somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

বাংলার বীর।এদের চিনে রাখুন। এরাই আপনাকে ছিঁড়ে-খুড়ে খাবে।।

০২ রা ডিসেম্বর, ২০১১ বিকাল ৩:১৩
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

আপনাদের কতটুকু অবাক করতে পারবে আমি জানি না, তবে আমি যারপরনাই অবাক হয়েছি এইসব তথ্য জেনে। নিজেকে একধরনের ছোট খাটো পোকার মত মনে হয়েছে এইসব বড় বড় কীট গুলোর কাছে।আপনারা সাথে থাকলেই এসব মানুষের মুখোশ গুলো উন্মোচোন করে দিতে পারব।


ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থ। বিজেপি (মঞ্জুর) বর্তমান চেয়ারম্যান ও এম পি । চার দলীয় জোটের অন্যতম শরীক। ভোলা থেকে নির্বাচিত। ইংল্যান্ডের উল্ভার হ্যাম্পটন ইউনিভার্সিটির ছাত্র ছিলো পার্থ। টিউশন নিয়েছে হল্বর্ন কলেজ থেকে। বার এট ল করেছে সিটি ল স্কুল থেকে। লিঙ্কন্স ইনের মেম্বার। বাবা নাজিউর রহমান মঞ্জুরের শত শত কোটি দূর্নীতির টাকায় লন্ডনে শুধু মদ আর নারী নিয়ে কাটিয়েছিলো এই পার্থ। ইউনিভার্সিটির পুরোটাই এসাইন্মেন্ট বেস থাকাতে হাজার হাজার পাউন্ড দিয়ে অন্য ছাত্রকে দিয়ে এসাইনমেন্ট করিয়ে নিতো আজকের এই কেতা দূরস্ত এম্পি।

কথিত আছে তার বাবা নাজিউর, এরশাদের প্রায় আড়াই হাজার কোটি টাকা মেরে দিয়েছিলো। এরশাদ জেলে যাবার সময় বিশ্বাস করে এই অর্থ নাজিউরকে দিয়ে গিয়েছিলো। পার্থ বিয়ে করেছে শেখ হেলালের মেয়ে আনমনা কে। উল্লেখ্য যে শেখ হাসিনার ফুফাতো বোন মানে শেখ সেলিমের বোনের সাথে বিয়ে হয়েছিলো নাজিউর রহমান মঞ্জুরের। এর মানে হচ্ছে, পার্থর খালা শেখ হাসিনা।

ঘরে অপরূপা স্ত্রী থাকার পরেও আজীবন মেয়েদের পিছনে দৌড়ে বেড়িয়েছেন আমাদের এই নেতাজী। তিনি একসময় ঢাকার ধানমন্ডিতে নিউ ক্যাসেল ল একাডেমিতে পড়াতেন। সেখানকার ছাত্রী এরিনা কে নিয়ে নিউ ক্যাসেল ল একাডেমীর দ্বিতীয় তলায় কোলে নিয়ে বসে থাকতেন। তার কিছুদিন পরে এরিনাকে নিয়ে তিনি সিঙ্গপুরে প্রোমদ ভমন করে আসেন। ছোট বেলা থেকেই মারামারিতে ওস্তাদ ছিলো এই পার্থ । পিস্তল নিয়ে একে তাকে বুকে ঠেকিয়ে রাখা তার কাছে ডাল ভাতের মত ছিলো। ২০০৩ সালে ব্যারিস্টার রাহাত খলিল কে দিনে দুপুরে পিস্তল দিয়ে সবার সামনে ভয় দেখায় তার প্রতিষ্ঠান বি এস এল এর ক্যাম্পাসে। তার গাজীপুরের বাগানবাড়ীতে প্রায় সপ্তাহেই রাজনীতি বিদদের জলযাত্রার আসর হয়ে থাকে। তবে তিনি এখন আমাদের প্রভু। তার প্রতি আমাদের শ্রদ্ধা রেখে বাত-চিত করা প্রয়োজন।

ওয়াসেক রহমান অঞ্জন। তিনি উপরে বর্ণিত পার্থ সাহেবের সবচাইতে ছোট ভাই। মানে নাজিউর রহমান মঞ্জুরের ছোট ছেলে তিনি। অঞ্জন ২০০৯ সালে ব্যারিস্টার হন কলেজ অফ ল থেকে। অনার্স করেন কুইন মেরী ইউনি থেকে। বড় ভাইয়ের মত না হলেও কম জাননা অঞ্জন সাহেব। লন্ডনে এক রাতে (২০০৯ এর সেপ্টম্বর) কোরাল বেটিং সেন্টারে ৩ হাজার পাউন্ড উড়িয়ে দেয়ার মত রেকর্ড আছে এই ধনীর দুলালের। কোনো চাকরী করার তো প্রশ্নই আসেনা । বাবার রেখে যাওয়া দূর্নীতির টাকায় মৌজ আর মাস্তি করেই সময় কেটেছে এই অঞ্জন সাহেবের। অত্যন্ত ধূর্ত এই লোকের ক্যাসিনো আর নারী ছিলো নিত্যসঙ্গী। ছাত্র হিসেবে অবশ্য অঞ্জন বেশ ভালো ছিলো। এই অঞ্জন ২০১৩ সালে ভোলা ১ অথবা দুই থেকে নির্বাচন করবে ( যে আসন থেকে তার মেঝ ভাই শান্ত নির্বাচন করেছে ২০০৮ সালের নির্বাচনে) । চিনে রাখুন এই ব্যারিস্টার সাহেবকে। তিনি হতে পারেন আপনাদের এক সময়ের ভাগ্য বিধাতা।


সুদীপ্ত। আওয়ামীলীগের প্রভাবশালী এম্পি ও অভিনেতা আসাদুজ্জামান নূরের একমাত্র ছেলে। লন্ডনে এসেছিলো ২০০৭ সালে। বিবিএ পড়তে। বাবার কাছ থেকে টাকা নিয়েছিলো মেট্রোপলিটান ইউনিতে পড়বে বলে। কিন্তু ভর্তি হয়েছিলো লন্ডনের একটি ভিসা কলেজে। প্রায় তিন মাসে ১৬০০০ পাউন্ড উড়িয়ে দেয়া এই ছেলে সারাটাদিন বিভোর হয়ে থাকত গাঁজায় আর ড্রাগসে। ৩ বছর এই দেশে থেকে , কোনো পড়ালেখা শেষ না করে এই মূহূর্তে ঢাকায় আছে। রাজনীতি করবার তার খুব ইচ্ছা বলেই বন্ধু মহলে বলে থাকে। চিনে নিন এই আশু নেতাকে। তিনি গাঞ্জায় গাঞ্জায় আপনার দেশ ভরিয়ে দিতে পারবে।

নাজমুল চৌধুরী শারুন। এই ভদ্রলোকও লন্ডনে থাকেন। চট্রগ্রাম ১১ মানে পটিয়ার এম পি শামসুল চৌধুরীর পূত্র এই শারুন। অন্য সব এম্পি ও মন্ত্রী পূত্র থেকে মানের দিক থেকে খানিকটা উন্নত। কারণ অন্যসব নেতাদের ছেলেরা যেখানে মদ-গাঁজা নিয়ে পড়ে থাকে সেখানে এই শারুন সাহেব অলগেট এলাকাতে একটি মিডিয়া রিলিটেড ব্যবসা প্রতিষ্ঠান স্থাপন করেছে ।বর্তমানে টু-পাইস কামানোর জন্য ঢাকায় অবস্থান করছেন।

শারুন সাহেব আইন বিষয়ে স্নাতক করেছেন মেট্রোপলিটন ইউনি থেকে। ব্লু বেরী ফোন, গুচির চশমা, আরমানির জিন্স,লেকোস্টির স্নিকার, পরিহিত এই যুবিকের সবচাইতে বড় গুণ হচ্ছে তিনি কোনো রকমের আটকানো ছাড়া ও সংকোচ ছাড়া মিথ্যা বলে যেতে পারেন। চাপার জোর মাশাল্লাহ সাংঘাতিক।

তার বাবা চট্রগ্রাম আবাহনীর মালিক ও একাধিক গার্মেন্টসের মালিক। আশা করা যাচ্ছে যে এই শারুন সাহেব তার ধূর্ত বুদ্ধি দিয়ে বাবার এসব সম্পদ রক্ষা করতে পারবেন। ভয়ংকর ব্যাপারটি হলো, তার রাজনীতিতে ব্যাপক আগ্রহ এবং তার বাবা হয়ত ছেলের এইসব প্রতিভা দেখে তাকেই রাজনীতিতে স্থান করে দিবে। আপ্নারা চিনে রাখুন এই নেতাকে। একদিন সংসদে তিনি আমাদের ভাগ্য বিধাতা হতে পারেন।


গালিবুর রহমান শরীফ। তার বাবা আওয়ামীলীগের একজন এম পি ও তিনবার নির্বাচিত প্রিতিনিধি। কিছুদিন আগে এই এম পি সাহেব মানে শামসুর রহমান শরীফ সাহেব ট্রেনে টিকেট না পেয়ে এক স্টেশন মাস্টারকে শারিরীক নির্যাতন করেছেন। তার দল বল দিয়ে পিটিয়েছেন। তার ছেলে গালিব আরো দুই থেকে পাঁচ কাঠি সরেস। ২০০১ সালে ধানমন্ডি ৩২ নাম্বারে দল বল সহ এই গালিব পিটিয়ে আসেন তারই আরেক বন্ধু নিজামুদ্দিন আল খশরুকে একটি মেয়ে ঘটিত বিষয় নিয়ে। এর পর ২০০২-২০০৩ সালের অর্থ বছরে ধান্মন্ডি ৩/এ সড়কের সন্ত্রাসী সম্রাট,আমিন ও জুনু গংদের হাতে বেদম মার খান এই গালিব। পরে এর প্রতিশোধ হিসেবে সম্রাটের কাজিন সোহাসকে এম্পি হোস্টেলে উঠিয়ে নিয়ে এই এম্পি পূত্র বেদম মার-ধোর করেন। পরে সোহাসের মাথায় ১৪ টি সেলাই দিতে হয়। এইসব ঝামেলার বশবর্তী হয়ে গালিব সাহেবকে তার বাবা লন্ডনে পাঠিয়ে দেন। পড়ালেখা করতে এসে গালিব সাহেব তা এখন পর্যন্ত শুরু করেন নি। আইন বিভাগে তিনি সুদীর্ঘ ৫ বছর ক্রমাগত অনুর্ত্তীর্ণ হয়েছেন বলেই একটি বিশ্বস্ত সূত্রের মাধ্যমে জানা যায়।

সবচাইতে ভয়ের ব্যাপার হচ্ছে এই গালিব সাহেব রাজনীতিতে আসতে চান। তার জীবনের একমাত্র ধ্যান জ্ঞানই হচ্ছে বাবার ইশ্বরদী-৪ এর আসনটি বগ্ল দাবা করার। যে ছেলে একটি অর্থ ধার করলে সেটি আর কোনোদিনি ফেরত দেয়নি, যে ছেলে মারা-মারি,কাটা-কাটি তার জীবনের ব্রত হিসেবে নিয়েছে, যে ছেলে পড়ালেখা করেনি, সে ছেলেই হতে যাচ্ছে আপনাদের এম্পি। প্রিয় পাবনাবাসী, আপ্নারা চিনে রাখুন আপনাদের এই এম্পি পূত্রকে। একদিন তিনি আপনাদের বিধাতা হবেন।


হাসান ইকবাল ওয়ামী । এসএসসি ও এইচএসসি ন্যাশনাল ব্যাংক স্কুল ও কলেজ থেকে। ইসলামি ইউনিভার্সিটি থেকে মিডিয়া এন্ড ম্যাস কমিনিকেশনে অনার্স করেছেন, এখন মাস্টার্স শেষ করেছে। শেষ সংবাদ অনুযায়ী ওয়ামী ফ্রান্সে ছিলো। তার একটি বিশেষ পরিচয় হলো সে কুখ্যাত রাজাকার, জামাতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল কামরুজ্জমানের পুত্র। একসময় ব্লগিং করতো সামহোয়্যার ইনে। মুক্তিযোদ্ধাদের কুকুর বলে সম্বোধন করাতে পুরো ব্লগ ফুঁসে ওঠে। প্রচন্ড রকমের দৌড়ানি খায় মুক্তিযুদ্ধের সমর্থনকারী ব্লগারদের কাছে।


মহিবুল হাসান নওফেল।চট্রগ্রামের মেয়র এবি এম মহিউদ্দীনের দ্বিতীয় স্ত্রীর বড় সন্তান। লন্ডন স্কুল অফ ইকোনোমিক্সের ল এন্ড এনথ্রোপলজীর ছাত্র ছিলেন এই নওফেল সাহেব। বার এট ল করেছেন কলেজ অফ ল থেকে। একটি সূত্র থেকে জানা যায় যে, তিনি জন্সমক্ষে উক্তি করেছিলেন যে, আমার বাবা চট্রগ্রামের দূর্নীতিবাজ ব্যাবসায়ী এস আলম কে ৭০০ কোটি টাকার লোন পাইয়ে দিয়েছিলেন। যদিও নওফেল লন্ডনে সবার কাছে বলে বেড়াত যে, তার বাবা দরিদ্র। তাদের অর্থ কড়ি নেই, কিন্তু অত্যন্ত হাস্যকর হলেও সত্য যে তিনি প্রতি বছর এক এস ই তে ১২০০০ পাউন্ড টিউশন ফি দিয়ে পড়েছেন। তিনি বলে থাকেন যে, তার এই টাকা চট্রগ্রামের ব্যাবসায়ীরা ডোনেট করেছেন। কিন্তু পাঠক আপ্নারা অবশ্যই বুঝতে পারছেন, যে এস আলমের ৭০০ কোটি টাকা লোন স্যাঙ্কশন করে দেয়া আর তাকে প্রতি বছর ১২০০০ পাউন্ড শুধু টিউশন ফিস দেয়াটা একি সূত্রে গাঁথা।

নওফেল এই কথাও কয়েকমাস আগেও চাউর করেছেন যে, লন্ডনে তার অনেক টাকা ঋণ। কিন্তু তিনি বাবার নির্বাচন উপলক্ষে গত ২২ মে বাংলাদেশে ফিরে আসেন। তাহলে কি ধরে নেয়া যেতে পারে যে, উনি লন্ডনে তার লোন না দিয়েই বাংলাদেশে আসছেন?

অতি সম্প্রতি খবরের কাগজ গুলোতে এসেছে তিনি তার বাবার আসন থেকে রাজনীতি করবেন। তিনি নাকি আবার মার্ক্সবাদে বিশ্বাসী। লন্ডনের আলো বাতাসে বাবার দূর্নীতির অর্থে যিনি লেখা পড়া করেছেন। দেশের গরীব মানূষের হক মেরেছেন, তিনি বাংলাদেশে মার্ক্সবাদ প্রতিষ্ঠা করবেন, এই তথ্য পাঠক আপ্নারা জেনে রাখুন। আর সেই সাথে চিনে রাখুন এই হবু রাজনীতিবিদকে । একদিন চট্রগ্রামের ভাগ্য এই লুটেরার সন্তান মহিবুলই হয়ত নিয়ন্ত্রণ করবে।

মিস রাখি। তিনি আমাদের আওয়ামী নেতা জাহাঙীর কবির নানকের কন্যা। এই জাহাঙীর কবির নানকের দূর্নীতি আর সন্ত্রাস সম্পর্কে আপনাদের আর পরিচয় করিয়ে দিতে হবে না বলেই আমার বিশ্বাস। তারপরেও শুধু এতটুকুই মনে করিয়ে দেই। এই শ্রমিক লীগ নেতা বি এন পি'র গত টার্মের শেষ দিকে গুলিস্তানে গান পাউডার দিয়ে বাসে আগুন ধরিয়ে, ১২ জন লোককে হত্যা করেছেন। যা আপ্নারা ইউ টিউবে শেখ সেলিমের কনফেশন-২ এ পরিষ্কার শুনতে পাবেন। তার সহযোগী হিসেবে আওয়ামীলীগের আরেক নেতা মির্জা আজমও জড়িত ছিলো।

এই রাখি লন্ডনে আসে তত্বাবাধায়ক সরকারের আমলে। লন্ডনে তাকে বিশেষ ভাবে আশ্রয় দিয়েছিলো লন্ডন যুবলীগ সভাপতি আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরী ও ইস্ট ব্যাঙ্ক কলেজের প্রশান্ত ভূষন বড়ুয়া। আইন বিভাগে পড়তে এসে টানা চার বছর পরীক্ষায় অকৃতকার্য হন এই মিস রাখি। পরে প্রেম করে লন্ডনে আসিফ নামে এক ভদ্রলোকের সাথে বিয়ে হয় রাখির। ২০০৮ সালে তার বাবা মন্ত্রী হবার পর পর বাক্স প্যাটরা গুছিয়ে বাংলাদেশ চলে যায়। যাবার আগে বন্ধুদের বলে যায়, এই পাঁচ বছরই হলো যা করবার সময়। বছর খানেক পর রাখি এক অজানা কারন বশত স্বামী সহ লন্ডনে আবার ফেরত আসেন। দেখুন লন্ডনে তাদের জমকালো বিবাহ বার্ষিকী পার্টির কিছু ছবি ।



দেশের সাধারণ মানুষের অর্থ আর সম্পদ লুট করে এই নানক তার কন্যা ও তার স্বামী কে পাঠান আর সেই টাকা দিয়ে উল্লাস করে বেড়ান মন্ত্রী আর এম্পির পোনা রা। এই রাখি তার বাবার আসন থেকে ২০১৩ সালে নির্বাচনে আগ্রহী বলে কয়েকটি সূত্র থেকে জানা গেছে। প্রিয় পাঠক , আপ্নারা আপনাদের এই হবু এম পি কে চিনে রাখুন। আর ভাবুন কোন কোন পদ্ধতিতে এই নানক কন্যা আপনাদের ছিড়ে ছিড়ে খাবে।

আব্দুল্লাহ আল হাসান তূর্য। ইনি বি এনপির নেতা ও সাবেক এম পি আব্দুল্লাহ আল নোমানের বড় পূত্র । থাকেন ইংল্যান্ডে। পড়ালেখা করছেন অক্সফোর্ডে । আপ্নারা এরি মধ্যে সাবেক মাছ মন্ত্রী নোমানের দূর্নীতি নিয়ে অবশ্যই অবগত আছেন। একজন ফুলটাইম রাজনীতি বিদ এই নোমান। একজন রাজনীতি বিদের বেতন কত? কি তাদের অর্থের উতস? অথচ এই নোমানের ছেলে প্রতি বছর ২৭০০০ পাউন্ড দিয়ে পি এইচ ডি করছেন । মার্সিডিজ গাড়ি হাঁকিয়ে চলেন। কোথায় পেলেন তিনি এত টাকা? এই প্রশ্নের উত্তর কি আপনাদের কারো কাছে জানা আছে? এই তূর্য দেশের গরীব মানুষ, সাধারণ মানুষের কাছ থেকে ডাকাতি করা টাকা দিয়ে তার শিক্ষা জীবন শেষ করে আপ্নাদেরই মন্ত্রী হবেন। আপনি চাইলে চিনে রাখতে পারেন এই হবু নেতাকে।

শ্রাবন্তী হুদা।আমাদের বড় প্রিয় ও বিখ্যাত দূর্নীতিবাজ বি এনপি নেতা নাজমুল হুদার মেয়ে।আইন বিষয়ে পড়ছেন স্কুল অফ আফ্রিকান স্টাডিস ( সোয়াসে)। বি এনপি ক্ষমতায় থাকা কালে ২০০৬ সালে সিগমা হুদা লম্বা সময়ের জন্য তার দুই মেয়ে অন্তরা হুদা ও শ্রাবন্তী হুদার সাথে লন্ডনে বসবাস করেন। তার মানবাধিকার সংস্থার এক অনুষ্ঠানে তিনি ওপেনলি একটি আড্ডাতে বলছিলেন যে কি করে তিনি বাংলাদেশ ব্যাঙ্কের গভর্ণরকে তার চাকুরীর ভয় দেখিয়ে প্রতি মাসে ২০ লক্ষ টাকা আনাবার কাগজ পত্র স্যাঙ্কশন করিয়েছিলেন।

শ্রাবন্তী হুদার নামে বিট্রেনের এইচএসবিসি এবং অন্তরা হুদার নামে ব্রিটেনের নেট ওয়েস্ট ব্যাংকে একাউন্ট আছে। সিগমা হুদা এবং তার মেয়ে অন্তরা হুদার নামে যৌথভাবে ১৫৩ দ্য ওয়াটার গার্ডেনস, বুরউড প্লেস, লন্ডন ডব্লিউ২ ২ডিই-তে ২০০৩ সালে একটি বাড়ি ক্রয় করা হয়। বাড়িটি অন্তরা হুদার নামে দুই লাখ ৮৫ হাজার পাউন্ডে ব্যাংক অব স্কটল্যান্ড থেকে মর্টগেজ নিয়ে তিন লাখ ৮০ হাজার পাউন্ডে ক্রয় করা হয়। দুই লাখ ৫০ হাজার নগদ পাউন্ড দিয়ে ৪ হেনলি কোর্ট, ডেনহাম রোড, এগহাম, সুরে টিডব্লিউ২০ ৯কিউজেড-এ ২০০৬ সালের নভেম্বরে একটি বাড়ি ক্রয় করা হয়।নাজমুল হুদা এবং সিগমা হুদার নামে যৌথভাবে বারক্লেস ব্যাংকে দু’টি একাউন্ট আছে (হিসাব নম্বর ৭০৬৬০৯৬৫, শর্ট কোড ২০-৪৭-৪২ এবং হিসাব নম্বর ৪০০৭২০৩৬, শর্ট কোড ২০-৪৭-৪২)।

মেরিনা আলী।তিনি বর্তমানে ডেপুটি স্পিকার কর্ণেল শওকত আলীর কন্যা। শওকত আলী আওয়ামীলীগ থেকে নির্বাচিত এম পি। মেরিনা আলী তার স্নাতক সম্পন্ন করেছেন ইউনিভার্সিটি অফ নরদাম্ব্রিয়া থেকে ২০০৯ সালে। স্বামী জোজোর সাথে থাকতেন ইংল্যান্ডের নিউক্যাসেলে। এখানেই স্বামীর ব্যাবসা রেস্টুরেন্ট ব্যাবসা ছিলো জাঁকানো।কিন্তু বাঁধ সেধে বসে ২০০৮ সালের তার বাবা যখন নির্বাচিত হয় ও স্পীকার হয়। তার বাবা উক্ত পদ পাবার পরের এক সপ্তাহের মধ্যে তারা ইংল্যান্ডের সব বিক্রি করে দিয়ে চলে যায় বাংলাদেশে। উদ্দেশ্য, এই ৫ বছরেই যা কামাবার কামিয়ে নিতে হবে। ঢাকায় যেখানে হাইলি কোয়ালিফাইড ছেলে মেয়েরা চাকুরী পেতে হিম শিম খাচ্ছে সেখানে সেকেন্ড ক্লাস অনার্স সম্বল করে মেরিনা আলী ইউনাইটেড ন্যাশনের হাই অফিসিয়াল পদে চাকুরী পেয়েছে ঢাকায় যাবার কয়েকদিনের মধ্যেই। পাঠকরা কি দুইয়ে দুইয়ে চার মিলাতে পারছেন না আমাকে সাহায্য করতে হবে? শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত মিসেস মেরিনা আলী শ্রীলংকায় একটি টুরে আছেন। এটি তার হাই প্রোফাইল চাকুরীস্থল থেকেই পাঠানো হয়েছে।



উপরের এই ছবিতে যে দুইজনকে দেখছেন তাদের নাম জানার আগে তার বাবার নাম জানা দরকার। এই দুইজনের বাবার নাম কর্ণেল ফারুক রহমান। চিনতে পারছেন কি? জাতির জনক কে নির্মম ভাবে যারা কাপুরুষের মত রাতের আঁধারে হত্যা করেছে। যাদের হাতে বাংলাদেশ রঞ্জিত হয়েছিলো ১৯৭৫ সালের ১৫ই অগাস্ট। তাদের দলের অন্যতম হচ্ছে এই কর্ণেল ফারুক রহমান। বংগবন্ধুকে হত্যা করে ১৯৮৭ সালে গঠন করে বাংলাদেশ ফ্রিডম পার্টি নামে এক খুনে দল। যাদের প্রধান কাজ ছিলো জামাতের মত দল গঠন করে নিজেদের পাছা বাঁচানো। এই কর্ণেল ফারুক প্রকাশ্য জনসভায় বলেছিলো, “আমিই হত্যা করেছি শেখ মুজিবকে, বাংলাদেশে এমন কোনো মায়ের সন্তান নেই যে, আমাকে বিচার করে”

ভাগ্যের নির্মম সত্যতায় বাংলাদেশের মাটিতেই এই খুনীর পিশাচের বিচার হয়েছে তার দল-বল সহ। কিন্তু খুনী ফারুক তার বীজ রেখে গেছে পৃথিবীতে। এরা এখন নতুন করে শুরু করেছে ফ্রিডম পার্টিকে নতুন করে সাজাবার প্ল্যান। ক্ষমতায় যাবার অংশীদার হিসেবে ভেতরে ভেতরে চলছে বিভিন্ন দলের সাথে আঁতাত।

উপরের ছবিতে প্রথম জনের নাম সৈয়দ তারেক রহমান এবং পরের জনের নাম যুবায়ের ফারুক। তারেক এই মূহূর্তে ফ্রিডম পার্টির চেয়ারম্যান। আরেক খুনী কর্ণেল রশীদের মেয়ে মেহনাজের সাথে এই দলের নেতৃত্ব নিয়ে তুমুল দ্বন্দ । ঠিক যেমনটি দ্বন্দ্ব ছিলো ফারুক আর রশীদের মধ্যে। দুঃখের বিষয় হলো যেই ফ্যামেলী ডাইনেস্টী ডাইনেস্টী বলে ম্যাতকার করেছিলো খুনী ফারুক , তার ছেলেই বাপের সম্পত্তির উত্তরাধিকারের মত এখন দলের প্রধান। যদিও বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী ফ্রিডম পার্টি কোনো নিবন্ধিত দল নয়। ফারুকের বড় পূত্র পড়েছে ইউনিভার্সিটি অফ ওয়েস্টার্ন অস্ট্রেলিয়া। পাশ করে বের হয়েছে ১৯৯৬ সালে। এখানে আমার কয়েকটা প্রশ্ন আছে । তা হলো ১৯৭৫ সালে যখন ফারুক-রশীদ বঙ্গবন্ধুকে খুন করে লিবিয়াতে চলে যায় তখন তাদের কাছে তো হিসেব মতে অর্থ থাকার কথা না। একজন আর্মি অফিসারের সর্বোচ্চ বেতন কত? অথচ দেখা গেলো এই দুইজন ( এরা দুইজন আবার ভায়রা ভাই) লিবিয়াতে বিশাল ব্যাবসা “দি কন্সোটিয়ার্স” নামে কন্সট্রাকশনের ব্যাবসা খুলে বসেছে। কই পেলো তারা এই টাকা? তবে কি তারা বঙ্গবন্ধুকে খুন করে দেশের অর্থ লুট করেছিলো?

তার ছেলে ইউনি ভার্সিটি অফ ওয়েস্টার্ন অস্ট্রেলিয়াতে এভিয়েশন ম্যানেজম্যান্ট এন্ড ট্রেইনিং এর উপরে পড়েছে । সৈয়দ তারেক রহমান পেশায় একজন পাইলট। কিন্তু এই পড়ালেখার টাকা তারা পেলো কোথায়? প্রতি বছরে ওয়েস্টার্ন ইউনি’র টিউশন ফি প্রায় ৪০ হাজার ডলারের মতন। কোথায় থেকে আসলো এই টাকা?
ফারুকের দুই মেয়ে নাজনিন রহমান,শারমিন রহমান টিয়া,আর আরেক ছেলে প্রত্যেকে পৃথিবীর বাইরের সব দেশ থেকে ডিগ্রী নিয়েছে। কোথায় থেকে এলো এই অর্থের সংস্থান? ফ্রিডম পার্টিরই বা অর্থের সূত্র কোথায়? কে কে এই খুনী দলের ডোনার? কর্নেল ফারুকের যখন ফাঁসির আদেশ হয়, তখন সারা পৃথিবীর নেতাদের কাছে চিঠি গিয়েছিলো এই ফাঁসি বন্ধের অনুরোধ করে। লন্ডনে যুবায়ের ফারুক এসেছিলো সংবাদ সম্মেলন করতে, সেখানে পাকিস্তানী রাজাকার ব্যারিস্টার আযাহার আলী এই খুনীর ছেলেকে সব সময়ই ব্যাক-আপ দিয়েছিলো।

আবার ছোট ছেলে যুবায়ের ফারুক পড়ালেখা করেছে আইন বিষয়ের উপর । পি এইচ ডিও করেছে আইনের উপর। কে দিলো এই খরচ? এইখানেই ঘটনা শেষ নয়, নপুংশক এরশাদের সময় একবার প্রেসিডেন্ট নির্বাচন হয়েছিলো যেখানে এই কর্ণেল ফারুকও প্রার্থী হয়েছিলো। সেই টাকার উতসই বা কোথায়?

সারাদেশে নির্বাচনী প্রচারনা চালাতে সে সময় কোটি কোটি টাকা খরচ করেছিলো এরশাদ।
আসলে সব কিছুর উত্তর আসলেই সোজা। যারা দেশের স্থপতিকে কাপুরুষের মত রাতের আঁধারে হত্যা করে ফেলতে পারে তাদের উদ্দেশ্য কোনোদিনি ভালো হতে পারে না। দেশের অর্থ লুট করে ফারুক তার চার পুত্র-কন্যকে পড়িয়েছে । আর নিজে দেশে বসে করেছে রক্তের খেলা।

দেশের অর্থে লালিত পালিত এই হিংস্র খুনীর ছেলেও বাবার মত হিংস্র। ক্ষমতায় এসে রক্ত গঙ্গা বইয়ে দিতে, তার বাবার রেখে যাওয়া কাজ সম্পাদন করতে বদ্ধ পরিকর এই খুনীর দল ফ্রিডম পার্টি। এরা এখন ধীরে ধীরে গোপনে সংঘটিত হচ্ছে । ফ্রিডম পার্টিকে আবার সেই পুরোনো ফর্মে ফিরিয়ে আনার কাজ চলছে। বাবার অবৈধ টাকা ফূর্তি করে হয়ত বি এনপির সাথে আঁতাত করে জামাতের মত এরাও সামনের নির্বাচনে আসন পাবে। খুনীর ছেলে তারেক কিংবা যুবায়ের হয়ত নির্বাচন করবে। এম্পি হবে।
আপনাদের নেতা হবে এই সৈয়দ তারেক তারেক রহমান কিংবা যুবায়ের ফারুক। চিনে নিন আপনাদের এই মহান নেতাদের।


উপরের ছবিতে যাকে দেখছেন তার নাম মেহনাজ রশীদ । উপরের গল্পের মতই তার গল্প । ফ্রিডম পার্টিকে সংগঠিত করার জন্য দেশে কাজ শুরু করেছিলো এই মেহনাজ রশীদ। ১৯৭৫ সালের বংগবন্ধুকে হত্যাকারী দলের অন্যতম খুনী কর্নেল রশীদের বড় মেয়ে মেহনাজ রশীদ। তাপস হত্যা প্রচেষ্টা মামলার অন্যতম আসামী। ১/১১ এর পেছনের বড় কুশীলব ব্রিগেডিয়ার বারীর সাথে তার বিয়ে হয় এবং সে সময় থেকেই মইন ইউ সরকারের গ্রিন সিগনাল পেয়ে ফ্রিডম পার্টিকে শক্তিশালী করার কাজে নামে ফারুকের ছেলে তারেক আর রশীদের মেয়ে এই মেহনাজ। যদিও তারেকের সাথে ছিলো ক্ষমতার প্রবল দ্বন্দ। বারীর সাথে ডিভোর্স হয়ে যায় এক সময় এবং পরবর্তীতে বিয়ে করে আওয়ামীলীগের এক নেতা রফিকুল ইসলাম রাফিকে।

কথা মূলত এখানে নয়। কন্সার্নও এখানে নয়। এই মেহনাজ দেশের বাইরে পড়ালেখা করে। তার বাবা ১৯৯১ সালে একবার এম পি হয় । সে সময় তার দূর্নীতি আর কালোটাকার গরম দিয়েই মেহনাজের বেড়ে ওঠা। সেই মেহনাজ এখন ততপর ফ্রিডম পার্টিকে গুছিয়ে এনে ক্ষমতার মৌতাতে নিজেকে আরো আবদ্ধ করা । খুনী রশিদ কোথায় পেলো এই অর্থ মেহনাজকে পড়াবার? এই অর্থের সূত্র কোথায়? ফ্রিডম পার্টিকে সঙ্গঘটিত করবার খরচই বা মেহনাজ পেলো কোথায়?

যার বাবা ১৯৭৫ সালে জাতির জনককে মেরে ফেলেছিলো, যার বাবা ১৯৯১ সালে এম্পি হয়ে সংসদে গিয়েছে, দূর্নীতি করেছে, তারই মেয়ে আজ ক্ষমতায় যাবার জন্য হিংস্র হয়ে উঠেছে। কুমিল্লা থেকে তার বাবার আসনে ২০১৩ তে মেহনাজ নির্বাচনে দাঁরাবে তা এক প্রকার নিশ্চিত। কুমিল্লার মানুষ, আপ্নারা তৈরী থাকেন আপনাদের এই নেত্রীকে বরণ করবার জন্য । জানি আপ্নারা পারবেন। আপনাদের সেই রুচি আর ইচ্ছে আছে। আফটার অল, গত কয়েক যুগ তো তাই হয়ে আসছে।


উপরের ছবিতে যাকে দেখছেন তার নাম ববি রেদোয়ান সিদ্দীকি। শেখ এমমাত্র রেহানার ছেলে। মায়ের দূর্নীতি আর দেশ থেকে মেরে দেয়া কোটি কোটি টাকায় বড় হওয়া এই রাজপূত্র পড়ালেখা করেছে লন্ডন স্কুল অফ ইকোনোমিক্সে অর্থনীতিতে।


এইটা আমার লেখা নয়। সংগ্রহ করছি। লেখাটি অনেক আগের তাই সুত্র দিতে পারলাম না।
এই লেখাটা ব্লগে দেওয়ার প্রথম কারণ হলো সবাই যাতে আমাদের ভবিষ্যৎ নেতাদের চিনে রাখে। যা-ই বলেন ওরাই নেতা হবে কারন বাংলাদেশ গনপ্রজাতন্ত্রী নামে হলেও কাজে পরিবারতান্ত্রিক।
কাউকে আঘাত করার উদ্দেশ্যে এই লেখা নয়।তাই সবার সুচিন্তিত মতামত আশা করছি।
ভুল হলে ক্ষমা দৃষ্টিতে দেখবেন।
৪২টি মন্তব্য ৩০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

Claude Fable 5: Journey from ANI 2 AGI -প্রযুক্তির ইতিহাসে নতুন এক সন্ধিক্ষণ

লিখেছেন বোকা মানুষ বলতে চায়, ১২ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ২:২৭



প্রযুক্তির ইতিহাসে এমন কিছু মুহূর্ত আসে, যা পরবর্তী কয়েক দশকের গতিপথ নির্ধারণ করে দেয়। ইন্টারনেটের আবির্ভাব, স্মার্টফোন বিপ্লব কিংবা Generative AI-এর উত্থান ছিল তেমনই কিছু ঘটনা। সম্প্রতি Anthropic-এর নতুন Frontier... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমরা এখন কোথায় আছি, কোথায় যাচ্ছি জানিনা ?

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ১৩ ই জুন, ২০২৬ রাত ২:০৭


আমরা এখন কোথায় আছি, কোথায় যাচ্ছি জানিনা ?



আজ শুক্রবার, ১২/০৬/২০২৬ ইং তারিখ
................................................................
গিয়েছিলাম পাড়ার মসজিদে জুম্মার নামাজ পড়তে ।
সব সময়ই যাই, একটু বয়ান শুনি তারপর খুৎবা শুরু হয়,নামাজ... ...বাকিটুকু পড়ুন

যে যায় লঙ্কায় সে হয় রাবণ

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১৩ ই জুন, ২০২৬ রাত ২:৩২


ব্যাংকের সিএসআর বা কর্পোরেট সোশ্যাল রেসপনসিবিলিটি (Corporate Social Responsibility) তহবিল জিনিসটা খাতায় কলমে বড়ই পুণ্যের কাজ। ব্যাংক ব্যবসা করে লাভ করবে, সেই লাভের একটা অংশ সমাজের জন্য আলাদা রাখবে।... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাকি রইলো; কাঁচা কলা

লিখেছেন সামছুল আলম কচি, ১৩ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১১:৪৭


স্ল্যা-কুম, স্ল্যা-কুম, স্ল্যা-কুম.....!!
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির অভাবনীয় উন্নতির এ সময়ে; উড়ে এসে জুড়ে বসা, মাথা নষ্ট এ চীজ গুলো আমাদের শিশুদের ব্রেইন ব্লক করে দেয়ার কোনও এক সুদূর প্রসারী প্লানের... ...বাকিটুকু পড়ুন

স্মৃতির নৌকা

লিখেছেন সেজুতি_শিপু, ১৩ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৪:১১


কোন কোনদিন আলোর শৈশবে চোখ মেলে
মাধবীলতার হাসিমুখ সম্ভাষণের ওপাশে স্বচ্ছ আকাশে
এক ঝাঁক কবুতরের ওড়াউড়ি দেখতে দেখতে-
নিজেকে বড় ভাগ্যবান বলে মনে হয়,
চকিতে অপার্থিব আলো যেন ঢুকে পড়ে আত্মায়।

কোন কোন সন্ধ‍্যেয়... ...বাকিটুকু পড়ুন

×