বিষয়টি সবই নিশ্চয় খেয়াল করেছেন, সরকারের পক্ষ থেকে তাদের সাধারণ ক্ষমা ঘোষণা করা হয়েছে, কিন্তু বিডিআর সদস্যরা আজ রাতে আর ত্মসমর্পণ করবেন না বলে জানিয়ে দিয়েছেন, সরকার যে ফলপ্রসূ আলোচনা করল তার তো বাস্তবায়ন কিছু বুঝে উঠা যাচ্ছেনা।
এদিকে তাদের হেডকোয়ার্টের ভেতর থেকে আর্মি ইউনিটগুলো আজ রাতেই সরিয়ে নেবার জন্য বারবার মাইকিং করছেন বিডিআর দলের সদস্যরা।
আজ রাতটা ঢাকা সহ পুরো দেশের জন্য উৎকন্ঠার রাত, সাধারণ জনগণ খুবই উদ্বিগ্ন কি হতে যাচ্ছে, কি হচ্ছে বা হবে। বিডিআর দপ্তরের ভেতরে যারা আছে তাদেরও অবস্থা কি তা এখনও জানা যায়নি কিন্তু ভেতরে অফিসার, নন অফিসার অনেক ফ্যামিলিম্যান থাকেন তাদেরও বা অবস্থা কি ?
ভেতরে যে সকল আর্মি অফিসার ছিলেন তাদের জীবিত বা মৃতের খবর বেশ কয়েকবার প্রচার হলেও সরকারের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কিছুই বলা হয়নি।
আর বিডিআর সদস্যরা যে গুলিবিদ্ধ হয়েছেন, যা নিয়ে ঘটনার সূত্রপাত তাদেরই বা কি খবর।
কিন্তু আমার কাছে বড় আশ্চর্য লাগে এত বড় সংস্থা'র এরকম অভ্যূথ্যান সেখানে সরকারী বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার ভূমিকা কি ছিল ?
একটি বিষয় লক্ষ্যনীয়, এখানে বিডিআর সদস্যরা একতরফা-ভাবে গুলি চালিয়েছে, যে বহু সংখ্যক আর্মি অফিসার মারা গিয়েছেন তাদের সঠিক হিসাব এখনও পর্যন্ত কোন সংস্থায় দিতে পারছেনা। কিন্তু আর্মিকে যেভাবে মেধাশূণ্য করা হল তারই বা রিপ্লেসমেন্ট কি ? কারণ যারা মারা গিয়েছেন তাদের অধিকাংশই উর্ধ্বতন পদে কর্মরত ছিলেন, তাহলে একটি সংস্থার এত গুরুত্বপূর্ণ সদস্যকে যে এভাবে হত্যা করা হল তা কি পূর্ব পরিকল্পিত ছিলনা ? অনেক প্রশ্ন থেকে যায় ...
কিন্তু দেশের যে দুটি সংস্থার উপর দেশের অভ্যন্তরীন প্রধান নিরাপত্তার দায়িত্ব ন্যস্ত ছিল সে দু্টি দলই এখন কিছুটা হলেও দূর্বল, বিশেষত এই ঘটনা দ্বারা। এই সুযোগ যেন থার্ড পার্টি কেউ না নিতে পারে সেদিকেও দেশ ও জাতিকে সতর্ক হতে হবে।
সংঘাতটি এমন একটি পর্যায়ের দিকে যাচ্ছে যখন আর্মি বনাম বিডিআর ; প্রত্যাশা থাকবে সরকার যে ব্যবস্থাই নিক না কেন তার মাঝে মাঝে যেন সিভিলিয়ান জড়িয়ে না পড়ে।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

