কাল রাতে যেন অমৃত খেলাম ....গত সপ্তাতেই চোখে পড়েছিল ইন্ডিয়ান রেষ্টুরেন্টটা , তারপর আর খুঁজে পাচ্ছিলাম না। এত বেশী হাঁটছি এই সেনেজন শহরে রোজ আমি ....কোথার দৃশ্য কোথায় গিয়ে মনে জুড়ে যায় মাঝে মাঝে মিক্সডআপ হয়েই যায়। পকেট থেকে আমি আর সাথে বিশম্ভার দার মোট মিলে ১০৪ ইয়ান খসে গেলো অথচ একটুও কষ্ট হলো না, দেশী স্বাদ সারারাত হালকা স্বপ্নের হাত থেকে বাঁচিয়ে তো দিয়েছে।
পথিক নামটার স্বার্থকতা এখানে স্পষ্ট রাখতে পারছি.....অন্য কলিগরা উঠল মেট্রোতে একটু আরাম করে লহুতে শপিং এ যাবে, আমি বললাম সামন্য পথ ..হেঁটেই আগে যাওয়া যাবে, চারতলা আন্ডারগ্রাউন্ডে নেমে ১.৫/২মি পথ যাওয়ার জন্য মেট্রোতে উঠার কি দরকার ...
সাথে তাই বিশম্ভর দা কে নিয়ে রওয়ানা দিয়েই দিলাম..অচেনা রুট ধরে....এবং সত্যি আমরা মেট্রোোয়ালদের সাথে একই সময় পৌঁছেগেলাম।
...............কত নিসংকচে রাত বিরাতে হেঁটেই চলেছি এই রং চঙা যান্ত্রিক শহরে...অথচ কল্পনাই করা যায় না আমাদের প্রিয় বাংলাদেশের প্রাণকেন্দ্র তীব্র ঘনবসিতর ঢাকা শহরে। এই জিনিসটা দেশে গেলে একটু হলেও পীড়া দেবে বুঝতে পারছি।
শংকাহীনতার থেকে ঢাকা বাসীর মুক্তি নেই ..নেই। ......................আমারা যান্ত্রিক সভ্যতার কাঙাল নই ...শংকামুক্তীর কাঙাল তো বটেই ........বটেই..., তাই না।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

