আমার প্রিয় পোস্ট
- আসলাম.......। - দখিনা
- আমার প্রিয় ছড়া - আমিই রূপক
- বিশ্বের অর্থনৈতিক ধ্বস ও বাংলাদেশের শেয়ার বাজার - আছহাবুল ইয়ামিন
- স্টক মার্কেট নিয়ে কিছু কথা ...... (ভূমিকা) - দিনমজুর
- পুঁচকিদের ঝাকানাকা নাচ - রুখসানা তাজীন
- দখিনা বারান্দা - এক্স ফাইলস্
- Nothing else matters--Metallica - রাশেদ
- ভালো লাগা প্রিয় কবিতারা- ১৫ (নিষিদ্ধ সম্পাদকীয়--হেলাল হাফিজ ) - আবদুর রাজ্জাক শিপন
- ভাগিনা তুমি অনেক অনেক দিন বেঁচে থাকো!!! - সেকেতুরে
- ভালো লাগা প্রিয় কবিতারা- ৪ (অন্ধকার--জীবনানন্দ দাশ) - আবদুর রাজ্জাক শিপন
- তোমাকে বলবো না, কারণ.... - ৃৃমম
- মজারী ছবি--০১ - আন্ধার রাত
- ও আলোর পথের যাত্রী, জীবনের ধ্রুবতারা..... - ৃৃমম
- আমার ভালবাসা নিলাম হয়েছে (উৎসর্গ বিহংগদাকে) - শতরূপা
- ৩০ বছর পরেও আমি স্বাধীনতাটাকে খুঁজছি... - ব্লুজ
- ধন্যবাদ বিহংগ - সারিয়া তাসনিম
- Right here waiting... - ভাবনা
- ......ড: আনোয়ার হোসেন, ঢাকা বিশ্ব: , নজরুল এবং রবীন্দ্রনাথ - সন্ধ্যাপ্রদীপ
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর - একটি অহেতুক বিতর্কের জবাব - সু-শান্ত
- সংকল্প - স্বপ্নচারিণী
- ভাষা আন্দোলনের প্রথম কবিতা - ফকির ইলিয়াস
- যেভাবে কাটলো ব্লগারদের মিলন মেলা - সুখী মানুষ
- খোদার ওপর খোদকারী - দিগন্ত
- আমেজিং বাট ইউজলেস... - শীখা
- একজন বাবা ; তাঁর ষ্টুপিড ছেলের কাছে - আহমেদ শারফুদ্দীন
- বাঙ্গালির আন্দোলনের স্লোগানমালা: '৫২ থেকে '৭১ (দ্বিতীয় পর্ব--'৬৯-'৭১) - ফারহান দাউদ
- ৭১ এর উদ্বাস্তু : (ফটোব্লগ) - মেহরাব শাহরিয়ার
- সে কোন মানবী! - কালপুরুষ
- আজকের যায়যায়দিনে ব্লগারদের ভার্চুয়াল রাউন্ড টেবিল আলোচনা ছাপা হয়েছে - মাহবুব মোর্শেদ
- স্বার্থপরের পদাবলী - অজানা অচেনা
- লুই কান এবং বাংলাদেশ - তানভীর
- সবার জন্য দরকারী কিছু ওয়েবসাইট এর ঠিকানা - রন্টি চৌধুরী
- সান্তনা নয় প্রার্থনা ,বলে অস্ফুটে কানে কানে - সিঁদুরে মেঘ
- বাংলাদেশী ‘ডিয়াসপোরা’ ও জাতিসংঘে আমাদের পরিচয় উপস্থাপনা - শামসুজ্জামান সিদ্দিকী শাহীন
- জীবনের প্রয়োজনে জীবন যেখানে পরাজিত।(চতুরভূজ) - চতুরভূজ
- সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাংলা গান : আমার সোনার বাংলা....... - সালাহউদ্দীন মুহম্মদ সুমন
- ২৬ মার্চ, ১৯৭১ মুজিবের স্বাধীনতা ঘোষনার একটি প্রমাণ : টেলেক্স প্রিন্ট আউট - অমিত
- ভুলে ভরা ডাইরি - নাদান
- রাম আমার ভাই, রহিমও আমার ভাই। - পাশা
- বৃষ্টির জলে হাত ভিজাই ( তৃতীয় পর্ব ) - ইরতেজা
- দু টাকার গল্প - মাছরাঙ্গা
- গুগল কথন ৫ - কর্মীরা যেখানে রাজা - রাগিব
- সাড়ে সাত হাজারের ভেলরি, আড়াই লাখের শফি সামি, আর দুই পয়সার আমরা.. - আরিফ জেবতিক
- ইচ্ছে পাখী - কালপুরুষ
- হতাশাবাদী আর অবিশ্বাসীদের জন্য.... - মানবী
- বৃষ্টির জলে হাত ভিজাই ( প্রথম পর্ব ) - ইরতেজা
- Just to share with you...."" what Does Love mean"" - নতুন
- আমার কালো রঙ কি গৌঢ় হবে ? - কালো
- অমনিবাস : আমার কিছু পংতিমালা - আইরিন সুলতানা
- সাহিত্যে নোবেল মাল্য ডোরিস লেসিংয়ের গলায় - ফয়সল
- এক সানকির ইয়ার - শিলা
- একজন পাকিস্তানির দৃষ্টিতে আমাদের স্বাধীনতা যুদ্ধ ও বঙ্গবন্ধু(১) - শওকত হোসেন মাসুম
- সব বাবারা দেখতে এক রকম! - মানবী
- প্রণমী তোমায় - কালপুরুষ
- বউনি - আত্রেয়ী
- মেধাপাচার বনাম মেধাবিকাশ - সন্ধ্যাপ্রদীপ
- প্রিয় বিহংগকে - পুতুল
দিনমজুরের পোস্ট ধরে সন্ধ্যাপ্রদীপের পোস্ট ,সেখানেই আমার উপলব্ধি,উপলক্ষ সমাজতন্ত্রে মুক্তির উপায়।
১৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সকাল ৮:০১
পুঁজিবাদের শোষন আর অর্থনৈতিক মুক্তির লক্ষ্য সামনে রেখে যে সমাজতান্ত্রিক ব্যবস্থার উদ্ভব এ বিষয়ে কোনো সন্দেহ নেই।
কিন্তু সফল কতুটুকু ।
সোস্যলিজম নিয়ে কার্ল মার্ক্স কি অনেক বেশী লিখেছিলেন তা কিন্তু না।
কিন্তু এ পরিকল্পনা বাস্তবায়নের মূল আর্কিটেক্ট ছিলেন-বিপ্লবী লেনিন।
১৯১৭ সালের বিপ্লবের পর চার বছরের মাথায় ১৯২১ সালের মধ্যে ১৪% গ্রোস উতপাদন হৃাস পায় ,যদি মেমোরী সঠিক হয়ে থাকে। মনে হয় , এই পরিসংখ্যানই লেনিনকে নতুন পরিকল্পনার দিকে এগিয়ে নেয়। আর তা হলো-NEP New Economic Policy যা ছিলো অনেকটা পুঁজিবাদ আর সমাজবাদের মিশেল। ঠিক তখন লেনিন এ প্রক্রিয়া বাস্তবায়নের প্রাক্কালে বলেছিলেন-গনিতের মূল চারটি নিয়ম জানা মাত্র মানুষের কাছেই সমাজতান্ত্রিক এ অর্থব্যবস্থা সুফল বয়ে আনবে।এবং তাদের নিকট বোধগম্য হবে। কিন্তু দূর্ভাগ্যজনকভাবে তা হয়নি এবং পারেনি রাশিয়ার অর্থনীতিতে গতি সন্চালন করতে। সম্ভবত ১৯২৭ সালের শেষের দিকে নতুন শাসক স্ট্যালিন এ ব্যবস্থারও পরিবর্তন করেন।
তারপরও শোষনবাদ আর অর্থনৈতিক নৈরাশ্যের মুক্তির আশায় টিকে ছিলো ৭০ বছর।
মূল অর্থ আইনের একেবারে চারিত্রিগত পরিবর্তন,উতপাদন ব্যবস্থার মন্দাভাব,মূল্য ব্যবস্থা সঠিক ভাবে আরোপিত না হওয়া,মুনাফার আশা মুখ্য না হওয়ায় প্রতিযোগিতা কমে যাওয়া, বেসিক উপযোগের চাহিদা হারানো -যেমন,সরকারী হসপিটালের প্রতি অবহেলা অন্যদিকে সামরিক ক্ষেত্রে সর্বোপরি সুযোগ দেয়া। এর বাইরে আরো কিছু কারন এসে যায়।
ভোক্তা আর উতপাদনকারীর মাঝে সামন্জস্য না থাকা, ঠিক তেমনি ভাবে কায়িক শ্রম আর মানসিক শ্রমকে একেবারে একি মানদন্ডে বিচার করা।শহুর ভাবধারায় গ্রামকে নগরায়নের চেস্টা। সমসাময়িক বিশ্বব্যবস্থায় পুঁজিবাদী রাস্ট্রের সাথে পাল্লা দেয়া, অথবা পারস্পরিক অসহযোগিতা।
আসলে বইয়ের লিখিত তথ্যে আর ব্যবহারিক প্রয়োগ সম্পূর্ন ভিন্ন জিনিস।
There was always a vast and widening gap between theory and practice.
এ প্রসংগে
আমার ছোট একটি কৌতুক মনে পড়ে গেলো-
পড়ালিখা শেষে ছেলে গ্রামে গেছে । বাপের সাথে গেলো এক গ্রামে দাওয়াত খেতে। কিন্তু ওরা মনে করেছিলো শুধু বাপই যাবে দাওয়াত খেতে। তাই খাবার টেবিলে ছিলো শুধু মাত্র ১ টা ডিম। এখন বাপ পড়েছেন চিন্তায়। কী করা যায়।
কিন্তু বাপ ছেলেকে সান্ত্বনা দিয়ে বলে বাবা- "মনে করো" বাটিতে ২টি ডিম আছে।
বাপ বলে -আমি দেখি ১ টা ডিম তুই ২ টা বলিস কেন?
ছেলে বলে- বাবা , "মনে করো"-এখানে ২টি ডিম, যাতে হিসাব মিলাতে সহজ হয়।
তখন বাপ রেগে গিয়ে বল্লেন- তুর "মনে করো" টা তুই খা। আর ডিম টা আমি খাই।
সমাজতন্ত্র যদি সফল হতো আশাকরি সবার ভাগ্যে ডিম জুটতো।আমরাও খুশী হতাম। গানিতের বইয়ের অংকও সহজে মিলে যেতো।
কিন্তু ৭০ বছর পর বুঝা গেলো -বইয়ের সে ডিম -আসলে বেশী মানুষের পাতে যায়নি।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ, কোলাহল ভাই।
আসলে এ আমার একান্ত উপলব্ধি।
বুঝার চেস্টায় আছি।
মন্তব্যের জন্য সাধুবাদ।
ছক্কা হাজী বলেছেন:
গ্লাসোনস্তো আর পেরেস্ত্রেইকা - এর পরে ছমাজতন্তরো আর আছে নাহি ?
কোলাহল বলেছেন:
ভাই বাদ দেয়া যায় না@ বিহঙ্গ। মুরব্বী মুরব্বী লাগে সমাজতন্ত্র নিয়ে আমিও আপনার মত বুঝার চেস্টায় আছি। আমি যতটা বুঝেছি তাতে এটা মুলত অর্থনীতিভিত্তিক একটা মতবাদ। বাস্তবিক খুব একটা ফলপ্রসু হয়নি।
আপনাকেও সাধুবাদ।
লেখক বলেছেন: কোলাহল সরি,
ভালো থেকো ।
অনেক অনেক ধন্যবাদ।
নরাধম বলেছেন:
বিহংগভাই, অনেক ধন্যবাদ। আমার মনের কথা।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।অনেক।
আলী আরাফাত শান্ত বলেছেন:
সমাজতন্ত্র বিশাল আদর্শিক চেতনা।এইটা বাস্তবায়নে খুব ডেডিকেটেড থাকা প্রয়োজন।চমৎকার পোষ্ট।+।একমত।
লেখক বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ।
কোলাহল বলেছেন:
নরাধমের উপন্যাস শেষ হয়েছে? উপন্যাসের ভয়ে আমি আপনার ব্লগে ঢুকতে পারছিনা।
লেখক বলেছেন: হাঃহাঃহাঃ
নরাধম বলেছেন:
কোলাহল, আমার কালজয়ী উপন্যাসের কথা বলতাছেন? সেটা তো আর লিখতাছিনা। আমার দ্বারা ওগুলা সম্ভব না।
লেখক বলেছেন: অবশ্যই সম্ভব।
বুড়া শাহরীয়ার বলেছেন:
ভাল লাগল +
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ, শাহরীয়ার ভাই।
আবূসামীহা বলেছেন:
লেনিনের NEP কিছুটা কৃষি উৎপাদন বাড়িয়েছিল। স্টালিনের ভারী শিল্পোৎপাদনের মোহ আর মানব প্রকৃতি বিরোধী collective farming এর নামে করা commune গুলো সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নকে খাদ্যের ক্ষেত্রে সম্পূর্ণভাবে আমদানি নির্ভর করে দেয়। একই অবস্থা হয়েছে চীনে। মাও-এর ৫ সালা পরিকল্পনাগুলো খাদ্য এবং শিল্পোৎপাদনে চীনকে কোনভাবেই সফল করেনি। আর সমালোচকদের কন্ঠরোধ করতে তিনি চালু করলেন সাংস্কৃতিক বিপ্লব, করতে চাইলেন চীনাদেরকে তাদের সাংস্কৃতিক শেকড়ের বন্ধন থেকে আলগা। লাভতো কিছুই হয়নি। আর তাই তাঁর মৃত্যুর সাথে সাথেই অর্থনৈতিক সমাজতন্ত্রেরও মরণ ঘটেছে চীনে। দেং ঝাও পেং রাজনৈতিক ক্ষেত্রেই শুধু একদলীয় ব্যবস্থা চালু রাখলেন - এক দেশ দুই ব্যবস্থা হিসেবে।আকর্ষণীয় স্লোগান দিয়ে মানুষকে আকৃষ্ট করতে পারলেও মানুষের সমস্যার স্থায়ী সমাধানে কার্যত ব্যর্থতারই পরিচয় দিয়েছে সমাজতন্ত্র।
লেখককে ধন্যবাদ, আলোচনার জন্য।
লেখক বলেছেন: আপনাকেও অসংখ্য ধন্যবাদ আলোচনায় অংশ গ্রহন করার জন্য।
বেশ কিছু জানতে পারলাম।
দ্বিজেন শর্মা দীর্ঘ ৩৪ বছর সোভিয়েত রাশিয়ায় বাস করেও সমাজতন্ত্রেরবব্যাপারে কোন নিশ্চিত সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে পারেন নি। 'সমাজতন্ত্রে বসবাস' বইটিকে দ্বিজেন শর্মা নিজেই 'স্বপ্ন ও স্বপ্নভঙ্গের ইতিবৃত্ত' বলে বর্ণনা করেছেন। বইটির ভূমিকায় তিনি লিখেছেন, "দীর্ঘকাল ওখানে বসবাস সত্ত্বেও সমাজতন্ত্রের গলদ ও সঙ্কটের আলামত কেন আঁচ করতে পারিনি এমন স্বাভাবিক প্রশ্ন অনেকেই জিজ্ঞেস করেন। প্রশ্নটি নিজেকেও করি, কোন সদুত্তর পাই না, অথচ অনেককে এ দেশে পা দেওয়া মাত্রই সমাজতন্ত্রের ভবিষ্যত্হীনতা সম্পর্কে নিশ্চিত হতে দেখেছি। আর্থার কুয়েসলারের 'ডার্কনেস অ্যাট নুন' বইটির কথা মনে পড়ে। পড়ার শুরুতে দিশেহারা হলেও শেষাবধি সামলে উঠেছি এবং ওগুলো বুর্জোয়া প্রচার বলে নিজেকে প্রবোধ দিয়েছি। গরিব দেশের অমানবিক সমাজের বাসিন্দার জন্য সমাজতন্ত্রে আস্থা স্থাপন ব্যতীত কি কোনো বিকল্প পথ থাকে? ধনবাদী রাজনীতিক ও বুদ্ধিজীবীরা তো আমাদের সসম্মানে বেঁচে থাকার কোনো বিকল্প পথের দিশা দিতে পারেন না। তাই সমাজতন্ত্রে আত্মসমর্পণই একজন গরিব বা বিবেকবান মানুষের নিয়তিকল্প হয়ে ওঠে। সোভিয়েত ইউনিয়নে সমাজতন্ত্রের পতনের পরেও ব্যবস্থাটিকে নিছক ইউটোপিয়া বলে নাকচ করে দিতে পারিনি। তবু নানা প্রশ্ন, নানা সংশয়। এই বাস্তব অবস্থা এখন স্বতঃস্পষ্ট যে, সমাজতন্ত্রের স্বপ্ন যতই রঙিন আর উদ্দীপক হোক না কেন, সেটি নির্মাণ সুকঠিন। আবার এটাও সত্যি যে কঠিন বলেই তা মানব প্রজ্ঞার আয়ত্তাতীত হতে পারে না। প্রকৃতির নিয়মগুলো আবিষ্কারের মাধ্যমে যেভাবে প্রকৃতিকে মানুষ পোষ মানিয়েছে সেভাবেই হয়তো সমাজ বিকাশের নিয়মগুলোর সঠিক প্রয়োগের মাধ্যমে একদিন এই সমস্যার নিষ্পত্তি তথা ব্যষ্টির বিকাশকে সমষ্টিক বিকাশের মধ্যে আত্তীভূত করা সম্ভব হবে।"
বিহংগ ভাই- আপনার একান্ত উপলব্ধির সাথে আমিও একমত- "কিন্তু ৭০ বছর পর বুঝা গেলো -বইয়ের সে ডিম -আসলে বেশী মানুষের পাতে যায়নি।" +
লেখক বলেছেন: সমাজতন্ত্রের স্বপ্ন যতই রঙিন আর উদ্দীপক হোক না কেন, সেটি নির্মাণ সুকঠিন। আবার এটাও সত্যি যে কঠিন বলেই তা মানব প্রজ্ঞার আয়ত্তাতীত হতে পারে না। প্রকৃতির নিয়মগুলো আবিষ্কারের মাধ্যমে যেভাবে প্রকৃতিকে মানুষ পোষ মানিয়েছে সেভাবেই হয়তো সমাজ বিকাশের নিয়মগুলোর সঠিক প্রয়োগের মাধ্যমে একদিন এই সমস্যার নিষ্পত্তি তথা ব্যষ্টির বিকাশকে সমষ্টিক বিকাশের মধ্যে আত্তীভূত করা সম্ভব হবে।"
কৈলাশ ভাই, অনেক অনেক ধন্যবাদ।
সুন্দর মতামতের জন্য।
চিটি (হামিদা আখতার) বলেছেন:
তোমার লিখা খুব ভালো লাগে। যদি এসব ত্বত্ত কোনো দিন বোধগম্য আমার হয়না।একটা ব্যাপার হাড়ে হাড়ে বুঝা যায়, আমেরিকাতে সমাজতন্ত্রের মন্ত্রটা indirectly প্রয়োগ করে গণতন্ত্রের বাশিঁ বাজায়।
লেখক বলেছেন: আমারও মাঝে মাঝে তাই মনে হয়।
মিজান ভাইয়ের কী খবর।
নতুন চাকুরি কেমন চলছে উনার।
দোলাহাসান বলেছেন:
বইয়ের ডিম বেশী মানুষের পাতে যায়নি- একমত
লেখক বলেছেন: আপনাকে বিনীত ধন্যবাদ।
সব লিখাই দেখি আপনি নিয়মিত পড়েন।
চিটি (হামিদা আখতার) বলেছেন:
মিজান নতুন চাকুরী নিয়ে ভালো আছে।
লেখক বলেছেন: গুড ফর হিম।
কোলাহল বলেছেন:
চিটি বলেছেন: একটা ব্যাপার হাড়ে হাড়ে বুঝা যায়, আমেরিকাতে সমাজতন্ত্রের মন্ত্রটা indirectly প্রয়োগ করে গণতন্ত্রের বাশিঁ বাজায়।কথাটা আমি ঠিক বুঝতে পারলাম না।
বিহংগ বলেছেন:
সমাজতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থার মূল কথা হলো-centrally planned economy in which gvt, controlls all means of financial activities. আর আমেরিকা-মূলত ৫০ টি অংগরাজ্যে বিভক্ত হলে ফেডারেল রিজার্ভ সিস্টেমের আওতাধীন
অর্থ ব্যবস্থা আর মুদ্রার মূল কর্তৃত্বতো ফেডারেল গভরমেন্টের বাইরে না।
হয়তোবা এটা বিবেচনা করেই উনি একথা বলতে পারেন।
আমার ভুলও হতে পারে।
এম.এ.হামিদ বলেছেন:
There will always be a gap between theory and practise but it is the duty of the practioner to bridge the gap.
বাকী বিল্লাহ বলেছেন:
জানা থাকা দরকার, সমাজতন্ত্র সমানাধিকারের তত্ব নয়। সমাজতান্ত্রিক উৎপাদন ব্যবস্থা এমন আসমানী কিছু নয় যে তা পুজিবাদী উৎপাদন প্রক্রিয়া থেকে পুরো ভিন্ন হবে। এ ভুলগুলো সবাই করে, এখানেও হয়েছে। সমাজতন্ত্র হচ্ছে একটা অন্তবর্তীকালীন অবম্থা যেখানে ভোগের বৈষম্য কমিয়ে আনা হয়। সমাজতন্ত্র পুজিবাদের উৎপাদন প্রবাহকে সুষম বন্টনের দিকে চালিত করে। সমাজতান্ত্রিক অর্থনীতি এইরূপ, এরকম কোন মানদন্ড নেই। এখন যদি বলা হয়, পুজিবাদের মত করে উৎপাদন করেছে বলে সমাজতন্ত্র ব্যর্থ, সেটা হাস্যকর। কে একজন বলেছেন, কমিউন চর্চা করতে গিয়ে সোভিয়েত খাদ্য আমদানী নির্ভর হয়ে পড়ে, এটা একেবারেই বানানো কথা। আর একটা কথা বোঝা দরকার, পুজিবাদী দুনিয়ায় সোভিয়েত ৭০ বছর টিকে ছিল। কিন্তু যেদিন সমাজতান্ত্রিক দুনিয়া হবে, সেখানে পুজিবাদ এক দিনও টিকবে না।"সমাজতন্ত্রের স্বপ্ন যতই রঙিন আর উদ্দীপক হোক না কেন, সেটি নির্মাণ সুকঠিন। আবার এটাও সত্যি যে কঠিন বলেই তা মানব প্রজ্ঞার আয়ত্তাতীত হতে পারে না। প্রকৃতির নিয়মগুলো আবিষ্কারের মাধ্যমে যেভাবে প্রকৃতিকে মানুষ পোষ মানিয়েছে সেভাবেই হয়তো সমাজ বিকাশের নিয়মগুলোর সঠিক প্রয়োগের মাধ্যমে একদিন এই সমস্যার নিষ্পত্তি তথা ব্যষ্টির বিকাশকে সমষ্টিক বিকাশের মধ্যে আত্তীভূত করা সম্ভব হবে।"
ঠিক আছে।
নবজন্ম বলেছেন:
ভাল লাগল।
দিনমজুর বলেছেন:
অনেক বড় একটা কেন্ট লিখে যদি দেখা যায়, লগ আউট হয়ে গেছি, এবং সেটা সেইভও করা হয়নি, তবে কেমন লাগে????
আমার প্রচণ্ড বিরক্ত লাঘছে!!!!!!
সরি,
আবার লেখতে হবে কমেন্ট টা......
দিনমজুর বলেছেন:
সারা রাত জেগে অফিসে এসেছি, তার উপরে কমেন্ট খোয়া গেল, একদম ধৈর্য হচ্ছে না। রাতে লিখবো....
তবে আপনি সাম্যবাদীর পোস্টে আমার কমেন্ট পাবেন, এবং সন্ধাপ্রদীপের পোস্টেও আমার অনেক কমেন্ট পাবেন এই বিষয়ে, এবং আমার একটি পোস্ট নোবেল বক্তৃতা সিরিজের ৬ষ্ঠ পর্বে- এমএহামিদের সাথে ডিবেটেও আমার কিছু কমেন্ট পাবেন। @কৈলাশ
দিনমজুর বলেছেন:
সন্ধাপ্রদীপের পোস্টের লিংকঃ
Click This Link
এই পোস্টেই সাম্যবাদীর পোস্টের লিংক পাবেন।
আমার পোস্টের লিংকঃ
Click This Link
লিংকের জন্য ধন্যবাদ। সময় করে পড়বো।
দিনমজুর বলেছেন:
ঠিক আছে, ধৈর্য ধরে শুরু করে দেই......
বিহংগ,
আপনার কমেন্ট / পোস্টের ব্যাপারে আমার বক্তব্যঃ (নিচ থেকে উপরে)
১। আপনি মন্তব্যের শেষে যে পিতা-পুত্রের যে কৌতুকটি উল্লেখ করলেন, সেটির ব্যাপারে প্রথমে কিছু বলি, তারপরে সোভিয়েত ইউনিয়নের ইতিহাসটি সম্পর্কে বলবো।
আপনার কৌতুকটিতে মানুষের সহজাত প্রবৃত্তি আত্মকেন্দ্রিকতা- এটা দেখানোর জন্য যে উদাহরণটি দিলেন- সেখানে মনে হতে পারে, পিতা নিজে না খেয়ে পুত্রের মুখে ডিমটি তুলে দেয়ার ঘটনা বা পুত্র নিজে না খেয়ে পিতার মুখে তুলে দেয়ার ঘটনা আজকের বাস্তবতায় বিরল!!! এটা যদি মেনেও নিই, তারপরেও এটুকু বলতে হচ্ছে, এই সমস্ত আত্মকেন্দ্রিকতা, স্বার্থপরতা মানুষের মধ্যে এই পুঁজিবাদ তৈরি করছে।
ঐ নৈতিকতা কেন্দ্রিক আলোচনা থেকে বেরিয়ে এসে- অন্য দিক থেকে আলো ফেলি- একটি সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্র এরকম ঘটনাটিতে- পিতা বা পুত্রের কারো জন্য ঐ ডিমের পুরোটা অপরিহার্য না হলে- তাদের দুজনকে সমান দুভাগে ভাগ করে দেয়া হবে যতদিন না ডিমের প্রাচুর্য তৈরি হচ্ছে।
এখন প্রাচুর্যের বিষয়টি একটু ব্যাখ্যা করি। আমরা যার প্রাচুর্যের মধ্যে বাস করি- সেটির জন্য কি আমাদের মাঝে কাড়াকাড়ি- মারামারি থাকে?? যেমন বাতাস, যতক্ষণ বাতাসের প্রাচুর্য আছে, ততক্ষণ কি বাতাস নিয়ে কোন কাড়াকাড়ি বা লোভের বিষয় ঘটে?? বা পানি, যেসময়ে আমাদের সামনে পানির প্রাচুর্য থাকে, তখন কি সেই পানি নিয়ে কোন কাড়াকাড়ি দেখেছেন- অথচ- এখন যখন পানির সংকট তৈরি হয়, তখন এই পানির জন্য খুন-খারাবিও হতে পারে!!!
প্রশ্নটি হলো, সাম্যবাদী সমাজে- সবকিছুর প্রাচুর্য কি সম্ভব??? হুম হতে পারে, এখন পর্যন্ত বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি যে অবস্থানে গিয়ে পৌচেছে- তাতে মানুষ চাইলে- নিজেদের সমস্ত চাহিদা মেটানোর মত উতপাদনের সামর্থ রাখে (পুঁজিবাদী ব্যবস্থার কৃত্রিম ও অসংলগ্ন চাহিদার কথা এখানে ধরা হয়নি)। একটু উদাহরণ দেই, আজকের দুনিয়ার যদি মাত্র ৩/৪ টি দেশ যে পরিমাণ খাদ্য শস্য উতপাদন করে- তাই দিয়ে দুনিয়ার তাবত মানুষকে তিন বেলা খাওয়ানো সম্ভব। কিন্তু পুঁজিবাদী কাঠামোতে বাস্তবতা হলো এই যে, দুনিয়ার ৮৫৪ মিলিয়ন মানুষ ক্ষুধার্ত; যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, অস্ট্রেলিয়ার উদ্বৃত্ত খাদ্য খেতে পচিয়ে ফেলা হবে, গবাদী পশুকে খাওয়ানো হবে, সমুদ্রের মাছকে বিলানো হবে, তবু উগাণ্ডা-রুয়াণ্ডা-অমালিয়া প্রভৃতি দেশের হাড্ডিসার মানুষগুলোর পেটে তা যাবে না!!!!
আসলে- পুঁজিবাদী সমাজে তাই দারিদ্র আজ কৃত্রিমভাবে তৈরি করা, ....
এবং আপনার গল্পের ঐ আত্মকেন্দ্রিকতাও এই সমাজব্যবস্থারই সৃষ্টি!!!!!!
দিনমজুর বলেছেন:
২। সোভিয়েত ইউনিয়নের ইতিহাসটি একটু বলছি, সংক্ষেপেই....
প্রথমে স্বীকার করতে হচ্ছে যে, ১৯২১ এ এসে উতপাদন আসলেই অনেক কমেছিল- ১৪% এরও বেশি কমেছিল, কৃষি উতপাদন অর্ধেকে নেমে আসে, এবং শিল্প উতপাদন আগের বছরগুলোর তুলনায় এক সপ্তমাংশে নেমে আসে।
কিন্তু কেন ও কিভাবে???
সেই পরিস্থিতি মোকাবেলা করলো কিকরে???
এবং এমন অবস্থা থেকে অর্থনীতিকে এক দশকের মধ্যে দুনিয়ার মধ্যে লিডিং পর্যায়ে নিয়ে গেল কি করে???
এক দশকের মধ্যে লিডিং পর্যায়ে চলে গিয়েছিল- এই কথাটি আপনার পোস্টের ৭০ বছরে সম্ভব হয়নি- এই কথার সাথে বিরোধার্ত্মক। চাইলে আপনাকে এর বিভিন্ন খাত ধরে দেখিয়ে দেয়া যেতে পারে, শুধু একটা কথা বলি- ১৯৩০ এর যে মহামন্দায় গোটা পুঁজিবাদী দুনিয়া পর্যুদস্ত, সেই সময়টাতে এর সামান্যতম আচ লাগেনি সোভিয়েতে!!!!!
কিভাবে সম্ভব হলো????
একটু ভেবে দেখবেন,
আমার ব্যাখ্যা পরে মানে রাতে দিচ্ছি, এখন অফিস ছুটি, বাড়ির উদ্দেশ্যে রওয়ানা দিবো...........
সন্ধ্যাপ্রদীপ বলেছেন:
দিনমজুর,১৯৩০এর মহামন্দা সোভিয়েতে লাগেনি কারন সোভিয়েত অর্থনীতি ছিল অন্তর্মুখী । বৈদেশিক বানিজ্য কিংবা অর্থনীতি যত উন্মুক্ত হবে বহির্বিশ্বের বিজনেস সাইকেল ততটা ঘাত-প্রতিঘাত দেবে । সোভিয়েতের তা ছিলনা ।
আপনার গতকালের আলোচনার সু্ত্রে বলি, করপোরেট পুজি মুনাফা-বিনিয়োগ আর উতপাদনশীলতা এতটা দ্রুত এগিয়ে নেয় যে (নতুবা সারভাইবাল অব দ্য ফিটেষ্ট অনুযায়ী তা ভেংগে পরবে) ১৯৫০ এর দশকে যেখানে সোভিয়েত আর পশ্চিমারা একই রকম জাতীয় আয় ভোগ করত, ৩০-৪০ বছর পর সেখানে সোভিয়েতরা পিছাতে পিছাতে
তাদের এক-পন্চমাংশে এসে ঠেকে, আজো তাদের সেই অবস্থা ।
সমাজতন্ত্রের লিমিটেশানটা হলো আবেগ সেখানে সক্ষমতাকে ছাড়িয়ে যায়, ফলে তা সাসটেইনেবল থাকেনা । মৌল চাহিদার সরকারী যোগান দেবার অর্থনৈতিক সক্ষমতা তৈরি হোক বা না হোক সমাজতান্ত্রিক বিপ্লবের পরদিনই তা কার্যকর করা হয় । উদ্দেশ্য মহৎ, এ নিয়ে দ্বিধা নেই । কিন্তু আমি বলছি সাসটেইনাবিলিটির কথা ।
সোভিয়েত যুগে তাই আমরা দেখি তাদের অর্থনৈতিক সক্ষমতা মার্কিনিদের থেকে বহুগুন কম হলেও তদের সামাজিক ব্যয় বেশী, যার বোঝা দীর্ঘ দীর্ঘদিন টেনে নেয়া কঠিন । সোভিয়েতের পতন তাই যতটা রাজনৈতিক, তার থেকে ঢের বেশী অর্থনৈতিক ।
দিনমজুর বলেছেন:
সরি, গতকাল অফিস থেকে বাসায় গিয়ে কোন রকমে কিছু পেটে তুলেই ঘুম......
আজকেও মনে হয় বেশিক্ষণ সময় দিতে পারবো না, টানা ছুটি- ফলে বেশ কিছু কাজ করতে হচ্ছে অফিসে- একটু ব্যস্ত.....
সন্ধ্যায় আবার ঢাকার বাইরে যাব, তিনদিনের ছুট ঢাকার বাইরেই কাটাবো, তবে কাল নিশ্চিতভাবেই বেশ কিছু কথা বলবো......
তবে সন্ধাপ্রদীপের উদ্দেশ্যে দুটি কথা বলতেই হচ্ছে........
১। মহামন্দার আঘাত কেন লাগেনি সেটি সামনে এনে কি বলতে চাইলেন??
সে সময়ে গোটা দুনিয়ায় উতপাদন কমেছে, কোটি কোটি মানুষ বেকার হয়ে দারিদ্রের চরমে পৌচেছে- আর উল্টোদিকে সোভিয়েত ইউনিয়নে উতপাদন বেড়েছে ২০০% এরও বেশি!! এখন কারণ যেটি বললেন- সেটিও পরিস্কার নয়, তারপরেও সেটিকে ঠিক ধরলেও তো বলতে হয়- সমাজতান্ত্রিক অর্থনৈতিক কাঠামো অনেক বেশি সাসটেইনেবল।
২। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তি থেকে যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতির গতি-প্রকৃতি কি হয়? আর সোভেয়েত ইউনিয়নের অর্থনৈতিক অবস্থা কি হয়, কেন হয়??
সোভিয়েত ইউনিয়ন কেন ধীরে ধীরে পড়তির দিকে গেল, কি কি সমস্যা ছিল, সেটা পরে আলোচনা অবশ্যই করবো, কিন্তু আপনি যে মাথাপিছু আয়ের পার্থক্য দেখালেন- সেটা একধরণের হাস্যকর উপস্থাপনা পুঁজিবাদী/ নিওলিবারেল অর্থনীতিবিদদের। তারা উন্নতির মাপকাঠির জন্য এই মাথাপিছু আয়, প্রবৃদ্ধি প্রভৃতিকে সকলের সামনে নিয়ে এসে বিভ্রান্তই করতে চায়।
আমার পোস্ট পড়ার আহবান জানিয়েছিলাম- আপনি এখনও পড়েননি... যাহোক, দুটি পোস্টের কিছু তথ্য এখানে তুলে দিচ্ছিঃ
...... মার্কিন সরকারের ঋণ বুশ ২০০১ এর জানুয়ারিতে ক্ষমতায় আসার সময় ৫.৬ ট্রিলিয়ন ডলার থেকে লাফিয়ে এখন হয়েছে ৯ ট্রিলিয়ন ডলার। ......
এই বাজেট ঘাটতি ও ঋণের উপর সুদ- যুক্তরাষ্ট্রের ঋণের বোঝাকেই বাড়াচ্ছে, যেটি এ মুহুর্তে ৯ ট্রিলিয়ন ডলারেরও উপরে গিয়ে পৌঁছিয়েছে।
CBO এর হিসাব মতেআগামী এক দশকে ঋণের সুদবাবদই গনতে ২.৯ ট্রিলিয়ন ডলার। .......
মজার ব্যাপার, এই ঋণের বোঝাটা পড়বে- সাধারণ মানুষের উপর, কেননা- এত কিছুর পরেও যুক্তরাষ্ট্রের ধনিক গোষ্ঠীর ধন ঠিকই বাড়ছে!!! এর ফলাফলটা হবে- সরকার চালিত স্বাস্থ্য সেবা ও অবসর কর্মসূচি বন্ধ করে দেয়ার প্রস্তাব ইতিমধ্যেই উঠেছে!!! কিন্তু ধনিক অংশের অবস্থাটি একটু দেখুন (যাদের আয় দিয়ে আপনার মাথাপিছু গড় আয় এত উপরে!!!)ঃ
......এই 'ধনীতম'' দেশেও আছে বিশাল বৈষম্য।
যুক্তরাষ্ট্রে মাথাপিছু গড় সম্পদ ১৪৪,০০০ ডলার, এবং এটি দুনিয়ার দেশসমূহের মধ্যে সর্বোচ্চ, যেখানে ভারতে মাথাপিছু গড় সম্পদের পরিমাণ ৬৫০০ ডলার, যেটি সর্বনিম্ন (যেসব দরিদ্র দেশের ডাটা পাওয়া গেছে তাদের মধ্যে)। আর, যুক্তরাষ্ট্রেই সবচেয়ে বেশী সম্পদ কেন্দ্রীভূত আছে।
রিপোর্ট অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ ১% এর কাছে আছে দেশটির মোট সম্পদের ৩২.৭%, এই হিসাবে যুক্তরাষ্ট্র দ্বিতীয়তে অবস্থান করছে, কেননা প্রথম অবস্থানটি সুইজারল্যান্ডের। সুইজারল্যান্ডের শীর্ষ ১% এর কাছে আছে ৩৪.৭%।
WIDER এর রিপোর্টে বিভিন্ন দেশ ও এলাকা অনুযায়ী সম্পদের বৈষম্যের চিত্রও তুলে ধরা হয়েছে। উদাহরণ হিসাবে বলা যায়, দুনিয়ার সম্পদধারীদের মধ্যে শীর্ষ ১০% ও শীর্ষ ১% এর উল্লেখযোগ্য অংশই যুক্তরাষ্ট্রের (যথাক্রমে ৩৭% ও ২৫%)। আবার যুক্তরাষ্ট্রের মোট জনগণের(২০ বছরের উর্ধে) ৪৫.৫% ই (৯২ মিলিয়ন লোক) দুনিয়ার শীর্ষ ১০% সম্পদধারী লোকের তালিকায় অবস্থান করে। .....
উপরের আলোচনা দুটি আমার যে দুটি পোস্টের অংশ বিশেষ, সেগুলি হচ্ছেঃ
১। যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধখরচ, ( Click This Link)
২। অর্থনৈতিক বৈষম্যঃ বিশ্ব-পরিস্থিতি ( Click This Link)
আশা করি পোস্টদুটি পড়বেন।
এরশাদ বাদশা বলেছেন:
এ বিষয়গুলো আমার কাছে তেমন পরিষ্কার না আরিফ ভাই। তবে আপনার লেখনির তারিফ তো করতেই হয়।++
প্রণব আচার্য বলেছেন:
যতবার আপনেরে কমেন্ট দিতে গেছিততবার নেট থেকে বিচ্ছিন্ন হইছি!
শুধু এই বইলতেছি, সমাজতন্ত্রই একমাত্র
সবার পাতে ডিম নিশ্চিত কইত্তে পারে.....
এবঙ সমাজতন্ত্র প্রতিষ্ঠা সম্ভব......
এই ক্ষেত্রে ফিদেল ক্যাষ্ট্রোর কিউবা স্মরণযোগ্য
ভাঙা চাঁদ বলেছেন:
খুব কঠিন জিনিস, বোঝার চেষ্টা কইরা বুঝতে না পাইরা হাল ছাইরা দিলাম।মামা আপনারে আমার ব্লগে এখন দেখা যায় না কেন?
রোদ্দূর মিছিল বলেছেন:
প্রিয় বিহংগ, অনেকদিন আপনার সাথে দেখ হচ্ছেনা ব্লগে। ভাল আছেন তো?
বিবর্তনবাদী বলেছেন:
বাস্তব আর কল্পনার দূরত্ব যতখানি, সমাজতন্ত্র ও বাস্তবের দূরত্বও ততখানি। অনেক দেরীতে পড়লাম পোস্ট। ভাল লাগল। কেমন আছেন?
প্রণব আচার্য বলেছেন:
বিবর্তনবাদী, আপনার উপলব্ধি যথার্থ নয়।আমেরিকার উঠোনের মধ্যে কিউবার সমাজতন্ত্রের দিকে তাকান।
শুধু দরকার কাষ্ট্রোর মতো নেতা।
তাহলেই দেখবেন আপনার উল্লেখিত দুরত্ব নেই আর;
বিহংগ ভাই, কই উড়াল দিলেন?
বলাকা বলেছেন:
আপনার ব্লগ গুরে গেলাম। আপনার প্রতিটি লেখা অনেক তথ্যমুলক, আমার কাছে খুব ভালো লেগেছে। শুভেচ্ছা রইলএখানে কি আলোচকদের আলোচনার সব ভান্ডার শেষ হয়ে গেল? এভাবে যদি শুরুতেই শেষ হতে থাকে তাহলে কোন আলোচনাই যে পূর্ণঙ্গতা লাভ করতে পারবে না কোন দিন।

















বাস্তবিক এ নীতি কার্যকর কঠিন ব্যাপার এবং কিছুটা মানুষের প্রকৃতিবিরোধী। কায়িক শ্রম আর মানসিক শ্রমকে একেবারে একি মানদন্ডে বিচার করা সমাজ তন্ত্রের একটা প্রধান দূর্বলতা।
বিহংগ খুব ভালো লিখেছেন।