তোমার ভাগ্যরেখায় ওরা পুতে রেখেছে মাইন
তোমার রক্ত দিয়ে ওরা গোলাপের পাপড়িকে
রং করে করেছে লাল
তোমার ব্যক্তিগত নক্ষত্রদের কে ওরা বানিয়েছে পৈশাচিক যুদ্ধবিমান এর সার্চ লাইট
তোমার গর্ভাশয়ের নাড়ীকে শেকল বানিয়ে
তোমার অনাগত শিশূদেরকে ট্রেনিং দিচ্ছে রাক্ষসবাহিনীর সৈনিক হওয়ার জন্য
তোমার চোখের মণির কালোরাতের ভেতর
ওরা আজ টেবিল পেতে বসেছে
কোন এক গূড় চক্রান্তে শিশু প্রজাতির বিনাশের বাসনায়
তোমার চুল বাতাসে উড়ছে আর আমি দেখছি
এক ব্যবাসায়ী পৃথিবীর ধ্বজাধারী পতাকা উড়ছে
তোমার দেহ মনের ওমে বাতাসে উদ্দাম
অথচ তুমি কোন পথ খোঁজনা আর এই পথ থেকে পালাতে
বরং ওই টেবিলের কফির ধোয়া হয়ে উড়ছো মৃদু বাতাসে
যেন এক তরুনী নর্তকী তার দেহের মাদকতায় মাতিয়ে রেখেছে
অজস্র ধ্বজভংগ বুড়ো রাক্ষসের স্নায়ু।
মনে হচ্ছে আমি যেন এক পৌরাণিক সরীসৃপ,
তোমার উত্তরাধুনিক শরীর বেয়ে বেয়ে উঠছি
স্পর্শের আদিম অভিমানে আর শিহরণের সূত্রে
তোমার মাংশের ঘ্রাণ যেন আঁশটে রাত্রি হয়ে যাচ্ছে,
মানবিক ভুলে অনেক আগেই হারিয়ে ফেলা এক সমুদ্র তীরে
আর তোমার নাগরিক ঘড়ির ভেতরে
সময়ের রোবটিক চলাচলের বিষ শুষে নিতে
কিলবিল করছে বিষ হারানো লক্ষাধিক সাপ
আমাকে মেনে নাও
তোমার শরীরে উষ্ণতা খোঁজা সরীসৃপ রুপে
যৌথ আদিম ঝড়ের খোঁজে ,
দেখো তাহলে সাপ গুলো ঘড়ির সব বিষ শুষে
বিষধর হয়ে ফিরে যাবে গর্তে আর আমরা হব বিষমুক্ত

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


