স্মৃতিতে আমার ভালবাসা (প্রথম পর্ব)
বাংলা মাসে তখন বৈশাখ। জীবনের দোলাচালেও বোশেখের ঝড়ো হাওয়া এসে আমার আমিকে ওলটা পালট করে দিল। হাতে তখনও ওর লেখা পত্র, “আমি কি তোমার অপেক্ষার শ্রদ্ধা দিতে পারব না ? বাবা জোর করে আমাকে ......................... আমি মুছে যেতে পারি কিন্তু তোমাকে কিছুতেই মোছা সম্ভবনা” ওর শেষের কথাগুলো আরও মর্মস্পর্শী ছিল যা অন্যকিছু ইঙ্গিত করছিল। প্রতিউত্তর ছিল ”এমন কিছু করনা যার জন্য আমাকে সারা জীবন অনুশোচনায় থাকতে হয়, একটি পরিবারের নিকট আমাকে অভিশপ্ত করনা” ওর বিয়ে হয়ে গিয়েছিল, বাসর রাতও হয়েছিল, আর কিছু বলেনি আমাকে বাসর রাত কেমন হল, তারপর তারপরের আরো অনেক না বলা কথা, আর কখনও শোনা হয়নি।
আজ বড় হয়েছি, নিজেকে বোঝার আরও শক্তি, ক্ষমতা সঞ্চারিত হয়েছে নিজের ভিতর। অনেকদিন পর আমি ওদের বাসায় দরজায়। পরিচয় দিতেই ওর বড় বোন চিনতে পারে। শুধু জানতে পারি ও আর এখানে থাকেনা বিয়ের তিন মাসের মাথায় ওর বর ওকে নিয়ে চলে যায় তারপর থেকে ওর কোন খোঁজ নেই। বরের পরিবারেরও কোন খোজ পায়নি ওরা। ওর বাবা আমার সামনে দাড়িয়ে, আমি বের হয়ে এলাম।
= মাথা নিচু করে কিছু বলার আগেই আমিই উত্তর দিলাম। যে সময় ও চলে যায় তখন ওকে আটকানোর মত কোন সাহস ছিলনা, পারতাম ওকে নিয়ে দূরে চলে যেতে কিন্তু ফলাফল ও কষ্ট ছাড়া কিছুই পেতনা, অপরিপূর্ণতার মধ্য দিয়ে ওর সুখের প্রত্যাশায় নিজেকে ওর কাছ থেকে দূরে রেখেছিলাম আজ যখন ওকে হারানোর কষ্ট আমাকে কুড়ে কুড়ে খাচ্ছে তখন ওর হারিয়ে যাওয়া আমাকে এ জগৎ সংসারের নরকে ঠেলে দিয়েছে।
আমি আজও ওকে খুঁজে ফিরি, আমার ভিতর বাহিরে সবখানে, আমার এ পথ চলা যেন শেষ না হয়।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


