টুয়েন্টি২০ খেলা হয় আর কতক্ষনই বা , এই তো সাড়ে তিন, পৌণে চার বা চার ঘন্টাই , এর বেশী তো নয়। এক ঘন্টা আগানো সময়ে ৯:০০ টায় ( আগের সময়ে ৮:০০) শুরু হলো কাঙ্খিত শ্রীলংকা আর পাকিস্তানের ফাইনাল মানে চূড়ান্ত খেলা। বহিঃবাটি যায় নি আজ কেবল এই খেলা দেখার জন্য। আড্ডার সাধ খেলায় মিটবে।
অথচ এই খেলা চলা কালিন বিদ্যুৎ বিভ্রাটের হিসেব টা করে নিলে খেলা আর কিই বা দেখলাম বুঝবেন..
শ্রীলংকার ব্যাটিংয়ের সময় বিদ্যুৎ গেলো ৩ য় অভারেই
বারান্দায় দাড়ালে পশ্চিম দিকে ৮০ গজ দূরে এক বাসার জানালার গরাদ ফুড়ে দৃষ্টি এগিয়ে নিলে টিভির মধ্যে নড়াচড়া খানিকটা বোঝা যায়। সেই জানালাটাও পেলাম বন্ধ।
বিদ্যুৎ এল ফিরে যখন বাকী ৪.৫ ওভার। মানে ১৬.২ ্ওভার শেষ হবার পর। দেখলাম মাত্র সাঙ্গাকারা ৫০ করল। স্বল্প রান দেখে শ্রীলংকার প্রতি রাগ টা ও এলো একই সাথে।
পাকিস্তানের ব্যাটিং শুরু হলো ...ঠাণ্ডা হিসেবের খেলাটা দেখেও শ্রীলংকাকে জেতানোর একটা গোপন মানসিকতা পোষন তখনও করছি মনে। ১৪/১৫ ওভারের সময় আবার গেলো বিদ্যুৎ ...
এবার বারান্দায় গিয়ে নিচে কিছু মানুষের চিৎকারে , উল্লাসে জানালায় দৃষ্টি ছূড়ে বুঝলাম ..ঐ তো শ্রীলংকা হেরে গেলো ৮ উইকেটে ৭ বল বাকী থাকতেই ( সম্ভবত- এখনও বিদ্যুৎ আসেনি...দূর থেকে ফলাফল যা বুঝলাম আর কি)...
যা সব ভালো তার শেষ ভালো যার..শ্রীলংকা এইখানে ডিফলটার হইলো...
প্রবাদ মানলে শ্রীলংকা আমার মনে বেদনা জাগালো।
সকাল থেকে বিদ্যুৎ মিয়াকে আজ যতবার পলায়ন করতে দেখা গেলো আমার অবস্থানের মাঝে ... এক ঘন্টা আগানোর ফল না পাওয়ার সন্দেহটা আমার এবার আরও দৃঢ়তায় বেড়ে গেলো...
পুরো শরীর ঘামে ভিজে জবজব --কন তো বিছানাটা ভিজিয়ে লাভ আছে?
এদিকে ১২:৫৭ বাজে অথচ মস্তিষ্ক ভাবতে চায় ১১:৫৭ ...ঘুম কি আর অত এগোনো পিছানো বোঝে বা বোঝে বিদ্যুৎ...
আসলে এসব বদলে যাওয়া, পরিবর্তন , ডিজিটাইজড --বললে আর করলেই হয় না, সেটাকে উপযোগীতা দান করতে হয়...নির্যাস নিংড়ে ফল ফলাতে হয়...
না হলে শ্রীলংকার মত তীরে এসে তরী ডুবে যেতে আর কতক্ষণ ই বা লাগে..
[ অপেক্ষায় আছি ১:৩০টায় ব্রাজিল আর ইটালীর ফুটবল খেলাটা দেখব, জানি না বিদ্যুৎ মিয়ার মন গলবে কি না]

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

