নিরবতা, নিরবতা ও নিরবতা
তুমি নাই, তুমি নাই , নাই তো কাছে।
ফুঁশে ওঠা অস্থিরতায় উর্ধ্ববুক ওঠে নামে বেশ দ্রুত,
অনেকটাই বেশী যেমন বৈশাখের কোন রাতে
ঝড়ের আগে বাতাসের বাড়ন্ত গতি।
আঁধারে ভেজা রাতের মাটিতে বিড়ালের পায়ের শব্দ শুনি,
শুনি কিছু দূরে ইমসোমনিয়ায় ভোগা কুকরের ডাক
একটা থেকে দুটো তারপর তিনটে তো বটেই...
সাথে সাথে নিশী পথিকের লাঠির শব্দ লোহার পোষ্টে
ঠুক ঠূক ঠুক, দূর করে হয়তো সে আত্মভীতি।
রাতের বাসাতে ছড়িয়ে পড়ে আধো চাদের গীতি
ওটাও নিরবতার এক কারন মৃত্যুর।
এগুলো সাধারন, তারপর ঐ দূরে কাঁদে ...
মনে, আমার মনে যে জল ঢেলেছিল বৃক্ষে,
একটা নৌকায় উঠেছিল, এক একা মন সাগরে আমার
ঘুরে বেড়ালো, তারপর হারিয়ে গেলো অনাবি®কৃত দ্বীপে।
সাগরের জল নোনা , নোনা চোখের জল তার
ঘুমিয়ে সকল মানুষ, তবু অভাব যে নিরবতার ।
নিরবতা, নিরবতা ও নিরবতা
তুমি নাই, তুমি নাই , নাই তো কাছে।
কান্নার চিত্ত উদাসী ধ্বনী ভেসে আসে ইথারে
চাঁদের গানের সুরে সুরে এবং মশাগুলো ডানায় ।
মশাগুলো মরে যায়, নিরবতা মরে যায়
কেবল বেড়ে ওঠে , উঠতেই থাকে অস্থিরতা,
তুমি কই তুমি কই, কেবল কান্না পাঠাও কেনো
নিরবতা পাঠাতে পারো না, নিরবতা! যে নিরবতায়
মুখ থুবড়ে পড়ে রব রাতের গভীরে বিড়ালের শিকার
একটা ছোট্ট ইদুরের হয়ে ঐ তো কালো ডোবার ধারে,
সকালে কেউ তাহলে মারাবেনা আমার নিরবতার নৈকট্য।
২৪/০১/২০১০ ( রাত ৩ টা)

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


