তবে বলে রাখি আমার খুব ভাল লাগে সাদা-কালো ছবি তুলতে, স্পেসালই মেয়েদের ফেইসের প্রতি আমার একটা দূর্বলতা আছে। এখনো তেমন কোন ছবি তোলা হয়নি যদিও,তবে তুলবো কোন একদিন।
পি:এস: আমি এখনো প্রফেসনাল হতে পারিনি
ছবি হিসটরি:
এই ছবি দুটো তুলেছিলাম, নর্থ ক্যারোলাইনার "আউটার ব্যাংক" এ গিয়ে। একটা জনপ্রিয় রোমান্টিক ছবি আর আমারো ফেব "Message in a bottle"ছবিটি আমাকে অনুপ্রানিত করেছিল এই জায়গাটি ঘুরে আসবার। সত্যি রোমান্স করার জন্য দারুন একটা জায়গা। ওখানে গেলেই মনটা সমুদ্রের মত বিশাল করে ফেলতে ইচ্ছে করে। তবে আমি একটু বেশী ভাবুক প্রকিতির থাকাতে, আকাশ, সূর্য আর সমুদ্রের প্রেমে পরে গেলাম । হি:হি:
প্রথম ছবি:
"Sunset on the other side": মজার ব্যাপার হলো, এখানে সূর্যটা অস্ত যাচ্ছিল না, কিন্তু আমি সমুদ্রের ঠিক যেখানে দারিয়ে ছিলাম, সেখানে একেবারেই দিনের আলোর মত ঝক ঝক করছিল, আর অন্য সাইডে দেখছিলাম সমুদ্রের ঝড়। এক পাশে আলো আর অন্য পাশে অন্ব্ধকার কেমন লাগে ব্যাপারটা বলুনতো? তাই চটপট ক্যামেরা বন্দী করার চেস্টা করলাম দৃশ্যটা। কিন্তু প্রিন্ট করে দেখি, একি, এতো চারিদিকে অন্ব্ধকার। তবুও ছবিটা আমার মন ছুঁয়ে দিল।
দ্বিতীয় ছবি:
"The story of Sunrise":আমার দ্বিতীয় ছবিটির নাম। সেদিন ভোরে উঠেই দৌড় দিলাম সানরাইজ দেখবো বলে। সারা রাত ঘুমাতেও পারিনি ঠিকমত। শুধু চিন্তা যদি মিস করে ফেলি তাহলে আর আমার এখানে সানরাইজ দেখা হবে না। তো, সূর্য ওঠার আগেই পারে গিয়ে দারিয়ে রইলাম ক্যামেরা নিয়ে। উফ এতক্ষণ লাগে নাকি সূর্য উঠতে। অস্থির অস্থির.. প্রায় ঘন্টাখানেক অপেক্ষার পর তার দেখা পেলাম। কি সেই সোন্দর্য, অসহ্য অসহ্য,তাকিয়ে আছি, আর আছি। হঠাৎ মনে হলো, আরে ছবি তোলাই তো হচ্ছে না, কিন্তু সূর্যমামা মেঘের আড়ালে চলে যাচ্ছেন। খুব তাড়াহুড়া করে ছবিটা তুললাম। মনে গেঁথে গেল প্রিন্ট করার পর।
সর্বশেষ এডিট : ১৫ ই মার্চ, ২০০৯ সকাল ১০:১০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



