আমার প্রিয় পোস্ট

ধর্ম নিরপেক্ষ মানে কি? এতদিন আমরা কি ছিলাম এখন আমরা কি হয়েগেছি?

৩০ শে জুলাই, ২০১০ রাত ১:০৪

শেয়ারঃ
0 0 0

গ্রামে একটা কথা আছে হাশরের মাঠে আইল্লার বাপকে কে চেনে?
সাকাল থেকে ব্লগ ছিল হাশরের মাঠ। আর আমি ছিলাম আইল্লার বাপ। তাই কোন পোষ্ট দিতে পারি নাই। সেই কালে স্কুলে থাকতে যখন মারামারি করতাম। তখন নিয়ম ছিল যে আগে ম্যাডামের কাছে বিচার চাইবে সেই নির্দোষ প্রমাণিত হবে। তাই মারামারি করে জোর করে চোখের পানি বের করে ম্যাডামের কাছে গিয়ে বিচার চাইতাম । কিন্তু বিচার দেওয়ার সময় একটা নিয়ম ছিল। বলতাম ম্যাডাম সে আমারে লাথি দিছে আর আমি কিছু করিনাই এটাতো বলা যাবে না তাই আমি তার গালের সাথে আমার হাতটা লাগাইছ মাত্র। অর্থাৎ সে যখন দিছে তখন সেটা হল লাথি। আর আমিও যখন একই কাজ করছি তখন সেটা হল আমার ভাষায় নরম হাতের আদুরে স্পর্শ মাত্র। আমাকে কেউ মিথ্যুক বলিলে এটা আমার জন্য চরম গালি। আবার আমি যখন আল্লা-খোদারে গালাগালী করি তখন সেটা হয় ব্যক্তি স্বাধীনতা, মতপ্রকাশের অধিকার। আজ সারাদিন আমার চরম রাগ ছিল সু-শীলদের উপর। এরা নিজেদের সু-শীল মনে করে। আর চুপ করে বসে থাকে, যখনই ইসলামকে ছোট করার জন্য কেউ কোন পোষ্ট দেয়। তখনই সেখানে গিয়ে হাতে তালি দেয়। আরো সু-সম্পর্ক রাখার জন্য জিগায় এতদিন ব্লগে দেখলাম না। আছেন কেমন??। এতই সু-শীল (ভাল নাপিত) যে এদের কাছে হিন্দুদের যৌনতারপূর্ণ মুক্তির উলঙ্গ ছবি হল রুচি সম্পন্ন শিল্পকলা। আর মুসলমানদের দৈনিক ২ মিনিট করে ৫ বারে ১০ মিনিটের আযান হল শব্দ দোষণ। মুসলমান স্বাধীনতার আন্দোলন করলে সেটা হয় সন্ত্রাসী উগ্র জঙ্গীবাদ। আর তারা করলে হয় বিপ্লবী সমর নায়ক। অথবা বড়জোর বিচ্ছিন্নবাদী। আজ পুরা বাংলাদেশে ছাত্রলীগ যা করছে যদি এর একটা গঠনাও বাংলাদেশের কোন ধর্মীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে হতো তাহলে তা অন্তত মিডিয়ার ১ সাপ্তাহের খোরাক হত। বাংলাদেশে সেদিন জঙ্গিবাদের সয়লাব বয়ে যেত। এরা নাক খুললেই বাংলাদেশে জঙ্গীবাদের গন্ধ পায়। পৃথিবীর কোন দেশে সন্ত্রাসী সংগঠন নাই?। বাংলাদেশের পশ্চিম দক্ষিন জেলা গুলোতে চরমপন্থি নামে এরা কারা?। এরা কি আদর্শ লালন করে?। এরা কি চায়। এদের অস্ত্র কোথায় থেকে আসে। সেই কাল বেলা থেকে শুরু করে সমরেশের যতগুলো উপন্যাস পড়েছ, সব গুলোতেই রাষ্ট্রের অনৈতিক কাজের বিরুদ্ধে একটা কল্পিত চরিত্র তুলে ধরে (তাদের ভাষায়) একদল বিপ্লবী সৃষ্টি করা হয়েছে, যা অনেকটা কমিউনিজম আদর্শকে সামনে রেখেই করা হয়েছে। সমরেশের লেখা তাই এটা নেহায়েত একটা উপন্যাস। কাল্পনিক চিত্র। কিন্তু যদি এই বইটা কোন ইসলাম পন্থি লিখত তাহলে এটা হতো জিহাদী বই। আর হত বিদ্রোহী। ইসলাম শান্তির ধর্ম এর মানে কি? এর মানে কি এটা যে তুমি আমার পাছায় লাত্থি দিবা আর আমি তোমার পাঁয়ে মালিশ করতে করতে বলব ভাই আপনি কি পাঁয়ে ব্যথা পেয়েছেন?। ব্যথা পাইলে আমাকে ক্ষমা করে দিবেন। আমি দুঃখিত। প্রতিরোধ না করে অপরাধ বাড়তে দেয়া এটা শান্তি? কখনই শান্তি নয়। এটা করা মানে একটা জাতিকে জুলুমের দিকে অগ্রসর করে দেওয়া। ক্ষমতা থাকা সত্ত্বেও অন্যায়ের প্রতিবাদ না করা মানে পরবর্তী প্রজন্মকে একটি চরম, কঠিন অন্যায়ের মুখোমুখি দাঁড় করানো ততদিনে তা আর রুখার মত শক্তি থাকেনা। কুরআনের একটা আয়াতে পড়েছি। " কোন জাতির প্রতি শত্রুতা বসতঃ তুমি যেন তাদের প্রতি অন্যায় বা অবিচার না করে ফেল, বরং সর্বদা সব সময় ন্যায় বিচারই করবে। মুত্তাকী হওয়ার জন্য এটা অনেকটা কাছাকাছি" আমি মনে করি এটাই শান্তি।
বাঙ্গালী মুসলমানকে সাম্প্রদায়িক বানানোর ভিবিন্ন চেষ্টা চলছে এবং এটা চলবে। ন্যাশনাল আইডিতে ডাটা এন্টির কাজ করার সময় এক বন্ধু তার একটা অভিজ্ঞতার কথা বলল। একবার এক ফরমে স্কুলের টিচার ভোটারের নাম লিখেছেন গৌরাঙ্গ দাস। অপারেটর কম্পোজ করার সময় হয়ে গেছে যৌনাঙ্গ দাস। আরেক জায়গায় প্রতিভা পাতিল রানী এর মাঝে হয়ে গেছে পতিতা পাতিল রানী। এটা ছিল একান্তই ভুল। কিন্তু পাশবর্তী হিন্দু অপারেটর এখানে সাম্প্রদায়িকতা খুঁজে পেয়েছেন। এটা নাকি মুসলমান ইচ্ছা করেই করেছে। সেদিন সেনা সদস্য না থাকলে সেখানে মারামিরই হত।
মুসলমানদের উদ্দেশ্য করে একটা কথা বলতে চাই। একজন পুরুষত্বহীন ব্যক্তি বলল আমি কোন দিন কোনা নারিকে ধর্ষন করিনি। অথবা অকজন অন্ধ বলল আমি কোন নারিকে ইভটিজিং করিনা। আরে বেটা করবি কেমনে তোর তো কিছুই নাই। যেখানে গঠন মুলক নির্দিষ্ট কোন আদর্শই থাকেনা সেখানে কেউ সমালোচনার জন্য যায়না। অন্ধকারের যুদ্ধ সব সময় আলোর বিরুদ্ধে। তবে এখানে আমার দুঃখ লাগে বাঙ্গালী আওয়ামী মুসলমানদের জন্য। এরা জামাত শিবিরের বিরুদ্ধে বলতে গিয়ে পুরা ইসলামের বিরুদ্ধেই শুরু করে। কখনো নিজের অবস্থান নিশ্চিত করেনা। কারণ এরা সবাইকে বন্ধু রাখতে চায়। দুনিয়াতে এতকিছু পড়ে থাকা সত্ত্বেও কিছুক্ষন পরপর ইসলাম, ইসলাম। শেষ যখন আর কোন ইস্যু খুঁজে পায়না তখন এবার বলে আমি ছোট কালে মুসলমান ছিলাম। মুসলমান থাকা অবস্থায় আমারে সাম্প্রদায়ীকতা শিখানো হয়েছে। বলা হইছে পানিরে জল বললে আমি নাকি হিন্দু হইয়া যাব। উলুধ্বনি এটা কোন হিন্দুদের ধর্মের কাজ নয় এটা হল বাঙ্গালীর কাজ। কিছুদিন পর বলা শুরু করবে। লাইলাহা ইল্লাকে বাদ দিয়ে হরে কৃষ্ণ হরে রাম বলিও না হইলে তোমাদের বাঙ্গালীআনা ছুটিয়া যাইবে। আমরাই আসল বাঙ্গলী আর মুসলমনারা এদেশে ভাসিয়া ভাসিয়া আসিয়াছে। সুতরাং যদি বাঙ্গালী থাকিতে হয় তাহা হইলে আমরা যা করি তুমরাও আমাদের পিছনে পিছনে তাহা করিবে। আর না হয় তুমরা সৌদিআনা হইয়া যাইবে।
এবার এসেছে সংবিধান।
যাক কথা হল ৭২ এর সংবিধান বাস্তবায়নের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ ধর্ম নিরপেক্ষ হয়ে গেছে এই বিষয় নিয়ে উত্তেজনা চলছে। সত্য কথা হল ধর্ম নিরপেক্ষ এটার মানের কি আমি এখনো ঠিক বুঝতে পারছি না। এটার অর্থ কি সবার কাছে একরম? নাকি একেকজনের কাছে একেক রকম?। কার কাছে কিরকম একটু জানতে চাই? সাথে এই জানতে চাই এই পরিবর্তনের মধ্যদিয়ে আমরা আগে কি ছিলাম এখন কি হয়েগেছি?।

 

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): ধর্মনিরপেক্ষতা ;
সর্বশেষ এডিট : ৩০ শে জুলাই, ২০১০ রাত ১:০৮ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ৩০ শে জুলাই, ২০১০ রাত ১:১৭
ইব্রাহিম মন্ডল বলেছেন: ধর্মনিরপেক্ষ হইলো, অর্ধসত্য অর্ধমিথ্যা। অর্থাৎ কোনো কিছুই না। যারা সেক্যুলার অর্থে ধর্মনিরপেক্ষতা বুঝায় তারা সেক্যুলার তথা অসাম্প্রদায়িক ভাবনাকে বিভ্রান্ত করে।
বামমুর্খরা যে ভুল করেছিল এটা স্বীকার করতে চায় না বলেই ভুলটাকেই প্রতিষ্ঠা দিতে চায়। এ হলো চরম-মৌলবাদীদের কাজ। আমাদের উম্মত হয়ে থাকতে হলো এসবের সঠিক ব্যাখ্যা ও বিশ্লেষণ করতে হবে। আর যদি সেক্যুলারকে গ্রহণ করতে আপত্তি থাকে তাহলে গণতন্ত্রকেও গ্রহণ করা যাবে না। অর্থাৎ ভালো বিষয়গুলো গ্রহণ করার মধ্যেই ঈমানের তাক্কত প্রকাশ পায়।
৩০ শে জুলাই, ২০১০ রাত ১:২৭

লেখক বলেছেন: যতটুকু যানি ইসলাম বা ইসলামী রাষ্ট্র কখনো কাউকে জোর করে মন্দির থেকে মসজিদে প্রবেশ করায়নি। বরং একই রাষ্ট্রে সবাই সমানভাবে বসবার করবে। এখানে ধর্ম নিরপেক্ষতা শব্দটা কি জন্য ব্যবহার করা হয়। যা তাদের জন্য আনন্দের ব্যপার আর মুসলমানের দের কষ্টের ব্যপার? বড় দন্ধের মধ্যে আছি।

২. ৩০ শে জুলাই, ২০১০ রাত ১:১৭
সততা বলেছেন: জামিনদার সাহেব মানুষ তো বহু আছে

১. কট্টর আওয়ামী লীগ
২. কট্টর জামায়তী
৩. কট্টর নাস্তিক
৪. কট্টর শুশীল

আপনার কি শুধু ৪ রকমই চোখে পড়ে?

বাকিগুলা কি সব উধাও?
৩০ শে জুলাই, ২০১০ রাত ১:২৩

লেখক বলেছেন: কি বুঝিয়েছেন ঠিক বুঝলাম না।

ব্লগে এখন এটাই চলছে।

আপনি যদি এদের মাঝে হয়েও
সততা নিয়ে সমানভাবে বিচার করে থাকেন।
তাহলে বলব এখানে আপনার কথা বলা হয় নাই।

ধন্যবাদ।

৩. ৩০ শে জুলাই, ২০১০ রাত ১:৩২
মুন্না_৯৭ বলেছেন: তবে এখানে আমার দুঃখ লাগে বাঙ্গালী আওয়ামী মুসলমানদের জন্য। এরা জামাত শিবিরের বিরুদ্ধে বলতে গিয়ে পুরা ইসলামের বিরুদ্ধেই শুরু করে। কখনো নিজের অবস্থান নিশ্চিত করেনা। কারণ এরা সবাইকে বন্ধু রাখতে চায়।


সহমত।।

আওয়ামীলীগ এর বিরুদ্ধে কিছু বললে ই বলে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার ঠেকাবার চেষ্টা।

এমন কেন হয়??????????
৩০ শে জুলাই, ২০১০ রাত ১:৩৫

লেখক বলেছেন: এরা কি আমি বুঝিনা?
যুদ্ধাপরাধীরা আমাদের সবার শত্রু।
তাই বলে ইসলামকেও এর সাথে গুলিয়ে ফেলতে হবে?।

আসলে আরা কি করছে এরা ঠিক বুঝে উঠতে পারছে না।

৪. ৩০ শে জুলাই, ২০১০ রাত ১:৪১
মারলিন বিশ্বাস বলেছেন: বাহ!
অসুন্দর কথা গুলোতো খুব সুন্দর করেই বলতে শিখেছেন! :#)
কিন্তু, আপনার আক্ষেপটা কার বিরুদ্ধে,সেটাই পরিষ্কার হল না।
৩০ শে জুলাই, ২০১০ রাত ১:৪৯

লেখক বলেছেন: অসুন্দর কথাগুলো সুন্দর করে বলতে শিখেছি এটা বুঝেছেন
কিন্তু আমার আক্ষেপ কার বিরুদ্ধে তা আপনি বুঝেন নি। বা! চমৎকার হয়েছে। বুঝবেন নিজেটরাতো এক আনাও চাড়তে রাজি নয়।

আমার আক্ষেপ সকল উগ্রবাদের বিরুদ্ধে।
বিশেষ করে যারা সুশীল সাজে আবার ইসলামবিরুদ্ধ পোস্ট দেখলে হাতে তালি দেয়।

৫. ৩০ শে জুলাই, ২০১০ রাত ২:১০
দ্বীপ রয় বলেছেন: " কোন জাতির প্রতি শত্রুতা বসতঃ তুমি যেন তাদের প্রতি অন্যায় বা অবিচার না করে ফেল, বরং সর্বদা সব সময় ন্যায় বিচারই করবে। মুত্তাকী হওয়ার জন্য এটা অনেকটা কাছাকাছি" আমি মনে করি এটাই শান্তি

এতো সুন্দর কথাগুলো কি একজন মুসলমান হিসাবে আপনি বিশ্বাস করেন?? যদি করে থাকেন তাহলে এ দেশের হিন্দুদেরকে মালাউন,কাফির বা বিধর্মি বলা হয়ে থাকে কেনো? যতদুর বুঝি বিধর্মি তাকেই বলা হতে পারে যার কোনো ধর্মই নেই।

পৃথিবীর সব ধর্ম মত পথের অনুসারিরা সৃষ্টিকর্তার নিকট প্রার্থনা করে জগতের সকল প্রানির শান্তি কামনা করে। ব্যাতিক্রম শুধু ইসলাম ধর্মের...সেখানে শুধু মাত্র মুসলিম উম্মাহর জন্য শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করে মোনাজাত করা হয়>কেনো?

আপনার উপরোক্ত কথা যদি আপনি মানেন তাহলে তো আপনাকে অবশ্যই ধর্মনিরপেক্ষ হতে হবে--কারন অন্য ধর্মালম্বিদের হেফাজত করতে হলে তাদের ধর্ম-কর্মে আপনি বাধা দিতে তো পারবেন ই না বরং তারা যাতে তাদের ধর্মকে সঠিকভাবে পালন করতে পারে--সে দায়িত্বও আপনাকে নিতে হবে। আর সেটাই হচ্ছে ধর্মনিরেপেক্ষতা।

ধর্মনিরেপেক্ষতা আর ধর্মহীনতা কি এক বিষয়??একটা রাষ্ট্রে সকল নাগরিক অবাধে নিজ নিজ ধর্ম পালন করতে পারবে তাতে কোনো প্রতিবন্ধকতা আসবে না, সেটাই ধর্মনিরেপেক্ষতা।আর এ কাজটা অবশ্যই রাষ্ট্র তথা সরকার কেই নিশ্চিৎ করতে হবে। সে ক্ষেত্রে ইসলাম বিপন্ন হবার কিছু আছে কি?? বরং এর মাধ্যমে কি ইসলামের মাহাত্ব বৃদ্ধি পাবে না??

অজ্ঞতা বশতঃ আমার ভুল হতে পারে--আশা করি ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে বিচার করবেন। এবং আপনার মতামত জানাবেন।------ধন্যবাদ
৩০ শে জুলাই, ২০১০ রাত ১১:১০

লেখক বলেছেন: বিশ্বাস করি বলেই কথাগুলো সামনে আনলাম।
মালাউন, কাফির, বা বিধর্মী শব্দগুলো হঠাত করেই কেউ কাউকে বলেনা। কথা না রাখা ধোকাবাজি করা বা আদর্শিক বিচ্ছুতি হলেই বলে থাকে। এটা মুসলমানে মসুলমানে যখন মারামরি করে একজন আরেকজনকে গালি দেয় ঠিক সে রকমই। এ জন্য দু'জনই দায়ী। প্রকৃত পক্ষে বাংলার মুসলমান যদি কুরআনের ঐ আয়াতকে অনুষরণ করত তাহলে কখনোই এমনটি হত না। আমরা ধীরে ধীরে সেদিকেই দৃষ্টি দিচ্ছি।

ধর্ম নিপরেক্ষতা বিষয়ে কথা হল, দুটি বিতর্কের মাঝে সত্য একটাই। হয় আমি নদীর এপাড়ে বা ও পাড়ে। আমি একই সাথে নদীর এপাড়েও থাকব আবার ও পাড়েই থাকব এটা কিভাবে সম্ভব?। একজন মুসলমান এক ইশ্বরে বিশ্বাস করে আবার একই সাথে হিন্দুদের মত বহুখোদায়ও বিশ্বাস করবে। একজন মসুলমান পুর্ণজিবীত করণকে বিশ্বাস করে আবার হিন্দুদের মত এটাকে বিশ্বাস করেনা, এটা কি কি করে সম্ভব? । শেখ হাসিনা ধর্ম নিরপেক্ষ অর্থাৎ তার কাছে কোন ধর্মই একক সত্য নয়। দুটিই সমানভাবে সত্য। তিনি হজ্জেও যাবেন আমার মন্দিরেও যাবেন। তিনি মুহাম্মদকে নবী মানেন আবার মানেনা। এটা কিভাবে সম্ভব? এখানে আমি মনে করি আমারটা সত্য আর আপনি মনে করেন আপনারটা সত্য। তাই আমার আপনার মাঝে সম্প্রীতি থাকবে তার মানে এই নয় যে আমি একই সাথে আমারটাকেও সঠিক মনে করি আবার আপনার বিশ্বাস কেও সঠিক মনে করি। ধর্মনিরপেক্ষতার অর্থ যদি এই হয় তাহলে এটা নিশ্চিত ধর্মহীনতা। আর যদি ধর্মনিপেক্ষতা মানে হয় বাংলাদেশ আমাদের সকলের। সেখানে আমরা যার যার ধর্ম বিশ্বাস নিয়ে সমানভাবে বেঁচে থাকব। তাহলে বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার পর থেকেই আমরা ধর্ম নিরপেক্ষ। এটাকে আবার দাদাদের খুশির জন্য ডাকঢোল বাজানোর কি প্রয়োজন?।

আমার মতে সম্প্রীতি মানে হল আমি একমাত্র আমার বিশ্বাসকেই সঠিক মনে করি। তবে আপনার অধিকার স্বার্থে আপনার বিরুদ্ধে, আপনার ধর্ম নিয়ে কটাক্ষ করিনা।

ধন্যবাদ।

৬. ৩০ শে জুলাই, ২০১০ রাত ৩:১৭
কলম.বিডি বলেছেন: আজ পুরা বাংলাদেশে ছাত্রলীগ যা করছে যদি এর একটা গঠনাও বাংলাদেশের কোন ধর্মীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে হতো তাহলে তা অন্তত মিডিয়ার ১ সাপ্তাহের খোরাক হত। বাংলাদেশে সেদিন জঙ্গিবাদের সয়লাব বয়ে যেত। এরা নাক খুললেই বাংলাদেশে জঙ্গীবাদের গন্ধ পায়। পৃথিবীর কোন দেশে সন্ত্রাসী সংগঠন নাই?। বাংলাদেশের পশ্চিম দক্ষিন জেলা গুলোতে চরমপন্থি নামে এরা কারা?। এরা কি আদর্শ লালন করে?। এরা কি চায়। এদের অস্ত্র কোথায় থেকে আসে।
৩০ শে জুলাই, ২০১০ রাত ১১:১২

লেখক বলেছেন: কেউতো কিছু বলল না।

৭. ৩০ শে জুলাই, ২০১০ রাত ৩:৩৪
লেবফিউম বলেছেন: ৫ মিনিট। ধর্ম নিরপেক্ষতার ১টা সঙ্গা আমার বাবা আমাকে দিয়েছিলেন। ওটা পোষ্ট করছি।
৩০ শে জুলাই, ২০১০ রাত ১১:১২

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

৮. ৩০ শে জুলাই, ২০১০ ভোর ৪:০২
লেবফিউম বলেছেন: পোষ্ট দিয়েছি। দেখে নিয়েন।

Click This Link
৩০ শে জুলাই, ২০১০ রাত ১১:১৩

লেখক বলেছেন: পড়েছি। খুব ভাল লিখেছেন।

৯. ৩০ শে জুলাই, ২০১০ ভোর ৪:২১
ধ্রুব তারা বলেছেন: লেখক বলেছেন: যতটুকু যানি ইসলাম বা ইসলামী রাষ্ট্র কখনো কাউকে জোর করে মন্দির থেকে মসজিদে প্রবেশ করায়নি।

সৌদিতে অন্য ধর্মের উপষনালয় প্রতিষ্ঠাই নিষেধ
৩০ শে জুলাই, ২০১০ রাত ১১:১৮

লেখক বলেছেন: ইসলামী রাষ্ট্রের মডেল বা নমুনা হিসাবে বার বার সৌদি আরবকে টেনে আনা হয়। এটা ভূলবুঝাবুঝি। আমরা সৌদিকে প্রকৃত ইসলামী রাষ্ট্র মনে করি না।

তাছাড়া অন্য ধর্মের উপষনালয় যে প্রতিষ্ঠা করা নিষেধ
এই তথ্যটা কতটুকু সত্য?

১০. ৩০ শে জুলাই, ২০১০ ভোর ৪:২৯
আবদুল্লাহ আল জাফর মালেক বলেছেন: ধ্রুব তারা বলেছেন: লেখক বলেছেন: যতটুকু যানি ইসলাম বা ইসলামী রাষ্ট্র কখনো কাউকে জোর করে মন্দির থেকে মসজিদে প্রবেশ করায়নি।

সৌদিতে অন্য ধর্মের উপষনালয় প্রতিষ্ঠাই নিষেধ
৩০ শে জুলাই, ২০১০ রাত ১১:১৮

লেখক বলেছেন: ইসলামলী রাষ্ট্রের মডেল বা নমুনা হিসাবে বার বার সৌদি আরবকে টেনে আনা হয়। এটা ভূলবুঝাবুঝি। আমরা সৌদিকে প্রকৃত ইসলামী রাষ্ট্র মনে করি না।

তাছাড়া অন্য ধর্মের উপষনালয় যে প্রতিষ্ঠা করা নিষেধ
এই তথ্যটা কতটুকু সত্য?

৩০ শে জুলাই, ২০১০ রাত ১১:১৯

লেখক বলেছেন: কি হইছে?।

৩০ শে জুলাই, ২০১০ রাত ১১:২৮

লেখক বলেছেন: আমি কখনো আপনাকে ভুলব না।

১৩. ৩১ শে জুলাই, ২০১০ রাত ২:২৯
ধ্রুব তারা বলেছেন: তাছাড়া অন্য ধর্মের উপষনালয় যে প্রতিষ্ঠা করা নিষেধ

প্রথমত ওয়েস্টার্ন মিডিয়া দ্বীতিয়ত, আমি যাদের সাথে থাকি তাদের অধিকাংশ সৌদিতে বড় হওয়া বাঙালি।

আর যদি সৌদি আদর্শ মুসলিম রাষ্ট্র না হয় তবে একটা আদর্শ মুসলিম রাষ্ট্রের নাম বলুন, তা নিয়েই না হয় আলোচনা করা যাবে।
১৪. ০৬ ই মার্চ, ২০১১ রাত ৮:৪৬
ShusthoChinta বলেছেন: আচ্ছা সৌদি কেমন করে আদর্শ মুসলিম রাষ্ট্র হয়,যেখানে বংশানুক্রমিক রাজতন্ত্র বিদ্যমান? ইসলাম রাজতন্ত্র সাপোর্ট করে? সৌদি বাদশারা মুসলিম দেশ যেমন ইরানের সাথে চরম শত্রুতাপোষন করে আর আর আমেরিকাকে চরম বন্ধু বানায়,শুধু তাই নয় নিজদেশে আমেরিকান সৈন্যঘাটি গাঁড়ার সুযোগ দ্যায়!
১৫. ০৬ ই মার্চ, ২০১১ রাত ৮:৪৯
ShusthoChinta বলেছেন: বর্তমান পৃথিবীতে কোন আদর্শ মুসলিম রাষ্ট্র নাই

 

মোট সময় লেগেছে ০.৯৯০০ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
জীবনটা দাঁড়িয়ে আছে
অনাস্থার দর্শনের উপর।
তাই একলা হাটি।
ভয় পাই মানুষকে।
কোন একদিন বিশ্বাস ফিরে এলে
আবার মানুষের সাথে...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই