আমার প্রিয় পোস্ট
- ছবি ব্লগঃ ব্রিটিশ শাসন আমলে বাংলাদেশ - শেখ আমিনুল ইসলাম
- মুভি রিভিউ :: অশ্রুর বাঁধ ভেঙে দেয়া ১৩ টি সিনেমা - মেহরাব শাহরিয়ার
- পেট ফেটে যাওয়া কিছু কৌতুক-{সংগ্রহ} - নষ্ট কবি
- জাফর ইকবাল স্যারের যত বই, প্রায় ৬৪টি বই ডাউনলোড করুন এদম ফ্রী - বখতিয়ার হোসেন
- "বাঁধ ভাঙার আওয়াজ" এ ব্লগারদের অংশগ্রহণে বিশ্বকাপের এই মৌসুম আরও বেশি বর্ণিল হোক... - নোটিশবোর্ড
- অন্ধকার-৪.. - অ্যালন
- ঢাকার অনেক পুরাতন কিছু ছবি!! দেখুন ও শেয়ার করুন
- বজ্রাহত
- প্রিয় দুইজন ব্লগারকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা : শুভ জন্মদিন 'আহমাদ মোস্তফা কামাল'; শুভ জন্মদিন 'প্রিয়তমা' - একরামুল হক শামীম
- গল্প : অপেক্ষা - একরামুল হক শামীম
- তারার ফুল (কল্পগল্প) - (অ)গাণিতিক
- বীরাঙ্গনা ......... আজো ক্ষমা চাই তোমাদের কাছে........ - হনলুলু
- বৃষ্টি এবং টেলিপ্যাথী - উত্তরাধিকার
- বাক্যমুক্তি...................... (গল্প) - রন্টি চৌধুরী
- একাকিত্বের অন্ধকারে ----- - বিষাক্ত মানুষ
- অতিক্রান্ত সময়...... তুমি...... আমি...... - দেবদারু
- উৎসর্গ ....... আমার সতের বছর বয়স ...... - হনলুলু
- ঘুমের আবেশে,ভালোবেসে... - ২য় জীবনানন্দ
- বাবা তোমায় ভালোবাসি - একরামুল হক শামীম
কিংবদন্তী ঢাকার মসলিন (পর্ব-১)
১২ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সকাল ৮:৫০
![]()
ঢাকার আদি ইতিহাস আমাকে অসম্ভব টানে। কিভাবে, কবে এ অঞ্চলের নাম ঢাকা হলো, কিভাবে অথবা কবে ঢাকা নামের একটি অঞ্চলের সূচনা হলো আমার খুব জানতে ইচ্ছা হয়, ঢাকার সরু অলিগলিতে, ঢাকার পুরোনো দালানের স্তর খসে পরা প্রতিটি ইটের আনাচে-কানাচে লুকিয়ে আছে কতো অজানা, সুন্দর, দুঃখের, কিংবদন্তীর কাহিনী। ঢাকার রাস্তা-অলিগলি দিয়ে যখন হাঁটি - তখন অবাক বিষ্ময়ে দেখি আর ভাবি কত কিছুই না হয়ে গিয়েছে আমাদের এই ঢাকাতে-যার তেমন কিছুইতো জানিনা! কতো লুকিয়ে থাকা ইতিহাস, কতো না জানা ঘটনা যা অনেক আগেই চিরকালের জন্যই বিলীন হয়ে গিয়েছে। জানতে ইচ্ছা করে খুব। এতো আমাদেরই ঢাকা- যার বয়স ৮০০ বছরেরও বেশি..এতো পুরোতন একটা শহর যা আজও টিকে আছে মাথা উঁচু করে এবং থাকবে ভবিষ্যতেও। পৃথিবীতে হয়তো এমন পুরাতন শহর খুব বেশি একটা নেই, যা এখনও টিকে আছে। এতো আমাদেরই অহংকার- গর্ব। ঢাকার লুকিয়ে থাকা, হারিয়ে যাওয়া ইতিহাস নিয়ে লিখার ইচ্ছা অনেকদিন থেকেই- সে থেকেই আমার ঢাকার মসলিন নিয়ে লিখার প্রচেষ্টা। চেষ্টা করবো যথা সম্ভব প্রয়োজনীয় তথ্য দিতে, এসব তথ্য অনেকদিন থেকেই একটু একটু করে অনেক কষ্ট করে সংগ্রহ করা ।
কিংবদন্তী ঢাকার মসলিন- পর্বঃ এক
মসলিন নিয়ে গল্প-গাঁথা, কিংবদন্তীর কেন শেষ নেই । মসলিন কত পাতলা হত, ম্যাচ বাক্সে পুরে ফেলা যেত আস্ত একটা শাড়ি! এসবের পাশাপাশি মসলিন যাঁরা তৈরি করতেন সেই তাঁতিদের প্রতি অত্যাচারের কাহিনী, আঙুল কেটে ফেলার কাহিনী এসব আমাদের সবারই কম বেশি শোনা। এগুলোর কতগুলো সত্যি, কতটুকু মিথ্যা তা অন্য প্রসঙ্গ, কিন্তু এই আলোচনা এটাই প্রমাণ করে মসলিন আমাদের ভারি আগ্রহের বিষয়।
মসলিন শব্দের উদ্ভব কিভাবে ?
হেনরি ইউল এর প্রকাশিত অভিধান হবসন জবসন থেকে আমরা পাই মসলিন শব্দের উদ্ভব মসূল থেকে। ইরাকের এককালের নামি ব্যবসা কেন্দ্র মসূলে তৈরি হত সূক্ষ্ম সব কাপড় । যতদূর জানা যায়, ইংরেজরা আমাদের এই সূক্ষ্ম কাপড়কে নামকরণ করে মসলিন হিসেবে ।
কিন্তু ঢাকা আর আশেপাশের এলাকাতে- মুঘল আমলে সপ্তদশ শতকে মসলিন শিল্প বিকাশ লাভ করেছিল চূড়ান্ত রকম। আজও আমরা দীর্ঘশ্বাস ফেলে সেই যুগের মসলিসকেই মনে করি।
ঢাকাই মসলিনের অনন্যতার কাহিনী ছড়িয়ে পরেছিল সর্বত্র। মসলিন রপ্তানি হতো ভারতবর্ষের অন্যান্য প্রদেশে, এমনকি তা রপ্তানি হতো ইউরোপ-আফ্রিকাতেও।
আমরা যেমন আজকেও মসলিন নিয়ে গর্বিত, তেমনি মসলিন দেখে অভিভূত হয়েছিলেন ভিনদেশী ভূগোলবিদ আর পর্যটকরা। পৃথিবীর অনেক বিখ্যাত লোকজন ঢাকা-সোনারগাঁও এর এই উঁচুমানের মসলিন দেখে মুগ্ধ হয়েছিলেন। নবম শতকে ভূগোলবিদ সোলায়মান একটি বই লিখেছিলেন- 'সিলসিলাত উত তাওয়ারীখ' । তাতে রুমী নামের এক দেশের কথা আছে যেখানে এত সূক্ষ কাপড় তৈরি হত যে চল্লিশ হাত লম্বা আর দুইহাত চওড়া কাপড়ের একটি পুরো টুকরো প্রবেশ করানো যেত একটি সাধারণ আংটির মধ্যে দিয়ে। ধারনা করা হয় রূমী হচ্ছে আজকের বাংলাদেশ। সবমিলিয়ে এ দেশের কাপড়ের ঐতিহ্য আজকের নয়-বহু শতকের পুরানো।
তবে প্রাচীন আমল থেকেই বাংলাদেশের বস্ত্র শিল্পের সুখ্যাতি থাকলেও মূলত মুঘল আমলে ঢাকা যখন রাজধানী হয় তখন থেকেই সূক্ষ্মাতিসূক্ষ্ম কাপড়ের সুখ্যাতি ছড়িয়ে পড়তে থাকে । সম্রাট, নবাবেরা মসলিন কাপড় কেনা আরম্ভ করেন চড়া দামে। সে যুগে মসলিন তৈরির জন্য বিখ্যাত ছিল ঢাকা, ধামরাই, সোনারগাঁ, টিটবাদি, জঙ্গলবাড়ি আর বাজিতপুর। জঙ্গলবাড়ি অধিকাংশের পেশা তখন মসলিন বোনা। উনিশ শতকের প্রথমভাগেও সেখানে একাজে নিয়োজিত ছিলেন প্রায় একশ তাঁতি পরিবার। জঙ্গলবাড়ি থেকে মাইল কুড়ি দূরে বাজিতপুর- ওখানে জন্মাতো উচুঁমানের কার্পাস, যা থেকে তৈরি হতো উঁচুমানের মসলিন। আজ থেকে দু'শ বছর আগেও বিদেশী বণিকেরা সোনারগাঁ থেকে মসলিন বিদেশে রপ্তানী করতো। ওখানকার প্রায় দেড়হাজার তাঁতি সে সময় মসলিন বুনে সরবরাহ করতো ইংরেজ কোম্পানিকে। জেমস টেলর সাহেব ১৮৫১ সালে
যখন মসলিনের উপর একটি পান্ডুলিপি তৈরি করেন মসলিনের স্বর্ণযুগ তখন পড়তির দিকে; অথচ যা জানা যায় ঢাকাতে তখনও সাতশ' ঘরের বেশি তাঁতি নিয়োজিত ছিল এই কাজে।
-- চলবে --
আজকে আমার এক বছর পূর্তি হল ব্লগে![]()
সেই উপলক্ষে আমি এই কিংবদন্তী ঢাকার মসলিন পর্ব দেয়া শুরু করলাম..আশা করি সবার ভালো লাগবে।
লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): মসলিন, কিংবদন্তী ঢাকার মসলিন, মসলিন, কিংবদন্তী ঢাকার মসলিন ;
সর্বশেষ এডিট : ১৮ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১:০৪ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
লেখাজোকা শামীম বলেছেন:
আরেকটা ব্যাপার, শুনেছি, মিশরের মমির গায়ে মসলিন জড়ানো আছে। একথা কি সত্যি ? যদি তাই হয়, তবে মসলিন তো অনেক পুরাতন, প্রায় ৩০০০ বছরের পুরোনো হওয়া স্বাভাবিক। কেননা মমিগুলো সেই সময়ের। জানাবেন প্লিজ।
লেখক বলেছেন: ভাইয়া,
আমি এখনো তথ্য সংগ্রহ করছি অনেক কষ্ট করে...মিশরের মমির সম্পর্কে আমি এখনো তেমন কিছু ঠিক জানিনা...জানার পর আমি অবশ্যই আপনাদের জানাবো...দোয়া করবেন এ ব্যাপারে আরো অনেক কিছু লেখার ইচ্ছা আছে সামনে।
আপনাদের কাছে কোন তথ্য থাকলেও আমাকে জানিয়ে সাহায্য করবেন।
ধন্যবাদ।
কৌশিক বলেছেন:
ঢাকার ইতিহাস বিষয়ে আমারও আগ্রহ রয়েছে। ঢাকা নামের উৎপত্তি বিষয়ক চমৎকার কিছু পৌরনিক গল্প রয়েছে। তৎকালিন দুই শক্তিশালী রাজ্যের রাজধানী বিক্রমপুর ও সোনারগাঁও এর মধ্যে থেকে ঢাকার বিকাশ বেশ রোমাঞ্চকর ঘটনা। মসলিন বিষয়ক গবেষণা আরো চলুক..
লেখক বলেছেন: হ্যাঁ, ঢাকা নামের উৎপত্তি বিষয়ক চমৎকার কিছু কাহিনী রয়েছে...অনেক অজানা-অচেনা রোমাঞ্চকর কাহিনী রয়েছে আমাদের...এবং এ নিয়ে ভবিষ্যতে পোস্ট দেয়ার ইচ্ছা আছে...
আশা করি সাথেই থাকবেন...
শুভেচ্ছা।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে...
মে ঘ দূ ত বলেছেন:
শুরুতেই বছরপূর্তির অভিনন্দন। লেখাটা শেষ করুন। সব একসাথে পড়ে নেব নে খন। আপাতত তারা করে রাখলাম। যদ্দিন না শেষ হচ্ছে শুধু চেয়ে চেয়ে থাকাই হবে।
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ মেঘদূত...আশা করি সাথে থাকবেন...
চিটি (হামিদা রহমান) বলেছেন:
বর্ষপূর্তির অভিনন্দন। বর্ষপূর্তির অভিনন্দন। বর্ষপূর্তির অভিনন্দন।
বর্ষপূর্তিতে চমৎকার একটা লেখা দিয়েছো। খুব ভালো লাগলো।
কেমন আছো? ভালো থেকো সারাবেলা
এভাবে লেখা আসুক।
শুভকামনা থাকলো।
লেখক বলেছেন: অনেক অনেক ধন্যবাদ চিটি আপু,
কিভাবে কিভাবে যেন একটা বছর প্রিয় এই ব্লগটাতে পার করে ফেললাম!...
দোয়া করবেন আপু...
জানা বলেছেন:
চমৎকার এই উদ্যোগটির জন্য অভিনন্দন প্রিয়তমা আপনাকে। কাজটি এগিয়ে যাক দ্রুত। সফল হোন। ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: অনেক ভালো লাগলো জানা আপুর শুভকামনা পেয়ে...দ্রুত যেন আপনাদের সামনে সামনের পর্বগুলো তুলে ধরতে পারি...
শুভেচ্ছা আপনাকে। আশা করি সাথে থাকবেন।
নীল কমল বলেছেন:
সুন্দর লিখেছেন। জানছি অজানা তথ্য।
লেখক বলেছেন: কত অজানা কাহিনী যে লুকিয়ে আছে আমাদের ঐতিহ্যে পরতে পরতে ভাবতে অবাক লাগে...ধন্যবাদ নীল কমল।
অনিশ্চিত বলেছেন:
লেখাটির জন্য ধন্যবাদ না জানালে গুণাহগার হয়ে যাবো।
লেখক বলেছেন: সাথে থাকার জন্য আপনাকেও অনেক ধন্যবাদ ও শুভেচ্ছা ।
সহেলী বলেছেন:
অনেক বড় একটা কাজ করছেন । আমার কাছে মসলিনের বিষয়টা বিস্ময়কর লাগে । শুভকামনা আপনার জন্য ।
লেখক বলেছেন: আমার কাছেও আমাদের গৌরবময় ঐতিহ্যের অংশ এই মসলিনের বিষয়টা খুব বিস্ময়কর লাগে।
সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ ও শুভেচ্ছা আপনাকে সহেলী।
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ জেরী'পু। কেমন আছেন?
শুভেচ্ছা রইল।
রাজর্ষী বলেছেন:
ব্লগ বর্ষপুর্তির শুভেচ্ছা রইলো। চমৎকার একটা বিষয় নিয়ে লেখা শুরু করার জন্য ধন্যবাদ। আমার খুবই পছন্দের বিষয় ইতিহাস, ঐতিহ্য। তবে আমি উপন্যাস বা সিনেমার দৃষ্টিতে ইতিহাস দেখি এবং অলস তাই আপনার মত গুছিয়ে বলতে পারিনা। এটা কি আপনার একাডেমিক পড়াশুনার বিষয়? যাইহোক আগ্রহ নিয়ে অপেক্ষা করছি পরবর্তি পর্বের জন্য।
লেখক বলেছেন: শুভেচ্ছা পেয়ে অনেক ভালো লাগলো রাজর্ষী ভাই।
আমাদের আদি ইতিহাস ঐতিহ্যে কত শত আজানা রোমাঞ্চকর কাহিনী লুকিয়ে আছে তার কতটুকুই বা আমাদের জানা বলেন...বিষয়টা আমার একাডেমিক পড়াশোনার না হলেও তীব্র এক জানার আকর্ষণ থেকেই লেখাটির সূত্রপাত।
সাথে থাকার জন্য অনেক ধন্যবাদ। ভালো থাকুন।
অ্যালন বলেছেন:
আশোলে..আম্রা ছোডোব্লায় যা পর্সি বৈএ মস্লিনের ব্যাপারে তা ছিলো নিতান্তোই সামান্য.. যেমন মস্লিন তৈরি ঢাকাতে হৈতো..সোনার্গাঁতেও হৈতো..আঢ় এক্টা আঙটির মিদ্ধে দিয়া এক্টা বড় মস্লিন টুক্রা টানাটানি করা জাইতো..
এত বড় একটা ব্যাপারে এতো সামান্যো লেখা কেম্নে কি..
---
আপ্নার এই ঊদ্যোগ্টা আশোলেই প্ররোশোঙশোনিঅ..জানি এমোনেক্টা ব্যাপারে তথ্য সঙগ্রহো করা কতোটা কষ্ট..আপ্নার এই কষ্ট সার্থখোক..
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ আপনাকে অ্যালন, আপনি ঠিকই বলেছেন। ছোটবেলায় আমাদের সমাজ বইতে এই বিশাল ঐতিহ্যের কতটুকুই বা স্থান পেত...নিজের জানাটুকু আপনাদের সাথে শেয়ার করার উদ্দেশ্যেই এই লেখার সূত্রপাত...
আশা করি পরবর্তী পর্বগুলোতেও সাথে থাকবেন।
শুভেচ্ছা।
ভাঙ্গা পেন্সিল বলেছেন:
আইজকালকার মাইয়ারা রাস্তায় যা পইড়া ঘুরে, হেইডাও তো মসলিনের চাইতে কম পাতলা মনে হয় নালেখক বলেছেন: ........![]()
শুভ্র দেব রায় বলেছেন:
ভাল লেখা........ধন্যবাদ
লেখক বলেছেন: আপনাকেও অনেক ধন্যবাদ শুভ্র দেব। ভালো থাকুন।
সাইফুর বলেছেন:
আগে বর্ষপূর্তির অভিনন্দন জানাই
লেখক বলেছেন: থ্যাঙ্ক ইউ কাছিম ভাইয়া...দেখতে দেখতে একটা বছর এই প্রিয় ব্লগটায় পার করে ফেললাম। দোয়া করবেন।
শুভেচ্ছা রইল অনেক।
রূপকথার বিস্মৃত দানব বলেছেন:
বর্ষপুর্তির শুভেচ্ছা, মসলিনের জন্য ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: ভালো লাগলো আপনার মন্তব্য পেয়ে...অনেক শুভ কামনা ও শুভেচ্ছা রইল। ভালো থাকুন।
লেখক বলেছেন: ইনশাল্লাহ চেষ্টা করব...ভালো থাকুন...অনেক শুভেচ্ছা।
লেখক বলেছেন: অন্নেক ধন্যবাদ নিহন ভাই...কেমন কাটলো আপনার ভালোবাসা দিবস?
লেখক বলেছেন: আমরাও দাওয়াত পাইলামনা....![]()
লেখক বলেছেন:
ভাবী যে !!! কই আপনি !!!
নাকানি চুবানি মানে...গলা পর্যন্ত ডুবে গেছি...![]()
লেখক বলেছেন: থ্যাঙ্কু থ্যাঙ্কু...দোয়া কর...অনেক শুভ কামনা রইল।
লেখক বলেছেন: আপনি কে? শত বছর পর?...![]()
লেখক বলেছেন: ![]()
লেখক বলেছেন: ....
...কই?
তামিম ইরফান বলেছেন:
বর্ষপুর্তির অনেক অনেক শুভেচ্ছামসলিন সম্পর্কে বেশ কিছু তথ্য জানতাম না........আপনার পোষ্ট থেকে
জানলাম.......ধন্যবাদ.......
২য় পর্ব আগামী বর্ষপুর্তি তে পেয়ে যাবো আশা রাখি
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ বান্দর ভাই।
সময় হলে অনেক কিছু সম্পর্কেই আস্তে ধীরে জানবেন এবং টাশকি খাইতে থাকবেন...![]()
রাজর্ষী বলেছেন:
২য় পর্ব কি আসলেই আগামী বর্ষপুর্তিতে আসবে? হতাশ হয়ে ঘুরে গেলাম।
লেখক বলেছেন: ক্লাস-কাজ সব মিলিয়ে একসাথে সময় বের করাটা বেশ কঠিন হয়ে গেছে আজকাল...![]()
রাশেদ বলেছেন:
অভিনন্দন রইলো তোমারে।
লেখক বলেছেন: থ্যাঙ্কু
!!
লেখক বলেছেন: অনেক শুভেচ্ছা ও ধন্যবাদ আপনাকে।
সোহরাব সুমন বলেছেন:
তথ্য বহুল পোস্টের জন্য ধন্যবাদ!
সৈয়দা আমিনা ফারহিন বলেছেন:
অসাধারণ পোষ্ট ম্যাম। পুরো সিরিজটা পড়ে কমেন্ট করব।
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...






















