গতকাল ক্রিকেট খেলায়াড়দের কিছু অধুনা স্বীকৃতির পুরষ্কার প্রদান অনুষ্ঠানে বোর্ড সভাপতি জনাব লোটাস কামালের উদ্ধত্য পূর্ণ বক্তব্য বিষয়ক খবর ইতিমধ্যে জাতি জেনে গেছে খুব ভাল ভাবেই।
উনি খেলা করেন না খেলা করে খেলোয়াড় রা , খেলোয়াড়রা খেলা করেই বলে একটা বোর্ড দরকার হয়েছে এবং যে কোন ভাবে উনি সেটার সভাপতির পদ আসিন করেছেন।
এ দেশে কর্তা ব্যক্তি ( যদিও কর্তা ব্যক্তি বলা উচিৎ না এই সভ্যতার চরম যুগে, সবাই নিদির্ষ্ট কাজের কর্মী আসলে) রা চেয়ারের উচ্চতায় চরম গরমে নিজেকে অনেক কিছূ ভাবেন এবং সে ভাবে সব মুখের জোড়ে ছাই এর মত উড়াতে থাকেন। তাই বলে যে ক্রিকেট আমাদের এত আশঅ ভরসা সেখানেও এই রম।
অবশ্য নুতন কিছূ না , এর পূর্বে সেই গর্ডন গ্রীনিজের চলে যাওয়ার ঘটনা তেও আমরা দেখেছি। পরে জেনেছি।
গ্রীনিজ খেলোয়াড়দের পক্ষেই তো কথা বলতে গিয়েছিলেন শুনেছি।
ঠিক এই বিষয়টা ঘটে দেখেছি অনেক ক্ষেত্রে সচিবালয়ে। অনেকক্ষেত্রে, সব ক্ষেত্রে নয়।
যেমন - স্বাস্থ্য মন্ত্রনালয়ের সচিব নিয়মতান্ত্রিক কারনে ডাঃ হবেন না সেটাই স্বাভাবিক প্রাকটিস এবং রুল। কারন চিকিৎসা ক্যাডার থেকে সচিব হন না। হন অন্য জেনরালে , বিশেষ করে অ্যাডমিন ক্যাডাররের কেউ। যিনি ডাঃ না হওয়াই স্বাভাবিত।
তো যখন কোন বড় সিদ্ধান্তের প্রয়োজন হয়, তিনি সম্ভবত পরামর্ম নেবেন স্বাস্থ্য ডিজির কাছে...( যিনি ডাঃ অবশ্যই) , কিন্তু ঐ যে চেয়ারেরর কারনে দেখা যাবে প্রধান কর্তার মনে কোন এমন খেয়াল যদি আসে যা মেডিক্যাল ব্যস্থায় ঠিক দরকার নেই, কিন্তু ডিজি বা অন্য ডাক্তার রা চেয়ারের দাপটে সরাসরি ডিনাই করার সাহস পাবে না । ঘটে এমন ঘটে।
উপরের ওটা একটা উদাহরণ , হয়তো স্বাস্থ্য মন্ত্রনালয়ে সেটা নাও ঘটতে পারে। কিন্তু যেহেতু মানুষের চেয়ে পদ বড়, তাই এমন ঘটনা খুব স্বাভাবিক যে কোন সরকারী বিভাগে।
সে যাক, খেলায় আসি। খেলা নিশ্চয় এত সহজ কর্ম নয়। অনেক কিছূ এর সাথে রিলেটেড তো অবশ্যই। উন্নয়নশীল দেশ এই বাংলাদেশ এত সমস্যার পরেও এই ওরা যা খেলছে , সেটা কি আসলেই খুব একটা খারাপ? না মোটেও।
আমরা সাপোর্টার রা মাঝে মাঝে মনে মনে , প্রকাশ্যে খেলোয়ারদের গালি দেই ঠিকই , কিন্তু ভালও তো কম বাসি না। আশা তো কম করি না।
আর দায়িত্ব সম্পন্ন একজন কতা ব্যক্তি ২য় টেস্টের মাত্র ১ দিন পূর্বে খেলোয়াঝ্ড়দের উজ্জীবিত না করে উল্টো ডিমরালাইজড করে তুলছে।
ভেরী ভেরী হতাশাব্যঞ্জক।
একজন অতি সাধারন ক্রিকেট প্রেমী হিসেবে আমি এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানাই।
লোটাস কামালের সাথে একটি বিশেষ ক্রিকেট দলের অতি সুসস্পর্ক এবং সেই দল মানে আবাহনীর লীগে মোহামেডানের কাছে হেরে যাওয়র ঘটনা নাকি সাকিবের প্রতি তার মনে বিদ্বেষ ঘটিয়ে থাকবে , কালের কণ্ঠের এমন ঘটনা উল্লেখ মনে আরো কষ্ট দেয়। এমনটি কেনো হবে?
খেলাটাকে তো আমরা পুরো তিক্ততা এবং দুর্নীতি মুক্ত আশা করেতই পারি। না হলে আর এত প্রত্যাশা কেনো?
এত ঝামেলার মাঝে খূদে খেলোয়ারড়া যা করছে তাই তো অনেক। নাকি?
খবরটি বিডি নিউজে পড়ুন

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

