অনেক দিন লেখা টেখা হয়না। না ব্লগে না খাতায়, না পাতায়। সময় পাইনা।
সময়কে কি আর আসলে পাওয়া যায়, সময়ের কাছে ধরা দিতে হয়, এই ধরা দেয়ার কাজটি করা সম্ভব , কিন্তু তাও করা সম্ভব হচ্ছে না। পুরাতন শত্র“তা সময়ের মাঝে নির্জন গুঞ্জন তুলে বিগড়ে দিয়েছে তার মন আমার প্রতি বিরূপতায়।
অধুনা ঘড়িতে সময়এক ঘন্টা এগিয়ে দেয়ার মত পুরষ্কার দেয়া হলো সময় কে। তবে মাঝে এক ঘন্টা চিরতরে উধাও হওয়ায় সমযের মাঝে অবোধ্য উচাটন ভাব জেগে উঠতে পারে ...যদিও উঠবে না , কারন সময আপন গতিতে বহমান , কারই বা ধার সে ধারে বলুন?
সময়ের আপন মাঝে কোন তরঙ্গ ঢেউ না খেললেও তার এই এক ঘন্টা অগ্রগামীতার পরিবর্তন আমারে গতকাল বেশ কষ্ট দিয়েছে ...সেই সুদূঢ় ঢাকা হতে মুন্সীগঞ্জ কর্মস্থলে ছুটির দিনেও গাড়ীবিনে আমাকে ছুটে আসতে হলো , সিস্টেমে একটা ছোট কমান্ড দিয়ে সময় এর হিসেবটা এক ঘন্টা আগায়ে দেয়ার জন্য। উহ! ঘন্টা আগানোতে সময়ের উপর রোদের তেজ একটুও কমেনি...ভেবেছিলাম বাপু এক ঘন্টা বেশী আলো আর রোদ দিবি তা রয়ে সয়েই দেবে...বরং তেজ যেন আরও একটু বাড়তিই..
বাসায় ফিরে দুপুরের আর বিকেলের মাঝে সম্বনয় করতে করতেই সন্ধ্যা ঘনিয়ে আসে এক ঘন্টা এগানোর প্রথম দিনে। এদিকে
প্রতিদিন রাতে মোটামুটি দশ পর্যন্ত আমার অবিবাহীত এই জীবনের বহিবাটীতে আড্ডা পর্ব চলে। সেইটা ১০টাই মানে পুর্বেকার ৯ টা করবো , নাকি নতুন ১১টা মানে পূর্বেকার সেই ১০টাই রাখব ভাবতে ভাবতে ক¤প্রমাইসের মইধ্য আসলাম ১০:৩০ মানে পূর্বেকার ৯:৩০টা অবধি।
নিশাচর ট্রেইনি এই আমার সবচেয়ে সমস্যা শুরু হলো গভীর রাতে...রাত যত বাড়ে..মনে হতে থাকে দুর গতকাল তো এই সময় জেগেই ছিলাম...২ টায মনে হয ...২ টা মানতো ১ টা ...এইটা কি আর আমার ঘুমের টাইম হতে পারে.........
মনে করার এই রোগ থেকে মুক্তির নির্বোধ কিন্তু শক্তিশালী উপায় ভেবে তাই সকালে যত ঘড়ি চোখে পড়ে, মোবাইল , পিসি মিসি সব খানে এক্করে পুরান টাইম অতীত করে এক ঘন্টা সামনে আগাই দিলাম আর মনটারে বুঝাইলাম...ঘড়ির কাটার কোন পরিবর্তন .....সেটা আবার কি...কখন হইলা..
না স্বপ্ন দেখছি ...কিছুই ঘটেনাই।
কিন্তু দুপুরে যখন ২ টার সময় যোহরের আযান কানে এল তখন কেনো জানি মন ঐ অপরিবর্তন জনিত প্রবোধ আর মানতেই চায়না............

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

