somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

চিরন্তন প্রধানমন্ত্রী মোদী

১৬ ই জুন, ২০১৪ দুপুর ১২:৪৬
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

পাশাপাশি দুইটি দেশ অথচ দুই দেশের গণতন্ত্রে কতই না তফাৎ। মোদী চা বিক্রেতা থেকে প্রধানমন্ত্রী আর আমাদের প্রধানমন্ত্রী জাতির জনকের তনয়া। উনার পিতা একজন গণতান্ত্রিক নেতা হওয়া সত্বেও ক্ষমতায় থাকার জন্য গণহত্যাকে একটি গণতান্ত্রিক নীতি হিসেবে ধরে নিয়েছিলেন। বাবার আদর্শে অনুপ্রাণিত তনয়া একই নীতিতে বিশ্বাসী। তখন শুধুমাত্র রক্ষীবাহিনী দিয়েই ৩০ হাজার সাধারণ নাগরিকদের হত্যা করা হয়। এবার জনকের তনয়া ঐ কাজটি করছেন র‌্যাবকে দিয়ে।

পিতা, বিশ্বাসী ছিলেন এক দলীয় (বাকশাল) শাসন ব্যবস্থায়, আর কন্যা বিশ্বাস করে গণতন্ত্রে। মুখে সারাদিন গণতন্ত্র আর জনগণ তবে অন্তরে শুধু মাত্র র‌্যাব, পুলিশ, আর বিজিবি। তিনি জনগণ নয় ঐ বাহিনী সমূহকেই সকল ক্ষমতার উৎস হিসেবে ধরে নিয়েছেন এবং কার্যত তা প্রয়োগ করেও দেখাচ্ছেন। নজীরবিহীন এক নির্বাচনের মাধ্যমে তিনি ক্ষমতায় অবস্থান করছেন। নির্বাচন হবে, জনগণকে ভোট দিতে আসতে হবে তেমন কোন বাধ্যবাধকতা নেই, ভোট হয়ে যাবে, নির্বাচন হয়ে যাবে।

এদিকে ব্যাপক জনসমর্থন নিয়ে এবার মোদী দিল্লীর ক্ষমতায়। নির্বাচন করিয়েছে কংগ্রেস অথচ জয় পেয়েছে বিজিপি। ঐ আহম্মক কংগ্রেস নেতাদের উচিত ছিল কিভাবে নির্বাচন করিয়ে বিনা ভোটে ক্ষমতায় থাকা যায় তা গণতন্ত্রের মানসকন্যা শেখ হাসিনার কাছ থেকে জেনে নেয়া। আজ কংগ্রেস ইতিহাস আর আওয়ামী লীগ বর্তমান। তবে মোদী যদি কংগ্রেসের মতো একই ভুল করে তবে তার ক্ষমতাও চিরস্থায়ী হওয়ার সম্ভাবনা নেই, সে যত স্বচ্ছ ভাবেই দেশ পরিচালনা করুক না কেন। মোদী কাছে প্রস্তাব, “এতো পরিচিত অপরিচিত ব্যক্তিদের মন্ত্রী বানালেন, উচিত ছিল শেখ হাসিনাকেও ঐ ধরনের একটি দায়িত্ব দেয়ার। হতে পারতো তা পূর্ববঙ্গের মূখ্যমন্ত্রী কিংবা দিল্লীতে নতুন এক মন্ত্রণালয় খুলে তার মন্ত্রী। যদি মোদী ক্ষমতাকে চিরস্থায়ী করতে চায় তবে ঐ মন্ত্রণালয়টি হবে খুন ও গুম মন্ত্রণালয়, দায়িত্বপ্রাপ্ত অত্যন্ত অভিজ্ঞতাসম্পন্ন মন্ত্রী, শেখ হাসিনা। মোদীর এই একটি সিদ্ধান্তই তাকে ক্ষমতায় চিরস্থায়ী করার জন্য যথেষ্ট। কারণ শেখ হাসিনাতো ইতোমধ্যেই ক্ষমতায় চিরস্থায়ীত্ব অর্জন করেছেন। জানতে চাইলে ক্লিক করুন
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

অবশেষে শেষ হলো! কিন্তু তিনি ফিরবেন কবে?

লিখেছেন ঋণাত্মক শূণ্য, ২০ শে জুলাই, ২০২৬ রাত ১০:৩৫

আমি সর্ব প্রথম আগ্রহ নিয়ে ফুটবল ওয়ার্ল্ডকাপ দেখেছিলাম ১৯৯৮ তে। তখন আমি ক্লাস ৮এর ছাত্র।



আমার বড় ভাইয়ের তখন ফ্রান্সে যাবার কথা আমার আম্মার এক আত্মীয়ার বরের ব্যবসা ছিলো ফ্রান্সে।... ...বাকিটুকু পড়ুন

অহনার কীর্তিকলাপ, কিংবা পাগলামি, কিংবা ভালোবাসা

লিখেছেন সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই, ২১ শে জুলাই, ২০২৬ রাত ১:২১

অহনা খুব জ্বালাতন করতো, অর্থাৎ খুব জ্বালাত,
বা বিরক্ত করতো আমাকে, যেমন, হঠাৎ হঠাৎ মাঝরাতে
মোবাইলে কল করে বলতো, ‘তুই যে ঘুমিয়েছিস, ঘুমানোর
আগে কি আমার কথা ভেবেছিস? বল, কতবার ভেবেছিস?
তাহলে একবার... ...বাকিটুকু পড়ুন

FIFA বিশ্বকাপ ফুটবল ২০২৬ এর ফাইনাল খেলা নিয়ে আমার সামান্য কিছু কথা

লিখেছেন খায়রুল আহসান, ২১ শে জুলাই, ২০২৬ সকাল ৯:২৮

গতকালের FIFA বিশ্বকাপ ফুটবল ২০২৬ এর ফাইনাল খেলায় মেসি অত্যন্ত নিষ্প্রভ ছিলেন। দর্শকদের তাকে মাঠে খুঁজতে হয়েছে, তিনি তার চিরাচরিত স্বভাব অনুযায়ী এ প্রান্ত থেকে ও প্রান্তে, মাঠের সর্বকোণে বল... ...বাকিটুকু পড়ুন

চেতনা, ৭১ , পাকিস্তান ঘৃনা ও বাংলাদেশের প্রেক্ষাপট।

লিখেছেন সৈয়দ মশিউর রহমান, ২১ শে জুলাই, ২০২৬ সকাল ১০:০৫


যুদ্ধে ক্ষতবিক্ষত বাংলাদেশ ও যুদ্ধবিধ্বস্ত ভিয়েতনাম দুটো দেশের অর্থনৈতিক যাত্রা শুরু হয় প্রায় একই সময়ে কিন্তু তুলনামূলক ভিয়েতনামের চেয়ে বাংলাদেশের অবস্থান অনেক ক্ষেত্রে ভালো ছিল। বাংলাদেশে ছিল অনেক ভারী... ...বাকিটুকু পড়ুন

আজকে আমার মন ভালো নেই

লিখেছেন সামিয়া, ২১ শে জুলাই, ২০২৬ দুপুর ১:০৯



দুঃখের সময়ে নানান মানুষের কথা মনে পড়ে। খুব কাছের মানুষের কথা মনে পড়ে আবার অনেক দূরের মানুষের কথাও মনে পড়ে। রক্তের আপন মানুষের কথা তো মনে পড়েই তবু একদিন কীভাবে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×