
http://www.youtube.com/watch?v=mCHPiCpYhCg
এটা দেখে সবাই সাকিবের মুন্ডুপাত করতে শুরু করেছেন । কিন্তু এই মাত্র ফেসবুকে একটি চমৎকৃত খবর পেলাম। উক্ত ভিডিওটি ছিল আয়ারল্যান্ড ম্যাচের পর বিজয়ী বাংলাদেশ অধিনায়কের সংবাদ সন্মেলন। ওয়েস্ট ইন্ডিজের ম্যাচের পরের সংবাদ সন্মেলন নয়।
ডেইলি স্টারেই প্রমান দেখুনঃ
At the press conference following the Ireland match, when asked, perhaps a bit naively, why they had gotten out to bad shots in their innings, Shakib's answer had some of the assembled press, who were only too relieved with the win in stitches, and others gobsmacked. "Because we wanted to get out. Because we felt it would be good for the team if we got out, and because we heard the lunch was good and we wanted to have a bite," said the Bangladesh captain."
জাতিকে বিভ্রান্ত করে দলের ঐক্য নষ্ট করার জন্য বাংলাভিষনের নিউস এডিটর, উক্ত সাংবাদিক ও জড়িত সবার বহিস্কার দাবি করছি। কালকের বাংলা ভিষনের টক শো যারা দেখেছেন তারা হয়তো খেয়াল করেছেন উপস্থাপক ... (একটা গালি হবে) ইচ্ছে করে সুজন আর রকিবুল হাসানকে সাকিবের বিরুদ্ধে বলার জন্য খুচিয়েছে। সাকিবের আচরনের প্রবলেম আছে-এটা অনস্বিকার্য তবে ওরা যা করেছে তা নিঃসন্দেহে হলুদ সাংবাদিকতা।
সাবেক খেলোয়ারদের সমালোচনা অনেকেই মেনে নিতে পারেন নাই। কিন্তু আমি আমার মত জানাই। আমি স্পষ্ট করে বলতে চাই ২০১১তে আজকের বাংলাদেশ ক্রিকেট দল হিসেবে যে স্টেজে তা তাদের ২০০৬/২০০৭ এর মধ্যে পৌছানো উচিত ছিল। টেষ্ট স্ট্যাটাস, প্রচুর সুবিধা পেয়েও তারা একের পর এক ম্যাচ হেরে এসেছে। আজকে সুজন, হান্নান সরকার, শান্ত, পাইলট,অপি, সুমনরা যে এক একজন এক্সপার্ট সেজে এতো সাজেশনের ফুলঝুরি ছটায় তারা নিজেদের সময় কয় বার জাতিকে লজ্জায় ফেলেছিল তা তাদের ভোলা উচিত হবে না। মানুষ নিজেরটা খুব সহজে ভুলে যায় আর অন্যের ভুল ধরার জন্য পাগল হয়ে পড়ে। এই সুজন এতো কথা বলছে সেই কিন্তু গতকালের কালের কন্ঠে বলেছে সিডন্সের জায়গায় নাকি একজন রিকশাওয়ালাও ভাল কোচিং করাতে পারত। এটা কি ধরনের স্পর্ধা? সুজনের উদ্দেশ্যে কালকে পাওয়া সেই স্মরনীয় কমেন্টঃ
আর সূজন ভাইজানের কথা কি কমু, পাকিগো সাথে বিশ্বকাপের পর প্রথম মোকাবিলায় কী করছিলা মামু। তুমি যখন মাইর খাইতা তখন এই পাবলিকই কইত তোমার মত দেড় ব্যাটারী আর কী খেলব? টনি গ্রেগ ৫ ফুট ১ ইন্চি উচ্চতা বিশিষ্ট সাহসী(!) ক্রিকেটার বইলা তোমারে সহ বাংলাদেশরে উপহাস করত। অনেকে বাংলাদেশের পারফরম্যান্স এর ব্যাবচ্ছেদ করতে যাইয়া টিনি পাখি বইলা টিটকারি করত, ইংগিতটা থাকত তোমার দিকে। তুমি একটা বালের ব্যাটসম্যান আছিলা জীবনে সোজা ব্যাটে কভার ড্রাইভই করতে পারতানা, তোমার কাছ থিকা কি শিখব বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানরা। জীবনে খোয়াব দেখিসনা বাংলাদেশের কোচ হওয়ার। তাইলে এই সাপোর্টাররা তোরে পিডাইয়া ল্যাংড়া কইরা দিব কইয়া দিলাম।
ভারতের ক্রিকেট দল নিয়েও আগে যখন সমালোচনার ফুল ঝুরি ছড়াত তখন কিন্তু কিছু বিশেষ+অজ্ঞ দের মনে করিয়ে দেওয়া হোত তাদের নিজেদের খেলোয়ারি কৃর্তি। গাভাস্কার, বয়কট আর হাতে গোনা কয়েকজন ছাড়া বেশিরভাগ ধারাভাষ্যকার নিজেদের খেলোয়ারি জীবনে মধ্যম/এভারেজ মানের প্লেয়ার ছিলেন। তাই এদের বিশ্লষনকে আমি অন্তত কখনো মূল্য দেই না। এসির নিচে বসে ভাষন দেওয়া আর মাঠে করে দেখানোর পার্থক্য যারা জানেই না তাদের জন্য কেন এতো সহমর্মিতা?

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


