আমার প্রিয় পোস্ট

What goes around comes around

হিন্দু না ওরা মুসলিম। কাজী নজরুলের এ লিখাটি পড়ার জন্য বিনীত অনুরোধ রইলো।

১৬ ই নভেম্বর, ২০০৭ সকাল ৭:৪০

শেয়ার করুন:                   Facebook

একদিন গুরুদেব রবীন্দ্রনাথের সংগে আলোচনা হচ্ছিল আমার,হিন্দু -মুসলমান সমস্যা নিয়ে। গুরুদেব বললেন:দেখ , যে ন্যাজ বাইরের তাকে কাটা যায়, কিন্তু ভিতরের ন্যাজকে কাটবে কে?
হিন্দু মুসলমানের কথা মনে ওঠলে আমার বারে বারে গুরুদেবের এ কথাটাই মনে হয়।সংগে সংগে এ প্রশ্ন ও উদয় হয় মনে ,যে এ ন্যাজ গজালো কি করে?
এর আদি উদ্ভব কোথায়?
ঐ সংগে এটাও মনে হয়,ন্যাজ যাদেরই গজায়, তা ভিতরেই হোক আর বাইরেই হোক,তারাই হয়ে ওঠে পশু। যে সব ন্যাজওয়ালা পশুর হিংশ্রতা সরল হয়ে বেরিয়ে আসে বাইরে -শৃংগরুপে,তাদের তত ভয়ের কারন নেই,যত ভয় হয় সেই পশুদের দেখে - যাদের হিংশ্রতা ভিতরে,যাদের শিং মাথা ফুটে বেরোয়নি। শিং ওয়ালা গরু মহিষের চেয়ে শৃংগহীন ব্যাঘ্র ভাল্লুক জাতীয় পশুগুলো বেশি হিংশ্র। এ হিসাবে মানুষ ও পড়ে ঐ শৃংগহীন বাঘ ভালুকের দলে।
কিন্তু বাঘ ভালুকের তবু ন্যাজটা বাইরে ,তাই হয়তো রক্ষে।
কেননা, ন্যাজ আর শিং দুই ভিতরে থাকলে কি রকম হিংস্র হয়ে ওঠতে হয় ,তা হিন্দু মুসলমানের ছোরা মারা না দেখলে কেউ বুঝতে পারবেনা। যে প্রশ্ন করেছিলাম,এই যে ভিতরের ন্যাজ এর উদ্ভব কোথায়?আমার মনে হয় টিকিতে ও দাড়িতে।পশু সাজবার মানুষের একি "আদিম"দুরন্ত ইচ্ছা।ন্যাজ গজালো না বলে তারা টিকি দাড়ি জন্মিয়ে যেন সান্ত্বনা পেলো।
সেদিন মানব মনের পশু জগতে না জানি কী উৎসবের সাড়া পড়েছিলো , যে দিন ন্যাজের বদলে তারা দাড়ি টিকির মতো কোনো কিছু একটা আবিস্কার করলো। মানুষের চিরন্তন আত্মিয়তাকে এমনি করে বৈরিতায় পরিনত করা হলো দেওয়ালের পর দেওয়াল খাড়া করে। ধর্মের সত্যকে সওয়া যায়, কিন্তু শাস্ত্র যুগে যুগে অসহনীয় হয়ে ওঠেছে বলেই তার বিরুদ্দ্বে যুগে যুগে মানুষ ও বিদ্রোহ করেছে। হিন্দুত্ব মুসলমানত্ব দুই সওয়া যায়, কিন্তু তাদের টিকিত্ব দাড়িত্ব অসহ্য,কেননা ঐ দুটোই মারামারি বাঁধায়। টিকিত্ব হিন্দুত্ব নয়,ওটা হয়তো পন্ডিত্ব। তেমনি দাড়িও ইসলামত্ব নয়,ওটা মোল্লাত্ব। এই দু "ত্ব"মার্কা চুলের গোছা নিয়েই আজ এতো চুলোচুলি। আজ যে মারামারিটা বেঁধেছে, সেটা ও এই পন্ডিত মোল্লায় মারামারি,হিন্দু মুসলমানে মারামারি নয়। নারায়নের গদা আর আল্লাহর তলোয়ারে কোনো দিনই টুকাটুকি বাধবে না, কারন তার দুজনেই এক ,তাঁর এক হাতের অস্ত্র তাঁরই আরেক হাতের উপর পড়বেনা। তিনি সর্বনাম,সকল নাম গিয়ে মিশেছে ওঁর মধ্যে।এত মারামারির মধ্যে এই টুকুই ভরসার কথা যে,আল্লাহ ওরফে নারায়ন হিন্দুও নন, মুসলমানও নন। তাঁর টিকিও নেই, দাড়ি ও নেই।একেবারে ক্লিন।টিকি দাঁড়ির ওপর আমার এত আক্রোশ এই জন্য যে, এরা সর্বদা স্মরন করিয়ে দেয় যে ,তুই আলাদা, আমি আলাদা। মানুষকে তার চিরন্তন রক্তের সম্পর্ক ভুলিয়ে দেয় এই বাইরের চিহ্নগুলো।
অবতার -পয়গম্বর কেউ বলেননি, আমি হিন্দুর জন্য এসেছি, আমি মুসলমানের জন্য এসেছি , আমি ক্রিশ্চানের জন্য এসেছি। তাঁরা বলেছেন ,আমরা মানুষের জন্য এসেছি-আলোর মতো , সকলের জন্য। কিন্তু কৃষ্নের ভক্তরা বললে, কৃষ্ন হিন্দুর , মুহম্মদের ভক্তরা বললে,মুহম্মদ মুসলমানদের,খ্রীষ্টের শিষ্যরা বললে, খ্রিষ্ট খ্রিশ্চানদের।কৃষ্ন , মুহম্মদ ,খ্রিষ্ট হয়ে ওঠলেন জাতীয় সম্পত্তি। আর এই সমপ্তিত্ব নিয়েই যত বিপত্বি। আলো নিয়ে কখনো ঝগড়া করেনা মানুষ,কিন্তু গরু ছাগল নিয়ে করে।বেশ মনে আছে,ছেলেবেলায় আমরা সূর্য্য নিয়ে ঝগড়া করতা। এ বলতো , আমাদের পাড়ার সূর্য্য বড় , ও বলতো আমাদের পাড়ার সূর্য্য বড়।আমাদের গভীর বিশ্বাস ছিলো,প্রত্যেক পাড়ায় আলাদা আলাদা সূর্য্য ওঠে। স্রষ্টা নিয়েও ঝগড়া চলছে সেই রকম। এ বলছে আমাদের আল্লাহ, ও বলছে আমাদের হরি। স্রষ্টা যেন গরু ছাগল।আর তার বিচারের ভার পড়েছে জাস্টিস স্যার আব্দুর রহিম,পন্ডিত মদন মোহন মালব্য প্রভৃতির উপর। আর বিচারের ফল মেড্যিকাল কলেজে গেলেই দেখতে পাওয়া যায়।
নদীর পাশ দিয়ে চলতে যখন দেখি, একটা লোক ডুবে মরছে, মনের চিরন্তন মানুষটি তখন এ প্রশ্ণ করার অবকাশ দেয়না যে,লোকটা হিন্দু না মুসলমান। একজন মানুষ ডুবছে এটাই হয়ে ওঠে তার কাছে সবচেয়ে বড়।সে ঝাঁপিয়ে পড়ে নদীতে। হিন্দু যদি উদ্দার করে দেখে লোকটা মুসলমান,বা মুসলমান যদি দেখে লোকটা হিন্দু , তার জন্য তো তার আত্মপ্রাসাদ এতুটুকু ক্ষুন্ন হয়না। তার মন বলে , "আমি একজন মানুষকে বাঁচিয়েছি।"
কিন্তু আজ দেখছি কি? ছোরা খেয়ে যখন খায়রু মিয়া পড়লো, আর তাকে যখন তুলতে গেলো হালিম, তখন ভদ্র সম্প্রদায় হিন্দুরাই ছুটে আসলেন,"মশাই করেন কি?মোচলমানকে তুলছেন। ব্যাটা মরুক।তারা অজাতশ্মশ্রু হালিমকে দেখে চিনতে পারেনি যে সে মুসলমান।খায়রু মিয়ার দাঁড়ি ছিলো।
ছোরা খেয়ে যখন ভুজালি শিং পড়ল পথের উপর , তাকে তুলতে গিয়ে তুর্কিছাট দাড়ি শশধর বাবুর ও ঐ অবস্থা।

মানুষ আজ পশুতে পরিনত হয়েছে , তাদের চিরন্তন আত্মীয়তা ভুলেছে।পশুর ন্যাজ গজিয়েছে ওদের মাথার উপর,ওদের সারা মুখে।ওরা মারছে লুংগিকে, মারছে নেংগেটিকে,মারছে টিকিকে, মারছে দাড়িকে। বাইরের চিহ্ণ নিয়ে এই মুর্খদের মারামারির অবসান নেই?মানুষ কি এমনি অন্ধ হবে যে,সুনীতি বাবু হয়ে ওঠবেন হিন্দু সভার সেক্রটারী এবং মুজিবুর রহমান সাহেব হবেন তন্জিম তাবলীগের প্রেসিডেন্ট?

রাস্তায় যেতে যেতে দেখলাম, একটা বলদ যাচ্ছে, তার ন্যাজটা গেছে খসে।ওরই সাথে দেখলাম, আমার অতি বড় উদার বিলেত-ফেরত বন্ধুর মাথায় এক য়্যাব্বড় টিকি গজিয়েছে। মনে হল, পশুর ন্যাজ খসছে , আর মানুষের গজাচ্ছে।

 

 

  • ৩২ টি মন্তব্য
  • ৭১৩ বার পঠিত,
Send to your friend Print
রেটিং দিতে লগ ইন করুন
পোস্টটি ২৩ জনের ভাল লেগেছে, ২ জনের ভাল লাগেনি
১. ১৬ ই নভেম্বর, ২০০৭ সকাল ৮:১১
comment by: ভ্রুক্ষেপিত জ্ঞান বলেছেন: গুড পোষ্ট,৫।
২. ১৬ ই নভেম্বর, ২০০৭ সকাল ৮:১১
comment by: ভ্রুক্ষেপিত জ্ঞান বলেছেন: গুড পোষ্ট,৫।
৩. ১৬ ই নভেম্বর, ২০০৭ সকাল ৯:০৮
comment by: সিঁদুরে মেঘ বলেছেন: খুব ভালো হয়েছে.........৫
৪. ১৬ ই নভেম্বর, ২০০৭ সকাল ৯:২৬
comment by: আওরঙ্গজেব বলেছেন: সালাম।
গুড পোস্ট। ৫।
তবে আমি যতটুকু জানি, মুসলমানরা মোহাম্মদের (সা:) অনুসারী ও খ্রীস্টানরা ঈসা (আ:)-র অনুসারী একথা দাবি করে ঠিক, কিন্তু এই নবীদের শুধু তাদের নিজস্ব অন্য কারো নয় তা দাবী করে না। আল-কোরআনে আল্লাহ স্বয়ং বলেছেন, 'হে নবী (সা:) আমি তোমাকে সমগ্র মানব জাতির জন্য রহমত হিসেবে প্রেরণ করেছি।'
৫. ১৬ ই নভেম্বর, ২০০৭ সকাল ১১:৪৮
comment by: বিবণ বলেছেন: দাদা ধন্যবাদ। কেমন যাচ্ছে? ৫
৬. ১৬ ই নভেম্বর, ২০০৭ দুপুর ১২:৩২
comment by: ফ্লোরা ফেরদৌসী বলেছেন: ভালো লাগলো ৫
৭. ১৬ ই নভেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৩:৩৪
comment by: নাজিরুল হক বলেছেন: "এত মারামারির মধ্যে এই টুকুই ভরসার কথা যে,আল্লাহ ওরফে নারায়ন হিন্দুও নন, মুসলমানও নন। তাঁর টিকিও নেই, দাড়ি ও নেই।একেবারে ক্লিন।"

এভাবে বলাটা ঠিক হবে না। আল্লাহ মানুষের মত না। মানুষের মত কল্পনা করে তার দাড়ি আছে বা একেবারে ক্লিন সেইভ, কথাটা বলা ঠিক হবে না। স্রষ্টা এসব থেকে ভীন্ন। সৃষ্টি জগতের কোন কিছুর সাথে তার মিল নেই।

স্র্রষ্টা তার সৃষ্ট মানুষকে কিছু নিয়ম মেনে চলার কথা শিখিয়েছেন। সে নিয়মটা নিয়েই ঝগড়া বিবাদের সৃষ্টি করা মুর্খতার পরিচয়। আর সেটা তো আর স্রষ্টার দোষ নয়।
৮. ১৬ ই নভেম্বর, ২০০৭ রাত ১১:২৬
comment by: সোনার বাংলা বলেছেন: সহমত@নাজিরুল হক ভাই।
৯. ১৬ ই নভেম্বর, ২০০৭ রাত ১১:৩৬
comment by: প্রশ্নোত্তর বলেছেন: নাজিরুল হক, নজরুল ইসলামরে গিয়া কও!

স্র্রষ্টা তার সৃষ্ট মানুষকে কিছু নিয়ম মেনে চলার কথা শিখিয়েছেন। সে নিয়মটা নিয়েই ঝগড়া বিবাদের সৃষ্টি করা মুর্খতার পরিচয়। আর সেটা তো আর স্রষ্টার দোষ নয়।

মনে হইতাচে, ঠিক মতো শিকাইবার পারে নাই, কি কও?
১০. ১৬ ই নভেম্বর, ২০০৭ রাত ১১:৩৬
comment by: নরাধম বলেছেন: প্প্ম্র................
১১. ১৭ ই নভেম্বর, ২০০৭ রাত ১২:০৯
comment by: প্রশ্নোত্তর বলেছেন: সুনার বাংলা, নজ্রুল না মুরতাদ?
১২. ১৭ ই নভেম্বর, ২০০৭ ভোর ৫:০৭
comment by: আবদুর রাজ্জাক শিপন বলেছেন: জরুরী । শো কেসে রাখলুম ।
১৩. ১৭ ই নভেম্বর, ২০০৭ রাত ১১:৫৭
comment by: ভাঙা চাঁদ বলেছেন: ঝাক্কাস লেখা। মামা জন্মদিনের মেইল পাইছিলা?
১৪. ১৯ শে নভেম্বর, ২০০৭ রাত ১২:০৫
comment by: অজানা অচেনা বলেছেন: অত্যন্ত সময়োপযোগী পোস্ট। ৫।
@ভাঙা চাঁদ, অনর মামার জন্মদিন হত্তে আসিল? দত ন ফাইলাম দে...???
১৫. ১৯ শে নভেম্বর, ২০০৭ রাত ১:০৯
comment by: চিটি (হামিদা আখতার) বলেছেন: ভালো পোষ্ট।
১৬. ২০ শে নভেম্বর, ২০০৭ রাত ২:৫১
comment by: তানজিলা হক বলেছেন: আমার মনে হয় যত কিছুই বলেন বিশ্ব ভ্রমান্ড যতদিন থাকবে টিকিত্ব ও দাড়িত্ব থাকবে।
ভালো লিখেছেন..........৫
১৭. ২২ শে নভেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৪:৪১
comment by: অজানা অচেনা বলেছেন: কি বদ্দা, অনে হড়ে গিয়ন?
নতুন পোস্ট হ্ই?
১৮. ২৪ শে নভেম্বর, ২০০৭ রাত ৯:০৩
comment by: মুকুল বলেছেন: নতুন পোস্ট কৈ?
১৯. ২৫ শে নভেম্বর, ২০০৭ রাত ১২:০১
comment by: আহমেদ শারফুদ্দীন বলেছেন: বদ্দা কেঁন আছন। কিছু ব্যাপারে খঠকা আছে।

৫ দিয়ি
২০. ২৫ শে নভেম্বর, ২০০৭ ভোর ৫:১২
comment by: সুলতানা শিরীন সাজি বলেছেন: ভালো লাগল.
শুভেচ্ছা....।
২১. ২৫ শে নভেম্বর, ২০০৭ রাত ৯:০৮
comment by: শেখ জলিল বলেছেন: জ্ঞানগর্ভ।
২২. ২৬ শে নভেম্বর, ২০০৭ দুপুর ১২:৫৮
comment by: েজবীন বলেছেন: ভাল লাগল।

নতুন লেখা কই?
২৩. ২৬ শে নভেম্বর, ২০০৭ দুপুর ২:২৪
comment by: সুখী মানুষ বলেছেন: স্রষ্টা যেন গরু ছাগল।আর তার বিচারের ভার পড়েছে জাস্টিস স্যার আব্দুর রহিম,পন্ডিত মদন মোহন মালব্য প্রভৃতির উপর। আর বিচারের ফল মেড্যিকাল কলেজে গেলেই দেখতে পাওয়া যায়। ----- আগের যুগের এই সহজিয়া উদাহরন দিয়ে মজা করার রিতি এখনের সাহিত্যে আর নেই :( । আরিফ ভাই, আপনকে ধন্যবাদ... (আপনার কোন পুষ্টেই আমি ভোট দেই না, কারন আমি জানি আপনার লেখায় নাম্বার দেয়ার যোগ্যতা আমার নেই)
২৪. ২৯ শে নভেম্বর, ২০০৭ রাত ২:৩৭
comment by: বিহংগ বলেছেন: সবাইকে বিনীত ধন্যবাদ।
২৫. ২৯ শে নভেম্বর, ২০০৭ রাত ৯:৩৮
comment by: ললিতা বলেছেন: ৫
২৬. ৩০ শে নভেম্বর, ২০০৭ রাত ১:৪২
comment by: আহমেদ শারফুদ্দীন বলেছেন: বদ্দা, আঁই ভালা আছি। অনর খবর কি ????
২৭. ৩০ শে নভেম্বর, ২০০৭ রাত ২:৫৫
comment by: মুনিয়া বলেছেন: ভালো লাগল লেখাটা... ৫
২৮. ০৭ ই ডিসেম্বর, ২০০৭ সকাল ৯:৫৬
comment by: বিহংগ বলেছেন: ভ্রুক্ষেপিত জ্ঞান
সিঁদুরে মেঘ
আওরংগজেব
বিবন
ফ্লোরা
নাজিরুল
সোনার বাংলা
প্রশ্নোত্তর
নরাধ্ম
আব্দুর রাজ্জাক শিপন
ভাংগা চাঁদ
অজানা অচেনা
চিটি
তানজিলা হক
মুকুল
আহমেদ
সুলতানা
শেখ জলিল
জেবীন
মোহাম্মদ অরুন
ললিতা
মুনিয়া
সবাইকে নিরন্তর ধন্যবাদ।

২৯. ০৭ ই ডিসেম্বর, ২০০৭ সকাল ১০:০০
comment by: চতুরভূজ বলেছেন: ৫
অনেক দিন পর এলাম বলে অনেক দিন পর কমেন্ট করলাম। আমাকে ধন্যবাদ দিতে ভুলবেননা যেন।
কেমন আছেন?
৩০. ১৫ ই ডিসেম্বর, ২০০৭ ভোর ৫:৩২
comment by: ধ্রুব বলেছেন: ৫+
৩১. ২৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ সকাল ৭:২৮
comment by: ফারলিন বলেছেন: একজন মানুষ ডুবছে এটাই হয়ে ওঠে তার কাছে সবচেয়ে বড়।

এমনই তো হওয়া উচিত।
৩২. ২১ শে আগস্ট, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:১৩
comment by: শিমু নুমান বলেছেন: প্লাস
আমার ব্লগে দাওয়াত

 



 


কারো কারো জীবন হঠাৎ করেই বদলে যায়,
আবার কেউ জীবনের ৃণ শোধে নিজেই জীবন বদলায়।,
কারো জীবনের ফানুস কালের আকাশে সারা দিন...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই

সর্বমোট হিট

 ৬৫০৫৯