somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

স্বাধীন বাংলাদেশের সাফল্যগাঁথা>>নেছার আমিন

১১ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ১:০৫
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

Collected From: http://www.sonarbangladesh.com/article.php?ID=670

স্বাধীনতার পর থেকে নব্বই দশক পর্যন্ত বাংলাদেশের প্রতি বিশ্বের দৃষ্টিভঙ্গি ছিল হতাশাপূর্ণ। কিন্তু বর্তমানে সে অবস্থা আর নেই। বাংলাদেশ আজ মাথায় অনেক সাফল্যের মুকুট পরে ওঠে দাঁড়িয়েছে। উর্বর পলিবাহিত মৃত্তিকার উপরিভাগে সবুজের সমারোহ, নীচে তার অফুরন্ত খজিন সম্পদ, আর আকশা সীমায় বিপুল রূপালী মেঘের পাল - যা সারা বছর অন্তরীক্ষে ভূ-গহ্বরে প্রকৃতির সকল উৎস এ দেশকে দান করার জন্য উন্মুখ।

বাংলাদেশের জনসংখ্যা প্রায় ১৫ কোটি। আয়তনের তুলনায় জনসংখ্যার ঘনত্বের দিক থেকে বাংলাদেশ বিশ্বের শীর্ষ দেশসমূহের অন্ত�র্গত। বলা হতো, অধিক জনসংখ্যাই দেশের দারিদ্রতা, অশিক্ষা, অপুষ্টি এবং অস্থিতিশীলতার জন্য দায়ী। কিন্তু একবিংশ শতাব্দীর শুরূতে এ জনসংখ্যাই জনসম্পদ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। বর্তমানে প্রায় ১ কোটির মত জনশক্তি বিশ্বের বিভিন্ন দেশে রয়েছে। বিশ্বের অন্যান্য উন্নয়নশীল দেশের মতো বাংলাদেশ জনশক্তি রফতানী করে দারিদ্‌্র বিমোচন এবং বিভিন্নমুখী উন্নয়ন কার্যক্রম পরিচালনা করছে। প্রবাসীদের পাঠানো টাকার মাধ্যমে প্রবৃদ্ধির এই হার অব্যাহত থাকলে ২০২৩ সালে এর বার্ষিক পরিমান দাড়াবে প্রায় ১২০ বিলিয়ন ডলার। অচিরেই দেশের বৈদেশিক মুদ্রার প্রধান খাত হবে রেমিটেন্স।

মানব সম্পদ উন্নয়ন সুচকের দিকে থেকে বাংলাদেশ আশাতীতভাবে ভালো করছে। এই সূচকে তৃতীয় বিশ্বের মধ্যে বাংলাদেশ তৃতীয় স্থান করে নিয়েছে। বাংলাদেশ এখন বিশ্ব অর্থনীতির বিকাশ ধারায় উচ্চ-মধ্যমাথার অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির দেশগুলোর কাতারে। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে এমনিতেই অধিক হারে প্রবৃদ্ধি হচ্ছে দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোতে। এর মধ্যে বাংলাদেশ রয়েছে সামনের কাতারে। ফলে ইতিবাচক হয়ে ওঠছে বাংলাদেশ। ইতিবাচক যে দেশটিকে দেখার অপেক্ষায় রয়েছে ১৫ কোটি মানুষ।

বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির ধারা অব্যাহত থাকলে আগামী দশকগুলোতে বিশ্বের মানচিত্রে বৃহৎ অর্থনৈতিক শক্তিগুলোর মাঝে স্থান করে নিতে সক্ষম হবে এ দেশটি। সম্প্রতি আমেরিকার Investment Banking প্রতিষ্ঠান গোল্ডম্যান স্যাচ বিভিন্ন দেশের অর্থনৈতিক চিত্রের সমীক্ষা প্রকাশ করে। বর্তমান বিশ্বের অর্থনৈতিক শক্তির ৭টি বৃহৎ দেশের বাইরে আরো ৪টি দেশকে তারা শক্তিধর হিসেবে গণ্য করে। সংক্ষেপে যাদেরকে BRIC বলা হয়। BRIC সম্পর্কে গোল্ডম্যান স্যাচের সমীক্ষা সঠিক প্রমাণিত হওয়ায় এক্ষেত্রে তাদের পদ্ধতি বিশ্বব্যাপী সমাদৃত হয়েছে। তারা আরো ১১টি দেশকে বৃহৎ অর্থনৈতিক শক্তির দেশের তালিকায় অন্তর্ভূক্ত করেছে। যার মধ্যে বাংলাদেশ অন্যতম।

বিশ্ব ব্যাংক ও IFC প্রকাশিত Doing Business in 2006 : Crating Jobs শীর্ষক রিপোর্টে Ease of doing Business Ranking-এ অনুকুল বিনিয়োগ পরিবেশের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের অবস্থান ৬৩তম ১৬৫টি দেশের মধ্যে, যেখানে ইনডিয়ার অবস্থান ১১৬তম।

2020 Bangladesh � A long run perspective study শীর্ষক ওয়াল্ড ব্যাংকের সমীক্ষায় বলা হয়, ২০২০ সাল নাগাদ বাংলাদেশে ৮০০ কোটি আমেরিকান ডলারের প্রত্যক্ষ বিনিয়োগ আসার সম্ভাবনা রয়েছে।

শিক্ষাক্ষেত্রে বাংলাদেশ প্রভূত উন্নতি সাধন করছে। ১৯৯০ সালে প্রাইমারী স্কুলে শিশু ভর্তির হার ছিল ৭২ শতাংশ, বর্তমানে তা বেড়ে ৯০ শতাংশ হয়েছে। মাধ্যমিক স্তরেও ভর্তি হার বাড়ছে। নারী শিক্ষার ব্যাপক প্রসার ঘটিয়ে নারীর ক্ষমতায়ন ও আর্থ-সামাজিক অবস্থার উন্নয়নের লক্ষ্যে সরকার দ্বাদশ শ্রেণী পর্যন্ত মেয়েদের উপবৃত্তি প্রদানের ব্যবস্থা করেছে। দেশ সার্বজনীন মৌলিক শিক্ষা প্রদানের ক্ষেত্রে উলেস্নখযোগ্য অগ্রগতি সাধন করেছে।

বাংলাদেশে জন্মহার তাৎপর্যপূর্ণহারে কমেছে। ১৯৭৫ সালে প্রজনন হার ছিল প্রায় তিন দশমিক তিন শতাংশ। বর্তমানে জনসংখ্যার প্রবৃদ্ধির হার মাত্র দেড় শতাংশ। এই হার ইনডিয়ার এক দশমিক আট শতাংশ এবং পাকিস্তানে আড়াই শতাংশ। গত শতকে শিশু মৃত্যুর হার বাংলাদেশে যেভাবে কমেছে আর কোন উন্নয়নশীল দেশে এতটা দ্রূতহারে কমেনি। দেশে শিশু মৃত্যুর হার বছরে পাঁচ শতাংশ হারে কমছে।
প্রসূতি মায়ের অপুষ্টির হার ১৯৯৬ সালে ছিল ৫২ শতাংশ। ২০০০ সালে তা কমে হয়েছে ৪২ শতাংশ। আগে বাংলাদেশের নারীদের গড় আয়ু পুরূষের চেয়ে অনেক কম ছিল। বর্তমানে পুরূষের গড় আয়ুর চেয়ে নারীদের গড় আয়ু বেশি। এক্ষেত্রে সার্কভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান সবচেয়ে ভালো।

নারীদের শ্রমবাজারে অংশ নেয়ার হারও বেড়েছে। নারীদের শ্রমবাজারে অংশ নেয়ার হারও বেড়েছে। ১৯৮৩-৮৪ সাল গ্রাম ও শহর অঞ্চলে নারী শ্রমশক্তির অংশগ্রহণ ছিল যথাক্রমে ৭ ও ১২ শতাংশ। ১৯৯৯-২০০০ সালে তা বেড়ে হয়েছে যথাক্রমে ২২ ও ২৬ শতাংশ।
বাংলাদেশে নারীরা তাদের সাহস ও দক্ষতার মাধ্যমে প্রশাসনসহ বিভিন্ন দায়িত্ব পালন করে চলেছে। বর্তমান সরকারের প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্র, পরররাষ্ট্র ও কৃষি মন্ত্রণালায়ের দায়িত্বে আসীন রয়েছে। তাই সহজেই বলা যায়, বাংলাদেশে বহু আকাঙ্খিত নারীর ক্ষমতায়ন বাস্তবে রূপ নিয়েছে।

স্বাধীনতার পর থেকে গত ৩৮ বছরে লোকসংখ্যা বেড়ে দ্বিগুন হওয়া সত্ত্বেও বাংলাদেশ খাদ্যে অনেকটা স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন করতে পেরেছে। এ জন্য বাংলাদেশের নাম �একটি সাফল্যের কাহিনী� হিসেবে উলেস্নখ করা যায়।

বিপুল জনশক্তির এই দেশে অদুর ভবিষ্যতে দু�তই শিল্পের ব্যাপক বিকাশ ঘটবে। মধ্যপ্রাচ্য, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া, মালয়েশিয়া, ইউরোপ ও আমেরিকার উৎপাদনের জন্য যেখানে জনশক্তির ঘাটতি রয়েছে, সেখানে বাংলাদেশে রয়েছে উদ্বৃত্ত বিপুল জনশক্তি। এছাড়া রয়েছে কাঁচামাল, নিজস্ব জ্বালানী সম্পদ এবং উৎপাদনোপযোগী প্রাকৃতিক পরিবেশ। পরিকল্পিত উদ্যোগ নিলে যে কোন শিল্পের বিকাশাই এখানে সম্ভব। ১৯৮০-৮১ অর্থবছরে মোট দেশজ উৎপাদনে শিল্পখাতের অবদান যেখানে ১৭�৩১ শতাংশ ছিল সেখানে ২০০৬-০৭ অর্থবছরে ২৯�৭৭ শতাংশ এবং ২০০৭-০৮ অর্থবছরে ৩৭ শতাংশ অবদান রাখে। আগামী এক দশকে মোট দেশজ উৎপাদনে (জিডিপি) শিল্পখাতের অবদান হরে ৪৫ শতাংশ এবং মোট কর্মরত জনশক্তি হবে ৩৭ শতাংশ। বাংলাদেশের তৈরী পোশাক খাত এতটাই অগ্রসর হয়েছে যে, এই খাত থেকে বছরে ১০ বিলিয়ন ডলারেরও বেশি রপ্তানী করা সম্ভব। ২০০৬ অর্থবছরে তৈরী পোশাক খাত থেকে ৭৯০ কোটি টাকা আয় হয়। দেশের রপ্তানী আয়ের ৭৫% পোশাক শিল্পের মাধ্যমে জীবিকা নির্বাহ করছে। এদরে পরিবারের সংখ্যা হিসাব করলে প্রায় ২ কোটি মানুষ সরাসরি এ খাতের সুবিধা ভোগ করছে।

আগে বাংলাদেশের টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থা ছিল শুধু স্যাটেলাইট নির্ভর। ২০০৬ সালে সাবমেরিনের কাজ সম্পন্ন হযেছে। সাবমেরিন কেবল সিস্টেমের সফল ব্যবহারের মাধ্যমে স্বল্প সময়ের মধ্যে দেশে তথ্য ও প্রযুক্তিতে প্রভূত উন্নতি সাধিত হবে। আগামী ২০২৫ সালে মোবাইল ও ল্যান্ডফোন ব্যবহারকারীর সংখ্যা দাঁড়াবে যথাক্রমে প্রায় ১২�৩৪ কোটি জনে। ২০২৫ সালে এ খাতে কর্মসংস্থান ১ লক্ষ ২০ জনে পৌঁছাবে। প্রযুক্তির ক্ষেত্রে দেশে সর্বাধুনিক ওয়াই-ম্যা, ওয়াই-ফাই, জি-থ্রি এনএফটি-র কারনে আগামী ৫ বছরে প্রায় ৪০ হাজার কোটি টাকার বিনিয়োগ হবে।

বাংলাদেশের রয়েছে প্রচুর পরিমানে প্রাকৃতিক সম্পদ। বাংলাদেশের বিস্তীর্ন সমুদ্র উপকুলবর্তী অঞ্চল এবং সমুদ্রের তলদেশে অফুরন্ত� খনিজের সম্ভাবনা রয়েছে। শুধুমাত্র কঙ্বাজার সৈকতের বালু থেকে ম্যাগনেটাইট, জিরকন, ইলমেনাইটসহ �কালো সোনা� উত্তোলন করে প্রায় ৫কোটি বিলিয়ন ডলার আয় করা সম্ভব। এছাড়াও সমুদ্রের তলদেশে তেল, গ্যাস ও মূল্যবান ধাতুসহ বিপুল পরিমান খজিন সামগ্রী রয়েছে যা এখনো অস্পৃশ্য অবস্থায় রয়েছে। বাংলাদেশে এ পর্যন্ত� ২৩টি গ্যাসক্ষেত্র এবং ১৭টি তেল খনি আবিস্কৃত হয়েছে। এ খনিজ সম্পদ কাজে লাগাতে পারলে মাথাপিছু আয় ১৪গুন বেড়ে যাবে। International Energy Outlook 2000-এর Worldwide Look at Reserve and Production Journal-এ উলেস্নখ করা হয়েছে, ২০২০ সালে বাংলাদেশ হবে প্রাকৃতিক গ্যাস নির্ভর একক জ্বালানী দেশ।

পর্যটন খাত থেকে প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের সুযোগ রয়েছে বাংলাদেশের। পৃথিবীর দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকত কঙ্বাজার আর বিশ্বের সবচেয়ে বড় ম্যানগ্রোড বন সুন্দরবন রয়েছে এখানে। এছাড়া বিখ্যাত কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকত, চলনবিল, পাথর সমৃদ্ধ জাফলং, অসংখ্য মাঝারি আকারের টিলা সমৃদ্ধ ফয়েজলেক, ষাটগম্বুজ মসজিদ ও প্রভৃতি অপরূপ সৌন্দর্যের স্থানগুলি হাজারো পর্যটকের নয়ন জুড়ায় প্রতিনিয়ত।

কয়েক বছর আগে বিশ্ব পর্যটন শিল্পের মহাসচিব ফান্সিসকো ফ্রাংগিউটি বাংলাদেশ সফরে এসে বলেছেন, ‘বাংলাদেশ পর্যটন শিল্পের বিপুল সম্ভাবনাময় অসাধারণ সৌন্দর্যমন্ডিত একটি দেশ’।

সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বেড়েছে রেমিটান্স ও বৈদেশিক মুদ্রার ভান্ডার। ক্ষমতা বেড়েছে দুর্যোগ মোকাবিলা করার। বাংলাদেশের মাথাপিছু জিডিপির পরিমান ২০০১ সালে ছিল ৩৬৩ মার্কিন ডলার, যা বর্তমানে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪৯৬ মার্কিন ডলারে। প্রক্ষেপন থেকে দেখা যায় যে, আগামী ২০৫০ সালে এর পরিমান দাঁড়াবে ৪৫০১ মার্কিন ডলার।

ব্রিটিশ হাই কমিশনের পর্যালোচনায় বিশ্বের আর্থিক সমস্যার চাপ মোকাবিলা করার শক্তি বাংলাদেশের রয়েছে। ১৯৯৯ সালে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া এবং ২০০৮ সালের সারা বিশ্বব্যাপী ব্যাংকিং ও শেয়ার সেক্টরে ধস নামলেও বাংলাদেশ এ ঝড়ের তান্ডব থেকে মুক্ত ছিল।

বাংলাদেশের সাফল্যের তালিকা দীর্ঘ এবং আকর্ষণীয়। সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের দিকে বাংলাদেশ বিস্ময়করভাবে সময়সূচী মেনে এগুচ্ছে। এভাবে চলতে থাকলে ২০১৫ সালে বাংলাদেশে দারিদ্রের মাত্রা অর্ধেক কমিয়ে ফেলার যথেষ্ট সম্ভাবনা রয়েছে।

বাংলাদেশের জনগোষ্ঠীর নিজস্ব আর্থিক সংকট মোকাবিলার সক্ষমতা রয়েছে, যার জন্য ২০০৮ সালে বিশ্বে খাদ্য মূল্য বৃদ্ধিতে অসহনশীলতা বাড়লেও বাংলাদেশ দক্ষতার সাথে এ পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে পেরেছে। বাংলাদেশের সাফল্যের তালিকা আরো অনেক বেশী দীর্ঘ, যদিও সাফল্যের পাশাপাশি ব্যর্থতাও রয়েছে, এটা স্বীকার করতেই হবে।

সাফল্যের এই তালিকা তুলে ধরার কারণ হলো, আমরা যেন কখনো না বলি আমরা কিছুই পারি না, কিছুই করতে পারিনা এবং কিছুই করা হয়নি এদেশে।’ সাফল্যের এই তালিকা দেখলে নিজেদের মধ্যে আত্ববিশ্বাস জন্মাবে। এ ভাবনা মনের ভেতর জাগ্রত হবে - আমরা উন্নতি সাধন করতে পারি, উন্নয়নে অবদান রাখতে পারি।

রাজনৈতিক বিভাজন ভুলে গিয়ে এবং দুর্নীতির মূল উৎপাটন করে জাতীয় স্বার্থকে সবার উপরে স্থান দিতে পারলে আমাদের জাতীয় জীবনে আসবে একের পর এক সাফল্য আর সাফল্য, আমরা পাবো স্বপ্নের সমৃদ্ধ বাংলাদেশ, পাবো ইতিবাচক এক বাংলাদেশ।

ই-মেইলঃ [email protected]
১টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

আমাদের গ্রামের গল্প!

লিখেছেন রাজীব নুর, ০৯ ই জুন, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:১৩



আমাগো গ্রাম আপনারা সবাই চিনেন।
মুন্সিগঞ্জ, বিক্রমপুর। শ্রীনগর থানা। খুবই প্রাচীন অঞ্চল। অবশ্য এখন গ্রাম বদলে গেছে! ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল হয়েছে, বিউটি পার্লার, কমিউনিটি সেন্টার, শপিংমল, ফাস্টফুডের দোকান হয়েছে।... ...বাকিটুকু পড়ুন

পণ্ডশ্রম

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১০ ই জুন, ২০২৬ রাত ১২:৩৪



এই নিয়েছে ঐ নিল যাঃ! কান নিয়েছে চিলে,

চিলের পিছে মরছি ঘুরে আমরা সবাই মিলে।

কানের খোঁজে ছুটছি মাঠে, কাটছি সাঁতার বিলে,

আকাশ থেকে চিলটাকে আজ ফেলব পেড়ে ঢিলে।

দিন-দুপুরে জ্যান্ত আহা, কানটা... ...বাকিটুকু পড়ুন

আপনার ATM কার্ড কি সত্যিই নিরাপদ?

লিখেছেন নাহল তরকারি, ১০ ই জুন, ২০২৬ সকাল ৮:২৮

আপনার ATM কার্ড কি সত্যিই নিরাপদ?

ধরুন, মাসুদ একদিন বাজার করতে বের হয়েছেন। তার মানিব্যাগে একটি Contactless Visa Card ছিল। বাজারের ভিড়ের মধ্যে একজন চোর একটি বিশেষ স্ক্যানিং ডিভাইস নিয়ে ঘুরছিল।... ...বাকিটুকু পড়ুন

ফিরে যাওয়া বলে কিছু নেই

লিখেছেন রানার ব্লগ, ১০ ই জুন, ২০২৬ সকাল ৮:৫৫

আমি যে নদীর কথা ভাবি,
সে নদী জল নয় সময় বয়ে নিয়ে চলে।
এক পাড়ে মানুষের কোলাহল,
হাটের গুঞ্জন, ভাতের গন্ধ, সন্ধ্যার আহবান,
অন্য পাড়ে কেবল শূন্যতা,
যেন কেউ কোনোদিন সেখানে ছিলইনা।

তবু দু পাড়ই... ...বাকিটুকু পড়ুন

১০০০-তম পোস্টঃ কন্যা আপন সাজন সাজে রে

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ১০ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১০:২৪

আমাকে ও রাহমিনকে এনিমেট করলে কেমন দেখাবে? এই আইডিয়া থেকেই গানটা রিমিক্স করে এনিমেটেড ভিডিও সং বানিয়ে ইউটিউবে ছেড়েছি। ছোটবেলায় মেঝ খালার বিয়েতে এই গানটা শুনেছিলাম। সবাইকে গানটি দেখা ও... ...বাকিটুকু পড়ুন

×