ঘুমন্ত প্রেমিকার মুখ মধ্যাহ্নের আকাশের চেয়েও উজ্জ্বল
অথচ এতদিন আমি রঙজ্বলা পাখির ডানায়
আর পিপাসায় ম্লান আকাশের হৃদয়ে
খুঁজেছি বৃথায় আলোর স্ফটিক উজ্জ্বলতা।
তার মাটির মতো গহীন জরায়ুতে পেকে ওঠে রক্ত, রস
সূর্যের আল্তো চুমুতে তনুর জড়ানো লতায় ঝুলে আছে দ্রাক্ষা
আমার বিষদীর্ণ ঠোঁট তার ঠোঁট থেকে চুষে নেয় প্রাণরস।
নগ্ন-উদাস স্তনের ভেতর অনন্তমাতার দুধরঙা তুষারের ঝড়
আমার জন্মদাগ থেকে মুছে দেয় খরার অনন্ত অধিরাজ্য।
ওহ! আমি মৃত্যুর গুহায় স্বেচ্ছায় আমার আত্মা রেখে এসেও
পার্সিফোনির নিষেধ না মেনে তার হাত ধরে যাই তা উদ্ধারে।
ওহ! তুমি সিজোফ্রেনিক ঈশ্বরের মেয়ে
নক্ষত্র ছড়ানো রাতভর - তোমার গর্ভে গিয়ে সেই যে বসে থাকি চুপচাপ
আর ফিরিনা - যতক্ষণ না তুমি আমাকে সূর্যের আতুরালয়ে প্রসব করো।
তোমার ঘন চুলের অরণ্যে -কামনা ভুলে হারিয়ে গেছে সোনালী সিংহ
আর চোখের ভারী হ’য়ে আসা পাতার নিচে নিভে গেছে ইন্দ্রিয়ের কুপ
শুধু নাস্তির অনন্ত আর্বতণে - নিজ কক্ষপথ ঠিক রেখে
প্রেমের মূর্চ্ছনা ঘোরে - তোমার আগুন প্রসবিনী সূর্য-নাভীমূলে।
ওহ! সিজোফ্রেনিক ঈশ্বরের মেয়ে
যদিও তোমার লাবণ্যের রথ রেখে চলে গেছে
গৌরব ও বিশ্বাসের লাল-নীল-রূপোলী ঘোড়া
তবু আমার হৃদয় সেই ঐশ্বর্যের প্রত্যয়ে; ভেতরে ভেতরে দারুণ অধীর
যাতে শূন্যের শেষ ঊষায় বয়ে নিয়ে যেতে পারি তোমার কল্পরথ।
ঘুমন্ত প্রেমিকার মুখ দেখে আকাশে - ইনসোমেনিয়া রোগী
তারাদের চোখে - মৃত্যুসুখে প্রশান্ত ঘুম নেমে আসে।
(এটি আমার ১ম কবিতার বই নৈঃশব্দের মৃত্যু হতে দেওয়া হলো)

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


