
টিভিতে ক্রিকেট খেলা দেখানো হলে একটা মজার অনুষ্ঠান হয় অনেক সময় তা হোল Post Match Analysis অর্থাৎ ম্যাচ শেষ হবার পর বিশেষ+অজ্ঞ দের তুফান বিশ্লেষন। ম্যাচ দেখে,ম্যাচের ফলাফল জেনে তারা এমন বিদ্যার বাহার দেখেন দেখে মনে হয় উনাকে ক্রিজে নামায় দিলে তারা এক একজন আকাশ বাতাস সব কাপায় দিয়ে আসবেন...
বাংলাদেশের টিভি চ্যানেল আর পত্রিকাগুলোতে এখন সাবেক প্লেয়ারদের জয় জয়কার। এক একজন একই দিনে ৩-৫টা চ্যানেলে ঘুরে বেরাচ্ছেন। কেউ টক শো, কেউ সংবাদে, কেউ বা অন্য কোন ভাবে টিভিতে এক্সপার্ট হিসেবে একের পর এক পরামর্শ দিয়ে যাচ্ছেন। দল হারার পর উনারাও বসে নাই। যে যেভাবে পারছেন ঝাপায় পড়ছেন। কেউ মৃদু কেউ তীব্রভাবে সমালোচনা করেই যাচ্ছেন...
আজকে এসব বিশেষ+অজ্ঞ সাবেকদের একহাত নিলেন সাকিব। সকাল বেলায় লেখা পড়েই বুঝেছিলাম বড্ড কঠিন কিন্তু বাস্তব কথা বলেছেন। সাবেক বিশেষ+অজ্ঞদের একদম প্যান্ট ধরে টান দিয়েছেন। আসুন কথা না বাড়িয়ে তার লেখাটা কোট করিঃ
সবচেয়ে খারাপ লাগে, যখন দেখি জাতীয় দলের সাবেক ক্রিকেটাররাও আর দশজন সাধারণ দর্শকের মতো কথা বলেন। তাঁরা অনেক বোঝেন, অনেক খেলেছেন, এ রকম পরিস্থিতিতেও অনেকবারই পড়েছেন। তাঁদের কথাগুলোই তাই বেশি হতাশাজনক। একটা জিনিস অন্তত তাঁদের চিন্তা করা উচিত, তাঁরা কী ক্রিকেট খেলে এসেছেন। আমি চাই না কাউকে ছোট করতে। তবে কে কত দূর খেলে এসেছেন, সেটা রেকর্ড ঘাঁটলেই পাওয়া যায়। আমরা জানি, কার কেমন রেকর্ড আছে, কারা কোন ক্রিকেট খেলে এসেছেন, কী ধরনের ক্রিকেট খেলে এসেছেন। এটা স্বীকার করি, তাঁরা ওই সময় শুরু না করলে আমরা হয়তো আজ এই পর্যন্ত আসতে পারতাম না। তবে আমার মনে হয় না, বাংলাদেশে এমন কোনো ক্রিকেটার আছেন, যিনি এ রকম বাজে পরিস্থিতিতে পড়েননি। গত টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের পর এই প্রথম আমরা এমন একটা পরিস্থিতিতে পড়লাম। আমরা দু-তিন বছরে একদিন যে পরিস্থিতিতে পড়ছি, আমাদের তো মনে হয়, তাঁরা প্রায়ই সে রকম পরিস্থিতিতে পড়তেন! ভালো পরিস্থিতির দেখা পেতেন মাঝেমধ্যে। কাজেই সবারই বোধ হয় একটু বুঝেশুনে কথা বলা উচিত। তবে সব সাবেক ক্রিকেটারই যে এমন বলছেন, তা নয়। অনেকে আমাদের দিকে সমর্থনের হাতও বাড়িয়ে দিচ্ছেন। এই সমর্থন আমাদের কাছে মহার্ঘ্য।
সোর্স
আমি জানি কথাগুলো শুনতে কারো কারো কাছে খারাপ লাগলেও একদম বাস্তব কথা বলেছেন সাকিব। গতকাল মাশরাফির কমেন্ট শুনলাম। সে কিন্তু দলকে সাপোর্ট দিয়েছে। অন্যদিকে নাঈমুর রহমান দুর্জয়ের লেখা কালের কন্ঠে পড়লাম জিনি প্রশ্ন ছুড়ে দিয়েছেন সিডন্স খেলোয়ারদের কি শেখাচ্ছেন? ভাবখানা এমন গ্রিনিজ,বারলোর কোচিং এর সময় দুর্জয়ের বাংলাদেশ বিশ্ব জয় করে এনেছিল। এসব সাবেকদের আসলেই শিক্ষা হওয়া দরকার ছিল। সাকিবের আচরন উদ্ধত হলেও কথাগুলো আমি সমর্থন করছি। আপনাদের কি মত?
আরেকটি কথা না বললেই নয় তা হোল প্রথম আলোর লেখার পর বাংলা ভিষন আবার বিষয়টাকে আরো কঠিন করে তুলছে। সাকিবের আচরনের উদ্ধত দিকটি তুলে ধরে+সুজনের সাক্ষাতকার নিয়ে বিষয়টা মনে হয় অনেক বেশি পেচায় ফেলছে। দলের জন্য বিষয়টি ভাল হবে না বলেই বিশ্বাষ।
ভিডিওটি এখানে দেখুনঃ
http://www.youtube.com/watch?v=mCHPiCpYhCg
সর্বশেষ এডিট : ০৬ ই মার্চ, ২০১১ রাত ৯:৪২

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


