somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

জাগরণের গান ও একাত্তরের চিঠি: কর্পোরেট সংস্কৃতির থাবা

০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১০:৩৮
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

ভারত-বাংলার ঔপন্যাসিক শাহজাদ ফেরদৌস ‘শাইলকের সিকান্দার বাণিজ্য বিস্তার’ নামে একটি উপন্যাস লিখেছিলেন। সিকান্দার ছিল প্রধান চরিত্র। এই সিকান্দার নিম্ন মধ্যবিত্তের মানষ। একদিন ট্রেনে উঠে এক লোকের সঙ্গে পরিচিত হয়, যে তার দেশের লোক নয়। আস্তে আস্তে আলাপ জমে উঠে। সে লোকটাকে তার দেশ, পেশা এসব জিজ্ঞাসা করে। লোকটা তার কথার উত্তরে বলে, তার নাম শাইলক। তার কোনো দেশ নেই। তার কাজ কেনাবেচা করা। সিকান্দার ছাপোষা লোক। সে পুরোপুরি বুঝে উঠতে পারে না। -আপনি কী কেনাবেচা করেন? উত্তরে শাইলক জানায়, সবকিছু। হয় আপনি আমার কাছ থেকে কিছু কিনবেন না হয় কিছু বিক্রি করবেন। -আমি কি বেচবো? আমার তো বেচার মতো কিছু নেই! –আছে, আছে। আপনার অতীত আছে না! সেটাই আমরা কিনে নিতে পারি।
সিকান্দার প্রথমে বিশ্বাস করতে চায় না এটা কীভাবে সম্ভব! সে অতীত মানে বোঝে এক কুক্ষণে জন্ম নেওয়া, তারপর স্কুল-কলেজে ঢুঁ মারা, চাকরি-বাকরির তালে কিছুদিন জুতার শুকতলা ক্ষয় করা, বাবার তালে পরে বিয়ে করা এবং যথারীতি তিনখান বাচ্চার জন্ম দেওয়া। এর আবার কোনো মূল্য আছে নাকি? সে শাইলকের কাছে জানতে পারে তার দামই নাকি এক কোটি টাকা। খুব খুশি হয়ে সে ভাবে- জো ওয়াপসে আতা হায়, ও হালাল হায়। তো সিকান্দার অতীত বেচে দেয়। সিকান্দারের দরকার টাকা। আর তার বিনিময়ে সে ক্রয় করে অর্থনৈতিক স্বাধীনতা। ভাবে- সে খুব জিতে গেল। তার অতীত বিক্রি করার কথা তার বাবা জানতে পেরে যখন বলে- তুই আমাকে বিক্রি করে দিলি? তখন সে ধাক্কা খায়। আগে সে এ বিষয়টা নিয়ে তেমন, ভাবেনি। শুধু টাকার কথাই চিন্তা করেছে। এবং কার্যত সে এক বন্দি মানুষে পরিণত হয়। তবু টাকার লোভে সে তার স্বপ্ন, আকাঙ্খা, ভবিষ্যৎ সর্বোপরি আত্মা বিক্রি করে বসে।
শাহাজাদ ফেরদৌস এ উপন্যাস লিখেছিলেন ’৯৯ সালে। এখানে যে সিকান্দার সে হয়ে ওঠে তৃতীয় বিশ্বের আর শাইলক হচ্ছেন বহুজাতিক কর্পোরেশনের প্রতিনিধি। সেক্সপিয়রের শাইলকের দেশ ছিল না কিন্তু ধর্ম ছিল। কিন্তু এ যুগের শাইলকদের ধর্মও নেই। তাই মার্চেন্ট অব ভেনিসে শাইলকের পরাজয় ঘটলেও এ যুগে তার পরাজয় ঘটবে না এমনই ভাবে শাইলক, নিজ সম্পর্কে। বহুজাতিক কোম্পানি তৃতীয় বিশ্বে যে বাস্তবতা চাপিয়ে দেয় সেই বাস্তবতার স্বরূপ উন্মোচন করতে গিয়ে এই উপন্যাস লিখেছেন লেখক।
আসলেই অতীত কীভাবে বিক্রি করা যায়? কীভাবে স্বপ্ন-আকাঙ্খা-বিদ্রোহ-বিপ্লব সবই বিক্রিযোগ্য হয়ে ওঠে? কী মানসিকতা এর জন্য তেরি করা হয় যাতে সবকিছুই স্বাভাবিক মনে হয়? ঔপনিবেশিক যুগে যা করা হতো স্রেফ নির্লজ্জ বর্বরতার মাধ্যমে সেই কাজই আজ করা হচ্ছে আমাদের সম্মতি নিয়ে?
ঔপনিবেশিক শাসকদের সম্পদ স্পৃহা নিয়ে জার্মান পরিচালক ওর্য়ানার হেরজগ ‘এগুইরি দ্য র্যামথ অব গড’ নামে সিনেমা বানিয়েছেন। এগুইরি তার সেনা দল নিয়ে লাতিন আমেরিকায় হানা দেয় স্বর্ণের লোভে। লাতিন আমেরিকানদের তীরের আঘাতে সবাই মারা যায়। পানিতে থাকা ভেলাতে সে একাকী। সেও তীরবিদ্ধ হয়। কিন্তু সম্পদ আহরণের লোভ তাকে ছেড়ে যায় না তখনো। সে পুরো অঞ্চলের দিকে তাকিয়ে ভাবতে থাকে, ‘আমি এগুইরি-ইশ্বরের প্রতিচ্ছায়া, আমি আমার মেয়ের গর্ভে সন্তান দেবো।(কারণ ওই অঞ্চল শাসন করার জন্য একজন সাদা লোকও জীবিত নেই।) যে এই অঞ্চল- তার অন্তরের আকাঙ্খা যা বাস্তবায়নের জন্য যা কিছু করা প্রয়োজন তাই করতো। তারা তৈরি করেছিল শিক্ষাব্যবস্থা, আইন-আদালত যা তাদের শাসনব্যবস্থাকে বৈধতা দিতো। এবং বিভিন্ন প্রক্রিয়ায় বিজিত দেশের ইতিহাসের ওপর এমনভাবে তার কর্তৃত্ব জাহির করতো যেন তার মাধ্যমে ঔপনিবেশিক দেশের মানুষজনের ব্যক্তিত্ব, আশা-আকাঙ্খা-স্বপ্নকে ধূলিস্মাৎ করে নিয়ন্ত্রণ আরোপ করতে পারে। শেষ পর্যন্ত একটা ঔপনিবেশিক দেশের মন হয়ে ওঠে তাই, যে নিজের দেশের ইতিহাসের ব্যাখ্যা নিজে জানে না। সত্যি যে ঔপনিবেশিক যুগে আমরা বসবাস করছি তা জানে না। এ যে সম্পদ তৃঞ্চা এবং ইতিহাসের ওপর কর্তৃত্ব জাহির করা তাতো এখনো বহাল আছে। পাল্টেছে সেই জাহির করার ধরন। ইউনিলিভার যখন তার পণ্যে বিজ্ঞাপন প্রচার করে তখন শুধু পণ্যের প্রসারই একমাত্র লক্ষ্য থাকে না। সুকৌশলে আমাদের ওপর চালানো হয় বর্ণবাদী আক্রমণ। সাদা রংকে করে তুললো আমাদের আরাধনার বিষয়। যে চে’ মানুষের মুক্তির জন্য জীবন বাজি রাখলেন সেই চে’ হয়ে উঠলেন ব্যবসার হাতয়ার। চে’ নামের মধ্যে যে প্রতিরোধের বীজ ছিল সে নামই হয়ে উঠলো মুনাফা বানানোর অস্ত্র। এসব কাজের মধ্য দিয়ে সেই ধারণাকেই কি পুরোপুরি প্রতিষ্ঠিত করা হয় না- সবকিছু বিক্রিযোগ্য। চে’র নীতি-স্বপ্ন-আকাঙ্খা-সংগ্রাম সবকিছুকে গোল্লায় পাঠিয়ে তাকে প্রেক্ষিতশূন্য করে স্রেফ বানানো হয় ইমেজে। ঠিক একই প্রক্রিয়া ফকির লালন সাঁইয়ের মেলা পরিণত হয় বাংলালিংক বা গ্রামীণফোনের প্রচারণা উৎসবে। বাংলালিংক, গ্রামীণফোন তাদের ব্র্যান্ড রং দিয়ে ছেঁয়ে দেয় ফকিরদের ইমেজকে।
ডিসেম্বর মাস। আমাদের জন্য বিজয়ের মাস। এ মাসেই সোহারাওয়ার্দী উদ্যানের শিখা চিরন্তন প্রাঙ্গণে জাগরণের গানের উঃসব অনুষ্ঠিত হয়। নামটা শুনতে বেশ লাগে- জাগরণের গান! তা কীসের জাগরণ? কার জাগরণ? এ সম্পর্কে কোনো আলাপ নেই। শুধুই নাকি সংরক্ষণ করার প্রয়োজনে এই পুরো ব্যাপারটার আয়োজন। একাত্তরে আমাদের মুক্তিযুদ্ধের সময় যেসব গান মুক্তিযোদ্ধাদের প্রাণে স্পন্দন জোগাতো, রক্তের ওপাড়ে যেতে প্ররোচণা দিতো সেসব গানকে বোতলবন্ধি করার চেষ্টা করা হয়েছে। সেই চেষ্টার উদ্বোধনী অনুষ্ঠান হয় ১২ ডিসেম্বর। শুধু দেশাত্মবোধক গানই নয়, নজরুল, রবীন্দ্রনাথ, গণনাট্য সংঘের বিভিন্ন বিপ্লবী শিল্পীর গানও এখানে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। খেয়াল রাখা দরকার গণসঙ্গীত ব্যাপারটাই পরিস্ফুটিত হয় হেমাঙ্গ বিশ্বাস, সলিল চৌধুরী প্রমুখের হাতে। বিদ্যমান সমাজব্যবস্থার বিরুদ্ধে গানকে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করাই নয়, একই সঙ্গে সমাজতান্ত্রিক চিন্তা-চেতনার প্রণোদনা তৈরি করাও ছিল গণসঙ্গীতের উদ্দেশ্য। যাইহোক, এই অ্যালবাম আয়োজনের জন্য অর্থ সরবরাহ করেছে বহুজাতিক কোম্পানি ওরাসকম টেলিকমের বাংলাদেশী মুখোশ বাংলালিংক। আর এই ব্যাপক সঙ্গীত আয়োজনের পরিচালক ছিলেন অমিত বন্দ্যোপাধ্যায়। যে গানগুলো মানুষের মুক্তির আকাঙ্গায় হাঁসফাঁস করা আত্মার ক্রন্দন ধরতো তা পরিবেশন করলো বাংলালিংক।
স্টেপ মিডিয়া এই অ্যালবামের আয়োজন করেছে। তাদের প্রাথমিক উদ্যোগ ছিল গানগুলোকে সংরক্ষণ করা। আর এ কাজে অর্থ সাহায্যের জন্য বাংলালিংকের কাছে হাত পাতে। এরকম হাত অনেকেই পাতে। তা পাততেই পারে। কিন্তু কি দরকার ওসব গান সংরক্ষণের? এসব গানের সংরক্ষণ, প্রচার এসব কেন? তার তো একটা গ্রহণযোগ্য উত্তর থাকা দরকার? প্রতিরোধের জন্য? নাকি এগুলোকে স্রেফ গান হিসেবে গাওয়ার জন্য? এই আয়োজনের পৃষ্ঠপোষক বাংলালিংকের (বিপনন) পরিচালক শিহাব আহমেদ বলেন, আমরা গানগুলোকে এ প্রজন্মের ছেলেমেয়েদের সামনে তুলে ধরতে চাই। আজ তাদের ইতিহাস ও ঐতিহ্য সম্পর্কে জানার সময় এসেছে। আমরা ইতিহাস জানবো, ঐতিহ্য জানবো শুধু বর্তমানকে ভুলে থাকবো। এই গানগুলো অতীত দিনে আমাদের যেমন প্রেরণা জুগিয়েছে তেমনি বর্তমানেও কী একই কাজ করে না? হেমাঙ্গ বিশ্বাসের গান কী এখনো আমরা গাই না? আর আজ যদি গাই এই গানের সবচেয়ে বড় প্রতিপক্ষ তো মাল্টি ন্যাশনাল কর্পোরেট পুঁজি । পৃথিবীর দেশে দেশে এই মাল্টি ন্যাশনাল কর্পোরেট পুজিঁই তো মানুষের স্বাধীনতার সবচেয়ে বড় শত্রু। দিকে দিকে মানুষের লড়াই-সংগ্রাম তো এই মাল্টি ন্যাশনাল কর্পোরেট পুজিঁর বিরুদ্ধেই। কর্পোরেট প্রতিষ্ঠানগুলো সাংস্কৃতিক কার্যক্রমে অংশগ্রহণের মাধ্যমে সংস্কৃতির লড়াই-সংগ্রামের জীবন্ত জায়গাটিকে তাদের বগলদাবায় নিতে চায়। আর এ জন্য কর্পোরেট সংস্কৃতি আমাদের ইতিহাস-ঐতিহ্য অথরিটি তৈরি করার চেষ্টা করে। আমাদের চিন্তার দৈন্যতা এবং অর্থলোভিতার জন্য এ সুযোগ করে দেয় কর্পোরেট প্রতিষ্ঠানগুলোকে।
কর্পোরেট কালচারের আরেক বড় বিষয় হচ্ছে মিলিয়ে মিশিয়ে দেওয়া- হেমাঙ্গ ব্শ্বিাসের সঙ্গে বাজারি বিদ্রোহীকে এক আসনে বসিয়ে দেওয়া। একটা সমাজের শ্রদ্ধাপূর্ণ জায়গাকে সম্পূর্ণ নষ্ট করে দিয়ে বাজারের মুনাফা সংস্কৃতির পরিপুষ্ট সাধন করে। কিছুদিন আগে যেমন একাত্তরের চিঠি প্রকাশিত হলো প্রথমা প্রকাশন এবং গ্রামীণফোনের উদ্যোগে। একাত্তরের হারিয়ে যেতে বসা চিঠিগুলোকে উদ্ধার করা প্রশংসনীয় কাজ। কিন্তু কাজের ক্ষেত্রে লক্ষ্য সাধনের উপায়ের মধ্যে সামঞ্ছস্য না থাকলে যা ঘটে তাই ঘটলো এ প্রকল্পটির ক্ষেত্রেও। তাও একটি মাল্টি কর্পোরেট কালচারের উদ্দেশ্য সাধনের জন্যই এই চিঠিগুলো ব্যবহার হলো। গ্রামীণফোন তাদের বিজ্ঞাপন প্রচারেও এই চিঠির বিষয়টি ব্যবহার করে। আমাদের ইতিহাসের বড় ইভেন্টে অংশগ্রহণ করে নিজেদের অস্তিত্ব বৈধ করার যুক্তি যেমন তৈরি করতে পারে আবার একটি জাতীয় কর্তব্য সম্পাদনের কৃতিত্বও নেওয়া যায়। কিন্তু খেয়াল করে দেখুন এই প্রতিষ্ঠানগুলো অবৈধ ভিওআইপি ব্যবসার জন্য কী জরিমানার সম্মুখীন হয়নি? শত শত কোটি টাকা কর ফাঁকি দিয়েছে ‘দুর্নীতিবাজ’ প্রতিষ্ঠানগুলো। এমনকি সাবেক অর্থমন্ত্রী সাইফুর রহমান পর্যন্ত বলেছিলেন গ্রামীণফোন একটি রক্তচোষা প্রতিষ্ঠান। সহজ হিসাব-এই রক্ত কার? নিশ্চয়ই এদেশের জনতার। একদিকে অবৈধ ব্যবসা করে দুর্নীতির দায়ে অভিযুক্ত হয় প্রতিষ্ঠানগুলো আবার অন্যদিকে তারা আমাদের জাতীয় ইতিহাসের অংশীদার হয়ে দাঁড়ানোর চেষ্টা চালায়। নিজেদের পরিস্কার ভাবমূর্তি তৈরি করে। এই ভাবমূর্তি তৈরির প্রচেষ্টা এতো হাস্যকর যে, ভাব যায় শয়তানের কাছে আর মূর্তিটাই শুধু পড়ে থাকে আমাদের কাছে।
এই যে কর্পোরেট প্রতিষ্ঠানগুলো আমাদের সংস্কৃতিতে তার মতাদর্শগত আধিপত্য বিস্তারের জন্য যে আপাত নিরীহ ছেলেভোলানো কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছে সে সম্পর্কে সম্মিলিত প্রতিরোধের দেয়াল তৈরি করতে হবে। না হয় আমাদের ভয়-ভালোবাসা-ঘৃণা-ক্ষোভ-বিদ্রোহ নিয়ে আমরা ‘সিকান্দার’-এর প্রতিচ্ছায়া হয়ে দাঁড়াবো । অতীত বিক্রি করে যেমন সে এক নিঃসঙ্গ, করুণাযোগ্য মানুষে পরিণত হয়; আমাদের পরিণতিও তেমন হবে। আর তাতেও তো সিকান্দার মুক্তি পায়নি। উপন্যাসের শেষে সিকান্দার শাইলকের চ্যালা আন্তনিওর নজরবন্দি থাকে। শেষদিকেও সিকান্দারের বিদ্রোহ করার সাধ যায় না......
সিকান্দার: যদি আমি বিদ্রোহ করি?
আন্তনিও তার কোমর থেকে ঝকঝকে অত্যাধুনিক পিস্তল বের করে ট্রিগারে আঙুল রেখে সিকান্দারের দিকে তাক করে-
-খুন করবেন তাই তো?
-না, একবারেই না।
-তবে?
-আহত করবো।
-যদি আমি আত্মহত্যা করি?
-কোনো দালাল কখনো আত্মহত্যা করত পারে না।
-তবে এখন আমি কি করি?
-খাবি খান
আর এই খাবি খাওয়া থেকে বাঁচতে একটাই রাস্তা, ওই যে প্রতুল মুখোপাধ্যায়ের একটা গান আছে না –
ঝিঙে বেচো পাঁচ সিকেতে, হাজার টাকায় সোনা
বন্ধু তোমার লাল টুকটুকে স্বপ্ন বেচো না।



লেখক: হাসান জাফরুল
সূত্র/সংগ্রহ: সাপ্তাহিক বুধবার(সমাজ ও রাষ্ট্রের গণতান্ত্রিক বিকাশের প্রতি অঙ্গীকারাবদ্ধ) -১৬তম সংখ্যা;৩০ডিসেম্বর ২০০৯


১৩টি মন্তব্য ৫টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

Claude Fable 5: Journey from ANI 2 AGI -প্রযুক্তির ইতিহাসে নতুন এক সন্ধিক্ষণ

লিখেছেন বোকা মানুষ বলতে চায়, ১২ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ২:২৭



প্রযুক্তির ইতিহাসে এমন কিছু মুহূর্ত আসে, যা পরবর্তী কয়েক দশকের গতিপথ নির্ধারণ করে দেয়। ইন্টারনেটের আবির্ভাব, স্মার্টফোন বিপ্লব কিংবা Generative AI-এর উত্থান ছিল তেমনই কিছু ঘটনা। সম্প্রতি Anthropic-এর নতুন Frontier... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমরা এখন কোথায় আছি, কোথায় যাচ্ছি জানিনা ?

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ১৩ ই জুন, ২০২৬ রাত ২:০৭


আমরা এখন কোথায় আছি, কোথায় যাচ্ছি জানিনা ?



আজ শুক্রবার, ১২/০৬/২০২৬ ইং তারিখ
................................................................
গিয়েছিলাম পাড়ার মসজিদে জুম্মার নামাজ পড়তে ।
সব সময়ই যাই, একটু বয়ান শুনি তারপর খুৎবা শুরু হয়,নামাজ... ...বাকিটুকু পড়ুন

যে যায় লঙ্কায় সে হয় রাবণ

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১৩ ই জুন, ২০২৬ রাত ২:৩২


ব্যাংকের সিএসআর বা কর্পোরেট সোশ্যাল রেসপনসিবিলিটি (Corporate Social Responsibility) তহবিল জিনিসটা খাতায় কলমে বড়ই পুণ্যের কাজ। ব্যাংক ব্যবসা করে লাভ করবে, সেই লাভের একটা অংশ সমাজের জন্য আলাদা রাখবে।... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাকি রইলো; কাঁচা কলা

লিখেছেন সামছুল আলম কচি, ১৩ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১১:৪৭


স্ল্যা-কুম, স্ল্যা-কুম, স্ল্যা-কুম.....!!
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির অভাবনীয় উন্নতির এ সময়ে; উড়ে এসে জুড়ে বসা, মাথা নষ্ট এ চীজ গুলো আমাদের শিশুদের ব্রেইন ব্লক করে দেয়ার কোনও এক সুদূর প্রসারী প্লানের... ...বাকিটুকু পড়ুন

স্মৃতির নৌকা

লিখেছেন সেজুতি_শিপু, ১৩ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৪:১১


কোন কোনদিন আলোর শৈশবে চোখ মেলে
মাধবীলতার হাসিমুখ সম্ভাষণের ওপাশে স্বচ্ছ আকাশে
এক ঝাঁক কবুতরের ওড়াউড়ি দেখতে দেখতে-
নিজেকে বড় ভাগ্যবান বলে মনে হয়,
চকিতে অপার্থিব আলো যেন ঢুকে পড়ে আত্মায়।

কোন কোন সন্ধ‍্যেয়... ...বাকিটুকু পড়ুন

×