একজনের লেখা দেখে মনে পড়লো কিছু না লেখলেই নয়।
খবরটা দিয়েছে জার্মান সংবাদ সংস্থা ডয়েচে ভেলের বাংলা বিভাগ। তাদের খবর হলো- বুকের দুধের আইসক্রিম। লাইন পড়েছে দুধ দেয়ার ও আইসক্রিম বানানোর।
এসব কিছু চুশীল ও গণতন্ত্রের হর্তা কর্তা ও মোড়ল পশ্চিম এলাকার মানুষের উর্বর মুস্তিস্কের কর্ম।
পশ্চিমা সভ্যতা যে কতটা আ
ডানো, নিডো আর ভাল্লাগে না।
তাদের তো জন্ম থেকেই তো মুক্ত আর বস্ত্র ভীত এসব জ্ঞানীরা। কাপড় শর্ট করা আর শরীর গবেষনা করে এরা অনেক দূরে গেছে। কাম রসায়ন ও জৈবিক গবেষনার চুড়ান্ত পর্যায় শেষ। এখন সেটা আরেকটু রিফাইন ও হাতুড়ি পেটা করে বের করা হচ্ছে নতুন পদ্ধতি।
কয়েকদিন পরে দেখা যাবে- সরাসরি চা দোকানের মতো, বুকের দুধের চা ও শরবত বানানো শুরু করবে।
ইউরোপে গেলেই কয়েকদিন পর হওতো পাওয়া যাবে। এখন ও হয়তো পাওয়া যায়। যদিও আমাদের জ্ঞানে আসেনি।
মূল সূত্র View this link
লেখাটিও নিচে সরাসরি কপি পেস্ট
''''''''অর্থনৈতিক মন্দা থেকে বাঁচতে কতজন কত কিছুই না করছে৷ তাদেরই একজন ব্রিটিশ নারী ভিক্টোরিয়া হিলে৷ তিনি তার বুকের দুধ বিক্রি করছেন লন্ডনের একটি কোম্পানির কাছে৷ আর ঐ কোম্পানি ঐ দুধ দিয়ে আইসক্রিম বানাচ্ছে! যার নাম ‘বেবি গাগা’৷ ১০ আউন্স দুধের জন্য হিলে পাচ্ছেন ১৫ পাউন্ড৷ আর বেবি গাগা খেতে ক্রেতাদের খরচ করতে হচ্ছে ১৪ পাউন্ড৷
‘‘অতিরিক্ত অর্থের জন্য আমার সম্পদ ব্যবহার করলে ক্ষতি কী'' এই হচ্ছে হিলের কথা, যিনি তাঁর দুধ বিক্রির আগ্রহ প্রকাশ করে ওয়েবসাইটে বিজ্ঞাপন দিয়েছিলেন৷
অবশ্য অর্থ আয়ের পাশাপাশি অন্য একটি মহান উদ্দেশ্যের কথাও বলছেন হিলে৷ সেটা হচ্ছে, বড়রা যদি আইসক্রিম খেয়ে বুকের দুধের মজাটা বুঝতে পারে, তাহলে আরও বেশি মা তার সন্তানদের বুকের দুধ খাওয়াতে উৎসাহী হবেন৷
ইতিমধ্যে বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে বুকের দুধের আইসক্রিম৷ তাই তো আরও দুধ পেতে বিজ্ঞাপন দিয়েছিল কোম্পানিটি৷ এখন পর্যন্ত ১৪ জন মা তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে বলে জানান কোম্পানির মালিক ও'কোনোর৷
হাসপাতালে রক্ত নেয়ার আগে যেমন রক্তদাতার বিভিন্ন পরীক্ষা করা হয়, তেমনি দুধ নেয়ার আগেও প্রত্যেক মাকে পরীক্ষা করে নেয়া হয় বলে জানা ও'কোনোর।।।।।।। '''

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

