিতা শব্দ শালীনতা বা ভাবসৌন্দর্য্য নয়।কবিতা কবির একান্ত অনুভুতি।ফিল করতে না পারলে পড়বেন না কিন্তু মলয় রায় চৌধুরীর কবিতা নিয়ে মন্তব্য করার স্পর্ধা বাঞ্চনা করবেন।
আমার মনে হয়,যারা মাইনাস বা এটা কে অকবিতা বলেছেন,তারা এ অংশ টুকু দেখেই.......
এরকম অসহায় চেহারা ফুটিয়েও নারী বিশ্বাসঘাতিনী হয়
আজ মনে হয় নারী ও শিল্পের মতো বিশ্বাসঘাতিনী কিছু নেই
তৃতীয়পাঠে যা মনে হলো,অসহায় সত্তার আকুতি।অথচ সে জানে আকল হবার কেউ নেই,তবুও আকুতি।প্রকাশ টা হয়েছে কামের মধ্য দিয়ে।আর নিরপেক্ষ মাত্রই জানে ভালোবাসা মূলত এটাই।
আমি ছাড়া সবাই ভাল বলেছেন:
অ রণ্য বলেছেন: অনেক কদিন লগ ইন করিনি, শুধুমাত্র একটা মন্তব্য রেখে যাব বলে আজ লগ ইন করলাম। এমন একটা কবিতা শেয়ার করার জন্য স্যালুট আর পাঠকদের জন্য করুণা রেখে গেলাম যাদের এমন একটা রচনাও হজম করতে অসুবিধা হচ্ছে।আসলে বেপারটা এইরকম, নীল ছবি দেখব, মৈথুন করব অথচ সতীপনা ভাবটা ছাড়বনা, যেটা সেই কবেই ফুরিয়ে গেছে। ধন্যবাদ আবারও
@অ রণ্য
হাত মারেনাই এমন পোলা দুনিয়ায় একটা পাওয়া যাইব কিনা সন্দেহ।কথা হচ্ছে এখন যদি সবাই নীল ছবি দেখার সময় হাত মারার অনুভূতি গদ্য কিংবা পদ্য আকারে শুরু করে তখন কেমন হবে?শারিরীক যন্ত্রনায় মানুষ অনেক কিছুই করে কেউ সেম্পু কেউ সাবান কেউবা সরিষার তেল।এইসব নিয়ে গদ্য পদ্য রচনায় আর যাই থাক অসুস্থ মানসিকতা ছাড়া আর কিছুই না।
বোঝাতে না পারলে আরো একটু সহজ ভাষায় বলি। আপনি বলেছেন নীল ছবি।আপনি নীল না বলে বলতে পারতেন ুদাুদি ছবি।ুদাুদি এর জায়গায় নীল বলেছেন কেন?কারণ,শব্দটা শালীন এবং সমাজে যখন বলবেন তখন ুদাুদির মত নোংরা শোনাবে না তাই।শারিরীক ব্যাপার স্যাপার নিয়ে কবিতা হতেই পারে।তার প্রকাশটাও হওয়া চায় শালীন যেমনটি আপনি কিংবা আমরা ুদাুদি ছবি না বলে বলি নীল ।
আমি ছাড়া সবাই ভাল বলেছেন:
অমিত চক্রবর্তী বলেছেন: সময়কে অতিক্রম করা কবিতা এটি।যারা নিন্দা করেছেন তাদের বলছি কবিতা শব্দ শালীনতা বা ভাবসৌন্দর্য্য নয়।কবিতা কবির একান্ত অনুভুতি।ফিল করতে না পারলে পড়বেন না কিন্তু মলয় রায় চৌধুরীর কবিতা নিয়ে মন্তব্য করার স্পর্ধা বাঞ্চনা করবেন।আজকালকার ডিজুস কবিগো এই একটায় সমস্য কবিগো সমলাচোনা করলে হেরা মুইত্যা দিতে চায় ।
হাসান মাহবুব বলেছেন:
হাহাহা! অমিত ডিজুস কবি? ডিজুস কবির সঙজ্ঞা কি জনাব হুদাই ফালপাড়ানি? নীচের কবিতাটা অমিতের লেখা। এইখান থিকা আমারে ডিজুস শব্দ বাইর কৈরা দিবি, নাইলে ছাগলের মত লাফানি অফ করবি।
নিষাদ
সে দুলছিল
দোলনায় তার সাথে ছিলো একগুচ্ছ ফুল
আলনায় সাজিয়ে রেখেছিল একমুঠো সুখ
বেহায়া হাওয়া বার বার টিপে দিচ্ছিল তার গালযুগল
রোদ এসে চিমটি কাঁটছিল তার ঘাড়ে
মেঘ পায়তারা করছিল তাকে বৃষ্টিতে ভেজানোর
তার মন যুগানোতে ব্যস্ত ছিল কপারফিল্ড
তাকে একবার হাসাতে বার বার দড়ি থেকে পড়ে যাচ্ছিল দড়াবাজিকর
তার মা আঁচলে লুকিয়ে রেখেছিল চকোলেটের বাক্স
তার বাবা তিনমাস পর তৃতীয় জন্মদিনের উপহার
কিনতে গিয়েছিল শপিং মল
চাঁদ দাগগুলো মুছে প্রস্তুতি নিচ্ছিল তাকে চমকে দেয়ার
না,
এগুলো কোনটাই ঘটেনি আসলে
এগুলো কবি হওয়ার আপ্রান চেষ্টারত একজনের এ্যাবসার্ডিজম
সেই ব্যাক্তি বালিকাকে তার মনের মত একটি দিন উপহার দিতে
সৃষ্টি করছিল অবাস্তব কিছু দৃশ্য
বাস্তবে,
সে পরে রয়েছিল সরকারী হাসপাতালে
তার নাবালিকা শরীরে পরেছিল কয়েক লক্ষ আঁচড়
তার চোখে ছিল অনিমেষ আতঙ্ক
হাওয়া বহমান ছিল নষ্টা সময়ের দিকে
কপারফিল্ড ছিল কারো ডিভিডির কভারে
মেঘ জড়ো করছিল আমাদের পাপ
দড়াবাজিকর ডুবে যাচ্ছিল বৃত্তাকার ভীড়টার স্বেদে
তার মায়ের আঁচলে ছিল অশ্রুর দাগ
তার বাবা কোথায় ছিল কেউ জানে না
আজকের চাঁদটা ভীষণ কুৎসিত।
এইখানে মানুষ মরে গেছে।তাদের মৃত্যুকালে সেই নাবালিকার বয়স ছিল ২ বছর ৯ মাস।
হুনো, যেইটা তোমার্লাইন না, সেইডা নিয়া লাফায়োনা। নেরুদা বা বোদলেয়্যার পর্ছো জীবনে? হাংরি মুভমেন্ট কি এবং কেন সেটা নিয়া কোন ধারণা আছে? এইটা ঠিক যে, মলয় রায় কে হয় সহ্য করতে পারবা, নয়তো ডাইরিয়া হৈবো। কিন্তু না জাইন্যা একজনরে ডিজুস কবি বলার স্পর্ধা দেখাস কোন সাহসে? আমারে আইজকা তুই প্রমাণ কৈরা দেখাবি অমিত কেমনে ডিজুস কবি হৈলো। কোনো ছাড়াছাড়ি নাই।
আমি ছাড়া সবাই ভাল বলেছেন:
আগে অরন্যরে যে প্রশ্নটা করছি সেইটার উওর দে।ডিজুস কবি কোন অর্থে ব্যবহার করা হয়েছে সে অর্থটা বাহির করতে তোর আরো পাকতে হবে হামা।তারপর ও বলছি ফিল করতে না পারলে পড়বেন না কিন্তু মলয় রায় চৌধুরীর কবিতা নিয়ে মন্তব্য করার স্পর্ধা বাঞ্চনা করবেন। এই লাইনগুলোতেই লুকিয়ে আছে ডিজুস মার্কা আতলামী।
রাজনৈতিক মতাদর্শের মত এখানেও হুমকি ধামকি শুরু করলি নাকি?আর কমেন্টে আরো শালীনতা আশা করছি ।আমার শ্রদ্ধাকে ভয় ভাবলে আমি আঘাত করতে জানি এইডা নিশ্চয় টের পাইছস এতদিনে?
পারলে অরন্যকে করা কমেন্টটার একটু ব্যাখা দিস
আমি ছাড়া সবাই ভাল বলেছেন:
নেরুদা বা বোদলেয়্যার পর্ছো জীবনে? হাংরি মুভমেন্ট কি এবং কেন সেটা নিয়া কোন ধারণা আছে পৃথিবীর অনেক কিছু সম্পকে আমার ধারনা নায়।আমারে রিক্সাওয়ালা টাইপের ব্লগারও ভাবতে পারস।কারণ,আমি কল্পনা দিয়ে নয় রিক্সাওয়ালাদের মত যাপিত জীবনের বাস্তবতা দিয়ে জীবনকে দেখি।
হাসান মাহবুব বলেছেন:
প্রথমত, শারিরীক যন্ত্রণা নিয়া এই কবিতাটা লেখা হয় নাই। এটা তার চেয়েও বেশি কিছু। তবে প্রকাশভঙ্গি দেখে মানুষ ভুল বুঝতে পারে। আর যেসব শব্দের উদাহরণ তুমি দিছো অরণ্যরে কবি কিন্তু সেই টাইপ শব্দ ইউজ করেনাই। যোনী না লিখে তো অন্য কিছুও লিখতে পারতো, তাইনা? অথবা স্তনের পরিবর্তে অন্যকিছু? অমিত ঠিকই বলসে, ফিল ইট। এটা শারিরীক কামনা বাসনার কবিতা না। এটা এক অসহনীয় যন্ত্রনার বহিঃপ্রকাশ। অমিতের লাস্টের কথাটা রূঢ় হৈসে স্বীকার করি! কিন্তু অমিতের মত একজন কবিকে.... কি আর কমু....সকালবেলায় মেজাজটা খারাপ হৈলো বালছাল কতাবার্তা শুইন্যা।
আমি ছাড়া সবাই ভাল বলেছেন:
তবে প্রকাশভঙ্গি দেখে মানুষ ভুল বুঝতে পারে। এই তো লাইনে কথা কইলি।প্রকাশের শালীনতাটাই আসল।
অমিতের লাস্টের কথাটা রূঢ় হৈসে স্বীকার করি
এতজনের সাথে রুঢ আচরন মানতে পারিনাই বলেই জবাবটা দিয়েছি।
কি আর কমু....সকালবেলায় মেজাজটা খারাপ হৈলো বালছাল কতাবার্তা শুইন্যা।
কি করুম ক?রিক্সাওয়ালাদের মত মানসিকতা নিয়া ব্লগাই তাই আমার কথা বালছালের মতই হইব।
ভাল থাকিস।ঝগড়া করার জন্য ঝগড়া না করে আগে বুঝে নিস কে কি বলতে চাই।তারপর আঘাত করিস।
অন্ধ আগন্তুক বলেছেন:
পড়ি, আর বোঝার চেষ্টা করি।দেখি কি বুঝতে পারি।
অমিত চক্রবর্তী বলেছেন:
কবিতাটা আমার কম্পিউটারে ছিলো বলে আর কখনো এইখানে আশা হয় নাই। ফলত আমি ছাড়া সবাই ভালো এই ব্লগারের কথাও শোনা হয় নাই।আপনার সাথে কিছু কথা বলতে ইচ্ছুক জনাব।প্রথমত এই কবিতা নিয়ে বলতে গেলে প্রথমেই আসবে অশ্লীলতা এবঙ আপনাকে আমি বলবো অশ্লীলতা ব্যাপারটা কিন্তু আপেক্ষিক। ঠিক কাপড়ের আয়তন দিয়ে যেভাবে অশ্লীলতা মাপা যায় না ঠিক সেইভাবে শব্দের চেহারা দেখে শব্দের শ্লীলতা বিচার করা ঠিক নয়। কবিতাটি যে প্রেক্ষাপট থেকে মলয় লিখেছিলেন সেই প্রেক্ষাপট বিবেচনা করলে এই লিখাটির সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ন দিক হলো সততা। এই কবিতায় কবি মলয় তাঁর কবিতা রচনাকালের অনুভূতিটি সততার সাথে
প্রকাশ করেছিলেন যা সময়ের বিবেচনায় ছিলো খুবই সাহসী একটা কবিতা। এই কবিতার জন্য তাঁর কাছে কোন বাঁধা বিবেচ্য হয় নি। আমি নিজে কোন মহৎ কবি নই ভাইজান।আমি
শুধু নিজের মন সুস্থ রাখার জন্যই লিখি।কবিতা সত্যিকার অর্থেই আমার সাধনা নয় বলতে পারেন জীবন যাপনের একটি অংশমাত্র।যখন কারো লিখা কবিতা আমাকে সত্যিকার অর্থে স্পর্শ করে তখন আমিও সেই কবিতার অংশ হয়ে যাই,সেই কবিতাও আমার অংশ হয়ে যায়।আমি বলছি না যে হাংরি জেনারেশান বাঙলা সাহিত্যকে অমর করে তুলেছে, আমাদের সাহিত্যভাণ্ডারকে করে তুলেছে বিশ্বের শ্রেষ্ঠতম কিন্তু আমি বলবো হাঙরির সময় আমাদের এক ধরনের প্যাশনেট লিখা উপহার দিয়েছে। দিয়েছে নতুন ধরনের দেখার অল্টারন্যাটিভ। এটুকু কারণেই আমি মলয়কে শ্রদ্ধা করি।আপনি আমার মন্তব্যের প্রেক্ষিতে যা বলেছেন আমি এর কোন প্রতি মন্তব্য বা প্রতিবাদ করব না।হ্যাঁ এটা ঠিক আমার শেষ বক্তব্যটিতে এক ধরনের ঔদ্ধত্য রয়েছে।যার জন্য আমার মনে অনুশোচনাও ছিলো।কারণ আমিও পাঠক, আপনিও পাঠক আর সবাই পাঠক। আমি যদি এই কবিতাকে অসাধারণ বা সময় কে অতিক্রম করা কবিতা বলতে পারি আপনিও এটাকে আপনার পড়া জঘন্যতম কবিতা বলতে পারেন।আমার এই ধরনের মন্তব্য করা উচিৎ হয় নাই এবঙ এই জন্য আমি পূর্বেও লজ্জিত ছিলাম এখনো লজ্জিত।এই ক্ষমাপ্রার্থণায় আমার কোন দ্বিধা নেই।কিন্তু আপনি যে ভাষায় আমার মন্তব্যের প্রতিবাদ করেছেন এটা কিন্তু খুব গ্রহনযোগ্য কোন ভাষা নয়।আমি আপনাকে অফেন্স করে থাকলে আপনি নিজের ভাষাশালীনতার মধ্যে অবস্থান করেও আমার মন্তব্যের প্রতিবাদ করতে পারতেন।হতে পারে আপনার কাছে আপনার ব্যাবহৃত ভাষাটিই শ্লীল।কারণ আমি আগেই বলেছি, শ্লীলতা বা অশ্লীলতা আপেক্ষিক ব্যাপার। যাই হোক আপনি ভালো থাকেন।
আপনার সাহিত্যপাঠ ও সাহিত্য সমালোচনা অব্যাহত থাকুক।
আপনার জন্য নির্মলেন্দু গুণের সামসুর রাহমানের জন্য এলিজি কবিতাটি থেকে একটি পঙতি উদ্ধৃত করছি
"
আমি চাই অকবিত্বের স্বপ্নময় দেশ।
অশ্রুর অপচয় রোধ করার জন্য
আমি এখন বন্ধ করতে চাই
আমার কবিতা লেখার খাতা
"
শুভেচ্ছা আপনাকে জনাব "আমি ছাড়া সবাই ভালো"।
অমিত চক্রবর্তী বলেছেন:
কবিতাটা আমার কম্পিউটারে ছিলো বলে আর কখনো এইখানে আশা হয় নাই।আশা শব্দটির পরিবর্তে আসা পড়তে হবে।
হাসান মাহবুব বলেছেন:
সাহিত্য-ফাহিত্য লাথি মেরে চলে যাব শুভা
গাব্রিয়েল সুমন বলেছেন:
এইখানেএইখানে সমুদ্র ঢুকে যায় নদীতে নক্ষত্র মেশে রৌদ্রে
এইখানে ট্রামের ঘন্টীতে বাজে চলা ও থামার নির্দেশ
এইখানে দাঁড়িয়ে চার্মিনার ঠোঁটে আমি রক্তের হিম ও ঊষ্ণতা
ছুঁয়ে উঠে আসা কবিতার রহস্যময় পদধ্বনি শুনি-শুনি
কবিতার পাশে আত্মার খিস্তি ও চীৎকার এইখানে
অস্পষ্ট কু-আশার চাঁদ এইখানে ঝরে পড়ে গনিকার ঋতুস্রাবে
এইখানে ৩২৩ খ্রীষ্টপূর্বাব্দের কোন গ্রীকবীর রমন বা ধর্ষণের
সাধ ভুলে ইতিহাসে গেঁথে দ্যায় শৌর্য ও বীর্য এইখানে
বিষ্ণুপ্রিয়ার শরীরের নরম স্বাদ ভুলে একটি মানবী থেকে মানবজাতির দিকে
চলে যায় চৈতন্যের উর্ধ্ববাহু প্রেম-সর্বোপরি
ইতিহাস ধর্মচেতনার ওপর জেগে থাকে মানুষের উত্থিত পুরুষাঙ্গ এইখানে
এইখানে কবর থেকে উঠে আসা অতৃপ্ত প্রেমিকের কামদগ্ধ
কয়েকলক্ষ উপহাসের মুখোমুখি বেড়ে ওঠে আমার উচ্চাশা এইখানে
প্রকৃত প্রশ্নিল চোখে চোখ পড়লে কুঁকড়ে যায় আমার হৃদপিণ্ড এইখানে
এইখানে সশ্রদ্ধ দৃষ্টির আড়ালে যাবার জন্য পা বাড়াতে হয়
আমি নারী মুখ দ্যাখার ইচ্ছায় মাইলের পর মাইল হেঁটে দেখি
শুধু মাগীদের ভিড়
সাতাশ বছর-একা একা সাতাশ বছর বেক্তিগত বিছানায় শুয়ে দেখি
মেধাহীন ভবিষ্যৎ জরাগ্রস্ত স্নায়ুমণ্ডলীর পাশে কবিদের কবির কবিতা
চারিধারে ঢিবি দেওয়ালের নীরেট নিঃশক্ত অন্ধকার।
হাসান মাহবুব বলেছেন:
আমার প্রিয় পোস্ট : মলয় রায়চৌধুরী'র কবিতা প্রচণ্ড বৈদ্যুতিক ছুতার
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...























