একটি ছবির কথাই শুধু বলতে এসেছি !
০১ লা মার্চ, ২০০৯ রাত ১২:৩৬
অনেকগুলো ছবির মধ্যে শেষ পর্যন্ত এ ছবিটিকেই বেছে নিলাম, যখন অন্য সব ছবির শোকের সাথে শোক প্রকাশের কোন বাক্য মেলাতে গিয়ে শব্দ খুজে পাচ্ছিলাম না, ঠিক সে মুহূর্তে আবেগ কিছুটা থমকে দাড়াল এ ছবিটির সামনে।
ছবিতে যাকে চোখের জল মুছতে দেখছেন, সাধারণ পরিচয়ে সে একজন মানুষ, কোন একটি পরিবারের সদস্য, একজন বাবা-মায়ের সন্তান কিংবা সেও কোন সন্তানের পিতা কিন্তু যে পরিচয়টা তার কাছে মূখ্য আমাদের কাছে পরিচিত সে দেশের একটি সংস্থার কর্মী, সোলজার যার পরিচিতি, সৈনিক তার পদবী।
প্রসঙ্গটি পরিচয়-ই মূখ্য নয়। মাথায় হেলমেট, কাধে এসএমজি, খাকি সবুজের কম্ব্যাট জ্যাকেট, ম্যগজিন ভর্তি বুলেট, পিচ ঢালা পথে শক্ত বুটের আঘাত, ইষ্পাত দেহের ঘামে ভেজা শরীরের এ মানুষগুলোকে আমরা খুব সহজেই শক্ত মানুষ বলেই জানি, যারা অস্ত্র ধরতে জানে, যারা অস্ত্র চালাতে জানে, দেশের জন্য যারা প্রাণ দেবার শপথ করে তারা শক্ত হবে না তো কারা হবে ?
কিন্তু কি দেখছি আজ, এ ছবি কি মিথ্যে ? ছবিটি কি তাহলে ভুল ? এ শক্ত মানুষটির কান্নার দৃশ্যে তার ভেতরে যতটা অসহায়ত্ব পেয়েছি নিজেকে বিশ্বাস করাতে প্রথম কষ্ট হলেও, অবিশ্বাস করনেনি সেই ফটোগ্রাফার, যিনি বাস্তবতায় দাড়িয়ে এই ফটোটি তুলেছিলেন।
কেউ হয়ত প্রশ্ন করতে চাইবেন না, তিনি কেন কাঁদছেন ? কান্নার উপলটি যখন হারিয়ে যাওয়া একশ’র বেশী আর্মি অফিসারের করুণ মৃত্যুর উপলব্ধি, সামান্য এ সৈনিকের কঠিন সত্য তখন একটিই “আমাদের স্যার-রা আর কেউ বেঁচে নেই”
যাদের জন্য তিনি কাঁদছেন তারা হয়ত তার কেউ না, না কোন এক পরিবারের, না ভাই না রক্তের সম্পর্কের কেউ। শুধুমাত্র এলপিআর-পেনশন যাবার পূর্ব মুহূর্ত পর্যন্ত চাকুরী জীবনের কর্মেেত্রর সঙ্গী।
আমি যদি তার সামনে থাকার একটি সৌভাগ্য পেতাম, একবার তাকে মনে করিয়ে দেবার চেষ্টা করতাম “তুমি কাঁদছ কেন ? তুমি কার জন্য কাঁদছ ? যারা তোমাদের প্রভু ছিল তাদের জন্য ? যে একদিন তোমাকে উঠতে বসতে পশুর বাচ্চা বলে গালি দিয়েছিল? মাথা পেতে মেনেছিল ! সামান্য কোন অপরাধে কোয়ার্টার গার্ডে তিন দিন তিন রাত শেকল বাঁধা করে রেখেছিল, সেই অফিসারদের জন্য ? কিছু প্রাপ্য চাইতে গিয়ে ট্রান্সফার করে দেওয়া হল খাগড়াছড়িতে ! কি কথা বলছনা কেন ? এই তো !- এরকম আরো কত কিছু বলেছ তাদের অপরাধ, শুধু দোষই খুজেছ গুণ খোজনি ! ”
আজ কাঁদছ কেন ?
তোমাদের মত সেইসব জওয়ানরা তো তাদের শাস্তি দিয়েই দিয়েছে, এখন তো তাদের উল্লাসের দিন, কোথায় তারা, ডাক তাদের, মৃত পঁচা লাশের গন্ধে শকুনের পালে তাদেরকে উল্লাস করতে দাও, একবার দেখি তাদের সে হাস্যোজ্বল মুখগুলো, ওদের হাসতে দাও, বারবার হাসতে দাও, আমৃত্য হাসুক ওরা, উল্লাসে থাকুক !
..........................
“আমাদেরকে গালি দিয়েছেন, কোয়ার্টার গার্ডে রেখেছেন, ট্রান্সফার করেছেন, লাথি দিয়েছেন - তবুও তো আমরা সব মেনে নিয়েছি, আমরা তো সাধারন সৈনিক ছিলাম, আমাদের যোগ্যতায় আমাদের এ পরিচয়, কিন্তু, এমন মৃত্যু তো চাইনি। যে অস্ত্রের প্রশিণ পেয়েছি শত্র“র দিকে ট্রিগার চাপব বলে, যে কমান্ডো জাম্প, অ্যাকশন, বোয়েনেটের আঘাত তা তো নিজেদের শরীরে বিধতে চাইনি”
আমি নিরুত্তর থাকি ছবির দিকে তাকিয়ে, ছবির কান্নার অসহায়ত্ব আমাকে গ্রাস করলেও আবেগ দূর্বল আমি নই, , , , -তাই কেউ যেমন আমাকে বুঝতে পারেনা, খুব সহজেই তেমনি প্রসঙ্গ পাল্টে ফেলি।
ঠিক তেমনি এ ছবিটি উল্টে ফেললেই একদিন ঠিকই হারিয়ে যাবে আবার এ স্মৃতি ! প্রশ্নযুক্ত হয় বাক্যটি ?
সত্যি কি হারাবে ?
না কি, ! ২৫ ফেব্র“য়ারী আমাদের জীবনে জাতীয় শোকের উপলক্ষ হয়েই রইবে ?
প্রসঙ্গ : (২৫ফেব্রুয়ারী'০৯- এর বিডিআর সদর দপ্তরে নারকীয় হত্যাকান্ড)
সর্বশেষ এডিট : ১২ ই মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৫:০৫ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
লেখক বলেছেন: এ দৃশ্য বিরল !
প্রচেত্য বলেছেন:
পূর্ব্ই ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি, গতকালকের একটি পোষ্টে আমার বাবার ব্যক্তিগত জীবনের একটি অংশ তুলে দিয়েছিলাম, অবশ্য তিনি চাননি তার আবেগকে আমি এভাবে উপস্থাপন করি, তাই সেটি ডিলিট করে দিয়েছি।
আমি আন্তরিকভাবে দু:খিত
এ বিষয়ে যাদের মন্তব্য পেয়েছিলাম তাদের ব্যক্তিগত ব্লগে আমার মন্তব্য দেবার চেষ্টা করব।
ফিউশন ফাইভ বলেছেন:
আমি গতকাল অনেক মন্তব্যে অশ্রুসজল এই সৈনিকের কথা বলেছি। আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: প্রত্যেক মানুষের ভিতরে থাকে আরেকটি মানুষের প্রতিচ্ছবি, সে প্রতিচ্ছবিতেই বাস করে মানবতা
মানবতা আছে বলেই মানুষ মানুষের জন্য কাঁদে
রাতমজুর বলেছেন:
বাদ দিন, মিডিয়ার কল্যাণে এরা এখনো দানব।
ফৌজিরা আগে মানুষ, পরে ফৌজের, এটা বোঝার চেষ্টাও কেউ করে না, করছে না, করবে না।
লেখক বলেছেন: "ফৌজিরা আগে মানুষ, পরে ফৌজের"
রুমানা বৈশাখী বলেছেন:
একজন সৈনিককে স্রেফ যন্ত্র বলেই জেনে অভ্যস্থ আমরা। আর তাতেই বোধহয় স্বস্তি বোধ করি।... ... ..ভুলে যাই যে মানুষের শরীরে মানুষের মন তাদেরও আছে।
আর্মি হোক বা বি.ডি.আর... ...দিনশেষে সবাই তো আমাদেরই আপন।
লেখক বলেছেন: আর্মি হোক বা বি.ডি.আর, সিভিলিয়ান - পারিবারিক বন্ধনে আমরা সবাই কেউ না কেউ আপন !
লেখক বলেছেন: শোক প্রকাশের ভাষা অজানা
মোঃ মোয়াজ্জেম হোসেন বলেছেন:
আমরা সবাই জানি ফৌজিরা যে আমাদের মতোই মানুষ। তাদেরও একটা মন আছে ঠিক আমাদেরই মতো। পোস্টের জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: কৃতজ্ঞতা রইল
বন্ধুও মানুষ, শত্রুও মানুষ আমি নিজেও একজন মানুষ
লেখক বলেছেন: একই প্রার্থনা করছি
পথ চলতে গিয়ে আমরা যেমন ছবি দেখে অভ্যস্ত তার সাথে এই ছবি কিছুতেই মিলে না...
এর মানে দাঁড়াল... সবার রক্ত লালন, সব মানুষের মাঝেই কোমল একটা মন লুকিয়ে আছে এবং ইউনিফর্ম খুলে ফেললে দেখা যাবে সবাই মানুষ।
লেখক বলেছেন: বিশ্লেষণটি চমতকার হয়েছে
মনে ছুয়ে গেল
তর্পন বলেছেন:
"....আমাদেরকে গালি দিয়েছেন, কোয়ার্টার গার্ডে রেখেছেন, ট্রান্সফার করেছেন, লাথি দিয়েছেন - তবুও তো আমরা সব মেনে নিয়েছি, আমরা তো সাধারন সৈনিক ছিলাম, আমাদের যোগ্যতায় আমাদের এ পরিচয়, কিন্তু, এমন মৃত্যু তো চাইনি। যে অস্ত্রের প্রশিণ পেয়েছি শত্র“র দিকে ট্রিগার চাপব বলে, যে কমান্ডো জাম্প, অ্যাকশন, বোয়েনেটের আঘাত তা তো নিজেদের শরীরে বিধতে চাইন.. "একজন সৈনিক তার অফিসারের মৃত্যু কখনই কামনা করে না । বিডিআর এর বিদ্রোহে কতিপয় চরম উশৃঙ্খল ব্যক্তির জন্য অনেকেই ঢালাও ভাবে সৈনিক দের বিরুদ্ধে বিষেদ্গার করছে ।এটি অন্যায় । এখানে খুব ভাল ভাবে অন্য একটি দিক তুলে ধরেছেন ।
ব্লগারদের একটি মানসিকতা আপত্তিকর । অনেকেই আবাহনী মোহামেডানের মত বিডিআর বা আর্মী একটি পক্ষ নিয়ে পোস্টের পুরোটা না পড়েই হয় প্লাস বা মাইনাস দিয়ে যাচ্ছে । না হলে এমন পোস্ট মাইনাস পায় কী করে?
লেখক বলেছেন: ক্ষোভ আর অসন্তোষের কথাই যদি আসে তাহলে তো এরকম অনেক প্রতিষ্ঠানে আর সংস্থা আছে যেখনে শ্রমিক অসোন্তষ, আন্দোলন, অবরোধ-বন্ধ সহ প্রভৃতি বাস্তবতা প্রতিয়মান। সেখানে মানছি এতদিন যাদের অধীনে ছিল তাদের ক্ষোভের কথা কেউ শোনেনি বা মানতে চাইনি- যেখানে শুধু বঞ্চনা-ই পেয়েছে কিন্তু বহি:প্রকাশটা কি হল, হত্যা এবং মৃত্যু দিয়ে। সবাই কি অসৎ ছিল ? কিন্তু মৃত্যু বরণ করল তো সবাই। দাবী আদায়ের তো অনেক মাধ্যম ছিল সে পন্থায় না গিয়ে সোজা টার্গেট। তাদের দাবী-দাওয়া যৌক্তিক ছিল কিন্তু অধিকার আদায়ের পথ ছিল সম্পূর্ণ অনৈতিক, কিন্তু উড়িয়ে দেয়া যায়না যদি কারও প্ররোচনায় এমন কাজটি করে থাকেন তাহলে তারা তো শুধু নিজেদেরই ক্ষতি করলেন তাই নয় ক্ষতি করলেন পুরো জাতির।
বেক্কল বলেছেন:
সত্যিই, একজন সৈনিক এর চোখে যখন অশ্রু ঝরে তখন বুঝতে হবে জাতি আজ কতটা দূর্যোগময় মুহূর্ত পার করছে।
লেখক বলেছেন: সেদিনের সব কটা পত্রিকায় একটা ছবি বিশেষ আকর্ষিত হয়েছিল, মর্মাহত হয়েছি। পরিচয়ে একজন স্ত্রী মৃত স্বামীর উপর পড়ে অঝোরে কাঁদছেন। স্বামীর বুক গুলিবিদ্ধ তার রক্ত বেঁচে থাকা স্ত্রীর নাকে মুখে। জড় ছবির এমন দৃশ্যে হয়তবা সারাজীবনই নারীটি কেঁদে যাবেন কিন্তু বাস্তবতায় একদিন তাকে ঠিকই জল মুছে ফেলতে হবে কিন্তু ছবিতে জীবন্ত হযে থাকা এ শোক কি তাকে ভোলাতে পারবে ?
বিডি আইডল বলেছেন:
Click This Link উপরের লিংকের ছবি গুলো দেখে বার বার চোখ মুছছিলাম....
হায়রে অভাগা আমরা
লেখক বলেছেন: আপনার লিংকের ছবিগুলো আমার অফিসের সব কলিগদের সাথে শেয়ার করি, স্তব্ধ এবং নির্বাক এক গুমোট পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছিল সেসময়
সারওয়ার ইবনে কায়সার বলেছেন:
ব্লগারদের একটি মানসিকতা আপত্তিকর । অনেকেই আবাহনী মোহামেডানের মত বিডিআর বা আর্মী একটি পক্ষ নিয়ে পোস্টের পুরোটা না পড়েই হয় প্লাস বা মাইনাস দিয়ে যাচ্ছে । না হলে এমন পোস্ট মাইনাস পায় কী করে?
লেখক বলেছেন: মনে মনে অনেক কথা থাকে, এসব বিষয় নিয়ে কিছু বলবার, খারাপ লাগে
বলতেও ঘৃণা হয়
লেখক বলেছেন: শোক যেন শক্তি হয়
জটিল বলেছেন:
এই ছবি অনেক কিছু বলে দেয় ।
লেখক বলেছেন: এই ছবিটি দেখেই লেখাটার প্রতি অনুপ্রাণিত হয়েছিলাম
সুঘ্রাণআবদুলকােদর বলেছেন:
জািতর েশ্রষ্ঠ সন্তানদের মৃত্যুেত অামরা েশাকাহত।
লেখক বলেছেন: জাতি যে মেধাগুলোকে হারিয়ে ফেলল, তা পূরণ সত্যি অসাধ্য
তর্পন বলেছেন:
প্রচেত্য । আমি খুব আবেগ বিহ্বল হয়েছে এমন একটি পোস্টে । সম্ভব হলে এমন আরো কিছু ছবি এবং তথ্য সংযুক্ত করুন । এটি যেন লিফলেটের মত বিতরণ করা হয় ।আমি আবারে বলছি এই পোস্ট টি সেনা অফিসার এবং সৈনিকদের সম্পর্কের সত্যিকারের পরিচয় বহন করে এবং এমন একটি পোস্ট সমস্ত বিভেদ ভুলে নতুন করে এগিয়ে যাবার প্রেরণা যোগায়!
সবাই জানুক এই যে হত্যাকাণ্ড বিডিআর সৈনিকের ভিতরে লুকিয়ে থাকা অল্প কিছু দুর্বৃত্তের কর্ম ।স্বল্পবেতনের এই দরিদ্র সৈনিকেরা যুগ যুগ ধরে অনুগত এবং কৃতজ্ঞ থেকে দেশকে সার্ভভৌমত্বকে নিশ্চিত করেছে।দুর্বৃত্তদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হোক কিন্তু এই সাধারণ সৈনিকদের কে ভুল বুঝবেন না ।
পোস্টি কিছু সময়ের জন্য হলেও স্টিকি করা হোক।
লেখক বলেছেন:
তর্পন,
অনেক সুন্দর করে লিখেছেন আপনার মন্তব্যটি, মোহাবিষ্ট হয়ে পড়েছি
আপনাদের সকলের মন্তব্য এ পোষ্টটিকে আরো মহিমান্বিত করেছে
অশেষ কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি, সকলের প্রতি
রবিনহুড বলেছেন:
এই পোষ্টটা ক্যন যে ষ্টিকি হয় না?
লেখক বলেছেন: আপনারা যে পড়ছেন এবং বিষয়টি উপলব্ধিপূর্বক মন্তব্য করছেন, এটাই সার্থকতা
তর্পন বলেছেন:
এমন পোস্ট কী করে ৩ টি মাইনাস পায়? এরা কারা?
লেখক বলেছেন: সবচেয়ে আশ্চর্যের বিষয় হল, ঘটনাচক্র নিয়ে দেশের কিছু জনগোষ্ঠী দুটি দলে বিভক্ত হয়ে পড়ল, (১) বিডিআরদের পক্ষে (২) আর্মি/আর্মি অফিসারদের বিপক্ষে। সবচেয়ে বিষ্মিত হয়েছি যখন আর্মি অফিসার হত্যা হল বেশ কিছু মানুষ কাছের কিংবা দুরের বেশ উল্লসিত হয়ে পড়লেন, বাহ! বাহ! দিলেন, সাবাশ দিয়ে সাহস দিচ্ছিলেন বিডিআর সেনাদের। Bloody Army বলে লিখিত ও কথ্য গালি দিচ্ছিলেন মৃত আর্মি অফিসারদের। কি অদ্ভূত মানসিকতা, দূর্বল, অসুস্থ এবং বিকৃত মননের জীব অস্তিত্ব। জাতীয় সংকময় মুহূর্তে যখন অভিন্ন থেকে সমাধানের পথ উত্তোরণের চেষ্টা-সহযোগিতা থাকবে তখনই দলে বিভক্ত হয়ে কোন পর্যবেক্ষণ, দোষ-গুণ বিচার ছাড়াই শিক্ষিত বোধহীন মানুষের মত মতামত দিয়ে গেলেন। খুব আধুনিক উন্নত সংস্করণ মনে করেন তাদের।
শত রুপা বলেছেন:
চোখের জল অনেক কথা বলে গেল........
লেখক বলেছেন: অনেক, অনেক, চোখের জলে ভাষা পড়া সত্যি অসাধ্য
বিডি আইডল বলেছেন:
তর্পন বলেছেন: ্.........সম্ভব হলে এমন আরো কিছু ছবি এবং তথ্য সংযুক্ত করুন .........আমার দেয়া লিংকটি দেখতে পারেন
লেখক বলেছেন: ফেইসবুকের আপনার লিংকের ছবিগুলো সত্যি স্তব্ধ করে সময়
অলস ছেলে বলেছেন:
ন্যায় বিচার চাই, শান্তি চাই, সব দুস্কৃতিকারী আর গুপ্তঘাতকদের ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে দেশের সার্বভৌমত্ব অটুট থাকুক, এটাই চাই।দেশের শ্রেষ্ঠ সন্তানেরা কর্তব্যপালনরত অবস্থায় দেশপ্রেমের যে দাম দিলেন, তার যোগ্য হয়ে উঠুক এই জাতি।
লেখক বলেছেন: এটা বেশ গোছানো একটি মন্তব্য
অলস ছেলে বলেছেন:
বিডি আইডলে দেয়া লিংকটি সবারই দেখা দরকার, বারবার।
লেখক বলেছেন: ঠিকই বলেছেন
ড়ৎশড় বলেছেন:
আপনাকে ধন্যবাদ জানানোর ভাষা আমার জানা নেই।তারা যে সবার আগে মানুষ এটা কেন যেন অনেকে মানতেই চাইনি।
লেখক বলেছেন: অনেক সুন্দর মন্তব্য
তারিক মোহাম্মাদ বলেছেন:
বন্যা, সিডর , বিশ্ব শান্তি বজায় রখতে, মানবিক সাহায্যের হাত বাডায় যারা......মানুষের চোখের জল মুছিয়ে দেয় যারা........মানবতার সেবায় কাজ করে যারা...দেশ রক্ষায় যারা প্রান বিসর্জন দেয়...... তাদের চোখে আজ জল... জাতি আজ তাদের পুরস্কার দিয়েছে.... .....কাদো .. আরও কাদো.... চোখের জলে এ দেশের পাপ মোচন করে দাও...........
লেখক বলেছেন: সরকার তো তদন্তের সময় নিতে নিতে মাস খানেক পার করে দিল .....
সোনার বাংলা বলেছেন:
রাতমজুর বলেছেন:
বাদ দিন, মিডিয়ার কল্যাণে এরা এখনো দানব।
ফৌজিরা আগে মানুষ, পরে ফৌজের, এটা বোঝার চেষ্টাও কেউ করে না, করছে না, করবে না।
> এ দেশের মানুষ বুঝে না তবে ফিলিস্তিনীরা বুঝে কারন তাদের নাই। শ্রীংকানেরা
বুঝে এদের কেন প্রয়োজন। ইসরাইলীরা ও বুঝে.. ঢাকা শহরের মতো একটা দেশ
হয়ে। শুধু আমাদের আগাছা বুদ্ধিজীবিরা মীর জাফরের মতো সেনাবাহিনীর পিছে
লাগছে। এদের উদ্দেশ্য ভালো নয়.....
লেখক বলেছেন: চমতকার একটি কথা বলেছেন,
ফৌজিরা আগে মানুষ, পরে ফৌজের, এটা বোঝার চেষ্টাও কেউ করে না, করছে না, করবে না।
প্রচেত্য বলেছেন:
কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি সহব্লগার 'আনিক'-এর প্রতি, যে ছবিটি নিয়ে আমার এ পোষ্ট সে ছবিটি তার ব্লগ থেকেই সংগ্রহ করেছিলাম।
নীচের লিংকে তার দেয়া সচিত্র পোষ্টটি পড়ে ক্ষনিকক্ষণের জন্য নির্বাক হয়ে গিয়েছিলাম
যিনি ফটোটি তুলেছিলেন কৃতজ্ঞতা তার প্রতিও
Click This Link
লেখক বলেছেন: আমরাও সেরকমই প্রত্যাশা করি
নীল-দর্পণ বলেছেন:
পোষ্ট টা ষ্টিকি করা হোক। এমন পোষ্টেও মাইনাস!!!!!! আজব!!!!
লেখক বলেছেন: ভাই, এটা বিশ্বাস করি প্লাস যখন আছে, মাইনাস থাকবেই
মেহবুবা বলেছেন:
সৈনিক তবে একজন মানুষ , পোষাকের ভেতর মানুষ সে । তবে মানুষের মুখোশধারী কিছু জানোয়ার সেদিন স্বরূপে আর্বিভুত হয়েছিল ।
লেখক বলেছেন: এটা সত্য
কিন্তু খতিয়ে দেখতে হবে প্রকৃতপক্ষে কারা তাদেরকে উদ্বুদ্ধ করেছিল
লেখক বলেছেন: একই কথা একই সুরে
সত্যের জয় হোক !
নির্বাসন বলেছেন:
আপনি ধরেই নিচ্ছেন যে সব অফিসার সৈনিকদের প্রতি কেবল অবিচার ই করে। আমি তো এর উলটো হতে অনেক দেখেছি...সে জন্য না হোক...এত গুলি মানুষ যে মারা গেলো এবং এ জন্য যে তাদের কতিপয় লোক দায়ী সে কথা ভেবে সে তো কাঁদতেই পারে...কাঁদা উচিত ও।
লেখক বলেছেন:
দু:খিত, অনেকদিন পর মন্তব্য
আসলে প্রত্যেক কর্মক্ষেত্রেই কিছু না কিছু বৈষম্য থাকবেই,
আসলে নিষ্ঠুর হত্যাকে ঘৃনা করি
বাঙাল যুবক বলেছেন:
যুদ্ধ সাজে সজ্জিত এক সৈনিকের কান্না। সত্যিই হৃদয়বিদারক!
লেখক বলেছেন:
দু:খিত, অনেকদিন পর মন্তব্য
বিরল দৃশ্য
উদাসী স্বপ্ন বলেছেন:
কি খবর? শরীর কেমুন?সেদিন ফোন করেছিলাম, আপনি কাশাকাশি করছিলেন!
এখন শরীরের কি অবস্হা?
আপনার আম্মাজানের সাথে কথা হলো, উনি কেমুন আছেন?
ভালো থাকেন, আর কাইন্ডলি একটু যোগাযোগ রাইখেন এই অধমের সাথে!
আইচ্চা ভালো কথা, এইবারের জন্মদিনে আপনের প্লান কি? যতদূর জানি একটা বিশেষ দিনে আপনের জন্ম হইছে!
লেখক বলেছেন:
দু:খিত, অনেকদিন পর মন্তব্য
উদাসী ভাই, কেমন আছেন
আলহামদুলিল্লাহ আপনাদের দোআয় এখন অনেক ভালো আছি
জন্মদিনে একটাই প্লান থাকে, সারাদিন বাসায় মা-বাবার সাথে সময় দেয়া
খলিল মাহমুদ বলেছেন:
লেখাটিতে সৈনিক জীবনের একটা সত্যমাত্রা তুলে ধরেছেন। সেজন্য এ লেখার আবেদন অনেক বেশি। তবে অত্যন্ত বিনয়ের সাথে একটা কথা বলতে চাই, লেখাটা এ জায়গায় এসে পক্ষপাতমূলক বলে মনে হয়েছে আমার কাছে :
“আমাদেরকে গালি দিয়েছেন, কোয়ার্টার গার্ডে রেখেছেন, ট্রান্সফার করেছেন, লাথি দিয়েছেন - তবুও তো আমরা সব মেনে নিয়েছি, আমরা তো সাধারন সৈনিক ছিলাম, আমাদের যোগ্যতায় আমাদের এ পরিচয়, কিন্তু, এমন মৃত্যু তো চাইনি। যে অস্ত্রের প্রশিণ পেয়েছি শত্র“র দিকে ট্রিগার চাপব বলে, যে কমান্ডো জাম্প, অ্যাকশন, বোয়েনেটের আঘাত তা তো নিজেদের শরীরে বিধতে চাইনি”। ...........অফিসার-সৈনিক সম্পর্ক এদেশে এমন নয়, এমনকি বিডিআরেও নয়। আপনি যাঁদের কাছ থেকে এ তথ্য জেনে লেখাটার উপাদান নিয়েছেন, তাঁরা হয় সেনাবাহিনী সম্পর্কে কিছুই জানেন না, অথবা পুরোটাই জানেন কিন্তু নেগেটিভ প্রোপাগান্ডা ছড়ানোর উদ্দেশ্যে এগুলো বলেছেন।
সব মা-বাবার বৈশিষ্ট্য যেমন বাত্সল্যপ্রবণ হবার কথা, তারপরও দুএকজন ব্যতিক্রমী চরিত্রের নিষ্ঠুর মা-বাবা কোথাও কোথাও পাওয়া যায়, তেমনি রূঢ় ও কঠিন আচরণের দুএকজন অফিসার সেনাবাহিনিতেও থাকাও অস্বাভাবিক নয়; কিন্তু আপনি যেভাবে বর্ণনা করেছেন ওরকম না। যদি আপনার নিকটাত্মীয় কেউ থেকে থাকেন সেনাবাহিনীতে, জিজ্ঞাসা করুন।
শুভকামনা।
লেখক বলেছেন: খলিল ভাই,
দু:খিত, অনেকদিন পর মন্তব্য
ধন্যবাদ আপনার মন্তব্যের জন্য
আমরা সবাই কিছু না কিছু পক্ষপাত দোষে দুষ্ট
হয়তো হতে পারে
অস্বীকার করবোনা
লেখক বলেছেন: সালেহ ভাই
দু:খিত, অনেক দেরীতে মন্তব্য
সত্যি বিরল
শুভকামনা থাকলো
লেখক বলেছেন: দু:খিত, অনেকদিন পর মন্তব্য
বিচার নীরবে নিভৃতে কান্দে
আমরা সে শব্ধ শুনতেও পাইনা
ইব্রাহীমলিজা বলেছেন:
চোখের জল ধরে রাখতে ব্যর্থ হলাম... ++++
লেখক বলেছেন: আসলেই এটা অনেক কষ্টের
শুভকামনা রইল লিজা
শেলী বলেছেন:
খলিল মাহমুদের সাথে একমত। আমি আর্মি অফিসারের মেয়ে। অত্যাচারী খুব কম থাকে আর অনেক কিছু ডিসিপ্লিনের জন্য করা হয় বাইরে থেকে যা বুঝা যায়না।
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...





















