আমার প্রিয় পোস্ট
- আইডিএম নিয়ে ঝামেলা? আর না আর না
- রূপক
- বড়দের পোস্ট:
সেরা গরম ছবির তালিকা
- শওকত হোসেন মাসুম
- উইন্ডোজ ভিসতায় 'স্লিপ' অপশনকে কিভাবে 'সাটডাউন' এ পরিবর্তন করবেন - আফরোজ_জাহান
- পছন্দের মুভির তালিকা - বিডি আইডল
- বাংলা স্পেলচেকিং - কিছু ওপেন সোর্স প্রজেক্ট - আছহাবুল ইয়ামিন
- ফ্রি ওয়েব হোস্টিং ! ! - রতন সুন্দর পাড়ই
- মিস্তার পেইনের "স্ত্রী হত্যার পরথিশোধ" - চাঙ্কু
- যারা ল্যাপটপ কেনার কথা ভাবছেন...একটি সতর্কতামুলক পোষ্ট - তাসমান
- ভালবাসাবাসি করেন
.... তয় In Ishtyle!!!!
(অনুবাদ পোস্ট) - এম্নিতেই
- ওপেনসোর্স সফটওয়্যারের জগতে আপনাকে স্বাগতম (অনেকগুলো সফটওয়্যারের বর্ননাসহ ডাউনলোড লিংক) - নাফিস ইফতেখার
- IP দিয়ে খুজে বেড় করুন যাকে খুজছেন তার অবস্থান!! - এ. এস. এম. রাহাত খান
- কেউ জানাবেন? - মুয়ীয মাহফুজ
- আসুন আমরা Rapidshare থেকে Resume Support সহ Super Speed এ File Download করি... - অতিথি_পথিক_মানুষ
- পরীক্ষা করে দেখুন আপনার এন্টিভাইরাসটি ঠিকমত কাজ করছে কি-না...... - লুলুপাগলা
- ফ্রি এবং খুবি সহজ পদ্ধতি তে সাইট তৈরি করুন....... - গিফার
- ফ্রি মুভি ডাউনলোডেরলিংক দিতে পারবেন কেউ? (অগ্রীম ধন্যবাদ) - মেঘলা মানুষ
হারিয়ে যাওয়া সেই সময়, সময়ের সন্ধানে -- অবন্তী, নীলিমা আর অবন্তী’র বাবা
১৫ ই জুলাই, ২০০৮ বিকাল ৫:০১
এপ্রোন পড়া ডাক্তারটি অপারেশন থিয়েটার থেকে বের হতেই “ ৩২২ নং পেশেন্টের রক্ত প্রয়োজন - জরুরী ! ও নেগেটিভ রক্ত” আৎকে উঠি, ঠিক নম্বরটি বুঝতে পারিনি-কত নম্বর। কনফার্ম করি, কিছুটা স্বস্তি পেলাম। বাহিরে প্রচন্ড বৃষ্টি, এম্বুলেন্সের সাইরেনের শব্দ সজোড়ে কানে আসছে। বোধ হয় কোন ইমার্জেন্সী পেসেন্ট এসেছে। তখনও অপারেশন থিয়েটারের সামনে দাড়িয়ে। বিকেল প্রায় শেষের দিকে। আমি যখন এখানে এসেছি তখন দেখতে পারিনি ওকে, ততক্ষনে অপারেশন থিয়েটারে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। ওকে কখনো সেভাবে সতর্ক করাও হয়নি, ভূল, শেষ যেবার ...............................
- বাবা, কি ভাবছ তুমি ?
কই কিছু না তো মা !
- নীলিমা আন্টি কি এখনও ওখানে ?
জ্বী মা, ডাক্তারদের রুমে আছে
- কি হয়েছে বাবা ? তুমি কিন্তু আমাকে বলনি এখনও !
কোথায় মা, কিছু হয়নি তো ! সব ঠিক হয়ে যাবে
- আচ্ছা ঠিক আছে ..
ওকে মিথ্যে বলতে ইচ্ছে হচ্ছিল না, তবুও এতটুকুন মেয়ে রোড একসিডেন্ট কি তা সে বোঝে ..
অবন্তী, আমার মেয়ে, ছোট্ট একটা মেয়ে - ওকে নিয়েই আমার সংসার, আমরা দুজনেই এ সংসারের মানুষ, সুখ - দু:খ এ দুজনকেই ঘিরে, আর বাকী একজন ? ওর ‘মা’ ? বলছি .......
= আন্টি, আন্টি
- কেমন আছ মামুনি ..... কাদঁছ কেন ? আমি তো এখন সুস্থ ..... এই দেখ
= তুমি সুস্থ হলে হাসপাতালে কেন !
- এই ফুল কার ? আমার ! তোমার বাবা কোথায় ?
= বাহিরে আছে, আসতে বলব !
- না! তুমি আমার কাছেই থাক
যা বলছিলাম, অবন্তীর মা, অবন্তীর যখন বছর ১, অতটুকুন বয়সে এ দুধের শিশুকে ফেলে ওর মা ছেড়ে গিয়েছিল, সে যেতে চেয়েছিল তাই আর বাধা দেইনি, বিয়ের পর থেকেই পারিবারিক একটা সমস্যায় ওদের পরিবার আমাদের এ সম্পর্কটাকে মেনে নিতে পারছিলনা, কিন্তু ততদিনে যে সময় গড়িয়েছে তখন অবন্তী পৃথিবীর আলো দেখার পথে। বেশ কয়েকবার আবোরশন করার চেষ্টাও করেছিল, অবশেষে, অনেক অনুনয়, বিনয় আর অনুরোধের পর ....... সে চলে গেলে এতটুকুন মেয়েকে কিভাবে, কোথায় ... সে দুশ্চিন্তায় .... দিনের পর দিন ........
- কি ব্যপার, আজ অবন্তীকে নিয়ে এলে না যে ?
বাহিরে প্রচন্ড বৃষ্টি ছিল, ওর আবার ঠান্ডার দোষ আছে, একটুতেই ..
- তাই ? না কি ...
না, তোমার কাছ থেকে কখনই ওকে আড়াল করিনি
- তাহলে মেয়েটাকে এভাবে কেন কষ্ট দিচ্ছ ?
হাসপাতাল থেকে রিলিজ নিচ্ছ কবে ?
নীলিমা ? পেছনের কথার রেশ ধরেই বলি, যখন অবন্তীর মা চলে গেল, আমি প্রায় দিশেহারা এতটুকুন মেয়েকে নিয়ে ......, আমার বাবা-মা-ও তখন পুরোনো শহরে থাকেন, এ শহরে আমি প্রায় একা। অবন্তী’র যেবার অসুখ হল, সে হাসপতালেই নীলিমা’র সাথে পরিচয়।.সেখান থেকেই অবন্তী হয়ে উঠে নীলিমা’রই একজন । নীলিমা পেশায় একজন ডাক্তার।
- ডিসিশন-টা তহলে ফাইনাল, চলেই যাবে ?
কেন যেতে চাচ্ছি, একবারের জন্যেও কি বুঝতে পারনা ?
- তুমি চলে গেলে নীলিমা অনেক একা হয়ে যাবে, ওর মা চলে যাবার পর তো ....
নীলিমাকে কষ্ট তুমিই দিচ্ছ, নিজেকে যেভাবে দিয়েছ এতদিন
- আমি?
নীলিমা আন্টি, তুমি কি সত্যি চলে যাবে ? বাবা বলনা আন্টিকে আমাদের সাথে থেকে যেতে ..
নীলিমা তাকিয়ে থাকে, অবন্তী আর অবন্তী’র বাবার দিকে .......
নীলিমা’র একটা ফোন আসে, ও ফোনে ব্যস্ত হয়ে পড়ে
অবন্তী অপলক চেয়ে থাকে নীলিমা আর তার বাবার দিকে .......
আবু সালেহ বলেছেন:
গল্পের শেষ কি এখানেই????লেখক বলেছেন: জীবনের গল্প তো শেষ হয় একবারেই
এখানে তো সম্পর্ক নিয়ে রচনা ...
কখনো ভাঙ্গে আবার কখনো গড়ে
হয়ত এখানেও তাই ......
এম্নিতেই বলেছেন:
লেখক বলেছেন: জীবনের গল্প তো শেষ হয় একবারেই এখানে তো সম্পর্ক নিয়ে রচনা ...
কখনো ভাঙ্গে আবার কখনো গড়ে
//ঠিক বলেছেন
লেখক বলেছেন: আপনার ভাল থাকাটাও প্রত্যাশা করি
প্রত্যাশা করি সুস্থ ও সুন্দর জীবনের
সুলতানা শিরীন সাজি বলেছেন:
মনে হচ্ছিল আরো চলুক.......জীবন তো এমনি।
"শেষ নাহি যে শেষ কথা কে বলবে?"
শুভেচ্ছা.......
লেখক বলেছেন: ""শেষ নাহি যে শেষ কথা কে বলবে?""
ভাল লাগল বাক্যটা
আসলেই তাই, এক পর্যায়ে আর জীবনের কথা বলতে ইচ্ছে হয়না, অনেকটা নিজেকে আড়ালে ছুড়ে ফেলা ছাড়া আর কিছুই নয়....
শুভকামনা রইল
লেখক বলেছেন: এখানেই শেষ !
এ গল্পটা আর এগুতো ভাল লাগছেনা
জীবন এত বিষাদময়, তা বাস্তব জীবনে যতটা দু:খের লেখার পাতায় তা প্রকাশেরও ততটা কষ্টের ...


















