গ্লোবাল ভয়েস অনলাইনের একটি প্রতিবেদন বাংলা অনুবাদ করার সময় উক্ত পোষ্টের থেকে জ্ঞাত জাপানের কিছু ব্যতিক্রমী এবং কার্যকরী উদ্ভাবনার প্রতি সবার দৃষ্টি নিবন্ধন করার উদ্দেশ্যে সেই পোষ্ট থেকে হুবুহ বাংলা করা কয়েকটি প্যারা তুলে দেয়ার ইচ্ছায় এই পোষ্টের অবতারণা করা হচ্ছে।
একটু ভূমিকা নিতে গেলে বলতে হয়...বর্ধিষ্ণু জনসংখ্যার এই পৃথিবীর বুকে টিকে থাকতে হলে বর্তমানে মানুষকে অনেক নব প্রযুক্তির উদ্ভব ঘটিয়ে চলতেই হবে...এই গেড়াকলে আটকে গেছে সভ্য মানুষ।
প্রযুক্তির এই উদ্ভাবন দৌড়ে পিছিয়ে পড়াই অনুন্নয়নের বর্তমান কারন।
এই যেমন দেখুন বাংলাদেশে কয়েকদিন আগে পত্র পত্রিকায় ব্লগসমূহে একটা খবর বেশ চাউর হয়েছিল: পাথড়কূচি পাতা দিয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন , কিন্তু খবরের পরেই সেটা থেমে গেছে ..হয়তো এর আর কোন অগ্রগতি আমরা কোন দিন শূনবোও না আর। হতে পারে ঐ প্রযুক্তি ভায়াবল নয় তথাপি গবেষণা এগিয়ে নিতে হয়...তাহলে নতুন দিক উন্মোচন হয়....
কিন্তু সম্ভব নয়---কারন উই আর পুয়র বিকস উই আর পুয়র।
গ্লোবাল ভয়েস অনলাইনের সেই পোষ্টটির মূল ইংরেজী পড়ুন
গ্লোবাল ভয়েস অনলাইনের সেই পোষ্টটির বাংলা অনুবাদ পড়ুন
এবার নিচে দুটি ব্যবহার্য বস্তুর ব্যতিক্রমী উদ্ভাবন প্রযুক্তি হুবুহু সেই পোষ্ট হতে কপি পেষ্ট করে দিলাম নিচেঃ
প্রথমত, ‘কলা’ শার্ট।
একটি জাপানী কোম্পানী একটি নতুন ধরনের ফাইবার তৈরীতে সফল হয়েছে যা তৈরী করা হয়েছে সূতা এবং কলার বোঁটা (বিগত কয়েক বছরে এক বিলিয়নেরও বেশী কলার বোঁটা জঞ্জাল হিসেবে ফেলে দেয় হয়েছে) হতে প্রস্তুত পদার্থ একত্রে মিশিয়ে।
তারা ইতিমধ্যে এই নতুন ফাইবার হতে শার্ট এবং ট্রাউজার বানিয়েছে এবং বসন্তে জিন্সও বাজারে চলে আসবে।
দ্বিতীয়ত, বাঁশ।
একটি ব্যবসায়িক কোম্পানী বাঁশ হতে প্রস্তুত এক ধরনের ফাইবার উদ্ভাবন করেছে।
বাঁশ ঝাড় দ্রুত বেড়ে ওঠে এবং পরিবেশের উপর স্বল্প বোঝা হয়ে থাকে কারন যে পরিমান কার্বন ডাই অক্সাইড এরা শোষন করে তার পরিমাণ খুব বেশী। শুধুমাত্র এই এক কারনেই বাঁশ ঝাড়ের বৃদ্ধি তাই পরিবেশের নিজের জন্যই পরিবেশ বান্ধব। তাছাড়া সূতির চেয়ে ১/২০ ভাগ কম দামে এর উপকরণ পাওয়া যায়।
১০০% বাঁশের তৈরী পণ্যের মধ্যে বর্তমানে কেবল তোয়ালে আর টিস্যু পাওয়া যায়।
এবার দেখুন ‘কম্পন থেকে প্রস্তুত বিদ্যুৎ এর কথা'।
কম্পন থেকে বিদ্যুৎ তৈরী মানে হলো সেই সব এলাকায় বিদ্যুৎ তৈরী যেখানে কম্পন খুব বেশী, উদাহরণ স্বরূপ সেতু এলাকা বা টিকেট গেইট এর কথা বলা যেতে পারে যেখানে মানুষ এবং গাড়ী ক্রমাগত আসে যায়।
এই প্রযুক্তি প্রকৃতপক্ষে বর্তমানে টোকিওর গোসিকি জাকুরা বড় সেতু [আংশিক] আলোকিত করার কাজে ব্যবহৃত হচ্ছে। সূর্যাস্ত হতে মধ্যরাত পর্যন্ত সেতু আলোকিত হয় কম্পন শক্তি দ্বারা যা কিনা বিদ্যুৎ শক্তি হিসাবে দিনের বেলা জমা করে রাখা হয়।
তাত্ত্বিকভাবে যেখানেই কম্পন সৃষ্টি হয় সেখানেই জ্বালানী শক্তি উৎপাদন সম্ভব যেমন কিবোর্ড টাইপিং বা ধাবমান বস্তুর গতি প্রভৃতি হতে। এটা প্রচুর পরিমাণে বিদ্যুৎ উৎপাদনের পরিবর্তে কেবল প্রয়োজন এর সাথে সংগতিপূর্ণ শক্তি উৎপাদনের সম্ভাব্যতা জাগায়।
এবার পড়ুন এয়ারকন্ডিশন কম ব্যবহার তথা বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের একটা ব্যবস্থার কথা।
....এনটিটি আরবান ডেভেলপমেন্ট কোঃ এর সম্পত্তি শহুরে নেট মিতা দালানগুলোর উদাহরণ দেয়া যেতে পারে যেখানে পরিবেশবান্ধব কার্যক্রমের অংশ হিসেবে আমরা মিষ্টি আলু জন্মিয়েছি। একই মূল্যে পাচ্ছি দুটো সুফল যার মধ্যে একটি: টাটকা সব্জি এবং সাথে সাথে জ্বালানী বাঁচানো।
যদিও খোলা পাথুরে ঢালাই চত্বর ৫৫ ডিগ্রী তাপমাত্রাতে পৌঁছায় গরমকালে, মিষ্টি আলুর পাতাগুলোর ছায়ার নিচে মেঝের তাপমাত্রা সহনীয় পর্যায়ে মাত্র ২৮ ডিগ্রীতে থাকে। অভাবনীয় এক ফলাফল। যেহেতু এই পদ্ধতি দালানের ভেতরের তাপমাত্রাকে নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করে তাই শীততাপনিয়রন্ত্রণ যন্ত্র কম ব্যবহার হবে।
[আমার পিতা মাতার দৃষ্টিতে] ‘ছাদের মধ্যে বনায়ন’ এর অনেক নতুন পদ্ধতি সম্পাদনের জন্য এখন থেকেই শুরু করা উচিৎ।
ঃ আসলে এরকম বুদ্ধিমত্তাময় প্রযুক্তি না বাড়ালে আমাদের মত গরিব দেশের কপালে আরো দুর্ভোগ সামনে.......জ্বালানী যে কমে আসছে ।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

